BCS Study

BCS Study BCS, Bank, BPSC, NTRCA, and any other job preparation website in Bangladesh. Visit www.bcsstudy.com

বিসিএস বা যে কোন সরকারী চাকুরীর জন্য আলোচনা ও সমস্যার সমাধানের লক্ষে এই পেইজ করা হল। এই গ্রুপের কিছু নির্দিষ্ট নীতিমালা আছে, যার একটি ও না মানলে বা বাইরে কিছু করলে আপনাকে গ্রুপ থেকে বের করে দেওয়া হবে। এরপর ও করলে ব্যান ও হতে পারেন। সুতরাং যোগদান করার আগে ভাল করে পড়ে নিন কি কি আপনাকে মেনে নিয়ে পোষ্ট ও কমেন্ট করতে হবে।


*** পর্ণ বা ১৮+ জাতীয় কোন পোষ্ট কিংবা কমেন্ট করা যাবে না
*** কোন অপ্রাসঙ্গিক পোষ্ট কিংবা কমেন্ট করা যাবে না, যা আমাদের মুল বিষয়ের বাইরে চলে যায়।
*** কোন বজ্ঞাপনের পোষ্ট করা যাবে না, অর্থাৎ মারকেটিং করা যাবে না।
*** আপনার সমস্যার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেবেন, সম্ভব হলে সাথে একটা স্ক্রিন-শট আপলোড করে দিবেন, যাতে সমস্যা বুঝতে সহজ হয়।
*** অন্য কোন Group Link, Page Link,YT Channel Link, এই Group এ শেয়ার করা যাবে না।
*** কাউকে inbox এ যাবার জন্য বলা বা কোউশল খাটানো বা বাধ্য করা যাবে না।
*** ছবি / স্ক্রিন-শট শেয়ার করার সময় আপনার পার্সোনাল ইনফরমেশন গুলো অবশ্যই হাইড/ব্লার করে দেবেন।
*** অন্যের পোষ্ট কপি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া যাবে না।
*** কোন এডমিন / মোডারেটরকে ব্লক করলে পাওয়া মাত্রই আপনাকে ব্যান করে দেওয়া হবে।


নিজে লিখুন, অপরের প্রশ্নের উত্তর দেন। এভাবেই একে অপরের জ্ঞান শেয়ারের মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তুলুন যে কোন সরকারী চাকুরীর জন্য বা বিসিএস এর জন্য।

📚 বাংলাদেশ সংবিধান থেকে গুরুত্বপূর্ণ ১০০টি প্রশ্ন ও উত্তর━━━━━━━━━━━━━━━━━━🎯 BCS | Bank | NTRCA | Primary | Govt. Job━━━...
25/08/2026

📚 বাংলাদেশ সংবিধান থেকে গুরুত্বপূর্ণ ১০০টি প্রশ্ন ও উত্তর
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🎯 BCS | Bank | NTRCA | Primary | Govt. Job

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🇧🇩 সংবিধানের মৌলিক তথ্য
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১. বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম কী?
উত্তর: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।

২. বাংলাদেশের সংবিধান কবে গৃহীত হয়?
উত্তর: ৪ নভেম্বর ১৯৭২।

৩. বাংলাদেশের সংবিধান কবে কার্যকর হয়?
উত্তর: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।

৪. বাংলাদেশের সংবিধান কে প্রণয়ন করে?
উত্তর: গণপরিষদ।

৫. গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় কত তারিখে?
উত্তর: ৪ নভেম্বর ১৯৭২।

৬. বাংলাদেশের সংবিধানের রচয়িতা হিসেবে কাকে উল্লেখ করা হয়?
উত্তর: ড. কামাল হোসেন।

৭. বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি কয়টি?
উত্তর: ৪টি।

৮. বাংলাদেশের সংবিধানের চার মূলনীতি কী?
উত্তর: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।

৯. বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কয়টি ভাগ রয়েছে?
উত্তর: ১১টি ভাগ।

১০. বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কতটি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
উত্তর: ১৫৩টি অনুচ্ছেদ।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📜 প্রস্তাবনা ও রাষ্ট্রের পরিচয়
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১১. সংবিধানের প্রস্তাবনা কী দিয়ে শুরু হয়েছে?
উত্তর: “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” দিয়ে।

১২. বাংলাদেশের রাষ্ট্রের সাংবিধানিক নাম কী?
উত্তর: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।

১৩. সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পরিচয় বর্ণিত হয়েছে?
উত্তর: ১ নম্বর অনুচ্ছেদে।

১৪. বাংলাদেশ কী ধরনের রাষ্ট্র?
উত্তর: একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র।

১৫. বাংলাদেশের রাজধানী কোথায়?
উত্তর: ঢাকা।

১৬. রাজধানী সম্পর্কিত বিধান কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৫ নম্বর অনুচ্ছেদে।

১৭. বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা কী?
উত্তর: বাংলা।

১৮. রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ কোনটি?
উত্তর: ৩ নম্বর অনুচ্ছেদ।

১৯. বাংলাদেশের নাগরিকদের কী বলা হয়?
উত্তর: বাংলাদেশি।

২০. সংবিধানের সর্বময় ক্ষমতার উৎস কে?
উত্তর: জনগণ।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
⚖️ সংবিধানের সর্বোচ্চতা ও রাষ্ট্রীয় মূলনীতি
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

২১. সংবিধানের সর্বোচ্চতা কোন অনুচ্ছেদে ঘোষণা করা হয়েছে?
উত্তর: ৭ নম্বর অনুচ্ছেদে।

২২. বাংলাদেশের সংবিধানকে কী বলা হয়েছে?
উত্তর: প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন।

২৩. সংবিধানের সঙ্গে কোনো আইন অসামঞ্জস্যপূর্ণ হলে কী হবে?
উত্তর: অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন যতটুকু অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততটুকু বাতিল হবে।

২৪. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি কোন ভাগে রয়েছে?
উত্তর: দ্বিতীয় ভাগে।

২৫. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি কোন অনুচ্ছেদ থেকে শুরু?
উত্তর: ৮ নম্বর অনুচ্ছেদ।

২৬. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি কি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য?
উত্তর: না।

২৭. জাতীয়তাবাদ কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
উত্তর: ৯ নম্বর অনুচ্ছেদে।

২৮. শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার কথা কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ১০ নম্বর অনুচ্ছেদে।

২৯. গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের কথা কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ১১ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৩০. ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ১২ নম্বর অনুচ্ছেদে।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
👥 নাগরিকের মৌলিক অধিকার
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৩১. মৌলিক অধিকার সংবিধানের কোন ভাগে রয়েছে?
উত্তর: তৃতীয় ভাগে।

৩২. মৌলিক অধিকার কোন অনুচ্ছেদ থেকে শুরু?
উত্তর: ২৬ নম্বর অনুচ্ছেদ থেকে।

৩৩. আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৩৪. ধর্ম, বর্ণ, জাতি, লিঙ্গ বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে বৈষম্য নিষিদ্ধ কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৩৫. সরকারি চাকরিতে সমান সুযোগের কথা কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ২৯ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৩৬. বিদেশি খেতাব গ্রহণের ক্ষেত্রে বিধান কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৩০ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৩৭. আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৩১ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৩৮. জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৩৯. গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে নিরাপত্তার বিধান কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৩৩ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৪০. জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৩৪ নম্বর অনুচ্ছেদে।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🗣️ নাগরিক স্বাধীনতা
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৪১. চলাফেরার স্বাধীনতা কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৩৬ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৪২. সমাবেশের স্বাধীনতা কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৩৭ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৪৩. সংগঠন করার স্বাধীনতা কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৩৮ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৪৪. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৩৯ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৪৫. পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৪০ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৪৬. ধর্মীয় স্বাধীনতা কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৪১ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৪৭. সম্পত্তির অধিকার কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৪২ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৪৮. গৃহ ও যোগাযোগের গোপনীয়তার অধিকার কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৪৩ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৪৯. মৌলিক অধিকার বলবৎ করার অধিকার কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৪৪ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৫০. মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নের জন্য কোথায় যাওয়া যায়?
উত্তর: হাইকোর্ট বিভাগে।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🇧🇩 রাষ্ট্রপতি
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৫১. বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কীভাবে নির্বাচিত হন?
উত্তর: সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হন।

৫২. রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স কত?
উত্তর: ৩৫ বছর।

৫৩. রাষ্ট্রপতির মেয়াদ কত বছর?
উত্তর: ৫ বছর।

৫৪. একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ কতবার রাষ্ট্রপতি হতে পারেন?
উত্তর: দুই মেয়াদ।

৫৫. রাষ্ট্রপতি পদ সম্পর্কিত বিধান কোন অনুচ্ছেদ থেকে শুরু?
উত্তর: ৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদ থেকে।

৫৬. রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কে তাঁর দায়িত্ব পালন করেন?
উত্তর: স্পিকার।

৫৭. রাষ্ট্রপতি কাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন?
উত্তর: সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সদস্যকে।

৫৮. রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৪৯ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৫৯. রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিধান কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৫২ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৬০. রাষ্ট্রপতির শারীরিক বা মানসিক অক্ষমতার কারণে অপসারণ কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৫৩ নম্বর অনুচ্ছেদে।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🏛️ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৬১. বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার প্রধান কে?
উত্তর: প্রধানমন্ত্রী।

৬২. মন্ত্রিসভা সম্পর্কিত বিধান কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৫৫ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৬৩. প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা কার দ্বারা বা কর্তৃত্বে প্রয়োগ হয়?
উত্তর: প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা বা তাঁর কর্তৃত্বে।

৬৪. মন্ত্রিসভা যৌথভাবে কার কাছে দায়ী?
উত্তর: সংসদের কাছে।

৬৫. প্রধানমন্ত্রী কীভাবে নিয়োগ পান?
উত্তর: রাষ্ট্রপতি সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সদস্যকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন।

৬৬. মন্ত্রিসভার কত অংশ সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে হতে হবে?
উত্তর: কমপক্ষে নয়-দশমাংশ সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে।

৬৭. মন্ত্রীদের নিয়োগ কে দেন?
উত্তর: রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে।

৬৮. প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে মন্ত্রিসভার কী হয়?
উত্তর: মন্ত্রিসভা পদত্যাগ করেছে বলে গণ্য হয়।

৬৯. প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কোন ভাগে?
উত্তর: চতুর্থ ভাগে।

৭০. প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হলে নতুন প্রধানমন্ত্রী কে নিয়োগ করেন?
উত্তর: রাষ্ট্রপতি।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🏛️ জাতীয় সংসদ
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৭১. বাংলাদেশের আইনসভা কী নামে পরিচিত?
উত্তর: জাতীয় সংসদ।

৭২. জাতীয় সংসদ সম্পর্কিত বিধান কোন অনুচ্ছেদ থেকে শুরু?
উত্তর: ৬৫ নম্বর অনুচ্ছেদ থেকে।

৭৩. জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচিত আসন কতটি?
উত্তর: ৩০০টি।

৭৪. নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন কতটি?
উত্তর: ৫০টি।

৭৫. জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা কত?
উত্তর: ৩৫০ জন। ([Bangladesh Parliament][1])

৭৬. সংসদ সদস্য হওয়ার ন্যূনতম বয়স কত?
উত্তর: ২৫ বছর।

৭৭. জাতীয় সংসদের মেয়াদ কত বছর?
উত্তর: ৫ বছর।

৭৮. সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন কে?
উত্তর: রাষ্ট্রপতি।

৭৯. জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার কে নির্বাচিত করেন?
উত্তর: সংসদ সদস্যরা।

৮০. অর্থবিল কোথায় উত্থাপন করা যায়?
উত্তর: জাতীয় সংসদে।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
⚖️ বিচার বিভাগ
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৮১. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম কী?
উত্তর: সুপ্রিম কোর্ট।

৮২. সুপ্রিম কোর্ট কয়টি বিভাগ নিয়ে গঠিত?
উত্তর: দুটি—আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।

৮৩. সুপ্রিম কোর্ট সম্পর্কিত বিধান কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ৯৪ নম্বর অনুচ্ছেদ থেকে।

৮৪. প্রধান বিচারপতিকে কে নিয়োগ করেন?
উত্তর: রাষ্ট্রপতি।

৮৫. সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির অবসর গ্রহণের বয়স কত?
উত্তর: ৬৭ বছর।

৮৬. বিচারপতি অপসারণের ক্ষেত্রে সংসদে কত ভোট প্রয়োজন?
উত্তর: মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট।

৮৭. সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কার কাছে পদত্যাগপত্র দেন?
উত্তর: রাষ্ট্রপতির কাছে।

৮৮. প্রধান বিচারপতির পদ শূন্য হলে কে তাঁর কার্যভার পালন করেন?
উত্তর: আপিল বিভাগের পরবর্তী জ্যেষ্ঠ বিচারপতি।

৮৯. অধস্তন আদালত সম্পর্কিত বিধান কোন অনুচ্ছেদ থেকে?
উত্তর: ১১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ থেকে।

৯০. বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বিষয়টি কোন অনুচ্ছেদের সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত?
উত্তর: ১১৬ক অনুচ্ছেদ।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🗳️ নির্বাচন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৯১. নির্বাচন কমিশন সম্পর্কিত বিধান কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ১১৮ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৯২. বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনের প্রধান কে?
উত্তর: প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

৯৩. নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের নিয়োগ কে দেন?
উত্তর: রাষ্ট্রপতি।

৯৪. সরকারি কর্ম কমিশন (PSC) সম্পর্কিত বিধান কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ১৩৭ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৯৫. সরকারি কর্ম কমিশনের কাজের মধ্যে কী রয়েছে?
উত্তর: প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচনের জন্য পরীক্ষা গ্রহণসহ সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত কার্যাবলি।

৯৬. সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কে নিয়োগ করেন?
উত্তর: রাষ্ট্রপতি।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🚨 জরুরি অবস্থা ও সংবিধান সংশোধন
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৯৭. জরুরি অবস্থা ঘোষণা সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ কোনটি?
উত্তর: ১৪১ক অনুচ্ছেদ।

৯৮. সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদে।

৯৯. সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করতে মোট সংসদ সদস্যের কত ভোট প্রয়োজন?
উত্তর: কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট। ([Bangladesh Laws][2])

১০০. বাংলাদেশের সংবিধান কোন তারিখে কার্যকর হয়েছিল?
উত্তর: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🎯 দ্রুত রিভিশন — পরীক্ষার আগে অবশ্যই দেখুন
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📌 সংবিধান গৃহীত → ৪ নভেম্বর ১৯৭২
📌 সংবিধান কার্যকর → ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
📌 রাষ্ট্রের নাম → গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
📌 রাজধানী → ঢাকা
📌 রাষ্ট্রভাষা → বাংলা
📌 মূলনীতি → ৪টি
📌 মৌলিক অধিকার → তৃতীয় ভাগ
📌 রাষ্ট্রপতির মেয়াদ → ৫ বছর
📌 সংসদের সাধারণ আসন → ৩০০
📌 সংরক্ষিত নারী আসন → ৫০
📌 সংসদের মোট সদস্য → ৩৫০
📌 সংসদ সদস্যের ন্যূনতম বয়স → ২৫ বছর
📌 সুপ্রিম কোর্ট → আপিল বিভাগ + হাইকোর্ট বিভাগ
📌 বিচারপতির অবসর বয়স → ৬৭ বছর
📌 PSC → অনুচ্ছেদ ১৩৭
📌 নির্বাচন কমিশন → অনুচ্ছেদ ১১৮
📌 সংবিধান সংশোধন → অনুচ্ছেদ ১৪২
📌 সংবিধান কার্যকর → ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📚 BCS Study

চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি হোক আরও সহজ, গোছানো ও কার্যকর।

📌 পোস্টটি Save করে রাখুন
📤 চাকরিপ্রার্থী বন্ধুদের সঙ্গে Share করুন
💬 ১০০টির মধ্যে আপনি কয়টির উত্তর আগে থেকেই জানতেন?

#বাংলাদেশসংবিধান #সংবিধান #চাকরিরপ্রস্তুতি

📚 চর্যাপদ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ১০০টি প্রশ্ন ও উত্তরপর্ব–২ | প্রশ্ন ১০১–২০০━━━━━━━━━━━━━━━━━━🎯 BCS | Bank | NTRCA | Primary ...
24/08/2026

📚 চর্যাপদ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ১০০টি প্রশ্ন ও উত্তর
পর্ব–২ | প্রশ্ন ১০১–২০০
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🎯 BCS | Bank | NTRCA | Primary | Govt. Job

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📖 চর্যাপদ: আবিষ্কার ও পুঁথি
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১০১. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কোন শতকের শেষদিকে চর্যাপদের পুঁথি খুঁজতে নেপালে যান?
উত্তর: উনিশ শতকের শেষদিকে।

১০২. চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কারের ক্ষেত্রে নেপালের কোন গ্রন্থাগার গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার।

১০৩. চর্যাপদের পুঁথি কী ধরনের গ্রন্থ?
উত্তর: তালপাতায় লেখা প্রাচীন পুঁথি।

১০৪. চর্যাপদ আবিষ্কারের সঙ্গে কোন গবেষকের নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত?
উত্তর: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।

১০৫. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কোন উপাধিতে ভূষিত ছিলেন?
উত্তর: মহামহোপাধ্যায়।

১০৬. চর্যাপদের আবিষ্কার বাংলা সাহিত্যের কোন বিষয়ের প্রাচীনত্ব প্রমাণ করে?
উত্তর: বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনত্ব।

১০৭. চর্যাপদের পুঁথির ভাষা প্রথমে কেন দুর্বোধ্য মনে হয়েছিল?
উত্তর: গূঢ় ও সাংকেতিক ভাষার কারণে।

১০৮. চর্যাপদ প্রকাশের ফলে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কী পরিবর্তন আসে?
উত্তর: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের সূচনাকাল আরও প্রাচীন বলে প্রতিষ্ঠিত হয়।

১০৯. চর্যাপদের পুঁথির সঙ্গে কোন ধরনের সাহিত্যিক রচনা পাওয়া যায়?
উত্তর: দোহা ও অন্যান্য বৌদ্ধ সাধনামূলক রচনা।

১১০. চর্যাপদ আবিষ্কারের প্রধান ঐতিহাসিক গুরুত্ব কী?
উত্তর: বাংলা ভাষার প্রাচীন লিখিত নিদর্শন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ পাওয়া যায়।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📝 গ্রন্থ ও নামকরণ
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১১১. হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদিত চর্যাপদের গ্রন্থটির পূর্ণ নাম কী?
উত্তর: হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোঁহা।

১১২. চর্যাপদের গ্রন্থের নামের ‘বৌদ্ধ গান’ অংশটি কী নির্দেশ করে?
উত্তর: বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের গীতিপদ।

১১৩. চর্যাপদের সঙ্গে ‘দোঁহা’ শব্দটির সম্পর্ক কী?
উত্তর: সিদ্ধাচার্যদের সাধনামূলক দ্বিপদী রচনার সঙ্গে।

১১৪. চর্যাপদ মূলত কী ধরনের সাহিত্য?
উত্তর: গীতিকবিতা।

১১৫. চর্যাপদের পদগুলো কী উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল?
উত্তর: সাধনতত্ত্ব ও আধ্যাত্মিক ভাব প্রকাশের জন্য।

১১৬. চর্যাপদকে বাংলা সাহিত্যের কোন ধারার প্রাচীন নিদর্শন বলা হয়?
উত্তর: গীতিকবিতার প্রাচীন নিদর্শন।

১১৭. চর্যাপদের পদগুলো কি কেবল ধর্মীয় রচনা?
উত্তর: না; ধর্মীয় ভাবের পাশাপাশি সমাজ ও প্রকৃতির চিত্রও রয়েছে।

১১৮. চর্যাপদের নামের ‘চর্যা’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: সাধনা বা আচরণ।

১১৯. চর্যাপদের মূল বক্তব্য কোন সাধনাকে কেন্দ্র করে?
উত্তর: সহজিয়া সাধনা।

১২০. চর্যাপদে গানের সঙ্গে কোন বিষয়ের সমন্বয় ঘটেছে?
উত্তর: সাধনতত্ত্ব ও কাব্যিক সৌন্দর্যের।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
👨‍🎓 সিদ্ধাচার্য ও কবি
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১২১. চর্যাপদের কবিদের কেন সিদ্ধাচার্য বলা হয়?
উত্তর: তাঁরা বৌদ্ধ তান্ত্রিক সাধনায় সিদ্ধিলাভ করেছিলেন বলে।

১২২. চর্যাপদের কবিরা কোন সাধনাপদ্ধতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন?
উত্তর: সহজিয়া সাধনাপদ্ধতির সঙ্গে।

১২৩. চর্যাপদের কবিদের রচনায় গুরুর ভূমিকা কেমন?
উত্তর: গুরু সাধনার পথপ্রদর্শক।

১২৪. চর্যাপদের অন্যতম প্রাচীন সিদ্ধাচার্য কে?
উত্তর: লুইপা।

১২৫. লুইপার নামের সঙ্গে কোন সাহিত্যিক নিদর্শনের সম্পর্ক রয়েছে?
উত্তর: চর্যাপদের প্রারম্ভিক পদগুলোর সঙ্গে।

১২৬. কাহ্নপার আরেকটি নাম কী?
উত্তর: কৃষ্ণাচার্য।

১২৭. কাহ্নপা কোন ধরনের সাধক ছিলেন?
উত্তর: বৌদ্ধ সহজিয়া সাধক।

১২৮. কাহ্নপার পদে কোন বিষয়ের প্রকাশ লক্ষ করা যায়?
উত্তর: সাধনতত্ত্ব, প্রেম ও মানবজীবনের নানা প্রতীক।

১২৯. ভুসুকুপা চর্যাপদের কী ধরনের কবি?
উত্তর: অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধাচার্য কবি।

১৩০. চর্যাপদের কবিদের রচনায় ব্যক্তিগত নামের পরিবর্তে কী বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: তাঁদের সাধনাগত পরিচয় ও প্রতীকী বক্তব্য।

১৩১. চর্যাপদের কবিদের মধ্যে শবরপা কী জন্য উল্লেখযোগ্য?
উত্তর: তাঁর পদে শিকারি ও প্রান্তিক জীবনের চিত্র পাওয়া যায়।

১৩২. ডোম্বীপা নামের সঙ্গে কোন সামাজিক গোষ্ঠীর ইঙ্গিত রয়েছে?
উত্তর: ডোম্ব সম্প্রদায়।

১৩৩. চর্যাপদের কবিদের রচনায় প্রান্তিক মানুষের জীবন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: সমকালীন সমাজজীবনের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।

১৩৪. চর্যাপদের কবিরা কোন অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: পূর্বভারতীয় অঞ্চলের।

১৩৫. চর্যাপদের কবিদের সময়কাল সাধারণভাবে কোন সময়ের মধ্যে ধরা হয়?
উত্তর: আনুমানিক অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতক।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🌿 চর্যাপদে সমাজজীবন
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১৩৬. চর্যাপদ থেকে তৎকালীন সমাজের কী জানা যায়?
উত্তর: মানুষের পেশা, জীবনযাত্রা, খাদ্য, পোশাক ও সামাজিক সম্পর্ক সম্পর্কে।

১৩৭. চর্যাপদে কোন ধরনের মানুষের জীবনচিত্র দেখা যায়?
উত্তর: কৃষক, শিকারি, জেলে, মাঝি, তাঁতি ও সাধারণ মানুষের।

১৩৮. চর্যাপদে নৌকার উল্লেখ কী নির্দেশ করে?
উত্তর: নদীকেন্দ্রিক জীবন ও নৌযাতায়াতের প্রচলন।

১৩৯. চর্যাপদে শিকারি জীবনের চিত্র কী প্রমাণ করে?
উত্তর: শিকার ছিল তৎকালীন মানুষের একটি জীবিকা।

১৪০. চর্যাপদে তাঁতির উল্লেখ কী নির্দেশ করে?
উত্তর: বস্ত্র উৎপাদন ও তাঁতশিল্পের অস্তিত্ব।

১৪১. চর্যাপদে নদীমাতৃক পরিবেশের কী প্রমাণ পাওয়া যায়?
উত্তর: নৌকা, মাঝি, নদী ও জলযাত্রার নানা উল্লেখে।

১৪২. চর্যাপদে গ্রামীণ জীবনের কোন দিক ফুটে উঠেছে?
উত্তর: কৃষিকাজ, গৃহস্থালি ও সাধারণ মানুষের জীবন।

১৪৩. চর্যাপদে নারীর উপস্থিতি কীভাবে দেখা যায়?
উত্তর: প্রেম, সংসার ও সাধনার প্রতীক হিসেবে।

১৪৪. চর্যাপদে কোন শ্রেণির মানুষের জীবন বিশেষভাবে প্রতিফলিত?
উত্তর: সাধারণ ও নিম্নবর্গীয় মানুষের।

১৪৫. চর্যাপদ থেকে তৎকালীন অর্থনীতির কী ধারণা পাওয়া যায়?
উত্তর: কৃষি, কারুশিল্প, শিকার ও নৌভিত্তিক জীবিকার।

১৪৬. চর্যাপদে কী ধরনের পোশাকের ইঙ্গিত পাওয়া যায়?
উত্তর: তৎকালীন সাধারণ মানুষের প্রচলিত পোশাকের।

১৪৭. চর্যাপদে কোন ধরনের খাদ্যাভ্যাসের ইঙ্গিত পাওয়া যায়?
উত্তর: গ্রামীণ ও সাধারণ মানুষের খাদ্যাভ্যাসের।

১৪৮. চর্যাপদকে সামাজিক ইতিহাসের দলিল বলা হয় কেন?
উত্তর: এতে সমকালীন মানুষের জীবনযাত্রার বাস্তব চিত্র রয়েছে।

১৪৯. চর্যাপদে কোন ভৌগোলিক পরিবেশের প্রভাব বেশি?
উত্তর: নদী, বন ও গ্রামীণ পরিবেশের।

১৫০. চর্যাপদে পেশাজীবী মানুষের উল্লেখের গুরুত্ব কী?
উত্তর: তৎকালীন পেশাভিত্তিক সমাজের পরিচয় পাওয়া যায়।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🌄 প্রকৃতি ও জীবনচিত্র
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১৫১. চর্যাপদে প্রকৃতি কীভাবে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর: বাস্তব চিত্র ও প্রতীক—দুইভাবেই।

১৫২. চর্যাপদে নদী কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: নদী ছিল জীবনযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং সাধনার প্রতীকও।

১৫৩. চর্যাপদে নৌকা কী ধরনের প্রতীক?
উত্তর: জীবন ও সাধনার যাত্রার প্রতীক।

১৫৪. চর্যাপদে মাঝি কী বোঝাতে পারে?
উত্তর: সাধনার পথপ্রদর্শক বা গুরুকে।

১৫৫. চর্যাপদে বন কী ধরনের পরিবেশের পরিচয় দেয়?
উত্তর: প্রাকৃতিক ও গ্রামীণ পরিবেশের।

১৫৬. চর্যাপদের প্রকৃতি বর্ণনার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: বাস্তবতার সঙ্গে আধ্যাত্মিক প্রতীকের সমন্বয়।

১৫৭. চর্যাপদে পশুপাখির উল্লেখের উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: বাস্তব জীবন ও গূঢ় সাধনাতত্ত্ব প্রকাশ করা।

১৫৮. চর্যাপদে কৃষিজীবনের উল্লেখ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: তৎকালীন গ্রামীণ অর্থনীতির পরিচয় দেয়।

১৫৯. চর্যাপদে প্রকৃতি কি শুধু সৌন্দর্য প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত?
উত্তর: না, প্রতীকী অর্থেও ব্যবহৃত হয়েছে।

১৬০. চর্যাপদের প্রকৃতি চিত্রণে কোন যুগের জীবন ফুটে ওঠে?
উত্তর: প্রাচীন বাংলার জীবন।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔤 ভাষা ও ব্যাকরণ
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১৬১. চর্যাপদের ভাষার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: সাংকেতিকতা।

১৬২. চর্যাপদের ভাষায় কোন ভাষার প্রভাব রয়েছে?
উত্তর: প্রাকৃত, অপভ্রংশ ও প্রাচীন বাংলার প্রভাব।

১৬৩. চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার বিকাশের কোন পর্যায়ের সাক্ষ্য দেয়?
উত্তর: প্রাচীন বাংলা পর্যায়ের।

১৬৪. চর্যাপদের ভাষায় তদ্ভব শব্দের ব্যবহার কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: বাংলা ভাষার বিবর্তন বোঝার জন্য।

১৬৫. চর্যাপদ ভাষাতাত্ত্বিকদের কাছে কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপ ও শব্দগঠনের তথ্য এতে পাওয়া যায়।

১৬৬. চর্যাপদের ভাষাকে ‘আলো-আঁধারি’ বলা হয় কেন?
উত্তর: এর অর্থ কখনো স্পষ্ট, কখনো গূঢ়।

১৬৭. চর্যাপদের সাংকেতিক ভাষার উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তর: সাধনতত্ত্বকে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে গোপন রাখা।

১৬৮. চর্যাপদের ভাষায় কোন ধরনের শব্দ বেশি দেখা যায়?
উত্তর: তদ্ভব ও দেশজ শব্দের পাশাপাশি সংস্কৃতজাত শব্দও আছে।

১৬৯. চর্যাপদ বাংলা ভাষার ইতিহাসে কী প্রমাণ করে?
উত্তর: বাংলা ভাষা মধ্যযুগের আগেই স্বতন্ত্র রূপ লাভের পথে ছিল।

১৭০. চর্যাপদ গবেষণায় ভাষাতত্ত্বের গুরুত্ব কী?
উত্তর: প্রাচীন বাংলা ভাষার ধ্বনি, শব্দ ও রূপের পরিবর্তন বোঝা যায়।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🕉️ ধর্ম ও দর্শন
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১৭১. চর্যাপদ কোন বৌদ্ধ মতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত?
উত্তর: বজ্রযান ও সহজযান।

১৭২. সহজিয়া সাধনার মূল লক্ষ্য কী?
উত্তর: অন্তর্নিহিত সত্য বা সহজ স্বরূপ উপলব্ধি।

১৭৩. চর্যাপদে দেহতত্ত্ব কী বোঝায়?
উত্তর: মানবদেহকে সাধনার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে দেখা।

১৭৪. চর্যাপদে ‘সহজ’ শব্দের তাৎপর্য কী?
উত্তর: স্বাভাবিক ও অন্তর্নিহিত আধ্যাত্মিক সত্য।

১৭৫. চর্যাপদের সাধনতত্ত্বে গুরুর গুরুত্ব কেন?
উত্তর: গুরুর নির্দেশ ছাড়া গূঢ় সাধনার পথ বোঝা কঠিন বলে বিবেচিত।

১৭৬. চর্যাপদের ধর্মীয় ভাবনা কি প্রচলিত আচারনির্ভর?
উত্তর: প্রধানত অন্তর্মুখী ও সহজিয়া সাধনানির্ভর।

১৭৭. চর্যাপদে নারী-পুরুষের সম্পর্ক কীভাবে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর: সাধনাতত্ত্বের প্রতীকী প্রকাশ হিসেবে।

১৭৮. চর্যাপদের ধর্মীয় বক্তব্য কেন সরাসরি নয়?
উত্তর: গূঢ় সাধনতত্ত্বকে সাংকেতিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

১৭৯. চর্যাপদে ‘শূন্য’ ধারণা কোন দার্শনিক ভাবনার সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: বৌদ্ধ দর্শনের শূন্যতত্ত্বের সঙ্গে।

১৮০. চর্যাপদের ধর্মীয় ভাবনার সঙ্গে কোন বিষয়ের সমন্বয় ঘটেছে?
উত্তর: মানবদেহ, প্রকৃতি ও দৈনন্দিন জীবনের।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📚 সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১৮১. চর্যাপদে কোন ধরনের কাব্যরীতি দেখা যায়?
উত্তর: গীতিকাব্যধর্মী রীতি।

১৮২. চর্যাপদের প্রধান কাব্যিক শক্তি কী?
উত্তর: প্রতীক ও রূপকের মাধ্যমে গভীর ভাব প্রকাশ।

১৮৩. চর্যাপদে রূপকের ব্যবহার কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: গূঢ় সাধনতত্ত্ব প্রকাশের জন্য।

১৮৪. চর্যাপদের পদগুলোতে কোন ধরনের চিত্রকল্প দেখা যায়?
উত্তর: প্রকৃতি, নদী, নৌকা, পাখি, নারী ও দৈনন্দিন জীবনের চিত্রকল্প।

১৮৫. চর্যাপদের সাহিত্যিক ভাষা কেমন?
উত্তর: সংক্ষিপ্ত, গীতিময়, প্রতীকী ও রহস্যময়।

১৮৬. চর্যাপদের পদে লোকজ উপাদানের উপস্থিতি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: সাধারণ মানুষের জীবন ও সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটেছে।

১৮৭. চর্যাপদে প্রতীকের ব্যবহার বাংলা সাহিত্যে কী প্রতিষ্ঠা করে?
উত্তর: প্রাচীন বাংলা কাব্যেও জটিল প্রতীকী প্রকাশের ঐতিহ্য ছিল।

১৮৮. চর্যাপদের কবিতায় বাস্তব জীবন ও সাধনার সম্পর্ক কী?
উত্তর: বাস্তব জীবনের উপাদানকে সাধনার প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

১৮৯. চর্যাপদের গীতিধর্মিতা কীভাবে প্রকাশ পায়?
উত্তর: পদগুলো মূলত গাওয়ার উপযোগী করে রচিত।

১৯০. চর্যাপদ বাংলা কাব্যের কোন বৈশিষ্ট্যের প্রাথমিক নিদর্শন?
উত্তর: গীতিময়তা ও প্রতীকী কাব্যপ্রকাশের।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔥 চাকরির পরীক্ষার জন্য Must Know: ১৯১–২০০
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

১৯১. চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের কোন যুগের নিদর্শন?
উত্তর: আদিযুগের।

১৯২. চর্যাপদের প্রধান ধর্মীয় ভিত্তি কী?
উত্তর: বৌদ্ধ সহজিয়া সাধনা।

১৯৩. চর্যাপদের ভাষার আরেক নাম কী?
উত্তর: আলো-আঁধারি ভাষা।

১৯৪. চর্যাপদে গূঢ় অর্থ প্রকাশের প্রধান মাধ্যম কী?
উত্তর: প্রতীক ও সাংকেতিক ভাষা।

১৯৫. চর্যাপদ থেকে কোন ধরনের ইতিহাস জানা যায়?
উত্তর: ভাষা, সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতির ইতিহাস।

১৯৬. চর্যাপদের কবিদের কী নামে অভিহিত করা হয়?
উত্তর: সিদ্ধাচার্য।

১৯৭. চর্যাপদে কোন ধরনের মানুষের জীবন বিশেষভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?
উত্তর: সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষের জীবন।

১৯৮. চর্যাপদের অন্যতম প্রধান সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: গূঢ় সাধনতত্ত্বকে দৈনন্দিন জীবনের প্রতীকের মাধ্যমে প্রকাশ।

১৯৯. বাংলা সাহিত্যের শিক্ষার্থীদের কাছে চর্যাপদ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম পর্যায় বোঝার প্রধান উৎসগুলোর একটি।

২০০. চাকরির পরীক্ষায় চর্যাপদ থেকে কোন বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: আবিষ্কারক, আবিষ্কারের স্থান ও সাল, প্রকাশকাল, ভাষা, কবি, সিদ্ধাচার্য, পদসংখ্যা, বৌদ্ধ সহজিয়া মতবাদ, সন্ধ্যাভাষা এবং সমাজচিত্র।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🎯 দ্রুত রিভিশন — এক নজরে
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📌 আবিষ্কারক → হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
📌 আবিষ্কার → ১৯০৭
📌 আবিষ্কারের স্থান → নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার
📌 প্রকাশ → ১৯১৬
📌 ভাষা → সন্ধ্যাভাষা / আলো-আঁধারি ভাষা
📌 প্রধান কবি → কাহ্নপা
📌 প্রথম কবি → লুইপা
📌 কবিদের পরিচয় → সিদ্ধাচার্য
📌 ধর্মীয় ভিত্তি → বৌদ্ধ সহজিয়া মত
📌 সাহিত্যরূপ → গীতিকবিতা
📌 প্রধান বৈশিষ্ট্য → প্রতীকী ও সাংকেতিক ভাষা
📌 গুরুত্বপূর্ণ বিষয় → দেহতত্ত্ব, সহজিয়া সাধনা, সমাজ ও প্রকৃতি

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📚 BCS Study
চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি হোক আরও সহজ ও গোছানো।

📌 পোস্টটি Save করে রাখুন
📤 চাকরিপ্রার্থী বন্ধুদের Share করুন
💬 Part–2 এর ১০০টির মধ্যে আপনি কয়টি প্রশ্নের উত্তর জানতেন?

#চর্যাপদ #বাংলাসাহিত্য #বাংলা #চাকরিরপ্রস্তুতি

📚 চর্যাপদ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ১০০টি প্রশ্ন ও উত্তর━━━━━━━━━━━━━━━━━━🎯 BCS | Bank | NTRCA | Primary | Govt. Job১. চর্যাপদ ক...
23/08/2026

📚 চর্যাপদ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ১০০টি প্রশ্ন ও উত্তর
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🎯 BCS | Bank | NTRCA | Primary | Govt. Job

১. চর্যাপদ কী?
উত্তর: বাংলা ভাষার প্রাচীনতম প্রাপ্ত সাহিত্যিক নিদর্শন।

২. চর্যাপদ কে আবিষ্কার করেন?
উত্তর: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।

৩. চর্যাপদ কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়?
উত্তর: নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে।

৪. চর্যাপদ কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
উত্তর: ১৯০৭ সালে।

৫. চর্যাপদ কে সম্পাদনা করে প্রকাশ করেন?
উত্তর: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।

৬. চর্যাপদ প্রথম কোথায় প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে।

৭. চর্যাপদের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম কী?
উত্তর: হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোঁহা।

৮. চর্যাপদের ভাষাকে কী বলা হয়?
উত্তর: সন্ধ্যাভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা।

৯. চর্যাপদ কোন ধর্মীয় মতবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত?
উত্তর: বৌদ্ধ সহজিয়া মতবাদ।

১০. চর্যাপদের রচয়িতারা কারা?
উত্তর: সিদ্ধাচার্যগণ।

১১. চর্যাপদে মোট কতজন কবির পদ পাওয়া যায়?
উত্তর: ২৩ জন সিদ্ধাচার্যের।

১২. চর্যাপদের মূল পুঁথিতে কতটি পদ ছিল বলে জানা যায়?
উত্তর: ৫০টি।

১৩. বর্তমানে চর্যাপদের কতটি পদ পাওয়া গেছে?
উত্তর: ৪৬টি পূর্ণ পদ এবং একটি খণ্ডিত পদ পাওয়া গেছে।

১৪. চর্যাপদের কোন কবির পদ সবচেয়ে বেশি?
উত্তর: কাহ্নপা।

১৫. চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি পদ রচয়িতা কে?
উত্তর: কাহ্নপা।

১৬. চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা কে?
উত্তর: লুইপা।

১৭. চর্যাপদের প্রথম পদের শুরু কী দিয়ে?
উত্তর: “কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল...”

১৮. চর্যাপদের শেষ পদের রচয়িতা কে?
উত্তর: তন্ত্রীপা।

১৯. চর্যাপদের শেষ পদটি কার?
উত্তর: তন্ত্রীপা।

২০. চর্যাপদের ভাষা কোন ভাষার প্রাচীন রূপ?
উত্তর: বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপ।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📖 চর্যাপদ ও আবিষ্কার সংক্রান্ত
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

২১. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কতবার নেপাল গিয়েছিলেন?
উত্তর: তিনবার।

২২. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রথম নেপাল যান কবে?
উত্তর: ১৮৯৭ সালে।

২৩. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ ছাড়াও কী কী গ্রন্থ আবিষ্কার করেন?
উত্তর: সরহপাদের দোহাকোষ ও কৃষ্ণপাদের দোহাকোষসহ অন্যান্য পুঁথি।

২৪. চর্যাপদের পুঁথিটি কোথায় সংরক্ষিত ছিল?
উত্তর: নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগারে।

২৫. চর্যাপদের পুঁথিটি কোন লিপিতে লেখা?
উত্তর: প্রাচীন বাংলা লিপিতে।

২৬. চর্যাপদের পুঁথির সঙ্গে আর কী পাওয়া গিয়েছিল?
উত্তর: ডাকার্ণব ও দোহাকোষ প্রভৃতি গ্রন্থ।

২৭. চর্যাপদের আবিষ্কার বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম লিখিত নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।

২৮. চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কোন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন?
উত্তর: বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সঙ্গে।

২৯. চর্যাপদ আবিষ্কারের সময় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কী বিষয় নিয়ে গবেষণা করছিলেন?
উত্তর: প্রাচীন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে।

৩০. চর্যাপদ প্রথম প্রকাশের সময় এর নামের মধ্যে ‘পুরাণ বাঙ্গালা’ কেন ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: এর ভাষা প্রাচীন বাংলার নিদর্শন বলে।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📝 কবি ও সিদ্ধাচার্য: ৩১–৬০
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৩১. চর্যাপদের প্রথম কবি কে?
উত্তর: লুইপা।

৩২. লুইপা কতটি পদ রচনা করেন?
উত্তর: ২টি পদ।

৩৩. কাহ্নপা কে ছিলেন?
উত্তর: একজন সিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদের অন্যতম প্রধান কবি।

৩৪. কাহ্নপা কতটি পদ রচনা করেন?
উত্তর: ১৩টি পদ।

৩৫. শবরপা কে?
উত্তর: চর্যাপদের অন্যতম সিদ্ধাচার্য কবি।

৩৬. শবরপা কতটি পদ রচনা করেন?
উত্তর: ২টি পদ।

৩৭. ভুসুকুপা কে?
উত্তর: চর্যাপদের অন্যতম বিখ্যাত সিদ্ধাচার্য কবি।

৩৮. ভুসুকুপার পদে কোন বিষয়ের প্রকাশ বেশি?
উত্তর: মানবজীবন, প্রেম ও আধ্যাত্মিক ভাবনা।

৩৯. ডোম্বীপা কোন ধরনের কবি?
উত্তর: সিদ্ধাচার্য কবি।

৪০. সরহপা কোন সাহিত্যিক ধারার সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: বৌদ্ধ সহজিয়া সাধনা ও দোহা সাহিত্যের সঙ্গে।

৪১. চর্যাপদের উল্লেখযোগ্য কবিদের একজন কে?
উত্তর: কুক্কুরীপা।

৪২. কুক্কুরীপা কী ছিলেন?
উত্তর: সিদ্ধাচার্য কবি।

৪৩. চর্যাপদের আরেকজন উল্লেখযোগ্য কবি কে?
উত্তর: শাস্তিপা।

৪৪. চর্যাপদের কবিদের সাধারণভাবে কী বলা হয়?
উত্তর: সিদ্ধাচার্য।

৪৫. চর্যাপদের কবিরা কোন ধর্মমতের অনুসারী ছিলেন?
উত্তর: বৌদ্ধ সহজিয়া মতের।

৪৬. চর্যাপদের কবিদের রচনায় কোন সাধনার কথা এসেছে?
উত্তর: সহজ সাধনার কথা।

৪৭. চর্যাপদের অন্যতম নারী কবি কে?
উত্তর: কুক্কুরীপা—তবে চর্যাপদের কবিদের লিঙ্গ নির্ধারণে কিছু মতভেদ আছে।

৪৮. চর্যাপদে ‘ডোম্বী’ শব্দের উল্লেখ কোন কবির পদে আছে?
উত্তর: ডোম্বীপা।

৪৯. চর্যাপদের কোন কবির নাম ‘শবর’ জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্কিত?
উত্তর: শবরপা।

৫০. চর্যাপদের কবিরা মূলত কী উদ্দেশ্যে পদ রচনা করতেন?
উত্তর: আধ্যাত্মিক সাধনা ও সহজিয়া দর্শন প্রচারের জন্য।

৫১. চর্যাপদের অন্যতম প্রধান কবি কে?
উত্তর: কাহ্নপা।

৫২. চর্যাপদের কোন কবি ‘ভুসুকু’ নামে পরিচিত?
উত্তর: ভুসুকুপা।

৫৩. চর্যাপদের কোন কবির পদে নারীর প্রতি আকর্ষণের চিত্র দেখা যায়?
উত্তর: ভুসুকুপার পদে।

৫৪. চর্যাপদের কবিদের মধ্যে লুইপা কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: তাঁর পদ দিয়েই চর্যাপদের সংকলন শুরু হয়েছে।

৫৫. চর্যাপদের কবিরা কোন অঞ্চলে সাধনা করতেন?
উত্তর: পূর্বভারত ও বাংলাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে।

৫৬. চর্যাপদের কবিদের সময়কাল কী?
উত্তর: আনুমানিক ৮ম থেকে ১২শ শতক।

৫৭. চর্যাপদের সঙ্গে কোন বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সম্পর্ক?
উত্তর: বজ্রযান ও সহজযানপন্থী বৌদ্ধদের।

৫৮. চর্যাপদের কবিদের ‘সিদ্ধ’ বলা হয় কেন?
উত্তর: তাঁরা সাধনার মাধ্যমে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন বলে।

৫৯. চর্যাপদের পদগুলো মূলত কী ধরনের?
উত্তর: ধর্মীয়, আধ্যাত্মিক ও সাধনামূলক গান।

৬০. চর্যাপদের কবিরা কোন ধরনের ভাষায় তাঁদের ভাব প্রকাশ করেছেন?
উত্তর: প্রতীকী ও সাংকেতিক ভাষায়।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🎯 ভাষা, সাহিত্য ও বৈশিষ্ট্য: ৬১–৮৫
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৬১. চর্যাপদের ভাষাকে ‘সন্ধ্যাভাষা’ বলা হয় কেন?
উত্তর: ভাষার অর্থ আংশিক স্পষ্ট ও আংশিক গূঢ় হওয়ায়।

৬২. চর্যাপদের ভাষার আরেক নাম কী?
উত্তর: আলো-আঁধারি ভাষা।

৬৩. চর্যাপদের ভাষায় কোন দুটি বৈশিষ্ট্য পাশাপাশি দেখা যায়?
উত্তর: প্রাচীন বাংলা ও অপভ্রংশের বৈশিষ্ট্য।

৬৪. চর্যাপদে কোন ধরনের শব্দের ব্যবহার দেখা যায়?
উত্তর: তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও প্রাকৃতজাত শব্দ।

৬৫. চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার কোন পর্যায়ের?
উত্তর: প্রাচীন বাংলা।

৬৬. চর্যাপদে কোন ধরনের অলংকারের ব্যবহার আছে?
উত্তর: রূপক, উপমা, প্রতীক ইত্যাদি।

৬৭. চর্যাপদের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: গূঢ় আধ্যাত্মিক ভাবকে প্রতীকের মাধ্যমে প্রকাশ।

৬৮. চর্যাপদে ‘দেহতত্ত্ব’ কী?
উত্তর: মানবদেহকে সাধনার কেন্দ্র হিসেবে দেখার ধারণা।

৬৯. চর্যাপদে প্রকৃতির চিত্র কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: সাধনামূলক ভাব প্রকাশে প্রকৃতির উপাদান প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

৭০. চর্যাপদে নদী কীসের প্রতীক হতে পারে?
উত্তর: সাধনার পথ বা জীবনপ্রবাহের প্রতীক।

৭১. চর্যাপদে নৌকা কীসের প্রতীক?
উত্তর: জীবন বা সাধনার যাত্রার প্রতীক।

৭২. চর্যাপদে মাঝি কীসের প্রতীক?
উত্তর: পথপ্রদর্শক বা গুরুর প্রতীক।

৭৩. চর্যাপদে নারী-পুরুষের সম্পর্ক কীভাবে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর: আধ্যাত্মিক সাধনার প্রতীক হিসেবে।

৭৪. চর্যাপদের পদগুলো কি সরল অর্থে গ্রহণযোগ্য?
উত্তর: না, এগুলোর অন্তর্নিহিত গূঢ় অর্থ রয়েছে।

৭৫. চর্যাপদে ‘সহজ’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: সহজিয়া সাধনার স্বাভাবিক ও অন্তর্মুখী পথ।

৭৬. চর্যাপদে কোন ধরনের জীবনচিত্র পাওয়া যায়?
উত্তর: সমকালীন সমাজ ও সাধারণ মানুষের জীবনচিত্র।

৭৭. চর্যাপদে কী ধরনের পেশার উল্লেখ পাওয়া যায়?
উত্তর: নৌকা চালানো, শিকার, কৃষিকাজ, তাঁত ইত্যাদি পেশার চিত্র।

৭৮. চর্যাপদ থেকে কী জানা যায়?
উত্তর: তৎকালীন সমাজ, অর্থনীতি, পেশা, পোশাক ও জীবনযাত্রা সম্পর্কে।

৭৯. চর্যাপদে কোন শ্রেণির মানুষের জীবনচিত্র বেশি দেখা যায়?
উত্তর: সাধারণ ও নিম্নবর্গীয় মানুষের জীবনচিত্র।

৮০. চর্যাপদকে বাংলা সাহিত্যের কী বলা হয়?
উত্তর: বাংলা সাহিত্যের আদিযুগের প্রধান নিদর্শন।

৮১. চর্যাপদে ধর্মীয় ভাবনার সঙ্গে কী মিশে আছে?
উত্তর: মানবজীবন ও সামাজিক জীবনের বাস্তব চিত্র।

৮২. চর্যাপদের ভাষা বোঝা কঠিন কেন?
উত্তর: সাংকেতিক ভাষা ও গূঢ় অর্থের কারণে।

৮৩. চর্যাপদে ‘গুরু’র গুরুত্ব কী?
উত্তর: সাধনার পথপ্রদর্শক হিসেবে গুরু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৮৪. চর্যাপদে প্রতীক ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: গোপন সাধনতত্ত্ব সাধারণের কাছ থেকে আড়াল রাখা।

৮৫. চর্যাপদের সাহিত্যিক মূল্য কী?
উত্তর: এটি প্রাচীন বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সমাজজীবনের গুরুত্বপূর্ণ দলিল।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔥 পরীক্ষার জন্য শেষ ১৫টি Must Know
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৮৬. চর্যাপদ আবিষ্কার করেন কে?
উত্তর: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।

৮৭. চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় কত সালে?
উত্তর: ১৯০৭ সালে।

৮৮. চর্যাপদ প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
উত্তর: ১৯১৬ সালে।

৮৯. চর্যাপদ কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়?
উত্তর: নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে।

৯০. চর্যাপদের ভাষা কী?
উত্তর: সন্ধ্যাভাষা।

৯১. চর্যাপদের প্রথম কবি কে?
উত্তর: লুইপা।

৯২. চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা কে?
উত্তর: কাহ্নপা।

৯৩. চর্যাপদের মোট কবি কতজন?
উত্তর: ২৩ জন।

৯৪. চর্যাপদের মূল পদসংখ্যা কত?
উত্তর: ৫০টি।

৯৫. বর্তমানে কতটি পূর্ণ পদ পাওয়া গেছে?
উত্তর: ৪৬টি।

৯৬. চর্যাপদের কবিরা কী নামে পরিচিত?
উত্তর: সিদ্ধাচার্য।

৯৭. চর্যাপদ কোন মতবাদের সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: বৌদ্ধ সহজিয়া মতবাদ।

৯৮. চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের কোন যুগের নিদর্শন?
উত্তর: আদিযুগের।

৯৯. চর্যাপদের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: গূঢ় সাধনতত্ত্ব ও প্রতীকী ভাষা।

১০০. চর্যাপদের ঐতিহাসিক গুরুত্ব কী?
উত্তর: এটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম প্রাপ্ত নিদর্শন এবং তৎকালীন সমাজজীবনের গুরুত্বপূর্ণ দলিল।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📌 পরীক্ষার আগে অবশ্যই মনে রাখুন:

১৯০৭ → চর্যাপদ আবিষ্কার
১৯১৬ → প্রথম প্রকাশ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী → আবিষ্কারক
নেপাল → আবিষ্কারের স্থান
লুইপা → প্রথম কবি
কাহ্নপা → সর্বাধিক পদ
২৩ জন → কবি
৫০টি → মূল পদ
৪৬টি → পূর্ণ পদ
সন্ধ্যাভাষা → চর্যাপদের ভাষা
বৌদ্ধ সহজিয়া → ধর্মীয় মতবাদ

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📚 BCS Study
চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি হোক আরও সহজ ও গোছানো।

📌 পোস্টটি Save করে রাখুন
📤 চাকরিপ্রার্থী বন্ধুদের Share করুন
💬 ১০০টির মধ্যে আপনি কয়টি প্রশ্নের উত্তর আগে থেকেই জানতেন?

#চর্যাপদ #বাংলাসাহিত্য #বাংলা #চাকরিরপ্রস্তুতি

23/08/2026

মাদক একটা প্রজন্মকে অলরেডি ধ্বংস করে ফেলেছে।
গ্রামের অবস্থা বেশি খারাপ শহরের তুলনায়৷

📚 চাকরির পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ১০০টি বাগধারা ও অর্থপর্ব–২━━━━━━━━━━━━━━━━━━🎯 BCS | Bank | NTRCA | Primary | Govt. Job১. ...
23/08/2026

📚 চাকরির পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ১০০টি বাগধারা ও অর্থ
পর্ব–২
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🎯 BCS | Bank | NTRCA | Primary | Govt. Job

১. অন্ধের দেশে কানা রাজা — অযোগ্যদের মধ্যে অপেক্ষাকৃত যোগ্য ব্যক্তি

২. অন্ধকারে ঢিল মারা — আন্দাজে কাজ করা

৩. অন্ধকারে হাতড়ানো — কোনো বিষয়ে দিশেহারা হওয়া

৪. অকালবোধন — অসময়ে কোনো কাজের সূচনা

৫. অগস্ত্যযাত্রা — চিরতরে চলে যাওয়া

৬. অষ্টরম্ভা — অত্যন্ত বড়াইকারী ব্যক্তি

৭. আক্কেল সেলামি — অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা

৮. আগুন নিয়ে খেলা — বিপজ্জনক কাজ করা

৯. আগুনে ঘি ঢালা — উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেওয়া

১০. আগুনে হাত পুড়ানো — বিপজ্জনক কাজে লিপ্ত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া

১১. আগুনের গোলা — অত্যন্ত রাগী ব্যক্তি

১২. আঁচল পাতানো — সাহায্য প্রার্থনা করা

১৩. আকাশ পাতাল তফাত — বিরাট পার্থক্য

১৪. আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া — অসম্ভব বস্তু লাভ করা

১৫. আদা জল খেয়ে লাগা — দৃঢ় সংকল্পে কাজে লেগে যাওয়া

১৬. আদায়ের গলায় দড়ি — জোর করে কিছু আদায় করা

১৭. আলকাতরার মতো কালো — অত্যন্ত কালো

১৮. আলোর মুখ দেখা — প্রকাশিত বা জন্মলাভ করা

১৯. ইট-কাঠ-পাথর — জড়বস্তু / প্রাণহীন বস্তু

২০. ইতি টানা — সমাপ্ত করা

২১. উনিশ-বিশ — সামান্য পার্থক্য

২২. উল্টোরথ — বিপরীতমুখী অবস্থা

২৩. একচোখা নীতি — পক্ষপাতমূলক নীতি

২৪. এক কথায় — সংক্ষেপে

২৫. এক ঘাটের জল খাওয়া — একই স্বভাবের হওয়া

২৬. একেবারে কপর্দকশূন্য — সম্পূর্ণ নিঃস্ব

২৭. ওজনদার কথা — গুরুত্বপূর্ণ কথা

২৮. কলুর বলদ — অত্যধিক পরিশ্রমী কিন্তু পরাধীন ব্যক্তি

২৯. কাঁচা হাতে — অনভিজ্ঞভাবে

৩০. কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটা — দুঃখের ওপর আরও দুঃখ দেওয়া

৩১. কানে কানে — গোপনে

৩২. কানে ধরা — আর কোনো কাজ না করার প্রতিজ্ঞা করা

৩৩. কানে পানি না ঢোকা — কোনো কথা বুঝতে না পারা

৩৪. কপালে ভাঁজ পড়া — দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হওয়া

৩৫. কপালের লিখন — ভাগ্যের বিধান

৩৬. কপাল খোলা — সৌভাগ্য আসা

৩৭. কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে — ঐক্যবদ্ধভাবে

৩৮. কিল ঘুষি — মারামারি

৩৯. কূলকিনারা না পাওয়া — কোনো বিষয়ে সমাধান না পাওয়া

৪০. কূলের কাঁটা — অত্যন্ত বিরক্তিকর ব্যক্তি

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📖 আরও গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা: ৪১–৭০
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৪১. খণ্ডের কাঁটা — বিরক্তিকর ব্যক্তি

৪২. খড়কুটো আঁকড়ে ধরা — সামান্য অবলম্বন গ্রহণ করা

৪৩. খাতির জমা — সুসম্পর্ক তৈরি হওয়া

৪৪. খাতির করা — সম্মান করা

৪৫. গায়ে পড়া — বিনা কারণে আগ্রহ দেখানো

৪৬. গায়ে কাঁটা দেওয়া — ভয়ে বা শিহরণে শরীর শিউরে ওঠা

৪৭. গায়ে মানে না, আপনি মোড়ল — অযথা কর্তৃত্ব দেখানো

৪৮. গলগ্রহ — বোঝাস্বরূপ ব্যক্তি

৪৯. গলায় গলায় ভাব — অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক

৫০. গলায় ফাঁস দেওয়া — আত্মহত্যা করা

৫১. গা ঢাকা দেওয়া — আত্মগোপন করা

৫২. গায়ে হাওয়া লাগা — অহংকারী হয়ে ওঠা

৫৩. গালে হাত দিয়ে বসা — হতাশ হয়ে বসে থাকা

৫৪. ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া — মধ্যবর্তী ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে কাজ করা

৫৫. ঘাড়ে কাঁঠাল ভাঙা — অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানো

৫৬. ঘাড়ে বন্দুক রেখে গুলি করা — অন্যকে দিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করা

৫৭. ঘাড় ত্যাড়া — অবাধ্য / একগুঁয়ে

৫৮. চক্ষু দান — জ্ঞান বা সচেতনতা প্রদান

৫৯. চক্ষু মেলানো — জ্ঞানলাভ করা

৬০. চক্ষু লজ্জা — লোকলজ্জা

৬১. চরণ স্পর্শ করা — শ্রদ্ধা জানানো

৬২. চামড়া মোটা — নির্লজ্জ / অপমানেও বিচলিত নয়

৬৩. চার হাত এক হওয়া — বিবাহ হওয়া

৬৪. চোরাবালি — বিপজ্জনক পরিস্থিতি

৬৫. ছক্কা হাঁকানো — অসাধারণ সাফল্য লাভ করা

৬৬. ছলাকলা — নানা কৌশল

৬৭. ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো — অত্যন্ত অপদার্থ ব্যক্তি

৬৮. ছেঁড়া মেঘ — অসহায় অবস্থা

৬৯. জলে কুমির ডাঙায় বাঘ — দুই দিকেই বিপদ

৭০. জ্বলে পুড়ে ছারখার — অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📝 ৭১–১০০: পরীক্ষার জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৭১. টাকার কুমির — অত্যন্ত ধনী ব্যক্তি

৭২. টনক নড়া — হুঁশ হওয়া / বোধোদয় হওয়া

৭৩. ঠোঁটে হাসি — আনন্দের প্রকাশ

৭৪. ঠোঁট ফুলানো — অভিমান করা

৭৫. ডান হাত — প্রধান সহায়ক ব্যক্তি

৭৬. ঢাকের কাঠি — নির্বোধ ব্যক্তি

৭৭. ঢাকঢোল পেটানো — প্রচার করা

৭৮. ঢোঁড়া সাপ — ভীরু ব্যক্তি

৭৯. তামার বিষ — অর্থের লোভ

৮০. তীরে এসে তরী ডোবা — শেষ মুহূর্তে ব্যর্থ হওয়া

৮১. তেলেসমাতি কারবার — অদ্ভুত কৌশলপূর্ণ কাজ

৮২. দহরম-মহরম — গভীর বন্ধুত্ব

৮৩. দাঁতে দাঁত চেপে থাকা — কষ্ট সহ্য করে থাকা

৮৪. দিনকে রাত করা — মিথ্যা বলা / বাস্তবতা অস্বীকার করা

৮৫. দুধে ধোয়া তুলসীপাতা — সম্পূর্ণ নিষ্পাপ ব্যক্তি

৮৬. নখদর্পণে — সম্পূর্ণ আয়ত্তে

৮৭. নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরানো — সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করা

৮৮. নাকে খত দেওয়া — ভুল স্বীকার করে প্রতিজ্ঞা করা

৮৯. নুনের ছিটা — সামান্য সাহায্য বা অর্থ

৯০. পাকা খেলোয়াড় — অভিজ্ঞ ব্যক্তি

৯১. পাকা কথা — চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত / নিশ্চিত কথা

৯২. পাতকুয়া — সংকীর্ণমনা ব্যক্তি

৯৩. পান্তা ভাতে ঘি — অতি সহজলভ্য বা স্বাভাবিক বিষয়

৯৪. পাট চুকানো — সম্পর্ক বা কাজের সমাপ্তি ঘটানো

৯৫. পিঠ বাঁচানো — বিপদ এড়ানো

৯৬. পুঁথির বিদ্যা — বাস্তব অভিজ্ঞতাহীন জ্ঞান

৯৭. ফাঁকা আওয়াজ — অর্থহীন কথা

৯৮. বাঘের মুখে পড়া — মারাত্মক বিপদে পড়া

৯৯. বুক ফুলিয়ে চলা — অহংকারের সঙ্গে চলা

১০০. বুকের পাটা — সাহস / দৃঢ়তা

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🎯 পরীক্ষায় বিশেষভাবে মনে রাখুন
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

আগুনে ঘি ঢালা — উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেওয়া

আদা জল খেয়ে লাগা — দৃঢ় সংকল্পে কাজে লেগে যাওয়া

কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটা — দুঃখের ওপর আরও দুঃখ দেওয়া

কলুর বলদ — অত্যধিক পরিশ্রমী কিন্তু পরাধীন ব্যক্তি

গায়ে পড়া — বিনা কারণে আগ্রহ দেখানো

গলগ্রহ — বোঝাস্বরূপ ব্যক্তি

ঘাড়ে বন্দুক রেখে গুলি করা — অন্যকে দিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করা

ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া — মধ্যবর্তী ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে কাজ করা

তীরে এসে তরী ডোবা — শেষ মুহূর্তে ব্যর্থ হওয়া

দুধে ধোয়া তুলসীপাতা — সম্পূর্ণ নিষ্পাপ ব্যক্তি

নখদর্পণে — সম্পূর্ণ আয়ত্তে

নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরানো — সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করা

পাকা খেলোয়াড় — অভিজ্ঞ ব্যক্তি

পুঁথির বিদ্যা — বাস্তব অভিজ্ঞতাহীন জ্ঞান

বুকের পাটা — সাহস / দৃঢ়তা

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📚 BCS Study
চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি হোক আরও সহজ ও গোছানো।

📌 পোস্টটি Save করে রাখুন
📤 চাকরির প্রস্তুতি নেওয়া বন্ধুদের Share করুন
💬 Part–2 এর ১০০টির মধ্যে আপনি কয়টি বাগধারার অর্থ জানতেন?

#বাংলা #বাগধারা #চাকরিরপ্রস্তুতি

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BCS Study posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to BCS Study:

Shortcuts

Share