বইয়ের ফেরিওয়ালা - Boier Feriwala

বইয়ের ফেরিওয়ালা - Boier Feriwala

Share

মেধা ও মননে অগ্রগণ্য সচেতন পাঠক সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে!

26/06/2025

আহমদ ছফা চিরকুমার ছিলেন একথা সবাই জানে। কিন্তু আহমদ ছফা মুগ্ধ ছিলেন একজনের প্রেমে। রীতিমতো জীবন-মরণ প্রেম। ছফা বরাবরই ভাস্কর শামীম শিকদারের প্রতি তাঁর দূর্বলতার কথা বলেছেন।

তাঁর আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস "অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী" তে তা উঠে এসেছে। যেখানে শামীম শিকদারের চিত্র ছফা এঁকেছেন "দূরদানা" চরিত্রে। শামীম শিকদার ছিলেন ছফার প্রথম প্রেমিকা। এই প্রেমটা অনেকাংশে ছিলো একপাক্ষিক‌‌।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসার পর অনেকটা নিরাশ্রয় হয়ে পড়েন ছফা। ছিলেন অন্যের আশ্রয়ে‌। আজ এখানে তো কাল ওখানে। কিছু পত্রিকায় অনুবাদের কাজ করতেন, আর প্রুফ রিডারের কাজ। তাও একবারে স্বল্প। তিনবার প্রুফ দেখার পর প্রতি ফর্মা প্রতি দেয়া হতো মাত্র সাড়ে তিন আনা‌।

জীবনের এই কঠিন বাস্তবতা, ছফা তা অনুভব করেছেন বারেবারে। এরই মধ্যে ছফার একটি বাজে দোষ ছিলো। যদিও তাঁর জীবনের প্রতি একধরনের বিতৃষ্ণা জন্মেছিলো তখন। যে মেয়ের সাথেই কথা হতো, ক'দিন বাদে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসতেন তাঁকেই। এতে ঐ মেয়েরা খুব বিব্রত বোধ করতেন, অপমানিত হতেন‌। আবার তিনি নিজে উল্টো বলে বেড়াতেন মালেকা বেগম, সুরাইয়া খানম, শামীম শিকদার আমাকে বিয়ে করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তখন বিয়ে করার জন্য অনেকটা পাগলের মতো হয়ে গিয়েছিলেন ছফা। তাঁর নারী সান্নিধ্যের ভীষণ প্রয়োজন ও ছিলো। ছিলো একটু খানি দিনশেষে আশ্রয়ের প্রয়োজন।

কিন্তু ছফার এই আচরণে মেয়েরা ভীষণ বিরক্ত ও অপমানিত। অনেকেই তাঁকে দেখলে এড়িয়ে চলতো। কিন্তু তাঁর সঙ্গ ছাড়লেননা শামীম শিকদার। শামীম শিকদার ছিলেন বিখ্যাত ছাত্রনেতা সিরাজ শিকদারের বোন। ভীষণ বেপরোয়া স্বভাবের ছিলেন শামীম শিকদার। কারো ধার ধারেন না। অনেকেই বলতো "পান্ডা শামীম।"

একদিন ছফা শামীম শিকদারকে নিয়ে গেলেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের বাড়িতে। ঘরে ঢুকতেই ছফার সঙ্গে শামীম শিকদারকে দেখে আবুল কাসেম ফজলুল হক জিজ্ঞেস করলেন, 'কেন এসেছো?'
ছফা বললেন, 'আমরা বিয়ে করবো। শামীম আমাকে বিয়ে করতে চায়; বিয়ে করার জন্য এসেছি।'

ভীষণ আশ্চর্য হয়ে আবুল কাসেম ফজলুল হক বললেন, 'তো আমার এখানে কেন? আমার কি প্রয়োজন?'
ছফা বললেন, 'আপনাকে লাগবে বলেই তো এসেছি। আমার ঢাকায় থাকার জায়গা নেই। বিয়ের পরে আপনার এখানে থাকবো।'

আবুল কাসেম ফজলুল হক মেনে নিলেন। তিনি তাঁর বাড়ির একটি ঘর এক মাসের জন্য ছফার জন্য ছেড়ে দিতে তৈরী। কিন্তু শর্ত একটাই। ছফা বললেন, 'আবার কি শর্ত?'
আবুল কাসেম ফজলুল হক বললেন, 'আগে বিয়ে রেজিস্ট্রি হবে। কাজী ডেকে আনুন। তারপর থাকা- খাওয়া।'

আহমদ ছফা চলে গেলেন কাজী আনতে। এরই মধ্যে শামীম শিকদার বললেন, আমি উঠছি। বিস্ময়ের চোখে ফজলুল হক জিজ্ঞেস করলেন তবে বিয়ে কখন? ছফা তো কাজী আনতে গেল‌।
শামীম শিকদার কোন প্রকার ভণিতা না করেই বললেন, 'বিষয়টা আমি মজা করেছি। ওর সাথে স্রেফ মজা করলাম। ছফার সাথে বিয়ে করা যায় নাকি!! আর ওসব বিয়ে সংসারে আমার পোষাবে না। তিনি সবাইকে বলে বেড়ান আমি নাকি তাঁকে বিয়ে করার জন্য পাগল। আদতে যতোসব ফালতু কথা। আর উনার ব্যক্তিত্ব বলতে কিছু আছে কিনা আমার সন্দেহ। যাকেই দেখেন তাঁকেই বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন।'

ফিরে এসে শামীম শিকদারকে না পেয়ে আবুল কাসেম ফজলুল হকের মুখে আদ্যোপান্ত শুনে ছফা যে আঘাতটি পেয়েছিলেন তা বাকি জীবনে ভুলতে পারেননি। আর কখনো বিয়ে বা প্রেমের চিন্তাও মাথায় আনেননি। তবে তাঁদের বন্ধুত্ব আজীবন ই ছিলো।

কবি অসীম সাহা স্মৃতিকথায় লিখেছিলেন
'একদিন সন্ধ্যায় ছফা ভাইয়ের ওখানে যেতেই তিনি আমাকে বললেন, চল অসীম, শামীমের ওখানে যাই। আন্তর্জাতিক ছাত্রাবাসের পূর্বদিক দিয়ে তখন আর্ট কলেজে যাবার রাস্তা ছিল। আমরা বেরিয়ে পড়ি। হাঁটার এক ফাঁকে ছফা ভাই আমাকে হঠাৎ করেই বলে ফেললেন, বুঝলে অসীম, আমি বোধহয় শামীমকে ভালবেসে ফেলেছি। আমি বললাম, ভাল কথা। তিনি সঙ্গে সঙ্গে বললেন, না না, কিন্তু ওকে আমি বিয়ে করব না। আমি বললাম, কেন? তিনি বললেন, ও আমাকে মেরে ফেলবে।' (ছফা, স্মা., পৃ. ৮৫)

ছবি: আহমদ ছফা ও শামীম শিকদার।

কার্টেসি: আহমাদ ইশতিয়াক/ বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি

17/06/2025

ইরানি প্রবাদ
O
যখন একটি গাছ ভেঙে পড়ে, সবাই সেই শব্দ শুনতে পায়; কিন্তু, একটি গাছ বেড়ে ওঠার শব্দ কেউ শুনতে পায় না।

O
সাপ ধরতে ব্যবহার করো তোমার শত্রুর হাত।

O
যখন মোক্ষম সময় আসে, শিকারই শিকারী হয়ে ওঠে।

O
একই সাথে খোদা ও খেজুর চেয়ো না।

O
যতো দূর দেখা যায়, ততো দূর যাও; তারপর আরো দূরে দেখতে পাবে।

O
সাপ যখন বৃদ্ধ হয়ে যায়, ব্যাঙও উপহাস করে।

O
যদি তুমি অন্ধের শহরে প্রবেশ করো, নিজের চোখ ঢেকে নিয়ো।

O
সত্যিকারের কবর তো মাটিতে নয়, থাকে মানুষের বুকে।

O
পড়শির মুরগিকে সবসময়ই রাজহাঁস মনে হয়।

O
জ্ঞানী লোক সবসময় বসে থাকে নিজের গালিচার ছিদ্র হয়ে যাওয়া জায়গাটায়।

O
যখন দুর্ভাগ্য আসে, এমনকি মোরব্বা খেতেও তোমার দাঁত ভেঙে যেতে পারে।

~~অনুবাদ: হিজল জোবায়ের

10/06/2025

"দুই মিনিটে গল্প শেষ নয়, গল্প পড়ার আগ্রহ তৈরি!"

গল্পের আসরে একটি গল্প পড়ার জন্য উৎসাহিত করা হবে। দারুণ দারুণ সব গল্প আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে। স্বল্প সময় গল্প পড়তে ভিডিও দেখে সিদ্ধান্ত নিন। আজকের গল্প বুদ্ধদেব বসু'র "আমরা তিনজন"। যারা গল্পটি পড়েছেন তারা নতুনদের জন্য অনুভূতি জানাতে পারেন, আর যারা ভিডিও দেখার পর পড়বেন তারা অবশ্যই পড়া শেষে অনুভূতি জানাতে ভুলবেন না।
ধন্যবাদ! 😍

08/06/2025

“ইকিগাই” (Ikigai) বইটি জাপানি জীবনদর্শনের উপর ভিত্তি করে রচিত, যেখানে জীবনের উদ্দেশ্য খোঁজার কথা বলা হয়েছে। হেক্টর গার্সিয়া ও ফ্রান্সেসক মিরালেস বইটিতে ব্যাখ্যা করেছেন কীভাবে দীর্ঘায়ু ও আনন্দময় জীবন যাপন সম্ভব। নিচে “ইকিগাই” বই থেকে শেখা ১০টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ যা সকলের পড়া উচিতঃ



✅ ১. আপনার ইকিগাই খুঁজে বের করুন

আপনার এমন একটি উদ্দেশ্য খুঁজুন যা আপনি ভালোবাসেন, যা আপনি করতে পারেন, যা অন্যদের উপকারে আসে এবং যার জন্য আপনাকে পারিশ্রমিকও দেয়া যায়।



✅ ২. সবসময় সক্রিয় থাকুন, অবসর গ্রহণ করবেন না

জীবনে লক্ষ্য ও ব্যস্ততা থাকা দীর্ঘায়ু ও মানসিক শান্তির জন্য জরুরি। যারা অবসর গ্রহণ করে পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে, তারা দ্রুত বার্ধক্যের শিকার হয়।



✅ ৩. ধীরে ধীরে জীবন উপভোগ করুন

তাড়াহুড়ো না করে ধীরে চলুন। প্রত্যেক মুহূর্তে আনন্দ খুঁজুন, কারণ জীবনের সৌন্দর্য ছোট ছোট মুহূর্তেই লুকিয়ে থাকে।



✅ ৪. অতিরিক্ত না খেয়ে হারা হাচি বুও নীতি অনুসরণ করুন

জাপানি “হারা হাচি বুও” নীতিতে বলা হয়—পেটের ৮০% পূর্ণ হলে খাওয়া বন্ধ করুন। এটি স্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু বজায় রাখে।



✅ ৫. আপনার শরীর সচল রাখুন

দৈনিক কিছুটা হলেও শরীরচর্চা করুন – হাঁটা, কাজ করা, বা যোগব্যায়াম। এটি শরীর ও মন দুটোই ভালো রাখে।



✅ ৬. সক্রিয় সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তুলুন

বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখুন। ভালো সম্পর্ক মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।



✅ ৭. সবসময় হাসিখুশি থাকুন ও ইতিবাচক ভাবুন

ইতিবাচক মনোভাব আপনাকে চাপ ও হতাশা থেকে দূরে রাখে, এবং জীবনের প্রতি ভালোবাসা বাড়ায়।



✅ ৮. প্রাকৃতিক নিয়ম মেনে চলুন

নিয়মিত ঘুম, পর্যাপ্ত বিশ্রাম, সূর্যরশ্মি গ্রহণ – এগুলো শরীরের প্রাকৃতিক ছন্দ বজায় রাখতে সাহায্য করে।



✅ ৯. মনোযোগ দিয়ে কাজ করুন (Flow অবস্থায় থাকুন)

আপনি যখন কোনো কাজে সম্পূর্ণ মনোযোগ দেন, তখন “flow” অবস্থা তৈরি হয়—এটি আত্মতৃপ্তি ও সুখের অন্যতম উৎস।



✅ ১০. দেনা-পাওয়ার ভারসাম্য রক্ষা করুন

জীবনে শুধু নেওয়ার চিন্তা না করে দেওয়ার মানসিকতা গড়ে তুলুন। সহানুভূতি ও ভালোবাসা অন্যদের দেওয়া মানে নিজেকেও সমৃদ্ধ করা।

______

হ্যাপি রিডিং 🌸

@ kaniz fatema koly

07/06/2025

বাবারা কি সুপারম্যান?

গাইবান্ধার মোহাম্মদ রাজুকে দেখলে তাই মনে হবে। ছেলে রেজোয়ানের জন্য শখ করে নিজের কষ্টের টাকা জমিয়ে কিনেছিলেন একটা সাইকেল।

এই সাইকেল ঢাকা থেকে গাইবান্ধা নিয়ে যেতে বাসভাড়া চাইলো ২০০০ টাকা। কিন্তু তার পকেটে আছে মাত্র ২২০০ টাকা।

বাড়িতে পরিবার তার পথ চেয়ে বসে আছে। ২০০০ টাকা বাস ভাড়া দিয়ে শূন্য হাতে বাড়ি ফিরলে ঈদে খরচ করার মত কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না পরিবারের জন্য।

অগত্যা সুপারম্যান এই বাবা ছুটলেন ছেলের জন্য কেনা সাইকেলে চেপেই। গন্তব্য গাইবান্ধা, দূরত্ব ২৫০ কি.মি.-র বেশি।

একবার ভাবেন, সাইকেল প্যাডেল করতে করতে ঢাকা থেকে গাইবান্ধা যেতে কী পরিমাণ কষ্ট হতে পারে! কিন্তু সন্তান আর পরিবারের কথা ভেবে মোহাম্মদ রাজু এই অপরিসীম কষ্ট মাথা পেতে নিয়েছিলেন।

প্রায় ২০০ কি.মি. সাইকেল চালিয়ে যখন তিনি বগুড়ায় পৌঁছান, রাস্তায় থাকা সেনাবাহিনী তাকে তল্লাশির জন্য আটকায়।

এরপরই তারা জানতে পারে এই মর্মস্পর্শী ঘটনা। মোহাম্মদ রাজুর আবেগ ছুঁয়ে যায় সেনা সদস্যদেরকেও। তারা একটি ট্রাকে সাইকেল সহ রাজুকে তুলে দেন। সাথে দিয়ে দেন কিছু খাবারও।

প্রতিদিন শত শত খারাপ খবরের ভিড়ে এমন সারল্যমাখা ভালোবাসার গল্পগুলো যেন শান্তির বাতাস হয়ে ভেসে আসে।

ভালো থাকুক আমাদের সবার বাবা। কারণ-

বাবা তুমি আমার বেঁচে থাকার কারণ
নেই তোমার মত কেউ এতটা আপন...

সূত্র: সময় টিভি

05/06/2025

জীবন যেখানে যেমন!

05/06/2025

সুন্দরবনে সাত বৎসর - বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়। কিশোর উপন্যাস।
আজ পরিবেশ দিবসে এই উপন্যাসটি পড়ার উপযুক্ত সময়। সুন্দরবনে বাঘ শিকার, হরিণ-গণ্ডার শিকার, খালে মাছ ধরা, রাতের আধাঁরে সমুদ্রে জ্যোৎস্না দেখাসহ অসংখ্য রোমাঞ্চকর ঘটনা লেখক বর্ণনা করেছেন। পড়তে পড়তে মনে হবে ডেন আপনিও এসব রোমাঞ্চকর ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী। মাত্র ৬১ পৃষ্ঠার বইটি হাতের কাছে না থাকলে কমেন্ট করুন PDF পেয়ে যাবেন।
#সুন্দরবনেসাতবৎসর #বিভূতিভূষণবন্দোপাধ্যায় #কিশোরউপন্যাস
#সুন্দরবনেসাতবছর #বইয়েরফেরিওয়ালা #বইয়েরবাংলাদেশ

03/06/2025

Sometimes, scrolling through the news feed is good! You might come across some mesmerizing ideas, whether they’re possible or not!

Idea and resources from Nishu pishuuu
Book covers from Goodreads & Rokomari .com

01/06/2025

বাংলা বই দিয়ে এই ঘড়ি বানাতে চাইলে আমার যা যা বই মাথায় এল, বলছি।
এর বাইরে আপনাদের কী কী মনে পড়ছে?

এক যে ছিল মেঘ, অভিনন্দন সরকার
দুই নারী, হাতে তরবারি, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
তিন নম্বর চিঠি, প্রচেত গুপ্ত
চার অধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
পঞ্চতন্ত্র - সৈয়দ মুজতবা আলী
-
সাতকাহন, সমরেশ মজুমদার
আট কুঠুরি নয় দরজা - সমরেশ মজুমদার
-
-
-
বারো ঘর এক উঠোন, জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী

Photos from বইয়ের ফেরিওয়ালা - Boier Feriwala's post 01/06/2025

When girls read books. 🤎

29/05/2025

ঔপন্যাসিক জহির রায়হানের উপন্যাস "হাজার বছর ধরে"। এই উপন্যাসের শেষ বাক্য
"রাত বাড়ছে। হাজার বছরের পুরনো সেই রাত।"

কারণ- মকবুলের জায়গায় বড় কর্তা হয় মন্তু, সুরত আলীর বদলে পুঁথি পড়ে তার বড় ছেলে এবং শান্তশিষ্ট আম্বিয়াও হয়ে যায় ব্যস্ত গৃহিণী। এভাবেই যুগের পর যুগ বাংলার সমাজব্যবস্থা চলে। কাঠামো পরিবর্তনের বদলে ব্যক্তির পরিবর্তন হয়!

বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতিরও একই অবস্থা। এদেশে বিপ্লব হয়, তৈরি হয় অনেক সম্ভাবনা কিন্তু খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিপ্লবটা বেহাত বিপ্লবে পরিণত হয়। এভাবেই বারবার "বিপ্লবের দুষ্টচক্রে পড়ে বাংলাদেশ"।

সজল কুমার

25/05/2025

"ক্ষত সেরে যাওয়ার পর ব্যান্ডেজ তোলার সময়ও তো অস্বস্তি হয় ! হয় না ?"

~সমরেশ মজুমদার (সাতকাহন)

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


University Of Dhaka
Dhaka