প্রতিদিনের আমল

প্রতিদিনের আমল এই পেজে ইসলামিক সকল বিষয়ে শিক্ষা দেওয়?

25/04/2024

কি অবস্থান সবার কেমন আছেন?

18/08/2022

বোনদের উদ্দেশ্যে কিছু পরামর্শ:

১। মেয়েরা শরীরের কাপড় চেঞ্জ করার সময় অবশ্যই "বিসমিল্লাহ" বলে নিবেন। নইলে আশেপাশে থাকা ফেরেশতারা লজ্জা পেয়ে চলে যাবে এবং জ্বীনরা আপনার সব দেখে ফেলবে।

২। আপনি যখন ওয়াশরুমে যাবেন, যাওয়ার আগে অবশ্যই দোয়া পড়ে নিবেন। তাহলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা আপনার ও জ্বীনদের মধ্যে একটি পর্দা তৈরী করে দেবে। এতে করে খবিশ জ্বীন গুলো আপনাকে ইভটিজিং করতে পারবেনা।

৩। কোথাও কিছু ফেলার আগে বিসমিল্লাহ বলে ফেলবেন। এতে অন্যান্য সৃষ্টির কোনো অসুবিধা হবে না।

৪। বাহিরে যাওয়ার সময় ঘরে থাকা ফেরেশতাদের সালাম দিয়ে বের হবেন ও দোয়া পরে বের হবেন।যেসব ফেরেশতারা আপনার অনুপস্থিতি তে আপনার ঘরটি পাহারা দিলেন ঘরে এসে তাদের আবারো সালাম দিন। এটা ভদ্রতা।

৫। বেশি বেশি সালাম দেওয়ার অভ্যাস করুন। ছোটদের আগে সালাম দিন। তারা উৎসাহিত হবে।

৬। আপনি যদি বিবাহিত হয়ে থাকেন তাহলে বাচ্চাদেরকে ছোট থেকে মসজিদে পাঠানোর অভ্যাস করুন। দাঁড়িয়ে পানি খেতে দিবেন না বাচ্চাদের, তারা ছোট থেকেই শিখবে। আপনি নিজেও দাঁড়িয়ে পানি খাওয়া বন্ধ করুন। বসে খাবেন। এটা সুন্নাহ।

৭। ডান কাত হয়ে ঘুমাবেন। এটা সুন্নাহ ও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। ঘুমের আগে অবশ্যই ৩ কুল পড়ে ঘুমাবেন। এটা আপনাকে সারারাত বদ মানুষ ও জ্বীন থেকে হেফাজত করবে, ইন শা আল্লাহ্।

৮। প্রতিরাতে অবশ্যই সুরা মুলক পড়ে ঘুমাবেন। এটা আপনার কবরের জীবনের সাথী, আপনাকে কবরের আযাব থেকে বাঁচাবে ইন শা আল্লাহ্।

৯। ঘুমের আগে প্রতিদিন বিছানা ঝাড়েন অথচ এটা সুন্নত মনে করে ঝাড়লেই পেয়ে যাচ্ছেন সওয়াব! অনুরূপ ভাবে কাপড় পড়ার আগে অবশ্যই একটু ঝেড়ে নিবেন এটা সুন্নাহ এবং কাপড়ে কোনো পোকামাকড় থাকলেও আপনার ক্ষতি করতে পারবেনা।

১০। খিলখিল করে হাসা বন্ধ করুন। মুচকি হাসবেন। এটাই সুন্নাহ!

১১। রাতে ঘুমানোর সময় আয়াতুল কুরসী পড়ে ঘুমাবেন এতে করে শয়তান আপনার নিকট আসতে পারবে না। ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, এবং ৩৪ বার আল্লাহ আকবর পড়ে নিবেন।

১২। রাতে ওযু করে ঘুমাবেন এতে করে সারা রাত একজন ফেরেশতা আপনার জন্য দোয়া করতে থাকবে।

১৩। ঘুমানোর আগে সবাইকে মাফ করে দিয়ে এবং আপনি নিজে আল্লাহর কাছে মাফ চেয়ে ঘুমাবেন।

১৪। রাতে ঘুমানোর আগে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার নিয়ত করে ঘুমাবেন আপনি যদি ঘুমের কারনে নাও উঠতে পারেন তারপরও তাহজ্জুদ এর সওয়াব পেয়ে যাবেন।

14/06/2022

কুরআনে উল্লেখিত নাম, ডাকনাম ও উপাধী

-আসমানী কিতাবের নামঃ
১. তাওরাত (মুসা আঃ. এর কিতাবের নাম)
২. যাবুর (দাউদ আঃ. এর কিতাবের নাম)
৩. ইনজিল (ঈসা আঃ. এর কিতাবের নাম) কুরআনের নামঃ
কুরআনের নাম অনেকে প্রায় ৯২ টি আবার কেউ ৫৫ টি বলে বর্ণনা করেছেন। তবে, সর্বাপেক্ষা নির্ভরযোগ্য তথ্য হিসাবে এর পাচটি নামকে উলেখ করা যায়।
১. আল কুরআন
২. আল ফুরকান (সুরা আলে ইমরান, ফুরকান)
৩. আল কিতাব (সুরা বাকারা)
৪.আত তানজিল
৫. আয-যিকর। (সুরা হিজর)

নবীদের নামঃ
কুরআন শরীফে ২৫ জন নবীর ২৬ টা নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সুরা আনয়ামের ৮৩-৮৬ নং আয়াতে ১৮ জন নবীর নাম উল্লেখিত হয়েছে।
১. ইবরাহীম(আঃ)
২. ইসহাক(আঃ)
৩. ইয়া’কুব(আঃ)
৪. নূহ(আঃ)
৫. দাউদ(আঃ)
৬. সুলায়মান(আঃ)
৭. আইয়ুব(আঃ)
৮. ইউসুফ(আঃ)
৯. মুসা(আঃ)
১০. হারুন(আঃ)
১১. জাকারিয়া (আঃ)
১২. ইয়াহিয়া(আঃ)
১৩. ঈসা(আঃ)
১৪. ইলইয়াস(আঃ)
১৫. ইসমাইল(আঃ)
১৬. ইয়াস’আ(আঃ)
১৭. ইউনুস(আঃ)
১৮. লুত (আঃ)

অন্যান্য আয়াতে এসেছে সাত জনের নাম। তাদের ছয়জন হলেন-
১. ইদরীস(আঃ)
২. হুদ(আঃ)
৩. শুয়াইব(আঃ)
৪. যুল-কিফল(আঃ)
৫. সালেহ(আঃ)
৬. আদম (আঃ)

এ ছাড়া রাসুল (সাঃ) এর দুটি নাম এসেছে।
১. মুহাম্মাদ (সাঃ)। এ নামটি এসেছে চার স্থানে। সুরা আলে ইমরান, আহযাব, মুহাম্মাদ ও আল ফাতহে।
২. আহমাদ। এ নামটি এসেছে সুরা সাফফে।

ফেরেশতাদের নামঃ
১. জিরবাইল (আঃ) ও
২. মীকাইল (আঃ)

মানুষের নামঃ (নবীগণ ব্যতিত)
১. লোকমান (সুরা লোকমানে)
২. যায়েদ (সুরা আহযাবে)
৩. মারইয়াম (আঃ)
৪.ইবরাহীম (আঃ) এর পিতা আজর।
৫. কারুন
৬. হামান
৭. জালুত
৮. তালুত

মানুষ ও ফেরেশতার বাইরেঃ
১. কাফেরদের সর্দার ইবলিস

গোত্রের নামঃ
১. আদ
২. সামুদ
৩. মাদইয়ান (এ তিনটি নাম বিভিন্ন সুরায় এসেছে।)
৪. ইয়া’জুজ ও মা’জুজ (সুরা কাহাফ ও আম্বিয়া)
৫. সাবা (সুরা সা’বা)
৬. কুরাইশ (সুরা কুরাইশ)

মুর্তির নামঃ
১. উদ্দ
২. সুওয়া
৩. ইয়াউক
৪. নাসর (এগুলো নুহ আঃ. এর জাতির জাতির লোকদের মুর্তির নাম। এগুলো সুরা নুহে উল্লেখিত হয়েছে।)
৫. লাত
৬. উজ্জা
৭. মানাত (কুরাইশ ও আরবদের মুর্তির নাম। সুরা নাজমে বর্ণিত হয়েছে।)

স্থানের নামঃ
১. মাক্কা, এটাকে বাক্কা ও বলা হয়।
২. মাদীনা, এটার অপর নাম ইয়াসরিব।
৩. মিসর। (চার স্থানে বর্ণিত সুরা ইউনুসে এক জায়গায়, সুরা ইউসুফে দুই স্থানে এবং সুরা যুখরুফে)
৪. বাবেল (সুরা বাকারায় বর্ণিত হয়েছে।)
৫. বদর প্রান্তর
৬. হুনাইন প্রান্তর
৭. মাশ’আরিল হারাম তথা মুযদালিফা।
৮. হিজর (সালেহ আঃ. এর জাতির লোকদের বাসস্থান। এই নামে একটি সুরা আছে)
৯. আহকাফ (আদ জাতির বসবাসস্থল। এ নামে কুরআনে একটি সুরা রয়েছে।)
১০. কাহাফ (আসহাবে কাহাফদের গুহা। এ নামে কুরআন শরীফে একটি সুরা আছে।)
১১. আরাফাত।

পাহাড়ের নামঃ
১. তুরে সিনা

ঝর্ণার নামঃ
১. কাউসার
২. সালসাবিল
৩. তাসনীম (সবগুলো বেহেশতের ঝর্ণার নাম)

উপত্যকার নাম
১. ওয়াইল (তিরমীজির বর্ণনা মতে)

সম্মানিত স্থানের নামঃ
১. আরশুল আযীম।
২. ফেরদাউস (সর্বোচ্চ জান্নাত)
৩. মাক্কা
৪. মাদীনা

বিভিন্ন জাতির নামঃ
এগুলো অনেক। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-
১. মানুষ
২. জিন
৩. ফেরেশতা
৪. পাখি
৫. সুর্য
৬. চন্দ্র
৭. তারকারাজি
৮. গ্রহ নক্ষত্র
৯. পাহাড়
১০. গাছ পালা
১১. বিভিন্ন শ্রেণীর পশু।

ডাকনামঃ
কুরআন শরীফে শুধুমাত্র একটি স্থানে ডাকনাম এসেছে। সেটা হল- আবু লাহাব (অগ্নিশিখার পিতা) সুরা লাহাবে বর্ণিত হয়েছে। তিনি ছিলেন রাসুল (সাঃ) এর চাচ। তার আসল নাম ছিল আব্দুল উজ্জা।

উপাধীঃ
১. নবী
২. রাসুল
৩. খালীল (ইবরাহীম আঃ. এর উপাধী)
৪. ইসরাইল (ইয়া’কুব আঃ. এর উপাধী)
৫. মাসীহ (ঈসা আঃ. এর উপাধী)
৬. ফেরআউন (প্রাচীন মিসর সম্রাটদের উপাধী)
৭. তুব্বা (ইয়ামানের শাসক)
৮. শায়তান (ইবলিসের উপাধী; পরে এটা দ্বারা খারাপের শেষ সীমায় পৌছে গেছে এমন লোকদেরকে বুঝানো হয়)

24/07/2021

মাহফুজ নিজও জানতনা এটাই তার জীবনের শেষ লাইভ!
কোরবানির ঈদ নিয়েও কত সপ্ন ছিলো মাহফুজের
সপ্নগুলো সপ্নই রয়ে গেল!

24/07/2021

জান্নাতে ভালো থেকো প্রিয় ভাই 😭 তোমার স্মৃতি আমাদের তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে সারাক্ষণ।

30/10/2020

রিযিক এবং সম্পদে বরকত লাভের ১৪ আমল।
--------------------------------------------
১/অবিচল ইমান। (সুরা আরাফ-৯৬)
২/তাকওয়া বা খোদাভীতি।(সুরা আত তালাক-২,৩)
৩/আল্লাহর উপর তাওয়াককুল (তিরমিজি -২৩৪৪)
৪/ইবাদতের জন্য ঝামেলামুক্ত হওয়া। (মুসনাদে আহমদ -৮৬৮১)
৫/নিয়মানুবর্তিতার সাথে সালাত আদায়। (সুরা ত্বহা-১৩২)
৬/বেশি বেশি ইস্তিগফার করা। (সুরা নুহ-১০,১১,১২)
৭/বেশি বেশি হজ্ব উমরাহ্ পালন করা।(নাসাঈ-২৬৩১)
৮/আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা।(মুসলিম-৪৬৩৯)
৯/দুর্বলদের সাথে সদাচরণ করা। (বুখারী-২৮৯৬)
১০/আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা।(ইবরাহীম আয়াত -৭)
১১/সুরা ওয়াকিয়া তিলাওয়াত করা।(বায়হাকি-২৪৯৮)
১২/পরিবারের সদস্যদের কে সালাম করা। (সুরা নুর-৬১)
১৩/উপযুক্ত হলে বিবাহ করা। (সুরা নুর-৩২)
১৪/বেশি বেশি দুয়ার আমল করা।(সুরা আল-মুমিন-৬০)

15/02/2020
12/02/2020

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রতিদিনের আমল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to প্রতিদিনের আমল:

Shortcuts

Share

Category