Base of all things. Physics

Base of all things. Physics

Share

Physics is a natural science that involves the study of matter and its motion through space and time, along with related concepts such as energy and force.

It is the general analysis of nature, conducted in order to understand how the universe behaves. Physics is one of the oldest academic disciplines, perhaps the oldest through its inclusion of astronomy.[6] Over the last two millennia, physics was a part of natural philosophy along with chemistry, certain branches of mathematics, and biology, but during the Scientific Revolution in the 17th century

16/01/2017

interview
========
Boss :: বসুন। আপনার পরিচয় ?
আমি:: একজন কর্মক্ষম চিন্তাশীল সুস্থ মানুষ।
Boss :: মানে ?
আমি:: এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছাড়া বাকি সব আপনার সামনে থাকা কাগজে লিখা আছে ।
Boss :: ohh… I see. আমাদের কোম্পানি choose করলেন কেন ?
আমি :: চাকরীর বিজ্ঞাপন দিয়েছিল, এই জন্য। না দিলে আসতাম না।
Boss :: interesting !! চাকরীর বিজ্ঞাপন তো আরো অনেক কোম্পানি দিয়েছিল। তাদের কে ফেলে আমাদেরকে বেছে নিলেন কেন ?
আমি :: সবগুলোকেই বেছে নিয়েছি।এখানে না হলে অন্যগুলোতে যাব।
Boss :: হুম। আপনার result তো খারাপ। চাকরী পাবেন বলে আশা করেন ?
আমি :: Result খারাপ হলেও খিদে লাগা বন্ধ হয় নি। চাকরী একটা করতেই হবে। তা না হলে, খাবো কি ?
Boss :: (হাসি) আচ্ছা, বলুন দেখি, Moldova দেশটির রাজধানীর নাম কি ?
আমি :: Kindly, আমাকে যদি বলতেন, Moldova দেশটির আয়তন কত, তাহলে আমি উত্তরটা বলে দিতে পারতাম।কারণ, আমার জানা মতে, Moldova নামে দুটি দেশ আছে । একটি ছোট, একটি বড়।
Boss :: দুটি দেশ আছে নাকি
আমি :: থাকার তো কথা। আপনি গুণীজন, জ্ঞানীমানুষ। আপনার আরো ভাল জানার কথা।
Boss :: (কিছুক্ষণ থমকে থাকার পর)... আচ্ছা থাক। আপনার result খারাপ হয়েছে কেন ?
আমি :: ক্লাসে কারো না কারো result তো খারাপ হতে হবে। কেউ সামনের সারিতে বসলে, কাউকে না কাউকে তো পেছনে বসতেই হবে।
Boss :: এটা কোন যুক্তি হতে পারে না।
আমি :: ১০০ জন আইন্সটাইন যদি একই ক্লাসে থাকে, তারপরও তো কেউ প্রথম হবে। কাউকে না কাউকে তো last হতেই হবে।
Boss :: দুনিয়াতে survival of the fittest . last হওয়া মানুষের কোন দাম নেই।
আমি :: দুনিয়াতে সব মানুষ যদি আপনার মত হত, তাহলে আপনার কোম্পানির জন্য কোন employee খুঁজে পেতেন না। আপনার গাড়ি চালক থাকতো না। বাসার কাজের বুয়া আসতো না।সবাই তাদের নিজ নিজ কোম্পানির বস হয়ে বসে থাকতো।
Boss :: What do you mean ?
আমি:: আপনি দাবার কোর্টের রাজা। আপনি সৈনিক দলের পেছনে মন্ত্রী,হাতি বা নৌকা- ঘোড়া নিয়ে বসে থাকেন। সৈনিকরা একঘর একঘর করে সবার আগে যায়। তারা আত্মত্যাগ করে আপনাদের জীবন বাঁচায়। আবার একঘর একঘর করে যখন শেষ প্রান্তে পৌছায়, তখনো আত্মউৎসর্গের মাধ্যমে আপনার বন্ধ বান্ধবের পুনর্জন্ম দেয়। কারো অবদান কম নয়। কেউ ছোট হয় বলেই কেউ বড় হতে পারে।
Boss :: ধর, তোমাকে চাকরী দিয়ে দিলাম।
কত বেতন চাও
আমি :: আমার বয়স আপনি পার করেছেন। আপনি ভাল করেই জানেন, এই বয়সে কত হলে ভালভাবে বেঁচে থাকা যায়।এই বয়সে আপনার যত হলে চলতো,তত দিবেন।
Boss :: তুমি দেখছি, কোন প্রশ্নের কোন সোজা উত্তর দিতে পারো না।
আমি :: সত্য কথা আজকাল ব্যতিক্রম শুনায়। বিশ্বাস হয় না।হজম করতে কষ্ট হয়। মিথ্যা অনেক সহজে হজম হয়।
Boss :: তুমি কি বলতে চাইছ, সত্যের চাইতে মিথ্যার জোর বেশি।
আমি :: সত্য স্থায়ী। মিথ্যা ক্ষণিকের। সত্য ধীর, কিন্তু মিথ্যা বিষের মত দ্রুত।
Boss :: মানে বুঝলাম না।
আমি :: কখনো বিষ খেয়েছেন ?
Boss :: What? বিষ খেতে যাব কেন ?
আমি :: খেলে বুঝতেন। গলা দিয়ে নামার আগেই খবর হয়ে যাবে। এতদ্রুত কাজ করবে যে কল্পনা করতে পারবেন না। সত্য, প্যারাসিটামলের মত।খাবার বেশ কিছুক্ষণ পর জ্বর কমবে। ভাল ওষুধ কাজ করতে বেশ সময় নেয়। তার কোর্স কমপ্লিট করতে হয়। ৭ দিন, বা ১ মাস। বিষ একবারই যথেষ্ট।
Boss :: বুঝলাম। you are interesting. যদিও তোমাকে চাকরী দেয়া ঠিক নয়। তারপরও আমি ভেবে দেখব।
আমি:: ধন্যবাদ। আমি আসি।
# Collected

Photos 28/01/2013

আলবার্ট আইনস্টাইন (জার্মান: Albert Einstein আল্‌বেয়াট্‌ আয়ন্‌শ্‌টায়ন্‌) (মার্চ ১৪, ১৮৭৯ - এপ্রিল ১৮, ১৯৫৫) জার্মানিতে জন্মগ্রহণকারী একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি তার বিখ্যাত আপেক্ষিকতার তত্ত্ব এবং বিশেষত ভর-শক্তি সমতুল্যতার সূত্র আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত। তিনি ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তার পুরস্কার লাভের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে বিশেষ অবদান এবং বিশেষত আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া সম্পর্কীত গবেষণার জন্য।

আইনস্টাইন পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রচুর গবেষণা করেছেন এবং নতুন উদ্ভাবন ও আবিষ্কারে তার অবদান অনেক। সবচেয়ে বিখ্যাত আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব বলবিজ্ঞান ও তড়িচ্চৌম্বকত্বকে একীভূত করেছিল এবং আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব অসম গতির ক্ষেত্রে আপেক্ষিকতার তত্ত্ব প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নতুন মহাকর্ষ তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিল। তার অন্যান্য অবদানের মধ্যে রয়েছে আপেক্ষিকতাভিত্তিক বিশ্বতত্ত্ব, কৈশিক ক্রিয়া, ক্রান্তিক উপলবৎ বর্ণময়তা, পরিসাংখ্যিক বলবিজ্ঞানের চিরায়ত সমস্যাসমূহ ও কোয়ান্টাম তত্ত্বে তাদের প্রয়োগ, অণুর ব্রাউনীয় গতির একটি ব্যাখ্যা, আনবিক ক্রান্তিকের সম্ভ্যাব্যতা, এক-আনবিক গ্যাসের কোয়ান্টাম তত্ত্ব, নিম্ন বিকরণ ঘনত্বে আলোর তাপীয় ধর্ম (যা ফোটন তত্ত্বের ভিত্তি রচনা করেছিল), বিকিরণের একটি তত্ত্ব যার মধ্যে উদ্দীপিত নিঃসরণের বিষয়টিও ছিল, একটি একীভূত ক্ষেত্র তত্ত্বের প্রথম ধারণা এবং পদার্থবিজ্ঞানের জ্যামিতিকীকরণ।

আইনস্টাইনের গবেষণাকর্মসমূহ বিধৃত রয়েছে ৫০টিরও অধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র এবং কিছু বিজ্ঞান-বহির্ভূত পুস্তকে। ১৯৯৯ সালে টাইম সাময়িকী আইনস্টাইনকে "শতাব্দীর সেরা ব্যক্তি" হিসেবে ঘোষণা করে। এছাড়া বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানীদের একটি ভোট গ্রহণের মাধ্যমে জানা গেছে, তাকে প্রায় সবাই সর্বকালের সেরা পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন. সাধারণ সংস্কৃতি এবং দৈনন্দিন ব্যবহারে মেধাবী এবং প্রখর বুদ্ধিসম্পন্ন কাউকে বা কোন কিছুকে বুঝাতে এখন তাই "আইনস্টাইন" শব্দটি ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ এটি মেধার সমার্থক।

28/01/2013

পদার্থবিজ্ঞান (ইংরেজি: Physics) পদার্থ ও তার গতির বিজ্ঞান। এর ইংরেজি পরিভাষা Physics শব্দটি গ্রিক φύσις (ফুসিস) অর্থাৎ "প্রকৃতি", এবং φυσικῆ (ফুসিকে) অর্থাৎ "প্রকৃতি সম্পর্কিত জ্ঞান" থেকে এসেছে। অত্যন্ত বিমূর্তভাবে বলতে গেলে, পদার্থবিজ্ঞান হল সেই বিজ্ঞান যার লক্ষ্য আমাদের চারপাশের বিশ্বকে বোঝার চেষ্টা করা।

পদার্থবিজ্ঞান জ্ঞানের প্রাচীনতম শাখাগুলির একটি এবং এটির সবচেয়ে প্রাচীন উপশাখার আধুনিক নাম জ্যোতির্বিজ্ঞান। প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা মানুষের আদিমতম কাজের একটি, তবে পদার্থবিজ্ঞান বলতে বর্তমানে যাকে বোঝানো হয় তার জন্ম ১৬শ শতাব্দীর বৈজ্ঞানিক বিপ্লবোত্তরকালে, যখন এটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণকারী একটি বিজ্ঞানে পরিণত হয় তার আগে প্রকৃতি নিয়ে গবেষণার সাধারণ নাম ছিল প্রাকৃতিক দর্শন, যাকে ঠিক বিজ্ঞান বলা যায় না।

19/01/2013

সেই ছোট বেলা থেকে পড়ে এসেছি যে বিজ্ঞান নাকি মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নত করছে, মানুষের জীবন যাপন নাকি সহজ হয়ে যাবে এই বিজ্ঞান এর আশীর্বাদে।
আসলেই কি মানুষের জীবন যাপন সহজ হয়েছে?
পৃথিবীর দিকে তাকালে তা মনে হয় না। সময়ের সাথে সাথে মানুষের জীবন যাপন পূর্বের থেকেও কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
এ জন্যে আমি বিজ্ঞান কে দোষ দিবো না। বিজ্ঞান এর প্রতিটি সৃষ্টই মানুষের জন্যে কল্যাণকর। বিজ্ঞানীরা তাদের প্রতিটি সৃষ্টি মানুষের কল্যাণ হয়, সেই ভাবেই সৃষ্টি করেন।
অনেকেই বলেন যে বিজ্ঞানীরা নাকি অসামাজিক, সত্যই হাস্যকর কথা।
পৃথিবীর মানুষের জীবন কে জটিল করছে, যারা বিজ্ঞানের ক, খ ও জানে না।
এরা মূলত মানবিক বা ব্যবসায়িক বিষয়ে লেখা পড়া করেছেন।
আলফাড নোবেল ডিনামাইট আবিষ্কার করেছিলেন কেন, অতচ তা ব্যাবহার হল মানুষের বিরুদ্ধেই। সেই ডিনামাইট দিয়ে এক শ্রেনীর লোক শুরু করল ব্যবসা আর অন্য শ্রেনীর লোক শুরু করল রাজনীতি।
এই দুই শ্রেনীর লোক গুলোর কারনেই মানুষের জন্যে বিজ্ঞান এর সৃষ্টি -আজ মানুষের বিরুদ্ধেই ব্যবহার হচ্ছে ও পৃথিবীর মানুষের জীবন যাপন পূর্বের থেকেও কঠিন করে ফেলছে।
যেখানে পৃথিবীর উন্নত দেশ গুলোতে বিজ্ঞান কে প্রাধান্য দিচ্ছে, সেই সময় আমাদের প্রিয় বাংলাদেশে বিজ্ঞান কে অবহেলা করছে।
বিজ্ঞান ই পারে সৃষ্টি করতে যা মানবিক বা ব্যবসায়িক বিষয়ে লেখা পড়া করেছেন এমন ব্যক্তিদের পক্ষে সম্ভভ নয়। এক পক্ষ সৃষ্টি করেছে পুঁজিবাদ, তার ফলাফল হচ্ছে মানুষ কে ক্রমশ যানথ্রিক করে ফেলছে।
অপর পক্ষে নষ্ট রাজনীতিও সমান ভাবে দায়ী।
বিজ্ঞান শিক্ষা, শিখায় সৃষ্টিশীল কাজের প্রতিযোগিতা আর অন্যরা শিখায় অসুস্থ জীবন এর প্রতিযোগিতা।
হয়তবা বা আমি ভুল হতেও পারি।

13/01/2013

১০টি শারীরিক কৌশল->
১) অনেক সময় গলার ভেতরে এমন
জায়গায় হঠাৎ চুলকানী শুরু হয় যে,
কি করবেন দিশেহারা হয়ে পড়েন। ওই
জায়গাটি চুলকেনেওয়ার কোন উপায়ও
থাকে না। কিছু সময় কানে টান
দিয়ে ধরে রাখুন দেখবেন
চুলাকনী উধাও।
২) অনেক শব্দের
মধ্যে বা ফোনে কথা স্পষ্ট
শুনতে পারছেন না? কথাশোনার জন্য
ডান কান ব্যবহার করুন। দ্রুত
কথা শোনার জন্য ডান কান খুব ভাল কাজ
করে এবং গান শোনার জন্য বাম কাজ
উত্তম।
৩) বড় কাজটি সারবেন, কিন্তু
আশে পাশে টয়লেট নেই? আপনার
ভালবাসার মানুষের কথা ভাবুন।
মস্তিষ্ক আপনাকে চাপ
ধরে রাখতে সাহায্য করবে।
৪) পরের বার ডাক্তার যখন আপনার
শরীরে সুঁই ফুটাবে তখন
একটি কাঁশি দিন। ব্যথা কম লাগবে।
৫) বন্ধ নাক পরিষ্কার বা সাইনাসের
চাপ থেকে মুক্তি পেতে মুখের ভেতরের
তালুতে জিহ্বা চেপে ধরুন। এরপর
দুইভ্রুর মাঝখানে ২০ সেকেন্ড
চেপে ধরুন। এভাবে কয়েক বার করুন,
দেখুন কি হয়!
৬) রাতে অনেক খেয়ে ফেলেছেন
এবং খাবার গলা দিয়ে উঠে যাচ্ছে।
কিন্তু ঘুমাতেও হবে। বাম কাত
হয়েশুয়ে পড়ুন। অস্বস্তি দূর হবে।
৭) কোন কিছুর ভয়ে বিচলিত? বুক ধক ধক
করছে? বুড়ো আঙ্গুল নাড়তে থাকুন
এবং নাকদিয়ে পেট ভারে সজোরে শ্বাস
নিন এবং মুখ দিয়ে ছাড়ুন। স্বাভাবিক
হয়ে যাবেন।
৮) দাঁত ব্যথা? এক টুকরো বরফ হাতের
বৃদ্ধাঙ্গুল এবং তর্জনীর
মাঝামাঝি জায়গার উপর তালুতে ঘষুন।
দেখুনতো ব্যথা কমলো কিনা!
৯) কোন কারণে চোখের
সামনে পুরো পৃথিবী ঘুরছে? কোন শক্ত
জায়গা বাজিনিসে কান সহ
মাথা চেপে ধরুন। পৃথিবী ঘোরা বন্ধ
করে দেবে।
১০) নাক ফেটে রক্ত পড়ছে?
একটুখানি তুলা নাকের নিচ বরাবর
যে দাঁত আছে তার মাড়ির পেছনে বসান,
এবার
জোরে ওখানে তুলাটি চেপে ধরুন।
রক্তপাত বন্ধ!
সুস্থ থাকুন...
ভাল লাগলে লাইক দিন ।
Collected

10/01/2013

“যে বিজ্ঞানকে অল্প জানবে সে নাস্তিক হবে, আর যে ভালো ভাবে বিজ্ঞানকে জানবে সে অবশ্যই ঈশ্বরে বিশ্বাসী হবে”

-- ফ্রান্সিস বেকন

01/01/2013

¤ স্যার আইজাক নিউটন ¤
¤ ১৬৪২ সালে জন্মগ্রহন করেন। জন্মের আগেই
তার বাবাকে হারান। ৩ বছরে সময় তার
মা আবার বিয়ে করেন
¤ ১২ বছর বয়েসে স্কুলে ভর্তি হয় এবংতার
কয়েক মাসের ভিতরে তার স্যারকে একটা ঘরি তৈরি করে দিয়েছিল।
¤ তার স্ৎ বাবা ও মারা যাওয়ার পর ১৪ বছর
বয়েসে স্কুল ত্যাগ করে
¤ তার চাচা তার
মেধা দেখে ট্রিনিটী কলেজে ভর্তি করে দিয়েছিলে।
¤ যে কোন জটিল অন্ঙ্কের সমাধান তিনি করে ফেলতেন তবুও অন্ঙ্কের প্রতি তার
কোন আকর্ষন ছিল নাহ। ১৬৬৫ সালে স্নাতক
ডিগ্রী লাভ করেন
¤ কলেজে থাকাকালীন তিনি ইন্টিগ্রাল
ক্যালকুলাস এবং কঠিন পদার্থের ঘনত্ব
আবিস্কার করেন
¤ ১৬৬৬ সালে তিনি মাধ্যাকর্ষন শক্তির
চিন্তা ভাবনা শুরু করেন তখন তার বয়স মাত্র
২৪
¤ ১৬৬৮ সালে আলোর গতিপথ ও প্রকিতি,
টেলিস্কোপ আবিষ্কার করেন
¤ নিউটনের বাহ্যিক ধারনা নাহ থাকায়
তিনি একটি প্রিজম অধিক দাম
দিয়ে কিনে ফেলে। পরে ঐ প্রিজম দিয়েইবর্ন
তত্ত উদ্ভাবন করেন
¤ এর পর ১৬৮৭ সালে তার মাধ্যাকর্ষন
শক্তি আবিস্কার হয়। যেটা সকলেই জানি সেই
আপেল পরার কাহিনি
¤ ১৭০৩ সালে নিউটন রয়াল সোসাইটির
সভাপতি হন এবং আমৃত্যু তিনি সেই
পদে অধিস্ঠিত ছিলেন
¤ ১৭০৫ সালে রানী এয়ানি কেম্ব্রিজ
বিশ্ববিদ্যালয়ে ­ এলেন। রানীর পক্ষ
থেকে নিউটন কে নাইঠুড উপাধিতে ভূষিত
করা হয়
¤ এর পর ক্যালকুলাস এর আবিস্কারক
নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পরেন তবে শেষ পর্যন্ত তিনি এর আবিস্কারক এবং লিবনিজ এর
উন্নতিকারক হিসাবে ভুষিত হন।
¤ ১৭২৭ সালে নিউটন গুরুতর অসুস্থো হয়ে পরেন
এবং ২০ শে মার্চ মারা জান।
¤ মৃত্যুর আগে নিউটন লিখেছিলেন , " পৃথিবীর
মানুষ আমাকে কি ভাবে জানি নাহ কিন্তু নিজের সন্মন্ধে আমি মনে করি আমি একটা ছোট
ছেলের মত সাগরের তীরে খেলা করছি আর
খুজে ফিরেছি সাধারনের চেয়ে সামান্য
আলাদা পাথরের নুড়ি বা ঝিনুকের খোলা।
সামনে আমার পড়ে রয়েছে অনাবিস্কৃতি বিশাল
জ্জানের সাগর

Photos 25/12/2012

কার্ল মানে গেয়র্গ জিগবান (১৮৮৬ - ১৯৭৮) বিখ্যাত সুয়েডীয় পদার্থবিজ্ঞানী যিনি ১৯২৪ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। পুরস্কার প্রাপ্তির কারণ তার এক্স-রশ্মি বর্ণালীবীক্ষণের উপর মৌলিক গবেষণা। তিনি সুইডেনের ওরেব্রোতে জন্মগ্রহণ করেন। তার ছেলে কাই জিগবান ১৯৮১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

Photos 25/12/2012

নিল্‌স হেনরিক ডেভিড বোর হলেন পরমাণুর গঠনের আধুনিক তত্ত্বের অন্যতম প্রবক্তা। এই ডেনিশ পদার্থবিজ্ঞানী ১৯২২ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বোরের পরমাণু মডেল রসায়নের ইতিহাসে আজও বিখ্যাত হয়ে আছে।

Photos 25/12/2012

আলবার্ট আইনস্টাইন (জার্মান: Albert Einstein আল্‌বেয়াট্‌ আয়ন্‌শ্‌টায়ন্‌) (মার্চ ১৪, ১৮৭৯ - এপ্রিল ১৮, ১৯৫৫) জার্মানিতে জন্মগ্রহণকারী একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি তার বিখ্যাত আপেক্ষিকতার তত্ত্ব এবং বিশেষত ভর-শক্তি সমতুল্যতার সূত্র আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত। তিনি ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তার পুরস্কার লাভের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে বিশেষ অবদান এবং বিশেষত আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া সম্পর্কীত গবেষণার জন্য।[১]

আইনস্টাইন পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রচুর গবেষণা করেছেন এবং নতুন উদ্ভাবন ও আবিষ্কারে তার অবদান অনেক। সবচেয়ে বিখ্যাত আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব বলবিজ্ঞান ও তড়িচ্চৌম্বকত্বকে একীভূত করেছিল এবং আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব অসম গতির ক্ষেত্রে আপেক্ষিকতার তত্ত্ব প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নতুন মহাকর্ষ তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিল। তার অন্যান্য অবদানের মধ্যে রয়েছে আপেক্ষিকতাভিত্তিক বিশ্বতত্ত্ব, কৈশিক ক্রিয়া, ক্রান্তিক উপলবৎ বর্ণময়তা, পরিসাংখ্যিক বলবিজ্ঞানের চিরায়ত সমস্যাসমূহ ও কোয়ান্টাম তত্ত্বে তাদের প্রয়োগ, অণুর ব্রাউনীয় গতির একটি ব্যাখ্যা, আনবিক ক্রান্তিকের সম্ভ্যাব্যতা, এক-আনবিক গ্যাসের কোয়ান্টাম তত্ত্ব, নিম্ন বিকরণ ঘনত্বে আলোর তাপীয় ধর্ম (যা ফোটন তত্ত্বের ভিত্তি রচনা করেছিল), বিকিরণের একটি তত্ত্ব যার মধ্যে উদ্দীপিত নিঃসরণের বিষয়টিও ছিল, একটি একীভূত ক্ষেত্র তত্ত্বের প্রথম ধারণা এবং পদার্থবিজ্ঞানের জ্যামিতিকীকরণ।

আইনস্টাইনের গবেষণাকর্মসমূহ বিধৃত রয়েছে ৫০টিরও অধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র এবং কিছু বিজ্ঞান-বহির্ভূত পুস্তকে।[২] ১৯৯৯ সালে টাইম সাময়িকী আইনস্টাইনকে "শতাব্দীর সেরা ব্যক্তি" হিসেবে ঘোষণা করে। এছাড়া বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানীদের একটি ভোট গ্রহণের মাধ্যমে জানা গেছে, তাকে প্রায় সবাই সর্বকালের সেরা পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।[৩] সাধারণ সংস্কৃতি এবং দৈনন্দিন ব্যবহারে মেধাবী এবং প্রখর বুদ্ধিসম্পন্ন কাউকে বা কোন কিছুকে বুঝাতে এখন তাই "আইনস্টাইন" শব্দটি ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ এটি মেধার সমার্থক।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Uttara
Dhaka
1229