The Qur'an Is Our Constitution

The Qur'an Is Our Constitution

Share

Recite in the name of your Lord who created - (Surat Al-`Alaq;1)

25/11/2018

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنصَابُ وَالْأَزْلَامُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

‘‘হে মুমিনগণ! নিশ্চিত মদ, জুয়া ,প্রতিমা এবং ভাগ্যনির্ধারক তীর নিক্ষেপ এসবগুলোই নিকৃষ্ট শয়তানী কাজ। অতএব, তোমরা তা থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকো, যাতে তোমরা কল্যাণ পেতে পারো’’।
(সূরা মায়িদা, আয়াত:৯০)

05/11/2017

আবদুল্লাহ ইবন মাসঊদ রাদিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

« لاَ حَسَدَ إِلاَّ فِي اثْنَتَيْنِ : رَجُلٌ أَعْطَاهُ اللَّهُ مَالاً فَسَلَّطَهُ عَلَى هَلَكَتِهِ فِي الْحَقِّ ، وَرَجُلٌ آتَاهُ اللَّهُ الْحِكْمَةَ فَهُوَ يَقْضِي بِهَا وَيُعَلِّمُهَا » .

‘কেবল দুই ব্যক্তিকে হিংসা করার অনুমতি রয়েছে : ওই ব্যক্তিকে আল্লাহ যাকে সম্পদ দিয়েছেন। অতপর তাকে সে সম্পদ হকের পথে ব্যয় করতে ন্যস্ত করেছেন। আর ওই ব্যক্তি যাকে তিনি হিকমাহ বা ইলম দান করেছেন। ফলে সে তা দিয়ে বিচার করে এবং তার শিক্ষা দেয়।’
[বুখারী : ৭৩]

27/10/2017

উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য এটি একটি মহান দিন। এ জুম'আর দিনটিকে সম্মান করার জন্য ইহুদী-নাসারাদের উপর ফরজ করা হয়েছিল; কিন্তু তারা মতবিরোধ করে এই দিনটিকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। অতঃপর ইহুদীরা শনিবারকে আর খ্রিষ্টানরা রবিবারকে তাদের ইবাদতের দিন বানিয়েছিল। অবশেষে আল্লাহ তায়ালা এ উম্মতের জন্য শুক্রবারকে মহান দিবস ও ফযীলতের দিন হিসেবে দান করেছেন। আর উম্মতে মুহাম্মদী তা গ্রহন করে নিল।
[বুখারী ৮৭৬,মুসলিমঃ ৮৫৫]

27/10/2017

আলহামদুলিল্লাহ ... আরেকটি জুম্মা - সকল দিনের শ্রেষ্ঠ দিনটি আবার ঘুরে
এসছে । আপনি কি এই দিনটির অপেক্ষায় ছিলেন না ? এই দিনটিকে বৃথা নষ্ট হতে দেবেন না কারণ বহু বরকত ও ফজিলত নিহিত রয়েছে আজকের দিনটিতে
নিম্নলিখিতি সুন্নাত গুলো আদায় করতে সচেষ্ট হন : !!►►
১) ফজরের সালাত জামাতে আদায় করুন (আল-বায়হাকী , সহী আল-আলবানি, ১১১৯)
২) সালাত আল-জুম্মার পূর্বের এবং পরের করণীয় ঃ-
➲ জুম্মার দিন গোসল করা (বুখারী এবং মুসলিম : # ১৯৫১ এবং # ৯৭৭)
➲ জুম্মার সালাতে শীঘ্র উপস্থিত হওয়া (বুখারী এবং মুসলিম : # ৯২৯ এবং ১৯৬৪)
➲ পায়ে হেঁটে মসজিদে গমন করা (আল-তিরমিজি, ৪৯৬)
➲ মনোযোগ সহকারে জুম্মার খুৎবা শোনা (আল-বুখারী ৯৩৪ এবং মুসলিম ৮৫১)
৩) জুম্মার দিন আপনার দুয়া কবুল হবার সেই মুহূর্তটির অনুসন্ধান করুন (বুখারী এবং মুসলিম : # ৯৩৫ এবং # ১৯৬৯)
৪) সূরা কাহাফ তিলাওয়াত (আল-হাকিম, ২/৩৯৯; আল-বায়হাকী, ৩/২৪৯)
৫) আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপর দুরদ পাঠ
(ইবনে মাজাহ # ১০৮৫ , আবু দাউদ , # ১০৪৭)

Photos from The Qur'an Is Our Constitution's post 31/08/2017

আজ ঐতিহাসিক আরাফার দিন ।

আরাফাহ দিবস : গুরুত্ব ও ফযীলত

যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ সূর্যোদয়ের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাহ ময়দানে চিহ্নিত সীমানার মধ্যে অবস্থান করা হজ্জের প্রধান রুকন। এই দিনকেই আরাফার দিন বলা হয়। এ দিনটি অত্যন্ত গুরুত্ববহ ও মর্যাদাপূর্ণ। এ দিনের গুরুত্ব ও ফযীলত সম্পর্কে নিম্নে নাতিদীর্ঘ আলোচনা করা হ’ল।-

আরাফাহ দিবসের মর্যাদা :

এ দিবসটি অনেক ফযীলত সম্পন্ন দিবসের চেয়ে অধিক মর্যাদার অধিকারী। যে সকল কারণে এ দিবসটির এত মর্যাদা তার কয়েকটি নিম্নে উল্লেখ করা হ’ল।-

(১) এ দিন ইসলাম ধর্মের পূর্ণতা লাভ ও বিশ্ব মুসলিমের প্রতি আল্লাহর নে‘মতের পরিপূর্ণতা প্রাপ্তির দিন। হাদীছে এসেছে-

عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَنَّ رَجُلاً مِنَ الْيَهُودِ قَالَ لَهُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، آيَةٌ فِى كِتَابِكُمْ تَقْرَءُونَهَا لَوْ عَلَيْنَا مَعْشَرَ الْيَهُودِ نَزَلَتْ لاَتَّخَذْنَا ذَلِكَ الْيَوْمَ عِيدًا. قَالَ أَىُّ آيَةٍ قَالَ (الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِى وَرَضِيتُ لَكُمُ الإِسْلاَمَ دِينًا). قَالَ عُمَرُ قَدْ عَرَفْنَا ذَلِكَ الْيَوْمَ وَالْمَكَانَ الَّذِى نَزَلَتْ فِيهِ عَلَى النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ قَائِمٌ بِعَرَفَةَ يَوْمَ جُمُعَةٍ.

‘তারিক বিন শিহাব (রহঃ) হ’তে বর্ণিত, এক ইহুদী লোক ওমর (রাঃ)-কে বলল, হে আমীরুল মুমিনীন! আপনাদের কিতাবে আপনারা এমন একটি আয়াত তেলাওয়াত করে থাকেন যদি সে আয়াতটি আমাদের প্রতি অবতীর্ণ হ’ত তাহ’লে আমরা সে দিনটিকে ঈদ হিসাবে উদযাপন করতাম। তিনি বললেন, সে আয়াত কোনটি? লোকটি বলল, আয়াতটি হ’ল-
اَلْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُم
ْ دِيْنَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِيْ وَرَضِيْتُ لَكُمُ الْإِسْلاَمَ دِيْنًا ‘

আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জীবন বিধান হিসাবে মনোনীত করলাম’ (মায়েদাহ ৫/৩)। ওমর (রাঃ) এ কথা শুনে বললেন, আমি অবশ্যই জানি কখন তা অবতীর্ণ হয়েছে ও কোথায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং অবতীর্ণ হওয়ার সময় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কোথায় ছিলেন। সে দিনটি হ’ল জুম‘আর দিন। তিনি সে দিন আরাফার ময়দানে দাঁড়িয়ে ছিলেন’।[1]

(২) এ দিন হ’ল ঈদের দিন সমূহের একটি দিন। আবু উমামাহ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,

يَوْمُ عَرَفَةَ وَيَوْمُ النَّحْرِ وَأَيَّامُ التَّشْرِيْقِ عِيْدُنَا أَهْلَ الإِسْلاَمِ وَهِىَ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ-

‘আরাফাহ দিবস, কুরবানীর দিন ও আইয়ামে তাশরীক (কুরবানী পরবর্তী তিন দিন) আমাদের ইসলামের অনুসারীদের ঈদের দিন। আর এ দিনগুলো খাওয়া-দাওয়ার দিন’।[2]

ওমর (রাঃ) বর্ণিত হাদীছের ব্যাখ্যায় ইবনে আববাস (রাঃ) বলেন, সূরা মায়েদার এ আয়াতটি নাযিল হয়েছে দু’টো ঈদের দিনে। তা হ’ল জুম‘আর দিন ও আরাফাহর দিন।[3]

আরাফাহ দিবসের ফযীলত : আরাফাহ দিবসের বিভিন্ন ফযীলত রয়েছে। যেমন-

১. আরাফাহ দিবসের ছিয়াম দু’বছরের গোনাহের কাফফারা :

আরাফার দিন ছিয়াম পালন করলে এক বছর পূর্বের এবং এক বছর পরের গুনাহ মাফ হয়। আবু কাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে আরাফাহ দিবসের ছিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হ’লে তিনি বলেন,

صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ إِنِّى أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِى قَبْلَهُ وَالسَّنَةَ الَّتِى بَعْدَهُ-

‘আরাফার দিনের ছিয়াম, আমি মনে করি বিগত এক বছর ও আগত এক বছরের গুনাহের কাফফারা হিসাবে গ্রহণ করা হয়ে থাকে’।[4] উল্লেখ্য যে, আরাফার দিনে ছিয়াম পালন করবেন তারাই যারা হজ্জব্রত পালন করেন না। অর্থাৎ আরাফাহ ময়দানের বাইরে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তের মুসলিম এই ছিয়াম পালন করবেন।

২. আরাফার দিন গুনাহ মাফ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের দিন :

এ দিনে আল্লাহ স্বীয় বান্দাদের মধ্য থেকে অধিক সংখ্যক মানুষকে ক্ষমা করে দিয়ে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করেন। আয়েশা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,

مَا مِنْ يَوْمٍ أَكْثَرَ مِنْ أَنْ يُعْتِقَ اللهُ فِيهِ عَبْدًا مِنَ النَّارِ مِنْ يَوْمِ عَرَفَةَ وَإِنَّهُ لَيَدْنُو ثُمَّ يُبَاهِى بِهِمُ الْمَلاَئِكَةَ فَيَقُوْلُ مَا أَرَادَ هَؤُلاَءِ

‘আরাফার দিন আল্লাহ রাববুল আলামীন তাঁর বান্দাদের এত অধিক সংখ্যক জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন, যা অন্য দিনে দেন না। তিনি এ দিনে বান্দাদের নিকটবর্তী হন ও তাদের নিয়ে ফেরেশতাদের কাছে গর্ব করে বলেন, তোমরা কি বলতে পার আমার এ বান্দারা আমার কাছে কি চায়’?[5] ইমাম নববী (রহঃ) বলেন, এ হাদীছটি আরাফাহ দিবসের ফযীলতের একটি স্পষ্ট প্রমাণ।

ইবনে আব্দুল বার্র (রহঃ) বলেন, এ দিনে মুমিন বান্দারা ক্ষমাপ্রাপ্ত হন। কেননা আল্লাহ রাববুল আলামীন গুনাহগারদের নিয়ে ফেরেশতাদের কাছে গর্ব করেন না। তবে তওবা করার মাধ্যমে ক্ষমা-প্রাপ্তির পরই তা সম্ভব। হাদীছে এসেছে-

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত রাসূলে কারীম (ছাঃ) বলেছেন,

إِذَا كَانَ يَوْمُ عَرَفَةَ، إِنَّ اللهَ يَنْزِلُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا، فَيُبَاهِيْ بِهِمُ الْمَلائِكَةَ، فَيَقُوْلُ : انْظُرُوْا إِلَى عِبَادِيْ أَتَوْنِيْ شُعْثًا غُبْرًا- ‘যখন আরাফার দিন হয়, তখন আল্লাহ দুনিয়ার আসমানে নেমে আসেন। অতঃপর তিনি আরাফায় অবস্থানকারীদের নিয়ে ফেরেশতাদের নিকটে গর্ব করেন। আল্ল­াহ বলেন, আমার এ সকল বান্দাদের দিকে চেয়ে দেখ। তারা এলোমেলো কেশ ও ধূলায় ধূসরিত হয়ে আমার কাছে এসেছে’।[6]

৩. অধিক পরিমাণে যিকর ও দো‘আ করার উপযুক্ত সময় :

নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন,

خَيْرُ الدُّعَاءِ دُعَاءُ يَوْمِ عَرَفَةَ وَخَيْرُ مَا قُلْتُ أَنَا وَالنَّبِيُّوْنَ مِنْ قَبْلِى لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ-

‘সবচেয়ে উত্তম দো‘আ হ’ল আরাফাহ দিবসের দো‘আ। আর সর্বশ্রেষ্ঠ কথা যা আমি বলি ও আমার পূর্ববর্তী নবীগণ বলেছেন তা হ’ল- আল্লাহ ব্যতীত সত্যিকার কোন মা‘বূদ নেই, রাজত্ব তাঁরই, সকল প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য এবং তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান’।[7]

এ হাদীছের ব্যাখ্যায় ইবনে আব্দুল বার্র (রহঃ) বলেন, এ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, আরাফাহ দিবসের দো‘আ নিশ্চিতভাবে কবুল হবে। আর সর্বোত্তম যিকর হ’ল ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’।[8]

ইমাম খাত্ত্বাবী (রহঃ) বলেন, এ হাদীছ দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, দো‘আ করার সাথে সাথে আল্লাহ তা‘আলার প্রশংসা ও তাঁর মহত্বের ঘোষণা করা উচিত।[9]

অতএব, আরাফাহ দিবসের গুরুত্ব ও ফযীলত অনুধাবন করতঃ এ দিবসে ছিয়াম পালনে সবাইকে সচেষ্ট হ’তে হবে। তাছাড়া যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশকে ইবাদতের ফযীলতও অত্যধিক। সে ব্যাপারেও আমাদেরকে যত্নবান হ’তে হবে। আল্লাহ আমাদের তাওফীক দান করুন-আমীন!

[1]. বুখারী হা/৪৫, ৪৬০৬।

[2]. আবুদাঊদ হা/২৪১৯।

[3]. ছহীহ জামি‘ তিরমিযী, হা/২৪৩৮।

[4]. মুসলিম হা/১১৬৩।

[5]. মুসলিম হা/১৩৪৮।

[6]. আহমাদ, ইবনু মাজাহ হা/৮১; সিলসিলা ছহীহাহ হা/৬৬১; মিশকাত হা/২৬০১।

[7]. তিরমিযী হা/২৮৩৭; মিশকাত হা/২৫৯৮, সনদ ছহীহ।

[8]. ইবনে আব্দুল বার্র, আত-তামহীদ।

[9]. ইমাম খাত্ত্বাবী, শান আদ-দো‘আ, পৃঃ ২০৬।

31/08/2017

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত;
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি আমার এই দ্বীনে (নিজের পক্ষ থেকে) কোন নতুন কথা উদ্ভাবন করল---যা তার মধ্যে নেই, তা প্রত্যাখ্যানযোগ্য।”
(বুখারী ২৬৯৭, মুসলিম ৪৫৮৯নং)

26/08/2017

ঈদুল আযহার তাকবীর যিলহজ্জ মাসের শুরু থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত দেয়া শরয়ি বিধি। যেহেতু আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন: “যাতে তারা তাদের কল্যাণের স্থানগুলোতে উপস্থিত হতে পারে। এবং নির্দিষ্ট দিনগুলোতে আল্লাহ্‌র নাম স্মরণ করতে পারে”
[সূরা হজ্জ, আয়াত: ২৮]

‘নির্দিষ্ট দিনগুলো’ হচ্ছে- যিলহজ্জের দশদিন। এবং যেহেতু আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন: : “আর নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনে আল্লাহকে স্মরণ কর...”
[সূরা বাকারা, আয়াত: ২০৩]

এগুলো হচ্ছে- তাশরিকের দিন। এবং যেহেতু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তাশরিকের দিনগুলো হচ্ছে- পানাহার ও আল্লাহ্‌কে স্মরণ করার দিন।”[সহিহ মুসলিম। ]

আর ইমাম বুখারী তাঁর সহিহ গ্রন্থে ইবনে উমর (রাঃ) ও আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে সনদবিহীন (মুয়াল্লাক) আমল উল্লেখ করেছেন যে, “তাঁরা দুইজন যিলহজ্জের দশদিন বাজারে গিয়ে তাকবীর দিতেন। তাদের তাকবীর ধরে লোকেরাও তাকবীর দিত”। উমর বিন খাত্তাব (রাঃ) ও তাঁর ছেলে আব্দুল্লাহ্‌ মীনার দিনগুলোতে মসজিদে ও তাবুতে তাকবীর দিতেন। তাঁরা উচ্চস্বরে তাকবীর দিতেন। এতে করে তাকবীরের শব্দে মীনা প্রকম্পিত হয়ে উঠত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও একদল সাহাবীর আমল বর্ণিত আছে যে, তাঁরা আরাফার দিন ফজরের নামাযের পর থেকে ১৩ ই যিলহজ্জ আসরের নামায পর্যন্ত পাঁচওয়াক্ত নামাযের শেষে তাকবীর দিতেন। এটি হাজি-নন এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। পক্ষান্তরে, হাজীসাহেব ইহরাম করার পর থেকে ঈদের দিন জমরাতে আকাবাতে কংকর নিক্ষেপ করা পর্যন্ত তালবিয়া পড়ায় মশগুল থাকবেন। এরপর তাকবীর দেয়ায় মশগুল হবেন। উল্লেখিত জমরাতে প্রথম কংকরটি নিক্ষেপ করার সময় থেকে তিনি তাকবীর দেয়া শুরু করবেন। যদি তাকবীর বলার সাথে তালবিয়াও বলেন তাতে কোন অসুবিধা নেই। যেহেতু আনাস (রাঃ) এর উক্তি হচ্ছে: “আরাফার দিন কেউ তালবিয়া দিত; আর কেউ তাকবীর দিত; কাউকে বারণ করা হত না”।[সহিহ বুখারী]

তবে, উল্লেখিত দিনগুলোতে মুহরিম ব্যক্তির জন্য তালবিয়া পড়া উত্তম। আর হালাল ব্যক্তির জন্য তাকবীর বলা উত্তম।

এ আলোচনার ভিত্তিতে জানা যায় যে, আলেমদের বিশুদ্ধ মতানুযায়ী সাধারণ তাকবীর ও বিশেষ তাকবীর যিলহজ্জের পাঁচদিন একত্রিত হয়ে যায়। এ পাঁচদিন হল: আরাফার দিন, ঈদের দিন ও তাশরিকের তিনদিন। আর যিলহজ্জের ৮ তারিখ থেকে ১ তারিখ পর্যন্ত সময়ে যে তাকবীর দেয়া হয় সেটা ইতিপূর্বে উল্লেখিত আয়াত ও আছার এর ভিত্তিতে সাধারণ তাকবীর; বিশেষ তাকবীর নয়। মুসনাদে আহমাদ গ্রন্থে ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: “আল্লাহর কাছে এ দশদিনের চেয়ে অধিক মহান ও আমল করার জন্য অধিক প্রিয় আর কোন দিন নেই। সুতরাং তোমরা এ দিনগুলোতে বেশি বেশি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার ও আলহামদুলিল্লাহ পড়” কিংবা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেভাবে বলেছেন।

শাইখ বিন বায এর ‘মাজমুউ ফাতাওয়া ওয়া মাকালাত মুতানাউয়্যিআ’ খণ্ড- ১৩ ও পৃষ্ঠা-১৭

23/08/2017

‘মুমিনের বিষয়টি আশ্চর্য জনক, তার প্রত্যেকটি বিষয় কল্যাণকর, এটা মুমিন ব্যতীত অন্য কারো ভাগ্যে নেই, যদি তাকে কল্যাণ স্পর্শ করে, আল্লাহর শোকর আদায় করে, এটা তার জন্য কল্যাণকর, আর যদি তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে, ধৈর্য ধারণ করে, এটাও তার জন্য কল্যাণকর’।
[মুসলিম :৫৩২২]

23/08/2017

কুরবানীদাতার জন্য জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার পর থেকে কুরবানী করা পর্যন্ত স্বীয় চুল ও নখ কাটা নিষেধ। এটা রাসুল (ﷺ) এর নির্দেশ। উম্মে সালামাহ (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুল ﷺ বলেছেন,
إِذَا دَخَلَتِ الْعَشْرُ وَأَرَادَ أَحَدُكُمْ أَنْ يُضَحِّيَ فَلاَ يَمَسَّ مِنْ شَعَرِهِ وَبَشَرِهِ شَيْئًا ‏
-তোমাদের মাঝে যে কুরবানী করার ইচ্ছে করে সে যেন যিলহজ মাসের চাঁদ দেখার পর থেকে চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।
[মুসলীম হা/৫০১১-৫০১৫]

স্মরণ রাখতে হবে যে, যিনি কুরবানী দেবেন, কেবল তিনিই যিলহজ্জ মাসের চাঁদ উঠার পর হতে কুরবানীর পশু জবাই করা পর্যন্ত নিজের চুল, গোঁফ, নখ কিছুই কাটবেন না। যদি ভুলে কেটে ফেলেন তাহলে এর জন্য তাওবা এবং ইস্তেগফার করতে হবে, কোন কাফফারা দিতে হবেনা। পরিবারের অন্য সবাই কাটতে পারবে। পরিবারের সবাইকে চুল, নখ কাটা হতে বিরত থাকতে হবে -এমন ধারণা ভুল। এমনকি এই ১০ দিন কোরবানীদাতা হাস/মুরগী জবাহ করতে পারবে না –এ ধারনাও ভুল!

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka