ঢাবি,রাবি,চবি,জাবি ও গুচ্ছ ভর্তি সহায়তা কেন্দ্রে

ঢাবি,রাবি,চবি,জাবি ও গুচ্ছ ভর্তি সহায়তা কেন্দ্রে

Share

Academia of Admission-your learning pertner...

11/01/2026

ফিরে এসো পড়ার টেবিলে

09/01/2026

হাদি ভাই আমাদের টাইমলাইন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে!💔🥺

08/01/2026

কামব্যাক দিতে হবে মেসির মত🙂

08/01/2026

প্রিয় ভাইয়ারা,
D unit এর রেজাল্ট দেওয়া হয়েছে।
পজিশন জানাও

07/01/2026

CU A Unit এর ফলাফল প্রকাশিত

06/01/2026

রাত ৩:০০ টায় রোগীটা মারা গেল। বয়স প্রায় ৮০, সাথে শুধু স্ত্রী।
জিজ্ঞেস করলাম, বাড়িতে খবর দিয়েছেন? রোগী তো সন্ধ্যা থেকেই খারাপ ছিলো। কেউ আসেনি?

এরপর এক নিষ্ঠুর বাস্তবতার মুখোমুখি হলাম যার জন্য আমার কোন মানসিক প্রস্তুতি ছিল না--

রোগীর দুই ছেলে, বড় জন সৌদি আরব, ছোট ছেলে বাড়িতে। বড় ছেলের জোরাজুরিতেই হাসপাতালে আসা। ছোট ছেলের আপত্তি অগ্রাহ্য করে কেন হাসপাতালে আনা হলো, এই অপরাধে বৃদ্ধ বাবাকে একবারও দেখতে আসেনি সে। উল্টো তাকে বাবার খারাপ অবস্থা জানানো হলে তার ভাষ্য ছিলো-
" আমি তো হাসপাতালে নিতে বলিনাই, সৌদি থিকা আইসা বাপেরে দেইখা যাইতে কও"!

জিজ্ঞেস করলাম, আত্মীয় স্বজন?

জানালো কেউ আসবে না, যখন তাদের প্রয়োজন ছিল তখন এসেছে। এখন লাশ নিতে আসলে যদি দুই পয়সা খরচ করতে হয়!
রাত ৩:০০ টায় ষাটোর্ধ্ব নারী তার সদ্য প্রয়াত স্বামীকে নিয়ে একটি উপজেলা হাসপাতালের ওয়ার্ডে, সাথে নেই কোন চেনা মুখ! কল্পনা করতেও বোধহয় কষ্ট হয়!
আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, কয়টা বাজে? আজান দিতে আর কতক্ষণ?
আমি বললাম বেশিক্ষণ না, দুই-আড়াই ঘণ্টা!

ভদ্রমহিলা আমার হাত ধরে ফেললেন-
"আমারে হাসপাতাল থেকে বাইর করে দিয়েন না, সকাল হইলেই ভ্যান নিয়া চইলা যামু"!

শোকার্ত নারীটি যেন ঠিকমতো শোক প্রকাশ করারও সুযোগ পাচ্ছে না। একবার লাশের কাপড় ঠিক করছে, কিছুক্ষণ দোয়া পড়ছে, কিছুক্ষণ আস্তে আস্তে কান্না করছে, আবার একা একা এই লাশ বাড়ি পর্যন্ত কিভাবে নিয়ে যাবে সেটাও বোধহয় আনমনে ভাবছে।

আমি শুধু তার মাথায় হাত রেখে আস্তে করে বলতে পারলাম, "থাকেন। কোন সমস্যা নাই"।

ওয়ার্ড থেকে বের হয়ে ৮০ বছরের বৃদ্ধের দিকে তাকিয়ে ভাবতে লাগলাম জীবন ঠিক কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে। শেষ পরিণতি হিসেবে মৃত্যুর পর লাশটা নেওয়ার মানুষটাও নেই।
আহারে জীবন!

এই জীবন নিয়ে আবার কত বড়াই!
অথচ ঠিকমতো দাফন-কাফন পাবো কিনা তার কোন নিশ্চয়তা নেই!
~ড. তপন

ডাঃ আপেল মাহমুদ

06/01/2026

এই এডমিশন টেস্টের সময়টা আসলে খুব অদ্ভুত এক সময়।
চারপাশে হাজার হাজার শিক্ষার্থী,
কেউ চান্স পাচ্ছে, কেউ পাচ্ছে না।
অথচ না পাওয়াদের অনেকেই হয়তো সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করেছে।
এটা অস্বাভাবিক না, এটাই বাস্তব।
এডমিশন টেস্টে শুধু পরিশ্রম করলেই সবকিছু হয় না,
ভাগ্যও এখানে বড় একটা ভূমিকা রাখে।
একটা প্রশ্ন, একটা মুহূর্তের নার্ভাসনেস,
একটু এদিক-ওদিক...সবকিছু বদলে দিতে পারে পুরো ফলাফল।
এই যে হাজার হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন নিজের সাথেই লড়াই করে যাচ্ছে,
হতাশার সাথে, ভয়-এর সাথে,
“আমি কি পারবো?” এই প্রশ্নটার সাথে।
কিন্তু কয়জনই বা তাদের খোঁজ রাখে?
উল্টো অনেকে অপেক্ষা করে থাকে কথা শোনানোর জন্য,
“আর একটু পড়লে হতো”,
“ও তো পারলো, তুমি পারলে না কেন?”
কারও মনে হয় না, হয়তো সে তার সর্বোচ্চটাই দিয়েছে।

আমাদের সমাজটা এমনই আসলে,
এখানে চেষ্টা দেখার চেয়ে ফলাফল দেখতেই সবাই বেশি অভ্যস্ত।
কেউ জানতে চায় না, তুমি কত রাত ঘুমাওনি,
কতবার ভেঙে পড়ে আবার বই খুলে বসেছো,
কতবার নিজের সন্দেহের সাথে যুদ্ধ করেছো।
চান্স পেলে তুমি “মেধাবী”,
আর না পেলে তুমি যেন “অযোগ্য”-এই দু’য়ের মাঝখানে যে সীমাহীন পরিশ্রম,
তা কারও চোখে পড়ে না।
সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো,
এই সময়টায় শিক্ষার্থীরা শুধু পরীক্ষার সাথেই না,নীরবে লড়াই করে যায় পরিবার, সমাজ আর নিজের ভেতরের অসহায়তার সাথেও!

06/01/2026

আজকে ৩ বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা রেজাল্ট প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে!
(কৃষি গুচ্ছ, জবি আর চবি)

05/01/2026

🏔️ হিমালয়ের পাদদেশ থেকে মতিহারের সবুজ চত্বর: সায়মার রাবি জয়ের গল্প
পরিচয়:
* নাম: সায়মা পারভীন
* স্কুল: পঞ্চগড় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
* কলেজ: মকবুলার রহমান সরকারি কলেজ, পঞ্চগড়
সায়মার বাবা ছিলেন একজন ছোট দোকানদার। পঞ্চগড়ের তীব্র শীতে যখন সবাই লেপের নিচে ওম খুঁজত, সায়মা তখন পাতলা একটা চাদর গায়ে জড়িয়ে পড়ার টেবিলে বসে থাকত। তার স্বপ্ন ছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু বাদ সাধল তার এইচএসসি রেজাল্ট। গোল্ডেন জিপিএ-৫ এর যুগে তার জিপিএ ছিল ৪.৫০। আত্মীয়রা টিপ্পনী কেটে বলত, "এই রেজাল্ট দিয়ে রাবিতে পরীক্ষা দেওয়া আর হিমালয়ে চড়া একই কথা।"
📉 অন্ধকারের দিনগুলো
পঞ্চগড় থেকে রাজশাহী গিয়ে কোচিং করার সামর্থ্য সায়মার বাবার ছিল না। সায়মা দমে যায়নি। সে তার কলেজের পুরনো লাইব্রেরি আর বড় ভাইদের ফেলে দেওয়া নোটগুলোকে নিজের সম্বল বানাল। তার কোনো স্মার্টফোন ছিল না, তাই সে জানত না বাইরের দুনিয়ায় কী হচ্ছে। তার পৃথিবী ছিল কেবল ওই বইয়ের পাতাগুলো।
সে সময় সায়মার মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন। রান্নাবান্না থেকে শুরু করে মায়ের সেবা—সব সামলে সায়মা পড়ার সময় পেত কেবল রাতে। রাত ২টা পর্যন্ত পড়ার পর আবার ভোর ৫টায় উঠে সে পড়তে বসত। চোখের নিচে কালি জমে গিয়েছিল, কিন্তু চোখের মণি তখনো রাবির 'প্যারিস রোড' দেখছিল।
⚔️ সেই অনিশ্চিত যাত্রা
ভর্তি পরীক্ষার আগে পঞ্চগড় থেকে রাজশাহী যাওয়ার টিকিট কাটার টাকা ছিল না। সায়মার বাবা তার দোকানের কিছু মালামাল বাকিতে বিক্রি করে মেয়ের হাতে টাকা তুলে দিলেন। সায়মা যখন বাসে উঠছিল, তার বাবা শুধু বলেছিলেন, "মা, আমার মানটা রাখিস।"
রাজশাহীতে গিয়ে সায়মার থাকার কোনো জায়গা ছিল না। এক পরিচিতের মেসে মেঝেতে চাদর পেতে সে রাত কাটিয়েছে। পরীক্ষার দিন সকালে কেবল এক কাপ চা খেয়ে সে রাবির 'এ' ইউনিটের পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে ঢুকল।
🎉 বিজয়ের মহেন্দ্রক্ষণ
রেজাল্টের দিন সায়মা পঞ্চগড়ের এক সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে বসে ছিল। নেটওয়ার্ক খুব ধীরগতিতে কাজ করছিল। যখন স্ক্রিনে তার রোল নম্বরটি মেধাক্রম ১১৫ (এ ইউনিট) এর পাশে ভেসে উঠল, সায়মা চিৎকার করতে পারল না। তার গলা দিয়ে কেবল অঝোরে পানি নামছিল। ক্যাফের লোকজন অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিল। সে এক দৌড়ে বাড়ি গিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরল। তার বাবা কিছুই বুঝতে না পেরে শুধু বললেন, "হয়েছে রে মা?" সায়মা মাথা নেড়ে সায় দিল।
🏛️ বর্তমানে সায়মার জীবন (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)
আজ সায়মা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা (Mass Communication & Journalism) বিভাগের ছাত্রী। তার দিনগুলো এখন বদলে গেছে:
১. প্যারিস রোডের রানী: সায়মা এখন যখন প্যারিস রোডের বিশাল গাছগুলোর নিচ দিয়ে হেঁটে ক্লাসে যায়, তার মনে পড়ে পঞ্চগড়ের সেই কনকনে শীতের রাতের কথা। সেই কষ্ট আজ তাকে এই রাজকীয় পথে হাঁটার সুযোগ করে দিয়েছে।
২. টিউশনি ও স্বপ্ন: সে এখন রাজশাহীতে ভালো কয়েকটি টিউশনি করে। নিজের খরচ চালিয়ে সে প্রতি মাসে পঞ্চগড়ে তার বাবার দোকানে কিছু টাকা পাঠায়, যেন বাবাকে আর মালামাল বাকিতে বিক্রি করতে না হয়।
৩. বিজয়িনী: যে আত্মীয়রা একসময় হাসাহাসি করত, তারা এখন সায়মার বাবার কাছে এসে জিজ্ঞেস করে, "সায়মা মা কীভাবে এত ভালো করল?"
💡 সায়মার গল্প থেকে তোমার শিক্ষা:
* রেজাল্টই শেষ কথা নয়: জিপিএ ৪.৫০ নিয়ে যদি সায়মা সাংবাদিকতা বিভাগে চান্স পেতে পারে, তবে তোমার জিপিএ যাই হোক, তুমিও পারবে।
* দারিদ্র্য কোনো অভিশাপ নয়: তোমার পকেটে টাকা নেই মানে এই নয় যে তোমার মাথায় বুদ্ধি নেই। সায়মার মতো জেদ থাকলে পুরনো বই দিয়েই ইতিহাস লেখা যায়।
* শুরু করো আজ থেকেই: পঞ্চগড় থেকে রাজশাহী—রাস্তাটা দীর্ঘ হলেও প্রথম কদমটা কিন্তু সায়মা তার পড়ার টেবিল থেকেই নিয়েছিল।

04/01/2026

গণরুম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

04/01/2026

বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ, সিদ্ধান্ত বিসিবির

04/01/2026

★ শোক সংবাদ ★

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস মা রা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।

শনিবার ভোরে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন এলাকায় আঘাত হানা যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি বো মার একটি গিয়ে তার শরীরে আ ঘাতে হানে বলে একটি অবিশ্বস্ত সূত্রে জানিয়েছে।

সূত্রটি জানায়, মৃ ত্যুর কারণে তিনি ভেনিজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শক্তিশালী (পারমাণবিক বো.মাসদৃশ) বিবৃতি দিতে পারেননি। তার মৃ.ত্যুতে বিশ্বনেতৃবৃন্দ অগভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

তারা এক বিবৃতিতে বলেন, বিশ্বের যেকোনো জায়গায় মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তিনি তার সংস্থা ছিলো বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর।

তার মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি শোকাহত বাংলাদেশ। কারণ তিনি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর গণহ ত্যার বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন।

[বি:দ্র: এটি কল্পনাপ্রসূত একটি সংবাদ। বাস্তবতার সাথে মিল নাও থাকতে পারে।]

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Dhaka
1000