উদ্ভাসিত পরিবার

উদ্ভাসিত পরিবার

Share

Mission
Seek Knowledge

08/07/2023

বিল গেটস লাইনে দাঁড়িয়েছেন বার্গার কিনতে ! সামনের ছেলেটার দিকে তাকান , বিন্দুমাত্র কৌতুহল নেই যে , তার পিছনে দুনিয়ার সেরা ধনী মানুষটা দাঁড়িয়ে আছে । অথচ আমাদের লোকাল নেতাগুলাে পাব্লিক টয়লেটের সিরিয়াল থেকে নিয়ে ট্রেনের টিকিট কাটা পর্যন্ত সব জায়গায় নিজেকে ভিআইপি পরিচয় দিয়ে গর্ববােধ করে,এবং সমস্ত রকম সুবিধা ভোগ করে !
অনেক কিছু শেখার আছে।

13/10/2020

এডমিশনে ভর্তি পরীক্ষায় মেধাবী হওয়া সত্তে ও চান্স না পাবার কিছু কারন।এই ভূল গুলো যদি তোমরা করো তাহলে চান্স টা সোনার হরিণে পরিণত হতে খুব বেশি সময় লাগবে না।

১.একই বিষয়ের একাধিক গাইড পড়া।প্রথমে যেকোনো একটা গাইড মেইন বই এর সাথে ভালো করে শেষ করো।তারপর অন্য গুলো যদি পারো তাহলে পড়বা।কিন্তু কমপ্লিট না করে অন্য গাইডে যাবা না।

২.ঢাবি প্রশ্ন ব্যাংক পুরোপুরি শেষ না করে পরীক্ষা দেয়া।

৩.মানুষের কথায় সহজেই হতাশ হয়ে যাওয়া।

৪.একসাথে ক এবং ঘ ইউনিট এর প্রিপারেশন নেয়া।এতে খালি হাতে ফেরার চান্স বেড়ে যায়।

৫.পাখি এবং এবং টিভি সিরিয়াল এ রুটিন মেপে সময় দেয়া।এই সময় টা তে পাখি আর সিরিয়ালে সময় আগের মতই অপচয় করা।

৬.অমুক ভার্সিটি ভালো না,তমুক ভার্সিটি দূরে এই মনোভাব থাকা।

৭.আমি বিশাল ছাত্র, সব পারি আমি এবং আমি কিছুই পারি না এই দুই এর মধ্যে থাকা।

৮.কোচিং এর মার্কসে হতাশ হয়ে কোচিং ছেড়ে দেয়া।

৯.দূরের ভার্সিটি.... নোয়াখালি,পটুয়াখালি,বরিশাল,কুমিল্লা এত দূরে পরীক্ষা দিয়ে কি লাভ! এগুলো তে পড়ে কি চাকরি পাবো! এই টেনডন্সি থাকা।একটা কথা বলি পাবলিক এর ছাত্র আগে হও,তখন বুঝবা এগুলোতে পড়ে কি হবে....কল্পনা ও করতে পারবা না পাবলিকের উচ্চতা কতদূর ।আর কোথায় কত বেতনে চাকরি পাওয়া যায় এগুলো তে পড়ে ভাবতে ও পারবা না।

১০.ছোটো স্বপ্ন দেখা। একটা হাতির স্বপ্ন
দেখবা, একটা মুরগি হলে ও পাবা কিন্তু তোমার স্বপ্নই যদি হয় মুরগি তাইলে ডিম পাওয়ার আশা করা কঠিন।

১১.জিপিএ কম নিয়ে যেখানে জিপিএ মার্কস গণনা করা হয় বেশি সেই ভার্সিটি কে টার্গেট করা।

১২.অযথা ঘুরাফিরা আর পাশের বাড়ির আন্টি কি বলবে, সেটা ভাবা।

১৩.নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস না থাকা।

১৪.যেই ভার্সিটি তে পরীক্ষা দিবা সেই ভার্সিটির বিগত বছরের প্রশ্ন এনালাইসিস না করা,পাশ মার্কস কত সেটা না জানা।

13/10/2020

★★★★ঢাবি ক ইউনিট

★আবেদন যোগ্যতা ক ইউনিট ঃ

দেশের যেকোন শিক্ষাবোর্ডের অধীনে বিজ্ঞান অথবা কৃষিবিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ৮.০০ (৪র্থ বিষয়সহ)। এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের প্রত্যেকটিতে আলাদাভাবে প্রাপ্ত জিপিএ কমপক্ষে ৩.৫০ থাকতে হবে।

★ঢাবি ক ইউনিটে
অনুষদ ও বিভাগ সমূহঃ

বিজ্ঞান অনুষদ, জীববিজ্ঞান অনুষদ, আর্থ এন্ড এনভারমেন্টাল সায়েন্স অনুষদ, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদ, ফার্মেসি অনুষদ, পরিসংখ্যান অনুষদ, পুষ্ট ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, তথ্য ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট এর অধীনে নিম্মোক্ত বিভাগ সমূহ-
* জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি - ফার্মেসী
* পরিসংখ্যান, ও তথ্য পরিসংখ্যান
* ফলিত গনিত
* মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ
* উদ্ভিদ বিজ্ঞান * প্রাণি বিজ্ঞান
* প্রাণ রসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান
* মনোবিজ্ঞান
* অনুজীব বিজ্ঞান
* মৎসবিজ্ঞান * পদার্থ
* গনিত
* ভূগোল ও পরিবেশ
* ভূতত্ত্ব
* দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা * ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং
* ফলিত রসায়ন
* কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল
* ফলিত পরিসংখ্যান
* পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান * রসায়ন
* লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং
* ফুটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং
* লেদার প্রোডাক্টস ইঞ্জিনিয়ারিং
* নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং * সমুদ্র বিজ্ঞান
* মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ
* সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং
* ফুডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং
* রোবোটিক্স এন্ড ম্যাকট্রুনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং

★ঢাবি ভর্তিপরীক্ষায় অবজেক্টিভের সাথে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে..
শুধুমাত্র বৃত্ত ভরাটের পরিবর্তে 'এক কথায় উত্তর' লিখতে হবে বা পরীক্ষায় সৃজনশীল প্রশ্নে ২ নাম্বারের অনুধাবনমুলক প্রশ্নের জন্য যতটুকু লেখো ততটুকু লেখতে হবে।
অর্থাৎ ,এইচএসসি পরীক্ষার প্রিপারেশনেই অনেকটাই কাভার হয়ে যাবে এই রিটেন অংশের প্রিপারেশন।

★ ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টনঃ
❑ ক ইউনিটঃ
ভর্তি পরিক্ষা ১০০ নম্বরে।
রিটেন - ৪০, MCQ - ৬০।

যে যে বিষয় থেকে প্রশ্ন আসে :
পদার্থ +রসায়ন +জীববিজ্ঞান +গণিত ।

MCQ :
♦পদার্থ- ১৫
♦ রসায়ন- ১৫
♦ জীববিজ্ঞান- ১৫
♦ গণিত- ১৫

♦ বাংলা/ইংরেজী- ১৫ (ঐচ্ছিক)
[৪র্থ বিষয় (জীববিজ্ঞান/গণিত) এর পরিবর্তে "বাংলা/ইংরেজী" অংশ উত্তর করা যাবে। মোট ৪ টি অংশের উত্তর করতে হবে।]

রিটেন ( লিখিত) :


♦ পদার্থ- ১০
♦ রসায়ন- ১০
♦জীববিজ্ঞান- ১০
♦গণিত- ১০

★ বাংলা/ইংরেজী- ১০ (ঐচ্ছিক)
[৪র্থ বিষয় (জীববিজ্ঞান/গণিত) এর পরিবর্তে "বাংলা/ইংরেজী" অংশ উত্তর করা যাবে। মোট ৪ টি অংশের উত্তর করতে হবে।]

এই ক্ষেত্রে যারা গণিত কিংবা জীববিজ্ঞান এর মধ্যে যে কোন একটা বাদ দিয়ে ইংরেজি কিংবা বাংলা উত্তর করবে, তখন সে চান্স পেলে গণিত কিংবা জীববিজ্ঞান সম্পর্কিত বিভাগ পাবে না।

এবার আসি ক ইউনিটের জন্য কি কি কিভাবে পড়বে!!!

★পদার্থবিজ্ঞানঃ
১। পদার্থবিজ্ঞানে গাণিতিক সমস্যার সাথে সাথে কিছু তাত্ত্বিক প্রশ্নও আসে। তবে গাণিতিক প্রশ্ন সংখ্যায় বেশি আসে বলে এই ভাগে আলাদা নজর দিতে হবে।
২। গাণিতিক প্রশ্নের সমাধানের জন্য প্রতিটি সূত্র এমনভাবে পড়তে হবে, যাতে পরীক্ষার হলে আর চিন্তা করে বের করতে না হয়। কারণ সূত্র চিন্তা করে বের করার কোন সময় নাই।
৩। পরীক্ষায় ক্যালকুলেটর ব্যবহারের সুযোগ নেই। তাই পদার্থবিজ্ঞানের যে ক্যালকুলেশন গুলো আমরা সচারচর হাতে করতে অভ্যস্ত নই, এমন কিছু ক্যালকুলেশন হাতে করার প্র্যাকটিস করতে হবে।
৪। প্রশ্নের গাণিতিক সমস্যা ভালোভাবে পড়ে বুঝতে হবে যে, কি বের করতে বলা হইছে। তখন সেটা বের করার সম্ভাব্য সূত্রগুলোর সাথে প্রদত্ত উপাত্তের রাশিগুলো মিলিয়ে সেই সঠিক সূত্রটা লিখে ফেলতে হবে। এরপর সূত্রের মধ্যে কোন রাশি অজানা থাকলে, সেগুলোও একই নিয়মে বের করতে হবে। এভাবে ধাপে ধাপে করলে প্যাচ কম লাগবে।
৫। বইয়ের সকল লেখচিত্রের ব্যাখ্যা বুঝতে হবে। কারণ এই লেখচিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
৬। তাত্ত্বিক প্রশ্নগুলোর উত্তর করার জন্য বেশি গভীরে যাওয়া লাগবে না। পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়গুলো থেকেই তাত্ত্বিক প্রশ্ন বেশি আসে।

★রসায়নঃ
১। রসায়নে গাণিতিক ও তাত্ত্বিক প্রশ্ন প্রায় সমানুপাতিক হারে আসে। গাণিতিক অংশে ভালো করার জন্য বিভিন্ন একক ও সংকেত ভালোভাবে আয়ত্তে আনতে হবে। কারণ একক কিংবা সংকেত থেকেও অনেক প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তর খুঁজে বের করা যায়।

২। তাত্ত্বিক অংশের জন্য যোজনী, বিক্রিয়া, ভর, তুল্য সংখ্যা, সংকেতসহ সব অধ্যায় মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে। রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলো নাম সহ বুঝে পড়তে হবে।

৩। রসায়নের ক্ষেত্রে ভুল উত্তর ও সঠিক উত্তরের মধ্যে পার্থক্য খুব কম থাকে। তাই সতর্ক থাকতে হবে উত্তর করার সময়।

৪। বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রভাবক, তাপমাত্রার চাপের মানের দিকে খেয়াল রাখতে হবে, যাতে বুঝতে ভুল না হয়। কারণ এই অংশেই মান চেন্স করে কনফিউশন তৈরি করা হয়।

৫। আর মৌলিক সূত্র এবং ইলেকট্রন বিন্যাসের সূত্রগুলো কোনভাবেই ভুলে গেলে চলবে না।

★গণিতঃ
১। ক্যালকুলেটর না থাকায় অনেকের গণিত করতে একটু সমস্যা হবে। এতে লাভও হয়েছে। কারণ জটিল গাণিতিক সমস্যা আসার সম্ভাবনাও কমে গেছে। অর্থাৎ মৌলিক ও টেকনিক্যাল অংকগুলো বেশি আসে।

২। আর সাধারণ নামতা ভুলে গেলে চলবে না। পাশাপাশি সমাধানের বিভিন্ন সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি অনুশীলন করতে হবে।

৩। ছোট-মাঝারী অঙ্কগুলোও যত সংক্ষিপ্ত আকারে সমাধান করা যায় ততই ভালো। গণিতে ভালো করার জন্য নিয়মিত অনুশীলন ও সূত্র মনে রাখার কোন বিকল্প নাই।

৪। অঙ্কের সমাধান করার ক্ষেত্রে সূত্র ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকতে হবে।

৫। ক্যালকুলাসের সূত্র থেকেই সম্ভাব্য উত্তর বের করা যায়। তাই সূত্র মনে রাখার বিকল্প নাই।

৬। ত্রিকোণমিতির সূত্র ঠোঁটের আগায় রাখতে হবে। বিভিন্ন কোয়াড্রেন্টের হিসাবগুলো থেকে কোণের শর্তগুলো ভালোভাবে বুঝার চেষ্টা করতে হবে। কারণ এই অংশ বুঝে গেলে ৪ টার মধ্যে সম্ভাব্য উত্তর খুঁজে পেতে সুবিধা হয়।

★জীববিজ্ঞানঃ
১। জীববিজ্ঞানে প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র থেকে সাধারণত সমানসংখ্যক প্রশ্ন থাকে। এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলনামূলক সহজ হয়। প্রতিটি অধ্যায় থেকে প্রশ্ন আসে বলে কোনো কিছুই বাদ দেওয়া যাবে না।

২। বৈজ্ঞানিক নাম, বৈশিষ্ট্য ও শ্রেণিবিন্যাস বেশি বেশি পড়তে হবে। কারণ এই দিকটা না পারলে আন্দাজ করে কিছুই পারা যায় না। সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য বইয়ের পড়াই যথেষ্ট।

৩। জীববিজ্ঞানের জন্য বিগত বছরের প্রশ্ন সব ব্যাখা সহ মুখস্ত করতে হবে। কারণ জীববিজ্ঞানে প্রশ্ন রিপিট হতে দেখা যায়। আর যদিও এখন প্রশ্নের ধরন ভিন্ন হবে, তারপরও পুরোনো প্রশ্ন দেখলে কোন কোন টপিক থেকে বেশি প্রশ্ন আসে সে ব্যাপারে ধারণা তৈরি হবে।

৪। যে টপিকস থেকে বিগত কোন এক বছরে আসছে, সেই টপিকসগুলোর বিস্তারিত আগে ভালোভাবে পড়তে হবে। এভাবে পড়লে জীববিজ্ঞান সাবজেক্টে ৭০% থেকে ৮০% পর্যন্ত কমন ফেলানো যাবে।

★বাংলাঃ বি ইউনিটের বাংলা প্রথম পত্রের জন্য ইন্টারের মেইন বইটা খুব ভালো করে রিডিং পড়তে হবে।যদিও এটা পড়া আছে আবারও পড়বা।
পড়ার সময় গদ্যের গুরুত্বপূর্ণ লাইনগুলার ব্যাখ্যা,কবি পরিচিতি, মূলভাব,শব্দার্থ -টিকা,কবিতার লাইনের ব্যাখ্যা,কোন কবিতা কোন ছন্দে লেখা,কোন কবিতায় কয়টি পাখির,গাছের,নদীর নাম আছে,কবিতার কোন লাইনের পরে কোন লাইন,প্রথম লাইন, শেষ লাইন ইত্যাদি খুঁটিনাটি খুব ভালো করে পড়বা। তুমি যে ব্যাখ্যাগুলো পড়বা ওটাই রিটেনের জন্য কাজে লাগবে।

উপন্যাস, নাটক জাস্ট রিডিং পড়বা।

বাংলা ২য় পত্রের জন্য ৯-১০ এর বোর্ড গ্রামার বইটা জাস্ট মুখস্থ করে ফেলবা।
চ্যালেন্জ দিলাম তুমি এই বইটার ওপর যদি ১০০% প্রিপারেশন নিয়ে যেতে পারো গ্রামারে ১ মার্কসও ছুটবে না ইনশাআল্লাহ। আর গ্রামার পড়ার ক্ষেত্রে কিছু বাদ দিবে না কিন্তু। কারণ এটা ভালোভাবে পড়লে একইসাথে রিটেন,অবজেক্টিভ এর প্রিপারেশন হয়ে যাবে।

মনে করো রিটেনে এভাবে আসতে পারে
~গঠন অনুযায়ী বাক্য কত প্রকার ও কি কি? সংজ্ঞাসহ উদাহরণ দাও।
বা এর থেকেও আরো শর্ট করেও দিতে পারে।
আর বিরচন পার্টটার জন্য তোমার পছন্দের যেকোনো একটা বই কিনে নিও।

★ইংরেজিঃ
বি ইউনিটে যারা আছো ইন্টারের ইংরেজি প্রথম পত্র বইটা রিডিং খুব ভালো করে পড়ে ফেলবা।
পড়ার সময়ে কোন লাইন দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে, ভোকাবুলারি,কবিতাগুলো পারলে মুখস্থ করবা,কবিতার ডিটেইলস পড়বা,প্রথম লাইন-শেষ লাইন এগুলো একটু ভালোভাবে পড়বা।
মনে করো যদি প্রথম পত্র থেকে রিটেন আসে বলে দিতে পারে কবিতার ওমুক লাইন ব্যাখ্যা করো।বলে দিচ্ছি প্রথম পত্রের ভোকাবুলারিগুলো ভালোভাবে পড়লে এটা থেকেই কমন আসার পসিবিলিটি আছে।

এবার আসি ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের গ্রামারের জন্য ইংলিশ ফর কম্পিটিটিভ এক্সাম বইটা এনাফ।ওখানে যে যে টপিকগুলো আসে তা সাজানোই আছে।
সো কোনো টপিক বাদ দেয়ার দরকার নেই।

এ বইটা থেকে বিসিএস বা অন্য পরীক্ষার প্রশ্ন পড়ার দরকার নেই শুধু টপিক ওয়াইজ এক্সারসাইজ গুলো পড়লেই হবে।

আর ভোকাবুলারির জন্য যদি কেউ বাড়তি কিছু পড়তে চাও তাহলে ভোকার যেকোনো একটা বই কিনে নিও।
ইংরেজি রিটেনে এমনও আসতে পারে যে তোমাকে একটা টপিক সম্পর্কে কিছু লিখতে বললো।এর বেশি কিছু না।
আর ইংরেজিতে রিটেনে তারাই এগিয়ে থাকবে যাদের কিনা ইন্সট্যান্ট বানিয়ে লেখার ক্রিয়েটিভিটি আছে।

নেক্সট রিভিও থাকবে ক ইউনিটের জন্য কি কি বই পড়বে....

13/10/2020

মেডিকেল ফাষ্ট টাইমারদের নিয়ে আলোচনা-

যারা এবার এইচ.এস.সি পাশ করলা-
জিপিএ এস. এস.সি তে ৫ এবং এইচ.এস.সি তে যদি ৪.৭৫ আসে তবেই মেডিকেল এর কোচিং করবে তাতে করে তোমার স্কোর:
★এস. এস.সি র জিপিএ ৫ গুন ১৫ = ৭৫
এইচ.এস.সি র জিপিএ ৪.৭৫ গুন ২৫ = ১১৯
মোটঃ ১৯৪ স্কোর এটা নিয়ে চান্স পাওয়া পছিবল!!!
সাথে ভার্সিটি র জন্য ম্যাথ করবা এবং বায়োলজি ইউনিট গুলোয় এক্সাম দিবা!!!!
★যাদের জিপিএ এস. এস.সি তে ৫ এবং এইচ.এস.সি তে যদি ৪.৮০ আসে মেডিকেল এর কোচিং করবে তাতে করে তোমার স্কোর :
এস. এস.সি র জিপিএ ৫ গুন ১৫ = ৭৫
এইচ.এস.সি র জিপিএ ৪.৮০ গুন ২৫ = ১২০
মোটঃ ১৯৫ স্কোর এটা নিয়ে চান্স পাওয়া পছিবল!!!
সাথে ভার্সিটি র জন্য ম্যাথ করবা এবং বায়োলজি ইউনিট গুলোয় এক্সাম দিবা!!!!
★যাদের জিপিএ এস. এস.সি তে ৫ এবং এইচ.এস.সি তে যদি ৪.৯০ আসে মেডিকেল এর কোচিং করবে তাতে করে তোমার স্কোর :
এস. এস.সি র জিপিএ ৫ গুন ১৫ = ৭৫
এইচ.এস.সি র জিপিএ ৪.৯০ গুন ২৫ = ১২৩
মোটঃ ১৯৮ স্কোর এটা নিয়ে চান্স পাওয়া পছিবল!!!
ভাল করে প্রিপারেশন নিবা!!!
★যাদের জিপিএ এস. এস.সি তে ৫ এবং এইচ.এস.সি তে যদি ৪.৯৫ আসে মেডিকেল এর কোচিং করবে তাতে করে তোমার স্কোর :
এস. এস.সি র জিপিএ ৫ গুন ১৫ = ৭৫
এইচ.এস.সি র জিপিএ ৪.৯৫ গুন ২৫ = ১২৪
মোটঃ ১৯৯ স্কোর এটা নিয়ে চান্স পাওয়া পছিবল!!!
★যাদের জিপিএ এস. এস.সি তে ৫ এবং এইচ.এস.সি তে যদি ৪.৬০ আসে ভার্সিটি চিন্তা করাই ভাল কারন তোমার স্কোর আসবে তাতে করে:
এস. এস.সি র জিপিএ ৫ গুন ১৫ = ৭৫
এইচ.এস.সি র জিপিএ ৪.৬০ গুন ২৫ = ১১৫
মোটঃ ১৯০ যা মেডিকেল এর জন্য টাফ!!!
★যাদের জিপিএ এস. এস.সি তে ৫ এবং এইচ.এস.সি তে যদি ৪.৫০ আসে ভার্সিটি চিন্তা করাই ভাল কারন তোমার স্কোর আসবে তাতে করে:
এস. এস.সি র জিপিএ ৫ গুন ১৫ = ৭৫
এইচ.এস.সি র জিপিএ ৪.৫০ গুন ২৫ = ১১৩
মোটঃ ১৮৮ যা,মেডিকেল এর জন্য টাফ ভার্সিটি র চিন্তা করা ভাল। এক্সসেপশন ইজ নট এ এক্সাম্পল!!!!
আশা,করবো অনেক কনফিউশন ডিপ্রেশন কমে গেছে। ধন্যবাদ।

13/10/2020

ভর্তি পরীক্ষার কৌশলী পড়াশুনা এবং
এর ধরন-----

১) অনেকেই মনে করে পুরো বইয়ের
প্রতিটি লাইন ,প্রতিটি শব্দ না পড়লে
পরীক্ষায় উত্তর করা যাবে না । এইটা
ভুল
ধারনা । এরকম করতে গিয়ে প্রচুর সময়
নষ্ট হয় । প্রস্তুতি ভালো হয় না । পড়তে
হবে ইম্পরট্যান্ট টপিক গুলো । সেগুলো
আত্মস্থ করে ফেলতে হবে ।
২) প্রতিটা অধ্যায়ে কিছু টপিক থাকে
শুধুই জানার জন্য । কিছু টপিক থাকে
ব্যাপক তথ্যবহুল ( ভর্তি পরীক্ষার জন্য
এগুলো মুখস্ত করতে হবে ) । আর কিছু
টপিক থাকে যেগুলো হচ্ছে
এনালাইটিকাল। মানে হচ্ছে
ভালোভাবে বুঝতে হবে । না বুঝলে
উত্তর
করাযাবে না । অতএব সেগুলো মুখস্ত
করার চেষ্টা না করে বুঝার চেষ্টা
করো
। লাভ হবে । আর যেগুলো জানার
জিনিস
সেগুলোর উপর চোখ বুলিয়ে গেলেই
হবে ।
মুখস্ত করতে হবে না ।
৩) অংক বিষয়ে উত্তর করতে গিয়ে
অনেকেরই একটা সমস্যা হয় । সেটা হচ্ছে
,ফর্মুলা সহ প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো
ঠিকঠাক ভাবে জানার পরেও এরা
সঠিক
উত্তর করতে পারে না । ভুলভাল উত্তর
করে আসে । এই সমস্যা থেকে বাঁচার
উপায় হচ্ছে প্রতিদিন নিয়ম করে ৪০ টা
অংক অবজেক্টিভ সমাধান করা । সম্ভব
হলে আরো বেশি করতে হবে । আর
যারা
ফর্মুলা গুলোতেই এখনো দুর্বল আছো
,তাদের জন্য পরামর্শ হচ্ছে ,আগে ফর্মুলা
এবং সেগুলোর প্রয়োগ ভালোভাবে
জেনে নাও । এরপর সমাধান করো । না
বুঝে অংক সমাধান করে কিংবা
আন্দাজে উত্তর করে ভর্তি পরীক্ষায় খুব
একটা লাভ হয় না ।
৫) ইংরেজি বিষয়ে সবাই ভীত থাকে

না জানি কেমন প্রশ্ন হয় !! বরাবরের
মতোই পুরনো কথাটা নতুন করে বলি ।
প্রশ্ন হবে বেসিক থেকে । তোমরা
বোর্ডের গ্রামার বইটা ভালোভাবে
স্টাডি করতে পারো । ভোকেবুলারি
বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারো ।
বিগত
বছরের প্রশ্ন গুলো সমাধান করতে পারো
। তোমার প্রস্তুতি অনেক এগিয়ে
যাবে ।
সবার জন্য শুভ কামনা রইলো । পরবর্তীতে
আমরা আলোচনা করবো ,কিভাবে
বাংলা বিষয়ে ভালো করা যায় ।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Molla Road
Dhaka