৩৭ হাজার ৫৭৪ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে।
BCS স্বপ্নপূরণ
BCS স্বপ্নপূরণ | Online Teaching, Marketplace & E-Learning Platform
16/07/2022
বহুদিন আগে আমার বাবা তার খালি জমিতে একটা গরিব পরিবারকে থাকতে দিয়েছিলেন।
বেশ কয়েক বছর পর বাবা বাড়ি করার জন্য জমিটা ছাড়তে বললে তারা ছাড়তে রাজি হলো না। পরে অনেক কসরত করে, টাকা পয়সা দিয়ে তাদেরকে সরানো হয়েছিল।
শুনে যা বুঝলাম, তাহলো একটা জমিতে অনেকদিন থাকলে নাকি তাতে তার অধিকার জন্মে যায়।
আমিতো অবাক। দয়া করে থাকতে দিয়েছে। কোথায় কৃতজ্ঞ হবে, তানা উল্টো দখল করে বসে আছে। ভাবলাম জমির ব্যাপারতো
তাই লোভ সামলাতে পারেনি।
আমি যেখানে থাকি সেখানে এক রিক্সাওয়ালা আছে আমার দেশি। বাজারে সে থাকলে আমি তার রিক্সাতেই আসি। বাজার থেকে আমার বাসা পর্যন্ত ভাড়া ৪০ টাকা ফিক্সড। তবে আমি নিয়মিত ৫০ টাকা দিতাম।
একদিন আমার কাছে খুচরা ৪৫ টাকা ছিলো। ঐ টাকাই দিলাম। টাকাটা দেয়ার সাথে সাথে একরকম চিৎকার করে উঠলো, “ আর ৫ টাকা ? " আমি কিছুক্ষন চুপ থেকে বললাম, " ভাড়াতো ৪০ টাকা, বাকি ৫ টাকা ফেরত দেন। "লোকটা হেসে বলল না সবসময়তো ৫০ টাকা দেন তাই কইলাম। ভাবলাম থাক গরিব মানুষতো, তাই এমন করলো।
আমার এক প্রতিবেশী।
রোজ বাচ্চাকে স্কুলে দিতে যায়। তার গোয়ালাটা সে ফেরার আগে দুধ নিয়ে আসে। আমি বাড়িতে না থাকায় সেই দুধ নেয়ার দায়িত্বটা আমার কাজের লোকের উপর পড়ে।
প্রতিবেশি হিসেবে এটুকু উপকারতো করতেই হয়। একদিন আমার কাজের লোকটি কোথাও একটা কাজে বেড়াতে গেছে, দুধটা আর নেয়া হয়নি।
আমি বাসায় ফেরার পর উনি এসে বলল,
" আপনার কাজের লোক কোথায়? "
-- একটু বেড়াতে গেছে।
--আমাকে আগে বলল না। এখন দেখেনতো আমার ছোট ছেলেটা কি খাবে ?
আগে বললে আমি অন্য কাউকে দায়িত্ব দিতাম।
--ভাবি ও হয়তো ভুলে গেছে।
--না যাই বলেন কোনো দায়িত্ব নিলে ঠিক ভাবে পালন করতে হয়।
--ভাবি ও হয়তো আপনার এই দায়িত্বের জন্য উপযুক্ত পারিশ্রমিক পায়না তাই অবহেলা করেছে। আপনি বরং দায়িত্বটা অন্য কাউকে দিয়েন।
সে কিছুক্ষন আমার দিকে তাকিয়ে থেকে গটগট করে চলে গেলো।
ভাবলাম, অল্প শিক্ষিত মহিলাতো তাই এমন আরকি।
আমার এক কলিগ। গর্ভবতী হয়ে অফিসে কাজ করেন, আমি তার কষ্ট দেখে তার একটা কাজের দায়িত্ব নিজে থেকেই নিলাম।
সে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে গেলো। সে ফিরেও এলো। তাকে কাজটা ফিরিয়ে দিতে চাইলে সে গরিমসি শুরু করলো। ভাবটা এমন যে কাজটা আমারই ছিলো। এবার ভাবনাটা বদলালাম।
আসলে মানুষ একটা সুবিধা বেশিদিন ভোগ করলে সেটাকে তার অধিকার ভেবে নেয়।
ভুলে যায় --"It's facility, not right."
তাই শুধু সুবিধা দেয়া নয়, নেয়ার ক্ষেত্রেও সাবধান থাকা দরকার।
হিউম্যান বিহেভিয়ার খুব অদ্ভুত। এটা প্রায় সবার ক্ষেত্রেই কাজ করে।
টিউশনি করানোর সময় আন্টি প্রতিদিন নাস্তা দিতেন। হঠাৎ টানা ২-৩ দিন নাস্তা না দেয়ায় আমার খুব খারাপ লেগেছিল, আরে নাস্তাই দিল না।
পরে অবশ্য আমার নিজের আচরণে আমি নিজেই অবাক হই। আমার সাথে তো কখনো অভিভাবক এর নাস্তা নিয়ে চুক্তি হয়নি,
তারা তো আমাকে নাস্তা দিতে বাধ্য নন।
বরং নাস্তা দেয়ার জন্য আমার তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিৎ ছিল।
কোনটা অধিকার আর কোনটা অতিরিক্ত পাচ্ছি, সেটা বোঝা জরুরি।।
[সংগৃহীত] বাংলাদেশ ভ্যাট স্কুল Bangladesh VAT School
02/07/2022
সবার কাজে লাগবে আশা করি। 😊😊😊
৪৫তম বিসিএস সার্কুলার আগস্টের ১ম সপ্তাহ হতে যাচ্ছে । এখন পর্যন্ত পোস্ট রেডি ১৬০০+
08/06/2022
এক নজরে বাজেট ২০২২-২৩
আপডেট তথ্য
তুরস্কের নাম পরিবর্তন । নতুন নাম - তুর্কিয়ে (Turkiye) আগের নাম ছিল -Turkey
👉👉 বিশ্বে এ পর্যন্ত যে সকল দেশের নাম পরিবর্তন হয়েছে
🟢মেসিডোনিয়া - উত্তর মেসিডোনিয়া।
🟢সোয়াজিল্যান্ড - ইসওয়াতিনি।
🟢হল্যান্ড - নেদারল্যান্ডস।
🟢দক্ষিণ রোডেশিয়া - জিম্বাবুয়ে।
🟢শ্যাম - থাইল্যান্ড।
🟢পার্সিয়া - ইরান।
🟢আফ্রিকার কোন দেশ নিজেদের রাজধানীর নামকরন করে আমেরিকার একজন প্রেসিডেন্টের নামে।
উ: লাইবেরিয়া। রাজধানী মনরোভিয়ার। জেমস মনরো এর নামে।
🟢🟢ইন্দোনেশিয়ার রাজধানীর নাম পরিবর্তন
- নতুন নাম = নুসানতারা । আগের নাম জাকার্তা।
🟢ইরানের নতুন মুদ্রার নাম কী?
ⓐ রিয়াল
ⓑ টাকা
ⓒ রুপি
ⓓ তুমান✅✅
🟢 কাজাখাস্তানের বর্তমান রাজধানীর নাম কী?
ক. আশাখাবাদ
খ. বিশকেক
গ. নুর সুলতান
ঘ. তিরানা
উত্তর: গ
🟢 কত সালে বাংলাদেশের রাজধানীর নাম Dacca পরিবর্তন হয়ে Dhaka হয়?
১৯৮৮ সালের ২৭জুন ( সংবিধানের ৮ম সংশোধনী)
।।।।
বাংলাদেশের নতুন বিভাগ হলো "
🟢মেঘনা"।
আওতাধীন জেলাসমূহ হলো কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষীপুর, চাঁদপুর, ব্রাক্ষ্মনবাড়ীয়া।
🟢"পদ্মা"
আওতাধীন জেলাসমূহ হলো ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, রাজবাড়ী।
👋👋পদ্মা বিভাগের বিভাগীয় শহর ফরিদপুর।
মেঘনা বিভাগের বিভাগীয় শহর কুমিল্লা।
🟢বর্তমানে বাংলাদেশের জেলা সমূহ ১০ টি বিভাগে বিভক্ত।
©️Zakir's BCS specials
04/06/2022
বিসিএস লিখিত প্রস্তুতি নির্দেশনা
*আমি যেভাবে* রিটেনের* প্রস্তুতি* নিয়েছিলাম*-
৩৮ আমার প্রথম বিসিএস ছিলো। যা পড়াশুনা করছি ওই ৩৮ এর সময়ই। ৪০ এ পড়ার সময়ই পাই নাই। আমি চেষ্টা করছিলাম প্রিলির রেজাল্টের আগে ম্যাথ আর বিজ্ঞান শেষ করতে।
✍️গণিত:
৯-১০ এর সাধারণ + উচ্চতর গনিত চ্যাপ্টার ধরে ধরে শেষ করতাম। উদাহরণ, কাজ, অনুশীলনী সব করতাম। ১১-১২ এর বিন্যাস, সমাবেশ, সম্ভাব্যতা, সরলরেখা করতাম। আর অ্যাসিউরেন্স ডাইজেস্ট থেকে বৃত্ত, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ থেকে ২০-২৫ টা জ্যামিতি পড়েছিলাম। ম্যাথের জন্য কোন গাইড বই দরকার নাই।
✍️মানসিক দক্ষতা:
বিগত বছরের প্রশ্ন + ওরাকল + অ্যাসিউরেন্স ডাইজেস্ট দেখেছিলাম।
✍️ইংরেজি:
এই অংশে ভালো করার জন্য প্রচুর প্রাকটিস প্রয়োজন। আমার মনে আছে, ৩৮ এর সময় assurance এর বইতে ২৫ টি passage এর সবগুলো করেছিলাম। আর ট্রান্সলেশন + রিট্রান্সলেশন এর জন্য প্রতি মাসে সম্পাদকীয় থেকে অনুশীলন করতাম। সাথে assurance + ক্যাডার'স অনুবাদবিদ্যা বই থেকে প্রাকটিস করতাম। প্রায় ৫০ টা ট্রান্সলেশন আর ৫০ টা রিট্রান্সলেশন করে গেছিলাম। এক্সামের ডেট দেওয়ার পর রচনা গুছিয়েছিলাম। তবে তখন গ্রুপ থেকে প্রচুর হেল্প পেয়েছি। বড় ভাই+আপুরা রচনা নোট করে গ্রুপে পিডিএফ দিতেন। আমাদের কাজ ছিলো প্রিন্ট করে পড়ে ফেলা।
✍️বাংলা:
ব্যাকরণ অংশ ভালো করে প্রিপারেশন নিলে ২৭-২৮ পাওয়া অসম্ভব কিছু না। বাগধারা, বাক্য শুদ্ধি, বাক্য পরিবর্তন, বাংলা বানানের নিয়ম, শব্দ গঠন এগুলো যে কোন একটা বই থেকে পড়ে ফেলবেন। বাগধারা পড়েছিলাম সম্পাদকীয় বিশেষ সংখ্যা থেকে। বাকিগুলো প্রফেসর আর অ্যাসিউরেন্স ডাইজেস্ট দেখেছিলাম। সাহিত্য + দরখাস্ত + কাল্পনিক সংলাপ এ দুটো বই থেকে দেখেছিলাম। সাহিত্য ৩ মার্কের জন্য পৃষ্ঠা ভরে লেখার কিছু নাই। গ্রন্থ সমালোচনা সম্পাদকীয় বিশেষ সংখ্যা+ ডাইজেস্ট দেখেছিলাম। রচনা ইংরেজি অংশে বলেছি।
✍️বাংলাদেশ:
সংবিধান আর মুক্তিযুদ্ধ ভালো করে পড়েছিলাম। আরিফ খানের সংবিধান পড়েছিলাম।বাকিগুলো প্রতি চ্যাপ্টারের মেইন কয়েকটা প্রশ্ন পড়তাম। এতে পুরো অধ্যায়ের বিষয়বস্তু মাথায় ঢুকে যেত। ওভাবেই লিখে আসছি। টু দ্যা পয়েন্ট পড়তাম & লিখছিও তাই। কোন রকম সূচনা/উপসংহার লিখি নাই। অ্যাসিউরেন্স + প্রফেসরস পড়েছিলাম সাথে সম্পাদকীয়।
✍️আন্তর্জাতিক:
কনসেপচুয়াল পার্ট টা ভালোভাবে পড়তাম। যদিও সব প্রশ্ন কমন আসতো না। অ্যাসিউরেন্স +প্রফেসরস দেখতাম। এম্পিরিকাল পার্ট গ্রুপে বিভিন্ন ইস্যু পিডিএফ করে দিত। ওগুলাই পড়তাম। সাথে অ্যাসিউরেন্স থেকে টুকটাক দেখতাম + সম্পাদকীয়। প্রাসঙ্গিক মানচিত্র দিতাম। প্রবলেম সলভিং অ্যাসিউরেন্স দেখেছিলাম।
✍️বিজ্ঞান:
বিজ্ঞানের প্রশ্ন হয় ১/২, ১,২, মার্কের। কিন্তু ওরাকলে দেখতাম বেশ বড় করে উত্তর করা। মিলারস পড়েছিলাম। সাথে অ্যাসিউরেন্স ডাইজেস্ট। কম্পিউটার পার্ট মুজিবুর রহমানের ICT + ইজি কম্পিউটার + ডাইজেস্ট দেখেছিলাম। ইলেকট্রনিকস পার্ট শাহজাহান তপন + ডাইজেস্ট দেখেছিলাম।
প্রাসঙ্গিক লেখার চেষ্টা করবেন। টুকটাক সবাই উল্টাপাল্টা লিখে সব উত্তর করার জন্য। আমিও করছি। তবে খেয়াল রাখবেন সেটা যেনো মোট নাম্বারের ১০% এর বেশি না হয়।
পত্রিকা পড়ার অভ্যাস কম ছিলো। তাই প্রতি মাসে মহিদ'স সম্পাদকীয় পড়তাম।
কিছু কমন প্রশ্ন প্রায়ই শুনি-
১. কত ঘণ্টা করে পড়বো?
- যত ঘণ্টা করে পড়লে আপনার পড়া শেষ হবে তত ঘণ্টা।
২. কি কি বই পড়বো?
- যে প্রকাশনীর বই আপনার কাছে ভালো লাগবে, পড়ে মনে রাখতে পারবেন।
আমার টেবিলের কয়েকটা বাদে সব পুরাতন বই। রুমমেটসূত্রে পাওয়া। এখন অনেক ছোট ছোট বই পাওয়া যায় যা বিভিন্ন গাইড বইয়ের চেয়ে ভালো। সেগুলো পড়তে পারেন।
সবার জন্য শুভকামনা।
✍️✍️✍️✍️✍️
Mahmudul Haque Murad
সাবেক অফিসার, সোনালী ব্যাংক লি.
সাবেক সিনিয়র অফিসার, রূপালী ব্যাংক লি.
সুপারিশপ্রাপ্ত অফিসার, বাংলাদেশ ব্যাংক (জয়েন করা হয় নাই)
সহকারী পরিচালক, দুদক (গেজেটেড)
সহকারী পরিচালক, বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, ৩৮ তম বিসিএস নন ক্যাডার
সহকারী কর কমিশনার
(সুপারিশপ্রাপ্ত)
মেধাক্রম: ৪৭
৪০ তম বিসিএস
>৪৪তম প্রিলির জন্য কিছু নির্দেশনাঃ
আপনি নতুন পুরাতন যে প্রার্থী হোন না কেন নিম্নোক্ত কথাগুলো একটু মনে গেঁথে নিবেন--
১) আসন্ন ৪৪ তম প্রিলির জন্য এই মুহূর্তে কিংবা কাল থেকে যে কোনো প্রিলি প্রশ্ন ব্যাংক থেকে বিগত ১০তম-৪৩ তমের সকল(গণিত বাদে) প্রশ্ন অবশ্যই ব্যাখ্যাসহ বুঝে বুঝে সলভ করবেন। প্রতি বিসিএসে এদিক ওদিক হয়ে প্রচুর প্রশ্ন রিপিট হয়। যেমন ১০তম প্রিলিতে আসছিল এভাবে "যে দেশ এসডিআই কর্মসূচি গ্রহণ করেছে? আবার এই একই প্রশ্নকে একটু ঘুরিয়ে পিএসসি ৩৮তম বিসিএসে করল এভাবে " সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড রিগ্যান কর্তৃক ঘোষিত স্ট্রাটেজিক ডিফেন্স ইনিশিয়েটিভ(এস.ডি.আই) এর জনপ্রিয় ছিল?। অর্থাৎ প্রশ্নগুলো অনেক কাছাকাছি। সলভ করার সময় ব্যাখ্যাসহ পড়লে এভাবে প্রচুর প্রশ্ন বিগত সাল থেকে কমন পাবেন। এরকম সামান্য ঘুরিয়ে অনেক প্রশ্ন ৩৫তম-৪৩তমে আসছিল তা প্রমাণ আছে। সুতরাং প্রথমত বিগত সালের প্রশ্ন শেষ করবেন।
২) মোটা জব সলিউশন বই এখন থেকে সকল প্রশ্নের বাইবেল মনে করে সলভ করতে থাকুন। কাজেই ৪৪তম বিসিএসের প্রিলি মোটামুটি সময় আছে। তাছাড়া বাজারে এখন চিকন টাইপের প্রফেসর'স সাম্প্রতিক জব সলিউশন বই পাবেন। দাম ১৫০ এর মত হবে। বইটি কিনে সাম্প্রতিক/সমসাময়িক সকল মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রশ্ন সমাধান পাবেন। এজন্য ৪/৫ নাম্বার সাম্প্রতিকের জন্য চিন্তা করতে হবে না। আমি মোটেও কারেন্ট অ্যাফের্য়াস কিংবা কারেন্ট ওয়ার্ল্ড টাইপের বই পড়তে ইচ্ছুক না। এর পরিবর্তে পেপার কাটিং পড়া অনেক উপকারী।অন্যদের পড়ার রুটিন কিংবা পড়ার স্ট্রেটিজি ফলো করবেন না। ছাত্র জীবনে আপনি এর পূর্বে যেভাবে এগোচ্ছেন সেই ওয়ে ভিত করে আগাবেন। কাজেই একেক জনের একেক কৌশল ভিন্ন। মন থেকে বই যত্ন সহকারে পড়ুন ইনশাআল্লাহ চাকরি পেয়ে যাবেন।
৩) সিলেবাস বেশি বেশি স্টাডি করবেন। এতে কোন টপিকস খুবই গুরুত্বপূর্ণ জানতে পারবেন।
৪) ভূগোলের জন্য আলাদাভাবে না কিনে ৯ম/১০ম শ্রেণির ভূগোল বই থেকে পড়ুন ৪/৫ এমনিতেও কমন পাবেন।
৫) সাম্প্রতিক প্রশ্ন পড়ে বেশি সময় নষ্ট করবেন না। সাম্প্রতিক প্রশ্ন বেশি হলে ৫/৬টা পাবেন এর চেয়ে বেশি পাবেন না নিশ্চিত থাকেন। তবে পত্রিকা পাতাতে সবসময় চোখ রাখতে হবে।
৬) বাংলা+বাংলাদেশের বিষয়াবলি+গণিত(অাইকিউসহ)+ইংরেজি+আন্তর্জাতিক+কম্পিউটার=১৩৫ নাম্বার অাছে। এই সাবজেক্টে বেশি বেশি জোর দিন। তবে অন্য সাবজেক্টস একেবারেই বাদ দিবেন তা নয়।
৭) ঘরে বসে সপ্তাহে ৩/৪টি মডেল টেস্ট পরীক্ষা দিন। এতে নিজের প্রস্তুতির অবস্থান সম্পর্কে ভালো ধারণা পাবেন।
৮) একসাথে অনেকগুলো বই পড়বেন না। যেটা পড়বেন সেটা একটা বা দু'টো বই থেকে পড়বেন।
৯) মানসিক দক্ষতা বিগত রিটেন পরীক্ষায় অাসা প্রশ্ন থেকে পড়বেন ৯৯% কমন পাবেন।
১০) পরীক্ষার আগে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় থাকাটা বড় প্রয়োজন। এজন্য দিন-রাত এক করে না পড়ে নিজের শরীরকেও যত্ন নিবেন। যাতে এর খারাপ প্রতিক্রিয়া পরীক্ষাতে না পড়ে। শুভ কামনা রইল সকলের প্রতি।
-----------
ঊর্মি চৌধুরী।
বিসিএস এর জার্নি
(একদম নতুনদের উদ্দেশ্যে )
🌼বিসিএস সার্কুলার
(১.৫-২ মাস আবেদন এর সময় পাওয়া যায় )
(৪/৫ মাস পর প্রিলি পরীক্ষা হয়)
🌼প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ( ২০০ নম্বরের)
(১/২ মাসের মধ্যে রেজাল্ট হয়)
কাটমার্ক্স নামে একটা জুজু আছে।
🌼রিটেন পরীক্ষা
তিন প্রকারের ক্যাডার
১। জেনারেল ক্যাডার (৯০০ নম্বর)
২। প্রফেশনাল/টেকনিক্যাল ক্যাডার (৯০০ নম্বর)
৩। বোথ ক্যাডার (১১০০ নম্বর )
সাধারণত প্রিলির রেজাল্টের ৪/৫ মাস পরে পরীক্ষা হয়!
পাশ নম্বর -৪৫০ ( নির্ধারিত)
🌼ভাইভা ( ২০০ নম্বরের )
রিটেন রেজাল্টের ১/২ মাস পর শুরু হয়ে ৫/৬ মাস চলে।
পাশ নম্বর -১০০
🌼চূড়ান্ত সুপারিশ
এখানেও ৪/৫ মাস সময় লাগে।
🌼ভেরিফিকেশন
পুলিশ >>>জেলা প্রশাসন>>এন এস আই>>ডিজিএফআই ভেরিফিকেশন!
(এখানেও ৮/৯ মাস লাগে)
🌼স্বাস্থ্য পরীক্ষা
( ভেরিফিকেশন এর মাঝে হয়)
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক গেজেটের সার সংক্ষেপ তৈরি
🌼মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অনুমোদন
🌼মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক অনুমোদন
🌼জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশে গেজেট প্রকাশ
(এ পর্যন্ত আসতে ২.৫ - ৩ বছর সময় লাগে)
🌼নিজ নিজ মন্ত্রণালয় কর্তৃক পদায়ন
(১০-১৫ দিন লাগে)
🌼চূড়ান্ত জয়েনিং
১০-১৫ দিন সময় পাওয়া যায়।
বলা হয়ে থাকে বিসিএস মেধাবীদের জন্য নয়, এটি ধৈর্যশীল মেধাবীদের জন্য ।
🌼বিসিএস = ধৈর্য + পরিশ্রম + ভাগ্য।
লেগে থাকুন স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছতে।।
ধন্যবাদ।
Shakil Al-Amin
৩৬ বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে কর্মরত।।
১৭১০ পদে শীঘ্রই প্রকাশিত হবে ৪৪তম BCS এর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
সূত্র: প্রথম আলো(২৬.১১.২০২১)
১,৭১০টি পদের ৪৪তম বিসিএস সার্কুলার প্রকাশিত হতে পারে ৩০ নভেম্বর। তবে বিসিএস হবে সাধারণ বিসিএস; কোনো স্পেশাল বিসিএস নয়।
20/11/2021
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
1342