চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে - এই আহাজারি শুনেছেন নিশ্চয়!
যারা ম্যাৎকার করছে, তারা কি সুস্পষ্ট ভাবে বলছে, বন্দরটি কতো টাকায় কতো দিনের জন্যে "বিক্রি" হচ্ছে? এবং যেভাবে আওয়াজ উঠেছে, তাতে সন্দেহ জাগতে পারে প্রফেসর ইউনূস না জানি কতো টেকা খাইয়া এই আকামডা করতাছেন!
না, আমি দুইটি তথ্য পাই নাই - কতো টাকায় কতো দিনের জন্যে বিক্রি হচ্ছে, এবং ইউনূস সওদাগর কয় বস্তা টেকা খাচ্ছেন।
একটু ঘাঁটাঘাটি করতে হলো, এতে প্রথমে বুঝলাম, নতুন যে বিনিয়োগ পোর্ট অথোরিটি অব সিংগাপুর করতে আগ্রহী, সেই বে টার্মিনাল নিয়ে এই মায়াকান্না নয়। দুবাইয়ের ডিপি ওয়ার্ল্ড বে টার্মিনালে অন্য যে টার্মিনাল নির্মানে বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে, সেটি নিয়েও এই মায়াকান্না নয়। ডেনমার্কের এপি মোলার যে লালদিয়ায় টার্মিনাল এ বিনিয়োগ করতে চাচ্ছে, সেটি নিয়েও এই মায়াকান্না নয়!
চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়ার যে চিলে কান নিয়ে যাওয়ার চিৎকার, তা নিউ মুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল নিয়ে। এটি চিটাগং পোর্টের সবচেয়ে বড় টার্মিনাল, কিন্তু এটিই সমগ্র পোর্ট নয়, বরং কয়েকটি টার্মিনালের মধ্যে একটি মাত্র!
এই নিউ মুরিং টার্মিনাল এতোদিন কীভাবে চলেছে? - দেশী প্রতিষ্ঠান এর "অপারেটর" ছিল।
সেই গর্বের অপারেটর হলো "সাইফ পাওয়ারটেক"!
হ্যাঁ, সাইফ পাওয়ারটেকের লুটেপুটে খাওয়া বন্ধ হচ্ছে, একারণে অনেকে বুক থাবরাইয়া চিৎকার কইরা কান্দা আরম্ভ করছেন!
বিএনপি আমলের ঘটনা, জাপানের সুমিতমো করপোরেশনের কাছ থেকে চারটি রেল মাউটেন্ট কী গ্যান্ট্রি ক্রেন সংগ্রহ করেছিল চিটাগং পোর্ট অথোরিটি। সেগুলো পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের স্থানীয় এজেন্ট ছিল সাইফ পাওয়ারটেক। এর মধ্য দিয়েই সাইফ পাওয়ারটেকের চিটাগাং পোর্ট খাইয়া ফেলা শুরু হয়।
অবশ্য, তার আগে, বন্দর কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে কাজের ১২টি শর্ত পরিবর্তন করিয়ে, আইনি বাধা অতিক্রম করেছে তারা (কীভাবে? - বুঝে নিন!) সিসিটি পরিচালনায় বন্দরের যন্ত্রপাতি ব্যবহারে সাইফ পাওয়ারটেককে বিশেষ সুবিধা দিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নিজেদের আইন পরিবর্তন করেছিল!
২০০৬ সালে বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডলিং কাজের জন্য এভারেস্ট পোর্ট সার্ভিস লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র দাখিল করে মাত্র ১৫০ টাকা হারে। কিন্তু সেই সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ পায় নাই, উচ্চদরে কাজটি বাগিয়ে নেয় সাইফ পাওয়ারটেক।
সেই শুরু, এক পর্যায়ে, ২০১৫ সালে বাগিয়ে নেয় এনসিটির চারটি জেটিরই কাজ। এই কাজ পাওয়ার পরই বন্দরে প্রতিষ্ঠানটির একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। ডিপিএম (ডাইরেক্ট প্রকিউরমেন্ট মেথড) পদ্ধতিতে বছরের পর বছর উচ্চ মূল্যে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। বুঝতেই পারছেন, লোপাটকৃত অর্থের আনুপাতিক ভাগ পান রাজনীতিজীবি ও কর্মকর্তারা।
শুরুতে নৌপরিবহন মন্ত্রী কর্নেল আকবর হোসেনের আশীর্বাদ কিনলেও, সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে এর মালিক বনে যান আওয়ামী লীগের লোক! এবং ব্যাবসা যতো বেড়েছে, যখন যাকে প্রয়োজন, আওয়ামী রাজনিতিজীবিকে সাইফ পাওয়ারটেকে বেশ্যার মতো ভাড়া খাটিয়েছে।
টেন্ডারে অনিয়ম করে করে এপর্যন্ত কাজ ধরে রেখেছে, সামনের জানুয়ারী পর্যন্ত তাদের চুক্তির মেয়াদ আছে।
এই টার্মিনাল অপারেটর হিসেবে যদি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দায়িত্ব দিয়ে চুক্তি করা হয়, তা হলে, অসুবিধা বা আপত্তিটি কী? - রেট ছাড়া আর কী দেখার আছে?
একটি কথা বলে রাখি, সাইফ পাওয়ারটেক ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করছে না (বা করতে পারছে না), একারণে ৫১৮ কোটি টাকা আদায়ে ব্যাংক তাদের সম্পত্তি নিলামে তুলেছে। অথচ, তাদের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের কথা বাতাসে ভেসে বেড়ায়!
এরকম প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিলে, আর দেশী কোনো প্রতিষ্ঠান কি আছে?
আছে কি নাই - এটা কোনো প্রশ্ন হতে পারে না। পোর্টে বিদেশী জাহাজ আসতে পারবে, বিদেশী পণ্য আসতে পারবে, কিন্তু বন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং বিদেশী প্রতিষ্ঠান করতে গেলেই গেলো গেলো বেচে দিল বেচে দিল রব উঠার কারণটা কী? - বাইরের প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক চাঁদাবাজি ও শ্রমিকদের গুন্ডামি চলবে না?
চিটাগং পোর্টে বিভিন্ন টার্মিনালে পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের অপারেটর থাকাটা তো খুবই হেলদি ব্যাপার মনে হয়। সিংগাপুর পোর্ট অথোরিটি, ডিপি ওয়ার্ল্ড ও এপি মোলার প্রত্যেকে নিজ দেশ ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পোর্টে অপারেটরের কাজ করে। সেইসব দেশের বন্দর কি এরা খাইয়া ফেলতেছে? তাহলে?
এপি মোলার ৩৬টি দেশে ৬৫টি পোর্টে অপারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। ডিপি ওয়ার্ল্ড সম্পুর্ণ পোর্ট ও টার্মিনাল মিলিয়ে ১৫০ টি ইউনিটে অপারেট করে। পোর্ট অব সিংগাপুর অথোরিটি ৪৫টি দেশে ৭৩ টি টার্মিনাল অপারেট করে।
এদেশে কী সব টোনাটুনির আদিখ্যেতা, তাদের পোর্ট না জানি কী একখান সোনার টুকরা পিতলা ঘুঘুটা, সেইটা খাইয়া ফেলতে বিশ্বের দেশে দেশে পোর্ট অপারেট করা প্রতিষ্ঠানগুলো ষড়যন্ত্র করেই যাচ্ছে!
ইউনূস সওদাগর বা আশিক চৌধুরী বা অন্য কেউ টেকা টুকা কয় বস্তা খাইলো, সেই খবর পাইলে ধইরা জাতির সামনে উন্মোচন কইরেন হাউকাউ করা পাবলিকেরা। তার আগে, নো ন্যুইসেন্স প্লিজ!
Bekar365.com
Those who do not want to work, they are unemployed. There are hundreds of unemployed people whose fa
"আহা জীবন"
৭×১= শৈশব
৭×২= যৌবন শুরু
৭×৩= বিয়ের বয়স
৭×৪= সন্তান আগমনের সময়
৭×৫= কাকা ও জেঠা হওয়া
৭×৬= সংসারের দায়িত্বের চাপ
৭×৭= বৃদ্ধ হওয়া শুরু
৭×৮= অবসরের মানসিকতা শুরু
৭×৯= দাদা ডাক শুরু
৭×১০= বিদায়ের প্রহর গণনা শুরু।
এটাই বাস্তবতা,,,,,,,,,,,,,,,,,,,!
16/09/2024
সবাইকে পড়ার অনুরোধ করা হলো।
মুফতি ফয়জুল করীম (শায়খে চরমোনাই) এর ঐক্য সংক্রান্ত বক্তব্যের অপব্যাখ্যা এবং উনাকে সাইবার বুলিং (বিতর্কিত) করে কিছু ভাই অতি রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন!
যারা বলছেন শর্ত দিয়ে ঐক্য হয়না, ফয়জুল করীম মুখে ঐক্যের কথা বললেও অন্তরে ঐক্য চায়না!
এসব বস্তাপঁচা যুক্তি নিয়ে যারা হাজির হচ্ছেন, তাদের কাছে বিনীত প্রশ্ন........
শর্ত কাকে বলে? শর্ত আর সংশোধন কি এক?
তিনি কী রাজনৈতিক ভাগবাটোয়ারার (এত আসন দিতে হবে/আমীর মানতে হবে) এমন কথা বলেছেন! তিনি যদি স্বার্থ/ভাগাভাগি নিয়ে কথা বলতেন, তাহলে সেটাকে বলা যেত শর্ত! তিনি তো এমন কোন কথা একবারও বলেননি।
আকিদাগত সংশোধনের কথা বললেই আপনাদের কিছু লোকের মাথা গরম হয়ে যায় কেন?
কেন! আপনারা ভুলের উর্ধ্বে নাকি!?
আর, সংশোধন তো শুধু জামায়াতের হবে না। ভুল থাকলে সংশোধন হবে উভয় দলের। আপনাদের আলোচনা হওয়া উচিত ছিল এটি। আপনারা বলতে পারেন যে, সংশোধন হলে উভয় দলের হতে হবে! শুধু জামায়াতের হবে কেন!
আপনাদের দায়িত্বশীল (নেতাদের) এবং উল্লেখযোগ্য আলেমগণের পক্ষ থেকে চরমোনাই তরিকার ভুলগুলো উত্থাপন হোক!
তারাও (চরমোনাই তরিকা) সংশোধন হোক।
তাহলেই তো আমাদের মাঝে আর কখনো কাঁদা ছোড়াছুড়ি হবে না, তখন ঐক্য বিনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকবেনা। নইলে যে বেশিদূর আগানো যাবে না, এটাতো চরম সত্য। শায়খে চরমোনাই বারবার স্রেফ এটাই বুঝাতে চাচ্ছেন!
*ফয়জুল করীম ঐক্যের পথে সবচেয়ে বড় বাঁধা!
আচ্ছা, এই ঐক্য বিরোধী লোকটাই বারবার (শর্ত দিয়ে হলেও) আপনাদের নাম ধরে ডেকে ডেকে ঐক্যের আহ্বান করে আসছেন! কিন্তু আপনাদের কেন্দ্রীয় কোনো নেতা এখন পর্যন্ত একবারও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর নাম ধরে ঐক্যের আহ্বান করেছে? অন্তত ৫আগষ্টের পরের এমন একটা বক্তব্য দেখান!
তাহলে ঐক্য বিরোধী আসলে কে!?
আপনাদের তৃণমূলের কিছু লোকের কথাবার্তা তো পুরাই উশৃংখল এবং অসংলগ্ন। চরমোনাই এবং ফয়জুল করীম সাহেবের নামকে ব্যঙ্গ করে যেভাবে ডাহামিথ্যে লেখালেখি করে, যা খুবই দুঃখজনক।
দায়িত্বশীল পর্যায়ের লোকদের প্রতি আহ্বান, এদেরকে থামান। সংশোধনের মানসিকতায় আসুন, আমাদেরকেও সংশোধন করুন।
আমার আশা/ইচ্ছা......
দায়িত্বশীলগণ (উভয় দলের পক্ষ থেকে) বিভিন্ন সভা সমাবেশ থেকে (শর্ত দিয়েও হোক, না দিয়ে হোক) এভাবে ঐক্যের আহ্বান করতে থাকুক। একদিন ঐক্য হবেই হবে ইনশাআল্লাহ।
26/08/2024
তারা আবার ফিরে আসছে রিকশাওয়ালা মামা রূপে!
ছবিতে: প্রিয় রিকশাওয়ালা সাদ্দাম মামা।
26/08/2024
নতুন রূপে ক্ষমতা নিয়ে ফিরে এলো।
কিছু মানুষের ভুল ধারনা ছিল ব্যাটালিয়ন আনসার নিয়ে ?
আনসার বাহিনীর মধ্যে ৩টা সেক্টর আছে
১1 ব্যাটালিয়ন আনসার ( সরকারি ) ( সংখ্যাঃ ১৮ হজার )
২1 সাধারণ আনসার (অস্থায়ী ) ( সংখ্যাঃ ৯৫ হাজার
৩1 ভিডিপি (ভাতা ভিত্তিক ) (সংখ্যাঃ ৫৮ লক্ষ ৮৭ হাজার)
মোট আনসার প্রায় ৬১ লক্ষ
এই ৬০ লক্ষ আনসারদের কখনো সরকারি করা সম্ভব না। বাংলাদেশ এ সকল সরকারি চাকরিজীবী মিলিয়ে ৬০ লক্ষ হবে না।
সুতরাং
সাধারন আনসারের আন্দোলনের সাথে
ব্যাটালিয়ন আনসারের কোন সম্পর্ক নাই
ব্যাটালিয়ন আনসার একটা সম্পূর্ণ আলাদা ইউনিট, আলাদা পোশাক ধারী বাহিনী। নিচে দেওয়া আছে?
©
বিপদে বন্ধুর পরিচয়।
বন্যা উপদ্রুত এলাকায় উদ্ধার করতে চট্টগ্রাম থেকে মানুষ ছুটে যাচ্ছে নৌকা স্পিডবোট নিয়ে...
ঢাকা থেকে সাহায্য নিয়ে ছুটে যাচ্ছে সাধারণ মানুষ ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালি তে...
আজকে একদিনে টিএসসিতে ১৪ লাখ+ টাকা ত্রাণের জন্য উঠে গেছে...
বিভিন্ন কোম্পানীর কর্মচারীরা একদিনের বেতন দান করে দিচ্ছে...
ফাণ্ডের পর ফাণ্ড খোলা হচ্ছে বিভিন্ন এনজিও, অফিসে ত্রাণের জন্য....
মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে নিম্নবিত্তরাও যার যার সামর্থ্যে যা পারছে দিচ্ছে....
যাদের বাস আছে, ফ্রীতে বাস সার্ভিস দিচ্ছে, যাদের হেলিকপ্টার আছে, ফ্রীতে হেলিকপ্টার সার্ভিস দিচ্ছে...
সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনীর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সাধারণ মানুষ নেমে পড়েছে ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালি, লক্ষ্মীপুরের অসহায় মানুষদের পাশে!
যারা ১৭ দিন আগেও জানত না তাদের ভাগ্যে কি আছে, যারা ১৭ দিন আগেও রাস্তায় নেমে এসেছিল স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতন ঘটাতে, সেই তারাই আজ জাতীয় দুর্যোগে জাতির দুর্ভাগ্যকে পালটে দিতে দ্বিতীয়বারের মত নেমে গেছে কিছুর পরোয়া না করেই!
পড়েছিলাম 'বিপদে বন্ধুর পরিচয়'। সেটা পালটে গেছে। এখন এটা 'বিপদে বাংলাদেশীর পরিচয়'।
এটাই বাংলাদেশ। ❤️❤️
=>এক নারীকে ১ ঘন্টা সহ্য করার কারণে সেনাপ্রধানের সংবর্ধনা পেলো ক্যাপ্টেন আশিক ভাই।
এদিকে গত ৭/৮ বছর ধরে যে নীরবে আরেকটাকে আমি সহ্য করছি, তার জন্য সংবর্ধনা দেবে কে?
ছাত্রদের আঁকা ছবিতে দেখুন কি করেছে || যারা করেছে তাদের উদ্দেশ্য কি??
#কোটাআন্দোলন
#টিএসসি
15/08/2024
জাতী কি হারিয়েছে দেখুন।
08/08/2024
ইনার দল ১৪৪ ধারা প্রথম ২ লক্ষাধিক লোক নিয়ে কারফিউ ভঙ্গকারী। ৫ তারিখে জনগণকে ঢাকার রাজ পথে থাকার জন্য ডাকদেন। যারে নিয়ে আপনারা সমালোচনা করেন, ইনি সেই বাংলার বীর, চরমোনাই পীর (শায়েখ চরমোনাই) এর দল। যিনি ছাত্রদের পক্ষে আন্দোলনের শুরু থেকেই আছেন। এবং দেশ ও ইসলামের জন্য যিনি সর্বদা সোচ্চার।
এখন অনেক দল লাফাচ্ছে, সমাবেশ করছে, আজো অনেক ছাত্র ভাই হসপিটালে চিকিৎসা অবস্থায় শহীদ হচ্ছে, রক্তের দাগ শুকাইনি। তারা জনগনের দল হতে পারে না। অনেক মিডিয়া দেখছি এখন তাদের পিছনে ছুটছে, পা চাটা শুরু করেছে।
সরকার পতনের ছাত্রদের পরে যদি কোনো রাজনৈতিক দলের ভূমিকা থাকে সেটা ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশ।
জাতীকে এই দলকে সম্মান যানানো উচিৎ।
আমি তাদের সম্মানের জন্য এই পোষ্ঠ করলাম।
#ইসলামিকআন্দোলনবাংলাদেশ #হাতপাখা #পীরসাহেবচরমোনাই #কোটাআন্দোলন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Address
Bangaladesh
Dhaka
1000