Masum Ahamed
Multiple informative textures....
আল্লাহ্ অনেক ধৈর্য্য দান করুক।
Credit ঃ Islamic status
21/04/2023
সৌদি আরবের পর দিন বাংলাদেশে রোজা বা ঈদ এই বাই ডিফল্ট সিস্টেমটা কি ঠিক হবে না!
লুনার পজিশনিং হিসেবে আগামি শনিবার (২২ এপ্রিল ২০২৩) সৌদিআরব সহ বাংলাদেশেও ঈদ।
এখন একই দিনে বাংলাদেশেও চাঁদ উঠে থাকা সত্যেও ধুলি ধোঁয়া ও মেঘের দোহাই দিয়ে আকাশ পরিষ্কার না থাকা সাপেক্ষে বা আমরা চিরাচরিত ঘাড়তেরামি করে ওইদিনও রোজা রেখে পরের দিন রবিবার বাংলাদেশে ঈদ করি, তাইলে সত্যিকারের ঈদের দিনে রোজা রাখা হারাম হয়ে যাবে না!!
আমার মনে হয় বিজ্ঞানের এইযুগে টাকা দিয়ে অদক্ষ চাঁদ দেখা কমিটি বা অকর্মণ্য ফাউন্ডেশন পোষা লাগে না, একটু জ্ঞান বুদ্ধি থাকলেই হয়।
নিচে লুনার ক্রিসেন্ট ভিজিবিলিটি ম্যাপ এর ছবি সংযুক্ত করে দিলাম, ভালো ভাবে জেনে ও বুঝে নিতে পারেন।
* ডিসক্লেইমার: আমি জ্যোতির্বিদ বা ইসলামী নিয়ম কানুন নিয়ে খুব পড়াশুনা করা কেউ নই। কোন ফিতনা ছড়ানো বা কারো অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার আমার কোনো ইচ্ছা নাই। আমার সাধারণ মাথায় যেটা ঠিক মনে হয়েছে তাই একটু পড়াশুনা আর ঘাটাঘাটি করে শেয়ার করেছি।
* পরবর্তী সংযুক্তি: আমি সবসময় সারাবিশ্বে একদিনেই রোজা বা ঈদ হতে হবে তা বলিনি! টাইম ডিফারেন্স বা সূর্য ও চাঁদের অবস্থান অনুসারে একই সময়ে তা হওয়াও পসিবল না। আলোচ্য লুনার পজিশনিং হচ্ছে কোন এলাকা থেকে কখন চাঁদ কিভাবে কতটুকু দেখা যাবে তার এঙ্গেল হিসেব করে একটা পসিবল ম্যাপিং।
এখন আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্যও ধরে রাখতে সমস্যা নেই, কিন্তু কোন বছর যদি একইদিনে হওয়ার পসিবিলিটি থাকে তা কি আমরা অন্তত ভালোমানের একটা টেলিস্কোপ ব্যাবহার করেও নিশ্চিত হতে পারি না? নাকি আমাদের এলাকায় আগের দিন চাঁদ উকি দিয়ে গেলেও, আমি খালি চোখে কিচ্ছু দেখিনি বা ১ দিন পরে ছাড়া দেখবোনা বলে চোখ বন্ধ করে চিরায়ত নিয়ম আঁকড়ে ধরেই থাকবো!
*ঈদের দিন রয়েছে ১৩ টি সুন্নত।*
১। অন্যদিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া।
[বায়হাকী, হাদীস নং-৬১২৬]
২। মিসওয়াক করা।
[তাবয়ীনুল হাকায়েক-১/৫৩৮]
৩। গোসল করা।
[ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৩১৫]
৪। শরীয়তসম্মত সাজসজ্জা করা।
[বুখারী, হাদীস নং-৯৪৮]
৫। সামর্থ্য অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা।
[বুখারী, হাদীস নং-৯৪৮, মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং -৭৫৬০]
৬। সুগন্ধি ব্যবহার করা।
[মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং-৭৫৬০]
৭। ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার আগে মিষ্টি জাতীয় যেমন খেজুর ইত্যাদি খাওয়া। তবে ঈদুল আযহাতে কিছু না খেয়ে ঈদের নামাযের পর নিজের কুরবানীর গোশত আহার করা উত্তম।
[বুখারী, হাদীস নং-৯৫৩, তিরমিজী, হাদীস নং-৫৪২, সুনানে দারেমী, হাদীস নং-১৬০৩]
৮। সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া।
[আবু দাউদ, হাদীস নং-১১৫৭]
৯। ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে সদকায়ে ফিতর আদায় করা।
[দারাকুতনী, হাদীস নং-১৬৯৪]
১০। ঈদের নামায ঈদগাহে আদায় করা, বিনা অপরাগতায় মসজিদে আদায় না করা।
[বুখারী, হাদীস নং-৯৫৬, আবু দাউদ, হাদীস নং-১১৫৮]
১১। যে রাস্তায় ঈদগাহে যাবে, সম্ভব হলে ফিরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফিরা।
[বুখারী, হাদীস নং-৯৮৬]
১২। পায়ে হেঁটে যাওয়া।
[আবু দাউদ, হাদীস নং-১১৪৩]
১৩। ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার সময় আস্তে আস্তে এই তাকবীর পড়তে থাকাঃ
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
বাংলায়: আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবর লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
তবে ঈদুল আযহায় যাবার সময় পথে এ তাকবীর আওয়াজ করে পড়তে থাকবেন।
[মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং-১১০৫]
আল্লাহ তায়ালা আমাদের উক্ত সুন্নতগুলোর উপর আমল করার তৌফিক দান করুন। (আমীন)
Copied এন্ড Collected
15/04/2023
03/04/2023
-সতর্কবার্তা
আমরা প্রায়ই দেখে থাকি ফেসবুকে রমজানের ৩০টি সাওমের ৩০টি ফজিলতের পোস্ট। কিন্তু সত্যি হলো যে এগুলো সম্পুর্ন রূপে মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন। এসব ফজিলত এর কোন রেফারেন্স নেই। আফসোস আমাদের মধ্যে অনেকেই এগুলো যাচাই-বাছাই না করে বিশ্বাস করছে এবং অন্যের মাঝে শেয়ার করছে। এভাবে মিথ্যা প্রচারের শাস্তি ভয়াবহ!
নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তোমরা আমার উপর মিথ্যারোপ করো না। কারন আমার উপর যে মিথ্যারোপ করবে সে জাহান্নামে যাবে।
(সহিহ বুখারী, হাদিস নং-১০৬)
Servant Of Allah
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka