Knowledge View Education Place

Knowledge View Education Place

Share

It's an institution which always try to support any student to do well his/her study.

20/12/2023

আপনি কি জানেন?
১৯৭২ সালে ৮৩ বছর বয়সে যখন অস্কার নিতে মঞ্চে ওঠেন , টানা বারো মিনিট হাততালির ঝড় বয়ে যায় অস্কার মঞ্চে। অস্কারের ইতিহাসে সেটাই ছিল দীর্ঘতম অভ্যর্থনা। আবেগে প্রায় কিছুই তিনি বলতে পারেননি সে দিন |

ব্রিটিশ এই কিংবদন্তি মাত্র ১৮ বছর বয়সে ইংল্যান্ডে কুড়ানো তুমুল জনপ্রিয়তাকে সঙ্গী করে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেই দেশ কত চেয়েছে তাকে নাগরিকত্ব দিতে। তিনি নেননি। তিনি কখনই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হতে চাননি। পরে যুক্তরাষ্ট্র একসময় 'কমিউনিস্ট' বলে 'গালি দিয়ে' তার জন্য দরজা বন্ধ করে দেয়। তাই বাকি জীবন কাটানোর জন্য তিনি বেছে নিয়েছিলেন সুইজারল্যান্ডকে।

যখন খ্যাতির শীর্ষে তখন একবার দুই দিনের জন্য জন্মভূমি ইংল্যান্ডে গেলেন। আর এই সময়ের মধ্যে ঘটে গেল অবাক কাণ্ড। মাত্র দু’দিনে তাঁর কাছে প্রায় ৭৩ হাজার চিঠি আসে !

তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছেন, তাঁর কাছে সৌন্দর্য মানে নর্দমায় ভেসে যাওয়া একটা গোলাপ ফুল। এই যে বীভৎস দ্বন্দ্ব থেকে সৃষ্টি হওয়া সৌন্দর্য, এখানেই বাস্তবতার সব নিষ্ঠুর দরজা খুলে যায়। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি দুঃসহ শৈশব বয়ে নিয়ে বেড়িয়েছেন। যেখানে তাঁর মাতাল বাবা, মাকে নির্যাতন করত ছোট্ট শিশুটির সামনেই। একসময় সেই বাবা মাকে ছেড়ে যায়, তাতে সামান্য সময়ের জন্য হাঁপ ছেড়ে বাঁচেন । কিন্তু কতক্ষণের জন্য? পরেরবার খিদে লাগার আগেপর্যন্ত!

মা কখনও সস্তা নাটকে অভিনয় করতেন, কখনও সেলাই করতেন, কখনও বা মা–ছেলে মিলে ভিক্ষা করতেন। কখনও নরম নিষ্পাপ হাতে দিব্যি চুরি করতেন। এর মাঝেই অসুখে পড়ে ভুগে মারা যান মা। আর তাঁর নির্বাক কমেডি নাড়া দিতে থাকে সমগ্র ইংল্যান্ডকে। তাই তো তিনি বলেছেন, সত্যিকারের কমেডি তখনই করা যায়, যখন নিজের সব দুঃখ, বঞ্চনা সফলভাবে গিলে ফেলা যায়।

আর তাঁর জনপ্রিয়তা ?

রাশিয়ার এক ভক্ত নভোবিজ্ঞানী তাঁর আবিষ্কৃত উপগ্রহের নাম রাখেন ৩৬২৩ চ্যাপলিন ! আর এদিকে জাঁদরেল চলচ্চিত্র নির্মাতা জঁ লুক গদার চ্যাপলিনকে তুলনা করেছিলেন লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির সঙ্গে |

তিনি কমেডিয়ান নন, অভিনেতা নন, সব ছাপিয়ে তিনি মহান শিল্পীর ঢিলেঢালা কোট গায়ে এক তুখোড় বিপ্লবী। তিনি চার্লি চ্যাপলিন |

24/11/2023

#নতুন_শিক্ষা_পদ্ধতি

নতুন শিক্ষাক্রমে বড় একটি ভালো দিক হচ্ছে, অতীতে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষাকেন্দ্রিক যো অসহনীয় চাপ ও অসুস্থ প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতো; সেই চাপ ও অসুস্থ প্রতিযোগিতা থেকে শিক্ষার্থীরা মুক্তি পাচ্ছে। 'শিক্ষা যখন প্রতিযোগিতা নির্ভর হয় তখন শিক্ষা একটি নির্দিষ্ট স্থানে, নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে আবদ্ধ থাকে। শিক্ষাকে প্রসারিত করতে হলে, শিক্ষাকে আধুনিক ও উচ্চতরভাবে সমৃদ্ধ করতে চাইলে- শিক্ষা থেকে প্রতিযোগিতা পদ্ধতি বাদ দিতে হবে, শিক্ষাকে সর্বজনীন ও একধারার পদ্ধতি করতে হবে।'

কিন্তু এই শিক্ষাক্রমে থাকা মূল্যায়ন পদ্ধতি ও পরীক্ষা পদ্ধতি অতীতের চেয়ে খুব কষ্টসাধ্য শিক্ষার্থীদের কাছে। শিক্ষার্থীরী মূল্যায়ন পদ্ধতির মুখোমুখি হয়ে আরো তীব্রভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে, অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান করার পরিকল্পিত কোনো পদ্ধতি না থাকায় শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে মোবাইলের দিকে ঝুঁকছে। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে মোবাইল আশক্তি বেড়ে যাবে। বলা যায় শিক্ষার্থীরা এখনো এই পদ্ধতির জন্য প্রস্তুত নয়। শিক্ষকরাও মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে পুরোপুরি প্রশিক্ষিত নয়। পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিল করে শিক্ষকদের কাছে ৬০ শতাংশ নম্বর থাকায় দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতির আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা। অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের প্রাত্যহিক অ্যাসাইনমেন্ট পেপার ব্যয় অভিভাবকদের জন্য অসহনীয়। গত দুই বছরে শিক্ষা সামগ্রীর দাম চারবার বেড়েছে। এমনিতেই শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা সামগ্রী ক্রয় করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে অভিভাবকরা। এরপর ৪-৫ দিন পর পর অ্যাসাইনমেন্ট পেপার, রঙিন পেন্সিল ও কলম ক্রয় করা মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত অভিভাবকদের ওপর ভীষণ রকম চাপ।

বিজ্ঞান শিক্ষার সংকোচন;এ অভিযোগটি দেশের অধিকাংশ শিক্ষাবিদ বেশি করছেন, নতুন শিক্ষাক্রমে বিজ্ঞান শিক্ষাকে সঙ্কুচিত করে নামমাত্র একটি বিজ্ঞান বই রাখা হয়েছে। নবম-দশম শ্রেণিতে এখন আর রসায়ন, জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞানের আলাদা কোনো বই বা পরীক্ষা থাকবে না। এই তিনটি বইকে সমন্বিত করে একটি বই ও একটি পরীক্ষা হবে। এতে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান শিক্ষা থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান চর্চা থেকে বিচ্ছিন্ন হবে এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও কাল্পনিক চিন্তা, কুসংস্কারের বিপরীতে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে অবগত হওয়া থেকে বঞ্চিত হবে।

31/07/2021

জীবনের প্রথম নিয়োগ পরীক্ষায়ই চাকরি পেয়েছি
সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের অফিসার (ক্যাশ) হয়েছেন মো. রাসেল আহমেদ। তার চাকরি পাওয়ার গল্প শুনেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে বিবিএ-এমবিএ করেছি। বিবিএ পড়াশোনার শেষের দিকে এসে চাকরির প্রস্তুতি নিতে শুরু করি। প্রস্তুতি শুরু বা বই কেনার আগে প্রথমেই ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি ও সিলেবাস সম্পর্কে জেনে নিয়েছি। ব্যাংকের পরীক্ষার ধাপ তিনটি (প্রিলিমিনারি/এমসিকিউ-১০০, লিখিত-২০০ ও ভাইভা)। প্রস্তুতির শুরুতে ব্যাংক জবের বইসহ বিষয়ভিত্তিক (বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান ও কম্পিউটার) কয়েকটি বই ও প্রশ্ন ব্যাংক সংগ্রহ করি। এরপর প্রথমেই ধরি বিগত পরীক্ষার প্রশ্নসংবলিত প্রশ্ন ব্যাংক (বই)। একই সঙ্গে জব সলিউশন ও অন্যান্য বইও পড়তে থাকি। দিনে ছয় ঘণ্টার বেশি পড়া হয়নি।
বাংলার প্রস্তুতির জন্য নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বইটিই ছিল যথেষ্ট। তবে বিষয়ভিত্তিক বাংলা বইও বাদ যায়নি। বিখ্যাত লেখকদের সব অধ্যায়ই ছিল আমার নখদর্পণে। বিগত বছরগুলোর প্রশ্ন দেখেই ধারণা পেয়েছি, কোন কোন লেখকের অধ্যায় গুরুত্বপূর্ণ, কোনগুলো থেকে কমবেশি প্রশ্ন আসে। আর প্রতিটি অধ্যায়ের পেছনে যে প্রশ্নগুলো দেওয়া থাকে, সব কটিই পড়েছি, মুখস্থ করার মতো করে পড়া।
ব্যাকরণ অংশের আলোচনা ও প্রশ্নগুলোর ওপর বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছি। কারণ এসব জায়গা থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
ব্যাকরণ অংশের জন্য বোর্ডের বইটিকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছি। বাংলার জন্য বিষয়ভিত্তিক দুটি প্রকাশনীর বই কিনেছিলাম। একটি বই শেষ করে আরেকটি পড়তাম। আমার মতে, একই বিষয়ের বই দুটি থাকলে পড়তে বিরক্তি লাগে না আবার রিভিশনও হয়ে যায়!
ইংরেজির প্রস্তুতির জন্য বাজারের প্রচলিত বইয়ের পাশাপাশি CLIFF’S TOEFL বইটিও অনুশীলন করি। ইংরেজি গ্রামারের বই থেকে শুধু গ্রামারের অংশ পড়লেই হবে, লিটারেচার অংশ না পড়লেও চলে। কারণ ব্যাংকে লিটারেচার তেমন আসে না। প্রতিটি Grammar অধ্যায়ের শেষে বিগত বছরের প্রশ্ন দেওয়া থাকে, সেগুলোর অনুশীলনে গুরুত্ব দিয়েছি। CLIFF’S TOEFL বইটির পুরোটা পড়ার দরকার হয় না। Grammar Review থেকে Mini Test 6 পর্যন্ত পড়লেই চলে। ভোকাবুলারির জন্য দুটি বই দেখেছি—ব্যাংক ভোকাবুলারি ও Word Smart। বাস্তবক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারলে ভোকাবুলারি মনে রাখা খুব সহজ হয়ে যায়। এমন কিছু বন্ধু তৈরি করেছিলাম, যাদের সঙ্গে প্রায়ই ইংরেজিতে কথা বলা যেত। কথোপকথনে নতুন নতুন ভোকাবুলারি প্রয়োগ করতাম।
গণিতের প্রস্তুতিতে সপ্তম-দশম শ্রেণির বোর্ড বইয়ের অঙ্কগুলো অনুশীলন করি। এর সঙ্গে ছিল গণিতের প্রস্তুতিমূলক দুটি বই। Quantitative Aptitude by Dr. R S Agarwal বই থেকে নির্বাচিত কয়েকটি অধ্যায়ের অঙ্ক অনুশীলন করেছি।
সাধারণ জ্ঞানের প্রস্তুতি নিয়েছি বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির বই থেকে। বইয়ের ‘বাংলাদেশ’ অংশে প্রাচীনকাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত সব কিছুই পড়ার চেষ্টা করেছি। আন্তর্জাতিক অংশে বাদ দেওয়ার কিছু নেই।
ব্যাংকের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় সাম্প্রতিক বিষয় থেকে ভালোই প্রশ্ন আসে।
কম্পিউটারের প্রস্তুতিতে বইয়ের পেছনে দেওয়া বিগত প্রশ্নগুলো খুব ভালো করে পড়েছি। মোবাইল, কম্পিউটার আর প্রযুক্তি সম্পর্কে বেসিক ধারণা থাকলে অনেক প্রশ্নের উত্তর এমনিতেই দেওয়া যায়!
লিখিত পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি ও গণিত দিয়ে ২০০ নম্বরের প্রশ্ন সাজানো থাকে। বিবিএ-এমবিএ ইংলিশ ভার্সনে পড়ার কারণে ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা ছিল। বিবিএ পড়ার সময় প্রচুর ইংরেজি সিনেমা দেখতাম, যা আমার ইংরেজি দক্ষতা বাড়াতে ম্যাজিকের মতো কাজ করেছে। তাই ইংরেজি Passage, Translation, Focus Writing নিয়ে বেগ পেতে হয়নি। কিছু গুরুত্বপূর্ণ Focus Writing-এর তথ্য কিছু ফেসবুক গ্রুপ থেকে সংগ্রহ করে পরে নিজের মতো করে লিখেছি।
গণিত আসে পাঁচ থেকে সাতটির মতো প্রশ্ন। প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির সময় যখন বোর্ড বই, ব্যাংক জবের গণিত বই, Agarwal Math থেকে অঙ্ক করি, তখনই মোটামুটি লিখিত প্রস্তুতি হয়ে যায়। লিখিত পরীক্ষার আগে সেগুলো আবার একটু দেখে নিলাম। পাশাপাশি আগের বছরের প্রশ্নগুলোও সমাধান করেছি।
গণিতে কিছুটা দুর্বলতা থাকায় গণিতের উত্তর শেষ দিকে দিয়েছিলাম। ইংরেজি ও বাংলা ফোকাস রাইটিংয়ে টপিকের সঙ্গে মিলিয়ে বিভিন্ন উক্তি দিতে পারলে ভালো হয়।
জীবনের প্রথম ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় পাস করে ভাইভার ডাক পেয়েছি। ভাইভা দেওয়ার আগে নিজের দুর্বল ও শক্ত দিক বিশ্লেষণের পাশাপাশি সম্ভাব্য সব প্রশ্নের কথা মাথায় রেখেছি। নিজের এলাকা, বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার পঠিত বিষয়, ব্যাংকসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি, চলতি ঘটনা (ওই সময় জাতীয় বাজেট ঘোষণা হয়েছিল, এ ব্যাপারে ভাইভায় বেশ কিছু প্রশ্নও করা হয়), বাংলাদেশের ইতিহাস, বিশ্বব্যাংক ইত্যাদি বিষয়বস্তুর ওপর আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলাম। আমার এমবিএ থিসিস থেকেও প্রশ্ন করা হয়েছিল।
-দৈনিক কালের কণ্ঠ/ চাকরি আছে
© এম এম মুজাহিদ উদ্দীন
লেখক : ভাইভা বোর্ডের মুখোমুখি,
ব্যাংকার’স ভাইভা বোর্ড।

18/05/2021

ক্যাম্পাস খোলার আগে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের কথা থেকে এমনটাই জানা গেছে।

আজ সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সুবিধাজনক পরিস্থিতিতে এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ছেলেমেয়েদের টিকা দেওয়া গেলে তাড়াতাড়ি এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে। কলেজ–বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর সংস্কার শুরু হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে ৪০টির সংস্কার শুরু হয়েছে।

Teacher Innovation Award | ZIIEI | Submit your idea 08/01/2020

Teacher Innovation Award | ZIIEI | Submit your idea Teacher Innovation Award, TIA is a National Award for Zero Investment Innovative Ideas, In Education Initiatives Across India, by ZIIEI, Sri Aurobindo Society. Register to apply for Teacher Award. Submit your idea in teaching method and win teacher prize

29/10/2019

প্রশ্ন নং-১
(অধ্যায়-৩)
১। একটি শহরের জনসংখ্যা ১৫০০০। প্রতিদিন ১০
জনের মৃত্যু হয় এবং প্রতিদিন ১৭ জন শিশু
জন্মগ্রহণ করে।
(ক) এক বছরে জনসংখ্যা কত বৃদ্ধি পায় নির্ণয়
কর।
(খ) এক বছর পর ঐ শহরের জনসংখ্যা কত
হবে বের কর।
(গ) উপরোক্ত উদ্দীপকে উল্লিখিত
শহরটিতে মৃত্যুর হার কমে যায় এবং প্রতিদিন ২০
জন শিশু জন্মগ্রহণ করে তাহলে শহরের
জনসংখ্যা কত বৃদ্ধি পাবে।
২। একটি পুকুরের দৈর্ঘ্য ৬০ মিটার এবং প্রস্থ ৪০
মিটার। পুকুরের পাড়ের বিস্তার ৩ মিটার।
(ক) ওপরের তথ্যগুলো জ্যামিতিক চিত্রের
মাধ্যমে প্রকাশ কর।
(খ) পুকুরের পরিসীমা ও ক্ষেত্রফল নির্ণয়
কর।
(গ) পাড় বাদে পুকুরের ক্ষেত্রফল নির্ণয়
কর।
(ঘ) পুকুরের পাড়ের ক্ষেত্রফল নির্ণয় কর।
(ঙ) পুকুরের পরিসীমার সমান পরিসীমাবিশিষ্ট
একটি বর্গাকার কক্ষে ৪০ সে.মি. বর্গাকার
টাইলস দ্বারা বাঁধাই করতে কয়টি টাইলস লাগবে?
(চ) পুকুরের গভীরতা ১৮ মিটার হলে সম্পূর্ণ
পুকুর মাটি দিয়ে ভরাট করতে কত টাকা খরচ
হবে?
(ছ) প্রতি ঘনমিটার ২৫ টাকা দরে পুকুরের মাটি
খনন করতে কত টাকা খরচ হবে এবং পুকুরে
কত কিলোগ্রাম পানি আছে।
৩। আয়াতাকার একটি ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ১০
একর এবং দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৪ গুণ।
(ক) দৈর্ঘ্য ও প্রস্থকে x চলকের মাধ্যমে
প্রকাশ কর।
(খ) ক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য নির্ণয় কর।
(গ) ক্ষেত্রটির পরিসীমা নির্ণয় কর।
(ঘ) আয়াতাকার ক্ষেত্রটির সমান ক্ষেত্রফল
বিশিষ্ট কোন বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য
নির্ণয় কর।
(ঙ) আয়াতাকার ক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য ২ মিটার কম
হলে, ক্ষেত্রটি একটি বর্গক্ষেত্র হয়।
বর্গক্ষেত্রটির পরিসীমা নির্ণয় কর এবং
ক্ষেত্রফল হেক্টরে প্রকাশ কর।
৪। একটি আয়াতাকার ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দেড়
গুণ এবং ক্ষেত্রফল ২১৬ বর্গমিটার।
(ক) ঘরটির প্রস্থ নির্ণয় কর।
(খ) আয়াতাকার ঘরটির পরিসীমা নির্ণয় কর।
(গ) আয়াতাকার ঘরটির সমান ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট
একটি ক্ষেত্রের ভিতরে চারদিকে ১৪৪
ইঞ্চি বিস্তৃত একটি রাস্তা আছে। রাস্তাটির
ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার?
৫। একটি বর্গাকার ক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য
৩০০ মিটার।
(ক) বর্গক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল নির্ণয় কর।
(খ) বর্গাকার ক্ষেত্রটির চারদিকে যদি ৪ মিটার
চওড়া একটি রাস্তা থাকে তাহলে রাস্তার
ক্ষেত্রফল কত?
(গ) রাস্তার চারদিকে প্রতি ৪ মিটার অন্তর একটি
করে নিম গাছের চারা রোপণ করতে কয়টি
চারা লাগবে?
(ঘ) রাস্তার ক্ষেত্রফলের সমান
ক্ষেত্রফলবিশিষ্ট একটি ত্রিভুজাকৃতি
ক্ষেত্রের ভূমি ১২৮ মিটার হলে উচ্চতা নির্ণয়
কর।
৬। সোনা পানির তুলনায় ১৯.৩ গুণ ভারি। আয়াতাকার
একটি সোনার বারের দৈর্ঘ্য ৭.৮ সে.মি., প্রস্থ
৬.৪ সে.মি. ও উচ্চতা ২.৫ সে.মি.।
(ক) সোনার বারের আয়তন কত?
(খ) সোনার বারটির সমআয়তন পানির ভর
কেজিতে নির্ণয় কর।
(গ) দৈর্ঘ্য দৈর্ঘ্য ৫ সে.মি. ও প্রস্থ ২.৫
সে.মি. বিশিষ্ট পাত্রে সোনার বার কর্তৃক
অপসারিত পানি দ্বারা ভর্তি করলে পানির
উচ্চতা কত?
৭। একটি আয়াতাকার চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য ৫.৫ মিটার, প্রস্থ
৪ মিটার এবং উচ্চতা ২ মিটার।
(ক) চৌবাচ্চার আয়তন কত?
(খ) চৌবাচ্চাটিতে পানির আয়তন কত?
(গ) কোন বাগানের গাছে পানি দেয়ার জন্য
চৌবাচ্চাটিতে মটর দ্বারা পানিশূন্য করা হচ্ছে যা
প্রতি সেকেন্ডে ০.১ ঘনমিটার পানি
সেচতে পারে। কত সময় লাগবে চৌবাচ্চাটি
পানি শূন্য হতে?
৮। আয়াতাকার একটি ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের
১.৫ গুণ। প্রতি বর্গমিটার ১.৯০ টাকা দরে ঘাস
লাগাতে ১০২৬০.০০ টাকা ব্যয় হয়।
(ক) আয়াতাকার ক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল নির্ণয়
কর।
(খ) আয়াতাকার ক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ
বের কর।
(গ) প্রতি মিটার ৯ টাকা দরে ঐ ক্ষেত্রতির
চারদিকে বেড়া দিতে মোট কত ব্যয় হবে?
৯। ৮০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৬০ মিটার প্রস্থ বিশিষ্ট একটি
আয়াতাকার বাগানের ভিতরে চারদিকে ৪ মিটার
প্রশস্থ একটি পথ আছে।
(ক) বাগানের ক্ষেত্রফল নির্ণয় কর।
(খ) বাগানের পরিসীমা নির্ণয় কর। পথের
ক্ষেত্রফল বের কর।
(গ) প্রতি বর্গমিটার ৭.২৫ টাকা দরে ঐ বাগানের
চারদিকে বেড়া দিতে কত খরচ হবে?
(ঘ) আয়াতাকার বাগানের সমান ক্ষেত্রফল
বিশিষ্ট একটি ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের
তিনগুণ হলে এর পরিসীমা নির্ণয় কর।
(ঙ) বাগান পরিচর্যার জন্য বাগানটির ঠিক মাঝে
লম্বালম্বিভাবে ১.৫ মিটার প্রশস্ত দুইটি রাস্তা তৈরি
করা হলো।
৫০ সে.মি. বর্গাকার পাথর নিয়ে পথ দুটি
বাঁধতে মোট কতটি পাথর লাগবে?
(চ) ২৫ সে.মি. দৈর্ঘ্য এবং ১২.৫ সে.মি.
প্রস্থবিশিষ্ট ইট দিয়ে রাস্তাটি পাকা করতে
প্রয়োজনীয় ইটের সংখ্যা বের কর।
১০। একটি আয়াতাকার বাগানের দৈর্ঘ্য ৪০ মিটার এবং
প্রস্থ ৩০ মিটার। বাগানের ভেতরে চারিদিকে ৩
মিটার চওড়া একটি রাস্তা আছে। ২৫ সে.মি. দৈর্ঘ্য
১২.৫ সে.মি. প্রস্থবিশিষ্ট ইট দিয়ে রাস্তাটি পাকা
করা হলো।
(ক) বাগানের ক্ষেত্রফল নির্ণয় কর।
(খ) রাস্তার ক্ষেত্রফল নির্ণয় কর।
(গ) রাস্তাটি পাকাকরণে প্রয়োজনীয় ইটের
সংখ্যা বের কর।
১১। ১ কি.মি. দৈর্ঘ্য ও ৬ মিটার প্রস্থবিশিষ্ট একটি
রানওয়ে তৈরির জন্য প্রথমে ০.৩ মি. গভীর
করে মাটি খনন করা হল। তারপর ঐ গর্তে ২০
সে.মি. পুরু বালু ও ইটের টুকরার মিশ্রণ দাওয়া হল।
প্রতি ঘন সেন্টিমিটার মিশ্রণে মজুরি খরচ ০.২৫
টাকা।
(ক) রানওয়ে দৈর্ঘ্য সেন্টিমিটার এককে নির্ণয়
কর।
(খ) মাটি খননকৃত অংশের আয়াতন নির্ণয় কর।
(গ) মজুরি খরচ নির্ণয় কর।
১২। আয়তাকার পানি পূর্ণ একটি ট্যাংকের দৈর্ঘ্য ৬
মিটার, প্রস্থ ৫ মিটার এবং গভীরতা ২ মিটার।
(ক) ট্যাঁকটির তলার পরিসীমা নির্ণয় কর।
(খ) ট্যাংকে কত লিটার পানি আছে বের কর।
(গ) ট্যাংকের চার দেওয়ালে মোট
ক্ষেত্রফল নির্ণয় কর।
১৩। একটি ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৩ গুণ। প্রতি
বর্গমিটারে ১০ টাকা দরে ঘরটির মেঝে
কার্পেট দিয়ে ঢাকতে মোট ১৪৭০ টাকা ব্যায়
হয়। ঘরটির উচ্চতা ৪ মিটার।
(ক) ঘরটির মেঝের ক্ষেত্রফল চলকের
মাধ্যমে প্রকাশ কর।
(খ) ঘরটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নির্ণয় কর।
(গ) বায়ু পানির তুলনায় ০.০০১২৯ গুণ ভারী হলে
ঘরটিতে কত কিলোগ্রাম বায়ু আছে?
১৪। ২১ মিটার দীর্ঘ এবং ১৫ মিটার প্রস্থ বিশিষ্ট
ঘরের বাইরে চারিদিকে ২ মিটার চওড়া একটি বারান্দা
আছে।
(ক) ঘরের ক্ষেত্রফল কত?
(খ) বারান্দাসহ ঘরটির পরিসীমা এবং বারান্দার
ক্ষেত্রফল নির্ণয় কর।
(গ) বারান্দাসহ পরিসীমার সমান পরিসীমা বিশিষ্ট
বর্গাকার টাইলস দ্বারা বাধাই করতে কয়টি টাইলস
লাগবে?
১৫। একটি ঘরের দৈর্ঘ্য তার প্রস্থের দেরগুন
এবং ক্ষেত্রফল ২১৬ বর্গমিটার। প্রতিটি ২৫সি.মি.
বর্গাকার পাথর দিয়ে ঘরটির মেঝে মোড়াতে
হবে এবং প্রতিটি পাথরের মূল্য ১২.৬০ টাকা।
(ক) যদি প্রস্থ ‘ক’ মিটার হয় তাহলে ক্ষেত্রফল
নির্ণয়ের সমীকরণটি গঠন কর।
(খ) উক্ত ঘরের পরিসীমার সমান পরিসীমাবিশিষ্ট
একটি বর্গাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?
(গ) ঘরটির মেঝে মোড়াতে কত টাকা
লাগবে?
১৬। একটি আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য, প্রস্থের ৩
গুণ। এর ক্ষেত্রফল ৪৩২ বর্গ মি.। বাগানের
চারদিকে ২মি. প্রশস্ত একটি পথ আছে।
(ক) বাগানটির প্রস্থ x মিটার হলে, ক্ষেত্রফল
কত?
(খ) বাগানের পরিসীমা নির্ণয় কর।
(গ) পথের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করে প্রতি
বর্গমিটারে ১০ টাকা হিসাবে পথ বাঁধাতে কত খরচ
হবে?
১৭। একটি আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য ৬০ মিটার এবং
প্রস্থ ৫০ মিটার। বাগানের ভেতরর চতুর্দিকে ৩
মিটার চওড়া একটি রাস্তা আছে। বাগানটিতে ২ মিটার
উঁচু ও ২৫সে.মি. পুরুত্ববিশিষ্ট সীমানা প্রাচীর
আছে।
(ক) রাস্তা বাদে বাগানের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নির্ণয়
কর।
(খ) রাস্তার ক্ষেত্রফল নির্ণয় কর।
(গ) প্রাচীরের আয়তন নির্ণয় কর।
১৮। আয়তাকার একটি ফুলের বাগানের দৈর্ঘ্য ৩০০
মিটার এবং প্রস্থ ২০০ মিটার। বাগানটিকে পরিচর্যা করার
জন্য ঠিক মাঝ দিয়ে ৬ মিটার চওড়া দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ
বরাবর একটি রাস্তা আছে।
(ক) উপরের তথ্যটি চিত্রের সাহায্যে সংক্ষিপ্ত
বর্ণনা দাও।
(খ) রাস্তাটির ক্ষেত্রফল নির্ণয় কর।
(গ) রাস্তাটি পাকা করতে ৫০সে.মি. দৈর্ঘ্য ও
২৫সে.মি. প্রস্থ বিশিষ্ট কয়টি ইটের প্রয়োজন
হবে?
১৯। একটি আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য প্রস্থের
দ্বিগুণ এবং এর পরিসীমা ৯০ মিটার। বাগানের বাহিরে
চতুর্দিকে ১.৫ মিটার চওড়া এবং ৫০০সে.মি. গভীর
একটি খাল খনন করা হল। প্রতি মিটার ১২.৫০ টাকা
হিসাবে খালের চতুর্দিকে বেড়া দেওয়া হল।
(ক) বাগানের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নির্ণয় কর।
(খ) খালের চতুর্দিকে বেড়া দিতে কত টাকা
লাগবে?
(গ) খাল মোট কত লিটার পানি ধরবে নির্ণয় কর?
২০। কোন একটি বাগানের দৈর্ঘ্য ৮০ মিটার ও
প্রস্থ ৬০ মিটার। বাগানের ভিতরের চারিদিকে ৪
মিটার প্রস্থ একটি পথ আছে।
(ক) রাস্তাসহ বাগানের ক্ষেত্রফল কত?
(খ) রাস্তাবাদে বাগানের ক্ষেত্রফল কত?
(গ) যদি বাগানের ভিতরের চারিদিকে ৩ মিটার
প্রশস্ত পথ আছে। প্রতি বর্গমিটারে ৭২.৫০ টাকা
দরে ঐ পথ বাঁধতে কত খরচ হবে?
২১। একটি আয়তাকার বাগানের ক্ষেত্রফল ১
হেক্টর এবং তার দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৪ গুণ। বাগানের
বাইরের চারদিকে ২ মিটার চওড়া একটি রাস্তা আছে।
(ক) মেট্রিক পদ্ধতিতে ওজন ও আয়তন
পরিমাপের একক লিখ।
(খ) বাগানটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নির্ণয় কর।
(গ) প্রতি বর্গ মিটারে ৪.৭৫ টাকা করে
রাস্তটিতে গাছ লাগাতে মোট কত খরচ হবে?
২২। ৭০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৫০ মিটার প্রস্থ বিশিষ্ট একটি
আয়তাকার বাগানের ভিতরে চারদিকে ৪ মিটার
প্রশস্ত একটি রাস্তা আছে।
(ক) রাস্তাসহ বাগানের ক্ষেত্রফল নির্ণয় কর।
(খ) রাস্তাবাদে বাগানের পরিসীমা নির্ণয় কর।
(গ) প্রতি বর্গমিটার ৮.২৫ টাকা দরে ঐ রাস্তাটি
বাঁধাতে মোট কত টাকা খরচ হবে?
প্রশ্ন নং-২
(অধ্যায়-২)
১। ৩০ টাকায় ১০ টি দরে ও ১৫ টি দরে সমান
সংখ্যক কলা ক্রয় করে সবগুলো কলা ৩০ টাকায়
১০ টি দরে বিক্রয় করা হল
(ক) দুটি কলার ক্রয়মূল্য কত টাকা?
(খ) উদ্দীপকে উল্লেখিত কলাগুলোকে
বিক্রয় করায় শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে?
(গ) উদ্দীপকের কলাগুলো ২০ টাকায় ৫ টি
দরে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি
হবে?
২। কোন আসল ৬ বছরে মুনাফা-আসলে ১১০০০
টাকা হয় এবং মুনাফা হবে আসলের ৩/৮ অংশ।
(ক) আসল কত?
(খ) শতকরা মুনফার হার নির্ণয় কর।
(গ) কত বছরে মুনফা আসলের দ্বিগুণ হবে?
৩। কোন আসল ৪ বছরে মুনাফা আসলে ৫৪০০
টাকা এবং মুনাফা আসলের ২/৭ অংশ।
(ক) প্রতীকের পরিচয় সহ চক্রবৃদ্ধি মূলধনের
সূত্রটি লিখ।
(খ) মুনাফার হার নির্ণয় কর।
(গ) উক্ত মুনাফা আসলেকে মূলধন ধরে ৯%
হারে ৩ বছরে চক্রবৃদ্ধি মুনাফা ও সরল মুনাফা নির্ণয়
কর।
৪। ৫৬০০ টাকা যে হার মুনাফায় ৪ বছরে মুনাফা
আসলে ৮৮৪০ টাকা হয়, ঐ একই হার মুনাফায় কোন
টাকা ৪ বছরে বছরে মুনফা আসলে ১০২০০০ টাকা
হয়।
(ক) ৪ বছরে মুনাফা কত?
(খ) উদ্দীপকের মুনাফার হার নির্ণয় কর।
(গ) ঐ একই হার মুনাফায় কত টাকা ৪ বছরে মুনাফা
আসলে ১২৯৫০ টাকা হয়?
৫। শতকরা বার্ষিক যে হারে কোনো মূলধন ৬
বছরে মুনাফা-মূলধনে দিগুণ হয়, সেই হারে
কোন মূলধন ৪ বছরে মুনাফা-মূলধনে ২০৫০ টাকা
হয়।
(ক) মুনাফার হার নির্ণয় কর।
(খ) মূলধন নির্ণয় কর।
(গ) ৪ বছরে মুনাফা-মূলধন কত?
(ঘ) একই হার মুনাফায় কত টাকার ৫ বছরে মুনাফা-
মূলধনে ২০২৫ টাকা হবে?
৬। বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা মুনাফায় ৫০০০ টাকার ৩
বছরের জন্য রেখে দেওয়া হলো।
(ক) সরল মুনাফা নির্ণয় কর।
(খ) চক্রবৃদ্ধি মূলধন নির্ণয় কর।
(গ) চক্রবৃদ্ধি মুনাফা নির্ণয় কর।
(ঘ) সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য নির্ণয়
কর।
(ঙ) আরও ৩ বছর পর মুনাফা আসল কত হবে?
৭। একই হার মুনাফায় কোনো মূলধনের এক
বছরান্তে চক্রবৃদ্ধি মূলধন ৬৫০০ টাকা ও দুই
বছরান্তে চক্রবৃদ্ধি মূলধন ৬৭৬০ টাকা
(ক) সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মূলধন নির্ণয়ের
সূত্রটি লিখ।
(খ) উপরোক্ত তথ্যগুলোকে সমীকরণের
সাহায্যে প্রকাশ করে মূলধন নির্ণয় কর।
(খ) চক্রবৃদ্ধি মুনাফার হার নির্ণয় কর।
৮। বাবুল হোসেন ৮% ক্ষতিতে একটি ছাগল বিক্রি
করলেন। কিন্তু ছাগলটি ৮০০ টাকা বেশি মূল্যে
বিক্রয় করলে তাঁর ৮% লাভ হত। পরবর্তীতে
তিনি ছাগলটি ক্রয়মূল্যের সমপরিমান টাকা বার্ষিক
১০% মুনাফায় ৩ বছরের জন্যে ব্যাংকে জমা
রাখলেন।
(ক) ৮% সরল মুনাফায় ৮০০ টাকার ৩ বছরের মুনাফা
নির্ণয় কর।
(খ) ছাগলটির ক্রয়মূল্য নির্ণয় কর।
(গ) উক্ত টাকা ব্যাংকে জমা রাখলে সরল মুনাফা ও
চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত হবে?
৯। রিয়াজ সাহেব বার্ষিক ১২.৫০% মুনাফায় ৩ বছরে
১২০০ টাকা জিপি ফান্ডে জমা করেন।
(ক) সরল মুনাফা নির্ণয়ের সূত্রটি ব্যাখ্যা কর।
(খ) সরল মুনাফা-আসল নির্ণয় কর।
(গ) চক্রবৃদ্ধি মুনাফা ও সরল মুনাফার পার্থক্য নির্ণয়
কর।
১০। করিম সাহেব ৫ বছরের জন্য ব্যাংকে ১৫০০০
টাকা জমা রাখলেন। ব্যাংকে বার্ষিক মুনাফার হার
১০%।
(ক) ১, ৩, ৭, ১৫-এর পরবর্তী দুইটি সংখ্যা নির্ণয়
কর।
(খ) কত বছরে করিম সাহেবের টাকা মুনাফা
আসলে দ্বিগুণ হবে নির্ণয় কর।
(গ) মেয়াদ শেষে তার সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি
মুনাফার পার্থক্য বের কর।
১১। অমল বাবু বার্ষিক ১২% মুনাফায় ৮০০০ টাকা ৩
বছরের জন্য ব্যাংকে জমা রাখলেন।
(ক) ১২% কে সাধারণ ভগ্নাংশে প্রকাশ কর।
(খ) সরল মুনাফা ও মুনাফা আসল নির্ণয় কর।
(গ) চক্রবৃদ্ধি মুনাফা নির্ণয় কর।
১২। কোন আসল ৩ বছরে মুনাফা আসলে ১৫৭৮
টাকা এবং ৫ বছরে মুনাফা আসলে ১৮৩০ টাকা হয়।
(ক) ৩ বছরে মুনাফা কত?
(খ) মুনাফার হার কত?
(গ) ১৫% হারে কত টাকার ৮ বছররে মুনাফা ৪০০০
টাকার ৫% হারে ৬ বছরে মুনফার সমান হবে।
১৩। এক ব্যাক্তি বার্ষিক ১০% হার মুনাফায় ৬০০০ টাকা
সোনালী ব্যাংকে রাখলেন। আবার তিনি ৪০০০
টাকা জনতা ব্যাংকে রাখায় ৫ বছর পর মুনাফা-আসলে
৬০০০ টাকা পেলেন।
(ক) ৪ বছর পর সোনালী ব্যাংকে সরল মুনাফা
কত হবে?
(খ) জনতা ব্যাংকে বার্ষিক মুনাফার হার কত ছিল।
(গ) জনতা ব্যাংকে গচ্ছিত টাকার ৩ বছরে সরল
মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত হবে?
১৪। মিঃ নিজাম ১০% মুনাফায় ৫০০০ টাকা ৩ বছরের
জন্য ব্যাংকে জমা রাখলেন।
(ক) চক্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে স্ববৃদ্ধিমূল C হলে, C
নির্ণয়ের সূত্রটি লিখ।
(খ) ৩ বছরে মিঃ নিজামের মুনাফা কত হবে?
(গ) ৫ বছর পরে তাঁর চক্রবৃদ্ধি হারে স্ববৃদ্ধিমূল
কত হবে?
১৫। গনি সাহেব একটি ঋণদান সংস্থা থেকে ৯.৫০%
মুনাফার শর্তে ১০০০০ টাকা ঋণ নিলেন। তাকে
চক্রবৃদ্ধি মুনাফার ঋণ পরিশোধ করতে হবে।
(ক) প্রারম্ভিক ঋণের ৯.৫০% ের পরিমাণ নির্ণয়
কর।
(খ) ৩ বছর পর ঋণ কত টাকা বৃদ্ধি পাবে?
(গ) ৪ বছর পর সরল মুনাফায় ঋণ পরিশোধ করলে
তাকে কত টাকা কম দিতে হত?
১৬। মিজান সাহেব ৮% মুনাফায় ১০,০০০ টাকা ২
বছরের জন্য ব্যাংকে জমা রাখলেন।
(ক) সংজ্ঞাসহ সরল মুনাফা নির্ণয়ের সূত্রটি লিখ।
(খ) সরল মুনাফা ও মুনাফা-আসল নির্ণয় কর।
(গ) চক্রবৃদ্ধি মূলধন ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফা নির্ণয় কর।
১৭। রাফিউল কোনো ব্যাংকে ৩০০০ টাকা জমা
রেখে ৫ বছরের মুনাফা ১৫০০ টাকা
পেয়েছেন।
(ক) সরল মুনাফার হার নির্ণয় কর।
(খ) আরও চার বছর পর সরল-মুনাফা আসল কত টাকার
হবে?
(গ) উক্ত টাকা একই হারে চক্রবৃদ্ধি মুনাফায় জমা
রাখলে ৩ বছরের সরল-মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার
পার্থক্য কত হবে?
১৮। এক বাক্তি ব্যাংক থেকে বার্ষিক ৫% চক্রবৃদ্ধি
মুনাফার ১০০০০ টাকা ঋণ নিলেন।
(ক) সরল মুনাফা (I) ও চক্রবৃদ্ধি মূলধন (C)
নির্ণয়ের সুত্র দুইটি লিখ।
(খ) তিন বসরান্তে বাক্তিটির ঋণের পরিমাণ নির্ণয়
কর।
(গ) প্রতি বছর শেষে তিনি ৪০০০ টাকা করে
পরিশোধ করলে ৩য় বছর শেষে তাকে আর
কত টাকা দিতে হবে?
১৯। জামাল সাহেব কোনো ব্যাংকে ৩০০০ টাকা
জমা রেখে ২ বছরে পর মুনাফাসহ ৩০০০ টাকা
পেয়েছেন।
(ক) সরল মুনাফা হার নির্ণয় কর।
(খ) আরও ৩ বছর পর মুনাফা-আসল কত হবে?
(গ) ৫০০০ টাকা একই চক্রবৃদ্ধি মুনাফায় জমা রাখলে
২ বছরে চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত হবে।
২০। কোন আসল, মুনাফা আসলে ৫ বছরে ১৬৮০
টাকা এবং ৯ বছরে ২০৬৪ টাকা হয়।
(ক) ৩ বছরের মুনাফা কত টাকা?
(খ) আসল ও মুনাফার হার নির্ণয় কর।
(গ) উক্ত হারে ৮০০ টাকার ৪ বছরে চক্রবৃদ্ধি
মুনাফা ও সরল মুনাফার পার্থক্য নির্ণয় কর।
২১। করিম সাহেব সমিতি থেকে সরল মুনাফায় কিছু
টাকা ঋণ নিলেন। ৩ বছর পর পরিষদ করলে মুনাফা
আসলে ৫৬০০ টাকা হয়। কিন্তু ৫ বছর পর পরিষদ
করলে মুনাফা আসলে ৬০০০ টাকা হয়।
(ক) ৩ বছরের সরল মুনাফা কত টাকা?
(খ) আসল ও মুনাফার হার নির্ণয় কর।
(গ) যদি তিনি চক্রবৃদ্ধি মুনাফায় ঋণ নিতেন তাহলে ৫
বছর পর তাকে কত টাকা বেশি দিতে হত?

15/10/2019

ইংলিশ শব্দের suffix (প্রত্যয়) বা prefix (উপসর্গ) দেখে Parts of speech ও antonym চেনার সহজ কয়েকটি উপায় ও মনে রাখার শর্টকাট টেকনিক ----

1) যে সকল word বা শব্দের শেষে ce, cy, ity, ty, ness, hood, dom, tion, sion, ance, age, ment, th, ইত্যাদি suffix বা প্রত্যয় যুক্ত থাকে তখন উহা সাধারণত Noun হয়।
অর্থাৎ যেসব Word এর শেষে tion,ce,ty,age ,dom,cy,ry,gy. ment,ness,ism,ist ! ex,hood,cm,th. এছাড়া Verb+al,er,ing থাকলে সেই Word টি NOUN হবে।

মনে রাখার টেকনিকঃ শুন(tion) ছি(sy) তাই(ty) আগে(aga) দম(doom) ছাই(cy) রাই(ry) যাই(gy)। মেন্ট(ment) নেস ইজম ইষ্ট এক্স হুড সিএম টিস(th)।
যেমনঃ
☆ ― tion : action
☆ ― sion: confusion
☆ ― er : driver
☆ ― or : actor
☆ ― dom: freedom
☆ ― hood: childhood
☆ ― ness: kindness
☆ ― th: growth
☆ ― let: booklet
☆ ― ock : bullock
☆ ― ment : management
☆ ― age : marriage
☆ ― ance : innocence
☆ ― cy : accuracy
☆ ― tude : servitude
☆ ― ice : service
☆ ― ure : pleasure
☆ ― y : victory
☆ ― ry : dispensary

2) শব্দের শেষে able, ous, ant, ent, le, al, ful, er, est, ive, ইত্যাদি থাকলে উহা Adjective হয়।শব্দের পূর্বে more/most/less/least থাকলে,উহা Adjective হয়।
অর্থাৎ যদি কোন word এর শেষঅংশে ble,ful,ous,less ic,al,ant,ent tive,sive. ইত্যাদি suffix থাকে তবে সাধারণত [ADJECTIVE] হয়।

ছন্দঃ- বল,ফুল,আওস,লেছ, ইক,আল,অ্যান্ট,য়েন্ট, টিভ,সিভ।
যেমনঃ
☆ ―ble(বল)=favourable,
ful(ফুল)=powerful, ous(আওস)=continuous,
less=aimless,
ic=economic,
al=conditional,
tive=Communicative,
sive=Possessive.
☆ ― al : national
☆ ― ic, ical : historic , historical
☆ ―ish: Turkish
☆ ―istic: fantastic , optimistic
☆ ―ive : active , attentive
☆ ―ian, an : Indian , American
☆ ―ary : necessary, documentary
☆ ―ed : learned , talented
☆ ―ate : Fortunate , talented
☆ ―able : drinkable , movable
☆ ―ible : sensible , edible
☆ ―ful : beautiful, hopeful
☆ ―less : fearless, helpless
☆ ―ly : friendly, manly, heavenly
☆ ―y : healthy, wealthy ,

যেমনঃ Beautiful, Best, Important, ইত্যাদি।His friend will not do illegal matter.

3) Adjective এর শেষে ly যোগ করে সাধারণত Adverb হয়। আবার ly বাদ দিলে উহা Adjective হয়।
যেমনঃ slow → slowly, slowly → slow. Example: He did not it slowly. It was slow.

4) শব্দের শেষে te, d, ed, ain, fy, e, en, ize, se, ing, ইত্যাদি থাকলে উহা verb হয়।যেমনঃ build, beautify, made ইত্যাদি।

5) শব্দের প্রথমে de, dis, il, im, in, ir, un, miss,ইত্যাদি Prefix বা উপসর্গ থাকলে উহা বাদ দিলে বিপরীত অর্থবোধক বা antonym হয়।
যেমনঃDecontaminate(দূষণ হতে মুক্ত করা) Contaminate(দূষণ করা) Disconnect (পৃথক করা) Connect(পৃথক) Immortal (অমরনশিল) Mortal(মরণশীল

6) যে সকল verb এর আগে be, en, em, im, ইত্যাদি prefix বা উপসর্গ থাকে তখন উহা বাদ দিলে noun/adjective হয়।
যেমনঃBeflower (ফুল দ্বারা আচ্ছাদিত করা) Flower (ফুল) Enable ( সামর্থ্য হওয়া ) Able ( সামর্থ্য)

7) যে সকল verb এর পরে en, ify, ize, ইত্যাদি suffix বা প্রত্যয় যোগ থাকে উহা বাদ দিলে noun/adjective হয়।
যেমনঃ broaden (প্রশস্থ করা) broad( প্রশস্থ) signify(চিহ্নিত করা) sing(চিহ্ন)

8) verb এর শেষে e থাকলে e বাদ দিয়ে ‘or’ suffix যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃ calculate (গণনা করা ) calculator (যে গণনা করে )

9) verb এর শেষে de থাকলে de বাদ দিয়ে ‘sion’ suffix যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃconclude(সমাপ্ত করা ) conclusion(সমাপ্ত)

10) verb এর শেষে y থাকলে y বাদ দিয়ে ier, suffix যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃcarry (বহন করা) carrier (বহনকারী)

11) verb এর শেষে se থাকল e বাদ দিয়ে ‘ion’ suffix যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃTelevise(টেলিভিশনে প্রচার করা) Television (দূরদর্শন )

12) verb এর শেষে rt থাকলে t বাদ দিয়ে ‘sion’ suffix যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃDivert (চিত্ত-বিনোদন করা) Diversion (চিত্তবিনোদন)

13) verb এর শেষে nt থাকলে t বাদ দিয়ে ‘sion’ suffix যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃAscent(আরোহণ করা) Ascension(আরোহণ)

14) verb এর শেষে it থাকলে t বাদ দিয়ে ‘ssion’ suffix যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃAdmit(ভর্তি করা) Admission(ভর্তি)

15) verb এর শেষে ate থাকলে e বাদ দিয়ে ‘ion’ suffix যোগ করে noun গঠন করা হয়।যেমনঃAccelerate(অধিকতর দ্রুত চলা) Acceleration(বেগ বিদ্ধি)

16) verb এর শেষে e থাকলে e বাদ দিয়ে ‘able’ suffix যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।যেমনঃmeasure(পরিমাপ করা) measurable (যাহা পরিমাপ করা যায় এমন)

17) verb এর শেষে ate থাকলে ate বাদ দিয়ে ‘able’ suffix যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।যেমনঃAppreciate(প্রশংসা করা) Appreciation(প্রশংসনীয়)

18) verb এর শেষে fy থাকলে y বাদ দিয়ে ‘iable’ suffix যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।যেমনঃClassify (শ্রেণী বিভাগ করা) Classifiable(শ্রেণী বিভাগের যোগ্য)

19) 20 . verb এর শেষে y থাকলে y বাদ দিয়ে ‘ied’ suffix যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।যেমনঃstratify(স্তরে স্তরেগথিত হওয়া) stratified(স্তরিভুত)

20) verb এর শেষে ge, se, de, থাকলে ge, se, de বাদ দিয়ে ‘sive’ suffix যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।যেমনঃDiffuse(ছাড়াইয়া দেওয়া) Diffusive(ব্যাপক)

21) verb এর শেষে duce থাকলে e বাদ দিয়ে ‘tive’ suffix যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।যেমনঃproduce (উৎপাদন করা) productive(উৎপাদন

22) কিছু শব্দের suffix বা প্রত্যয় বাদ দিলে তার পার্ট অফ স্পিচ ও পরিবর্তন হয়ে যায় তেমনি কিছু নিয়মঃ
a) শব্দের শেষে ce/cy বাদ দিয়ে t/te যোগ করলে Adjective হয়। যেমনঃ Importance →Important.

b) শব্দের শেষে ity বাদ দিয়ে Adjective হয়। যেমনঃ Popularity (জন প্রিয়তা) Popular (জনপ্রিয়)

c) শব্দের শেষে ness বাদ দিয়ে Adjective হয়। যেমনঃ awfulness,(ভয়ানকতা) awful(ভয়ানক)

d) শব্দের শেষে hood/dom বাদ দিয়ে Adjective হয়। যেমনঃ falsehood(মিথ্যা কথা) false(মিথ্যা)

e) শব্দের শেষে tion বাদ দিয়ে t/te যোগ করলে verb হয়। যেমনঃ conection →conect.

f) শব্দের শেষে ment বাদ দিয়ে verb হয়। যেমনঃ enjoyment(উপভোগ) enjoy(উপভোগ করা)

g) শব্দের শেষে ance বাদ দিয়ে verb হয়। যেমনঃ acceptance(গ্রহণ ) accept(গ্রহণ করা)

h) শব্দের শেষে age বাদ দিয়ে verb হয়। যেমনঃBreakage(ভাংগন) Break(ভাংগা) ।

16/09/2019

৪১ তম বিসিএস প্রস্তুতি শুরু করবেন যেভাবে: ♦♣♦♦♣♦♦♣♦♦♣♦♦♣♦♦
=====================================
( ৩৫ তম ও ৩৬ তম বিসিএসে আমার অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু কথা শেয়ার করছি।)
* প্রথমে বিসিএস পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপ ও সিলেবাস সম্পর্কে ধারণা নেওয়া জরুরী। এক্ষেত্রে সার্কুলার এবং প্রিলি ও লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস ভাল করে বুঝে বুঝে পড়া উচিত।

* প্রস্তুতির শুরুর দিকে আপনি একটা "স্ট্রং জোন" তৈরি করুন। অর্থাৎ যে যে বিষয়ে নম্বর বেশি এবং সহজেই শেষ করা যায় সে বিষয়গুলোতে একটু বেশি চাপ দিন।

* "স্ট্রং জোন" হিসাবে আমার পছন্দ হল, বাংলা, ইংরেজি ও গণিত। এখানেই অর্ধেক মার্কস। আর লিখিত পরীক্ষায় এখান থেকেই আপনি বেশি নম্বর তুলতে পারবেন। কারণ এই বিষয়গুলোর তথ্য ও বেসিক কখনোই পরিবর্তন হবে না।

* ইংরেজি গ্রামার ও ভোকাবুলারি জ্ঞান যত বেশি হবে, আপনার প্রস্তুতি তত বেশি সম্ভাবনাময়। ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং নির্ভুল ও দ্রুত করতে হবে।
সদরুদ্দিন আহমেদ স্যারের "Learning English The Easy Way" বইটা পড়তে পারেন। এটা নির্ভুল বাক্য গঠন শিখতে সাহায্য করবে।

* ইংরেজি পত্রিকা বুঝে বুঝে পড়তে হবে। দ্রুত বুঝার অভ্যাস করতে হবে। নতুন শব্দগুলো লিখে রাখলে বেশ উপকার হবে। এতে শব্দভাণ্ডার বাড়বে এবং লিখিত পরীক্ষায় ইংরেজির ২০০ মার্কস নিয়ে টেনশন করতে হবে না।

* গণিত নিজস্ব টেকনিকে দ্রুত করার অভ্যাস করুন। ধরুন, ঐকিক নিয়মের একটা অংক তিন লাইনের। আপনি প্রথম দুই লাইন মনে মনে করে তৃতীয় লাইনের শুধু কাটাকাটির অংশটা প্রশ্নপত্রের একটা ফাঁকা জায়গায় লিখে উত্তর বের করার পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন।

* সাধারণ জ্ঞান অবশ্যই পড়তে হবে। তবে এখানে অতিরিক্ত সময় দেওয়া যাবেনা। যে টপিকগুলো অধিক গুরুত্বপূর্ণ এবং লিখিত পরীক্ষায়ও কাজে লাগবে, সেগুলো ভাল করে মুখস্থ রাখুন।

* সাধারণ জ্ঞানের বিষয়গুলো বিভিন্ন শর্ট টেকনিক তৈরি করে, চিন্তা করে করে পড়ুন; কারো সাথে শেয়ার করুন, এগুলো নিয়ে আলোচনা করুন। পড়া শেষে বই বন্ধ করে মনে মনে ভাবুন। যে আপনার সাথে খুব ফ্রি তাকে সাধারণ জ্ঞানের বিষয়গুলো সম্পর্কে প্রশ্ন করবেন; বলবেন, " এই জানো ? অমুক দেশে ঐ জিনিসটা আছে, এটার স্থপতি অমুক, এর বৈশিষ্ট্য এরকম..." এরকম বিভিন্ন তথ্য নিয়ে সাধারণ আলাপচারিতার মতো গল্প করুন।

* বিজ্ঞানের যেসব টপিক খুব কঠিন, সেগুলোর ধারে কাছেও যাবেন না। সহজ বিষয়গুলোই পড়েন।

* একবার পড়ে কোনো পড়া রেখে দিবেন না, বারবার রিভশন দিবেন। যত বেশি রিভশন দিবেন, পরীক্ষার হলে কনফিউশন তত কম হবে আর নেগেটিভ মার্কিং থেকে বাঁচবেন।

* কোচিং ক্লাসে গেলে কিছু উৎসাহ বাড়ে আর প্রতিযোগিতার মনোভাব তৈরি হয়। আপনার যদি মনে হয় যে, আপনি বিসিএস পরীক্ষার সব সিস্টেম বুঝেন, একা একা পড়লে কাভার হবে, তাহলে কোচিং করার দরকার নেই।

♥বিসিএস প্রিলি পরীক্ষার্থীদের রুটিন ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে ছোট্ট পরামর্শ:
........
দৈনিক যে কয় ঘণ্টা আপনি পড়বেন,সে সময়টুকু দুই ভাগে ভাগ করুন।

* ১ম অর্ধেক সময় আলাদা করে নেন। এই অর্ধেক সময়ে বাংলা,ইংরেজি ও গণিত পড়বেন। এই তিন বিষয় দৈনিক পড়ুন।

* অবশিষ্ট অর্ধেক সময়ে যে কোনো একটি বিষয় পড়ুন,যাতে ঐ বিষয়ে একটু অগ্রগতি হয়। এরকম একটি বিষয় ৫/৬ দিন পড়ে আরেকটি বিষয় শুরু করেন।

* দুইদিন পরপর একটি মডেল টেস্ট দেন। নিজের দুর্বলতা চিহ্নিত করুন, যে অংশে কম নম্বর আসে, সেখানে বেশি নজর দেন।

* একটি কথা মনে রাখবেন, উদ্দেশ্য ভাল রেখে কোনো কিছু পাওয়ার জন্য যদি কেউ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালায়, তার সেই প্রচেষ্টা বৃথা যায় না।

♣আল্লাহ বলেন,
فَاسْتَجَابَ لَهُمْ رَبُّهُمْ أَنِّي لَا أُضِيعُ عَمَلَ عَامِلٍ مِّنكُم مِّن ذَكَرٍ أَوْ أُنثَىٰ ۖ بَعْضُكُم مِّن بَعْضٍ ۖ
"অতঃপর তাদের পালনকর্তা তাদের দোয়া (এই বলে) কবুল করে নিলেন যে, আমি তোমাদের কোন পরিশ্রমকারীর পরিশ্রমই বিনষ্ট করি না, তা সে পুরুষ হোক কিংবা স্ত্রীলোক। তোমরা পরস্পর এক।..."
(সূরা আলে ইমরান : ১৯৫)

♦ পরিশেষে একটা কথা বলি, আপনি এই যে বিসিএসের জন্য এদিক সেদিক পরামর্শ চাচ্ছেন,চিন্তা করছেন, দিন দিন আরো বেশি আগ্রহী হচ্ছেন, এটাই আপনার সফলতার প্রথম আলামত। এখন ধৈর্য ধরে পরিকল্পিতভাবে পরিশ্রম করেন, সফলতা আসবেই, ইনশা আল্লাহ।
সবার জন্য শুভ কামনা।

So, don't lose heart. Be patient, try heart and soul and say your parents to keep their fingers crossed for you. The goal is knocking at your door.

লিখেছেন - Muhibur Rahman
35 th BCS General Education Cadre

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


House-2, Road-10, North Badda, Gulshan
Dhaka
1212