এসো দ্বীন শিখি

এসো দ্বীন শিখি

Share

#Islam is the complete code of life. Allah make #Quran easy to memorize. To achieve the pure #knowled

25/12/2025
20/09/2025

৫৫. হযরত মুআবিয়া (রাযিঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এই এরশাদ করতে শুনেছি, যে ব্যক্তি ইহা পছন্দ করে যে, মানুষ তার (সম্মানের) জন্য দাঁড়িয়ে থাকুক, সে যেন নিজের ঠিকানা জাহান্নামে বানিয়ে লয়। (তিরমিযী)।
ফায়দা : উপরোক্ত হুঁশিয়ারী ঐ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যখন কোন ব্যক্তি নিজে ইহা চায় যে, মানুষ তার সম্মানের জন্য দাঁড়িয়ে যাক। আর যদি কেহ নিজে একেবারে না চায়, কিন্তু অন্যান্য লোক সম্মান ও মহব্বতের জজুবায় তার জন্য দাঁড়িয়ে যায় তবে ইহা ভিন্ন কথা।

19/09/2025

৫৪. হযরত আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বর্ননা করেন যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তির অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার থাকবে সে জান্নাতে যাবে না। (মুসলিম)।

18/09/2025

৫৩. হযরত উমর (রাযিঃ) বর্ণনা করেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ | সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এরশাদ করতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালার (সন্তুষ্টি হাসিলের) উদ্দেশ্যে বিনয় অবলম্বন করে আল্লাহ তায়ালা তাকে উঁচু করেন। (ফলে) সে নিজের চোখে ও নিজের ধারণায় তো ছোট হয় কিন্তু মানুষের চোখে উচু হয়। আর যে অহংকার করে আল্লাহ তায়ালা তাকে নীচু করে দেন। (ফলে) সে মানুষের চোখে ছোট হয়ে যায় ; যদিও সে নিজে ধারণায় বড় হয়। এমনকি সে মানুষের দৃষ্টিতে কুকুর এবং শূকরের চাইতেও নিকৃষ্ট হয়ে যায়। (বায়হাকী)

17/09/2025

৫২. বনি মুজাশে’ গোত্রের ইয়াজ ইবনে হিমার (রাযিঃ) বর্ননা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, আল্লাহ তায়ালা আমার প্রতি এই বিষয়ে ওহী পাঠিয়েছেন যে, তোমরা এই পরিমাণ বিনয় অবলম্বন কর যে, কেহ কাহারো উপর গর্ব না করে এবং কেহ কাহারো উপর জুলুম না করে। (মুসলিম)

16/09/2025

৫১. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, আমি কি তোমাদেরকে ঐ ব্যক্তি সম্বন্ধে বলব না, যে আগুনের উপর হারাম হবে এবং যার উপর আগুন হারাম হবে ? (শোন আমি বলছি,) জাহান্নামের আগুন প্রত্যেক এরূপ ব্যক্তির উপর হারাম হবে যে মানুষের নিকটবর্তী, অত্যন্ত নম্রস্বভাব ও বিনয়ী হয়। (তিরমিযী)
ফায়দা :মানুষের নিকটবর্তী হবার অর্থ হচ্ছে, সে নম্র স্বভাবের হবার কারণে মানুষের সাথে বেশ মিলিয়া মিশিয়া চলে আর মানুষও তার ভাল স্বভাবের কারণে তার সাথে মুক্ত মনে মহব্বতের সাথে মিলিয়া মিশিয়া চলে। (মারেফুল হাদীস)

08/09/2025

৬১. হযরত হোযায়ফা (রাযিঃ) বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এই এরশাদ করতে শুনেছি যে, তোমাদের পূর্বে কোন উম্মতের মধ্যে এক ব্যক্তি ছিল, যখন মওতের ফেরেশতা তার রূহ কবজ করার জন্য আসিল (এবং রূহ কবজ হবার পর সেই ব্যক্তি এই দুনিয়া থেকে অন্য জগতে চলে গেল। তখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হল, তুমি কি দুনিয়াতে কোন নেক আমল করেছিলে ? সে জিজ্ঞাসা করল, আমার জানা মতে (এরূপ) কোন আমল আমার নাই। তাকে বলা হল, (তোমার জীবনের উপর) দৃষ্টি কর (এবং চিন্তা করে দেখ)। সে আবার জিজ্ঞাসা করল, আমার জানামতে আমার (এরূপ) কোন আমল নাই ; শুধুমাত্র ইহা ছাড়া যে, আমি দুনিয়াতে মানুষের সাথে বেচাকেনা ও লেনদেনের কাজ করিতাম, ইহাতে আমি ধনীদেরকে সময়-সুযোগ দিতাম আর গরীবদেরকে মাফ করে দিতাম। অতঃপর আল্লাহ তায়ালা এই ব্যক্তিকে জান্নাতে দাখেল করে দিলেন। (বোখারী)

07/09/2025

৬৩. হযরত আনাস (রাযিঃ) বলেন, আমি মদীনায় দশ বৎসর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমত করেছি। আমি কম বয়সের বালক ছিলাম এইজন্য আমার সমস্ত কাজ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মর্জি মোতাবেক হতে পারত না। অর্থাৎ বয়স কম হবার কারণে অনেক সময় ত্রুটি-বিচ্যুতিও হয়ে যাইত। (কিন্তু দশ বৎসরের এই সময়ের মধ্যে) কখনও তিনি আমাকে ‘উফ’ পর্যন্ত বলেন নাই এবং কখনও ইহাও বলেন নাই যে, তুমি অমুক কাজ কেন করলে বা অমুক কাজ কেন করলে না। (আবু দাউদ)

06/09/2025

৬৪. হযরত আবু হোরায়রা (রাযিঃ) বর্ননা করেন যে, এক ব্যক্তি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট জিজ্ঞাসা করল, আমাকে কোন ওসিয়ত করে দিন। তিনি এরশাদ করলেন, গোস্বা করিও না। সেই ব্যক্তি নিজের (ঐ) দরখাস্ত কয়েকবার দোহরাইল। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক বার ইহাই এরশাদ করলেন যে, গোস্বা করিও না। (বোখারী)

05/09/2025

৬৭. হযরত ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বর্ননা করেন যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, লোকদেরকে (দ্বীন) শিখাও, সুসংবাদ শুনাও, কঠোরতা পয়দা করিও না। যখন তোমাদের মধ্যে কাহারও গোস্বা আসে তখন তার উচিত সে যেন চুপ থাকে।

04/09/2025

৬৬. হযরত আবু যর (রাযিঃ) বর্ননা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, যখন তোমাদের মধ্য থেকে কাহারও গোস্বা আসে এবং সে দাঁড়ানো অবস্থায় থাকে, তখন তার উচিত, সে যেন বসে পড়ে। বসে পড়লে যদি গোস্বা চলে যায় তবে ভাল কথা। নচেৎ তার উচিত, সে যেন শুইয়া পড়ে। (আবু দাউদ)
ফায়দা :হাদীসের অর্থ এই যে, যে অবস্থার পরিবর্তনের দ্বারা মানসিক অবস্থায় ধীর-স্থিরতা আসে ঐ অবস্থাকে অবলম্বন করা চাই। যাতে গোস্বার ক্ষতি তুলনামূলক কম হয়। দাঁড়ানো অবস্থার তুলনায় বসা অবস্থায় এবং বসা অবস্থার তুলনায় শোয়া অবস্থায় ক্ষতির সম্ভাবনা কম।
(মাজাহেরে হক)

03/09/2025

৬৮. হযরত আতিয়া (রাযিঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, গোস্বা শয়তানের আছরে হয়ে থাকে। শয়তানের সৃষ্টি আগুন থেকে, আর আগুনকে পানি দ্বারা নিভানো হয়। অতএব তোমাদের মধ্যে যখন কাহারও গোস্বা আসে, তখন তার উচিত সে যেন ওজু করে লয়। (আবু দাউদ)

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Uttara Dhaka
Dhaka
1230