New Holy Child Public School

New Holy Child Public School

Share

Best School of Dhaka

Photos from New Holy Child Public School's post 04/02/2018

নিউ হলি চাইল্ড পাবলিক স্কুল
১৮তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান-২০১৮
বিজয়ী ছাত্র/ছাত্রী বৃন্দ

Photos from New Holy Child Public School's post 02/02/2018

১৮তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান-২০১৮
নিউ হলি চাইল্ড পাবলিক স্কুল।

Photos from New Holy Child Public School's post 27/01/2018

নিউ হলি চাইল্ড পাবলিক স্কুল এর বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান - ২০১৮

21/01/2018

সবকিছু ক্রমশ পরিবর্তন হচ্ছে। পরিবর্তন হচ্ছে লেখা-পড়ার নিয়ম নীতি। আমরা দ্রুত উন্নত থেকে আরো উন্নত জাতিতে রুপান্তরিত হচ্ছি। নিউ হলি চাইল্ড পাবলিক স্কুলও সে ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। ঢাকা দক্ষিণের এক মাত্র মালটিমিডিয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে নিউ হলি চাইল্ড পাবলিক স্কুল। আমরা যেমনি ভাবে ক্রমশ প্রযুক্তিকে পরিপূর্ণ ভাবে ব্যবহার করতে শিখছি ঠিক তেমনি ভাবে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গ্রন্থাগারের গুরুত্বও দিচ্ছি সমান ভাবে। পরিবর্তনের এই প্রবাহের মধ্যে আমরা আমাদের ইচ্ছাশক্তি, চিন্তাশক্তি ও শ্রমশক্তি খাটিয়ে পরিবর্তনকে সার্বজনীন কল্যাণে রূপ দিতে পারি। সহজ কথায় এই মানবীয় কাজকেই প্রগতি বলতে পারি। এই প্রগতি আমাদের ব্যক্তিগত, সম্মিলিত ও জাতীয় জীবনের লক্ষ্য হওয়া উচিত। আমাদের উপলব্ধি করতে হবে যে, আমাদের পথ প্রগতির পথ। প্রগতির পথ অনুসরণ করতেই আমাদের আবশ্যক অতীত ও বর্তমান বিষয়ক জ্ঞান অর্জন করা। জ্ঞান অর্জনের জন্য বই পড়া বা গ্রন্থাগারে যাওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। ইংরেজিতে একটি কথা আছে - Education is the backbone of a nation. মেরুদন্ড ছাড়া যেমন কোন মানুষ চলতে পারে না, তদ্রুপ শিক্ষা ব্যতীত কোন জাতি মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট যে শিক্ষা তা হল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা। আর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সফলতার সহায়ক ও গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হল গ্রন্থাগার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গ্রন্থাগারকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের হৃৎপিন্ড বলে অভিহিত করা হয়। সভ্যতা ও সংস্কৃতির আদিগন্ত পর্যালোচনা করলে লক্ষ্য করা যায়, মানুষ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছে তার অনুভূতি, ভাবনা-চিন্তা, অভিজ্ঞতা ইত্যাদি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য লিপিবদ্ধ করে রাখতে। আর এই লিপিবদ্ধ করে রাখার উদ্দেশ্য হলো যোগাযোগের মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে মানুষের, সমাজের সঙ্গে সমাজের, অতীতের সঙ্গে বর্তমানের ভবিষ্যতের নিবিড় যোগসূত্র স্থাপন করা। সভ্যতার আদি থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত হাজার হাজার বছর ধরে কালের প্রবহমান ধারায় মানব সভ্যতা ও সংস্কৃতির ক্রমবিকাশের বিচিত্র ও সমৃদ্ধি গতিপথে বহু পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। মানুষের পাঠ-চাহিদা মিটানোর জন্য বিচিত্র উপাদান সংগ্রহ, সংগঠন ও সংরক্ষণের এ মহান কাজটি সম্পাদন করার তাগিদেই প্রয়োজন হয়েছে গ্রন্থাগারের।

Photos from New Holy Child Public School's post 11/01/2018

নিউ হলি চাইল্ড পাবলিক স্কুলে ডিজিটাল ক্লাশ রুমে ১০ম শ্রেণির ছাত্রীদেরকে আইসিটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

11/01/2018
Photos from New Holy Child Public School's post 09/01/2018

যাত্রাবাড়ি এবং ডেমরার মধ্যে অন্যতম স্কুল নিউ হলি চাইল্ড পাবলিক স্কুল। সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমি স্কুল হিসেবে অতি দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি ক্লাস নেওয়া হয় প্রজেক্টরের মাধ্যমে। আর মুখস্থ্য বিদ্যানয়। নিজের মেধাকে বিকোশিত করার জন্য প্রয়োজন কালপোনিক শক্তি। যে শক্তি দ্বারা বাচ্চারা অতিদ্রুত শিক্ষা অর্জনে সক্ষম হবে এবং লেখাপড়া করবে মনের আনন্দে। আপনার সন্তানকে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করুন। দেশ ও জাতির কল্যানে এগিয়ে আসুন।

Photos from New Holy Child Public School's post 07/01/2018

শ্রেণিপাঠদানের কথা ভাবলেই আমাদের মানসপটে ভেসে উঠে একহাতে চক আরেক হাতে ডাস্টার নিয়ে পাঠদানে ব্যস্ত একজন শিক্ষকের ছবি। যাঁর সামনে বসে আছে একদল শিক্ষার্থী;তাদের কেউ কেউ শিক্ষকের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছে, কেউবা শুনছেনা। আবার কেউ কিছু না বুঝে শিক্ষকের দিকে উদাস দৃষ্টিতে চেয়ে আছে, কেউবা নিজের মত ব্যস্ত, যাকে কিনা শিক্ষক কোনভাবেই তাঁর পাঠে ফিরিয়ে আনতে পারছেন না। অক্লান্ত পরিশ্রম করেও শিক্ষক তাঁর সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে হিমশিম খাচ্ছেন। দিনের পর দিন শ্রেণিকক্ষের এই দৃশ্য মঞ্চায়ন হয়ে আসছে বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে। না পারছেন শিক্ষক তাঁর গন্তব্যে পৌঁছাতে, না পারছে শিক্ষার্থীরা তাদের পাঠকে আনন্দের সাথে আয়ত্ত করতে। ফলে শিক্ষার্থীরা না বুঝেই মুখস্ত করছে অথবা দ্বারস্থ হচ্ছে কোচিং সেন্টার বা প্রাইভেট শিক্ষকের।

একঘেয়ে এই সনাতন পদ্ধতির পরিবর্তন করতে এবং শিক্ষার্থীদের ২১ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম করে গড়ে তুলতে যাত্রাবাড়ি এবং ডেমরার মধ্যে এক মাত্র প্রতিষ্ঠান নিউ হলি চাইল্ড পাবলিক স্কুল বর্তমানে মাল্টিমিডিয়াতে প্রবেশ করেছে।

নিউ হলি চাইল্ড পাবলিক স্কুল মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে কিভাবে গড়ে তুলবে সে বিষয়ে নিম্নে বিস্তারিত আলাপ করা হলোঃ

মাল্টিমিডিয়া ক্লাশরুম এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে বর্তমান শ্রেণিকক্ষের আমুল পরিবর্তন না করে একটি ইন্টারনেট সংযোগসহ ল্যাপটপ/ডেস্কটপ কম্পিউটার, সাউন্ড সিস্টেম এবংএকটি মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর এর পাশাপাশি প্রচলিত উপকরণ যেমন: চক, ডাস্টার প্রভৃতির বিদ্যমান। শ্রেণি কার্যক্রমকে আরও আকর্ষণীয়, আনন্দময় ও কার্যকর করার জন্য শিক্ষক প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পাঠ্যাংশ টুকু মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উপস্থাপন করবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইন্টারনেট সার্চ করে শিক্ষার্থীর পাঠ সংশ্লিষ্ঠ প্রশ্নের কৌতুহল মেটাবেন।

মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনের প্রতিটি স্লাইড বা কনটেন্ট হবে চিন্তা উদ্রেককারী (Thought Provoking) এগুলোকে আমরা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট বলতে পারি। মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টে থাকতে পারে বিষয় সংশ্লিষ্ট কিছু লেখা, ছবি, গ্রাফ, চার্ট, মানচিত্র, তথ্যচিত্র, ক্ষুদ্রচিত্র, এ্যানিমেশন, শব্দ এবং ভিডিও অথবা এগুলোর সমন্বয়। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে কোন বিমূর্ত, কঠিন বা দুর্লভ বিষয়বস্তুকে সহজ, বোধগম্য, আনন্দদায়ক ও আকর্ষণীয় করে শিক্ষার্থীর চাহিদা অনুযায়ী পাঠ উপস্থাপন করা। যার মাধ্যমে পাঠটি শিক্ষার্থীর মানসপটে মূর্ত বা বাস্তব হয়ে উঠে।শ্রেণিতে মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টের ব্যবহার করলে যেমন গণিত কিংবা বিজ্ঞানের জটিল সব বিষয় শিক্ষার্থীদের কাছে আরো সহজ ও প্রাঞ্জল হয়ে উঠবে তেমনি বিমূর্ত সব বিষয়গুলো সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা পরিষ্কার ধারণা অর্জনে সক্ষম হবে।

মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও কল্পনাশক্তির প্রসার ঘটাতে সক্ষম। মাল্টিমিডিয়া ক্লাশরুম একীভূত শিক্ষা বাস্তবায়নে সহায়ক। কারণ এই মাধ্যমে একইসাথে বিভিন্ন ধরণের চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থী তাদের নিজেদের মত করে শিখন চাহিদা পূরণ করে। অন্যদিকে গ্রাম ও শহরের শিক্ষার্থীদের মধ্যকার ডিজিটাল বৈষম্য এবং শিক্ষা বৈষম্য কমিয়ে আনতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাশরুম বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় নিঃসন্দেহে এক নবতর সংযোজন। ধনী-গরীব, গোষ্ঠী-বর্ণ, উচু-নিচু নির্বিশেষে সকলের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে
নিউ হলি চাইল্ড পাবলিক স্কুল মাল্টিমিডিয়া ক্লাশরুম সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

মাল্টিমিডিয়া ক্লাশরুমের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে পাঠে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা, মনোযোগ বৃদ্ধি করা এবং শ্রেণি কার্যক্রমে তাদের আরো সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে আনন্দঘন পরিবেশে শিখন নিশ্চিত করা। মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে পাঠ উপস্থাপন একদিকে শিক্ষার্থীদের শিখনকে অধিকতর কার্যকরী এবং আনন্দদায়ক করে অন্যদিকে শিক্ষক নিজেও পাঠদান করতে উত্সাহ বোধ করেন। তবে শিক্ষককে একথা মনে রাখতে হবে যে, মাল্টিমিডিয়া পাঠদানের একটি কৌশল মাত্র। তিনি যেন এর দ্বারা চালিত না হয়ে বা এর উপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজে এটাকে প্রয়োজনমত পরিমিতভাবে ব্যবহার করেন সেদিকে সতর্ক হতে হবে।

ক্লাশরুমের প্রতিটি শিক্ষার্থীই আলাদা, প্রত্যেকের শিখনচাহিদাও আলাদা। একেকজন একেকভাবে শেখে। কেউ দেখে শেখে, কেউ পড়ে শেখে, কেউ শুনে শেখে, কেউ দেখে ও শুনে শেখে, কেউবা আবার হাতে কলমে কাজ করে শিখতে পছন্দ করে। একই শ্রেণিকক্ষে বিভিন্নজনের শিখন চাহিদা পূরণ করা একজন শিক্ষকের জন্য খুবই চ্যালেঞ্জিং। এক্ষেত্রে মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহার শিক্ষককে সহযোগিতা করতে পারে। মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে বিষয় সংশ্লিষ্ট একটি ক্ষুদ্র চিত্র বা ছোট একটি ভিডিও খুব সহজে শিক্ষার্থীর মনোযোগ আকর্ষণ করে। প্রয়োজনে শিক্ষক সহজেই তা পূনরায় দেখাতে পারেন। মাঝে মাঝে ভিডিও থামিয়ে বা ছবি দেখিয়ে ছোট ছোট প্রশ্ন করে শিক্ষার্থীদের গাঠনিক মূল্যায়নের মাধ্যমে বোধগম্যতা পরিমাপ করতে পারেন। সেই সাথে কিছু কিছু বিষয় একক কাজ বা দলীয় কাজ বা হাতে কলমে কাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের করতে দিলে শিখন আরও অনেক বেশি কার্যকর হবে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের না বুঝে মুখস্ত করার প্রবণতা দূর হবে। ক্লাশের পাঠ ক্লাশেই সম্পন্ন হবে ফলে শিক্ষার্থীরা আত্মবিশ্বাসী, নিজের মেধা ও বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে নতুন নতুন চিন্তাচেতনায় নিযুক্ত করতে সক্ষম হবে। কোচিং বা প্রাইভেট শিক্ষক নির্ভরতা একেবারেই কমে যাবে।

সর্বোপরি,মাল্টিমিডিয়া ক্লাশরুম শিক্ষার্থীদের পাঠকে সহজ করে, তাদেরকে পাঠে সম্পৃক্ত করে, সক্রিয় করার মাধ্যমে নাবুঝে পড়ার অভ্যাস, পরীক্ষাভীতি দূর করে আনন্দদায়ক বা সৃজনশীল শিখন নিশ্চিত করে। মাল্টিমিডিয়া ক্লাশরুম শিক্ষার্থীদের কৌতুহলী মনকে নতুন নতুন বিষয়ে আগ্রহী করে, তাদের চিন্তাশক্তিকে উদ্দীপ্ত করে এবং ভাবনার জগত্টাকে প্রসারিত করে। এ ধরনের পাঠদান প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নিজেকে একজন সম্ভাবনাময় পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয় যা মেধাবী জাতি গঠনে অত্যন্ত জরুরী। তবে এজন্য শিক্ষককে অত্যন্ত দক্ষ এবং পারদর্শী হতে হবে। মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনকে কোনভাবেই হাতে-কলমে শিক্ষার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকে সহজবোধ্য ও আকর্ষণীয় করতেই মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহার তবে সেটা যেন পরিমিত ও যথাযথ হয় সেদিকে শিক্ষককে লক্ষ্য রাখতে হবে; তা না হলে শিক্ষার্থীদের নিকট এখনকার এই মাল্টিমিডিয়া ক্লাশরুম একসময় গতানুগতিক ও একঘেয়ে হয়ে উঠবে।

Photos from New Holy Child Public School's post 04/01/2018

নিউ হলি চাইল্ড পাবলিক স্কুল নবীন বরণ অনুষ্ঠান ২০১৮

প্রতি বছরের ন্যয় এই বছরও নিউ হলি চাইল্ড পাবলিক স্কুলের নতুন ছাত্র-ছাত্রীদেরকে স্বাগত জানানোর জন্য উৎযাপিত হলো ‘নবীন বরণ অনুষ্ঠান’। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত পরিচালিকা জাকিয়া সুলতানা এবং প্রধান শিক্ষক মোঃ ইউনুস ফরিদ সহ শিক্ষক - শিক্ষিকা, অভিভাবক বৃন্দ।

Photos 06/02/2014

www.newholychildpublicschool.com
ডেমরা মধ্যে PSC পরিক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করা স্কুল.... নিউ হলি চাইল্ড পাবলিক স্কুল।

Photos 01/02/2014

নিউ হলি চাইল্ড পাবলিক স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ২০১৪ এ গান পরিবেশন করছেন প্লে-বেবীর ছাত্রী

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Dhaka
1362