ঢাকা এখন দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী।
জাতিসংঘের নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার জনসংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৬৬ লাখ। এ তালিকায় প্রায় ৪ কোটি ১৯ লাখ জনসংখ্যা নিয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা।
দীর্ঘ দুই দশক ধরে শীর্ষে থাকা জাপানের রাজধানী টোকিও ৩ কোটি ৩৪ লাখ জনসংখ্যা নিয়ে তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে।
Self BCS Preparation
This page is promising to help the BCS Aspirants giving proper guidelines, BCS related information and suggestions.
YouTube: Self BCS Preparation
কারিগরি শিক্ষা ক্যাডার (টেক)- ৪৪তম বিসিএস (গেজেটেড)
বিসিএস সড়ক ও জনপদ (সুপারিশপ্রাপ্ত)- ৪৬তম বিসিএস
#অর্থনৈতিক_সমীক্ষা_২০২৫
📌স্থির মূল্যে GDP প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%
📌মুদ্রাস্ফীতি: ৮.৪৮%
✅ খাত ভিত্তিক জিডিপিতে অবদান (চলতি মূল্যে):
👉কৃষি - ১০.৯৪%
👉শিল্প - ৩৭.৪৪%
👉সেবা - ৫১.৬২%
✅ খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার (স্থির মূল্যে):
👉কৃষি - ১.৭৯%
👉শিল্প - ৪.৩৪%
👉সেবা - ৪.৫১%
✅ মাথাপিছু জিডিপি (GDP):
👉২৬৭১ মার্কিন ডলার
✅ মাথাপিছু জাতীয় আয়:
👉২৮২০ মার্কিন ডলার
✅ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান:
👉মোট বাণিজ্যিক ব্যাংক- ৬১টি।
👉সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি।
👉বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
👉বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩টি।
👉বিদেশী ব্যাংক - ৯টি।
👉ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান - ৩৫ টি।
✅ জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
👉জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন
👉জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%
👉পুরুষ:মহিলা: ৯৬.৩:১০০
👉স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন
👉স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন
👉দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%
👉চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%
✅ সাক্ষরতার হার (৭ বছর+):
👉মোট - ৭৭.৯%
👉পুরুষ - ৮০.১%
👉মহিলা - ৭৫.৮%
✅ প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল:
👉মোট - ৭২.৩ বছর
👉পুরুষ - ৭০.৮ বছর
👉মহিলা - ৭৩.৮ বছর
✅ খাত ভিত্তিক শ্রমশক্তি নিয়োজিত:
👉কৃষি - ৪৪.৬৭%
👉শিল্প - ১৭.৩৭%
সংগৃহীত
👉সেবা - ৩৭.৯৬%
11/10/2025
প্রশ্ন: সীমান্ত গান্ধী নামে পরিচিত ছিলেন কে?
উ: খান আবদুল গাফফার খান।
তথ্য: আব্দুল গাফফার খান ভারতে ব্রিটিশ শাসনে তার অহিংসের জন্য একজন পশতুন বংশোদ্ভূত ভারতীয় রাজনৈতিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তৎকালীন ভারতের উত্তর- পশ্চিম সীমান্তে বিশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রোধে মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতি প্রচার ও ধারণ করার জন্য তাকে সীমান্ত গান্ধী উপাধি দেয়া হয় বলে ধারণা করা হয়। এছাড়াও তিনি সর্বদাই মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতির একজন একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন।
47 & 50 BCS Written Book List.
Update and Concise book list for smart preparation. নতুনদের জন্য বই কিনতে সহায়ক হবে আশা করি।
Sazedul Islam Shagar
BSc in Civil Engineering, RUET.
Technical Education Cadre (Reco. 44th BCS)
প্রশ্ন: বাংলাদেশে এ পর্যন্ত গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে কয়টি?
উ: ৩টি।
বিস্তারিত: বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনটি গণভোটের নজির আছে। একটি ১৯৭৭ সালে। এর মাধ্যমে পঁচাত্তর-পরবর্তী পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী জিয়াউর রহমান জনগণের মধ্যে তাঁর আস্থা এবং ক্ষমতায় থাকার বৈধতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ১৯৮৫ সালে সামরিক শাসক এরশাদ তাঁর ক্ষমতার বৈধতা প্রমাণ করতে গণভোটের আয়োজন করেছিলেন। সর্বশেষ গণভোট হয়েছিল ১৯৯১ সালে। রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব সংসদে পাস হওয়ার পর জনগণ তা গ্রহণ করছেন কি না, তা যাচাইয়ের জন্য গণভোটের আয়োজন করা হয়েছিল।
07/10/2025
বিরল খনিজ কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ❓
সম্প্রতি চীন সরকার বিভিন্ন চীনা বন্দরে দুর্লভ খনিজ, প্রাকৃতিক চুম্বকের রপ্তানি বন্ধ করেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র তো বটেই, বিশ্বজুড়ে হুমকির মুখে পড়েছে অটোনির্মাতা থেকে শুরু করে অ্যারোস্পেস নির্মাতা, সেমিকন্ডাকটর কোম্পানি ও সামরিক কন্ট্রাক্টাররাও ।
✅ বিরল খনিজ কী?
বর্তমানে পৃথিবীতে ১১৮টি মৌলিক পদার্থ রয়েছে। মৌলিক পদার্থগুলোর সুশৃঙ্খল বিন্যাসকে পর্যায় সারণি বলে। আর এই পর্যায় সারণির ল্যানথেনাইড সিরিজের ১৫টি মৌল এবং স্ক্যান্ডিয়াম ও ইত্রিয়াম মিলিয়ে ১৭টি ধাতুকে একসঙ্গে বিরল খনিজ Rare-Earth Elements (REE) বলা হয়।
পদার্থগুলোর নাম ‘বিরল' হলেও প্রকৃতিতে এরা খুব একটা বিরল নয়; মাটিতে এই মৌলগুলো পাওয়া যায় । তবে তাদের বিশুদ্ধভাবে আলাদা করা এবং প্রক্রিয়াজাত করা জটিল, ব্যয়বহুল এবং পরিবেশবান্ধব না হওয়ায় এগুলো ‘বিরল’ খেতাব পেয়েছে ।
✅ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
এই সময়ে বিরল খনিজ ও তা ব্যবহারে তৈরি নানা পণ্য মানুষের জীবনের সঙ্গে একেবারে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। আমাদের হাতে হাতে আজ যে স্মার্টফোন, তার রঙিন স্ক্রিন, কানে থাকা হেডফোন, ব্যাঙ্কনোটের গোপন নিরাপত্তা সংকেত, ক্ষেপণাস্ত্রের শরীরে থাকা তাপসংবেদী কাঠামো, কিংবা সাগরতলে থাকা ফাইবার অপটিক সরবরাহ লাইন-এই সবকিছুতেই ব্যবহৃত হয় বিরল খনিজ।
যোগাযোগ ব্যবস্থা তো বটেই, চিকিৎসা সরঞ্জাম, সামরিক সরঞ্জাম, টেকসই জ্বালানি রূপান্তর-এই সবকিছুই আসলে নির্ভর করছে এই অনবায়নযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাপ্যতার ওপর। বিরল খনিজ উপাদানগুলোর অসাধারণ বৈশিষ্ট্যের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এদের চৌম্বক ধর্ম, যা উচ্চ কর্মক্ষমতার চৌম্বক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এর ফলে ছোট ও হালকা ডিভাইস তৈরি করা সম্ভব হয়েছে, যা আধুনিক প্রযুক্তিকে আরও বহুমুখী করেছে।
🌿 তথ্য কণিকা
♨️ মজুতে শীর্ষ ৫ দেশ (মিলিয়ন মেট্রিক টন)
> চীন (৪৪)
> ভিয়েতনাম (২২)
> ব্রাজিল (২১)
> রাশিয়া (১০)
> ভারত (৬.৯)।
[সূত্র: World Population Review]
💥 বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি বিরল খনিজ আমদানি করে এবং সবচেয়ে বেশি কেনে চীনের কাছ থেকে। বিশ্বে পরিশোধিত বিরল খনিজ উপাদানে শীর্ষ দেশ চীন (১০%)।
তথ্য সূত্র : কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স
প্রশ্ন: A23A (এ২৩এ) কিসের নাম?
উ: একটি হিমশৈল এর নাম। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় হিমশৈল। যার ওজন প্রায় ১.১ ট্রিলিয়ন টন এবং আয়তন হচ্ছে ১৪১৮ বর্গমাইল।
মুখস্থ রাখার সহজ উপায়।
মুখস্থ বিদ্যা ভালো নয়। তবে এটাও ঠিক, অনিবার্য কারণে বিভিন্ন বিষয় আমাদের মনে রাখতে হয়। যেমন, পরীক্ষা, ইন্টারভিউ, প্রেজেন্টেশন , এমনকি আড্ডায় জমানোর জন্যও আমাদের অনেক কিছু মুখস্থ রাখতে হয়। কিন্ত আমরা অনেকেই মনে রাখতে পারি না। যা পড়ি তা দ্রুত ভুলে যাই। সেটা যাতে না হয় সেজন্য মুখস্থ রাখার কিছু সহজ টেকনিক তুলে ধরলাম।
১। লিখুন (হাতে লেখা)।
যা পড়বেন তা লিখুন। লিখলে অনেক বেশি মনে থাকে। তবে লিখতে হবে হাতে। কম্পিউটারে নয়। আমার নিজের ক্ষেত্রে এটা খুব ভালো কাজ দেয়
২। রিপিটেশন
মুখস্থ রাখার জন্য রিপিটেশনের বিকল্প নেই। যা পড়বেন তা বার বার পুনরাবৃত্তি করুন।
৩। গ্রুপ ডিসকাস।
ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয় গ্রুপ ডিসকাস করলে অনেক বেশি মনে থাকে। যে ব্যাপারটি নিজে পড়লে মনে রাখতে পারি না, তা অন্যের মুখে শুনলে মস্তিষ্ক ধরে রাখেন
৪। চাংক বা গ্রুপ করে পড়া।
বড় বিষয় মনে রাখার সহজ উপায় হলো অনুচ্ছেদ ভাগ করে পড়া। বিষয়টিকে কয়েকটি চাংক বা গ্রুপে ভাগ করে পড়লে তা স্মৃতি সহজে ধরে রাখে। একসাথে পড়লে তালগোল পাকিয়ে যায়।আমরা অনেকেই গ্রুপ করে টেলিফোন নাম্বার মনে রাখি। যেমন 01456778943 এ নম্বরটিকে তিনটি গ্রুপে ভাগ করা যায়। (014) (5677) (8943). ঠিক একইভাবে বড় বিষয় হলে প্যারা বা অনুচ্ছেদ ভিত্তিক গ্রুপ বা চাংক করে পড়লে সহজে মুখস্থ থাকবে।
৫। ঘুম।
এটি খুবই জরুরি। ক্লান্ত মস্তিষ্ক কোনো কিছু ভালোভাবে ধারণ করতে পারে না। তাই বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের পর্যাপ্ত ঘুমানো উচিত। বৈজ্ঞানিকভাবেও পর্যাপ্ত ঘুমকে স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর অন্যতম টনিক বলে বিবেচনা করা হয়। আইনাস্টাইন এত ব্যস্ততার মধ্যেও দিনে দশ ঘণ্টা ঘুমাতেন।
৬। খাবার।
সুষম খাবারও মুখস্থ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শরীরে পুষ্টি না থাকলে শরীরের কোনো অঙ্গই ঠিকভাবে কাজ করে না। ব্রেইনও এর ব্যতিক্রম নয়। এজন্যই ছোটোবেলায় মহিউদ্দিন স্যার আমাকে প্রায় বলতেন, 'বাদলা, ব্যাটা, খাওয়াদাওয়া ঠিকমতো করবি। পরীক্ষায় ভালো করার অন্যতম শর্ত হলো খানাখাদ্য।'
৭। নো জাংক ফুড।
বিজ্ঞান বলে ভাজাপোড়া, জাংকফুড এগুলো মগজের সক্ষমতা কমিয়ে দেয়। স্মৃতিশক্তিরও বারোটা বাজায়।
৮। খালি পেটে না পড়া।
ক্ষুধার্ত অবস্থায় মগজে কিছু ঢুকে না। তাই খালি পেটে পড়লে মুখস্থ থাকে না।
৯। শৃঙ্খলা।
যেকোনো সাফল্যের পূর্বশর্ত হচ্ছে শৃঙ্খলা। পড়ার ব্যাপারেও তাই। ডিসিপ্লিন মেনে চললে স্মৃতিশক্তি ভালো কাজ করে। রুটিন করে প্রতিদিন একই সময়ে পড়লে বডি ক্লক ওই সময় পড়ার জন্য সেট হয়ে যায়। এটি নির্ধারিত সময়টিকে 'মনোযোগের সময়' বলে ধরে নেয়। তাই যা পড়ি তা বেশি মনে থাকে। এলোমেলো টাইমে পড়লে তা হয় না। মনে রাখবেন, বডি ক্লক একটি রিদমে চলে। আপনার কাজ হলো শৃঙ্খলার মাধ্যমে তা সেট করা।
১০।মার্কার ব্যবহার।
পড়ার সময় কঠিন অংশ মার্কার দিয়ে দাগালে তা মনে গেঁথে যায়। আমি এতে উপকার পেয়েছি। অনেককে উপকার পেতে দেখেছি।
১১। মার্জিনে নোট।
পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সম্পর্কে মার্জিনে নোট রাখলে তা পড়ে মুখস্ত রাখতে ভালো ভূমিকা রাখে।
১২। পড়ার সময় মোবাইল দূরে রাখা।
পড়ার সময় হাতের কাছে মোবাইল রাখলে তা বারবার ডিস্টার্ব করে। খানিকটা পড়ে মোবাইল দেখতে ইচ্ছা করে। তাই পুর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়তে হলে মোবাইল দূরে রাখা জরুরি। আরো ভালো হয় বন্ধ বা সাইলেন্ট রাখলে।
১৩। নিরিবিলি পরিবেশ।
নিরিবিলি পরিবেশে পড়লে পড়ায় মনও বসে। মনেও থাকে। তাই পড়ার সময় যাতে আশেপাশে জোরে শব্দ, যেমন টিভির সাউন্ড, গান-গান-বাজনা এগুলো যাতে না হয়, কেউ অযথা বিরক্ত না করে সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত।
উপরের কৌশলগুলো মুখস্থ রাখতে সাহায্য করবে। তবে সবচে ভালো হলো, ব্যাসিক বিষয়টি বুঝে নিজের মতো মনে রাখা। তাহলে কখনোই ভুলবেন না। মজার ব্যাপার হলো, সেটা করার জন্যও বর্ণিত কৌশলগুলো খুবই কার্যকরী।
অবশ্যই পড়বেন- ভাইভা, প্রিলি ও লিখিত সব জায়গায় লাগবে🔥
✴️ বাংলাদেশে কতবার সামরিক আইন জারি করা হয়?
উত্তর: ৩ বার জারি করা হয়।
১. ১৯৭৫- খন্দকার মোশতাক মুজিবকে সপরিবারে হত্যার পর ১ম সামরিক আইন জারি করেন।
২. ১৯৭৫- বিচারপতি আবু সাদাত। ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ৬ নভেম্বর বিচারপতি সায়েম বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পরই তিনি সংসদ ও মন্ত্রী পরিষদ ভেঙে দিয়ে সারা দেশে সামরিক আইন জারি করেন এবং নিজেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ঘোষণা করেন।
৩. ১৯৮২- হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
✴️ প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয় কত সালে? মোট গণভেট হয় কতবার?
উত্তর: বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট গণভোট হয়েছে ৩ বার।
১. বাংলাদেশের প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমানের নিজ শাসনকে বৈধকরণ। (প্রশাসনিক )
১. দ্বিতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ১ মার্চ এরশাদের সমর্থন যাচাই। (প্রশাসনিক)
৩. তৃতীয় গণভোট - ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১ (একমাত্র সাংবিধানিক)।
✴️ বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কতবার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়?
উত্তর: বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৫ বার জরুরী অবস্থা জারি করা হয়েছে⎯
১. ১৯৭৪ সালের ২৮শে ডিসেম্বর ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা মোকাবেলা করার জন্য জরুরী অবস্থা জারি করা হয়।
২. জিয়াউর রহমান খুন হলে উপ-রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার রাষ্ট্রপতি হয়ে ১৯৮১ সালের ৩০শে মে জরুরী অবস্থা জারি করেন।
৩. ১৯৮৭ সালের ২৭শে নভেম্বর জেনারেল এরশাদ জরুরী অবস্থা জারি করেন।
৪. ১৯৯০ সালের ২৭শে নভেম্বর জেনারেল এরশাদ দ্বিতীয়বার জরুরী অবস্থা জারি করেন।
৫. ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইয়াজউদ্দীন আহম্মেদ জরুরী অবস্থা জারি করেন। এই দিনটি ১/১১ নামে পরিচিত।
✴️ মোট কতবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়?
উত্তর: ৪ বার।
১৯৯৬ সালের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে ৫৮খ-৫৮ঙ পর্যন্ত চারটা অনুচ্ছেদ যোগ করে জাতীয় নির্বাচনের সময়ে সরকার পরিচালনার জন্য ‘নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ ব্যবস্থা চালু করা হয়।
১. ১৯৯৬ সালে প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন ১ম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
২. ২০০১ সালে লতিফুর রহমানের নেতৃত্বাধীন ২য় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
৩. ২০০৬ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন ৩য় বার তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
৪. ২০০৭ সালে ফখরুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে ৪র্থ বার তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঠিক করেছিল। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলোর মতানৈক্য না হওয়ায় পরিস্থিতি সংঘাতের দিকে গড়ালে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি নির্বাচন স্থগিত করে জরুরি অবস্থা জারি করেন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দীন। তিনি প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে সরে দাঁড়ালে সেই সরকারের অবসান ঘটে।
জরুরি অবস্থা জারির পর ইয়াজউদ্দীন আহম্মেদ রাষ্ট্রপতির পদে থেকে যান। সাবেক গভর্নর ফখরুদ্দীন আহমদকে প্রধান উপদেষ্টা করে নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয় ২০০৭ সালের ১২ জানুয়ারি।
সুতরাং, মোট ৪টি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
১৯৯০ সালে প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত সরকার কার্যকাল, পদ্ধতি ও সাংবিধানিকতার বিচারে ‘নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ না হলেও বাস্তবে সেটিই ছিল আমাদের প্রথম নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং পরবর্তী সাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভিত্তিভূমি ও পথনির্দেশক। এটি ছিল মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এরশাদের পতনের পর দেশের এক্সট্রাঅর্ডিনারি সময়ে এই সরকার গঠিত হয়।
✴️ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন হয় কতবার?
উত্তর: ৩ বার।
১. ১৯৯৬ সালে।
২. ২০০১ সালে।
৩. ২০০৮ সালে।
✴️ প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা কে?
উত্তর: ১৯৯৬ সালে প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানকে প্রধান উপদেষ্টা করে ১ম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। তিনি বাংলাদেশের প্রথম সাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রথম উপদেষ্টা।
✴️ বাংলাদেশে কতবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়?
উত্তর: দুইবার।
১. ১৯৯০ সালে এরশাদের পতনের পর প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে ১১ সদস্য বিশিষ্ট প্রথম অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এর মেয়াদ ছিল প্রায় ৩ মাস।
২. ২০২৪ সালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে হাসিনার পতনের পর ড. মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেশের এক্সট্রা অর্ডিনারি সময়ে ১৭ সদস্যের ২য় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়।
28/09/2025
Obsolete (অবসলিট) অপ্রচলিত / পুরনো / সেকেলে (Adjective)
English Explanation
No longer in use, because something newer and better has replaced it.
Outdated and not relevant in modern times.
---
Example Sentences
Many words in old English are now obsolete.
= প্রাচীন ইংরেজির অনেক শব্দ এখন অপ্রচলিত।
Typewriters have become obsolete due to the invention of computers.
= কম্পিউটার আবিষ্কারের কারণে টাইপরাইটার অপ্রচলিত হয়ে গেছে।
The law is considered obsolete in today’s society.
= আজকের সমাজে এই আইনটিকে সেকেলে হিসেবে ধরা হয়।
---
Synonyms & Antonyms
Synonyms (সমার্থক): outdated, archaic, old-fashioned, extinct, antiquated
Antonyms (বিপরীতার্থক): modern, up-to-date, contemporary, current, innovative
horsing around= দুষ্টামি করা, পাগলামি করা, ছোটাছুটি করা৷
যেমন:
১) Stop horsing around and go back your work.
দুষ্টামি করা বাদ দিয়ে কাজে ফিরে যাও
২) The children are horsing around in the room.
বাচ্চারা রুমে দুষ্টামি করতেছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Address
Dhaka