Amar Hujur - আমার হুজুর

Amar Hujur - আমার হুজুর

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Amar Hujur - আমার হুজুর, Education & Learning, Dhaka.

15/06/2025

♦️আরবি শব্দের ভিতরে কোন কালেমাটি المَصْدَر الْمِيْمِيُ দিয়ে শুরু হয়েছে এইটা জানতে হলে ُالمَصْدَر الْمِيْمِيُ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে। নিচে আলোচনা করা হলোঃ

👉পরিচয়:

যেই مصدر টি একটি অতিরিক্ত "م" এর মাধ্যমে শুরু হয় সেই "م" টাকে বলা হয় المصدر الميمي। আর সেই কালেমাটি তখন حدث [ তথা করা,হওয়া,যাওয়া, খাওয়া এক কথায় কোনো কিছু সংগঠিত হওয়া] বুঝাবে। কিন্তু কোনো কাল অথবা সত্তা তার ভিতরে থাকবে না।
যেমনটা الصرف الكافي কিতাবের ১৫২ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে।

"কাল থাকবে না" বলে এই কথা বুঝানো হয়েছে যে , উক্ত কালেমাটি اسم ظرف এর وزن এর সাথে মিলে গেলেও তা اسم ظرف হবে না। আর আর সত্তা দ্বারা বুঝানো হয়েছে উক্ত কালেমাটি اسم مفعول এর وزن এ মিলে গেলেও তা হবে না।
বাক্যের অবস্থা উপলব্ধি করা ছাড়া এই বিষয়টি বুঝতে একটু কঠিন মনে হবে যে, কোনটি مصدر এবং কোনটি اسم ظرف বা اسم مفعول

⭐⭐যাইহোক নিচে المَصدر الميمي সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো:

👉তিন অক্ষর বিশিষ্ট ফেল তথা الثلاثي المجرد এর মাসদারের শুরুতে المصدر الميمي যুক্ত হয়ে যেই যেই ওযনে তা ব্যবহৃত হয়ঃ

১/যদি ف،ع،ل সকল কালেমায় হরফে صحيح থাকে তাহলে সেই মাসদারটি مَفْعَلٌ ( মাফআলুন) ওযনে আসে। তেমন, قَتَلَ،ضَرَبَ، فَتَحَ এর মাসদার مَقْتَلٌ، مَضْرَبٌ،مَفْتَحٌ হবে।

তবে, رَجَعَ এর মাসদার مَرْجِعٌ হওয়া , عَرَفَ এর মাসদার مَعْرِفَةٌ হওয়াটা শায তথা নিয়মের ব্যতিক্রম। যেমনটা موسوعة النحو و الصرف কিতাবের ৬৩০ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া আরো কিছু خلاف القياس শব্দের ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়।

২/ যদি عينও لام কালেমায় একই হরফে صحيح হয় অর্থাৎ مضاعف হয় তাহলে সেই মাসদারটি مَفْعَلٌ ( মাফআলুন) এবং مَفْعِلٌ ( মাফ্ইলুন) উভয় ওযনে ব্যবহৃত হয়।
যেমনঃ فَرَّ এর মাসদার مَفَرٌّ অথবা مَفِرٌّ আর, فَكَّ এর মাসদার مَفَكٌّ অথবা مَفِكٌّ এবং رَدَّ এর মাসদার مَرَدٌّ অথবা مَرِدٌّ ইত্যাদি ইত্যাদি। এগুলো তা'লিল হয়ে এই রুপ ধারণ করেছে । শব্দগুলো মূলত ছিলো, مَفْكَِكٌ، مَفْرَِرٌ، مَرْدَِدٌ
৩/ যদি فاء কালেমায় واو হয় এবং لان কালেমায় হরফে صحيح হয় অর্থাৎ مثال واوي হয় আর مضارع معروف এ যদি সেই واو বিলুপ্ত হয়ে যায় তাহলে উক্ত ফেলের মাসদার مَفْعِلٌ ( মাফ্ইলুন) ওযনে ব্যবহৃত হয়।
যেমন,وَلَدَ- يَلِدُ এর মাসদার مَوْلِدٌ، আর, وَعَدَ- يَعِدُ এর মাসদার হলোمَوْعِدٌ ইত্যাদি ইত্যাদি।

আর যদি فعل مضارع তে واو বিলুপ্ত না হয় তাহলে তার মাসদার হয় مَفْعَلٌ ( মাফআলুন) ওযনে।
যেমন, وَجِلَ - يَوْجَلُ এর মাসদার হলো مَوْجَلٌ. আর وَحِلَ- يَوْحَلُ এর মাসদার হলো مَوْحَلٌ ইত্যাদি ইত্যাদি।

[বিঃদ্রঃ বাবে ضَرَبَ،ِحَسِبَ،فَتَحَএর فاء কালেমায় واو হলে مضارع معروف এ واو বিলুপ্ত হয়ে যায়।
আর উপরেরوَجِلَ - يَوْجَلُ এবং وَحِلَ- يَوْحَلُ এর فاء কালেমায় واو হয়েও তা مضارع معروف এ বিলুপ্ত না হওয়ার কারণ হলো তা বাবে سمع থেকে এসেছে]

৪/ যদি اَجوف তথা আইন কালেমায় واو অথবা ياء হয় তখনও তার মাসদারটি مَفْعَلٌ ( মাফআলুন) এবং مَفْعِلٌ ( মাফ্ইলুন) উভয় ওযনে ব্যবহৃত হয়।

যেমন, عَاشَ এর মাসদার مَعَاشٌ এবং مَعِيْشٌ. এই দুইটা মূলত ছিলো مَعْيَشٌ ও مَعْيِشٌ তা'লিল হয়ে مَعَاشٌ এবং مَعِيْشٌ হয়েছে।
এবং عَادَ এর মাসদার مَعَادٌ ও مَعِيْدٌ (তা'লিল করার পর).
এছাড়া বাকি সকল الثلاثي المجرد এর ফে'লের مصدر কে যদি المصدر الميمي দিয়ে শুরু করা হয় তাহলে তা مَفْعَلٌ ওযনে ব্যবহৃত হয়।
যেমন, أَثمَ- يَأثمُএর মাসদার مَأثَمٌ، আর سعى- يسعى এর মাসদার مسعى এবং عنى- يعني এর মাসদার معنى ইত্যাদি ইত্যাদি।

⭐⭐আর الثلاثي المجرد ব্যাতীত অন্য ফেলের মাসদারের শুরুতে المصدر الميمي যুক্ত হয়ে যেই ওযনে ব্যবহৃত হয়ঃ
এই ক্ষেত্রে নিয়ম হলো مضارع এর واحد مذكر غائب এর ছিগাহ থেকে শুরুতে "ي" কে বিলুপ্ত করে দিয়ে ঐ স্থানে একটি পেশযুক্ত "م" আনতে হবে। এবং শেষ অক্ষরের পূর্ব অক্ষরে যবর দিলেই المصدر الميمي এর মাধ্যমে উক্ত ফেলের মাসদার গঠন হয়ে যাবে ।
যেমন, يُقَاتِلُ এর মাসদার হলো مُقَاتَلٌ، আর, يَسْتَغْفِرُ এর মাসদার হলো مُسْتَغْفَرٌ ইত্যাদি ইত্যাদি।

উপরে যতগুলো নিয়মে المصدر الميمي এর মাধ্যমে مصدر গঠন করা হয়েছে প্রত্যেকটি مصدر এর শেষে গোল তা যুক্ত করা বৈধ।
তখন এর وزن হবে দুইটি :
১/ المَفْعَلَةُ যেমন, المَفسَدة
২/ المَفْعِلَةُ যেমন, المَحْمِدَةُ
যেমনটা المعجم المفصل في النحو العربي কিতাবের ৯৯৭ পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে।

এছাড়া اسم جامد কে مصدر এ রুপান্তরিত করতেও المصدر الميمي ব্যবহৃত হয়।
তখন তা مَفْعَلٌ ওযনে আসে ।
যেমন, مَثْلَثٌ، مَرَبَعٌ ইত্যাদি।
والله أعلم بالصواب.....
👉 তথ্য সুত্রঃ

١/موسوعة النحو و الصرف:ص:٦٣٠
٢/ الصرف الكافي: ص: ١٥٢-١٥٣
٣/ المعجم المفصل في النحو العربي:ص:٩٩٧
٤/ الموسوعة العربية في النحو والصرفِ والبلاغة و الإلقاء. ص: ٣٠٨.
٥/ التطبيق الصرفي. ص: ٧٣.

✍️ মোঃ কামরুল হাসান
পরিচালক, Markajut Ta'lim oat Taa'llum Online Madrasah

30/06/2023

মিথ্যা বলার অসুবিধা হচ্ছে সেটা মনে রাখতে হয়,
সত্য বলার সুবিধা হচ্ছে এটা মনে রাখার প্রয়োজন পড়েনা

[Copied]

27/06/2023

হজ্বে শয়তানকে পাথর মারার আধুনিক স্তম্ভের নকশাকার আমাদের বাংলাদেশেরই ইঞ্জিনিয়ার ইব্রাহীম ❤️💚

"পবিত্র হজ্জ্ব পালন করতে গিয়ে জামারাতে শয়তানকে পাথর মারার সময় হুড়োহুড়িতে পদদলিত হয়ে অতীতে বহু মুসল্লি মারা গেছেন। বাংলাদেশের প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম সস্ত্রীক হজ্বে গিয়ে এই দৃশ্য দেখে মর্মাহত হয়ে চিন্তা করতে লাগলেন- কিভাবে তা থামানো যায়? দেশে ফিরে তিনি একটি সুবিস্তারিত প্রকল্প প্রণয়ন (পরিকল্পনা) করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ে জমা দিলেন। সেখান থেকে ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে সৌদি সরকার এই প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

হজের সময় পাথর মারার জন্য প্রত্যেক হাজীকে সৌদি আরবের মিনায় তিনদিন অবস্থান করতে হয়। যে তিনটি স্তম্ভে পাথর মারতে হয়, তাকে বলা হয় জামরা বা পাথরের স্তূপ। এটা শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভ। প্রথম জামরার নাম জামরাতুল আকাবা, মধ্যেরটি উস্তা ও শেষেরটি উলা। একটি থেকে অন্যটির দূরত্ব মোটামুটি ৩৩০ মিটার। পাথর মারার ক্ষেত্রে আগে কোনো নিয়ম ছিল না। যে যেদিক থেকে যেভাবে পারত, পাথর মারা শুরু করত এবং একপর্যায়ে বিশৃঙ্খলায় পদদলিত হয়ে প্রাণ হারাত।

মোহাম্মদ ইব্রাহীম ১৯৯৪ সালে প্রথম সস্ত্রীক হজ্ব করতে গিয়ে লক্ষ করলেন- অদক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে শয়তানকে পাথর মারতে গিয়ে পদদলিত হয়ে প্রতিবছর অনেক প্রাণহানি ঘটছে। একই কারণে সেবার ২৭০ জন হাজী মারা যান।

দেশে ফিরেই মোহাম্মদ ইব্রাহীম শয়তানকে পাথর মারার একটি মডেল (একমুখী বিজ্ঞানসম্মত পরিকল্পনা) তৈরি করলেন। তাঁর পরিকল্পনার চারটি ধাপ রয়েছে- ১. প্রতিটি জামরাকে বেড়া দিয়ে পরস্পর সংযুক্ত করতে হবে, যাতে উভয়দিকে দু’টি রাস্তার সৃষ্টি হয়। ২. জামরার দেয়াল মাত্র ছয় ফুট বাই ছয় ফুট ছিল, তা উভয়দিকে অন্তত ৩০ ফুট করে বাড়িয়ে নেওয়া। ৩. একমুখী ট্রাফিক সিগনালের ব্যবস্থা করা। ৪. এরপর মিনার দিকে ‘In’ ও অপর প্রান্তে ‘Out’ বসিয়ে জনতার স্রোত একমুখী চালনা করা- এদিক দিয়ে ঢুকে পাথর মেরে ওদিক দিয়ে বেরিয়ে যাবে; কেউ পেছনে ফিরবে না। এই হলো প্রস্তাবিত প্রকল্পের সংক্ষিপ্তসার।

এই পরিকল্পনা এতটাই নিখুঁত ছিল যে, খোদ সৌদি বাদশা ফাহাদ মোহাম্মদ ইব্রাহীমকে "মুহিব্বুল খায়ের" হিসেবে উপাধিতে ভূষিত করে তাঁর জন্য উপহারসামগ্রী পাঠান। শুধু তাই নয়, পরে তাঁকে পবিত্র মক্কায় প্রকল্প-প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। ক্বাবা শরীফের তৎকালীন প্রধান ঈমাম শায়খ আবদুস সুবাইল বলেন, পৃথিবীর ১০ জন সেরা প্রকৌশলীদের মধ্যে ইব্রাহীম একজন। কেননা এর আগে হাজারো প্রকৌশলী হজ্ব করে গেলেও কেউ কখনো এ বিষয়টি নিয়ে ভাবেননি বা সমস্যা নিরসনের উদ্যোগ নেননি।

মোহাম্মদ ইব্রাহীম ১৯৪১ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা আলহাজ্ব মো. ইদ্রিস ছিলেন স্থানীয় স্কুলের প্রধান শিক্ষক। ১৯৬২ সালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বুয়েটে ভর্তি হলেও তৃতীয় বর্ষে ওঠার পর স্বাস্থ্যগত কারণে রাজশাহী বিআইটিতে মাইগ্রেশন নিয়ে তিনি বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর জাপানে উচ্চতর শিক্ষাগ্রহণ করেন।

পেশাগত জীবনে তিনি শিক্ষা বিভাগ, বিআরটিসি, ওয়াপদা এবং সবশেষে বিসিআইসিতে কর্মরত ছিলেন। বিসিআইসি-এর প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে অবসর গ্রহণকারী আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইব্রাহীমের উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে How to build a nice home বুয়েটসহ বিভিন্ন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয়। তাঁর অন্যান্য বইয়ের মধ্যে রাহে মক্কা রাহে মদিনা ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রইং, কোরানিক গাইড, হজ্ব পরিক্রমা, স্বল্পমূল্যে গৃহনির্মাণ, আল কুরআনে আধুনিক বিজ্ঞান ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাবুপুর গ্রামে ইসলামিয়া ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর অনুদানে কয়েকটি মাদ্রাসা ও মসজিদ পরিচালিত হয়।

তাঁর নাম এখনো জামারাতে লেখা আছে। মিনায় বর্ধিত প্রকল্পের পাশে রাস্তার ধারে Engineer Ibrahim from Bangladesh লিখে সবুজ গালিচায় সাদা অক্ষরে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মুসলিম বিশ্বে ‘আর্কিটেক্ট অব মডিফিকেশন প্লান অব জামরা’ নামে খ্যাতিমান এই মহান প্রকৌশলী ২০১৭ সালের ৮ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন।"
© সংগৃহীত

26/06/2023

হাজার হাজার বছর আগে, ঠিক এই মিনার চিহ্নিত জায়গাটিতেই হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম তাঁর প্রিয় পুত্র হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালামকে আল্লাহর নির্দেশে ক্বোরবানি করেছিলেন। যদিও হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম'র বদলে তরবারির নিচে ক্বোরবানি হয়েছিল একটি দুম্বা। ১০ জিলহজ্ব সমগ্র বিশ্বের মুসলমানরা সেই দিনটিকে স্মরণ করবেন পশু কোরবানির মাধ্যমে।
স্থান- মিনা।

Photos from Amar Hujur - আমার হুজুর's post 26/06/2023

যেই কথাগুলোকে আমরা আমাদের পরকালীন নাজাতের যারিয়া মনে করি।

24/06/2023

আসসালামু আলাইকুম

তালিমুল ইসলাম এর ৮ম পর্ব এর দারস আপলোড করা হয়েছে।
দেখতে এই লিংকে যান- https://youtu.be/iv2hWRuCoyI

17/06/2023

উর্দূ কায়েদা। পর্বঃ ১১ (শেষ পর্ব) । ঘরে বসে উর্দূ ভাষা শিখুন

17/06/2023

উর্দূ কায়েদা। পর্বঃ ১০ । ঘরে বসে উর্দূ ভাষা শিখুন

17/06/2023

উর্দূ কায়েদা। পর্বঃ ০৯ । ঘরে বসে উর্দূ ভাষা শিখুন

17/06/2023

উর্দূ কায়েদা। পর্বঃ ০৮ । ঘরে বসে উর্দূ ভাষা শিখুন

17/06/2023

উর্দূ কায়েদা। পর্বঃ ০৭ । ঘরে বসে উর্দূ ভাষা শিখুন

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Dhaka