31/05/2022
২০২৩ সাল থেকে নতুন এই শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হবে
তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা নেই, দশম শ্রেণিতে নেই বিভাগ, সপ্তাহে দুইদিন ছুটি
তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা নেই, সপ্তাহে দুইদিন ছুটি
দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের নতুন শিক্ষাক্রমের রূপরেখার আনুষ্...
24/04/2021
মোবাইলে প্রমোশনাল এসএমএস না পেতে চাইলে টাইপ করুনঃ
গ্রামীনফোনঃ *১২১*১১০১ #
বাংলালিংকঃ *১২১*৮*৬ #
রবি ও এয়ারটেলঃ
*৭ #
জনস্বার্থে - বিটিআরসি
02/10/2020
ধন্যবাদ এমন সিদ্ধান্তের, নৌ পথে এমন কুলিগত সমস্যায় পড়ে নাই এমন কেউ নেই, বিশেষ করে সদরঘাট এ গেলে বুঝা যায় তারা কাউকে মানে না জোরপূর্বক আপনার ব্যাগ তার হাতে নিবে নিয়ে ৫০ টাকার জায়গায় ৫০০ টাকা দাবি করবে।
যদি সত্যি এমন সিদ্ধান্ত হয়ে থাকে তাহলে ধন্যবাদ কর্তৃপক্ষ কে।
01/08/2020
দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করে কুসুমের মা কুসুমের বাবাকে বললেন, আমি তো পিঁয়াজ মরিচ কেটে রেখেছিলাম, কেউ তো গোশত পাঠালো না! প্রতিবেশীরা আমাদের কথা ভুলে গেলো না তো ? আপনি কি একটু গিয়ে দেখবেন?
কুসুমের বাবাঃ তুমি তো জানো আজ পর্যন্ত কারো কাছে আমি হাত পাতিনি
আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই কোন না কোন ব্যবস্থা করে দেবেন।
দুপুরের পর পীড়াপীড়িতে বের না হয়ে পারলেন না। প্রথম গেলেন বড় সাহেবের বাড়ীতে। বললেন,বড় সাহেব! আমি আপনার পড়শী। কিছু গোশত দেবেন ?
গোশত চাইতেই বড় সাহেবের চেহারা গোস্বায় লাল হয়ে গেল। তাচ্ছিল্যের সাথে বললেন, কি জানি কোত্থেকে গোশত চাইতে চলে আসে-বলেই ধরাম করে দরজা বন্ধ করে দিলেন।
অপমানে কুসুমের বাবার চোখে পানি চলে আসলো। ভারী পায়ে চলতে চলতে এবার গেলেন মিঁয়া সাহেবের ঘরের দিকে, দরজায় করাঘাত করে বিনীতভাবে কিছু গোশত চাইলেন। মিঁয়া সাহেব গোশতের কথা শুনেই বিরক্তিভরে তাকালেন, পলিথিনে কয়েক টুকরো গোশত দিয়ে দ্রুত দরজা বন্ধ করে দিলেন। যাক ছোট মেয়েটাকে তো একটা বুঝ দেয়া যাবে, এমনটা ভাবতে ভাবতে কুসুমের বাবা ঘরে ফিরে এলেন। ঘরে ফিরে পলিথিন খুলে দেখলেন শুধু দুটো হাড্ডি আর চর্বি।
চুপচাপ রুমে গিয়ে কাঁদতে লাগলেন।
এরই মধ্যে ছোট কুসুম বাবাকে জড়িয়ে ধরে বলল, বাবা ! গোশত লাগবে না। আমি গোস্ত খাবো না, আমার পেট ব্যাথা করছে। মেয়ের একথা শুনে বাবা আর চাপা কান্না ধরে রাখতে পারলেন না।
এমন সময় বাইরে থেকে সবজি বিক্রেতা আকরাম ভাই ডাক দিলো। কুসুমের বাপ ঘরে আছেন ? কুসুমের আব্বু দরজা খুলতেই আকরাম ভাই তিন- চার কেজি গোশতের একটি ব্যাগ হাতে নিয়ে বলল, গ্রাম থেকে ছোট ভাই নিয়ে এসেছে। এতো গোশত কি একা খাওয়া সম্ভব, বলেন? এটা আপনারা খাবেন। আনন্দ আর কৃতজ্ঞতায় কুসুমের বাবা ভেজা চোখ মুছতে লাগলেন। অন্তর থেকে আকরামের জন্য দোয়া করতে লাগলেন। গোশত রান্না করে সবাই মজা করে খেয়ে উঠতে না উঠতেই প্রচন্ড তুফান শুরু হলো। বিদ্যুৎও চলে গেল। সারাদিন গেল, এমনকি দ্বিতীয় দিনও বিদ্যুৎ এলো না তুফানে ট্রান্সমিটার জ্বলে গিয়েছিলো ।
কুসুমের বাবা তৃতীয় দিন কুসুমকে নিয়ে হাঁটতে বের হলেন। বাবা-মেয়ে দেখলো,
বড় সাহেব ও মিঁয়া সাহেব গোশতে ভরা অনেকগুলো পোঁটলা ডাস্টবিনে ফেলছেন। বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজে থাকা সব গোশত নষ্ট হয়ে গিয়েছে। ফেলে দেয়া পঁচা গোশতের উপর একদল কুকুরকে হামলে পড়তে দেখে কুসুম বলল, বাবা তারা কি
কুকুরদের খাওয়ানোর জন্য কুরবানী করেছিলেন ?
পাশ থেকে মিঁয়া সাহেব ও হাজী সাহেব ছোট মেয়েটির কথা শুনে লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেললেন।
হ্যাঁ, এটিই আমাদের সমাজের অধিকাংশ মানুষের বাস্তবচিত্র। আমরা যেন মিঁয়া সাহেব আর বড় সাহেবদের মতো না হই। লাইনে দাঁড় করিয়ে নয় বরং (সম্ভব হলে) অভাবীদের ঘরে ঘরে কুরবানীর গোশত পোঁছে দেই।
আল্লাহ তায়ালার কাছ থেকে উত্তম বিনিময় পাওয়ার আশায়। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সমস্ত নেক আ'মল গুলো কবুল করুন। আমাদের ভুল-ত্রুটিগুলো যেন মাফ করে দেন- আমিন।
26/07/2020
এমন সন্তান হতে পারাটাই গর্বের🤗
এমন সন্তান হতে পারাটাই গর্বের🤗
নিউমার্কেট থেকে ছবি বাঁধাই করে ফিরছি বাসায়। পথে শুকনা লম্বা ফর্সামতন একটি ছেলে বাসে উঠল। তার পিঠে স্কুল ব্যাগ। পরনে পাঞ্জাবি আর ফুলপ্যান্ট। একটু পর দেখলাম ভালো মানের কিছু টুথব্রাশ বের করল ব্যাগথেকে। বাসে বিক্রি করতে লাগল। মনেহল গাতানুগতিক কোনো হকার সে নয়। আমার অনতিদূরে একটি সিট খালি পেয়ে বসেছে সে। এতো ভদ্রটাইপ হকার কখনও দেখিনি ঢাকা শহরে। সুযোগ পেয়ে জিজ্ঞেস করলাম পড়ালেখা করে কি না। ছেলেটি বলল, জি ক্লাশ টেনে পড়ি।
- তো তুমি ফেরি করছো যে?
- আসলে আমার আব্বু স্কুল টিচার। বেসরকারি স্কুল। টিউশানিও বন্ধ, বেতনও বন্ধ। বাসা ভাড়া, খাওয়া খরচার ইনকামের সামর্থ্য নেই আব্বুর। শিক্ষক মানুষ অন্য কিছু করতেও লজ্জার ব্যপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আমি পথে নেমেছি।
- এটা তোমার স্কুলব্যাগ?
- জি।
- কত থাকে দৈনিক?
- তা প্রায় ৬শ টাকার মত থাকে।
এরই মধ্যে আরেকটি স্টপেজ চলে এলে ছেলেটি নেমেগেল। আমি পিতৃত্বের চোখ দিয়ে চেয়ে রইলাম যতদূর দেখাযায়।
#সংগৃহিত
25/04/2020
৮ বছরের একটা বাচ্চা ছেলে ১ টাকার একটা কয়েন হাতে নিয়ে দোকানে গিয়ে বললো,
--আপনার দোকানে কি আল্লাহকে পাওয়া যাবে?
দোকানদার একথা শুনে কয়েনটি ছুড়ে ফেলে দিয়ে তাড়িয়ে দিলো ছেলেটিকে।
ছেলেটি পাশের দোকানে গিয়ে ১ টাকা দিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলো!
-- এই ছেলে.. ১ টাকা দিয়ে কি চাও তুমি?
-- আমি আল্লাহকে চাই। আপনার দোকানে আছে?
দ্বিতীয় দোকানদারও তাড়িয়ে দিলো।
কিন্তু, অবুঝ ছেলেটি হাল ছাড়লো না। একটার পর একটা দোকানে ঘুরতে লাগলো। ঘুরতে ঘুরতে চল্লিশটা দোকান ঘোরার পর এক বয়স্ক দোকানদার জিজ্ঞাসা করলো,
-- তুমি আল্লাহকে কিনতে চাও কেন? কি করবে আল্লাহকে দিয়ে?
এই প্রথম কোন দোকানদারের মুখে এরকম প্রশ্ন শুনে ছেলেটির চোখেমুখে আশার আলো ফুটে উঠলো৷ নিশ্চয়ই এই দোকানে আল্লাহকে পাওয়া যাবে! হতচকিত কণ্ঠে উত্তর দিলো,
--আমার তো বাবা নাই, এই দুনিয়াতে আমার মা ছাড়া আর কেউ নাই। আমার মা সারাদিন কাজ করে আমার জন্য খাবার নিয়ে আসে। আমার মা এখন হাসপাতালে। মা মরে গেলে আমি খাবো কি? ডাক্তার বলেছে, একমাত্র আল্লাহই পারে আমার মাকে বাঁচাতে। আপনার দোকানে কি আল্লাহকে পাওয়া যাবে?
--হ্যাঁ পাওয়া যাবে...! কত টাকা আছে তোমার কাছে?
--মাত্র এক টাকা।
--সমস্যা নেই। এক টাকাতেই আল্লাহকে পাওয়া যাবে।
দোকানদার বাচ্চাটির কাছ থেকে এক টাকা নিয়ে খুঁজে দেখলো এক টাকায় এক গ্লাস পানি ছাড়া বিক্রি করার মতো কিছুই নেই। তাই ছেলেটিকে ফিল্টার থেকে এক গ্লাস পানি ধরিয়ে দিয়ে বললো, এই পানিটা খাওয়ালেই তোমার মা সুস্থ হয়ে যাবে।
পরের দিন একদল মেডিকেল স্পেশালিষ্ট ঢুকলো সেই হাসপাতালে। ছেলেটির মায়ের অপারেশন হলো। খুব দ্রুতই তিনি সুস্থ হয়ে উঠলেন।
ডিসচার্জ এর কাগজে হাসপাতালের বিল দেখে মহিলার অজ্ঞান হবার মতো অবস্থা। ডাক্তার উনাকে আশ্বস্ত করে বললো, "টেনশনের কিছু নেই। একজন বয়স্ক ভদ্রলোক আপনার সব বিল পরিশোধ করে দিয়েছেন। সাথে একটা চিঠি দিয়েছেন"।
মহিলাটি চিঠি খুলে পড়ে দেখলো তাতে লেখা-
"আমাকে ধন্যবাদ দেওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। আপনাকে তো বাঁচিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ... আমি তো শুধু উসিলা মাত্র। বরং ধন্যবাদ দিলে দিন আপনার অবুঝ বাচ্চাটিকে। যে একটাকা হাতে নিয়ে অবুঝের মতো আল্লাহকে খুঁজে বেড়িয়েছে। তার বুকভরা বিশ্বাস ছিলো, একমাত্র আল্লাহই পারে আপনাকে বাঁচাতে। এর নামই বিশ্বাস... এর নামই ঈমান। আল্লাহকে খুঁজে পেতে কোটি টাকা দান খয়রাত করতে হয়না, বিশ্বাস নিয়ে মন থেকে খুঁজলে এক টাকাতেও পাওয়া যায়।"
আসুন না, সবাই এই রমজান মাসে এই মহামারি থেকে বাঁচতে মন থেকে আল্লাহকে খুঁজি...তাঁর কাছে প্রার্থনা করি... তাঁর কাছে ক্ষমা চাই..!!!
সবাইকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা
(কপি)
17/03/2020
"২০২০ সালের কাছাকাছি সময়ে নিউমনিয়া টাইপের একটি রোগ পৃথিবীতে আসবে যা কিনা ফুসফুস এবং শ্বাসনালীতেই সংক্রমণ ঘটাবে, এবং সারা পৃথিবীময় সেই রোগটা ছড়িয়ে পড়বে"
ভূয়া মনে হবার কারনে। কিন্তু এই লেখাতে ছবি সত্যতার প্রমান তুলে ধরা হয়েছে।
- - - -
নিচে যে ছবিটি দেখা যাচ্ছে, সে ছবিটি ১৯৮১ সালের প্রকাশিত একটি বইয়ের পাতা থেকে তোলা। সেখানে বেশ রহস্যজনকি কিছু কথা বলা হয়েছে :) ।
In around 2020 a severe pneumonia-like illness will spread throughout the globe, attacking the lungs and the bronchial tubes and resisting all known treatments.Almost more baffling than the illness itself will be the fact that it will suddenly vanish as quickly as it has arrived, attack again 10 years later, and then disappear completely. :)
অর্থাৎ, লেখক যা বলতে চেয়েছেন তা মোটামুটি এরকম, ২০২০ সালের কাছাকাছি সময়ে নিউমনিয়া টাইপের একটি রোগ পৃথিবীতে আসবে যা কিনা ফুসফুস এবং শ্বাসনালীতেই সংক্রমণ ঘটাবে, এবং সারা পৃথিবীময় সেই রোগটা ছড়িয়ে পড়বে :) । আর তার চাইতেও অবাক করা বিষয় হচ্ছে, এই রোগটা যতটা দ্রুত পৃথিবীতে এসেছিল, ততটাই দ্রুত পৃথিবী থেকে এক প্রকার উধাওই হয়ে যাবে। ১০ বছর পর (অর্থাৎ ২০৩০ সালের দিকে) রোগটি আবার আক্রমণে আসবে, এবং এরপরই সেটা চিরতরে হারিয়ে যাবে... :) ।
এটা আমি আজকে হঠাত করেই কোন একটা কাজে্র জন্যে একটি বিষয়ে জানার জন্যে গুগলে রিসার্চ করতে যেয়ে চোখে পড়ে। যে লিংকটা চোখে পড়ে, সে লিংক ঘেটে দেখলাম, ওটা ক্রোয়েশিয়ার এক ব্যাক্তির টুইটার একাউন্টের টুইট :) । যেহেতু সোশ্যাল মিডিয়ার সোর্স, সুতরাং শতভাগই নিশ্চিত ছিলাম যে এটা গাঁজাখুরি খবর ছাড়া আর কিছুই না... :) ।
কিন্তু তাও ভাবলাম যে টুইটার যেহেতু আমাদের বাঙ্গালীরা এখনো দূষিত করে নাই, সুতরাং কিছুটা হলেও চান্স আছে এই ছবিটার ঘটনা সত্য হবার :) ।তাই কাজ ফেলে এবার নতুন করে এটা নিয়ে রিসার্চ করা শুরু করলাম। বেশ কিছুক্ষণ ঘাটাঘাটির পর জানতে পারলাম, ঘটনা আসলেই সত্য। এরকম একটি বই সত্যি সত্যিই রয়েছে যা কিনা ১৯৮১ সালে লিখা হয়েছিল। আর সেই বইটির নাম হচ্ছে "The Eyes of Darkness" :) ।
এ খবর নিয়ে বিশ্বাসযোগ্য কোন নিউজ সোর্স খুঁজতে যেয়ে CNN এর সাইটে এ নিয়ে কিছু কথাবার্তা পেলাম। যদিও সেটার শিরোনামে তারা বলেছে "No, Dean Koontz did not predict the coronavirus in a 1981 novel" (না, ডিন কোনজ ১৯৮১ সালের উপন্যাসে করোনা ভাইরাসের ভবিষ্যদ্বনী করেন নি... :) ) , কিন্তু ঘটনা হচ্ছে গিয়ে সেটার বিস্তারিত বর্ণনায় যা তারা লিখেছে, তা রীতিমত অবাক করার মতই... :) ।
সেখানে বলা হয়েছে, ১৯৮১ সালের সেই বইটায় একটি Biological Weapon (অস্ত্র) এর কথা বলা হয়েছিল, যার নাম ছিল Gorki -400 । এই বইটি যখন পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে পুনঃপ্রকাশ করা হয়, তখন এর নতুন নামকরণ করা হয় Wuhan-400 :) ।
বলা বাহুল্য, করোনা ভাইরাস চায়নার যে জায়গাটি থেকে প্রথম ছড়াতে শুরু করে, সে জায়গাটির নাম হচ্ছে Wuhan :) ।
আর সবচাইতে চাঞ্চল্যকর বিষয় হচ্ছে, সেই নিউজে আরও ক্লেইম করা হচ্ছে যে "In the book, the virus has a 100% mortality rate" :) । আর এর ব্যাখ্যায় তারা বলেছে (এবং বইতে যা বলা হয়েছে) তা অনেকটা এরকম, পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা প্রচুর বেড়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় বেড়েছে। এত মানুষের থাকার কোন প্রয়োজন নেই... :) । পৃথিবীর একটা ভারসাম্য প্রয়োজন... মানুষ কমানোটাই এখন ভারসাম্য স্থাপনের একমাত্র উপায়...
বইটির ভাস্যমরে... সেই উপায়ের সবচেয়ে ভাল অস্ত্র হচ্ছে মরণঘাতি ভাইরাস... :)
তবে করোনা কি সত্যিই মানবসৃষ্টই কোন ভাইরাস ছিল... ? :) । আল্লাহই ভাল জানেন...
(ভাল কথা... সাউথ কোরিয়ায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে একজনকে গুলি করে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে... :) । খবরটা গুগল করলেই পাবেন... :) ।
সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হচ্ছে, তার চাইতেও হাজারো গুন ঘটনা হয়তো ঘটছে পুরো বিশ্বটা জুড়েই... যে খবর গুগলেও পাবেন না... :)
আর বাংলাদেশের কথা তো বাদই দিলাম... :) ।
লেখা: আশিক সরকার।
03/01/2020
Childhood Memories🥰
ছোটবেলার দিনগুলো কতইনা ভাল ছিল😊
খুব ইচ্ছে করে ফিরে পেতে সেই দিনগুলো😢