Qaran Learning Center BD

Qaran Learning Center BD

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Qaran Learning Center BD, Religious school, Dhaka.

অনলাইনে কিন্ডারগার্টেন, স্কুল,কলেজ‌ ও বিশ্ববিদ্যালয়, নারী -পুরুষ এবং সববয়সী মানুষের জন্য ব্যাচভিত্তিক - ওয়ান বাই ওয়ান সিস্টেম কুরআন ও দ্বীন শিক্ষার ব্যাতিক্রমী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

22/02/2026
02/02/2026

🌸 আশারায়ে মুবাশশারা 🌸
🕌 জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত ১০ জন মহান সাহাবি (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ ﷺ জীবিত অবস্থায় যেসব সাহাবিকে জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন, তাঁদের বলা হয় আশারায়ে মুবাশশারা। তাঁরা ঈমান, তাকওয়া, ত্যাগ ও আল্লাহর রাসূল ﷺ–এর প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসার অনন্য দৃষ্টান্ত।
📜 হাদিসের সারমর্ম:
নবী ﷺ বলেছেন—
“আবু বকর জান্নাতে, উমর জান্নাতে, উসমান জান্নাতে, আলী জান্নাতে…”
(তিরমিজি)
✨ জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত ১০ সাহাবি (রাঃ):
1️⃣ হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ)
➡️ সত্যবাদিতা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও নবী ﷺ–এর প্রতি সর্বোচ্চ আনুগত্যের প্রতীক।
2️⃣ হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)
➡️ ন্যায়বিচার, দৃঢ়তা ও ইসলামের শক্তিশালী রক্ষক।
3️⃣ হযরত উসমান ইবনে আফফান (রাঃ)
➡️ লজ্জাশীলতা, দানশীলতা ও কুরআনের সংরক্ষণে অনন্য অবদান।
4️⃣ হযরত আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ)
➡️ জ্ঞান, সাহসিকতা ও রাসূল ﷺ–এর নিকট আত্মীয়তার মর্যাদা।
5️⃣ হযরত তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ (রাঃ)
➡️ উহুদের যুদ্ধে নবী ﷺ–কে রক্ষা করে নিজের শরীর উৎসর্গকারী সাহসী সাহাবি।
6️⃣ হযরত যুবাইর ইবনে আওয়াম (রাঃ)
➡️ ইসলামের প্রথম দিকের যোদ্ধা ও নবী ﷺ–এর হাওয়ারি (ঘনিষ্ঠ সহচর)।
7️⃣ হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রাঃ)
➡️ সম্পদশালী হয়েও বিনয়ী ও আল্লাহর পথে অকাতরে দানকারী।
8️⃣ হযরত সা‘দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)
➡️ ইসলামের প্রথম তীরন্দাজ ও কবুল দোয়ার অধিকারী সাহাবি।
9️⃣ হযরত সাঈদ ইবনে যায়েদ (রাঃ)
➡️ দৃঢ় ঈমান ও সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার অনুপম উদাহরণ।
🔟 হযরত আবু উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ (রাঃ)
➡️ “উম্মতের আমিন (বিশ্বস্ত)” উপাধিতে ভূষিত মহান সাহাবি।
🌿 আমাদের শিক্ষা:
✅ দৃঢ় ঈমান ও আমলের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা
✅ দুনিয়ার মোহ নয়, আখিরাতকে প্রাধান্য দেওয়া
✅ রাসূল ﷺ–এর সুন্নাহকে জীবনের আদর্শ বানানো
🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সাহাবায়ে কিরামের আদর্শে জীবন গড়ার তাওফিক দিন। আমিন।
📌 পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করে সওয়াবের অংশীদার হোন।

29/01/2026

🌙 নীরব আমল—টিকে থাকার রহস্য 🌙
কিছু আমল আছে, যেগুলো গোপনে করলে বরকত থাকে
আর প্রকাশ করলে ধীরে ধীরে হালকা হয়ে যায়।
❝ কারও কাছে বলো না— ❞
• তুমি রাতের ইবাদত (তাহাজ্জুদ) করো
• নিয়মিত কতটুকু কুরআন তিলাওয়াত করো
• প্রতিদিন কতটুকু কুরআন মুখস্থ করো
• তোমার নফল ইবাদতের পরিমাণ কত
• কতদিন নফল রোজা রাখো
• প্রতিদিন কতবার দুরুদ ও জিকির করো
🤍 গোপন আমলের কথা যার-তার কাছে বললে
নজর লাগার সম্ভাবনা থাকে।
আর আমলে নজর লেগে গেলে,
সে আমল পুনরায় করার তাওফিকও নাও পেতে পারেন।
🕊️ শুধু আমলই নয়, জীবনের অনেক কিছু গোপন রাখা জরুরি—
• ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
• মনের ভেতরের কষ্ট
• সংসারের ভেতরের বিষয়
• স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত কথা
• আর্থিক অবস্থা ও হিসাব
• কাকে সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করো
• নিজের দুর্বল দিকগুলো
• কে কষ্ট দিয়েছে
• পারিবারিক ঝামেলা বা দ্বন্দ্ব
• কতটা ভালো থাকার ভান করছো
🌱 মনে রেখো—
সবাই শুনতে পারে,
কিন্তু সবাই গোপন রাখতে পারে না।
কিছু আমল নীরবে করলে টিকে যায়,
আর প্রকাশ করলে হালকা হয়ে যায়।
এই কথার গভীরতা তারাই বুঝবে—
যারা নিজের জীবনে এগুলো অনুভব করেছে।
📌 নোট:
ইবাদতের প্রতি মানুষকে উৎসাহিত করার প্রয়োজনে
হিকমাহ ও প্রজ্ঞার সঙ্গে সাধারণভাবে বলা যেতে পারে—
যাতে আমলের উপর নজর না লাগে
এবং নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত না হই।
✍️ সংগৃহীত: মাহমুদ বিন নূর হাফি
📘 পরিবেশনায়: Quran Learning Center BD

29/01/2026

🌿 আজকের হাদিস 🌿
📖 হাদিস (আরবি):
عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ:
«إِنَّ الْحَلَالَ بَيِّنٌ، وَإِنَّ الْحَرَامَ بَيِّنٌ، وَبَيْنَهُمَا أُمُورٌ مُشْتَبِهَاتٌ لَا يَعْلَمُهُنَّ كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ، فَمَنِ اتَّقَى الشُّبُهَاتِ فَقَدِ اسْتَبْرَأَ لِدِينِهِ وَعِرْضِهِ، وَمَنْ وَقَعَ فِي الشُّبُهَاتِ وَقَعَ فِي الْحَرَامِ، كَالرَّاعِي يَرْعَى حَوْلَ الْحِمَى يُوشِكُ أَنْ يَرْتَعَ فِيهِ، أَلَا وَإِنَّ لِكُلِّ مَلِكٍ حِمًى، أَلَا وَإِنَّ حِمَى اللَّهِ مَحَارِمُهُ، أَلَا وَإِنَّ فِي الْجَسَدِ مُضْغَةً إِذَا صَلَحَتْ صَلَحَ الْجَسَدُ كُلُّهُ، وَإِذَا فَسَدَتْ فَسَدَ الْجَسَدُ كُلُّهُ، أَلَا وَهِيَ الْقَلْبُ»
📚 সহিহ বুখারি ও মুসলিম
📝 হাদিসের অর্থ (বাংলা):
নিশ্চয়ই হালাল স্পষ্ট এবং হারামও স্পষ্ট। আর এ দুটির মাঝখানে কিছু সন্দেহপূর্ণ বিষয় রয়েছে, যা অনেক মানুষ জানে না। যে ব্যক্তি সন্দেহপূর্ণ বিষয় থেকে বেঁচে থাকে, সে তার দ্বীন ও সম্মানকে নিরাপদ রাখে। আর যে ব্যক্তি সন্দেহপূর্ণ বিষয়ে জড়িয়ে পড়ে, সে ধীরে ধীরে হারামেই জড়িয়ে পড়ে। এটি সেই রাখালের মতো, যে সংরক্ষিত এলাকার আশপাশে পশু চরায়—যেকোনো সময় তা সেখানে ঢুকে পড়তে পারে। জেনে রাখো, প্রত্যেক রাজার একটি সংরক্ষিত এলাকা আছে, আর আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা হলো তাঁর নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ। আর নিশ্চয়ই শরীরের মধ্যে একটি মাংসপিণ্ড আছে—যদি তা ভালো থাকে তবে পুরো শরীর ভালো থাকে, আর যদি তা নষ্ট হয়ে যায় তবে পুরো শরীর নষ্ট হয়ে যায়। জেনে রাখো, সেটিই হলো হৃদয়।
✨ হাদিসের ফজিলত ও শিক্ষা:
✔️ হালাল-হারাম সম্পর্কে সচেতন হওয়ার গুরুত্ব
✔️ সন্দেহপূর্ণ কাজ বর্জন করা তাকওয়ার পরিচয়
✔️ দ্বীন ও সম্মান রক্ষার নিরাপদ পথ
✔️ হারামে পতনের শুরু হয় শুবহা থেকে
✔️ হৃদয়ই সব আমল ও চরিত্রের মূল কেন্দ্র
🫀 বার্তা:
হৃদয় ভালো রাখুন—
হালাল গ্রহণ করুন, হারাম ও সন্দেহ থেকে দূরে থাকুন।
🤲 দোয়া:
হে আল্লাহ! আমাদের হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করুন, হালাল পথে চলার তাওফিক দিন এবং হারাম থেকে হেফাজত করুন। আমিন।
🌙 পোস্টটি শেয়ার করুন—হয়তো কারো জীবন বদলে যাওয়ার কারণ হবে।

28/01/2026

✨ অনলাইন নূরানী কায়দা কোর্সে ভর্তি চলছে! ✨
📚 পবিত্র কুরআন শেখার প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ
আপনার সন্তান বা আপনি কি কুরআন শুদ্ধভাবে পড়া শিখতে চান?
তাহলে নূরানী কায়দা কোর্স–ই আপনার জন্য সেরা সমাধান।
নূরানী কায়দা হলো কুরআন শিক্ষার ভিত্তি। আরবি বর্ণমালা, সঠিক উচ্চারণ (মাখরাজ) ও তাজবীদের মৌলিক নিয়ম না শিখে কুরআন শুদ্ধভাবে তেলাওয়াত করা সম্ভব নয়। আমাদের এই কোর্সটি শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক (পুরুষ ও মহিলা) সবার জন্য উপযোগী করে ডিজাইন করা হয়েছে।
🔹 কোর্সের বৈশিষ্ট্য:
✅ ওয়ান-টু-ওয়ান লাইভ ক্লাস
✅ প্রতিটি ক্লাস ৩০ মিনিট
✅ বয়স: ৫ বছর থেকে যে কেউ
✅ পূর্ব অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই
✅ পুরুষ ও মহিলা অভিজ্ঞ অনলাইন শিক্ষক
✅ শিক্ষার্থীর মেধা অনুযায়ী কোর্সের সময়কাল
📖 এই কোর্সে যা শিখবেন:
✔️ আরবি বর্ণমালা ও হরফের সঠিক উচ্চারণ
✔️ তাজবীদের মৌলিক ও প্রয়োজনীয় নিয়ম
✔️ শুদ্ধভাবে কুরআন তেলাওয়াত
✔️ নূরানী কায়দার সম্পূর্ণ ১৬টি লেসন
✔️ মৌলিক ইসলামি শিক্ষা ও আদব
🕌 মৌলিক ইসলামি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত:
▪️ ঈমান ও ইসলামের মৌলিক বিষয়
▪️ ওজু ও নামাজের নিয়ম
▪️ ছোট সূরা, দোয়া, কালিমা মুখস্থ
▪️ দৈনন্দিন মাসনুন দোয়া
▪️ ইসলামি চরিত্র ও শিষ্টাচার শিক্ষা
💻 কেন আমাদের একাডেমি বেছে নেবেন?
🌍 ঘরে বসেই বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে ক্লাস
👨‍🏫 শিক্ষকের পূর্ণ মনোযোগ (One to One)
⏰ আপনার সুবিধামতো সময়
💰 সাশ্রয়ী ফি ও ফ্যামিলি ডিসকাউন্ট
🎁 বিশেষ সুবিধা:
➡️ একই পরিবারের ২য় ও ৩য় সন্তানের জন্য ২০% ছাড়
➡️ ট্রায়াল ক্লাসের সুযোগ
📩 আজই ইনবক্স করুন / কমেন্ট করুন
👉 ফ্রি ট্রায়াল ক্লাস বুক করতে
👉 ভর্তি ও বিস্তারিত জানতে কল করুন 8801946022696।
🌸 কুরআন শুদ্ধভাবে শেখার পথে আজই প্রথম পদক্ষেপ নিন। 🌸

27/01/2026

রমাদান প্রস্তুতি📿
রমাদানের আমল রুটিন—
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ্

▪️আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন—
ইয়া আল্লাহ! আমাকে রমাদান অবধি দীর্ঘ নেক হায়াত দাও। আফিয়াতের সাথে বাঁচিয়ে রাখো। এই রমাদান যেন আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রমাদান হয়। শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা, পেরেশান থেকে পানাহ দাও। আলসেমি হতে পানাহ দাও। আমাকে তোমার অল্প সংখ্যক কৃতজ্ঞ,নেক বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করে নাও। আমার জীবনকে বানিয়ে দাও রমাদানের মতো৷ মউতকে বানিয়ে দাও ঈদের মতো।'

▪️আগে নফলের পিছনে না ছুটে ফরজ ইবাদাতের প্রতি যত্নশীল হোন। প্রতিটা ওয়াক্তের প্রতি রাকাআতে সর্বোচ্চ খুশু-খুযু ধরে রাখার চেষ্টা করুন। নামাজে মনটা এদিক-ওদিক চলে যেতে চাইবে। এটাই স্বাভাবিক। যতবারই মনোযোগ নষ্ট হবে, আবারও মনোযোগ ফিরিয়ে নিন। নামাজের ভিতরে যে সূরা-দুআগুলো পড়েন,সেগুলোর অর্থ শেখার চেষ্টা করুন। সিজদাহ্-তে দীর্ঘ সময় দিন। নিজেকে বুঝ দিন,আপনি আরশের অধিপতির সামনে দাঁড়াতে যাচ্ছেন।

▪️প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট কুরআনের সাথে সময় কাটান। আমি ধরে নিচ্ছি, আপনি আমার মতো গাফেল। তাই ৫ মিনিট বললাম। এই ৫ মিনিট মুসহাফ নিয়ে বসুন। ১ সপ্তাহ পর আরো ৫ মিনিট বাড়িয়ে ১০ মিনিট করে তিলওয়াত করুন। এভাবে আস্তে আস্তে কুরআনের সাথে সময় বাড়ান।

▪️যদি বেসিক তাজবিদ শুদ্ধ না থাকে, তাহলে সব বাদ দিয়ে আগে তাজবিদ শুদ্ধ করুন।

▪️প্রতিদিন ১০০ করে ইস্তেগফার শুরু করুন। ১০০ বার ইস্তেগফার করতে ৫ মিনিটও লাগে না। আজ ১০০ বার পড়লে আগামীকাল ১৫০ বার পড়ুন। এভাবেই ধীরে ধীরে ইস্তেগফারের পরিমাণ বাড়ান। আর যদি আপনি হাজার হাজার ইস্তেগফার করতে পারেন,তাহলে আলহামদুলিল্লাহ্। আল্লাহ আপনাকে আরো বেশি বেশি ইস্তেগফার করার তওফিক দিন।

▪️দিনের যেকোনো একটা সময় মোহাব্বতের সাথে কিছুক্ষণ দুরুদে ইবরাহীম পড়ুন। এই আমলে আপনার অস্থিরতা, ডিপ্রেশন, মন খারাপ দূর হবে ইনশাআল্লাহ্।

▪️আযানের জবাব দিন। আযান ও ইকামাতের সময়টা দুআ কবুলের গুরুত্বপূর্ণ সময়৷ এই সময়টাকে কাজে লাগান।

▪️আগের কাযা রোজা থাকলে তা আদায় করে নিন। তাছাড়া সোমবার ও বৃহস্পতিবার, প্রতি মাসে আইয়্যেমে বীজের রোজা রাখার চেষ্টা করুন। বিবাহিত বোনদের জন্য জাওজের অনুমতি ব্যতীত নফল রোজা রাখা জায়েজ নেই।

▪️সপ্তাহে অন্তত একটা করে কুরআনিক বা হাদিসে বর্ণিত দু‘আ শেখার চেষ্টা করুন। হাদিসে বর্ণিত দুআগুলো শেখার জন্য 'রাহে বেলায়াত' বইটা বেস্ট লেগেছে আমার কাছে।

▪️ গীবত থেকে কয়েক কি.মি. দূরে থাকুন। এতো কষ্ট করে আমল করবেন আর ফল পাবে অন্য জন৷ ভালো লাগবে সেটা? মুসলমানের এতো সময় কই যে তারা অন্যের পিছনে পড়ে থাকবে! গীবতের আসর দেখলে সাবধান করে দিবেন। না শুনলে উঠে আসবেন। গীবত এবং অন্যের আমল নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করা বাদ দিলেই সময়ে বারাকাহ্ আসবে ইনশাআল্লাহ্।

▪️গান-বাজনা, বেহুদা রিলস দেখে সময় নষ্ট করবেন না৷ এগুলো রুহানিয়াত নষ্ট করে। আমলে ঘাটতি আনে। রিলস দেখতে ইচ্ছে হলে ঘুমান। রিলস দেখার চেয়ে ঘুমানো ভালো।

▪️বোনদের অনেকে জানিয়েছেন, কয়েকদিন আমল করে আমলে আগ্রহ হারিয়ে যায়৷ ইস্তেগফার করতে ইচ্ছে করে না। তাদের বলি, প্রতিদিন একটা করে বয়ান শুনবেন ইউটিউবে। কাজকর্ম করতে করতেই শুনবেন৷ ধরুন, আপনার ইস্তেগফার করতে ইচ্ছে করে না। তাহলে ইউটিউবে ইস্তেগফারের ফজিলত নিয়ে আলোচনা শুনবেন। আমাদের নফস এমনই৷ এটাকে না ঠেললে নেতিয়ে পড়ে।

▪️প্রতিদিন ১ পয়সা হলেও সদকাহ্ করবেন৷ সদকাহ্-র গুরুত্ব নিয়ে এর আগে অনেক পোস্ট করেছি।

▪️তাহাজ্জুদ পড়ার চেষ্টা করবেন। শেষরাতের দু‘আর চেয়ে ম্যাজিক্যাল আর কিছু হয় না। প্রতিদিনই তাহাজ্জুদ পড়তে বলছি না। এক সপ্তাহে একদিন উঠুন। ঘুম ঘুম পেলে জায়নামাজেই বসে থাকুন এই সময়। তবুও উঠুন৷ তাহাজ্জুদ আপনাকে এমন সব নিয়ামাহ্ এনে দিবে,যা আপনি কল্পনাও করেননি৷

▪️দু‘আলিস্ট বানান। আগামী দিন/বছরে আপনার কি কি লাগবে, তা লিস্ট করুন। নোটবুকে লিখে রাখুন৷ এটা রমাদানে আপনাকে দারুনভাবে কাজে দিবে৷

📌 বিশেষ টিপস—
▬▬▬▬▬▬▬▬☞
এখন থেকেই অল্প অল্প করে টাকা জমান। কেন জমাবেন?
রমাদানের আগে রমাদান প্ল্যানার বের হয়। আপনি যদি অন্যদের রমাদান প্ল্যানার হাদিয়া দিতে পারেন এবং আপনার দেওয়া প্ল্যানার থেকে সে আমল করে, তবে আপনিও সমপরিমাণ সওয়াবের ভাগিদার হবেন ইনশাআল্লাহ্।

▪️ সম্ভব হলে কুরআনের অনুবাদ হাদিয়া দিন। রমাদানে এটা বেশ কাজে আসে।

▪️ আত্মীয়-স্বজন,পরিচিতদের বা যাদের হিজাব কেনার সামর্থ্য নেই, এমন কাউকে রমাদানের আগে সালাত হিজাব, জায়নামাজ ইত্যাদি হাদিয়া দিতে পারেন। আপনার দেওয়া হিজাব,জায়নামাজ নিয়ে সালাত আদায় করলে আপনিও সওয়াব পাবেন৷

▪️প্রতি ঘন্টায় দু‘আ করার অভ্যেস গড়ে তুলুন। ঘন্টায় ঘন্টায় দু‘আ করার মাধ্যমে আপনি আল্লাহর নিকটবর্তী হতে পারবেন। ছোট-বড় সবকিছুই আল্লাহর কাছে চাওয়ার অভ্যেস তৈরি হবে। যে নিঃশ্বাসে নিঃশ্বাসে দুআ করার অভ্যেস করতে পারবে,সে 'দুআর মিষ্টতা' উপলব্ধি করতে পারবেই ইনশাআল্লাহ।

এতক্ষণ ধরে যে পয়েন্টগুলো বলেছি,সবগুলো একসাথে শুরু করার দরকার নেই। একটু একটু করে অগ্রসর হোন। আল্লাহর কাছে সাহায্য চান। এগিয়ে যাওয়ার এই পথে অসুস্থতা,ব্যস্ততা বা নানা সমস্যা আপনাকে গ্রাস করার চেষ্টা করবে৷ হতাশ হবেন না। আবারও উঠে দাঁড়ান। আপনার রব্ব আপনারই অপেক্ষায়!

27/01/2026

সন্তানের সাফল্য নাকি আখিরাতের ক্ষতি?

আজকের আলোচনার শুরুতে কিছু দৃশ্যপট কল্পনা করুন...

দৃশ্যপট-১

ভোর পাঁচটা। মসজিদের মিনার থেকে ভেসে আসছে সেই চিরচেনা সুর ‘আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম’। ঘুমের চেয়ে সলাত উত্তম।

আপনি জেগে উঠলেন। ওজু করলেন। এরপর পাশের রুমে গিয়ে দেখলেন আপনার কলিজার টুকরো সন্তানটা অঘোরে ঘুমাচ্ছে। চাদরটা গায়ের ওপর টেনে দিয়ে আপনি ভাবলেন, আহারে! রাত জেগে পড়াশোনা করেছে, এখন ডাকলে সারাদিন টায়ার্ড থাকবে। শরীর খারাপ করবে। থাক, আর একটু ঘুমাক।

দৃশ্যপট-২

রমাদান মাস এসেছে। বাইরে খাঁ খাঁ রোদ্দুর। আপনার কিশোর সন্তানটি প্রবল আগ্রহ নিয়ে রোজা রাখতে চাচ্ছে। কিন্তু আপনি আঁতকে উঠলেন। আপনি জোর করে তাকে রোজা ভাঙতে বাধ্য করলেন। আপনার যুক্তি? এত কষ্ট করবে কেন? দুর্বল হয়ে যাবে তো। সামনে পরীক্ষা, শরীর ঠিক না থাকলে পড়বে কীভাবে?

দৃশ্যপট-৩

আপনার আদরের মেয়েটি বড় হচ্ছে। সে যখন বোরকা পরে বাইরে বের হতে চায়, আপনি তাকে জোর করেই সাজিয়ে-গুজিয়ে আধুনিক পোশাকে বের করেন। কেউ হয়তো সলজ্জভাবে মনে করিয়ে দিল, ভাই, মেয়েটা তো বড় হয়েছে, এবার একটু পর্দা বা শালীনতার শিক্ষা দিলে হতো না?

আপনি হেসেই উড়িয়ে দিলেন। বললেন, আরে ভাই, ও তো বাচ্চা মানুষ! এখন থেকেই যদি বোরকা-হিজাব দিয়ে আটকে রাখি, তবে তো ওর কনফিডেন্স নষ্ট হয়ে যাবে। সোসাইটিতে ও স্মার্টলি মুভ করতে পারবে না। আগে ক্যারিয়ারটা গড়ুক, দ্বীনদারি তো বুড়ো বয়সেও করা যাবে।

দৃশ্যপট-৪

ছেলের বিয়ের কথা হচ্ছে। আপনার সামনে দুটি প্রস্তাব। একটি মেয়ে অত্যন্ত দ্বীনদার, সচ্চরিত্রবান এবং পর্দানশীন। অন্য মেয়েটির পরিবার অতটা দ্বীনদার নয়, কিন্তু তাদের অঢেল সম্পদ আর সমাজে বিশাল প্রতিপত্তি।

আপনি দ্বিতীয়টিই বেছে নিলেন। মনে মনে ভাবলেন, ছেলের বউ বড়লোক ঘর থেকে আসলে ছেলের লাইফটা সেটেল হয়ে যাবে। একটু আধটু বেপর্দা? ওসব বিয়ের পর ঠিক করে নেওয়া যাবে।

দৃশ্যপট-৫

আপনার সন্তানকে ভালো স্কুলে ভর্তি করাতে গিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা ঘুষ দিলেন। মনে মনে ভাবলেন, সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য এটুকু তো করতেই হয়। তারপর চাকরি পেতে আবারও লাখ টাকার দুর্নীতি। আবার ভাবলেন, সন্তান তো প্রতিষ্ঠিত হোক, এর চেয়ে বড় কী আছে?

এই যে প্রতিটি পদক্ষেপ, আপনি কি সত্যিই সন্তানের ভালো করছেন? নাকি নিজের মনের সান্ত্বনার জন্য, নিজের দুনিয়াবী সফলতার সংজ্ঞা সন্তানের উপর চাপিয়ে দিচ্ছেন?

আসুন একটু জানার চেষ্টা করি...

মুসলিম প্যারেন্টিং: আসল উদ্দেশ্য কী?

আমাদের সমাজে প্যারেন্টিং মানেই এখন প্রতিযোগিতার ইঁদুর দৌড়। কার সন্তান কত বড় ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হলো, কার ছেলে কত লক্ষ টাকা বেতনের চাকরি পেল, এটাই যেন সফলতার একমাত্র মানদণ্ড।

সসম্মানিত অভিভাবকবৃন্দ, আসুন আমরা একটু ভাবি। একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের প্যারেন্টিং এর উদ্দেশ্য কী হওয়া উচিত? ডাক্তার বানানো? ইঞ্জিনিয়ার বানানো? কোটিপতি বানানো?

না!

মুসলিম প্যারেন্টিং এর আসল উদ্দেশ্য হলো সন্তানকে একজন সৎকর্মশীল বান্দা হিসেবে গড়ে তোলা। যার আচরণ হবে প্রশংসনীয়, যার নৈতিকতা হবে সর্বোত্তম, যে হবে আল্লাহর প্রকৃত দাস।

এবং এই পথে আমাদের আদর্শ, আমাদের রোল মডেল একজনই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তিনি কীভাবে সন্তানদের সাথে আচরণ করতেন? কীভাবে তাদের দ্বীন শিখাতেন? কীভাবে তাদের চরিত্র গঠন করতেন? এটাই আমাদের শিখতে হবে।

সন্তান: নেয়ামত নাকি পরীক্ষা?

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা পবিত্র কুরআনে বলেছেন:
ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দুনিয়ার জীবনের শোভা। (সূরা কাহফ: ৪৬)

হ্যাঁ, সন্তান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক মহা নেয়ামত। কিন্তু আমরা মুসলিম প্যারেন্টসরা বারবার একটা মৌলিক সত্য ভুলে যাই। এই সন্তান আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে আমানত!

আমানত মানে কী? আমানত মানে, এটা আপনার নিজের মালিকানাধীন সম্পত্তি নয়। এটা আল্লাহ তা'আলা আপনার কাছে গচ্ছিত রেখেছেন। তিনি দেখতে চান আপনি এই আমানতের হক আদায় করেন কি না।

এবং আরও বড় কথা এই সন্তান আপনার জন্য পরীক্ষা!

আল্লাহ তা'আলা বলেন: আর জেনে রাখ, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তো এক পরীক্ষা। আর নিশ্চয় আল্লাহ, তাঁরই কাছে রয়েছে মহাপুরস্কার। (সূরা আনফাল: ২৮)

আবারও তিনি বলেছেন: তোমাদের সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তো পরীক্ষা বিশেষ; আর আল্লাহ, তাঁরই কাছে রয়েছে মহাপুরস্কার। (সূরা তাগাবুন: ১৫)

মানুষ সুন্দর বাগান পছন্দ করে, সুন্দর বাড়ি পছন্দ করে, আর সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে তার সন্তানকে। আল্লাহ এই সত্যটা জানেন। কিন্তু তিনি সাথে সাথে আমাদের সতর্কও করেছেন। সূরা আনফাল এবং সূরা তাগাবুনে তিনি স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, এই সন্তান তোমাদের জন্য একটা ফিতনা বা পরীক্ষা।

পরীক্ষা কেন?

কারণ, এই সন্তানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেই শয়তান আপনাকে দিয়ে হারাম খাওয়াবে। এই সন্তানের মায়ার দোহাই দিয়েই আপনি ফজরের সলাত কাজা করবেন। এই সন্তানের ফিউচার গড়ার নাম করেই আপনি আপনার নিজের আখিরাত বিসর্জন দিবেন।

​অন্যদিকে আমানতের খেয়ানত করা তো মুনাফিকের কাজ। আল্লাহ তা'আলা আপনার কাছে একটা নিষ্পাপ আত্মা আমানত দিয়েছেন। আপনি কি তাকে কেবল দুনিয়া ভোগ করার যন্ত্র বানাচ্ছেন, নাকি জান্নাতের যাত্রী বানাচ্ছেন?

দেখুন কী হয় আমাদের সাথে। আল্লাহ তা'আলা আমাদের সন্তান দেন। আমরা খুশিতে আত্মহারা হয়ে যাই। কিন্তু সেই খুশিতে আমরা যাকে ভুলে যাই, তিনি হলেন স্বয়ং আল্লাহ তা'আলা যিনি এই নেয়ামত দিয়েছেন!

সন্তানের জন্য আমরা এতটাই পাগল হয়ে যাই যে:
• আখিরাতের কথা ভুলে যাই
• জান্নাত-জাহান্নামের কথা ভুলে যাই
• হালাল-হারামের সীমারেখা মুছে ফেলি
• আল্লাহর আদেশ-নিষেধ পাশ কাটিয়ে যাই

শুধু একটাই লক্ষ্য থাকে সন্তানকে দুনিয়াতে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। যেভাবে হোক! কিন্তু এই "যেভাবে হোক" এর পথে হাঁটতে গিয়ে আমরা নিজেদের জান্নাত ধ্বংস করে ফেলছি। আস্তাগফিরুল্লাহ!

🌳 কিয়ামতের দিন সন্তান আপনার কী কাজে আসবে?

এবার আসুন সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সত্যটির দিকে। যে সন্তানের জন্য আপনি:
• হারাম পথে অর্থ উপার্জন করলেন
• ঘুষ-দুর্নীতিতে জড়ালেন
• নামাজ-রোজা থেকে দূরে রাখলেন
• দ্বীনী শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করলেন
• আখিরাতকে কোরবান করলেন

সেই সন্তান কিয়ামতের দিন আপনার কী কাজে আসবে?

আল্লাহ তা'আলা স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছেন: তোমাদের আত্মীয়-স্বজন ও সন্তান-সন্ততি কিয়ামতের দিন কোন উপকার করতে পারবে না। (সূরা মুমতাহিনা: ৩)
আবার বলেছেন:
যে দিন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কোন কাজে আসবে না। (সূরা শু'আরা: ৮৮)

কল্পনা করুন সেই দিনটির কথা। হাশরের ময়দান। ভয়াবহ বিচারের দিন। চারদিকে ভয় আর আতঙ্ক।

আপনি যে সন্তানের জন্য জীবনভর পাপ করলেন, সেই সন্তান কি এসে বলবে, ইয়া আল্লাহ! আমার বাবা-মা আমার জন্য অনেক গুনাহ করেছে। আপনি ওদের ক্ষমা করে দিন?

না! বরং সেদিন: নিশ্চয় যারা কুফরী করে, আল্লাহর নিকট তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কোন কাজে আসবে না এবং এরাই আগুনের ইন্ধন। (সূরা আলে-ইমরান: ১০)

এমনকি পরিস্থিতি এমন হবে যে, সন্তান তার বাবার বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছে অভিযোগ করবে, হে আল্লাহ! আমার বাবা আমাকে দুনিয়াতে অনেক টাকা দিয়েছে ঠিকই, কিন্তু তোমার কথা বলেনি, দ্বীন সম্পর্কে জানায় নি। আজ আমার এই অবস্থার জন্য ওরাই দায়ী!

​যাকে খুশি করতে গিয়ে আপনি স্রষ্টাকে নারাজ করলেন, সেই সন্তানই সেদিন আপনার বিপদের কারণ হবে। এর চেয়ে বড় ট্র্যাজেডি আর কী হতে পারে?

আল্লাহ তা'আলা বলেন, আল্লাহর শাস্তি মোকাবিলায় তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তাদের কোন কাজে আসবে না; তারাই জাহান্নামের অধিবাসী, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। (সূরা আল-মুজাদালাহ: ১৭)

🌿 সবচেয়ে বড় ক্ষতি

সবশেষে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে আয়াতটি প্রত্যেক মুসলিম প্যারেন্টের হৃদয়ে গেঁথে রাখা উচিত: হে মুমিনগণ! তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণে উদাসীন না করে। আর যারা এরূপ উদাসীন হবে তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত। (সূরা মুনাফিকুন: ৯)

আয়াতটি পড়েছেন? আবার পড়ুন। আবারও পড়ুন।

আল্লাহ বলছেন, তোমার সন্তান যেন তোমাকে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফিল না করে।

কিন্তু আমরা কী করছি?
সন্তানের জন্য ফজরের সলাত ছাড়ছি। সন্তানের জন্য হালাল-হারাম ভুলে যাচ্ছি। সন্তানের জন্য দ্বীন থেকে দূরে সরে যাচ্ছি।
এবং আল্লাহ বলছেন, যারা এরূপ উদাসীন হবে তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত।

ক্ষতিগ্রস্ত কারা? যারা লসে আছে। আপনি আপনার সন্তানের জন্য ১০ তলা বাড়ি করলেন, দামি গাড়ি কিনলেন, কিন্তু তার হৃদয়ে আল্লাহর ভয় গেঁথে দিলেন না, বিশ্বাস করুন, আপনি লসে আছেন। আপনি তাকে বিদেশের নামী ইউনিভার্সিটি থেকে পড়িয়ে আনলেন, কিন্তু সে 'বিসমিল্লাহ' বলে খাওয়া শিখলো না আপনি চরম লসে আছেন।

সসম্মানিত অভিভাবকবৃন্দ, এখনও সময় আছে। আল্লাহর রহমতের দরজা এখনও খোলা। সন্তানকে ভালোবাসুন। তাদের জন্য সর্বোত্তম চেষ্টা করুন। কিন্তু কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে।

মনে রাখবেন:

১. আপনার সন্তান আপনার ব্যক্তিগত প্রপার্টি নয়, আল্লাহর দেয়া আমানত।

২. হারাম পথে অর্জিত সাফল্য কখনো বরকতময় হয় না।

৩. সন্তানকে নামাজি বানানো মানে তাকে শুধু পরকালের জন্য নয়, দুনিয়ার জন্যও একজন দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।

৪. কিয়ামতের দিন আপনার আমলনামায় আপনার সন্তান 'সদকায়ে জারিয়া' হতে পারে, আবার 'বোঝাও' হতে পারে।
৫. সন্তানের প্রকৃত সফলতা দুনিয়াবী ডিগ্রি নয়, বরং আখিরাতের নাজাত।

৬. দ্বীন থেকে দূরে রেখে সন্তানকে প্রতিষ্ঠিত করা মানে তাকে জাহান্নামের দিকে ঠেলে দেওয়া।

তাই আজ থেকেই সিদ্ধান্ত নিন:

• সন্তানকে হালাল পথে প্রতিষ্ঠিত করবেন
• দ্বীনী শিক্ষায় শিক্ষিত করবেন
• নামাজ-রোজায় অভ্যস্ত করবেন
• আল্লাহর স্মরণে মশগুল রাখবেন

কারণ প্রকৃত সফলতা দুনিয়ার চাকচিক্যে নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টিতে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন এবং আমাদের সন্তানদের সৎকর্মশীল বান্দা হিসেবে গড়ে তোলার তাওফীক দান করুন। আমীন।

লেখা: জাহিদ হাসান হাফি

27/01/2026

এই আর্টিকেলে ১০টি ছোট ছোট আচরণের কথা বলা হয়েছে যা ধীরে ধীরে মানুষের মধ্যে আপনার সম্মান বাড়িয়ে তোলে এবং একটি শক্তিশালী চরিত্র গঠনে সহায়তা করে।

​১. কথা দিলে তা রাখা: আপনি যখন কাউকে কথা দেন যে আপনি সেখানে থাকবেন বা কোনো কাজ করবেন, তখন তা বজায় রাখুন। ছোটখাটো বিষয়েও নির্ভরযোগ্য হওয়া আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়।

​২. উত্তর দেওয়ার জন্য নয়, বোঝার জন্য শোনা: অন্যের কথা শোনার সময় মনে মনে নিজের উত্তর তৈরি না করে মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনুন। এতে অপর ব্যক্তি নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন এবং আপনার প্রতি তার শ্রদ্ধা বাড়ে।

​৩. ‘জানি না’ বলতে দ্বিধা না করা: সব বিষয়ে জান্তা হওয়ার ভান করার চেয়ে "আমি জানি না, তবে জেনে নেব" বলা অনেক বেশি সম্মানের। এটি আপনার সততা এবং আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে।

​৪. অন্যের গোপন কথা রক্ষা করা: কারো ব্যক্তিগত কথা বা গোপনীয়তা অন্যের কাছে ফাঁস করবেন না। বিশ্বস্ততা এমন একটি সম্পদ যা কেনা যায় না, এটি অর্জন করতে হয়।

​৫. অজুহাত না দিয়ে দায়িত্ব নেওয়া: ভুল হলে তা স্বীকার করুন। অজুহাত না দিয়ে নিজের কাজের দায়ভার নিলে মানুষ আপনাকে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে সম্মান করবে।

​৬. উদারভাবে কৃতিত্ব দেওয়া: সাফল্যের সময় নিজের টিমের বা অন্যদের অবদানের কথা সবার সামনে স্বীকার করুন। এটি আপনার মনের সংকীর্ণতা দূর করে এবং আপনাকে একজন প্রকৃত নেতার মর্যাদা দেয়।

​৭. বিপদে শান্ত থাকা: কঠিন সময়ে বা উত্তেজনার মুহূর্তে যখন সবাই ধৈর্য হারিয়ে ফেলে, তখন শান্ত থাকা অনেক বড় একটি গুণ। এতে অন্যরা আপনাকে নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে দেখতে শুরু করে।

​৮. মানুষের ছোট ছোট বিষয় মনে রাখা: কারো সন্তানের নাম, তাদের অসুস্থ বাবা-মায়ের খোঁজ নেওয়া বা বিশেষ কোনো ঘটনার কথা মনে রাখা দেখায় যে আপনি তাদের মানুষ হিসেবে মূল্য দেন, কেবল সহকর্মী বা পরিচিত হিসেবে নয়।

​৯. মার্জিতভাবে ভিন্নমত পোষণ করা: কারো সাথে দ্বিমত থাকতেই পারে, কিন্তু তা প্রকাশ করার সময় কর্কশ না হয়ে সুন্দরভাবে নিজের যুক্তি তুলে ধরুন। তর্কে না জড়িয়ে অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে কথা বললে আপনার ব্যক্তিত্ব ফুটে ওঠে।

​১০. নিরহংকার থাকা: নিজের অর্জন নিয়ে অতিরিক্ত বড়াই না করে বিনয়ী থাকুন। প্রকৃত গুণী মানুষ কখনো নিজেকে জাহির করেন না, তাদের কাজই তাদের হয়ে কথা বলে।

​সম্মান জোর করে আদায় করার বিষয় নয়, এটি আপনার আচরণের মাধ্যমে অর্জন করতে হয়। এই ছোট ছোট পরিবর্তনগুলো আপনার ব্যক্তিত্বকে অন্যদের কাছে অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য ও আকর্ষণীয় করে তুলবে।
___________________

27/01/2026

সূরা হাশর ~ সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের ফজিলত অনেক বেশি। সকাল-বিকাল সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পাঠ করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ন একটি আমল। এ সম্পর্কে বিভিন্ন হাদিসে বর্ণিত আছে।

সূরা হাশর পবিত্র কুর'আনুল কারিমের ৫৯ নাম্বার সূরা। এর আয়াত সংখ্যা ২৪ আর রুকু হলো তিন।
হাশর শব্দের অর্থ একত্র হওয়া বা জড়ো হওয়া।

সূরা হাসরের শেষ তিন আয়াতের উচ্চারণ : "হুআল্লা হুল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়া, আলিমুল গাইবী ওয়াশ শাহাদাদি, হুয়ার রাহমানুর রাহিম। হুআল্লা হুল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল মালিকুল কুদ্দুসুস সালামুল মু’মিনুল মুহাইমিনুল আজিজুল জাব্বারুল মুতাকাব্বির। ছুবহানাল্লাহি আম্মা য়ুশরিকুন। হুআল্লাহুল খালিকুল বা-রিউল মুছাওয়িরু লাহুল আসমাউল হুসনা। ইউছাব্বিহু লাহু মা ফিস-সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্; ওয়া হুয়াল আজিজুল হাকিম।
অর্থ : তিনি আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি অদৃশ্য ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা। তিনি পরম করুণাময়, পরম দয়াময়। তিনিই আল্লাহ্, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনিই মালিক, তিনিই পবিত্র, তিনিই শান্তি, নিরাপত্তাবিধায়ক, তিনিই রক্ষক, তিনিই পরাক্রমশালী, তিনিই প্রবল, তিনিই অহংকারের অধিকারী। ওরা যাকে শরিক করে আল্লাহ্ তার থেকে পবিত্র, মহান। তিনিই আল্লাহ্, সৃজনকর্তা, উদ্ভাবনকর্তা, রূপদাতা, সব সুন্দর নাম তাঁরই । আকাশ ও পৃথিবীতে যা-কিছু আছে সমস্তই তাঁর পবিত্র মহিমা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রমশালী, তত্ত্বজ্ঞানী। (সুরা হাশর, আয়াত: ২২থেকে ২৪)

হজরত মাকাল ইবনে ইয়াসার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের নামাজের পর তিন বার আউজু বিল্লাহিস সামিঈল আলিমি মিনাস শাইত্বানির রাজীম সহ ‘সুরা হাশরের’ শেষ তিন আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য আল্লাহ তাআলা ৭০ হাজার রহমতের ফেরেশতা নিয়োগ করবেন।
ওই ৭০ হাজার ফেরেশতাগণ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার ওপর আল্লাহর রহমত প্রেরণ করতে থাকবে। যদি ঐ দিন সে ব্যক্তি মারাও যান তবে সে শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করবে।

আর যে ব্যক্তি সন্ধ্যার সময় সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পাঠ করবে তাঁর জন্যও আল্লাহ তাআলা ৭০ হাজার রহমতের ফেরেশতা নিয়োগ করবেন।
যারা তাঁর ওপর সন্ধ্যা থেকে সকাল হওয়া পর্যন্ত রহমত প্রেরণ করতে থাকবে। আর যদি ঐ রাতে সে মৃত্যুবরণ করে তবে শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করবে।

এই আয়াতগুলো শয়তান ও অন্যান্য বিপদ থেকে রক্ষা করে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপত্তা এনে দেয় বলে অনেকে বিশ্বাস করেন।

আয়াতগুলোতে আল্লাহর সুন্দর নাম ও গুণাবলি (আসমাউল হুসনা) বর্ণনা করা হয়েছে, যা পাঠ করলে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস গভীর হয় এবং তাঁর নৈকট্য লাভ করা যায়।

26/01/2026

একটি সুন্দর মোনাজাত

আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল ‘আলামীন।
ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু ‘আলা সাইয়্যিদিল মুরসালীন,
ওয়া ‘আলা আলিহী ওয়া আসহাবিহী আজমাঈন।

ইয়া আল্লাহ, ইয়া রহমান, ইয়া রহিম,
ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম,
ইয়া মালিক, ইয়া খালিক, ইয়া রব্বুল ‘আলামীন।

আপনার পবিত্র ও মহান নামগুলোর উছিলায়
আমাদের দুনিয়া ও আখিরাতের সব কল্যাণ দান করুন, হে মাবুদ।

ইয়া রব, আমাদের রিযিক হালাল ও প্রশস্ত করে দিন।
আমাদের ঋণমুক্ত করুন, অভাবমুক্ত করুন,
চিন্তা, ভয় ও অস্থিরতা থেকে আমাদের অন্তরকে হেফাজত করুন।
আমাদের নেক হায়াত দান করুন
এবং আমাদের পিতা-মাতার ওপর বিশেষ রহমত নাযিল করুন।

ইয়া আল্লাহ,
আমাদের যেসব আত্মীয়-স্বজন কবরবাসী হয়েছেন,
তাদের কবরগুলোকে জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন।
তাদের গুনাহ মাফ করে দিন,
কবরের আজাব থেকে হেফাজত করুন
এবং তাদের সবাইকে আপনার অশেষ রহমতের ছায়ায় স্থান দিন।

ইয়া রব্বুল ‘আলামীন,
আপনার তাওহীদের কালিমা
“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”-এর উছিলায়,
আপনার হাবীব, প্রিয় নবী
হযরত মুহাম্মদ ﷺ–এর উম্মত হওয়ার সৌভাগ্যের উছিলায়
আমাদের অন্তরের নেক ইচ্ছেগুলো কবুল ও মঞ্জুর করে দিন।

ইয়া আল্লাহ,
মা-বাবার অন্তরে সন্তানের জন্য রহমত ঢেলে দিন,
সন্তানের অন্তরে মা-বাবার জন্য আদব ও ভালোবাসা দান করুন।
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে দূরত্ব দূর করে
মহব্বত, বোঝাপড়া ও শান্তি বৃদ্ধি করে দিন।
আমাদের প্রতিটি পরিবারের ওপর
আপনার রহমত ও বরকত নাযিল করুন।

ইয়া রব,
আমাদের মানসিক দুশ্চিন্তা,
লুকানো কষ্ট, অদৃশ্য যন্ত্রণা
আপনি নিজ দয়ায় দূর করে দিন।

ইয়া আল্লাহ,
আমি জানি না—কীভাবে ডাকলে আপনি বেশি খুশি হন,
আমি জানি না—কীভাবে চাইলে আমার চাওয়া পূরণ হয়,
আমি জানি না—কীভাবে হাত তুললে আপনি হাত ভরে দেন।
কিন্তু আপনি তো জানেন
এই গুনাহগার বান্দার অন্তরের প্রতিটি কথা।

ইয়া রব,
আপনি তো নিজেই বলেছেন—
“তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।”
আপনি তো নিজেই বলেছেন—
আপনি খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে লজ্জা বোধ করেন।

ইয়া আল্লাহ,
আমি অযোগ্য—তবু আপনি আমাকে অগণিত নেয়ামত দিয়েছেন।
আমি দুর্বল—তবু আপনি আমাকে বারবার আগলে রেখেছেন।

আজও আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি,
আপনি আমাকে নিরাশ করবেন না।

ইয়া রব,
আমি জানি—আমাকে ছাড়া আপনার অগণিত বান্দা আছে,
কিন্তু আমার তো আপনি ছাড়া আর কেউ নেই।

আমার ডাকার মতো কেউ নেই,
আমার চাওয়ার মতো কেউ নেই,
আমার আবদারের জায়গা শুধু আপনি—ইয়া আল্লাহ।

আপনি আমাকে ফিরিয়ে দেবেন না—এই বিশ্বাস নিয়েই
আমি আপনার দরজায় মাথা নত করছি।
আমীন, ইয়া রব্বুল ‘আলামীন। 🤲

17/01/2026

📌 পর্ব - ১ (১ থেকে ২০) ✨ আল আসমাউল হুসনা: আল্লাহর ৯৯টি গুণবাচক নাম ✨
​রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "আল্লাহর ৯৯টি নাম আছে, যে ব্যক্তি এগুলো মুখস্থ করবে (এবং এর মর্ম উপলব্ধি করবে) সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।" (সহিহ বুখারী)
​নিচে আরবি উচ্চারণ এবং ইংরেজি অর্থসহ আল্লাহর পবিত্র নামগুলো শেয়ার করা হলো। নিজের ওয়ালে সেভ করে রাখুন এবং অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন। 🤲
​💎 Al-Asma-ul-Husna (The 99 Names of Allah) 💎
|---|---|---|---|
| ১ | الرَّحْمَنُ | Ar-Rahman | The Most Merciful |
| ২ | الرَّحِيمُ | Ar-Rahim | The Especially Merciful |
| ৩ | الْمَلِكُ | Al-Malik | The Sovereign |
| ৪ | الْقُدُّوسُ | Al-Quddus | The Pure / Holy |
| ৫ | السَّلَامُ | As-Salam | The Source of Peace |
| ৬ | الْمُؤْمِنُ | Al-Mu’min | The Provider of Faith |
| ৭ | الْمُهَيْمِنُ | Al-Muhaymin | The Guardian |
| ৮ | الْعَزِيزُ | Al-Aziz | The All Mighty |
| ৯ | الْجَبَّارُ | Al-Jabbar | The Compeller |
| ১০ | الْمُتَكَبِّرُ | Al-Mutakabbir | The Supreme |
| ১১ | الْخَالِقُ | Al-Khaliq | The Creator |
| ১২ | الْبَارِئُ | Al-Bari’ | The Producer |
| ১৩ | الْمُصَوِّرُ | Al-Musawwir | The Fashioner |
| ১৪ | الْغَفَّارُ | Al-Ghaffar | The All-Forgiver |
| ১৫ | الْقَهَّارُ | Al-Qahhar | The Subduer |
| ১৬ | الْوَهَّابُ | Al-Wahhab | The Bestower |
| ১৭ | الرَّزَّاقُ | Ar-Razzaq | The Provider |
| ১৮ | الْفَتَّاحُ | Al-Fattah | The Opener |
| ১৯ | الْعَلِيمُ | Al-Alim | The All-Knowing |
| ২০ | الْقَابِضُ | Al-Qabid | The Withholder |
> "আল্লাহর রয়েছে সুন্দরতম সব নাম। অতএব তোমরা তাঁকে সেসব নামেই ডাকবে।" (সূরা আল-আরাফ: ১৮০)
>
​📌 কেন আমরা এই নামগুলো জানবো?
✅ দোয়া কবুলের জন্য এই নামগুলো ধরে আল্লাহকে ডাকা সুন্নত।
✅ আল্লাহর ক্ষমতা ও দয়া সম্পর্কে জানা যায়।
✅ অন্তরে প্রশান্তি আসে।
​প্রভু আমাদের সবাইকে তাঁর এই গুণবাচক নামগুলো মুখস্থ করার এবং জীবনে তার শিক্ষা ধারণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন। 🤲✨
​ ​📌

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka

Opening Hours

09:00 - 17:00