প্রতিদিন শিখছি - Learning everyday

প্রতিদিন শিখছি - Learning everyday Everyday learn something new

Happy New Year 2022 !!A new year is like a new chapter in life. It is your chance to write an amazing story for yourself...
31/12/2021

Happy New Year 2022 !!

A new year is like a new chapter in life. It is your chance to write an amazing story for yourself.

বিজয়ের ৫০ বছর !সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা.
16/12/2021

বিজয়ের ৫০ বছর !
সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা.



14/12/2021
এখনো অবিশ্বাস্য লাগে রবার্তো কার্লোসের এই নিখুঁত ক্যালকুলেশন!
08/07/2021

এখনো অবিশ্বাস্য লাগে রবার্তো কার্লোসের এই নিখুঁত ক্যালকুলেশন!

In this Education day make sure Education for all.
24/01/2021

In this Education day make sure Education for all.

Wishing every day of the new year to be filled with success, happiness, and prosperity for you.
01/01/2021

Wishing every day of the new year to be filled with success, happiness, and prosperity for you.

যেভাবে পাবেন ই-পাসপোর্ট!১ম ধাপঃ (অনলাইন আবেদন)i. এখানে এ গিয়ে Apply Online এ ক্লিক করুনii. যা যা info চায় তা দিয়ে সাথে ই...
24/12/2020

যেভাবে পাবেন ই-পাসপোর্ট!

১ম ধাপঃ (অনলাইন আবেদন)
i. এখানে এ গিয়ে Apply Online এ ক্লিক করুন

ii. যা যা info চায় তা দিয়ে সাথে ই-মেইল দিয়ে একটি একাউন্ট খুলুন। ইমেইলে confirmation মেইল আসবে, account active করে নিন, ইনবক্সে মেইল খুজে না পেলে Junk Mail/ Spam Mail ফোল্ডারে খুজলে পেয়ে যাবেন।

iii. Account খোলার পর Apply for a new-e-passport দিন

iv. যা যা info প্রযোজন হয় দিন।
Confusions: Md এরপর dot দিবো কিনা দিবো না? Dot না দিলে সমস্যা হবে না তো?
উত্তরঃ e-Passport এ letter ছাড়া কোনো character প্রিন্ট হয় না। সুতনাং না দেয়াই উত্তম। এবং এই না দেয়ার জন্য ভবিষ্যতেও কোনো সমস্যা হবে না।
Warning: Permanent address কখনো ভাড়া থাকা বাসার address দিবেন না। যদি নিজের কেনা ফ্ল্যাটে থাকেন আর সেটাই permanent address হিসেবে দিতে চান সে ক্ষেত্রে। আপনার দলিলের কাগজের ফটোকপি চাইবে। দলিলের কাগজ করা না হলে, সেটা permanent address হিসেবে দিবেন না।

v. আপনি কোন ধরনের passport করবেন উল্ল্যেখ করে দিবেন।

৪৮ পেইজ ৫ বছরের মেয়াদ
*রেগুলারঃ ৪,০২৫ টাকা, ২১ কার্য দিবসে
*এক্সপেসঃ ৬,৩২৫ টাকা, ১০ কার্য দিবসে
*সুপার এক্সপ্রেসঃ ৮,৬২৫ টাকা, ২ কার্য দিবসে

৪৮ পেইজ ১০ বছরের মেয়াদ
*রেগুলারঃ ৫,৭৫০ টাকা, ২১ কার্য দিবসে
*এক্সপেসঃ ৮,০৫০ টাকা, ১০ কার্য দিবসে
*সুপার এক্সপ্রেসঃ ১০,৩৫০ টাকা, ২ কার্য দিবসে

৬৪ পেইজ ৫ বছরের মেয়াদ
*রেগুলারঃ ৬,৩২৫ টাকা, ২১ কার্য দিবসে
*এক্সপ্রেসঃ ৮,৬২৫ টাকা, ১০ কার্য দিবসে
*সুপার এক্সপ্রেসঃ ১২,০৭৫ টাকা, ২ কার্য দিবসে

৬৪ পেইজ ১০ বছরের মেয়াদ
*রেগুলারঃ ৮,০৫০ টাকা, ২১ কার্য দিবসে
*এক্সপ্রেসঃ ১০,৩৫০ টাকা, ১০ কার্য দিবসে
*সুপার এক্সপ্রেসঃ ১৩,৮০০ টাকা, ২ কার্য দিবসে

vi. কোন way তে পেমেন্ট করতে চান সেটা উল্লেখ করে দিতে হবে। এখন সম্ভবত অনলাইন অয়ে (bKash) বন্ধ। তাই অফলাইনেই করতে হবে।

vii. সব info ঠিক মত দেয়ার পর সাবমিট করে দিবেন। সাবমিটের পর e-mail এ-ও একটা confirmation মেইল আসবে। চেক করে নিতে পারেন।

viii. Application form টা download করে রাখুন।

২য় ধাপঃ (schedule selection)
i. Application Submit এরপর schedule select করতে হবে

ii. আপনার মন মত যে কোনো খালি slot এ appointment নিতে পারবেন।

৩য় ধাপঃ (পেমেন্ট)
i. নির্ধারিত যে কোনো ব্যাংকে গিয়ে টাকা পরিশোধ করে দিলেই হবে
ব্যাংক সমূহঃ
ONE Bank, Premier Bank, Sonali Bank, Trust Bank, Bank Asia, Dhaka Bank.

ii. ব্যাংকে আপনার নাম চাইবে শুধু। passport এ দেয়া হুবহু নামটা দিবেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে NID এবং Application এর কপি দেখতে চায়। তাই এক কপি নিয়ে যাবেন।

iii. টাকা জমা দেয়ার পর রিসিট/ payment slip দিবে/ সেটা যত্ন করে রাখবেন।Trust Bank এ টাকা জমা দিলে ভাল।পরে কম বেশী হলে adjust করা যায়।

৪র্থ ধাপঃ (পার্সপোর্ট এপ্লিকেশন জমা এবং appointment)
i. নিচের ডকুমেন্টগুলো নিয়ে যাবেন
• পার্সপোর্ট ফর্মের প্রিন্টেড কপি (both side print)
• Appointment/ Order slip কপি
• NID এবং NID এর ফটোকপি
• বিদ্যুৎ/গ্যাস/পানির বিলের ফটোকপি
• Student ID Card এর ফটোকপি (শিক্ষার্থীদের জন্য)
• ব্যবসায়ীক দলিল (ব্যবসায়ীদের জন্য)
• Office ID card কপি এবং আনুসাঙ্গিক কাগজ পত্র (জব করেন যারা তাদের জন্য)
• নিকাহ নামার দলিলি (বিবাহিতদের জন্য)
• কোনো সাদা/হালকা রঙের জামা পরবেন না

ii. আগারগাও RPO এর জন্যঃ
• ৩০৮ নং কক্ষে যাবেন, উপযুর্ক্ত কাগজ গুলো নিয়ে, application form দেখে সেখান থেকে একটা সিল এবং সিরিয়াল লিখে দিবে।
• ৪০১ নং কক্ষে ৩০৮ এ দেয়া সিরিয়াল মত আপনাকে প্রবেশ করানো হবে। এই কক্ষে আপনার ডকুমেন্ট সব ঠিক আছে কিনা চেক করা হবে। application online এ সাবমিটে কোনো ভুল হয়ে থাকলে এখানে বলে নিবেন। তারা মার্ক করে দিবে আপনার ফর্মে। চেক শেষে তারা একটা সিল এখন সাইন করে দিবে।
• ৪০৩ নং কক্ষ পুরুষ, ৪০৪/৪০৫ নং কক্ষ মহিলা ও শিশুদের বায়োমেট্রিক করানো কক্ষ। ৪০১ নং কক্ষ থেকে সিল নেয়ার পর। এই কক্ষে আপনার ডিকুমেন্ট রিচেক করা হবে, ডকুমেন্ট স্কান করা হবে এবং কোনো সংশোধন থাকলে সংশোধন করা হবে।
- ২ হাতের ১০ আঙ্গুলের ছাপ
- চোখ স্ক্যান
- ডিজিটাল স্বাক্ষর নেয়া হবে
• কাজ শেষ হলে Delivery Slip দিয়ে দিবে।

৫ম ধাপঃ (পুলিশ ভ্যারিফিকেশন)
i. পুলিশ বাসায়ও আসতে পারে থানায়ও ডাকতে পারে

ii. থানায় ডাকলে, শিক্ষার্থী হলে বাবাকে সাথে নিয়ে যেতে হবে। কারন তার একটা স্বাক্ষরের দরকার হবে

iii. ডকুমেন্ট যা সাথে রাখতে হবেঃ
• NID copy
• Student ID Copy
• SSC Certificate
• Father’s NID copy
• Mother’s NID copy
• Utility Bill copy
• জমি/ফ্লাটের দলিলের copy permanent address ঢাকা হলে।

৬ষ্ঠ ধাপঃ (পাসপোর্ট ডেলিভারি)
i. Police verification এর কিছু দিন পর (৪-৬ দিন) Application Status, Enrollment pending Approval থেকে Enrollment Approved হবে। এবং পাসপোর্টের তৈরির কাজ শুরু হবে।

ii. Enrollment Approved status এর কিছু দিন পর (২-৩দিন) status হবে Passport Shipped

iii. Passport Shipped এর ১/২ দিন পর SMS, email এবং status হবে ePassport is ready for issuance তখন পার্সপোট আনতে RPO তে যেতে হবে।

iv. সাথে delivery slip এবং NID এর কপি নিয়ে যাবেন।

v. ৩০১ নং কক্ষের ডান পাশে আপনার delivery slip দিয়ে সিরিয়াল নিবেন।

vi. আপনার সিরিয়াল আসলে ৩০১নং কক্ষের বাম পাশে স্বাক্ষর আর ফিঙ্গার স্ক্যান দিয়ে e-Passport নিয়ে আসবেন

vii. শেষ, এবার মনে মনে নাচতে নাচতে বাসায় চলে আসেন।
এই গেলো পুরো প্রসেস। এই পুরো প্রসেসের সময় আপনি আপনার passport process এর অবস্থা দেখতে পাবেন আপনার account এ login করে।

উপদেশঃ
i. দালাল থেকে দূরে থাকুন
ii. কিছু জানার থাকলে হয় help desk এ জিজ্ঞাস করুন, নয় আশেপাশে মানুষকে জিজ্ঞাস করুন। আরো সাথে আপনার শত্রুতা নেই যে ভুল তথ্য দিবে। খামাখা অন্য কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকা অফিসারদের বিরক্ত করবেন না।
iii. পারমানেন্ট আড্রেস ঠিক মত দিবেন।
iv. যা যা ডকুমেন্ট দরকার সাথে রাখবেন।
v. সময় হিসাব করবেন application RPO তে জমা দেয়ার পর থেকে।

ধন্যবাদ।

সাঙ্গু নদী বেশ বৈচিত্র্যময়বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ‘বাংলাদেশের নদনদী বইতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের আরাকান পর্বতে উৎপন্ন...
19/11/2020

সাঙ্গু নদী বেশ বৈচিত্র্যময়

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ‘বাংলাদেশের নদনদী বইতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের আরাকান পর্বতে উৎপন্ন হয়ে থানচি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর রুমা, রোয়াংছড়ি, বান্দরবান সদর ছুঁয়ে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, আনোয়ারা ও বাঁশখালী দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে সাঙ্গু।

উত্তরে আরাকান পর্বত থেকে এর ভৌগলিক অবস্থান ২১.১৩ ডিগ্রি উত্তর ও ৯২.৩৭ ডিগ্রি পূর্বে। উৎসমুখ থেকে শুরু করে সাগরে পতিত হওয়ার পয়েন্ট পর্যন্ত এর দৈর্ঘ্য ১৮০ কিলোমিটার।

দৈর্ঘ্য বিবেচনায় বান্দরবানের বুক চিরে প্রবাহিত অপর দুই সীমান্ত নদী নাফ (৬৪) ও মাতামুহুরি (১২০) এবং বান্দরবানের পাহাড়ি ছড়া থেকে উৎপন্ন হওয়া তিন নদী হারবাংছড়া (২৮), সোনাইছড়ি (২৪.৫০) ও বাঁকখালির (৯০) চেয়ে বড় হওয়ায় সাঙ্গুই সবচেয়ে বড় ও প্রধান নদী এই পাহাড়ি জেলায়।

বারোমাসী প্রবাহের এ নদীর অববাহিকার আয়তন ১২৭৫ বর্গ কিলোমিটার। গড় প্রস্থ ১৫০ মিটার।

সবচেয়ে কম প্রবাহের মাস মার্চ ও এপ্রিল। এ সময় এ নদীতে প্রতি সেকেন্ডে ১ ঘনমিটার পানি প্রবাহিত হলেও সবচেয়ে বেশি প্রবাহের মৌসুম জুলাই-আগস্ট মাসে। সেকেন্ডে ২ হাজার ৭শ’ ঘনমিটার পানি বয়ে যায় সাঙ্গুর বুকে।

কম প্রবাহের মৌসুমের গভীরতা ১ মিটার থেকে বেড়ে বেশি প্রবাহের মৌসুমে হয়ে যায় ১৫ মিটার। এ নদীর চন্দনাইশ, আনোয়ারা ও বাঁশখালি অংশে নিয়মিত প্রভাব আছে জোয়ার-ভাটার।

ছোটবড় ঝর্ণা থেকে সৃষ্টি হওয়া ছোট ছোট ছড়া এসে মিশেছে শঙ্খ নদীতে। এ নদীর দু’পাড়ের বাসিন্দাদের অধিকাংশই মারমা বা অন্য কোনো নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ। তাদের অধিকাংশেরই পেশা আবার জুম চাষ।
কয়েক দশক আগেও এ নদীর দু’তীরে ছিল ঘন বন। সে বনে বিচরণ করতো হাতি, বাঘ, ভালুক, হরিণ, বানর, বনবেড়াল, ময়ূর, হনুমান, উল্লুকসব আরো অনেক বিরল প্রজাতির প্রাণি। ছিলো অনেক প্রজাতির অজগর।

নদীর জলে অবাধে সাঁতরাতো রুই-কাতলা, গলদা চিংড়ি, শোল, মাগুর, সিং, মৃগেলসহ আরো কতো নাম না জানা মাছ। নদী অববাহিকায় প্রচুর পলি জমতো পাহাড়ি ঢলে। সার ছাড়াই হতো ধান, ডাল, শাক-সবজি, বাদামের বাম্পার ফলন।

বান্দরবানের প্রধান যোগাযোগের মাধ্যমও ছিলো এ নদী। সব মিলিয়ে বান্দরবানবাসীর জীবন ও জীবিকার প্রধান উৎস ছিলো সাঙ্গু।
কিন্তু নির্বিচারে নদী তীরবর্তী বৃক্ষ নিধনে প্রাণী বৈচিত্র্যের স্বভাবটাই যেন পাল্টে গেছে সাঙ্গুর। একই পাহাড়ে বারবার জুম চাষে ভূমিক্ষয় বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে। বর্ষাকালে তাই স্বচ্ছজলের নদী হয়ে যায় ঘোলা।
ভরাট হওয়া নদীর বুকে বাধা পায় বর্ষার পানি। বর্ষাকালে এখন ঠিকই প্লাবিত হয় নদী অববাহিকার অনেক স্থান। জলাবদ্ধতাও তৈরি হয় কোথাও কোথাও।

সাঙ্গুপাড়ের জমিতে এখন আর পলি জমে না আগের মতো। সার-কীটনাশকেও পাওয়া যায় না কাঙ্ক্ষিত ফলন। কিন্তু নদীর পানিতে বিষ ছড়িয়ে পড়ে ঠিকই। এ নদীর ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি উপকারী পোকামাকড়ের তাই অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা দায় হয়ে উঠেছেসাঙ্গু নদী বেশ বৈচিত্র্যময়

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ‘বাংলাদেশের নদনদী বইতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের আরাকান পর্বতে উৎপন্ন হয়ে থানচি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর রুমা, রোয়াংছড়ি, বান্দরবান সদর ছুঁয়ে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, আনোয়ারা ও বাঁশখালী দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে সাঙ্গু।

উত্তরে আরাকান পর্বত থেকে এর ভৌগলিক অবস্থান ২১.১৩ ডিগ্রি উত্তর ও ৯২.৩৭ ডিগ্রি পূর্বে। উৎসমুখ থেকে শুরু করে সাগরে পতিত হওয়ার পয়েন্ট পর্যন্ত এর দৈর্ঘ্য ১৮০ কিলোমিটার।
দৈর্ঘ্য বিবেচনায় বান্দরবানের বুক চিরে প্রবাহিত অপর দুই সীমান্ত নদী নাফ (৬৪) ও মাতামুহুরি (১২০) এবং বান্দরবানের পাহাড়ি ছড়া থেকে উৎপন্ন হওয়া তিন নদী হারবাংছড়া (২৮), সোনাইছড়ি (২৪.৫০) ও বাঁকখালির (৯০) চেয়ে বড় হওয়ায় সাঙ্গুই সবচেয়ে বড় ও প্রধান নদী এই পাহাড়ি জেলায়।

বারোমাসী প্রবাহের এ নদীর অববাহিকার আয়তন ১২৭৫ বর্গ কিলোমিটার। গড় প্রস্থ ১৫০ মিটার।
সবচেয়ে কম প্রবাহের মাস মার্চ ও এপ্রিল। এ সময় এ নদীতে প্রতি সেকেন্ডে ১ ঘনমিটার পানি প্রবাহিত হলেও সবচেয়ে বেশি প্রবাহের মৌসুম জুলাই-আগস্ট মাসে। সেকেন্ডে ২ হাজার ৭শ’ ঘনমিটার পানি বয়ে যায় সাঙ্গুর বুকে।

কম প্রবাহের মৌসুমের গভীরতা ১ মিটার থেকে বেড়ে বেশি প্রবাহের মৌসুমে হয়ে যায় ১৫ মিটার। এ নদীর চন্দনাইশ, আনোয়ারা ও বাঁশখালি অংশে নিয়মিত প্রভাব আছে জোয়ার-ভাটার।

ছোটবড় ঝর্ণা থেকে সৃষ্টি হওয়া ছোট ছোট ছড়া এসে মিশেছে শঙ্খ নদীতে। এ নদীর দু’পাড়ের বাসিন্দাদের অধিকাংশই মারমা বা অন্য কোনো নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ। তাদের অধিকাংশেরই পেশা আবার জুম চাষ।
কয়েক দশক আগেও এ নদীর দু’তীরে ছিল ঘন বন। সে বনে বিচরণ করতো হাতি, বাঘ, ভালুক, হরিণ, বানর, বনবেড়াল, ময়ূর, হনুমান, উল্লুকসব আরো অনেক বিরল প্রজাতির প্রাণি। ছিলো অনেক প্রজাতির অজগর।

নদীর জলে অবাধে সাঁতরাতো রুই-কাতলা, গলদা চিংড়ি, শোল, মাগুর, সিং, মৃগেলসহ আরো কতো নাম না জানা মাছ। নদী অববাহিকায় প্রচুর পলি জমতো পাহাড়ি ঢলে। সার ছাড়াই হতো ধান, ডাল, শাক-সবজি, বাদামের বাম্পার ফলন।

বান্দরবানের প্রধান যোগাযোগের মাধ্যমও ছিলো এ নদী। সব মিলিয়ে বান্দরবানবাসীর জীবন ও জীবিকার প্রধান উৎস ছিলো সাঙ্গু।
কিন্তু নির্বিচারে নদী তীরবর্তী বৃক্ষ নিধনে প্রাণী বৈচিত্র্যের স্বভাবটাই যেন পাল্টে গেছে সাঙ্গুর। একই পাহাড়ে বারবার জুম চাষে ভূমিক্ষয় বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে। বর্ষাকালে তাই স্বচ্ছজলের নদী হয়ে যায় ঘোলা।
ভরাট হওয়া নদীর বুকে বাধা পায় বর্ষার পানি। বর্ষাকালে এখন ঠিকই প্লাবিত হয় নদী অববাহিকার অনেক স্থান। জলাবদ্ধতাও তৈরি হয় কোথাও কোথাও।

সাঙ্গুপাড়ের জমিতে এখন আর পলি জমে না আগের মতো। সার-কীটনাশকেও পাওয়া যায় না কাঙ্ক্ষিত ফলন। কিন্তু নদীর পানিতে বিষ ছড়িয়ে পড়ে ঠিকই। এ নদীর ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি উপকারী পোকামাকড়ের তাই অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা দায় হয়ে উঠেছে।

শঙ্খ থেকে সাঙ্গুবাংলাদেশের নদীগুলো মূলত উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়। কিন্তু চট্টগ্রাম বিভাগের বৃহত্তম জলধারা সাঙ্গু দ...
19/11/2020

শঙ্খ থেকে সাঙ্গু

বাংলাদেশের নদীগুলো মূলত উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়। কিন্তু চট্টগ্রাম বিভাগের বৃহত্তম জলধারা সাঙ্গু দক্ষিণ থেকে প্রথমে গেছে উত্তরে, তারপর পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত হয়ে এগিয়েছে বঙ্গোপসাগরের দিকে।

এই সীমান্ত নদীরই একটি অংশ ‘অমায়ক্রি চং’ বা ‘রেমাক্রি চং’ বা প্রধানমন্ত্রীর খাল। মিয়ানমার সীমান্ত ঘেঁষে বাংলাদেশের সর্বশেষ রেমাক্রি ইউনিয়নের নাম এ রেমাক্রি চং-এর নাম অনুসারেই।
এই যে শঙ্খ থেকে সাঙ্গু আর অমায়ক্রি থেকে রেমাক্রি নামকরণ, তার কিন্তু রয়েছে বেশ মজার ইতিহাস।

অমায়ক্রি অর্থ প্রধানমন্ত্রী। আর অমায়ক্রি চং অর্থ প্রধানমন্ত্রীর খাল। রেগ্রীইং বোমাংগ্রী বা শঙ্খনদীর রাজা এবং অমায়ক্রি চং বা প্রধানমন্ত্রীর খাল নামের অর্থ থেকে একটা বিষয় স্পষ্ট যে, এসব নদী বা খালই হলো এ এলাকার জনবসতি স্থাপন, জীবনধারণ ও শাসনকার্য চালানোর অন্যতম পাথেয়।

থানচি ও রেমাক্রির স্থানীদের মতে, সম্ভবত ১৮৬০ সালে বৃটিশ আমলে সরকারি গেজেটিয়ার প্রকাশের সময় বাঙালি আমলারা ‘শঙ্খ নদী’ নাম নথিভুক্ত করে। আর ইংরেজিতে এটা লেখা হয় Sangu। তারা শঙ্খকে সাঙ্গু নামে চিনেছেন ১০-১২ বছর আগ থেকে।

এক নজরে সাঙ্গু নদী
উৎপত্তি: বান্দরবান জেলার মদক এলাকার পাহাড়।
প্রবাহ: চট্টগ্রাম ও বান্দরবন জেলার একটি নদী।
ভিন্ন নাম: ‘রেগ্রীইং খ্যং’ অর্থাৎ ’স্বচ্ছ নদী’
দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ: নদীর দৈর্ঘ্য ১৮০ কিমি, প্রস্থ ১৫০ মিটার।
গভীরতা: গভীরতা ১৫ মিটার।
আয়তন: নদীর অববাহিকার আয়তন ১ হাজার ২৭৫ বর্গকিমি।
পানিরা প্রবাহ: এই নদীর পানিপ্রবাহ বারমাসি প্রকৃতির।
জোয়ার-ভাটা: চন্দনাইশ, আনোয়ারা ও বাঁশখালী অংশে জোয়ার-ভাটার প্রভাব লক্ষ করা যায়।
তবে স্থানীয় উপজাতি মারমারা ‘শঙ্খ’ বা ‘সাঙ্গু নদী’কে বলে ‘রেগ্রীই খ্যং’ বলে আসছেন। ‘রে’ মানে পানি আর ‘গ্রীই’ অর্থ পরিষ্কার অর্থাৎ রেগ্রীই খ্যং অর্থ পরিষ্কার বা স্বচ্ছ পানি।

এখনো তিন্দু, থানচি, বান্দরবানের মানুষ বোমাং রাজাকে রেগ্রীইং বোমাংগ্রী বলে। এর অর্থ শঙ্খনদীর রাজা

সাঙ্গু নদী বা শঙ্খ নদীর প্রবাহপথটাও বেশ বৈচিত্র্যময়। বাংলাদেশের নদীগুলো মূলত উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়। কিন্তু সাঙ্...
19/11/2020

সাঙ্গু নদী বা শঙ্খ নদীর প্রবাহপথটাও বেশ বৈচিত্র্যময়। বাংলাদেশের নদীগুলো মূলত উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়। কিন্তু সাঙ্গু দক্ষিণ থেকে প্রথমে গেছে উত্তরে, তারপর পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত হয়ে এগিয়েছে বঙ্গোপসাগরের দিকে।

চট্টগ্রাম বিভাগের বৃহত্তম জলধারা সাঙ্গু। মন পাগল করা, অদ্ভুত সুন্দর এক পাহাড়ী নদী। মারমা উপজাতিরা তাদের ভাষায় ‘সাঙ্গু নদী’কে ‘রেগ্রীইং খ্যং’ অর্থাৎ ’স্বচ্ছ নদী’ নামে ডাকে আদিকাল থেকে।

বাংলাদেশের পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের চট্টগ্রাম ও বান্দরবন জেলার একটি নদী সাঙ্গু । পাহাড়ের কোল বেয়ে এঁকেবেঁকে চলা এ নদী কোথাও উন্মত্ত আবার কোথাওবা শান্ত ।

পাহাড়ি এলাকার প্রকৃতি অনুযায়ী অসংখ্য ছোটবড় ঝর্ণা থেকে সৃষ্টি হওয়া ছোট ছোট পাহাড়ি নদী বা ছড়া এসে মিশেছে সাঙ্গু নদীতে।
সর্পিলাকার সাঙ্গু নদী’র দৈর্ঘ্য ২৯৪ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১১৯ মিটার। কর্নফুলীর পর এটি চট্টগ্রাম বিভাগের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী।

মিয়ানমার সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার মদক এলাকার পাহাড় থেকে শুরু করে চট্টগ্রামের ভিতর দিয়ে ১৭৩ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে অবশেষে কর্ণফুলি হয়ে বঙ্গপোসাগরে পড়েছে সাঙ্গু।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক সাঙ্গু নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের নদী নং ১৫।

সাঙ্গু বা শঙ্খ নদীতে চলাচল করা ছোট-বড় ইঞ্জিন বিহীন দেশি কাঠের নৌকা ছিলো পুরো বান্দরবানের যোগাযোগ ও মালামাল পরিবহনের অন্যতম মাধ্যম।

কিন্তু চার দশকে সাঙ্গু নদী যেমন তার রূপ পাল্টেছে, তেমনি আমূল বদলে গেছে এর চারপাশের পরিবেশ ও প্রতিবেশ। একই সঙ্গে বদলে গেছে জন জীবন যাত্রা।

ছবির মানুষটিকে আমরা কেউই চিনি না,যদিও চেনার কথাও না।উনি কর্ণেল দেওয়ান মোহম্মদ তাছওয়ার রাজা। বিখ্যাত মরমী সাধক "হাসন রাজা...
15/10/2020

ছবির মানুষটিকে আমরা কেউই চিনি না,যদিও চেনার কথাও না।উনি কর্ণেল দেওয়ান মোহম্মদ তাছওয়ার রাজা। বিখ্যাত মরমী সাধক "হাসন রাজা"র প্রপৌত্র।
সিলেট ক্যাডেট কলেজের(SCC) প্রাক্তন ক্যাডেট যিনি আক্ষরিক ভাবেও ছিলেন রাজপুত্র। তাঁর চলা ফেরা, আচার ব্যবহার,পোষাক-পরিচ্ছেদ, দান- খয়রাতে তিনি ছিলেন সত্যিই আভিজাত্যের প্রতীক।তিনি ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমীতে অফিসার ক্যাডেট হিসাবে যোগদান করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সম্পদ এই অসাধারন মেধাবী অফিসার প্রায় ১২ বছর আগে মস্তিস্ক রক্তক্ষরনে (Cerebral Haemorrhage) অচল হয়ে পড়েন।তিনি মৃত নন কিন্তু কার্যত তাঁর মস্তিস্কসহ সব কটি অংগ অচল। সেই থেকে সেনাবাহিনী এই মানুষটিকে অতি আদর যত্নে সিএমএইচ এ লালন আর সেবা করে আসছে। গতকাল তাকে কর্নেল পদবীতে প্রমোশন দেয়া হয়েছে যা বাংলাদেশ তথা সারাবিশ্বের মাঝেই এক বিরল দৃষ্টান্ত।
আমরা জানি এসব জাগতিক কোন কিছুই তাকে স্পর্শ করে না। তবু তার প্রমোশনের সংবাদে সশস্ত্রবাহিনীর সকল অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরত অফিসারবৃন্দ সাথে সারাদেশবাসী আবেগাপ্লুত। আল্লাহ সবাইকে উত্তম প্রতিদান দিন। আমীন।
লেখক- সোহেল রানা
© Defres

Address

Dhaka
1204

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রতিদিন শিখছি - Learning everyday posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share