All Exam Helping Center

All Exam Helping Center

Share

Education

Photos from All Exam Helping Center's post 04/03/2025

#এইচএসসির_সকল_বিষয়ের_সাজেশন_ও_উত্তর__পেতে_পেজে__ফলো_দিয়ে_চোখ_রাখো
#বাংলা_১ম_পএ
#নাটক_সিরাজউদ্দৌলা_নৈর্ব্যত্তিক_সাজেশন_ও_উত্তর
োর্ডের_জন্য_প্রযোজ্য
#এইচএসসির_সকল_বিষয়ের_সাজেশন_ও_উত্তর__পেতে_পেজে__ফলো_দিয়ে_চোখ_রাখো

15/10/2022

বিভিন্ন জটিলতার কারণে আমাদের পেইজটা বন্ধ ছিল। তা আমরা পুনরায় চালু করলাম। এখন থেকে সব আপডেট এখান থেকে জানানো হবে। সবাইকে ধন্যবাদ👍👍👍
ফ্যাক্ট ঃ সামনে ভালো কিছু আসতেছে। তৈরি থাকুন সবাই👍👍👍

08/04/2019

এইচএসসির ৫ পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন

চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার পাঁচ দিনের সময়সূচি পরিবর্তন করেছে সরকার।

সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক।

তিনি জানান, আগামী ১৭ এপ্রিলের পরীক্ষাগুলো ৯ মে বিকালে, ১৮ এপ্রিলের পরীক্ষা ১১ মে বিকালে এবং ২২ এপ্রিলের পরীক্ষা ১২ মে বিকালে নেয়া হবে।

এছাড়া ৪ মে এবং ৬ মের পরীক্ষা একই দিন সকালের পরিবর্তে বিকালে নেয়া হবে বলে জানান জিয়াউল হক।

তিনি বলেন, শবে বরাতের কারণে এক দিনের এবং পরীক্ষাগুলো পাশাপাশি পড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে অন্য চার দিনের পরীক্ষা সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে।

এবার শবে বরাত পালিত হবে ২১ এপ্রিল রাতে, আর সরকারি ছুটি থাকবে ২২ এপ্রিল।

২০১৯ সালের বর্ষপঞ্জিতে ২১ এপ্রিল শবে বরাতের ছুটি নির্ধারিত ছিল, সেই হিসেবে পরীক্ষার রুটিন তৈরি করা হয়েছিল।

গত ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এ বছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন।

এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭৮ হাজার ৪৫১ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬৫ জন। মোট কেন্দ্র সংখ্যা ২ হাজার ৫৮০টি।

আগামী ১১ মে এইচএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখন তা ১২ মে শেষ হবে। আর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।

08/04/2019

আমরা আপনাদেরকে গতকাল কথা দিয়েছিলাম ২০১৯ সালের HSC পরীক্ষায়
"বাংলা ১ম পত্র" "বাংলা ২য় পত্র" এবং "ইংরেজি ১ম পত্র" পরীক্ষারগুলোর মতো "ইংরেজি ২য় পত্র" পরীক্ষায়ও ১০০% হুবহু বোর্ড কপি প্রশ্ন দিবো।
আলহামদুলিল্লাহ,
আপনাদেরকে কথা দিয়ে কথা রাখতে পারায় আমরা খুবই গর্বিত।

16/03/2019

জিপিএ-৫ পাওয়ার সহজ ক্যালকুলেশন:
দেখতে দেখতে পরীক্ষা এসেই গেলো।আল্লাহ চাহেন তো আর মাত্র ১৩ দিন পরেই ২ বছরের হিসেব-নিকেশ কষতে পরীক্ষার হলে বসতে হবে।এই পরীক্ষার মাধ্যমেই তোমাদের জীবনের মোড় ঘুরে যাবে,তুমি ভবিষ্যতে কি হতে চলছো সেটা নির্ধারন হয়ে যাবে।তো এডমিশনে ভালো জায়গায় চান্স পেতে এইচএসসিতে এ+ পাওয়ার কোনো বিকল্প নেই।কথা হলো এ+ পাওয়াটা কি খুব বেশি কঠিন??চলো তাহলে দেখে নেই সহজ একটি ক্যালকুলেশন।
তোমরা অবশ্যই জানো কীভাবে জিপিএ-৫ কাউন্ট করা হয়। রাইট? তোমাদের টোটাল সাতটা সাবজেক্ট। এর মধ্যে মাত্র চারটা সাবজেক্টে ৫.০০ করে থাকলেই জিপিএ-৫ হয়ে যায়। বাকি তিনটাতে ৪.০০ করে থাকলেই হবে।
আমি সব সময়ই বলি পড়াশুনাটা টেকনিক্যালি পড়তে হয়। ঠিক তেমনি জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও একটু টেকনিক্যালি ভাবতে হবে।
এবার বলি কীভাবে জিপিএ-৫ পাওয়া সহজ?

সায়েন্সের ক্ষেত্রে:
যারা সায়েন্সের,যাদের প্রিপারেশন খারাপ কিন্তু স্বপ্ন মেডিকেল বা ঢাবি(ক) তাদের ক্ষেত্রে শুধু জিপিএ-৫ ই দরকার। গোল্ডেনের চিন্তা বাদ দিলেও চলবে। কজ এডমিশনে শুধু জিপিএ-৫ কাউন্ট করা হবে। গোল্ডেন কাউন্ট করা হয় না। সুতরাং কোন সাবজেক্টে কি পয়েন্ট আসলো সেটা ভাবার দরকার নেই। জিপিএ-৫ হলেই তোমাদের সাক্সেসের পথ এক ধাপ এগিয়ে যাবে।
তোমাদের বাংলা,ইংরেজি,আইসিটি এই তিন সাবজেক্টের মধ্যে দুইটাতে ৫.০০ পয়েন্ট পেলেই হবে। ধরো,তোমাদের ইংরেজি কঠিন লাগে। তাহলে তোমারা বাংলা আর আইসিটিতে এ+ ধরে নাও। আইসিটিতে এ+ পাওয়া সব থেকে সহজ। এই তিনটার যেকোনো দুইটাতে এ+ পেলেই ধরে রাখো তুমি জিপিএ-৫ পেয়ে গেছো। এখন অনেকে চিন্তা করছো সায়েন্সের সাবজেক্ট গুলায় কি হবে? শুনো,সায়েন্সের সাবজেক্ট গুলায় এ+ পাওয়া সব থেকে সহজ। তুমি সায়েন্সের চারটার মধ্যে যেকোনো দুইটাতে এ+ পেলেই তোমার জিপিএ-৫ হয়ে যাচ্ছে।
সায়েন্সের সাবজেক্ট গুলায় এ+ কীভাবে সহজ?
ব্যাবহারিক-২৩(২৫)
রিটেন-৩৯(৫০)
মচক-১৮(২৫)
এই নাম্বারটুকু পাবা না?
এই নাম্বারটুকু পাওয়াটা কিন্তু খুব বেশি কঠিন না। দেখা যাবে তোমরা রিটেনে আরও বেশি মার্ক্সস পেয়ে গেছো। অথবা মচকে পেয়ে গেছো।
ব্যাবহারিকে অনেকে ২৫ এ ২৫ ও পাবে।
সুতরাং টেনশন করার কিছুই নাই।
সায়েন্সের যাদের ড্রিম ইঞ্জিনিয়ারিং তাদের জিপিএ-৫ থেকেও ভাবতে হবে ফিজিক্স,কেমেস্ট্রি,ম্যাথ আর ইংরেজি নিয়ে। তোমাদের ক্ষেত্রে রেজাল্ট থেকেও এই চারটা সাবজেক্ট ইম্পরট্যান্ট। তোমাদের মূল টার্গেটই রাখতে হবে এই চারটায় যেনো কোনোভাবেই প্লাস মিস না যায়।
সুতরাং তোমারা এই চারটা সাবজেক্টে বেশি বেশি সময় দাও। বাকিগুলায় এম্নিতেই প্লাস হয়ে যাবে। আর যাদের মেডিকেল আর ভার্সিটি ড্রিম তাদের সাবজেক্ট জিপিএ নিয়ে একদম ভাবতে হবে না। তারা শুধু জিপিএ-৫ নিয়ে ভাবলেই হবে।

ব্যাবসা আর মানবিকের জন্য:
তোমাদের ক্ষেত্রেও জিপিএ-৫ পাওয়া সহজ। তোমরা ইংরেজিকে বেশি ভয় পাও। তাহলে তোমরা বাংলা আর আইসিটিতে এ+ ধরে রাখো।
আর গ্রুপিং সাবজেক্ট চারটার মধ্যে দুইটাতে তুলতে পারবা না? তোমাদের শুধু জিপিএ-৫ ই দরকার। কোন সাবজেক্টে কি পয়েন্ট আসছে সেটা ভাবার সময় একদম নেই। তোমাদের কাছে সাতটা সাবজেক্টের মধ্যে যেই চারটা সাবজেক্ট তুলনামূলক সহজ লাগে সেই চারটাতে বেশি বেশি সময় দাও। দেখবে খুব সহজে জিপিএ-৫ পেয়ে যাচ্ছো।

সবার উদ্দেশ্য বলি,তোমরা ভাবো জিপিএ-৫ মানে আকাশের চাঁদ।
কিন্তু না! তোমরা খুব বেশি ভয় পাও।
এত্ত ভয় পাবার কিছু নেই।
সাতটা সাবজেক্টের মধ্যে চারটাতে এ+ রাখতে পারবা না?
তোমার কাছে যেই চারটা সাবজেক্ট সহজ লাগে সেগুলাতে বেশি বেশি সময় দাও।
নিশ্চিত করো আমি এই চারটাতে মাস্ট পাবোই।
তোমরা ভয় পেয়ে পড়াশুনা করতে চাও না। এটাই সমস্যা!
যেই সাবজেক্টটা একটু বেশি কঠিন লাগে সেটা নিয়ে হতাশায় পড়ে থাকলে হবে?
তুমি ধরে নাও তুমি সেটাতে পাবে না।
সমস্যা তো নেই। তাই না?
বাকি সাবজেক্টগুলা আছে না?
প্লিজ! এখনো এই ২০/২২ দিন মন দিয়ে পড়ো।
যথেষ্ট সময়।
গ্রুপে প্রায় সব বিষয়ের ইম্পরট্যান্ট টপিকস দিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুন্দর করে রুটিন দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাও তোমরা পড়তেছো না!
কিন্তু কেন?
রেজাল্ট খারাপ হলে দেখবা কতটা খারাপ লাগে।
চারপাশে সবাই জিপিএ-৫ পাওয়ার উল্লাস করবে আর তুমি করতে পারবে না।
সেই সময়টার কথা একটাবার কল্পনা কর।
এম্নিতেই পড়তে ইচ্ছে হবে।
হতাশায় না থেকে যেই রটিন আর ইম্পরট্যান্ট টপিকস দিয়েছি সেগুলা ফলো করো।
খুব বেশি পড়া না কিন্তু!"
মন দিয়ে ওই রুটিনটা ফলো করে স্বাভাবিক পড়া পড়লেই পড়াটা শেষ হয়ে যাবে।
সুতরাং প্লিজ হতাশা বাদ দিয়ে আজ থেকেই শুরু করে দাও।।
নামাজ পড়ো,দোয়া কর।
এক্সাম ভালো হবে।
জিপিএ-৫ ও আসবে।
জিপিএ-৫ খুব কঠিন কিছু না।
হতাশায় পড়ে থাকলে জিপিএ-৫ আসবে না।
জিপিএ-৫ পাওয়ার জন্য চেষ্টা আর ইচ্ছা থাকতে হবে।
চেষ্টা আর ইচ্ছা থাকলে সব হয় সব।
সুতরাং টেনশন না করে এই সময়টুকু কাজে লাগাও।
সবার জন্য অনেক শুভ কামনা রইলো।
দেখা হবে পরবর্তী পোষ্টে,সাথেই থাকো।
ধন্যবাদ♥

16/03/2019

★★★পড়ায় মনোযোগী না হলে টেবিলটাই
মনোযোগী হোক।
পড়ায় মনোযোগী না হলে করণীয় কিছু
রয়েছে?

অবশ্যই আছে! একটি না, দুইটি না,
অনেকগুলো উপায়ই আছে। পড়তে বসলেই
আমাদের মন এদিক ওদিক উঁকি দিয়ে অন্য
দুনিয়ায় মাঝে যায়। মাঝখান দিয়ে
পড়াশোনা চলে যায় গোল্লায়! তাই পড়ার
প্রতি ‘মনোযোগ বৃদ্ধিতে’ কি কি করা যায়,
তা নিয়েই সাজিয়েছি লেখাটি ( ১ নং
পয়েন্টটি অধিক গুরুত্ব দিয়ে পড়ার অনুরোধ
রইল)।

১৫। Study Music:

ইউটিউবে Study Music লিখে সার্চ করলেই
আপনি সন্ধান পেয়ে যাবেন অসংখ্য
মিউজিকের। পড়ায় মনোযোগ বাড়াতে
এগুলো বিশেষভাবে তৈরি করা হয়। এখন
থেকে তবে পড়ায় মনোযোগ না বসলে
যেকোনো একটি মিউজিক চালু করে পড়তে
বসুন। ইউনিভার্সিটির সিনিয়র ভাইয়ের
কাছ থেকে শেখা এই পদ্ধতি আপনাদের
ক্ষেত্রে সত্যিই কাজে লাগবে।

১৪। Think Big, Start Small:

আপনি নিশ্চয়ই অনেকক্ষণ একটানা পড়ার
চেষ্টা করেন কিন্তু মনোযোগ হারিয়ে
যাওয়ায় তা আর সফল হয় না। তাই এখন
থেকে ছোট একটি সময় নির্ধারণ করে পড়া
শুরু করুন। প্রথম কয়েকদিন ২০ মিনিট পড়ুন ও
১০ মিনিট বিরতি নিন। এরপর আবার ২০
মিনিট পড়ুন ও আবার বিরতি নিন।

ধীরে ধীরে,কয়েকদিন পর ৩০ মিনিট, এরপর
৪০ মিনিট, এরপর ৫০ মিনিট- এভাবে
সময়টিকে বাড়িয়ে নিন ও নিজের
‘মস্তিষ্ককে অভ্যস্ত করান’। দেখবেন আপনি
ঠিকই একটি সময় পরে একটানা পড়তে
পারছেন।

১৩। পর্যাপ্ত ঘুম:

একজন মানুষের দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমের
প্রয়োজন। পর্যাপ্ত পরিমাণ না ঘুমালে
মস্তিষ্ক ঠিকমত কাজ করে না এবং
মনোযোগও কমে যায়। তাই অবশ্যই পর্যাপ্ত
পরিমাণ ঘুম সম্পন্ন করতে হবে (ঘুমটি
বাসায় সম্পন্ন করবেন, ক্লাসে না!)

১২। পানি খাচ্ছেন তো?

পড়ার সময় আপনার মস্তিষ্ক কিন্তু অনেক
খাটনি করে আর এই খাটনি করতে তার
প্রয়োজন হয় প্রচুর পানি! তাই পড়ার ফাঁকে
ফাঁকে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি খেয়ে
তাকে আর্দ্র রাখুন। নাহলে কিছু সময় পরেই
আপনি মনোযোগ হারিয়ে ফেলবেন।

১১। সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে পড়তে বসবেন:

খাতা, বই, নোট, কলম, পেন্সিল, স্কেল,
রাবার, শার্পনার, জ্যামিতি বাক্স,
স্ট্যাপলার, গ্রাফ পেপার ইত্যাদি সবকিছু
আগে থেকে একসাথে নিয়ে পড়তে বসুন।
ভুলে রেখে এসেছেন বলে বারবার টেবিল
থেকে উঠতে হলে মনোযোগ হারিয়ে যায়।

১০। কঠিন পড়াগুলো আগে পড়ে ফেলুন:

এর কারণ হল, কঠিনগুলো আগে পড়ে ফেললে
আপনার মস্তিষ্ক বুঝবে যে পরবর্তীতে যেই
পড়াগুলো আসছে, সেগুলো সহজ। ফলে আপনি
চিন্তামুক্ত থাকবেন । আর যদি সেই
পড়াগুলো পরে পড়ার জন্য রেখে দেন,
মস্তিষ্ক অনবরত ভাবতে থাকবে যে ‘সামনে
কঠিন পড়া আসছে’ এবং ফলশ্রুতিতে চাপ
সৃষ্টি হবে ও আপনি সেই চাপ থেকেই দ্রুত
মনোযোগ হারাবেন। তাই আগে আগেই
সেরে ফেলুন কঠিন পড়াগুলো!

৯। Peak Concentration Time:

সেই সময়ে পড়তে বসবেন যখন ‘আপনার’
সবচেয়ে বেশি মনোযোগ থাকে। পৃথিবীর
প্রতিটি মানুষই বিচিত্র এবং বিচিত্র
তাদের মস্তিষ্কও। আপনার যদি বেলা ৩টা
হতে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যের সময়ে বেশি
ভালো পড়া হয়, তাহলে ঐ সময়েই পড়তে
বসবেন। কম সময়ে বেশি পড়ে কে না
লাভবান হতে চায়?

৮। পড়ার জন্য যেমন পরিবেশ চাই:

– এমন কোথাও পড়ুন যেখানে Distraction
সবচেয়ে কম

– যেখানে মানুষের কথা/হাসির শব্দসহ
যাবতীয় সব শব্দ ন্যূনতম অবস্থায় থাকবে

– মোবাইল ফোন অবশ্যই সাইলেন্ট করে
পড়তে বসবেন

– টেবিলে বসে পড়ার চেষ্টা করুন, বিছানা
কিংবা সোফায় নয়।

৭। আশেপাশের শব্দ হজম না হলে…

পাশের বাসার আন্টি এসে গল্প জুড়ে
দিয়েছে আপনার মায়ের সাথে। অন্যদিকে
দাদি আর বড় বোন মিলে টিভিতে উচু
ভলিউমে স্টার জলসা দেখছেন। মায়েদের
হাসির বিকট শব্দ ও নাটকের চরিত্রদের
আওয়াজ উপেক্ষা করে কোনভাবেই পড়ায়
মন দিতে পারছেন না। চিন্তা নেই!
ইউটিউব বা গুগল থেকে ডাউনলোড করে নিন
‘ White Noise’।

White Noise আপনার মস্তিষ্কের মনোযোগকে
‘একটি জায়গায়’ নিয়ে আসতে সাহায্য
করে। অতএব কানে হেডফোন গুঁজে নিয়ে
White Noise চালু করুন এবং পুনরায় ফোকাস
করুন নিজের পড়ায়!

৬। নিজেকে নিজেই পুরস্কার দিন:

নিজেকে বলুনঃ “আমি আগামী ৩০
মিনিটের মধ্যে প্রথম অধ্যায়ের ৩ পাতা
পড়ে শেষ করব এবং তা সফলভাবে করতে
পারলে আমার প্রিয় গান ‘ও বন্ধু লাল
গোলাপি’ শুনবো কিংবা ফ্রিজে রাখা
চকলেটটি খাবো কিংবা বন্ধুকে কল করে ৫
মিনিট গল্প করব”। এতে করে আপনি
নিজেকে অনুপ্রাণিত রাখতে পারবেন এবং
ভালো ফল নিশ্চয়ই পাবেন।

৫। Worry Time to Study Time:

সময় কম কিন্তু সিলেবাস অনেক বেশি এবং
আপনিও কিছুই পড়েন নি এখনো। এমন
সময়গুলোতে ‘কিছু পারি না! কিছু পারব না!
কীভাবে পড়ব এতো কিছু’ ইত্যাদি বলে হা-
হুতাশ করতে করতেই কিন্তু আপনি সময় নষ্ট
করে ফেলেন।

তাই আপনার Worry Time কে তখন Study Time-
এ পরিণত করতে হবে। সময় তো এমনিতেই
কম! প্রতিটি মিনিটেরই অনেক মূল্য। তাই
সময়টা ‘দুশ্চিন্তা’য় বিনিয়োগ না করে
‘পড়ায়’ বিনিয়োগ করুন।

৪। মেডিটেশন:

মেডিটেশন আপনার মনোযোগ বৃদ্ধিতে
ব্যাপক সহায়তা করবে। তবে যদি আপনার
সময় কম থাকে, আপনি নিম্নোক্ত
উপায়গুলো অবলম্বন করতে পারেন।

– ঘুম থেকে উঠে ৫ মিনিট যেকোনো ‘একটি
আওয়াজের প্রতি’ মনোনিবেশ করুন। তা
হতে পারে সকাল বেলার পাখির ডাকের
শব্দ, ফ্যানের শব্দ, এমনকি বাইরের গাড়ির
হর্নের শব্দ (যেকোনো একটির প্রতি
মনোনিবেশ করুন)

– বিরতিতে গেলেই চোখ বন্ধ করে কয়েকটি
গভীর নিঃশ্বাস নিন। ফলে মস্তিষ্কে
অক্সিজেন প্রবাহ বৃদ্ধি হবে এবং আপনি
সতেজ অনুভব করবেন।

৩। Forest : যাদুকরী একটি অ্যাপ!

এই অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন– দুটির
জন্যই পাবেন। এখানে আপনি একটি
নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দিবেন। ধরুন
৩০ মিনিট নির্ধারণ করলেন। সেই ৩০
মিনিটে স্ক্রিনে দেখবেন যে একটি বীজ
থেকে চারা এবং চারা থেকে গাছ তৈরি
হচ্ছে। তবে শর্ত হল, ঐ ৩০ মিনিটে আপনি
ফোনে হাত দিতে পারবেন না। ফোনে
হাত দিলেই গাছটি নষ্ট হয়ে যাবে। অতএব,
নিজেকে ফোন হতে দূরে রাখতে এবার
ফোনটাই ব্যবহার করুন ভিন্নভাবে!

২। ‘WHY SHEET’ তৈরি করুন:

পড়তে বসলে মন যখন এদিক-ওদিক চলে যায়,
মনকে তখন বশ মানাবে এই WHY SHEET।

এই মুহূর্তে পড়লে আপনার কি কি ফায়দা
হবে তা চিন্তা করুন। আপনার মানসিক কি
সুবিধা হবে, আর্থিক কি সুবিধা পেতে
পারেন- এভাবে চিন্তা করুন। যেমনঃ
ঢাবিতে চান্স পেতে হবে, স্কলারশিপ
পেতে হবে, বাবা-মা খুশি হবে, সকালে
গ্রুপ স্টাডিতে বন্ধুদের বুঝাতে পারব
ইত্যাদি হতে পারে উত্তরগুলো। এবারে
এগুলো একটি কাগজে লিখে নিয়ে টেবিলের
উপর এমন ভাবে বা এমন স্থানে লাগিয়ে
রাখুন যেন বই থেকে চোখ তুললেই আপনি তা
দেখতে পান।

এটি আপনাকে Instant Motivation দিবে পড়ার
জন্য। বিশ্বাস করুন, খুবই কার্যকরী এটি।

১। অবচেতন মন ও অচেতন মনের সমন্বয়
( Combination of Subconscious Mind & Conscious
Mind):

পুরো লেখার মধ্যে এই পয়েন্টটি আপনাকে
শুধু পড়ার টেবিলে নয়, জীবনের প্রতিটি
কাজ করার ক্ষেত্রে ফোকাস করতে
শিখাবে। দেখুন তবে।

Subconscious Mind-এ:

– আপনি সেই কাজগুলো করেন যেগুলো করতে
আপনার ‘আলাদা মনোযোগ’ দিতে হয় না

– কাজগুলো সব স্বাভাবিক নিয়মেই হতে
থাকে এবং আপনি বুঝতে পারেন যে
কাজটি হচ্ছে কিন্তু আপনার নিজের ‘মনকে
বুঝাতে হয় না’ যে আমি কাজটি করছি।

– আবার বলছি, আপনার মনকে ‘আলাদা করে
বুঝাতে হয় না’ যে আপনি এই কাজটি করছেন

ঘুরে আসুন: ছাত্রজীবনের বহুল প্রচলিত ৫টি
সমস্যা এবং সমাধান!

– উদাহরনঃ কোন টিভি বিজ্ঞাপন দেখার
সময় আপনি ডায়লগও শুনতে পান, সেই সাথে
ব্যাকগ্রাউন্ডে কিছু মিউজিকও শুনতে পান।
এখন বলুন তো, আপনি আলাদা মনোযোগ
দিয়ে কোনটি শুনছেন? অবশ্যই ডায়লগগুলো।
কিন্তু আপনি তো আবার মিউজিকও শুনছেন!
আপনি কি তাহলে মিউজিকের প্রতি
‘আলাদা মনোযোগ’ দিচ্ছেন? না, দিচ্ছেন
না।

অর্থাৎ, এই মিউজিক শুনার কাজটিই আপনি
করছেন অবচেতন মনে। একটি Subconscious+Co
nscious Mind এর কম্বিনেশনে কাজ দুটি
করছেন।

Conscious Mind-এ:

– আপনি সেই কাজগুলো করেন যেগুলো করতে
আপনার ‘আলাদা মনোযোগ’ দিতে হয়

– আপনার নিজের ‘মনকে বুঝাতে হয়’ যে
আমি কাজটি করছি।

– উদাহরণঃ আপনি যখন এই ব্লগটি পড়ছেন
তখন আপনার মন জানছে যে, “ হ্যাঁ, আমি
এই মুহূর্তে একটি ব্লগ পড়ছি ”। অতএব, আপনি
কিন্তু এখন‘একটি’ কাজের প্রতি ফোকাস
করছেন। আবার, ইউটিউবে ১০ মিনিট স্কুলের
একটি ভিডিও দেখার কাজটিও কিন্তু আপনি
Conscious Mind এই করেন।

তাহলে আমরা এই মন্তব্যে আসতে পারি
যেঃ

Subconscious Mind + Conscious Mind Combination
–এ আপনি ‘দুইটি’ কাজ একসাথে করতে
পারেন এবং দুইটির একটিতেও কোন বাঁধা
সৃষ্টি হয় না ও ফোকাসও নষ্ট হয় না।
(বিজ্ঞাপন দেখার উদাহরণটি পড়ে বুঝুন)
Conscious Mind + Conscious Mind Combination-এ
আপনি ‘দুইটি’ কাজ একসাথে করলে দুটিতেই
ব্যাঘাত ঘটবে এবং ফোকাস নষ্ট হবে।

(উদাহরণঃ একসাথে যদি এই ব্লগটিও পড়েন
এবং অন্যদিকে একটু একটু পর এরই মাঝে কোন
ভিডিও দেখেন, কোনটাই ঠিকমত করতে
পারবেন না। কারনঃ দুইটি কাজের জন্যই
আপনার Conscious Mind প্রয়োজন হচ্ছে।
আপনার ব্রেইন তখন দুই দিকে মনোযোগ
দেয়ার চেষ্টা করছে এবং এখানেই আপনি
ফোকাস হারিয়ে ফেলছেন।

সিদ্ধান্ত:

– পড়াশোনা করার কাজটি ঘটে Conscious
Mind-এ। অতএব, পড়ার সময় এমন কোন কাজ
করবেন না, যেটা করতেও Conscious Mind
প্রয়োজন হয়, যেটা করতে আপনার ব্রেইনকে
আলাদা মনোযোগ দিতে হয়। যেমন ধরুনঃ
পড়ছেন এবং পাশাপাশি ফেসবুক ব্যবহার
করছেন। এমন করলেই আপনার ব্রেইন দুইদিকে
ফোকাস করার চেষ্টা করবে এবং
ফলশ্রুতিতে কোনটাতেই ফোকাস হবে না।

– অতএব পড়ার সময় শুধুই পড়ুন।

– কিংবা Subconscious Mind+Conscious Mind
কম্বিনেশনে পড়ুন। যেমনঃ স্টাডি মিউজিক
শুনুন ও পড়ুন। কিংবা অংক করার সময় গান
শুনুন। আপনি এই ক্ষেত্রে Subconscious Mind-এ
গান শুনবেন এবং Conscious Mind-এ পড়বেন।
ফলে কোন কাজেই ব্যাঘাত ঘটবে না বরং
আপনি পড়ায় ফোকাস করতে পারবেন।
– পড়াশোনাটা যদি ল্যাপটপে ও
ইন্টারনেটে থাকে, তাহলে একাধিক ট্যাব
না খুলে পড়ার চেষ্টা করুন।

উপরে বর্ণিত প্রতিটি কাজ ধীরে ধীরে
অভ্যাসের মধ্যে নিয়ে আসলে অবশ্যই পড়ার
টেবিলে আপনার মন বসবে বলে আশা করি।
খুব বেশি কঠিন কিন্তু নয় কাজগুলো!
সবার জন্য শুভ কামনা।

16/03/2019

★★পড়া মুখস্ত বা মনে রাখার করার সহজ ও শর্টকাট উপায়
-
দুই দিন আগে কি পড়েছিলেন ভুলে গেছেন?
পড়ালেখায় ভালো করতে চান বা ভালো ছাত্র হতে
চান ... ... !!! + পড়া মুখস্ত বা মনে রাখার করার সহজ ও
শর্টকাট উপায় জানতে চান ... ! তাহলে এই টিউনটি
ধর্য্য সহকারে সামান্য সময় ব্যায় করে পড়ুন ...
হয়তো এই লেখাটি আপনাকে আপনার লাইফ
সম্পর্কে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে সহযোগিতা
করবে ... আর যারা ছাত্রজীবন শেষ করে
ফেলেছেন তারও পড়ুন... আপনার ভবিষ্যৎ
প্রজন্মকে পরামর্শ দিতে কাজে লাগবে |
-
-
কৌশল-১
আগ্রহ নিয়ে খালি মাথায় পড়তে বসুন: খেলা, মুভি
দেখার জন্য আপনি যেমন আগ্রহ নিয়ে, জিতার আশা
নিয়ে বসো। পড়ার সময়ও একইভাবে, নিজের ভিতর
থেকে আগ্রহ নিয়ে, পড়া কঠিন, মনে থাকে না,
বুঝি না- এইসব ভুলে, খালি মাথা নিয়ে বসতে হবে।
সেই জন্য ভোরে উঠে পড়তে বসলে মাথা
ক্লিন থাকে এবং পড়া দ্রুত মাথায় ঢুকে।
-
কৌশল-২
ছোট ছোট অংশে ভাগ করে পড়ুন: খুব সিম্পল
একটা উদাহরণ দেই। ধরুন আপনার একটা ফোন নাম্বার
মনে রাখা দরকার। এখন ০১৭১৭৬৫৩৯২২ পুরাটা
একসাথে পড়লে দুই মিনিট পরেই ভুলে যাবা। তাই
ভেঙ্গে ভেঙ্গে ০১৭১৭ – ৬৫৩ – ৯২২ স্টাইলে
পড়ুন। পড়ার সময় চিন্তা করুন- “০১৭১৭ (আধা
সেকেন্ড দম নিয়ে) ৬৫৩ (আধা সেকেন্ড দম
নিয়ে) ৯২২”, তাহলে মনে রাখা সহজ হবে। এরপর
নাম্বারটা ব্রেইনে সেট করার টার্গেট নিয়ে
খেয়াল করে করে তিনবার পড়ুন। দুইবার না দেখে
কাগজে লিখুন।
দেখবেন এক মাসেও এই নাম্বার ভুলবেন না। শুধু
ফোন নাম্বার না, বড় সাইজের প্রকারভেদ, ব্যবসায়
নীতি, বিশাল প্রমাণ এই সিস্টেমে ভাগ ভাগ করে
পড়ুন।
-
কৌশল-৩
মেইন পয়েন্টকে Clue হিসেবে ব্যবহার করুন:
যেমন ধরুন নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র- “কোন
বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত
বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে
বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে।”
পড়ার সময় নিজেই নিজেকে জিজ্ঞেস করবেন-
এই সূত্রের মেইন পয়েন্ট কি?

একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন এই
সূত্রের মেইন পয়েন্ট হচ্ছে- “ভরবেগের
পরিবর্তন”।

এবং ভরবেগের পরিবর্তনের দুইটা বৈশিষ্ট্য বলছে।

এক: ভরবেগের পরিবর্তন- বলের সমানুপাতিক।

দুই: ভরবেগের পরিবর্তন- বলের দিকে।

এখন আপনার ব্রেইনে সূত্রের নামের সাথে
মেইন পয়েন্টের কানেকশন সেট করা লাগবে।
যাতে সূত্রের নাম শুনার সাথে সাথেই মূল বিষয়বস্তু
ব্রেইনে ভেসে উঠে। সেজন্য প্রথমে
সূত্রের নাম লিখবেন তারপর কোলন( দিয়ে মেইন
পয়েন্ট লিখবেন। অনেকটা এইভাবে “নিউটনের
দ্বিতীয় সূত্র: ভরবেগের পরিবর্তন- বলের
সমানুপাতিক, বলের দিকে”। এরপর থেকে যতবার
সূত্রের নাম দেখবেন ততবার কানেকশন এবং ক্লু
দিয়ে পুরা সূত্র ইজিলি মনে করতে পারবেন। যদি
হাইলাইটার, কলম বা পেন্সিল দিয়ে দাগিয়ে পড়ার
অভ্যাস থাকে, তাহলে শুধু মেইন পয়েন্ট বা ক্লু
গুলাকে দাগান। যাতে রিভাইজ দেয়ার সময় চোখ
আগে দাগানো অংশের নিচে চলে যায়।
-
কৌশল-৪
পড়ার টপিকের সাথে লাইফের ঘটনা মিশাও: আপনি এক
সপ্তাহ আগে কি খাইছিলেন ভুলে গেছো। কিন্তু
কয়েক মাস আগে ঈদের দিন সকালে কি খাইছিলেন
বা কয়েক বছর আগে এসএসসি রেজাল্টের সময়
কই ছিলেন, ঠিকই মনে আছে। তারমানে কোন
কিছুর সাথে ইমোশন বা ইস্পেশাল আগ্রহ থাকলে
সেই জিনিস আমরা ভুলি না। সো, প্ৰত্যেকটা
চ্যাপ্টারের গুরুত্বপূর্ণ জিনিসের সাথে একটা
ইমোশন বা লাইফের স্পেশাল ঘটনা মিশাতে পারলে
সেই জিনিস সহজে ভুলবেন না। ধরুন, ফিজিক্সের F
= ma সূত্র পড়ার সময় ভাবলা- বাসা থেকে মেসে
আসার সময় আমি যে বল দিয়ে আমার লাগেজটাকে
টানতেছিলেনম সেই বল (Force) ছিলো F,
লাগেজের মধ্যে যা যা ছিলো সেগুলার ভর(mass)
হচ্ছে m আর a হচ্ছে আমার বলের কারণে
লাগেজ যে ত্বরণ(acceleration) হইছিলো। তাই
লাগেজ টানার সময় আমি F = ma পরিমাণ কাজ করছি।
আর আমি যেহেতু জুনের ১১ তারিখ বাসা থেকে
মেসে উঠছিলেনম তাই জুনের ১১ তারিখ আমার
F=ma দিবস। দেখছো, কোন ঘটনা বা স্মৃতির সাথে
পড়াকে মিলাতে পারলে সেটা মনে রাখা অনেক
সহজ এবং মজার হয়ে যায়।
-
কৌশল-৫
যত বেশি লিখে লিখে পড়বে তত ভালো: দেখে
দেখে পড়ার চাইতে হালকা সাউন্ড বা মনে মনে
উচ্চারণ করে পড়া ভালো। কন্সট্রেশন বেশিক্ষণ
থাকে। তবে অংক, সূত্রের প্রমাণ, জটিল গ্রাফ
অবশ্যই লিখে লিখে পড়বা। দশবার রিডিং পড়ার চাইতে
একবার লিখে পড়া বেশি ইফেক্টিভ। যদিও সবকিছু
১০০% লিখে লিখে পড়তে গেলে বেশি সময়
লেগে যাবে। তাই গুরুত্বপূর্ণ সূত্র, প্রমাণ বা থিওরি
অন্তত একবার না দেখে লিখবে। ম্যাথ কখনোই
সমাধান সামনে খোলা রেখে করবেন না। বরং
পাশের রুমে রাখবা। যতবার আটকে যাবা ততবার উঠে
গিয়ে দেখে আসবা। তারপরেও না দেখে
দেখে করার প্রাকটিস করুন নচেৎ পরীক্ষার হলে
গিয়ে আটকে যাবা।
-
কৌশল-৬
নিজেই নিজের টিচার হয়ে যাও: ক্লাসের বন্ধুদের
সাথে আড্ডায় পড়ালেখার টপিক নিয়ে আলোচনা
করুন। কোন কিছু পড়া শুরু করার আগে কোন
ফ্রেন্ডের কাছ থেকে বুঝে নিতে পারলে- পড়া
বুঝা ও মনে রাখা অনেক সহজ এবং দ্রুত হয়। আর
ফ্রেন্ড খুঁজে না পাইলে নিজেই নিজের টিচার
হয়ে নিজেকে কোন জিনিস বুঝানোর চেষ্টা
করুন। কারো কাছে পড়া বুঝতে গেলে তার
কাছে ১ ঘন্টার বেশি থাকবা না। আপনি কাউকে পড়া
বুঝাতে গেলে গেলে, ১ ঘন্টার বেশি সময় দিবা
না।
-
কৌশল-৭
পড়ার টেবিল, পড়ার রুম: যে সাবজেক্ট পড়বা সেই
সাবজেক্টের বই ছাড়া অন্য বই টেবিলে রাখা যাবে
না। পড়ার টেবিল দরজার পাশে, ড্রয়িং রুমে রাখবা না।
মানুষ আসতে যাইতে ডিস্টার্ব হবে। আবার বারান্দা বা
জানালার পাশেও পড়ার টেবিল রাখবা না। নচেৎ কিছুক্ষণ
পর পর বাইরে তাকিয়ে নিজের অজান্তেই ১৫-২০
মিনিট নষ্ট করে ফেলবা। পড়ার রুমে কোন
ইলেক্ট্রনিক্স যেমন টিভি, ল্যাপটপ, কম্পিউটার,
মোবাইল ফোন রাখা যাবে না। মোবাইল বন্ধ
করে পাশের রুমে রেখে আসবা। পড়ার সময়
ডিকশনারি ব্যবহার করা লাগলে প্রিন্ট করা ডিকশনারি
ব্যবহার করবেন।
-
কৌশল-৮
রঙ্গিন করে এঁকে পড়ুন : অনেকগুলা বৈশিষ্ট্য,
পার্থক্য, প্রকারভেদ মনে না থাকলে। সেগুলার
প্রথম বর্ণ দিয়ে একটা শব্দ বা ছন্দ তৈরি করুন
ফেলো। ভূগোল বা বিজ্ঞানের কঠিন কোন
চিত্র বা গ্রাফ থাকলে, গ্রাফের কিছু অংশ কালো, কিছু
অংশ নীল, কিছু অংশ লাল রঙের কলম/পেন্সিল
দিয়ে আঁকলে, গ্রাফ মনে রাখা সহজ হবে। কোন
চ্যাপ্টারের গুরুত্বপূর্ণ গ্রাফ, বিদঘুটে
পয়েন্টগুলো কয়েকটা গ্রুপে ভাগ করে আলাদা
কালারের কলম দিয়ে খাতায় লিখো। তারপর রিকশায়,
বাসে বা সেলুনে চুল কাটার সময় সেই খাতা খুলে
সামনে রেখে দিবা। ব্যস, ফ্রি ফ্রি রিভাইজ দেয়া
হয়ে যাবে। ইম্পরট্যান্ট চার্ট, পয়েন্টগুলা কাগজে
লিখে দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখো। কয়েকটা গ্রাফ সিলিং
এ লাগিয়ে দাও। যাতে দিনের বেলায় বিছানায় শুইলে
সেগুলা দেখে দেখে রিভাইজ দেয়া যায়। আর
মশারির ভিতর শোয়া লাগলে, মশারির উপরে বই বা খাতা
রেখে ভিতর থেকে শুয়ে শুয়ে রিভিশন দাও।
-
কৌশল-৯
রিভাইজ, রিভাইজ এন্ড রিভাইজ: গবেষণায় দেখা
গেছে- আমরা আজকে সারাদিনে যত কিছু, দেখি,
শুনি, জানি বা পড়ি তার ৫দিন পরে চারভাগের তিনভাগই
ভুলে যাই। তবে এই ভুলে যাওয়া ঠেকানোর জন্য
অনেকগুলা ট্রিকস আছে। যেমন- ৪৫ মিনিট পড়ে
১৫ মিনিটের নিবা এবং সেই ব্রেকে পড়াটা মনে
মনে রিভাইজ দাও এবং কোথাও আটকে গেলে
আরেকবার দেখে নাও। এবং আজকে গুরুত্বপূর্ণ
কিছু পড়লে আগামীকাল ঘুমানোর আগে এই জিনিস
২০মিনিটে রিভাইজ দিয়ে দিবা। তারপর এক সপ্তাহ পরে
আরেকবার রিভাইজ দিলে এই পড়ার ৯০% জিনিস এক
মাস পর্যন্ত আপনার মনে থাকবে। প্রত্যেকটা
সাবজেক্টের গুরুত্বপূর্ণ জিনিস, ক্লু, সামারি
পয়েন্টগুলা আলাদা আলাদা খাতায় লিখে রাখবা। চ্যাপ্টার
ওয়াইজ। তারপর টিউশনি যাওয়ার পথে- রিক্সায়, বাসে,
এমনকি স্টুডেন্টকে অংক করতে দিয়ে সেই খাতা
দেখতে থাকবা। যে জিনিসটা আজকে পড়ছো
সেটা- গোসল, ভাত খাওয়া, সিঁড়ি দিয়েই নামা, বাসের
জন্য অপেক্ষা, এমনকি বাথরুম করার সময় চিন্তা
করবেন। যতবেশি চিন্তা করবেন, যতবেশি মনে
মনে রিভাইজ দিবা তত বেশি মনে থাকবে।
-
কৌশল-১০
বইয়ের পিছনে সামারি লিস্ট: প্রায় সব বইয়ের
পিছনেই দুই-এক পাতা সাদা পৃষ্ঠা থাকে। আর না
থাকলে স্কচ-টেপ বা পিন দিয়ে লাগিয়ে নিবা। তারপর
যে জিনিসগুলা ভুলে যাওয়ার চান্স বেশি বা পরে
ভালো করে রিভিশন না দিলে পরীক্ষার হলে
লিখতে পারবেন না- সেগুলা পেইজ নাম্বার সহ
বইয়ের পিছনের সাদা কাগজে লিখে রাখবা। যাতে
৩-৪ ঘন্টা রিভিশন দেয়ার সুযোগ পাইলে, সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলা পৃষ্ঠা নম্বর দিয়ে খুব সহজেই
খুঁজে বের করে রিভিশন দিতে পারো।
-
কৌশল-১১
ক্লাসে সিনসিয়ার থাকো: পড়ালেখা খুব কঠিন বা
বোরিং কিছু না। একটু খেয়াল করলেই পড়ালেখা
ইজিয়ার বানায় ফেলা যায়। সেজন্য ক্লাস শুরু হওয়ার
সময় থেকে সিনসিয়ার হতে হবে। ক্লাসের ফার্স্ট
বেঞ্চে বসে, খেয়াল করে ক্লাস নোট তুলে,
সিরিয়াসলি এসাইনমেন্ট করে, বাসায় এসে ঐদিনের
লেকচারগুলোকে আধা ঘন্টা করে স্টাডি করলে,
পড়া অর্ধেক সহজ হয়ে যায়।
-
কৌশল-১২
সিরিয়াস স্টুডেন্টদের বন্ধু হও: তিনজন সিরিয়াস
স্টুডেন্টের সাথে একজন অগা-মগা থাকলেও সে
পড়ালেখায় ভালো করা শুরু করবে। আর আড্ডা,
সিনেমা, খেলা দেখার পাগল পোলাপানদের সাথে
বন্ধুত্ব হলে পড়ালেখায় তোমাকে ছেড়ে
পালাবে। সো, কষ্ট হলেও ভালো স্টুডেন্টদের
সাথে থেকে তাদের ফলো করুন। এটলিস্ট সিরিয়াস
স্টুডেন্টদের সাথে উঠাবসা করুন- আপনার মানসিকতায়
পরিবর্তন আসবে। পড়ালেখায় মন বসবে। রেজাল্ট
ভালো হবে।
-
কৌশল-১৩
প্রথম অক্ষর নিয়ে মজার কিছু বানাও: বাংলাদেশ
সংবিধানে ১১ টা ভাগ আছে। এই ভাগগুলা পড়ার সময়
প্রত্যেকটা পয়েন্টের প্রথম অক্ষর খেয়াল
করবেন -(প)-প্রজাতন্ত্র, (রি) রাষ্ট্র পরিচালনার
মূলনীতি, (ম) মৌলিক অধিকার, (নি) নির্বাহী বিভাগ, (আ)
আইন সভা, (বি) বিচার বিভাগ, (নি) নির্বাচন, (ম) মহা-হিসাব
নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, (বা) বাংলাদেশের কর্ম বিভাগ,
(জ) জরুরী বিধানাবলী, (স) সংবিধান সংশোধন, বি-
বিবিধ। এখন প্রথম অক্ষরগুলা দিয়ে মজার কিছু একটা
বানায় ফেল। যেমন, “পরীমনি আবি নিমবাজ সবি”
তাইলে আর সংবিধানের ভাগগুলা সহজে আর ভুলবেন
না।
-
কৌশল ১৪
নিমনিক (mnemonic) মানে হচ্ছে মনে রাখার
বিশেষ কৌশল। আমাদের ব্রেইন অগোছালো
কিছুর চাইতে কৌশলে সাজানো বিষয়ের উপর বেশি
মনোযোগ দিতে পারে। ফলে কোন কিছু ছক
বা টেবিল আকারে সাজিয়ে নিলে কিংবা নিমনিক
(mnemonic) তৈরী করে নিলে দ্রুত মেমোরি
তৈরী হয় ও মনে থাকে।
-
Conclusion:
বার বার পড়তে হবে: আমাদের ব্রেইনে
ক্ষণস্থায়ী স্মৃতিগুলো (শর্ট টার্ম মেমরি) তখনই
দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতিতে (লং টার্ম মেমরী)
রূপান্তরিত হয় যখন এটা ইমোশনাল হয় (সুখের বা
কস্টের) বা বার বার ইনপুট দেয়া হয় (অর্থাৎ
রিপিটেশন করা হয়)। বারবার ইনপুট দিলে ব্রেইনের
মেমরি ট্রি অর্থাৎ স্মৃতি গঠনের স্থানে স্থায়ী
গাঠনিক পরিবর্তন (স্ট্রাকচারাল চেইঞ্জ) হয়। আর এই
স্ট্রাকচারাল চেইঞ্জের ফলেই স্থায়ী বা
পার্মানেন্ট মেমরি তৈরী হয়।
-
আপনার মন্তব্য বলবেন...

16/03/2019

হবে কি ১০ টা মিনিট সময়?সমস্ত চ্যাটিং,
নিউজফিড,রিপ্লাই অফ করে এইটা পড়ার সময়
হবে কি?
বিশ্বাস করুন মনোযোগ দিয়ে এই
লিখাটা পড়লে আল্লাহর ভয়ে একফোঁটা
হলেও অশ্রু নির্গত হবে।আর আল্লাহ চাহে তো এই একফোঁটা অশ্রুই হতে পারে আপনার জাহান্নাম থেকে মুক্তির পথ।কেননা এই অশ্রুই আপনাকে জাহান্নামের আগুন হতে বাঁচিয়ে রাখবে। যাইহোক মূল আলোচনায় আসছি।
ফকীহ আবুল লাইস সামারকান্দি (রহঃ)
"তামবীহুল গাফিলীন"কিতাবে বর্ণনা
করেছেন।হযরত আনাস (রাঃ) বর্ণনা করেছেন,,,
একবার হযরত জিবরাঈল (আঃ) রাসূল (সাঃ)
এর দরবারে এমন সময় আগমন করলেন যে সময়
সাধারণত তিনি আগমন করতেন না। তার চেহারা বিবর্ণ ছিল।রাসূল (সাঃ)জিজ্ঞাসা করলেন,আজ আপনার চেহারা এমন বিবর্ণ দেখাচ্ছে কেন?
হযরত জিবরাঈল (আঃ) আরয করলেনঃ হে
মুহাম্মদ! আজ আমি আপনার নিকট এমন সময়
আগমন করেছি, যখন জাহান্নামের আগুনে
ফুঁৎকার দিয়ে তাকে তেজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যে ব্যক্তি জাহান্নাম, জাহান্নামের আযাব এবং কবরের আযাবকে সত্য বলে বিশ্বাস করে তারাতো জাহান্নাম থেকে মুক্তির গ্যারান্টি না পাওয়া পর্যন্ত স্বস্তি লাভ করার কথা নয়।
তখন রাসূল(সাঃ) বললেন,জাহান্নামের
অবস্থা আমাদের কাছে বর্ণনা করুন।
হযরত জিবরাঈল (আঃ) বললেনঃতাহলে শুনুন।
আল্লাহ তা'আলা জাহান্নাম সৃষ্টি করার পর এক হাজার বছর তার আগুনকে প্রজ্জ্বলিত করেছে।আগুন তখন লালা বর্ণ হয়ে উঠেছে। তারপর আরো এক হাজার বছর প্রজ্জ্বলিত করেছেন।তখন আগুন শুভ্র বর্ণ ধারণ করেছে। তারপর আরো এক হাজার বছর প্রজ্জ্বলিত
করেছেন।তখন আগুন কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করেছে।ফলে জাহান্নামের আগুন এখন কালো ও অন্ধকারাচ্ছন্ন। জাহান্নামের আগুনের লেলিহান শিখা এ জ্বলন্ত অঙ্গার গুলো কখনো নির্বাপিত হবেনা।আল্লাহর কসম জাহান্নামের একটা সূচের ছিদ্র পরিমাণ জায়গাও খুলে যায়, তাহলে তার তাপে জগতের সমুদয় অধিবাসী জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। যদি কোনো দোযখী ব্যক্তির পোশাক আকাশ ও পৃথিবীর মাঝখানে ঝুলিয়ে দেওয়া
হয়, তাহলে তার দুর্গন্ধে ও তাপে পৃথিবীর সকল প্রাণীর
মৃত্যু ঘটবে। ঐ সত্তার কসম! যিনি আপনাকে নবী হিসাবে প্রেরণ করেছেন,পবিত্র কোরআনে যে জিঞ্জিরের কথা বলা হয়েছে সেখান থেকে যদি একহাত জিঞ্জির ও কোনো পাহাড়ের উপর রেখে দেওয়া হয় তাহলে পাহাড় গলে সমুদ্রের তলদেশে গিয়ে পৌঁছাবে।
যদি পৃথিবীর পূর্ব প্রান্তে কোন ব্যক্তিকে জাহান্নামের শাস্তি দেওয়া হয় তাহলে পৃথিবীর পশ্চিম দিগন্তে অবস্থানরত ব্যক্তিও তার তাপে জ্বলে যাবে।
জাহান্নামের তেজ খুবই কঠিন,তার গভীরতা অনেক,
তার পোশাক হবে আগুনের,তার পানীয় হবে
ফুটন্ত পানি ও গলিত পুঁজ।জাহান্নামের সাতটি দরজা হবে।কোন নারী পুরুষ কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে সেটা পূর্ব থেকেই নির্ধারণ করা আছে।
রাসূল (সাঃ) প্রশ্ন করলেনঃ জাহান্নামের
দরজা গুলো কি আমাদের ঘর-বাড়ির দরজার
মতোই?
জিবরাঈল (আঃ) বললেনঃ না,বরং সে দরজা
গুলো উপর নিচে।এক দরজা থেকে আরেক
দরজার দূরত্ব সত্তর বছরের পথ এবং প্রতি
পরবর্তী দরজা তার পূর্বের দরজার চেয়ে
সত্তর গুণ বেশি তপ্ত আল্লাহর শত্রুদের কে সেসব দরজা দিয়ে হাকিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।
যখন তারা দরজা পর্যন্ত পৌঁছেবে তখন আগুনের বেড়ি ও জিঞ্জির দিয়ে তাদেরকে অভ্যর্থনা জানানো হবে।
মুখ দিয়ে জিঞ্জির প্রবিষ্ট করে তা পায়ুপথ দিয়ে বের করে আনা হবে।প্রত্যেকের সাথেই শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকবে তার শয়তান।অধোমুখী করে তাদেরকে টেনে হিচঁড়ে
জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।ফেরেশতাগণ লোহার গদা দিয়ে তাদেরকে আঘাত করতে থাকবেন।প্রচণ্ড যন্ত্রণায় যখনই তারা জাহান্নাম থেকে বেরিয়ে আসতে চাইবে তখন তাদেরকে পুনরায় জাহান্নামে ঠেলে দেওয়া হবে।
রাসূল (সঃ) প্রশ্ন করলেনঃ জাহান্নামের সেসব স্তরে কারা কারা থাকবে?
জিবরাঈল (আঃ) বললেনঃ সর্বনিম্ন স্থানে থাকবে ফেরআউনী গোষ্ঠী, আসহাবে মা'য়িদা ও মুনাফিক রা।
এই স্তরের নাম 'হাবিয়া দোযখ'।
দ্বিতীয় স্তরের নাম 'জাহীম'।এটা মুশরিকদের নিবাস।
তৃতীয় স্তরের নাম 'সাকার'।এখানে থাকবে সা'বিয়ীরা।
চতুর্থ স্তরে থাকবে ইবলিস ও তার অনুসারীরা।এই স্তরটির নাম 'লাযা'।
পঞ্চম স্তরের নাম 'হুতামাহ'।এখানে থাকবে ইহুদীরা।
ষষ্ঠ স্তরের নাম 'সাঈর'।এখানে থাকবে খৃষ্টান রা।
তারপর হযরত জিবরাঈল (আঃ) লজ্জায় নিরবহয়ে যান।
রাসূল(সাঃ) বললেনঃনিরব হয়ে গেলেন যে?
সপ্তম স্তরে কারা থাকবে?
হযরত জিবরাঈল(আঃ)
অনেকটা লজ্জার সাথে বললেনঃ
সপ্তম স্তরে থাকবে আপনার সেইসব উম্মত রা
যারা কবীরা গুণাহ করে তাওবা করা ছাড়াই
মৃত্যুবরণ করবে।
এ কথা শোনার পর রাসূল(সাঃ) আর বরদাশত
করতে পারলেন না বেহুঁশ হয়ে পড়লেন।
হযরত জিবরাঈল (আঃ) তখন রাসূল(সাঃ) এর
মাথা মোবারক স্বীয় উরুতে তুলে রাখলেন।
রাসূল(সাঃ) যখন জ্ঞান ফিরে পেলেন তখন
বললেনঃ জিবরাঈল! আমি খুবই কষ্ট অনুভব
করছি।আমার উম্মত কেও জাহান্নামে
নিক্ষেপ করা হবে?
আরয করলেনঃ জ্বী! যদি কেউ গোনাহ
কবীরা করে তাওবা ব্যতীত মৃত্যুবরণ করে,
তাহলে তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা
হবে।
এ কথা শুনে রাসূল(সাঃ) কাঁদতে লাগলেন।
তার কান্না দেখে জিবরাঈল (আঃ)ও কাঁদতে
লাগলেন।
এরপর রাসূল(সাঃ) ঘরে চলে গেলেন।মানুষের
সাথে মেলামেশা বন্ধ করে দিলেন।একমাত্র
নামাজের সময় ছাড়া আর বাইরে আসতেন না।
আবার নামাজ পড়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘরে চলে
যেতেন।
কারো সাথে কোনো কথা বলতেন না। অবস্থা এমন ছিল নামাজ পড়তেন আর কাঁদতেন।
তৃতীয় দিন হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ)
ঘরের সামনে গিয়ে সালাম দিলেন এবং
ভিতরে প্রবেশের অনুমতি চাইলেন।কিন্তু কোনো উত্তর মিললো না।তিনি কাঁদতে কাঁদতে ফিরে এলেন।
একইভাবে হযরত ওমর(রাঃ) ও প্রবেশের
অনুমতি না পেয়ে ক্রন্দনরত অবস্থায় ফিরে এলেন।
এরই মধ্যে এসে হাযির হলেন হযরত সালমান
ফারসী(রাঃ)। সালাম দিয়ে তিনিও অনুমতি প্রার্থনা করলেন।কোনো জবাব না পেয়ে অস্থির অবস্থায় ফিরর এলেন তিনি।সকলেই অস্থির। কখনো দাঁড়িয়ে কখনো বসে।এই অস্থিরতার মধ্যেই হযরত ফাতিমা (রাঃ)
এর ঘরের দরজায় এসে সকলে উপস্থিত হলেন।
তারা হযরত ফাতিমা (রাঃ) কে সমস্থ ঘটনা
খুলে বললেন ঘটনা শুনে হযরত ফাতেমা(রাঃ) ও অস্থির হয়ে পড়লেন।আবা গায়ে জড়িয়ে ছুটে
গেলেন।দরজার সামনে গিয়ে সালামসহ আরয
করলেনঃ আমি ফাতিমা।
তখন রাসূল(সাঃ) সাজদায় পড়ে উম্মতের জন্য
কাঁদছিলেন। মাথা তুলে বললেনঃ নয়নের
প্রশান্তি ফাতিমা!কেন এসেছো?
দরজা খোলার অনুমতি দিলেন।হযরত ফাতিমা
(রাঃ) ঘরে প্রবেশ করলেন এবং প্রিয়
নবীজীর অবস্থা দেখে হাউমাউ করে কাঁদতে
লাগলেন। তিনি লক্ষ্য করলেন রাসূল(সাঃ) এর চেহারা
কেমন বিবর্ণ ফ্যাকাসে।
আরয করলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ!আপনি এত
পেরেশান কেন?
ইরশাদ করলেনঃফাতিমা!
আমার কাছে হযরত জিবরাঈল (আঃ) এসেছিলেন তিনি আমাকে জাহান্নামের বর্ণনা দিলেন এবং এ-ও
বললেন---জাহান্নামের সর্ব উপরে যে স্তরটি সেখানে আমার উম্মতের ঐসব লোক প্রবেশ করবে যারা গোনাহ কবীরা করেছিল। এই চিন্তায় আমার এই দশা।
হযরত ফাতিমা(রাঃ) আরয করলেনঃহে রাসূল!
তাদেরকে কিভাবে জাহান্নামে প্রবিষ্ট
করানো হবে?
ইরশাদ করলেনঃ ফেরেশতা তাদেরকে হেচঁড়ে নিয়ে যাবে।তবে তাদের চেহারা কালো হবেনা,চোখ নীল বর্ণের হবেনা।তারা বোবা ও হবেনা এবং তাদের সাথে শয়তান থাকবেনা।তাদেরকে বেড়ি কিংবা জিঞ্জির দিয়ে ও বেধে নেয়া ও হবেনা।
হযরত ফাতিমা(রাঃ) আরয করলেনঃ ইয়া
রাসূলুল্লাহ! ফেরেশতারা তাহলে কিভাবে
তাদেরকে হেচঁড়ে নিয়ে যাবে?
ইরশাদ করলেনঃ পুরুষদের কে দাড়ি ধরে এবং
নারীদেরকে চুলের বেণি ধরে।নারী পুরুষ
সকলেই তখন চিৎকার করে কাঁদতে থাকবে।
তারা জাহান্নামের দরজার কাছে পৌছার
পর প্রহরী 'মালিক 'ফেরেশতা বলবেনঃ এরা
কারা?বড় অদ্ভুত মনে হচ্ছে এদেরকে?
এদের চেহারা কালো নয়,চক্ষু নীল নয়,এরা
বোবা নয়,সঙ্গে শয়তান নেই,জিঞ্জির দিয়ে হাত পা ও বাধা হয়নি!
অন্য ফেরেশতারা বলবেনঃআমরা কিছুই
জানিনা আমাদের কে আদেশ করা হয়েছে। আমরা
আদেশ মোতাবেক আপনার কাছে পৌঁছে দিলাম।
মালিক দারোগা তখন নিজেই জিজ্ঞাসা
করবেনঃহে দুর্ভাগা রা! তোমরাই বল তোমাদের পরিচয় কি? (একটি বর্ণনায় আছে এসব জাহান্নামীরা
সারা পথ হায় মুহাম্মদ (সাঃ) বলে চিৎকার
করবে।কিন্তু মালিক দারোগা কে দেখতেই (মুহাম্মদ (সাঃ) এর নাম ও ভুলে যাবে)
তারা বলবেঃ আমরা সেইসব লোক,যাদের
প্রতি পবিত্র কোরআন নাযিল করা হয়েছিল।
যাদেরকে রমযান মাসে রোযা রাখতে বলা
হয়েছিল।
দারোগা বলবেনঃকোরআন মাজীদ তো
অবতীর্ণ হয়েছিল হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর
প্রতি।এ নাম শুনতেই তারা চিৎকার করে
উঠবে--আমরা তো হযর্য মুহাম্মদ (সাঃ) এরই
উম্মত।
দারোগা বলবেনঃ কোরআন কি তোমাদের
কে আল্লাহর অবাধ্য হতে বারণ করে নি?
যখন তাদের জাহান্নামের অগ্নির কাছে
এবং দারোগার কাছে অবস্থান করানো হবে,
তখন তারা সকলেই মালিক দারোগার কাছে
অনুরোধ করবে---আমাদের কে আমাদের কৃত
অপরাধের জন্য খানিকটা কাঁদতে দিন।
অতঃপর কাঁদতে কাঁদতে চোখের পানি
নিঃশেষ হয়ে যাবে।অশ্রুর বদলে প্রবাহিত
হবে রক্তের ধারা।
তারা চরম নৈরাশ্যের সাথে বলবেঃআহা,এই
কান্নাটা যদি দুনিয়াতে কাঁদতাম! তাহলে আজ আর কাঁদতে হত না।
দারোগার নির্দেশে তাদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।
তারা তখন সমস্বরে বলে উঠবেঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ!
এই ধ্বনি শোনার সঙ্গে সঙ্গে আগুন ফিরে
যাবে।দারোগা আগুনকে নির্দেশ দিবে
ওদেরকে গ্রাস কর।আগুন বলবেঃকীভাবে
এদেরকে গ্রাস করবো?ওদের মুখে উচ্চারিত
হচ্ছে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ!!
দারোগা বলবেনঃএটাই আল্লাহর নির্দেশ।
তখন আগুন তাদেরকে পাকড়াও করবে।আগুন
কারো কারো পা পর্যন্ত, কারো হাটু পর্যন্ত,
কারো কোমর পর্যন্ত আবার কারো গলা
পর্যন্ত গ্রাস করে নিবে।
আগুন যখন এদের চেহারার দিকে আসতে
চাইবে তখন দারোগা বলবেনঃ এদের
চেহারাগুলো জ্বালিও না।কারণ কতবার
তারা এই চেহারা আল্লাহর উদ্দেশ্য সেজদায়
নত করেছে।তাদের অন্তরগুলো ও জ্বালিওনা।
কারণ রমজানে রোজা রেখে কতবার তারা
এই অন্তরকে পিপার্সাত রেখেছে।
এভাবে তারা আল্লাহ যতদিন চাইবেন
জাহান্নামের আগুনে পুড়তে থাকবে এবং
বারবার এই বলে আল্লাহ কে ডাকতে
থাকবেঃ ইয়া আররহামার রাহিমীন!ইয়া হান্নান!ইয়া
মান্নান!!!অবশেষে একসময় আল্লাহ তা'আলা হযরত
জিবরাঈল (আঃ) কে বলবেন,তুমি উম্মতে
মুহাম্মাদির খোজ নাও।তারা কেমন আছে।
জিবরাঈল ছুটে আসবেন মালিক দারোগার কাছে।
দারোগা তখন জাহান্নামের মধ্যবিন্দু তে
একটি আগুনের মিম্বরে সমাসীন।
জিবরাঈল কে দেখতেই তিনি তা'জীমের
সাথে উঠে দাঁড়াবেন এবং এখানে আগমনের
কারণ জিজ্ঞাস করবেন।
জিবরাঈল বলবেনঃআমি উম্মাতে
মুহাম্মাদির খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য এসেছি।
তারা কেমন আছে?
দারোগা বলবেনঃতাদের অবস্থা খুবই
খারাপ।সংকীর্ণ স্থানে পড়ে আছে।আগুন
তাদের শরীরের গোশতগুলিকে জ্বলিয়ে ভস্ম করে দিয়েছে। অবশিষ্ট আছে তাদের চেহারা ও অন্তরগুলো।তার সেখানে ঝলমল করছে ঈমানের নূর।
হযরত জিবরাইল (আঃ) বলবেনঃতারা
কোথায়? আমাকে দেখিয়ে দাও।জিবরাঈল
কে দেখতেই পাপী বান্দারা বুঝে ফেলবে ইনি আযাবের ফেরেশতা নন। কারণ তার উজ্জ্বল মুখশ্রী তে রহমতের ঝিলিক খেলতে থাকবে।
তারা জিজ্ঞেস করবেঃ ইনি কে?আমরা আজ
অবধি এমন সুন্দর চেহারা কখনো প্রত্যক্ষ করিনি।
বলা হবেঃইনি হযরত জিবরাঈল। যিনি হযরত
মুহাম্মদ (সাঃ) এর কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে ওহী নিয়ে আসতেন। এই নাম শুনতেই তারা চিৎকার করে উঠবে।
তারা বলে উঠবেঃ জিবরাঈল! আপনি গিয়ে
মুহাম্মদ (সাঃ) কে আমাদের সালাম দিবেন।
বলবেনঃ
আমাদের পাপ আমাদের কে তার থেকে দূরে
ঠেলে দিয়েছে। আমাদের ধ্বংস করে ফেলেছে।
হযরত জিবরাঈল (আঃ) ফিরে আসবেন।আল্লাহ
তা'আলার দরবারে সব ঘটনা খুলে বলবেন।
আল্লাহ তা'আলা বলবেনঃ তারা তোমাকে কিছু বলেনি?
বলবেন, বলেছে।মুহাম্মদ (সাঃ)এর কাছে
সালাম পাঠিয়েছেন এবং তাদের দুরাবস্থার
কথা জানাতে বলেছে।
নির্দেশ হবে,যাও,তাদের পয়গাম পৌঁছে দাও।
এ কথা শুনতেই হযরত জিবরাঈল (আঃ) হযরত
রাসূল (সাঃ) এর খেদমতে উপস্থিত হবেন।
রাসূল(সাঃ) তখন বেহেশত এর এমন একটি
মহলে আরামরত থাকবেন যা শুভ্র মোতির তৈরি। যাতে চার হাজার দরজা রয়েছে। সে দরজা সোনা দিয়ে বাঁধানো। সালাম বা'দ আরয করবেন, আপনার পাপী
উম্মতের কাছ থেকে এসেছি। তারা আপনাকে সালাম বলেছে এবং তাদের ধ্বংস ও দুর্দশার কথা আপনাকে জানাতে বলেছে। এ কথা শুনতেই হযরত (সাঃ) আরশের নিচে সেজদায় পড়ে যাবেন এবং অপূর্ব ভাব ও ভাষায় আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা করবেন।
আল্লাহ তা'আলা আদেশ করবেন, মাথা
তুলো!চাও, কি চাওয়ার আছে।যা চাইবে তা ই
দিব।কারো সম্পর্কে সুপারিশ করলে কবুল করবো।
রাসূল(সাঃ) আরয করবেনঃ ওগো প্রভু!আমার পাপী উম্মতের ওপর আপনার নির্দেশ কার্যকরী হয়েছে,তাদের উপর আপনার শাস্তি নিপাতিত হয়েছে।
আমি তাদের জন্য সুপারিশ করছি।আপনি কবুল
করুন।
আদেশ করা হবে, আপনার সুপারিশ গ্রহণ করলাম।আপনি যান এবং যে ব্যক্তি কালিমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু পাঠ করেছে তাকে জাহান্নাম থেকে বের করে আনুন।
রাসূল(সাঃ) জাহান্নামের কাছে পৌঁছাতেই তার সম্মানার্থে দারোগা মালিক দাঁড়িয়ে যাবেন।
তিনি তাকে বলবেনঃ মালিক, আমার পাপী উম্মতেরা কেমন আছে? মালিক আরয করবেনঃ খুবই খারাপ।
রাসূল(সাঃ) বলবেনঃ জাহান্নামের দরজা
খুলে দাও।
জাহান্নামের দরজা খুলে দেওয়া হবে।
রাসূল(সাঃ) কে দেখতেই পাপী উম্মতেরা এই বলে চিৎকার করে উঠবেঃ হে রাসূল!আগুন আমাদের শরীর কলিজা জ্বালিয়ে ফেলেছে।
রাসূল (সাঃ) তাদেরকে জাহান্নাম থেকে
বের করে আনবেন।তাদের শরীরের রঙ তখন
কয়লার মতো কালো।রাসূল (সাঃ) তাদেরকে
বেহেশত এর দরজার কাছে অবস্থিত
"রিযওয়ান"নামক নহরে গোসল করতে দিবেন।
এইখানে গোসল করতেই সকলে
আলোকোজ্জ্বল যুবকে পরিণত হয়ে উঠবে।
চেহারা হবে চাঁদের মত উজ্জ্বল।
তাদের কপালে লেখা থাকবে----
""এরা হল আল্লাহ রহমানুর রহীম কর্তৃক
মুক্তিপ্রাপ্ত জাহান্নামমুক্তি
প্রাপ্ত জাহান্নামী ""
তখন অবশিষ্ট জাহান্নামী রা আক্ষেপের
সুরে বলবেঃ আহা!আমরাও যদি মুসলমান
হতাম,তাহলে আজ অন্তত জাহান্নাম থেকে
নিষ্কৃতি পেতাম।
এ মর্মেই কোরআনে এরশাদ করা হয়েছে
"কত কাফের এই কামনা করবে,তারা যদি
মুসলমান হতো তারপর মৃত্যু কে একটি দুম্বার আকৃতিতে উপস্থিত করা হবে এবং তাকে জবাই করা
হবে।
অতঃপর বেহেশতী ও দোযখীদের কে বলা হবে---আজ থেকে আর কারো মৃত্যু হবেনা।তোমরা যে যেখানে আছো,অনন্ত্যকাল সেখানেই থাকবে।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka