14/03/2026
স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও বাংলাদেশের মানুষ এমন উদ্যেগ চোখে দেখেনি। কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার সব ইউনিয়নে একযোগে উন্নয়ন সহায়তা বরাদ্দ দিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ—তার প্রতিজ্ঞা জনগণের টাকা জনগণের উন্নয়নে।
এই উদ্যোগ শুধু উন্নয়ন প্রকল্প নয়, এটি দেশের দীর্ঘদিনের দুর্নীতি-নির্ভর রাজনীতির বিরুদ্ধে এক ধরনের যুদ্ধ ঘোষণা। যেখানে অনেক জায়গায় উন্নয়নের নামে লুটপাটের অভিযোগ, সেখানে স্বচ্ছভাবে বরাদ্দ দিয়ে দেখানো হচ্ছে—ইচ্ছা থাকলে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব।
দেবিদ্বারের এই উদ্যোগ এখন দেশের বাকি ২৯৯ এমপির দুর্নীতি বিরুদ্ধে যেনো এক যুদ্ধ ঘোষনা—
ইউনিয়নভিত্তিক মোট বরাদ্দগুলো যোগ করলে হিসাব দাঁড়ায়ঃ
১. বড়শালঘর — ১৪,৯৮,০০০
২. ইউসুফপুর — ১৪,৯৩,১০০
৩. রসুলপুর — ১৫,২৬,০০০
৪. সুবিল — ১৫,৩০,৭০০
৫. ফতেহাবাদ — ১৭,২৩,৫০০
৬. এলাহাবাদ — ১৬,০১,৫০০
৭. জাফরগঞ্জ — ১৫,৮১,৭০০
৮. গুনাইঘর উত্তর — ১৪,৯৮,১০০
৯. গুনাইঘর দক্ষিণ — ১৫,২৫,১০০
১০. রাজামেহার — ১৫,৬২,৭০০
১১. ভানী — ১৫,৮১,৬০০
১২. ধামতী — ১৫,৪২,৯০০
১৩. সুলতানপুর — ১৫,৯০,০০০
১৪. বরকামতা — ১৬,৩৭,৮০০
১৫. মোহনপুর — ১৫,৭৫,৬০০
মোট বরাদ্দ = ২,৩৪,৬৮,৩০০ টাকা
[কমেন্টে প্রত্যেকটি ইউনিয়নের বিস্তারিত খরচের বিবারন দেওয়া রয়েছে ]
#দেবিদ্বার #উন্নয়ন #বাংলাদেশ
12/03/2026
২০২৪-এর রমজানে সৌদি আরব থেকে খেজুর এসেছিল ঠিকই, কিন্তু সেই খবর 'সুবিধাভেদে' চেপে যাওয়া হয়েছিল। আমরা জানতে পেরেছিলাম অনেক পরে, তাও আবার অন্য কোনো ব্যক্তিগত মাধ্যমে। জনস্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিগত সখ্যতাই সেখানে বড় ছিল।
কিন্তু ২০২৬-এর চিত্রটা ভিন্ন! হাসনাত আব্দুল্লাহর কল্যাণে রমজানের খেজুর আসার খবর যেমন দেশবাসী সময়মতো জানতে পেরেছে, তেমনি আগামী ঈদে উট ও দুম্বার গোশত আসার সুখবরও আগাম পৌঁছে গেছে সবার কাছে।
তফাৎটা স্বচ্ছতায়:
একজন জানাতেন নিজের সুবিধা বুঝে, আর অন্যজন জানাচ্ছেন জনগণের অধিকারের কথা মাথায় রেখে। হাসনাত এখানে শতভাগ সফল। দেশের ৩০০ জন এমপি যদি এমন স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ হতেন, তবে বাংলাদেশ আজ সত্যিই অনন্য উচ্চতায় থাকত।
#স্বচ্ছতা #জনগণ #বাংলাদেশ #দেশপ্রেম
27/02/2026
এই প্রথম দেখলাম! হ্যাঁ, দেবিদ্বারের মাটিতে দাঁড়িয়ে এই প্রথম কোনো সংসদ সদস্যকে দেখলাম বুক টানটান করে পুলিশের চোখে চোখ রেখে চরম সত্যটা বলে দিতে। যেখানে সবাই আপস করে চলে, সেখানে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ সরাসরি আঙুল তুলে বলছেন— "আপনার এই সদস্য ঘুষ ছাড়া নড়ে না, আপনার থানা অন্যজনে চালায়!"
কল্পনা করা যায়? একজন জনপ্রতিনিধি জনসম্মুখে প্রশাসনের খোলস টেনে ছিঁড়ে ফেলছেন! তিনি কোনো রাখঢাক না রেখে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন:
👉 যারা অপরাধীদের পাহারাদার হয়ে বসে আছে, তাদের দিন শেষ।
👉 যারা সাধারণ মানুষের পকেট কাটে, তাদের দেবিদ্বারে ঠাঁই নেই।
👉 থানা কোনো দালালের ইশারায় চলবে না, চলবে জনগণের সেবায়।
আমি যে জিনিসটা সবচেয়ে বেশি তুলে ধরতে চাই—এই যে দুঃসাহস, এই যে সরাসরি আঘাত, এটা কি সত্যিই এই পচে যাওয়া সিস্টেমকে বদলে দিতে পারবে? কারণ আমরা জানি, এই অন্ধকার সাম্রাজ্যে যারা অপরাধ করে না, তাদের টিকে থাকা কতটা কঠিন। যেখানে ভালো মানুষরা পদে পদে অপমানিত হয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়, সেখানে এমন একজন নির্ভীক মানুষ কি এই অপরাধী আর ঘুষখোরদের সিন্ডিকেট গুড়িয়ে দিতে পারবেন?
দেবিদ্বারের মানুষ আজ এক অদ্ভুত আনন্দ আর শঙ্কার দোলাচলে। আমরা এমন একজন মানুষকে পেয়ে আনন্দিত, কিন্তু প্রশ্ন একটাই— এই বিশাল অপরাধী চক্রের সাথে লড়াই করে তিনি কি শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারবেন? নাকি এই চক্র তাকেও থামানোর চেষ্টা করবে?
আমরা আর দালালি চাই না, আমরা আর ঘুষের রাজত্ব দেখতে চাই না। হাসনাত আব্দুল্লাহ যে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন, সেই যুদ্ধে জয় কি আসবে?
নাকি অন্ধকারই আবার গ্রাস করবে এই জনপদকে? উত্তর দেবে সময়। তবে আজ দেবিদ্বার সাক্ষী হলো এক নতুন ইতিহাসের।
সবার আগে বাংলাদেশ 🇧🇩
#আমাদেরগল্প
26/02/2026
প্রথম সন্তানের বাবা হলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।।
আলহামদুলিল্লাহ জাতির ভাতিজা হাসনাত আব্দুল্লাহ ছেলে হাম্মাদ আব্দুল্লাহ দোয়া রইল ভা....See more
18/02/2026
কত্তটা নির্বোধ আর হতভাগা জাতি আমরা,,,,,
ইউনুস স্যার আজকে বিদায়ী ভাষণ দিয়েছেন।।
বিদায় নেয়ার সময় উনি দেশের রিজার্ভ রেখে গেছেন ৩৩ বিলিয়ন ডলার। সাথে দেশবাসীর জন্যে ছয় মাসের মজুদকৃত খাদ্য রেখে গেছেন।।।
অথচ ক্ষমতা গ্রহণের সময় দেশের রিজার্ভ ছিল মাত্র ১৯ বিলিয়ন ডলার। দেশটা দুর্বা ঘাসের মতো নেতিয়ে পড়া বিধ্বস্ত ছিল।।
ইউনূস সরকার সেই বিধ্বস্ত দেশের রিজার্ভটাকে টেনে তুলতে চেয়েছেন। টানতে টানতে সেই রিজার্ভ নিয়ে এসেছেন ৩৩ বিলিয়নে।।।
তিনি রিজার্ভ বাড়িয়েছেন ১৪ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ১,৬৮০,০০০,০০০,০০০ টাকা। সংখ্যাটা কত বিশাল তাই না? এই বিশাল অঙ্কের রিজার্ভ তার সরকার মিলে বাড়িয়েছে মাত্র দেড় বছরে।।।আই রিপিট মাত্র দেড় বছরে।।।
এই রিজার্ভ আরও বাড়াতে পারতেন। কিন্তু পারেননি কারণ হাসিনার রেখে যাওয়া ২১,০০,০০০,০০,০০,০০০
টাকার ঋণও দিতে হয়েছে ইউনূস সরকারকে।
এই সংখ্যাটাও পড়তে কষ্ট হচ্ছে তাই না? এত বিশাল অঙ্কের ঋণও ইউনূস সরকার পরিশোধ করেছেন মাত্র দেড় বছরেই।
পাশাপাশি জনগণের ভালো করতে গিয়ে, দ্রব্যমূল্যের দাম কমাতে গিয়ে শত শত কোটি টাকা ভর্তুকিও দিতে হয়েছে।।।
হাসিনা আগে বাইরের দেশ থেকে ঋণ আনতো তারপর তার এমপি-মন্ত্রীরা সেই রিজার্ভ নিজেদের পকেটে ঢুকিয়ে বিদেশে আলিশান বাড়ি করতো, গাড়ি কিনতো।
সেই ঋণের বোঝা অসহায়ের মতো টানতে হয়েছে ইউনূস সরকারকে।।।
অথচ ইউনূস সরকার অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা নিতে চাননি। তাকে যখন ছাত্ররা ক্ষমতা নিতে কল দিয়েছিল তখন তিনি না করেছিলেন। কিন্তু পরে যখন ছাত্ররা ১ বছরের কথা বলে অনুরোধ করেছিল ইউনূস সরকার রাজি হয়েছিলেন।
কিন্তু তার শর্ত ছিল একটাই- তাকে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে, জনগণ কথা শুনতে হবে।
অথচ তাকে কাজ করার সুযোগ দেয়া হয় নাই, জনগণও শত শত আন্দোলন করতে গিয়ে তার কথা শুনে নাই।।
ইউনূস সরকার চেয়েছিলেন দেশের সেনাবাহিনী, রাজনৈতিক দল, আমলা,সচিবরা দেশটাকে সংস্কার করবে আর ড. ইউনূস জনপ্রিয়তা দিয়ে বাইরের দেশ থেকে বিনিয়োগ আনবেন, বাইরের দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখবেন।
কিন্তু বাইরের দেশের সফরে গেলেই দেখা যেত দেশে কোন্দল লেগে গেছে, আন্দোলন হচ্ছে, চাঁদাবাজি করছে, লোকজন খুন হচ্ছে। বাহিনীরাও নেতাদের প্রভাবে হার্ড লাইনে যেতে পারেনি।।
এতসব অস্থিতিশীলর ভীড়ে ইউনূস সরকার তার মনমতো কাজ করার সুযোগ পান নাই, নিজের দক্ষতাগুলোও দেখাতে পারেন নাই।।
আজকে তিনি সবার সাথে ছবি তুলে বিদায় নিয়েছেন, বিদায়ী ভাষণ দিয়েছেন। তার চোখেমুখে ক্লান্তি ছিল, অভিযোগ ছিল, অনেক কিছু বলারও ছিল।।
কিন্তু আজকে কারও প্রতি কোন অভিযোগ না করে নিজের ব্যর্থতাগুলো মাথা পেতে নিলেন, জনগণকে ধন্যবাদ দিলেন তারপর মন ভার করে সবার থেকে বিদায় নিলেন।।
তার বিরুদ্ধে হয়তো হাজারটা অভিযোগ আছে, সমালোচনা আছে কিন্তু বিদায় নেয়ার সময় আমাদের আক্ষেপ করারও আছে। নিজেদের মা রা মা রি আর অসভ্যতামির কারণে একটা লোককে ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারিনি আমরা।।।
এখন হয়তো তাকে তেমন কিছু মনে হচ্ছে না, হবেও না। কিন্তু কোন একদিন কোন সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে যখন ব্যাকস্পেস চেপে পোস্ট ডিলিট করতে হবে তখন মনে পড়বে আমাদের একজন ড. ইউনূস ছিলেন।।।
C
11/02/2026
📌 দিনাজপুরের উন্নয়ন নিয়ে প্রধান দুটি দলের শীর্ষ নেতারা তাঁদের প্রস্তাবিত কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।
নিচে দিনাজপুর–সংক্রান্ত তাঁদের উল্লেখিত উন্নয়ন প্রস্তাবসমূহ সংক্ষেপে দেওয়া হলো—
দিনাজপুর–সংক্রান্ত উন্নয়ন প্রস্তাব (বিএনপি)
১️) দিনাজপুরের লিচু ও আম আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির উদ্যোগ।
২️) কাঠারি ভোগ চাল উৎপাদনের আধুনিক কারখানা নির্মাণ ও রপ্তানি সম্প্রসারণ।
৩️) ভোকেশনাল ও টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা।
৪️) তিস্তা ব্যারাজ সক্রিয় করে কৃষিভিত্তিক শিল্পের বিকাশ।
দিনাজপুর–সংক্রান্ত উন্নয়ন প্রস্তাব (জামায়াত)
১️) দিনাজপুর শহরকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করা।
২️) উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।
৩️) দিনাজপুরে ফুড প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রি স্থাপন।
৪️) দিনাজপুরে সম্ভাব্য গ্যাস অনুসন্ধান ও সংযোগ প্রদানের উদ্যোগ।
দিনাজপুরের উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি নিয়ে আপনার মতামত কি??
05/02/2026
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চ ও তার পরিবারের সদস্যরা
বিস্তারিত কমেন্টে…
27/01/2026
ডাক্তাররা আমাদের জীবনের কঠিন মুহূর্তে সবচেয়ে ভরসার মানুষ।মানবিক দিক বিবেচনা করে ডাক্তারদের কাছে বিনীত অনুরোধ — যেন গরিব, অসহায় ও শ্রমজীবী মানুষের কাছ থেকে ভিজিট ফি কমানো হয়।
কারণ রোগ তো সবারই হয়, কিন্তু চিকিৎসা সবার নাগালে থাকে না।একটু সদয় হলে কারো বাবা-মা, সন্তান বা পরিবার বেঁ*চে যেতে পারে।
"স্বাস্থ্য সেবা লাভের অধিকার সবার — তাই মানবতার পাশে দাঁড়ানোই বড় কাজ।"
"চিকিৎসা ব্যবসা নয় —
এটা মানুষের অধিকার!"
22/01/2026
দেশি গরু মোটাতাজাকরণ খামার।
দেশি গরু পালন ও মোটাতাজাকরণ খামার একটি স্বাস্থ্যসম্মত খামার, যেখানে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে দেশি গরু লালন-পালন করা হয়। এখানে উন্নত মানের সবুজ ঘাস, সুষম খাদ্য ও পরিষ্কার পানির মাধ্যমে গরুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করা হয়। কোনো প্রকার ক্ষতিকর ইনজেকশন বা কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না।
নিয়মিত পশু চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে টিকা ও কৃমিনাশক প্রয়োগ করে গরুর সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা হয়। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও যত্নশীল ব্যবস্থাপনায় গরু মোটা, তাজা ও রোগমুক্ত রাখা হয়। কোরবানিসহ সারা বছরের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত দেশি গরু সরবরাহ করাই মূল লক্ষ্য।
an