02/06/2026
যদিও কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ ও বিদেশ গমনে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে, তবে বিষয়টি চিন্তার।
পড় তোমার প্রভুর নামে,যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন 🎇
02/06/2026
যদিও কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ ও বিদেশ গমনে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে, তবে বিষয়টি চিন্তার।
01/06/2026
Victory Day with My Students.
08/05/2026
"সচেতন শিক্ষক সমাজ"....বা/ট/পারের দল। প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটির প্রয়োজন আছে কিনা, ভেবে দেখতে হবে।
28/04/2026
Alhamdulillah
Positive News!
27/04/2026
#দিনবদলের হাওয়া....একটা সুন্দর দেশ চাই
গত পরশু সংসদে গিয়েছিলাম। এ অধিবেশনের প্রথম দিনেও গিয়েছিলাম দেখতে। বসেছিলাম সাংবাদিক গ্যালারিতে। বসেছিলাম ঠিক না। কতক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলাম। পরে একজন সাংবাদিক বন্ধু আসন ছেড়ে দেন। তাতে খানিকক্ষণ বসেছিলাম। সংসদ ছিল জমজমাট। এ গ্যালারি থেকে শুনতে আমাদের খুব একটা সমস্যা হয়নি। যদিও প্রথম দিনে সাউন্ড সিস্টেমে সমস্যা দেখা দিয়েছিল বলে শুনেছি।
দুদিনেই মাগরিবের নামাজের বিরতিতে বেরিয়ে আসি। এ সময়টাতে নামাজখানা সংলগ্ন এলাকাটি বেশ লাগে। লোকজন ইদানিং ধর্ম কর্মে আগের চেয়ে অনেক বেশি মনোযোগী হয়েছেন। মাননীয় এমপিগণের অনেকেই নামাজখানায় আসেন। মাননীয় মন্ত্রীগণের অনেকেই নামাজখানায় এসে জামাতে শরিক হন। সরকারি ও বিরোধীদলীয় সদস্যগণ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামাজের জামাতে দাঁড়ান। পারস্পরিক সৌহার্দ্য গড়ে ওঠে। সামাজিক বন্ধন দৃঢ়করণে জামাতে নামাজের এ এক অনন্য দিক।
মানুষের খাদ্যাভ্যাসেও ইদানিং ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। লোকজন খাবারকে ভয় পায়। ভিআইপিগণ ইদানিং ব্যাপকভাবে ফাস্টিং করেন। ভাত খাওয়া তো ছেড়েই দিয়েছেন কেউ কেউ। ক্লাসিক মায়েদের 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে' সে বাসনা যেন অপ্রাসঙ্গিক হতে বসেছে। আমার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্তত তিনজন ভিআইপিকে দেখেছি যারা মধ্যাহ্নভোজের আগে চা-কফি পর্যন্ত পান করেন না। ভেতো বাঙালি কি সহসাই ভাত বিমুখ জাতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে? হলে একদিক দিয়ে ভালোই হবে। খাদ্য নিরাপত্তা সুসংহত হবে।
পরিবর্তনের হাওয়া বইছে জোরেশোরেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে মাননীয় সংসদ সদস্যগণের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা ও প্লট গ্রহণ সুবিধা বাতিল হচ্ছে। এটি একটি অসাধারণ সিদ্ধান্ত। শুল্কমুক্ত গাড়ির বিষয়ে জানা গেছে দ্য মেম্বারস অব পার্লামেন্ট (রেমুনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস) অর্ডার–১৯৭৩ সংশোধন বিল’ পাস হয়েছে। উক্ত আইনে শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধাসংক্রান্ত ধারাটি (৩সি) বিলুপ্ত করা হয়। এ ধারায় বলা ছিল, একজন সংসদ সদস্য তাঁর পুরো মেয়াদকালে শুল্কমুক্তভাবে, উন্নয়ন সারচার্জ এবং আমদানি পারমিট ফি ছাড়া সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিবরণ ও শর্ত অনুযায়ী একটি গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস আমদানি করার অধিকারী হবেন। এতে আরও বলা ছিল, একজন সংসদ সদস্য সর্বশেষ আমদানির তারিখ থেকে পাঁচ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর আরেকটি নতুন গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস আমদানি করার অধিকারী হবেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজের ভিভিআইপি প্রটোকল সীমিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর বিদেশযাত্রা ও দেশে ফেরত আসার ক্ষেত্রে এয়ারপোর্টের দীর্ঘ প্রেজেন্টেশন লাইন একেবারেই ছোটো করে ফেলেছেন। প্রেজেন্টেশন লাইনে থাকবেন মাত্র চারজন: একজন সিনিয়র মিনিস্টার, চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব। অতীতে বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকতেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যগণ, বাহিনীর প্রধানগণ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এই প্রধানমন্ত্রীর সাদামাটা জীবনযাপন তার অত্যন্ত জনপ্রিয় রাষ্ট্রনায়ক পিতা জিয়াউর রহমানের কথা মনে করিয়ে দেয়। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাসভবন 'যমুনা'য় না উঠে নিজের বাড়িতে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সরকারি গাড়ি না নিয়ে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করছেন। গাড়ির তেল খরচও নিজের পকেট থেকেই বহন করছেন।
সম্প্রতি কেবিনেট মিটিংয়ে সরকারি আপ্যায়ন খাতে ব্যয় ফিফটি পার্সেন্ট কমানো হয়েছে। অতীতে এ সকল ক্ষেত্রে সরকারি সিদ্ধান্তে বরাদ্দ কমানো হলেও অফিস আদালতে নানাভাবে এডজাস্ট করে চালিয়ে দেওয়া হতো। এই প্রধানমন্ত্রী দেখিয়েছেন কিভাবে উদাহরণ সৃষ্টি করতে হয়। কদিন আগে সংবাদপত্র মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দকে আপ্যায়ন করতে গিয়ে দেখিয়েছেন মিতব্যয়িতা কাকে বলে। স্বনামধন্য ভিআইপি সাংবাদিকদের নিয়ে তিনি দুপুরবেলা খেয়েছেন: ভাত, লাউ-চিংড়ি, ঢেঁড়স ভাজা, সবজি দিয়ে ডিমের সালুন, ডাল ও দই। মাথাপিছু বাজেট মাত্র ১৫০ টাকা।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কৃচ্ছ্রনীতির প্রতি মাননীয় মন্ত্রীগণও সাড়া দিচ্ছেন। ডাক, তার ওআইসিটি বিষয়ক মাননীয় মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ইতোমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছেন যে, আগামী তিন মাস তিনি তার গাড়ি ব্যবহারের জন্য সরকারি ফান্ড থেকে কোনো জ্বালানি নেবেন না। নিজের পকেট থেকেই ব্যয়ভার বহন করবেন।
সম্প্রতি দেখলাম সিলেটের সাবেক জনপ্রিয় মেয়র এবং বর্তমান শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক মাননীয় মন্ত্রী জনাব আরিফুল হক চৌধুরী গুরুত্বপূর্ণ লোকদের নিয়ে সভায় যোগ দিতে গাজীপুর গেছেন বাসে চড়ে। এর আগেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর টাঙ্গাইল সফরের প্রস্তুতিমূলক সভায় যোগ দিতে ঢাকা থেকে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা পাশে চড়ে টাঙ্গাইল গিয়ে কৃচ্ছ্রতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
পত্রিকায় প্রকাশ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মাননীয় মন্ত্রী এডভোকেট আহমেদ আজম খান আজ ঘোষণা দিয়েছেন যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কৃচ্ছ্রসাধন নীতির অনুসরণে মন্ত্রণালয় তারা এখন আর এসি ব্যবহার করেন না। ফ্যান ব্যবহার করে গরম সামলাচ্ছেন। পরিবর্তন আসছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অফিস করছেন সচিবালয়ে। প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্রে ঢিলেঢালা ভাব নেই। এসেছে কর্মচাঞ্চল্য--কাজে গতি। সকল মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সদা সতর্ক। নয়টা বাজার আগেই লোকজন পৌঁছে যাচ্ছেন সচিবালয়ের অফিসে।
ক্যাবিনেট মিটিং বসছে সচিবালয়ে। কখনো সংসদে। এ মিটিং অতীতে প্রধানত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বা গণভবনে অনুষ্ঠিত হতো। এখন একনেকের সভাও সচিবালয়ে হয়। আগে শেরেবাংলানগরের প্ল্যানিং কমিশনে হতো। আগে বলা হতো লেজে কুকুর নাড়ে। লেজের কুত্তা নাড়ানোর দিন মনে হয় শেষ হতে যাচ্ছে।
C...ইয়াকুব আলী স্যার
17/04/2026
অনেক প্রতিষ্ঠান আছে, প্রতি ক্লাসে৭০/ ৮০/৯০ জন শিক্ষার্থী থাকে। যতো মেধাবী শিক্ষকেই হোক না কেন, সবাইকে গুণগত শিক্ষা দিতে পারবে না। এর সমাধান কী? আমাদের কাছে, অর্থাৎ মাঠ পর্যায়ে এইসব সমাধান পাবেন।
10/04/2026
একটা তেলবাজ প্রজন্ম, যুগ-যুগান্তর থেকেই যাবে!
09/04/2026
শিক্ষার গুনগত মান নিশ্চিত করতে, ল্যাব এর কোনো বিকল্প নেই।
25/03/2026
আজ একটু শীত শীত লাগছে!!
অফিসে..... 🧡🧡
09/03/2026
Thanks a lot