08/03/2025
আমার ডে-কেয়টা বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছি।তাও আমি আমার এই প্রাপ্তি এই পেইজের সাথে শেয়ার না করে পারছি না।
কারণ এই প্রাপ্তির পুরোটাই নীড়ের অবদান।
আমার ভালোবাসার নীড়।
জানি না আবার কখনো শুরু করতে পারবো কিনা?
সবটুকু চেষ্টা দিয়েই গড়ে তুলতে চেয়েছিলাম।
প্রতিবন্ধকতা সবসময় সবকিছু আগতে দেয় না।
উদ্যোক্তা হিসেবে এ্যাওয়ার্ড ।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস ও সেট অপরাজিতা এ্যাওয়ার্ড ২০২৫।
19/11/2024
আপনার শিশুর নিরাপদ ও স্নেহময় পরিবেশের জন্যই আমাদের ছোট্ট প্রয়াস।
নীড় ডে কেয়ার সেন্টার!
আপনার ব্যস্ত জীবনের মানসিক চাপ কমাতে এবং আপনার শিশুর যত্ন নিশ্চিত করতে আমরা ছোট পরিসরে নিয়ে এসেছি একটি বিশ্বস্ত ও আধুনিক ডে কেয়ার সুবিধা।
🍁আমাদের সেবাসমূহ:
🌱 স্নেহশীল ও প্রশিক্ষিত শিশু যত্ন প্রদানকারী শিশুদের সুষ্ঠু মানসিক ও শারীরিক বিকাশ নিশ্চিত করেন।
🌱 নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ।
🌱 শিশুসংখ্যা কম হওয়ায় প্রতিটি শিশু সমান যত্ন পেয়ে থাকে।
🌱 বয়সভিত্তিক শিক্ষামূলক কার্যক্রম।
🌱 খাবার ও বিশ্রামের সঠিক ব্যবস্থাপনা।
🌱 শিশুদের বিনোদনের জন্য খেলাধুলার সুযোগ।
🌱 ব্রেইন বেইজ গেইম।
🌱 মাসে একদিন আমাদের সাথে শিশুসহ অভিভাবকদের নিয়মিত আয়োজনে অংশগ্রহণের সুযোগ।
🌺সিসিটিভি এক্সেস দেয়া হয়।
সার্বক্ষণিক সিসিটিভি দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
☘️☘️☘️☘️☘️☘️
🍁কার্যক্রমের সময়:
রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার।
প্রতিদিন সকাল ৭.৩০মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিট।
🍁 যোগাযোগ:
🏡ঠিকানা: নীড় ডে-কেয়ার, মহসিন আবাস, বাড়ি নং: ০৯ ( লেভেল ২), রোড নং :১৩ ( পুরাতন ৩০), ধানমণ্ডি, ঢাকা
📞ফোন: ০১৭১৭০৯৯১০৯
আপনার শিশুর যত্নে আমাদের ওপর ভরসা রাখুন। আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ গঠনে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀
এখনই যোগাযোগ করুন!
সিট সংখ্যা সীমিত!
28/10/2024
আমরা সেন্টার বেসড ডে-কেয়ার সম্পর্কে কম বেশি সবাই জানি।
উন্নত দেশে হোম বেসড ডে-কেয়ার পরিচিত কনসেপ্ট হলেও আমাদের দেশে এখনো এতটা পরিচিত হয়ে ওঠে নাই।
যদিও কিছু কিছু জায়গায় বিশেষ করে ব্র্যাক আইইডির সহযোগিতায় এই কনসেপ্ট পরিচিতি পাচ্ছে।
হোম-বেসড ডে কেয়ার হলো এমন একটি শিশু যত্ন কেন্দ্র যা আনুষ্ঠানিক ডে কেয়ার কেন্দ্রের পরিবর্তে দেখাশোনাকারীর/ ডে-কেয়ার পরিচালনাকারীর নিজের বাড়িতে, পারিবারিক পরিবেশে শিশু যত্ন সেবা প্রদান করা হয়।
এখানে অভিজ্ঞ কেয়ারগিভারের মাধ্যমে শিশুর জন্য আনন্দদায়ক এবং পরিচিত পরিবেশ সরবরাহ করা হয়, যেখানে সাধারণত প্রচলিত ডে কেয়ার কেন্দ্রগুলোর তুলনায় কম সংখ্যক শিশু থাকে।
এই ধরনের ডে কেয়ার সেইসব অভিভাবকদের মধ্যে জনপ্রিয়, যারা তাদের সন্তানদের জন্য একটি ঘরোয়া পরিবেশ এবং শিশুর প্রতি সেবাদানকারীর সম্পূর্ণ মনোযোগ পছন্দ করেন।
হোম-বেসড ডে কেয়ারের কিছু সুবিধা :
১. শিশু সংখ্যা কম:
হোম-বেসড ডে কেয়ারে সাধারণত কম সংখ্যক শিশু থাকে, যার ফলে সেবাদানকারী বেশি মনোযোগ এবং যত্ন প্রদান করতে পারেন। কম সংখ্যক শিশুদের নিরাপত্তা এবং সেবার মান নিশ্চিত করা যায়।
২. নমনীয় সময়সূচী:
অনেক হোম-বেসড ডে কেয়ারে প্রচলিত কেন্দ্রগুলোর তুলনায় সময়সূচী নমনীয় হয়। যা ব্যস্ত অভিভাবকদের জন্য সহায়ক হয়।
৩. পরিবারমুখী পরিবেশ:
যেহেতু এই সেবা একটি বাড়িতে পরিবার কেন্দ্রিক হয়, তাই এ পরিবেশের সাথে শিশু নিজের বাড়ির মতোই সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারে। যা ব্যস্ত মা বাবার সাথে ক্ষনিকের দূরত্বে সান্ত্বনা নিয়ে আসে।
তাছাড়া শিশুর ভিতর পরিবারের বিভিন্ন সম্পর্কের প্রতি সম্মান ও মূল্যবোধ তৈরি হয়।
৪. বিভিন্ন বয়সের শিশু:
ছোট পরিসরে কম সংখ্যক কিন্তু বিভিন্ন বয়সের শিশুদের একসাথে যত্ন নেওয়া হয়, যা ছোট শিশুদের বড়দের কাছ থেকে শেখার সুযোগ এবং বড় শিশুদের মধ্যে যত্নশীলতার দক্ষতা বিকাশে সহায়ক হয়।
৫. কম খরচ:
হোম-বেসড ডে কেয়ার সাধারণত বড় ডে কেয়ার কেন্দ্রগুলোর তুলনায় আরও সাশ্রয়ী হয়, যা আমাদের দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে যেকোন পরিবারের জন্য একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।
কিন্তু লক্ষ্য রাখতে হবে যেনো ডে-কেয়ারে অভিজ্ঞ সেবা প্রদানকারী দ্বারা সেবা প্রদান করা হয় এবং নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় থাকে।
6. নিবিড় সম্পর্ক:
শিশুদের খুব কাছ থেকে প্রত্যেককে আলাদা করে পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পান যত্নকারীরা ফলে শিশুর সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
তাছাড়া অভিভাবকরা প্রায়শই যত্নকারীর সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। যিনি তাদের সন্তানের সাথে দীর্ঘমেয়াদি, ব্যক্তিগত সম্পর্ক বজায় রাখতে পারেন।
৭. নিয়মকানুন:
হোম-বেসড ডে কেয়ারেও সেবা প্রদানকারীদের নির্দিষ্ট নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়। যার মধ্যে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা অন্তর্ভুক্ত থাকে।যা শিশুকে নিরাপদ ও সুস্থ থাকতে সহায়তা করে।
যেসব পরিবার আদরের শিশুর জন্য পারিবারিক, নমনীয় পরিবেশে শিশু যত্নের কেন্দ্র খুঁজছেন, তাদের জন্য হোম-বেসড ডে কেয়ার একটি আদর্শ বিকল্প হতে পারে।
তবে, অভিভাবকদের নিশ্চিত করতে হবে যে সেখানে শিশুদের প্রশিক্ষিত সেবাপ্রদানকারীর দ্বারা একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর, যত্নশীল পরিবেশ দেওয়া হয়।।
23/10/2024
শিখনে খেলা" বা "Play-based Learning" হল এমন একটি শিক্ষণ পদ্ধতি যেখানে শিশুদের শিখতে খেলাকে ব্যবহার করা হয়।
শিক্ষাবিদরা বিশ্বাস করেন যে "শিখনে খেলা" পদ্ধতি শিশুদের জন্য একটি প্রাকৃতিক এবং কার্যকর শেখার মাধ্যম। এটি শিশুদের শেখার সঙ্গে তাদের সৃজনশীলতা ও কল্পনাশক্তিকে মিলিত করে, যা দীর্ঘমেয়াদী শেখার জন্য উপকারী।
শিশুদের শেখার প্রক্রিয়ায় খেলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খেলার মাধ্যমে শিশুরা সৃজনশীলতা ও চিন্তাশক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন দক্ষতা অর্জন করে।
শিখনে খেলার গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিক নিচে তুলে ধরা হলো:
১. শেখার পক্রিয়াকে আনন্দময় করে তোলা:
খেলার মাধ্যমে শেখার সময় শিশুরা মজা করে, যা তাদের শেখার ইচ্ছা ও আগ্রহ বাড়িয়ে তোলে। তারা শেখার চাপে থাকে না বরং আনন্দের সাথে বিষয়বস্তু আয়ত্ত করে।
২. প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জন:
খেলার মাধ্যমে শিশুরা সরাসরি বিভিন্ন বিষয় বা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, একটি বয়স ভিত্তিক রোল প্লে খেলার মাধ্যমে শিশুরা বাস্তব জীবনের সমস্যাগুলো কীভাবে সমাধান করতে হয় তার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে যা শিশুর শিখনকে দীর্ঘস্থায়ী করে।
৩. মোটর স্কিলস: বিভিন্ন খেলার মাধ্যমে শিশুরা শারীরিক দক্ষতা যেমন দৌড়ানো, লাফানো, বল ধরা ইত্যাদি শিখে। এতে তাদের শারীরিক শক্তি ও সমন্বয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
৪.মানসিক ও আবেগীয় বিকাশ: খেলার মাধ্যমে শিশুরা সমস্যার সমাধান, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, আবেগীয় দক্ষতা, পরষ্পরের প্রতি সহযোগিতামূলক আচরণ এবং ধৈর্য ধরার মতো মানসিক দক্ষতা অর্জন করে।
৫. ভাষাগত ও যোগাযোগের দক্ষতা: খেলার সময় শিশুরা বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করে ও নতুন বিষয় শিখে, যা তাদের ভাষাগত দক্ষতা উন্নত করে।
শিশু খেলার সময় নিজের বা অন্যের প্রয়োজনে পরষ্পরের মধ্যে যোগাযোগ করে যার মাধ্যমে শিশু যোগাযোগ দক্ষতা অর্জন করে।
৬.সামাজিক দক্ষতা: দলগত খেলার মাধ্যমে শিশুরা সহযোগিতা, শেয়ার করা, এবং একসাথে কাজ করার কৌশল শেখে, যা তাদের সামাজিক দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে।
৭. সৃজনশীলতা ও কল্পনাশক্তি: শিশুরা খেলার সময় তাদের কল্পনাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন জগৎ তৈরি করে, যা সৃজনশীলতা বাড়াতে সহায়ক।
তাছাড়া পাজল বা কন্সট্রাকশন খেলনা দিয়ে খেলার সময় তাদের চিন্তাশক্তি, সমস্যার সমাধান করার ক্ষমতা এবং সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পায়।
খেলার মাধ্যমে শিখন একটি সামগ্রিক শিক্ষা ও উন্নয়নের পদ্ধতির দিক নির্দেশ করে।
শিশুদের সামাজিক, শারীরিক,মানসিক, জ্ঞানীয়, ভাষাগত বিকাশকে ত্বরান্বিত করে। শিশু অন্যদের সঙ্গে এবং চারপাশের বস্তুগত ও প্রতীকী বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে তার চারপাশের পৃথিবীর সাথে পরিচিত হতে শেখে।
শিশুর প্রারম্ভিক শিখনে বয়স অনুযায়ী খেলার বিকল্প হয় না।
অর্থাৎ শিশুর সার্বিক বিকাশে খেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Neer Daycare
ধানমন্ডি ১৩ (পুরাতন ৩০)
ঢাকা
29/09/2024
আমাদের মধ্যেই অনেক মা বাবা আছেন যারা সন্তানকে রাখার জন্য নির্ভরযোগ্য কাউকে পাচ্ছেন না বা কারো উপর দায়িত্ব দিয়ে নিশ্চিন্তে কর্মস্থলে কাজ করবেন সে সুযোগের অভাবে কাজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
আবার অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার অভাবে জীবন যাপনে যুক্ত হয় নিজেকে নিয়ে ও সন্তানকে নিয়ে নতুন দু:শ্চিন্তা।
সেক্ষেত্রে এই মূল্যবৃদ্ধির বাজারে চাকুরী ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্তও সহজ সমাধান নিয়ে আসে না।
তাই কর্মজীবী মা বাবা খুঁজতে থাকেন একটা নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর স্থান যা হবে শিশুর নিজ পরিবারের বিকল্প।
আমরা নীড় ডে-কেয়ারে নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও বন্ধুত্বপূর্ণ, শিশুসুলভ পরিবেশ নিশ্চিত করে সে সব মা বাবার দু:শ্চিন্তা নিজেদের কাধে নিয়ে স্বস্তি ফিরিয়ে দিতে কাজ করছি।
যেখানে শিশুরা পারিবারিক আনন্দের সাথে স্নেহ, মমতা, ভালোবাসা ও সম্মান নিয়ে বাড়বে।
আর কর্মজীবী মা বাবারা নিশ্চিন্তে নিজেদের কর্মময় সময়টাকে আরো ফলপ্রসূ করে তুলতে পারবেন।
সবার জন্য দিনটা আনন্দময় হয়ে উঠুক।
Neer Daycare
ধানমন্ডি ১৩ (পুরাতন ৩০)
ঢাকা
28/09/2024
Ensuring a healthy and safe environment for children is our first concern.
But our programme provides an opportunity for the children to grow physically, mentally, socially and emotionally while in a safe and stimulating environment.
25/06/2024
কর্মজীবি মা-বাবা যাদের জন্য একই সাথে সন্তানের যত্ন নেয়া ও কর্মস্থলে নিশ্চিন্তে কাজ করাটা দু:শ্চিন্তার হয়ে উঠছে তাদের পাশে থাকার জন্যই আমাদের এই ছোট পরিসরে আয়োজন।
প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ শিশু পরিচারিকা এবং শিক্ষকদের যত্ন, ভালোবাসা ও শিখনবান্ধব পরিবেশে শিশু যেন নিজের পরিবারের বিকল্প অনুভূতি পায় সেই প্রচেষ্টাই আমাদের 'নীড় ডে-কেয়ার'।
মা-বাবার ব্যস্ত সময়কে দু:শ্চিন্তা মুক্ত রাখা ও শিশুর নিরাপত্তার সাথে সার্বিক বিকাশ আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
25/06/2024
নীড় শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে' শিশুর প্রতিদিনের যত্ন ও বিকাশের লক্ষ্যে আকর্ষণীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক ও শিশু পরিচারিকাদের সহায়তায় শিশুবান্ধব, নিরাপদ পরিবেশে।