CCP Foundation

CCP Foundation

Share

CCP Educare e First term Exam cholche.

09/09/2023

মানুষের বেঁচে থাকা আর না থাকার দুরত্বটা এতটা নূন্যতম ভাবতেই পারি না। গতকাল বিকেলেও ফেসবুকে তার একটি রসময় জোকস নিয়ে দুজনেই হাসাহাসি করছিলাম আজ সে হঠাৎই মস্তিষ্কের রক্ত ক্ষরনে নাই হয়ে গেল। আজ সকালেই ছোটভাই আবু সালেহ টিপুর দেয়া অরূপের এই দুঃসংবাদে থমকে গেলাম! একদম ভেঙ্গে চুরে বিমর্ষ হয়ে গেলাম। অরূপ নেই । কিভাবে সম্ভব!!

অরূপ দাসকে আমি কখনোই দেখিনি, ক্যাডেট কলেজে আমার ছ'বছরের জুনিয়র ছিল, ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে সাধারণত টপ স্কোরের চৌকস ক্যাডেটরা চান্স পেয়ে থাকে অরূপ ছিল এমন টপ স্কোরার। বুয়েট থেকে স্থাপত্যবিদ্যায় গ্রাজুয়েট অরূপের প্রচণ্ড রকমের প্রাণ চাঞ্চল্য, সেন্স অব হিউমারের ভক্ত ছিলাম আমি। এর সঙ্গে কলেজের নষ্টালজিক স্মৃতি ভাতৃত্ববোধে সে আমার অতি কাছের মানুষ হয়ে গিয়েছিল। প্রতিদিন অরূপের জোকসগুলি আমার মন ভাল করে দিত। কোথাও কোন পার্টির আয়োজন করলে ওর মজার মজার ডিন্কস রেসিপি থেকে বানানোর চেষ্টা করতাম। আহারে এত তারাতারি চলে যাওয়ার কি দরকার ছিল অরূপ।

এই যে অরূপ আমাদের এত হাসাতে এমন সব পোষ্ট দিত তার লক্ষ্য ছিল কিন্তু বিনোদন ছিল না, নিদারুণ কষ্টের মধ্যে নিজকে ব্যস্ত রাখতেই এসব লেখালেখির কাজ করত সে। কথাটি আজ আমাকে তার যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বন্ধু ডাক্তার মিরাজুল বলল। গত আট বছর আগে শুধুমাত্র অটিস্টিক সন্তানকে সময় দিতে তাকে নামকরা আর্কিটেকচার ফার্ম থেকে চাকুরি ছাড়তে হয়,বন্ধ হয়ে যায় তার সক্রিয় সামাজিক জীবন, কোভিড পরবর্তি অর্থনৈতিক টানাপোড়েন থেকে রক্ষা পেতে পান্থপথে খুলতে হয় একটি রেস্টুরেন্ট, সেটাতেও ছিল না সাফল্য। প্রচণ্ড মানসিক চাপের মধ্যে থেকেও অরূপ কাউকে বুঝতে দেয়নি তার কষ্ট দুঃখের উপাখ্যান। এমন অবস্থায় অরূপ জোকসগুলো ছিল আসলে নিজেকে আনন্দ দেবার জন্য।

বর্তমান ইঁদুর দৌড়ের যান্ত্রিক পৃথিবীটা আসলে অরূপের মত বাউল প্রকৃতির মানুষের নয়, সে চেয়েছিল একটি অতি সাধারণ দুশ্চিন্তাহীন আরন্যক জীবন, যেখানে বাঁচার জন্য প্রতিদিন লড়াইয়ে সামিল হতে হয় না, প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য্যের মাঝে যেখানে জীবনের আসল সুখ মেলে।

দুর আকাশের তারা হয়ে ভাল থেকো অরূপ। কথা দিয়েছিলাম বাংলাদেশে গেলে পান্থপথে তোমার Tea Tong 🍵 এ একবার যাব, কেন যাইনি সেই কষ্টটা আমাকে সারাজীবন কষ্ট দিয়ে যাবে।

03/05/2020

পৃষ্ঠপোষক ঃ
বাড়ারচর:-
১। ফৌজিয়ান হার্ট অষ্ট্রেলিয়া ও ব্যাচ ২৯
২। এবিএস ফাউন্ডেশন
সন্ধ্যাকুড়া :-
১। সাহওয়ার জামাল নিজাম ৫ হাজার মাসে
২। সারওয়াত নাজ শম্পা ৫ হাজার মাসে
৩। ডঃ প্রফেসর মোস্তফা আলী ৫ হাজার মাসে।
৪। ফৌজিয়ান হার্ট ৫ হাজার মাসে মে থেকে।
৫।মাহমুদ টিপু বরিশাল ক্যাডেট কলেজ।প্রস্তাবিত। স্কুল তৈরীর জন্য অনুদান দিয়েছে দুই ধাপে ৩০ হাজার।আমি প্রস্তাব রেখেছি ডোনার হওয়ার জন্য।
এখানে আরো ক্যাডেট যোগ দিলে এটাকে অনেক বড় স্কুলে পরিণত করতে পারব।বর্তমানে এর ছাত্রছাত্রী ১৪৮ জন।
দক্ষিণ খান :-
১।নিকি কামরান মুক্তাদির
২। জিয়াউদ্দীন আহমেদ
৩। ওফান আনোয়ার
৪।মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীন চৌধুরী
৫।মনজুর উল আলম চৌধুরী
৬।মোহাম্মদ অালী
৭। ওফান তারেক হোসেন
৮। এম সিসি ব্যাচ ৩৩
এর বাইরেও আমাদের অনেক ডোনার আছে, যারা অনিয়মিত অনুদান দিয়ে থাকেন।
দক্ষিণ খানের সাথে আমরা বেড় গোবিন্দপুর স্কুলটাকে যুক্ত করেছি।ইহা বৈকালীন স্কুল।একই ভাবে মাঝড়াকুরা বৈকালীন স্কুল সন্ধ্যাকুড়ার সাথে যুক্ত।
আমরা রংপুরের একটি গ্রুপকে দক্ষিণ খানের সাথে যুক্ত করতে চাচ্ছি।
এছাড়া আমরা বেড়গোবিন্দ পুরে যেখানে আমাদের খামার আছে সেখানে একটি গ্রুপ গঠন করতে চাচ্ছি।তাহলে দক্ষিণ বঙ্গে সীমান্ত এলাকায় আমাদের একটি ভাল স্কুল হবে।
এছাড়া আমাদের সাথে কেন্দ্রীয় ভাবে যুক্ত আছে অনেকে।তাদের অনুদানের টাকা যখন যেভাবে প্রয়োজন ব্যয় করি।কিছু ফেসবুক বন্ধু আছেন তারাও মাঝে মাঝে দিয়ে থাকেন।
এবার সন্ধ্যা কুড়ার স্কুল ঘরটি সরাসরি বিকাশের মাধ্যমে অনুদান পাঠিয়ে তৈরী করতে সহায়তা করেছেন।
দক্ষিণ খানে আমাদের বার্ষিক প্রয়োজন তিনমক্ষ বায়াত্তর হাজার টাকা।আমাদের যারা ডোনার আছেন তালিকাভুক্ত তারা সবাই দিলে আর্থিক সমস্যা দুর হয়ে যাবে।
নিকি, আনোয়ার দুলক্ষ দিয়েছে।নিকির টাকা থেকে সন্ধ্যাকুড়া ও বাড়ার চরে উন্নয়ন কাজে ব্যয় হয়েছে।আশা ছিল রোজায় অনেকেই অনুদান দিয়ে থাকেন যাকাত বাবদ। এগুলো এলে ধার শোধ করা যেত।কিন্তু করোনা এসে সব ভন্ডুল করে দিল।
আমি স্বপ্ন দেখি ক্যাডেটদের পরিচালনায় আমাদের কমখরুচে স্কুল গুলি সারাদেশে জালের মত ছড়িয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোর সন্তানদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করবে।
জয় হোক ক্যাডেট কলেজ পরিবারের।
জয় হোক মানবতার।

Photos from CCP Foundation's post 14/04/2020

সিসিপি ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সবাইকা নববর্ষের শুভেচ্ছা।

09/01/2020

আমার ভাবনাঃ ৯.১.২০
গত পাঁচ তারিখ মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে গিয়েছিলাম।মাঝে মাঝেইই যাই।পুরাতন সহকর্মীদের সাথে আলোচনা হয়।ভাল লাগে।
আমরা সেখানে একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুল চালু করেছিলাম।পরবর্তীতে সেটা সরকারী করে ফেলে।
যদিও আমরা থাকতে তা চাইনি। সরকারী মানে ফ্রি।
তবে তারা প্লে এবং নার্সারী এই দুটো ক্লাশ আলাদা চালাচ্ছেন।মাসে ৫০০ টাকা নেয়।১৪ জন শিক্ষক।ওরা প্রাইমারীতেও পড়ায়। প্লে নার্সারীর বেতন দিয়ে শিক্ষকদের বেতন হয়ে যায়।
এবার ৩০ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে। জনাব আজিজ এর সাথে কথা হল। তিনি পাবনায় নিজ বাড়ীতে একটি স্কুল ও কোচিং ক্যাডেট সেন্টার চালান।প্লে এবং নার্সারীতে পাঁচশত টাকা করে নেন। তারা স্বামী স্ত্রী দুজনেই শ্রম দিচ্ছেন।নিজ বাড়ী হওয়ায় ভাড়া দিতে হয়না।
এই কথাগুলো বলার কারন আমাদের বাড়ারচর স্কুল থেকে প্লে নার্সারী পড়ে গ্রুমিং হয়ে কেউ কেউ প্রাইমারী স্কুলে চলে যায়। এ বছর একজন ক্লাশ ফোর থেকে চলে গিয়েছে যাকে আমরা গড়ে তুলেছি।আরেকজন ওয়ান থেকে।তারা নরসিংদীর নামী দামী স্কুলে পড়বে বেশী টাকা বেতন দিয়ে হলেও।
আমরা ভাবছি প্রথম শ্রেণী থেকে ফ্রি রাখব। আর আগামী বছর থেকে প্লে নার্সারী বেতন নিব। যারা একেবারে গরীব তারা দশ টাকা হলেও বেতন দিবে।ক্যাডেট কলেজের মতো।
আমি অপেক্ষা করেছিলাম এবারের সমাপনী রেজাল্ট এর জন্য।আমরা পারি যত দুর্বলই হোক তাকে সফলতা দিতে যদি সে চায়।
আমরা প্রমাণ করেছি আমরা পারি।২০২০ এ আমাদের বাড়ার চর স্কুলের সমস্যাগুলো সমাধান করতে যত কম খরছে সম্ভব।
এনিয়ে চিন্তা ভাবনা করেছি।
২০১২ সনে স্কুল এর চাল নির্মীত হয়। কিছু টিন শীট জং ধরে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। টিনের ছিদ্র দিয়ে পানি পরে দোতলার কিছু কাঠ পচে গিয়েছে।ভিতরে আলো পাখা অপ্রতুল। এবার গরমের আগেই পাখা লাগবে। আর ক্লাশ রূমে একটার জায়গায় চারটা ও ছোট ক্লাসে দুইটা করে লাইট লাগবে।এনার্জী ভাল্ব দুদিন পরেই নষ্ট হয়ে যায়।আমরা টিউব লাইট লাগাব।
স্কুল ভবনের বাহিরে রং করতে হবে।এতে করে স্কুলের সৌন্দর্য বাড়বে।মানুষ বাহিড়ের সৌন্দর্যটাই দেখে,যদিও আমরা আত্মীক সৌন্দর্যের উপর জোড় দেই।
গ্রাম গুলোতে দরিদ্র শ্রেণীর শুধু নয় নিম্ন মধ্যবিত্তদের ছেলেমেয়েরাও সংগদোষে লেখা পড়া থেকে দুরে সরে যাচ্ছে।ফলে বাল্যবয়সেই লেখাপড়া বাদ দিয়ে বাবার সাথে কাজে যোগ দিচ্ছে।
আমাদের এর বিরুদ্ধেও সংগ্রাম করতে হচ্ছে।
তাই আমরা এই সব ছেলে মেয়েদের দিকে লক্ষ রেখে তৃতীয় শ্রেণী থেকে কর্মমূখী শিক্ষা রাখব।যাতে পঞ্চম শ্রেণীর পর লেখাপড়া আগাতে না পারলেও নিজের পায়ে দাড়াতে পারে।এ জন্য রান্না বান্না, সেলাই,কার্পেন্ট্রী,রাজমিস্ত্রী,ইলেক্ট্রিক, নার্সারী,কৃষি এসব কাজ ক্লাব গুলোতে শেখাব।প্রয়োজনে ছুটিতে বিশেষ কোর্স করাব।
পর্যায়ক্রমে আমাদের সব স্কুলেই কর্মমূখী শিক্ষা চালু করব।
২০২০ হোক আমাদের সব স্বপ্ন পুরনের বছর।

04/01/2020

আমাদের স্কুল এবং খামার #
আমাদের স্কুল গুলির সাথে আমাদের খামারগুলি প্রত্যক্ষ্য ভাবে জড়িত। খামার গুলি যাতে ভবিষ্যতে স্কুল্গুলিকে আর্থিক সহায়তা দিতে পারে সে জন্যই এগুলি স্থাপন করা হয়েছে। যেমন বাড়ারচর এর খামার বাড়ারচর স্কুলের জন্য, সন্ধ্যাকুড়া খামার সন্ধ্যাকুড়া স্কুলের জন্য, বেড় গোবিন্দ খামার বেড়্গোবিন্দ পূর স্কুলের জন্য।এ ছাড়া দক্ষিণ খানে আমাদের স্কুলে ২০১১ সনে যে কঞ্জুমার সার্ভিস চালু করেছিলাম সেটা আবার চালু হবে। এ ব্যাপারে টিচারদের সাথে কথা হয়েছে। টীম দক্ষিন খান এটা পরিচালনা করবে।
আর এর সমন্বয় করবে সিসিপি ফাউন্ডেশন ঢাকা অফিস।
আমরা এক সময় আমাদের বন্ধুদের দেওয়া ছাগল মানুষকে দিয়েছি। এখন কেউ আমাদের ছাগল সেলাই মেসিন দিলে আমাদের খামার ও স্কুলে দিব । সেলাই মেশিন দিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা সেলাই শিখবে। আর খাসি খামারে বড় হবে। ৫ হাজার টাকা দিলেই আমরা একটা খাসি কেনা যাবে। হালুয়া ঘাটে ৪৫০০ টকায় হলেই কেনা যাবে। তিন চার মাস পরে বিক্রয় করে যে লাভ হবে তা আবার বিনিয়োগ করে বাড়ানো হবে।
আর যদি কেউ বিনিয়োগ করে তাহলে সে অর্ধেক পাবে মুনাফার। এভাবে কোন বিনিয়োগ কারী নিজেও লাভবান হতে পারে আমাদের ও সহযোগিতা করতে পারে।
২০১৮ এর বিপর্যয়ে আমাদের ২০ টি খাসি ,ছাগল বাচ্চা সহ অসুস্থ হয়ে পরে। ৮টি খাসি জবাই করে দ্রিজে রেখে আমরা ঈদে আমাদের ছাত্রদের দেই। এখন আমাদের ছাগল পালনের জায়গা বড় হয়েছে।
হালুয়া ঘাট এ আমাদের লিজ নেওয়া জায়গা আছে ছাগল ও গরু পালনের জন্য। বাড়ার চর ছাড়া আর সব জায়গায় ই আমাদের ছাগল গরু নিরাপদ ছিল।
এবছর আমরা আমাদের শিক্ষকদের সঞ্চয় কৃত টাকায় খাসি কিনব প্রতি দুই মাসে। এতে আমাদের এবং ওদের উভয়ের ই লাভ হবে।

Photos from CCP Foundation's post 02/10/2019

এই বাচ্চাপুলো দেখুন।ওরা পিটি পরীক্ষা দিচ্ছে। শিক্ষক রা এর মুল্যায়ন করছেন।এতে করে সকালের পিটিতে ফাঁকি দিতে পারবেনা। সুস্থ শরীরের সাথে সুস্থ মনের সম্পর্ক আছে।
এই স্কুল টি আগে একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুল ছিল।আট নয়টি সাবজেক্ট ছিল।বছরে চারবার পরীক্ষা। বেতন ছিল ১৫০/২০০। কিন্তু শিক্ষার্থীর অভাবে স্কুল টি চলছিলনা।বন্ধ করে দিচ্ছিল। এই সময় আমরা স্কুল টির দায়িত্ব নেই। বাচ্চারা সরকারি বই পায়।এবছর আমরা স্কুল টিকে প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলি।শুরুতে আমাদের পুরোনো ছাত্রসহ মোট ছাত্র ছিল ৪০ জনের মত।এখন আশির মত।এখন আর ভর্তি করছিনা।আগামী বছর করবো। একশতের উপর হয়ে যাবে।আমাদের উপর আস্থা আছে বলেই ছাত্র সংখ্যা বাড়ছে।বাড়ার চরেও তাই। নয়জন দিয়ে শুরু করে আজ ছাত্রসংখ্যা একশত এগারো। নিচের ক্লাসে আছে ৪৬ জন।এরা যদি উপরের ক্লাশে উঠে তখন ছাত্র সংখ্যা আরো বাড়বে। কারণ আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের ভালবেসে, ভালবাসা দিয়ে শিখাই।
আমাদের সন্ধ্যাকুড়া স্কুলের শিক্ষিকারা গৃহবধূ ও কলেজ ছাত্রী।গৃহবধূদের মধ্যে সাগরিকা এইচ এস সি পাশ। তার আরেকটি গুণ আছে গান গাইতে পারে।আর নাজমা নাইন পর্যন্ত পড়েছে।কিন্তু সে একজন ভাল সংগঠক।তার মাধ্যমেই গতবছর বৈকালীন স্কুল হিসেবে এই স্কুল টি চালু হয় চারজন শিক্ষক নিয়ে।বাজেট সাতহাজার টাকা। শিক্ষার্থী ছিল বিভিন্ন স্কুলের সত্তর জন শিক্ষার্থী আমাদের প্লেগ্রুপ এর বাচ্চা সহ।
আর মমতাজ এসএসসি পাশ।স্বশিক্ষিত। মাজড়া কুড়ায় কোচিং করত।সেটার আর্থিক সহায়তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাচ্চা গুলো বিপদে পড়ে।ওকে তখন আমাদের স্কুলে নিয়ে নেই আর ওর স্কুলের বিশজন বাচ্চা আমাদের স্কুলে পড়ে।
ওর কোচিং সেন্টার টাকে আমরা বৈকালীন স্কুল হিসেবে চালু রেখেছি।দুজন কলেজ শিক্ষার্থী মেয়ে তাদের বিকেলে পড়ায়।খরচ দুইহাজার টাকা। চারটি পরিবারের বর্তমান পিয়াজ খরচ।
সন্ধ্যা কুড়ায় বর্তমানে দশ হাজার টাকা খরচ হয়।এক হাজার টাকা মমতাজের স্কুল টিকে টিকিয়ে রাখার জন্য দেই।আরো এক হাজার টাকা দরকার। দশজন মানুষ মাসে একশত টাকা করে দিলেই হয়।
যাই হোক স্কুল টির অর্থায়ন করছে আমার ক্যাডেট সাহওয়ার জামাল নিজাম ও আমার ফেসবুক বন্ধু সারওয়াত নাজ শম্পা।দুজনই পাঁচ হাজার করে দিচ্ছে।এবার ওদের সাথে এমসিসি ৩৩ কে যুক্ত করে দিচ্ছি। ওরা সন্ধ্যা কুড়া ও মাজরা কুড়া দুটি স্কুল ই চালাবে। সমন্বয় করবে সন্ধ্যা কুড়া স্কুল।
আমরা এ বছর ডিসেম্বর এ আমাদের লীজ নেওয়া জায়গায় স্কুল ভবনটি স্থানান্তর করতে চাই।এখন আমরা ভাড়া নিয়ে আছি।
আমাদের ছনের ঘর হোক, কিন্তু শিক্ষা সরঞ্জাম, শিক্ষার মান হবে আধুনিক। আমাদের থাকবে পাঠাগার, ওয়ার্কশপ, খেলার মাঠ, চিত্রশালা। থাকবে সাইকেল, খেলাধুলার সরঞ্জাম। মাঠের চারিদিকে থাকবে স্লিপার, দোলনা, ঢেকি সহ অন্যান্য সরঞ্জাম। আমরা আমাদের শিশুদের আনন্দময় শৈশব চাই শুধু শ্লোগান এ নয়, বাস্তবেও।সে জন্য চাই আপনাদের সহযোগিতা।
আমাদের আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করতে চাইলে নিচের হিসাবে সহায়তা পাঠাতে পার/পার।
CCP Foundation
A/C No -0037-0310008933
Jamuna Bank, Uttara Branch
Dakha.
Bikash no 01727014920
Your help will strengthen us in our journey.

29/09/2019

আমার ভাবনা # শেষ পর্ব

আসলে কৃষি নিয়ে আমার ভাবনা গুলো লিখতে গিয়ে অনেক বড়লেখা হয়ে গিয়েছে। এবার আসি ভাগেযোগে খামার এর ব্যাপারে। আমার চিন্তা ভাবনার সাথে নতুন সংযোজন ভাগ চাষ ও ভাগে পশুপাখি পালন। গ্রাম বাংলার অর্থনীতিতে এদুটো দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে বাঁচিয়ে রাখতো।যাদের এক জোড়া বলদ আছে কিন্তু জমি পর্যাপ্ত নেই তারা বড় কৃষক বা জোতদার এর জমি বর্গা বা ভাগে চাষ করতো।ফসল ফুলিয়ে অর্ধেক /তিন ভাগের এক ভাগ দিত।আর যাদের গরু নাই, বিশেষ করে মহিলারা গরু ও ছাগল ভাগে পালত।এতে করে কিছুটা আয় হতো।আমরা সেটাই করতে চেয়েছি ভাগে যোগে খামারে। আমাদের নিজেদের পালনের পাশাপাশি গ্রামের গরীব মহিলাদের ছাগল বা খাসি ভাগে দিয়ে ভাগিনা দাতা ও গ্রহিতা উভয়েই লাভবানী হবে। আমরা মোস্তাফিজ কে ষাঁড় পালন করে লাভ দিয়েছি চার হাজার টাকা। এটা দেড় বছরে। কিন্তু ষাঁড় এ চল্লিশ হাজার টাকা খাটালে কুরবানীর হাটে বিক্রয় করে পাঁচ মাসে পাঁচ দশ হাজার টাকা লাভ করা যায়।মজিবর এবছর ২৯ হাজার টাকা দিয়ে একটি ষাঁড় কিনে বাষট্টি হাজার টাকায় বিক্রয় করেছে। ভাগিনা দাতা তেভাগা হিসেবে সাড়ে সাতহাজার টাকা পাবে
আমরাও এভাবেই এগিয়ে যেতে চাই। খাসি এবং ষাঁড় কিনে দিলে সরাসরি নিদৃষ্ট সময়ে মুনাফা পাওয়া যায়।আর গাভীতে বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদী। দুইবছর লাগে বাছুর বড় হতে।তখন আবার বাছুরের আলাদা খাবার লাগে, এর জন্য আলাদা বাজেট করতে হয়।
এবছর আমরা সবকিছুর জন্যই প্রস্তুত ছিলাম। ছাগল, গরু পালনের জন্য হালুয়াঘাটে জমি লিজ নিয়েছি।কিন্তু ছাগল ষাঁড় নেই।নিজেদের পুকুরে হাঁস পালনের যথেষ্ট সুযোগ থাকা সত্বেও টাকার অভাবে পারছিনা। হালুয়াঘাটে পরিবেশ ও ভাল।গরীব এলাকা, আমরা যে জন্য ভাগে যোগে খামার করেছি তা বাস্তবায়ন এর আদর্শ যায়গা।
আমাদের ভাগেযোগে খামার আমাদের স্কুল গুলোকে সহায়তা করার জন্যই স্থাপন করা হয়েছে। বিনিয়োগ এর পাশাপাশি আমরা কল্যাণ মুখি দিক নিয়ে কাজ করব। আমরা ভাসমান কৃষি, নেট পন্ডিং, ছাদবাগান, ঘাসচাষ নিয়ে কাজ করার সুযোগ থাকলেও আর্থিক কারনে তা হচ্ছেনা।বিনিয়োগ কারী তার লাভেরি হিসাব করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কল্যাণ মুখী প্রকল্পে যারা অনুদান দেন তারা লাভ লোকসানের হিসাব করেন না, তারা দেখেন ইপ্সিত কাজটি হচ্ছে কিনা।সে জন্য আমরা কৃষি কে কল্যাণ মুখী দিকে নিয়ে যাব।
আমরা ভাসমান খামার, নেট পন্ডিং, বহুতল খামার, মাটি ছাড়া ঘাস চাষ, একোয়াফোনিক্স, হাইড্রোফোনিক্স সহ উদ্ভাবনী কৃষি নিয়ে কাজ করব।
আমাদের প্রয়োজন মিটাতেই আমরা লাগসই প্রযুক্তির মাধ্যমে খরকুটো, কাগজ, সিমেন্ট এর মিশ্রনে স্ল্যাব, খুটি তৈরী করেছি।এগুলো আমাদের খামার, স্কুল ও জমিতে ব্যবহার করা যাবে। পরীক্ষা লব্ধ ফলাফল বানিজ্যিক ভাবে প্রয়োগ করা যাবে। কাজের মাধ্যমেই গড়ে উঠবে ওয়ার্কশপ।
আমরা আগামী বছর আমাদের স্কুল গুলোতে আমাদের শিক্ষক ও ক্যাডেট দের ব্যবহার করব সেমি ভলান্টিয়ার হিসেবে। তারা আমাদের স্কুলে যাবে আমাদের বাচ্চাদের সাথে গল্প করবে, স্বপ্ন দেখাবে। হাতের কাজ শেখাবি।
এভাবে আমাদের স্কুল গুলোকে নিজ নিজ এলাকায় উন্নয়ন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলব।
স্বপ্ন সফল হোক। স্বপ্নময় সুন্দরম।

28/09/2019

আমার ভাবনাঃ ২৮.৯.২০১৯ পর্ব -১
আজ আটাশ এ সেপ্টেম্বর। আর দুদিন আছে মাস শেষ হতে। আর একমাস দুদিন বাকি আছে দশ বছর পুর্ণ হতে। দশবছরের সালতামামি বিরাট ব্যাপার, বিরাট কাহিনী, বিরাট লড়াই।লড়াই যেমন বাইরে করতে হচ্ছে লড়াইটা নিজের, নিজেদের সাথে ও করতে হয়েছে, হচ্ছে। কেউ লড়াবইয়ের মাঠ ত্যাগ করেছে, কেউ চুপচাপ আছে আর কেউ আছে আস্থায়, বিশ্বাসে সাথে থেকে প্রেরণা দিচ্ছে, ভরসা দিচ্ছে। সেই ভরসাটুকুই বড় দরকার।
আমাদের স্কুল খামার ইত্যাদিকে দৃঢ় ভিত্তির উপর দাড় করাতে আমাদের পৃষ্ঠপোষক, দাতা ও সাথীদের নিয়ে বিভিন্ন গ্রুপ করতে চাচ্ছি দশ বছর পু্র্তির আগেই। আমরা শিক্ষা কে যেমন প্রাধিকার দিচ্ছি, তেমনি আমাদের দেশের বেশীরভাগ মানুষের অবলম্বন কৃষিকেও গুরুত্ব দিচ্ছি।আমাদের জীবন যেমন বিভিন্ন পদার্থের মধ্যে ক্রিয়াবিক্রিয়ার ফল, তেমনি আমাদের সমাজটাও নানাবিধ সামাজিক উপাদান এর ক্রিয়াবিক্রিয়ার মাধ্যমে এগিয়ে চলে।
আমাদের ও তাই।আমরা যারা আছি তাদের সবার স্বপ্ন চিন্তাভাবনা এক হবে আশা করিনা।তবে আমরা চেষ্টা করি সামষ্টিক চিন্তা ভাবনা গুলোকে এগিয়ে নিয়ে যেতে। আর আমার চেষ্টা তোমাদের মধ্যে সেই সামষ্টিক চিন্তাভাবনা গুলোকে জাগ্রত করা, ধরে রাখা ও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
লিখা শুরু করার ইচ্ছা ছিল কৃষি নিয়ে, কিন্তু লেখাটা হয়ে যাচ্ছে সার্বিক।
আমাদের শিক্ষা প্রকল্পের কথাই ধরনা! এটা বিশ জনের মতো শিক্ষক ও ক্যাডেট সিসিপি এডুকেয়ার ইন্সটিটিউট নামে একটি কোচিং সেন্টার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ব্যবসা করে সবাই লাভ পাওয়ার আশায় যাত্রা শুরু করেছিলাম। আমি নিজে যদিও কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে ছিলাম, তবু সবার মতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে দায়িত্ব নিয়েছিলাম। পাঁচলক্ষ টাকার বেশীরভাগ ই চলে গিয়েছিল সিকিউরিটি মানি ও সাজ সজ্জার জন্য।এর পর সংগ্রাম টিকে থাকার জন্য।শুরু হয়ে যায় লড়াই, লড়াই বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক, কো‌চিং সেন্টার এর সাথে। আমরা যত্ন করে তৈরী করে দেই, স্কুল টিচার বাধ্য করে তাদের কাছে পড়তে। আমরা শিক্ষার্থী চাই ঘর ভর্তি। জহুরের সাথে আলাপ হলো ও বললো আমরা ওয়েলফেয়ার সাইডে চলে যাই।তাতেই আমাদের মঙ্গল।আমরা কল্যাণ মূখী দিকে চলে গেলাম, সবার জন্য শিক্ষা এই শ্লোগান নিয়ে।আজ দশবছর তোমাদের নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি টিকে আছি।আরো এগিয়ে যেতে চাই "সবার জন্য শিক্ষা নিয়ে "কারন আমাদের দরকার শিক্ষক, ছাত্র, বই ও মাথার উপর চাল।আমরা গাছতলায় চাটাই এর উপর বসায়েও ক্লাশ নিতে পারি গুরু গৃহের মতো।আমরা সকালে বিকেলে যে কোন সময় পাঠদান করতে পারি।দরকার শিক্ষক ও ছাত্র। আমাদের স্কুল বিভিন্ন রূপে বিরাজ মান। এক হাজার টাকার, দুই হাজার, তিন হাজার টাকার বৈকালীন স্কুল যেমন আছে, তেমনি প্রাইমারি স্কুল শুধু একচালায় সব রকম সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত অবস্থায় পরিচালিত হচ্ছে ২০১১ সন থেকে, বিদ্যুৎ নেই টয়লেট নেই, পানি নেই। তবু শুধু শিক্ষক ছাত্র, বই ও বসার বেঞ্চ আছে বলে স্কুল টি চলছে।মাসে ন্যুনতম ত্রিশ হাজার খরচ হয়।
অন্যদিকে সন্ধ্যা কুড়ার স্কুলটি এবছর প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে। এই স্কুল টি দশ হাজারে চলছে কষ্ট করে।আগামী বছর শিক্ষার্থী একশতের উপর ছাড়িয়ে যাবে। এই স্কুলটির জন্য বর্তমান পৃষ্ঠপোষক দের সাথে আরেকটি গ্রুপ যুক্ত করতে চাই। ইমতিয়াজ, আলীর সাথে কথা হয়েছে।এমসিসি ৩৩ এখানে থাকবে আশাকরি। ওরা আছে আমাদের সাথে। আহসান আর নাসাদ আছে এখানে।
এখন দক্ষিণ খান ও বেড়গোবিন্দ পুরের জন্য গ্রুপ বানাতে হবে। বেড়গোবিন্দ পুরে মাসিক তিনহাজার টাকা দিয়ে চলছিল।যিনি দিচ্ছিলেন তিনি চাকুরী ছেড়ে বিদেশে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এখন আগষ্ট থেকে বেতন বন্ধ।একজন পৃষ্ঠপোষক দরকার বা গ্রুপ। সুজাকে অনুরোধ করেছি।দেখা যাক। অন্য যে কেউ এই স্কুল টি চালাতে পারে।
এখন দক্ষিণ খানের জন্য নিকি কনফার্ম।এখানে আরো দুইজন বা দুইটি গ্রুপ দরকার যারা মাসে দশ হাজার করে দিতে পারবে। কয়েক জনের কাছে প্রস্তাব দিয়েছি।
এত বড় সাতকাহন গাওয়ার উদ্দেশ্য হলো আমাদের বানিজ্যিক ভাবে স্থাপিত সিসিপি এডুকেয়ার ইন্সটিটিউট কিভাবে কল্যানমূখী কাজের মাধ্যমে টিকে গেল তোমাদের সহায়তায়। সার্বিক শক্তিই বড় শক্তি।

Photos from Nurul Hoque's post 18/08/2019
Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


House/17, Sonargaon Jonopoth, Sector 7, Uttora
Dhaka
1230