12/05/2023
IQS Consultancy
Islamic Page
12/05/2023
09/04/2023
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যত্র বলেন:
«يَا أَيُّهَا النَّاسُ، أَفْشُوا السَّلَامَ، وَأَطْعِمُوا الطَّعَامَ، وَصِلُوا الْأَرْحَامَ، وَصَلُّوا وَالنَّاسُ نِيَامٌ تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ بِسَلَامٍ»
হে লোক সকল! সালামের প্রসার ঘটাও, গরীব-দুঃখীদের খাদ্য দান কর, আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখ, রাতে যখন মানুষ ঘুমিয়ে থাকে, তখন সালাত আদায় কত, তাহলে নিরাপদে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
(আহমাদ ৫/৪১৫; তিরমিযী ২৪৫৮)
03/04/2023
আবু উমামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে একটি রোযা রাখবে, আল্লাহ সেই ব্যক্তি ও দোযখের মাঝে একটি এমন প্রতিরক্ষার খাদ তৈরী করে দেবেন; যা আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী জায়গা সমপরিমাণ চওড়া। (তিরমিযী, সহীহুল জামেইস সাগীর, আলবানী ৬৩৩৩নং)
22/09/2022
কোরআন হলো মুসলমানদের জীবনবিধান । কোরআনে সকল বিষয়ে মুমিন ব্যক্তিকে সতর্ক করা হয়েছে। যেমন তার প্রতিবেশির সাথে তার আচরণ সম্পর্কেও বলা হয়েছে। কেমন হবে পাশাপাশি থাকা মানুষের সম্পর্ক? প্রত্যেক মুমিনের উচিত তার প্রতিবেশিদের সাথে ভালো ব্যবহার করা এবং তাদের বিপদে আপদে খোঁজ খবর নেয়া। তাদের সাহায্য সহযোগিতা করা।
আর এ জন্য , আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:
“আর তোমরা ... পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন, ইয়াতীম, অভাবগ্রস্ত, নিকট প্রতিবেশী ও দুর-প্রতিবেশীদের প্রতি সদ্ব্যবহার করো।”(সূরা নিসা; ৩৬)
আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
“জিব্রাঈল আ. এসে আমাকে প্রতিবেশীর ব্যাপারে অবিরত উপদেশ দিতে থাকলেন; এমনকি আমার মনে হল, হয়ত তিনি প্রতিবেশীকে ওয়ারিশ বানিয়ে দিবেন।”{বুখারি;৬০১৪}
আব্দুল্লাহ ইবনে উমার(রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আরো বলেছেন, “আল্লাহর নিকট সর্ব উওম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে উওম। আল্লাহর নিকট সেই প্রতিবেশী সর্ব উওম, যে তার প্রতিবেশীর দৃষ্টিতে সর্বাধিক উওম।” [তিরমিযী ১৯৪৪, আহমাদ ৬৫৩০, দারেমী ২৪৩৭]
কোরআন ও হাদিসের আলোকে , এটা বলা যায় যে কোরআন তেলাওয়াতকারী তার আত্মীয় স্বজনই নয় শুধু, তার প্রতিবেশীদেরও খেয়াল রাখবে এতে করে একে অন্যের সম্পর্ক হবে সম্মানজনক। যাতে করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সহজ হবে। সবাই মিলেমিশে থাকলে যে কোন বাঁধা সহজে অতিক্রম করা যাবে। তবে এ ব্যপারে সবার ধারণা থাকতে হবে। যার জন্য প্রয়োজন কোরআনের সঠিক দিকনির্দেশনা। তাই কোরআন শিক্ষা ও তা বুঝার ব্যপারে সকলকে দাওয়াত দিতে হবে। আর কোরআন শিক্ষা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে –
ভিজিট: https://iqsbd.com/
যোগাযোগ: 01711234831
16/09/2022
পার্ট-টাইম হিফযুল কুর’আন এবং এরাবিক ভাষা শিক্ষা কোর্স
ভর্তির আবেদন ফরম লিংক:
https://www.iqsbd.com/admission-form
পার্ট-টাইম হিফযুল কুর’আন এবং এরাবিক ভাষা শিক্ষা কোর্স
স্কুল, কলেজ, ও ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলসমূহে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য কুর’আন হিফজ, প্রি-হিফজ এবং এরাবিক ভাষা শিক্ষার সুবর্ণ সুযোগ।
ক্লাসের ধরন: প্রতিদিন বিকালে ২ ঘণ্টা এবং মাগরিবের পর ২ ঘন্টা হিফজ। এভাবে নিয়মিত সপ্তাহে ৫ দিন হিফজ ক্লাস এবং ১ দিন আরবী ক্লাস করলে চার বছরের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ হাফেজ এবং কুরআনের ভাষা পড়তে, লিখতে, বলতে এবং বুঝতে সক্ষম হবে ইন-শা-আল্লাহ।
আমাদের বৈশিষ্ট্য:
মেধাবী, দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী দ্বারা পাঠদান।
চার বছরে সম্পূর্ণ কুরআন হিফজের ব্যবস্থা।
বিশ্ববিখ্যাত ক্বারীগনের তেলাওয়াত মাশক।
হিফজ সমাপন শেষে সার্টিফিকে প্রদান।
ভর্তির শর্তাবলী:
ছাত্রের যোগ্যতা:
১. সহীহ শুদ্ধভাবে কুরআন দেখে দেখে পড়তে পারা।
২. তাজভীদ-এর মৌলিক জ্ঞান জানা থাকা।
৩. নাজেরা পরীক্ষায় ৮০% নাম্বার পেলে হিফজ ক্লাসে উত্তীর্ণ হবে।
অভিভাবকের যোগ্যতা:
১. পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাতে আদায় করা।
২. বাসার ভিতরে এবং বাইরে ইসলামী নিয়মনীতি মেনে চলা।
ভর্তি প্রক্রিয়া:
১. অনলাইনে ভর্তি ফরম পূরণ করার পর ইন্টারভিউয়ের শিডিউল অনুযায়ী পরীক্ষা দেয়ার পর প্রথম মাসের বেতন দিয়ে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে।
যোগাযোগ: ১৯৫/১- এইচ শান্তিবাগ, ঢাকা-১২১৭
বিস্তারিত জানতে-- 01711234831
14/09/2022
নবী মুহাম্মদ(সঃ) বলেন, "কুরআন একটি সুপারিশকারী, কোরআনকে সুপারিশ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, এবং এটি যথাযথভাবে বিশ্বাস করা হয়, যে কেউ এটিকে নিজের সামনে রাখবে, তাকে জান্নাতে নিয়ে যাওয়া হবে; যে এটি তার পিছনে রাখবে তাকে জাহান্নামের আগুনে নিয়ে যাওয়া হবে।
কুরআন সম্পর্কে এই হাদিসটি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের কর্তৃত্বে, বিশ্বস্তদের জন্য কুরআন পড়ার গুরুত্ব এবং এর সর্বজনীন বাণীর প্রতিফলনের সংক্ষিপ্তসার।
অর্থাৎ আখিরাতে যখন সবাই সবার নিজের কাজ নিয়ে নিজে জবাবদিহিতে ব্যস্ত থাকবে, কেউ কারো চিন্তা করবে না তখন প্রত্যেক মানুষের জন্য তার কোরআন তেলাওয়াতই হবে তার জান্নাতে যাওয়ার সুপারিশকারী। তাই সকল মুমিন ব্যক্তির প্রয়োজন জীবনের সকল ক্ষেত্রে কোরআনকে যথাযথ প্রাধান্য দিয়ে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করা এবং প্রতিদিন নিজেও তেলাওয়াত করা ও অন্যদের এ ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করা।
13/09/2022
প্রতিদিন কুরআন পড়ার উপকারিতা হল অগণিত নেক আমল যা মুমিন ব্যক্তি প্রতিদিন কুরআন তেলাওয়াত করে পায়।
ইবনে মাসউদ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন:
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব থেকে একটি অক্ষর তেলাওয়াত করবে, সে একটি নেক আমল পাবে এবং একটি নেক আমলের দশগুণ সওয়াব পাবে। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম। একটি অক্ষর, কিন্তু আলিফ একটি অক্ষর, লাম একটি অক্ষর এবং মীম একটি অক্ষর।" [আত-তিরমিযী]।
প্রকৃতপক্ষে, মুসলমানদের জন্য নেক কাজের উৎসাহ থাকা গুরুত্বপূর্ণ কারণ "নেক কাজ পাপ কাজগুলিকে দূর করে। যারা মনে রাখে তাদের জন্য এটি একটি অনুস্মারক।" স্পষ্ট করার জন্য যে, নেক কাজগুলি মুমিনের ছোটখাট পাপগুলিকে দূর করে এবং তার জন্য সেগুলি ত্যাগ করার পথও সহজ করে দেয়। এজন্য সকল মুমিন ব্যক্তির প্রয়োজন প্রতিদিন কিছু সময় হলেও শুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত করা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
1217