Nobody care about your story
Until you win
Engineering News Bangladesh
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Engineering News Bangladesh, Educational consultant, Dhaka.
আজ খুব কান্না পাচ্ছে। খুইব। কারণ ভাতের হোটেল বন্ধ হয়ে গেছে।
21/05/2025
কেন পেট্রোবাংলার চাকরি ছাড়ছেন কর্মকর্তারা!
সোনার হরিণ খ্যাত সরকারি চাকরি, কিন্তু পেট্রোবাংলায় কেনো লোকজন চাকরি করতে চাইছেন না, যোগদান করলেও প্রথম বছরেই ৩০ শতাংশ ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। দশ-পনের বছর পার হয়েছে তারাও এখন কেনো ছাড়িছাড়ি করছেন।
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) ৬৫২ পদের বিপরীতে লোকবল রয়েছে মাত্র ২৮৮ জন, মার্চের রিপোর্ট অনুযায়ী শুন্যপদের সংখ্যা রয়েছে ৩৬৪টি। ২০১২ সালের একটি ব্যাচে ১২ জনকে নিয়োগ করা হয়, ওই ব্যাচের ৯ জনেই চাকরি ছেড়ে চলে গেলে গেছেন। অবশিষ্ট ৩ জনের ২ জন চাকরি ছাড়ার চেষ্টা করছেন।
পেট্রোবাংলার অধীনস্থ কোম্পানিগুলোর অবস্থা আরও করুন। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ৭০ শতাংশ পদ শূন্য পড়ে রয়েছে। বিতরণ কোম্পানিটির অনুমোদিত পদ (কর্মকর্তা) ৪৫০ জনের মধ্যে রয়েছেন ২৫৭ জন, আর ৬৫৬ কর্মচারীর মধ্যে মাত্র ১৫৬ জন। অর্থাৎ কর্মচারী পদে ৫০০টি পদেই শূন্য পড়ে রয়েছে। অন্যান্য বেশিরভাগ কোম্পানি শূন্যপদ ৫০ শতাংশের উপরে।
কেনো ছাড়ছেন পেট্রোবাংলা!
সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে মোটাদাগে কয়েকটি বিষয় সামনে এসেছে। তারমধ্যে রয়েছে টেকনিক্যাল লোকদের উপরে নন টেকনিক্যাল লোক বসানো, নানা রকম রাজনৈতিক চাপ, অনৈতিক নির্দেশনা ও বেতন-ভাতা বৈষম্য। সম্প্রতি পেট্রোবাংলার কার লোন সুবিধা বাতিল করায় অসন্তোষের পারদ আরও কিছুটা বেড়েছে।
একই মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়ম করপোরেশের অধীনস্থ কোম্পানি, পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, মেঘনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড ও যমুনা অয়েল কোম্পানি নানা রকম সুবিধা পেলেও পেট্রোবাংলা ও তার অধীনস্থ কোম্পানিগুলো সেসব সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আবার পেট্রোবাংলার অধীনস্থ কোম্পানির সঙ্গে পেট্রোবাংলার কর্মকর্তাদের বৈষম্যও অনেককে বিমুখ করে তুলছে।
সম্প্রতি বাপেক্স ছেড়ে কয়েকজন যোগদান করেছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগে। তারা মাঠ পর্যায়ে কাজে দারুণ সুনাম অর্জন করেছিলেন। তাদের একজনের সঙ্গে কথা হয় বার্তা২৪.কম এর। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, আমি বাপেক্সে ছিলাম ষষ্ঠ গ্রেডে, সেখান থেকে সিভিল সার্ভিসের নবম গ্রেডে যোগদান করেছি। কতটা হতাশ হলে মানুষ ডাউন গ্রেডে যোগদান করে!
ঠিক কি কারণে বাপেক্স ছাড়লেন! জবাবে বলেন, আমরা প্রকৌশলীরা যারা ৫ থেকে ৭ বছর ফিল্ডে কাজ করি, তাদের কোন মতামত দেওয়ার সুযোগ থাকে না। বোর্ড অথবা মন্ত্রণালয় থেকে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়।
আমরা হতাশ হই সিনিয়রদের দেখে, প্রচণ্ড রকম হতাশ ছিলেন অনেকে। রুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন, রুয়েটে চাকরি ছেড়ে বাপেক্সে যোগদান করেন। তিনি যখন বলেন, আমি কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। টেকনিক্যাল জ্ঞান নেই, তাদের কথাই শেষ কথা, তারা না জেনেও সিদ্ধান্ত দিয়ে যাচ্ছেন। মিড লেভেলে চলে এসেছি, যা বলতেছে তাই করতে হচ্ছে। তাদের অনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করতে হচ্ছে। কাগজে কলমে দায়ও নিতে হচ্ছে।
শ্রীকাইল-৪ নম্বর কূপের ডিপিপির দিকে তাকালে অনৈতিক সিদ্ধান্তের বিষয়টি অনেকটা স্পষ্ট হয়। ২০১৪ সালে কূপটির জন্য ডিপিপি প্রণয়নের তোড়জোড় শুরু হয়। বাপেক্স বোর্ড ৩৫৪ তম সভায় অনুমোদন দেন শ্রীকাইল ৪ খননের। ডিপিপিতে (প্রকল্প উন্নয়ন প্রস্তাব) ব্যয় ধরা হয় ৬৪ কোটি টাকা। ৫৫৬ তম বোর্ড সভায় ডিপিপি অনুমোদন দেয় বাপেক্স। অনুমোদিত ডিপিপি পেট্রোবাংলায় প্রেরণ করা হয়। পেট্রোবাংলা অনুমোদন সাপেক্ষে কাজ শুরু করার কথা, কিন্তু পেট্রোবাংলায় প্রস্তাব যাওয়ার পর সবকিছু থেকে যায়। নির্দেশ দেওয়া হয় ২০০ কোটি টাকার ডিপিপি করতে। বাপেক্স সে অনুযায়ী ডিপিপি প্রণয়ন করে, আর কাজটি দেওয়া হয় গ্যাজপ্রমকে। তখন তৌফিক ই ইলাহী চৌধুরী তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। এ রকম অনেক অনৈতিক কাজ অনিচ্ছা সত্ত্বেও করতে হয় এখানে। যে কারণে সৎ অফিসাররা ছাড়ি ছাড়ি করতে থাকেন।
বাপেক্স ছেড়ে যাওয়া আরেক কর্মকর্তা বলেন, নিজের থেকে যখন কম দক্ষ লোকদের দ্বারা পরিচালিত হতে হয় তখন কষ্টটা বেড়ে যায়। ড্রিলিংয়ে কাজ করছে, যে ড্রিল পাইপ, গ্যাস কি সেটাই জানেন না, তিনি সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন।
নন টেকনিক্যাল লোকজনকে টেকনিক্যাল লোকের উপর বসানো প্রসঙ্গে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজানুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, ১৩টি কোম্পানির মধ্যে ১২ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশল জ্ঞান সম্পন্ন।
এমডি টেকনিক্যাল পার্সন হলেও তিনি একা বোর্ডে। ননটেকনিক্যাল লোকজনের আধিক্য, সেখানে সিদ্ধান্ত বদলে যাচ্ছে! এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান বলেন, বোর্ডের বিষয়ে আমার কোন করণীয় নেই। এমডি নিয়োগের ক্ষেত্রে আমার সুযোগ রয়েছে, সেখানে টেকনিক্যাল লোকজনদের দিয়েছি।
পঞ্চাশ শতাংশের উপর শূন্য রয়েছে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি (বিসিএমসিএল) বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি (বিজিএফসিএল), সিলেটে গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি (এসজিএফসিএল), সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি (এসজিসিএল), কর্নফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিতে। তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকা বাপেক্সের ১০৮০ পদের মধ্যে ৩৯৬ পদ শূন্য। পেট্রোবাংলা ও তার অধীনস্থ কোম্পানিগুলোতে মোট পদশুন্য রয়েছে ৬ হাজার ৬৩৮টি।
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান বার্তা২৪.কমকে জানিয়েছে, পেট্রোবাংলা ও অধীনস্থ কোম্পানিগুলোর শুন্যপদে ৭৬৮ জন অফিসার ও ২০০ জন কর্মচারী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আমরা নিয়োগের পরেই বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেখানে জ্বালানি খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরা হবে। আমার ধারণা এটি করা গেলে ছেড়ে যাওয়ার হার কমে আসবে।
পেট্রোবাংলার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, যোগদান করার পর অনেকেই পেট্রোবাংলা ছেড়ে চলে যাচ্ছে। ৩০ শতাংশই চলে যাচ্ছে এক বছরের মধ্যে। এরমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, পুলিশ, পররাষ্ট্র ক্যাডারে চলে যাওয়ার সংখ্যা অনেক বেশি। সম্প্রতি একটি নিয়োগ চূড়ান্ত করার পর পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম পূরণ করতে বলা হলে ২৭ জন প্রার্থী বিরত থেকেছে।
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান বলেছেন, সুযোগ সুবিধা বেশি হওয়ায় অনেকেই বিদ্যুতের কোম্পানিগুলোতে চলে যাচ্ছে। পেট্রোবাংলা চলে জাতীয় পে-স্কেল নীতিমালায়, আর বিদ্যুতের কোম্পানিগুলো নিজস্ব বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করে। সুযোগ সুবিধার বিষয়ে আমার চেয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব অনেক বেশি কনসার্ন।
পেট্রোবাংলা সূত্র জানিয়েছে, পেট্রোবাংলায় ৩টি ক্যাডার বিদ্যমান, এগুলো হচ্ছে অর্থ, কারিগরি ও প্রশাসন। আর এন্ট্রি পদ হচ্ছে সহকারী ব্যবস্থাপক (নবম গ্রেড) এবং সহকারী কর্মকর্তা (দশম গ্রেড)। নবম গ্রেডে নিয়োগের ক্ষেত্রে দশম গ্রেড থেকে প্রমোশনের মাধ্যমে ৩৩ শতাংশ নিয়োগের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এখানে নবম গ্রেডে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩৩ শতাংশ প্রমোশনের বিষয়টি অনেক সময় জটিলতা দেখা দেয়। দেখা যায় পদ শূন্য কিন্তু ফিডার পদে ৩ বছরের অভিজ্ঞ প্রার্থী নেই। সে কারণে পদ শূন্য থেকে যায়।
জ্বালানির তুলনায় আড়াইগুণ বেশি বেতন দিচ্ছে বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানিগুলো। বাপেক্সে উপ-ব্যবস্থাপক (গ্রেড-৬) বেসিক ৩৭৫০০ একই সময়ে নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানিতে বেসিক ছিল ৭১০০০ টাকা। এন্ট্রি পদ নবম গ্রেডে বাপেক্সে ২২ হাজার আর নর্থওয়েস্টে ৫২ হাজার টাকা। এটাও কোন ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলছে জানিয়েছেন অনেকে।
দেশের জ্বালানির খাতের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর। তাদের উপর নির্ভর করছে, দেশের তেল-গ্যাস কয়লারসহ বিভিন্ন খনিজ সম্পদ পাওয়া না পাওয়া। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাওয়ার কথা তাদের। অথচ নানা অজুহাতে সব সময় বিদ্যুৎকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, হচ্ছে। সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর প্রসঙ্গে এলে বলা হয়, ভর্তুকির কথা। অথচ জ্বালানির চেয়ে সব সময় ৫ থেকে ৭ গুণ বেশি ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে বিদ্যুতে। সমন্বয়হীনতার কারণে বিদ্যুৎ কেন্দ্র আছে কিন্তু গ্যাসের অভাবে বসে থাকছে বছরের পর বছর। তবুও অবহেলিত গ্যাস খাত।
দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি খাতকে অবহেলার মাধ্যমে ন্যুব্জ করে রাখা হয়েছে। ব্যাপক তেল-গ্যাস প্রাপ্তির সম্ভাবনা থাকলেও সেভাবে এইখাতকে গুরুত্ব দেয়া হয়নি। ১৯৯৫ সালের জ্বালানি নীতিমালায় প্রতি বছর ৪টি অনুসন্ধান কূপ খননের কথা বলা হলেও কোন সরকারের তা মেনে চলেনি। আবিষ্কারের হার উচ্চ হলেও মনোযোগ পেতে ব্যর্থ এই খাত। কয়েক দশকের পুঞ্জীভূত অবহেলার ফলে ভয়াবহ গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, খাদের কিনারে রয়েছে দেশের গ্যাস সেক্টর, সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে, বিশেষ করে ২০২৬ ও ২০২৭ সাল নাগাদ মহাবিপর্যয়ের শঙ্কা দেখছেন অনেকেই। সেই শঙ্কা দূর করতে যাদের রাতদিন কাজ করার কথা, সেই পদগুলোই পড়ে রয়েছে শূন্য। অন্যান্য সেক্টরে সংস্কারের উদ্যোগ দেখা গেলেও এই সেক্টরের বিষয়ে এখনও কোন উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়।
লিঙ্কঃ https://barta24.com/details/economics/278621
19/05/2025
19/05/2025
বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বাধিক ব্যয়বহুল ও প্রযুক্তিগতভাবে জটিল অবকাঠামো হলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এটি শুধু একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়, বরং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার প্রতীক।
এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপদ, কার্যকর ও টেকসইভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজন বাস্তব অভিজ্ঞতা ও যথাযথ যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (Managing Director) এবং বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত শীর্ষ ব্যবস্থাপনা দল, যারা প্রকৃত অর্থে এই ধরণের বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনায় অভিজ্ঞতা রাখেন এবং আন্তর্জাতিক মানে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে দক্ষ।
এখানে উল্লেখ্য যে, এটি কোনো গবেষণামূলক নিউক্লিয়ার রিসার্চ ফ্যাসিলিটি নয়; বরং একটি শতভাগ বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, যার প্রধান লক্ষ্য হলো দেশকে নিরবচ্ছিন্নভাবে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ করা। এ ধরনের বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনায় রিসার্চ সংস্থায় কাজ করা ব্যক্তিদের টপমোস্ট পজিশনে নিয়োগ দেওয়া হলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কার্যকরভাবে পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা করতে পারবে কিনা তা নিয়ে সংশয় থেকেই যায়।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্তাবলি যদি এমনভাবে সেট করা হয় যে কেবল গবেষণা-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানসমূহে কাজ করা ব্যক্তিরা এটি পরিচালনার জন্য নিয়োগ পান, তবে ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সঠিকভাবে পরিচালিত হবে কিনা সেটা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরী হয়।
অতএব, দেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতকে সফল, বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক ও নিরাপদভাবে পরিচালনার স্বার্থে, এই কেন্দ্রের দায়িত্ব এমন ব্যক্তিদের হাতে দেওয়া উচিত, যাঁদের রয়েছে বাস্তব বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বদানের দক্ষতা এবং সফল প্রকল্প ব্যবস্থাপনার প্রমাণিত ইতিহাস।
দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে জনগণের কষ্টার্জিত অর্থে নির্মিত এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে দেশ যেন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ পায় ও প্রযুক্তিগত ভাবে জাতীয় উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়—এমনটাই প্রত্যাশা করি।
19/05/2025
কোনো প্রকার কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে 'নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানী বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল)'-এর ১৫ জন প্রকৌশলীকে চাকুরী থেকে অব্যাহতি প্রদান করার ঘটনায় আইইবি'র তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।
19/05/2025
বাংলাদেশের একমাত্র এবং সবচেয়ে সেনসিটিভ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টে (NPCBL) চরম অস্থিরতা ও সীমাহীন অব্যবস্থাপনার কয়েকটি দিকঃ
১. BAEC মূলত একটা গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে NPCBL হলো বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। NPCBL বিদ্যুৎ উৎপাদনের সাথে জড়িত সকল টেস্টিং, কমিশনিং, অপারেশন ও মেইনটেনেন্সের কাজের সাথে সরাসরি জড়িত। যেহেতু NPCBL বিদ্যুৎ উৎপাদনের সাথে সরাসরি জড়িত তাই বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি NPCBL ও BPDB এর মধ্যে হওয়াই স্বাভাবিক ঘটনা এবং দেশের অন্য সকল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ক্ষেত্রে এটাই হয়েছে। অথচ BAEC চাচ্ছে NPCBL কে বাদ দিয়ে BAEC ও BPDB এর মধ্যে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি সম্পাদন করতে!
২. NPCBL এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) একাই দখল করে আছে প্রতিষ্ঠানের HR, Accounts & Admin সহ বড় বড় শীর্ষ ০৬ টি পদ।
৩. সহকারী প্রকল্প পরিচালকের (APD) একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড মানবিক হওয়া সত্ত্বেও নিউক্লিয়ারের মতো স্পর্শকাতর স্থাপনায় দিব্যি চাকরি করে যাচ্ছে আর প্রকৌশলীদেরকে দৌড়ের উপ্রে রাখতেছে।
৪. NPCBL এর বয়স ১০ বছরের অধিক হয়ে গেলেও এখনো সুনির্দিষ্ট চাকুরী বিধিমালা (সার্ভিস রুল) নাই।
৫. NPCBL এ কর্মরত প্রায় ১৮০০ ইমপ্লয়ীদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ডেস্ক, চেম্বার বা শৌচাগার নাই!
৬. চাকুরীতে সিনিওরিটি বলতে কিছু নাই। যে যত বেশী তেলবাজি করতে পারে, সে তত ভালো ডিভিশনে কাজ করতে পারে। বিদেশে যেতে পারে। দেখা গেছে কেউ কেউ ট্রেনিং করে এক ডিভিশনে, কিন্তু অসততা, তেলবাজির কারণে পোস্টিং পায় অন্য ডিভিশনে।
৭. অবৈধ ও জাল অভিজ্ঞতা সনদ দিয়ে বিভিন্ন সিনিয়র পজিশনে চাকুরী দেওয়া হয়েছে।
৮. ঠিকাদারের থেকে কাজ বুঝে নিতে প্রকৌশলীকে নিরুৎসাহিত করা হয়। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রকৌশলী কাজের অনিয়ম বা কোয়ালিটি নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তাহলে সেই প্রকৌশলীকে নানা অজুহাতে শোকজ, প্ল্যান্টে প্রবেশের কার্ড ব্লক করে দেওয়া হয়।
৯. ইতোমধ্যে প্রায় ৩০০ জন কর্মকর্তাকে শোকজ/ স্ট্যান্ড রিলিজ দেওয়া হয়েছে এবং কোনরূপ পূর্ব- নোটিশ ছাড়াই ২৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে!
তথ্য সূত্রঃ আমার দেশ, মানবজমিন, ইত্তেফাক
19/05/2025
বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা উচিত। সকলের আওয়াজ দেন।
ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ প্রকল্পে কর্মরত তিনজন ডিপ্লোমা প্রকৌশলীসহ ১৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আকস্মিকভাবে চাকরিচ্যুত করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। আইডিইবি বলেছে, প্রকল্প পরিচালক ও প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছাচারিতা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করায় এসব কর্মীদের পূর্ব নোটিশ বা যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়াই চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আইডিইবি'র আহ্বায়ক প্রকৌশলী মোঃ কবীর হোসেন এবং সদস্য সচিব প্রকৌশলী কাজী সাখাওয়াত হোসেনের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাশিয়ায় নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টের ওপর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিষ্ঠা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তাদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও প্রকল্পের টেকসই অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকলেও এ ধরনের আচরণ প্রকল্প ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, এভাবে চাকরিচ্যুতি শুধুমাত্র পেশাজীবীদের প্রতি অন্যায় নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে সরকারের ঘোষিত 'সুশাসন ও স্বচ্ছতা'র অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং জনস্বার্থে গৃহীত উন্নয়ন নীতির পরিপন্থী। আইডিইবি নেতৃবৃন্দ চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবিলম্বে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে চাকরিচ্যুতির পূর্বে সঠিক তদন্ত ও শৃঙ্খলাবিধি অনুসরণের আহ্বান জানান। পাশাপাশি, প্রকল্পে পেশাজীবীদের মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করতে এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড-এ পেশাজীবী কর্মীদের মতামত প্রদানের অধিকার রক্ষা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। আইডিইবি নেতৃবৃন্দ সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে পেশাজীবীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়েছেন।
19/05/2025
স্পর্শকাতর প্রকল্পে ‘ছেলেখেলা’ বিশ্বের কোথাও পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে আন্দোলনের নজির নেই। কিন্তু দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে সে....
19/05/2025
Chief Adviser GOB
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Culinary Team
Attire
Contact the school
Website
Address
Dhaka
1206