14/05/2026
হাম ও এর টিকা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো জেনে নিন 👇
আপনার পরিবারের সাথে শেয়ার করুন। আপনার সন্তানের হামের টিকা দেওয়া না থাকলে, এখনই তাকে টিকা দিন।
UNICEF
Hello! people. It's a combination of Information and Entertainment. Discussion and explore.
14/05/2026
হাম ও এর টিকা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো জেনে নিন 👇
আপনার পরিবারের সাথে শেয়ার করুন। আপনার সন্তানের হামের টিকা দেওয়া না থাকলে, এখনই তাকে টিকা দিন।
UNICEF
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কী সাম্য ভাইয়ের হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে পেরেছেন?
সাম্য ভাই হত্যার এক বছর আজ❗
ভাবতেই প্রচন্ড খারাপ লাগা কাজ করে, ভাইয়ের মৃত্যুর ঘন্টাখানেক আগেও ভাই আমাদের সাথেই ছিলেন। এ ধরনের একটি হত্যাকান্ডের বিচার নিশ্চিত করতে না পারলে জাতির জন্য তা হবে চরম লজ্জার বিষয় । শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা, সম্মানীত শিক্ষকবৃন্দ এবং অন্যরা তাদের সাধ্যমত বিচারের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন করেছিলেন। ভাইয়ের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুক,আামিন। খুনীরা দ্রুতই তাদের উপযুক্ত শাস্তি লাভ করুক।
15/04/2026
মাস্টার্সের শ্রেণী কার্যক্রম শুরু হয়েছে বেশ কিছুদিন। আর্টিকেলের স্তুপে সাঁতরে কেমন তীর খুঁজে পাইনা। অ্যাসাইনমেন্টগুলোর ভারী বোঝা বইতে গিয়ে কেমন হাঁপিয়ে যাই। সকাল থেকে বিকাল ক্লাস করে, সময়টা কেমন পাগলা ঘোড়ার মতো ছুটে চলে,যেখানে থামলেই পিছিয়ে পড়তে হয়। তবুও আবার ছুটতে হয়, বোঝা বইতে হয়। আবার এই জানার সাথে আপনার বর্তমান বাজারের কথিত সিকিউরড সোনার হরিণ গুলোর তেমন মিল নেই বললেই চলে। সেখানেও পাহাড় সম বোঝা বহনের প্রতিযোগিতা।এতো গেল শুধু একাডেমিক সুফল, এরপর আপনার আশেপাশের কত সুফল এবং শান্তি আপনি ভোগ করেন। এই ধরেন নিজের শারীরিক অসুস্থতা, অর্থনৈতিক দুশ্চিন্তা, পারিবারিক অশান্তি, বাবা মায়ের শরীর খারাপ কীংবা তাদের দুঃসময়ে আপনি পাশে থাকতে পারেন না। এর পাশাপাশি যোগ হয় আপনার মানসিক স্বাস্থ্য। সবকিছু মিলিয়েই আমাদের জীবন। আমাদের জীবনকে এত অলংকারে সাজাতে পারার যে আনন্দ তাতেই বা কম কি?
উচ্চশিক্ষা সবার জন্য না। যারা আগ্রহী, যোগ্য এবং সামর্থ্যবান তাদের কাছে এই শিক্ষার স্বাদ মিষ্টি। উচ্চশিক্ষা কখনোই আপনাকে চাকরি এনে দিবে না, উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য কিংবা উদ্দেশ্যও তা নয়। বাংলাদেশের বর্তমানে প্রায় ৪৪ লাখ শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষায় শিক্ষা গ্রহণ করছে। খুব জানতে ইচ্ছে হয় তাদের মধ্যে ঠিক কয়জন উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চেয়েছিল, যোগ্যতার প্রশ্ন তুলবো না কারণ তাতে করে অনেকেই আবার বিরূপ মন্তব্যে বিতর্কে লিপ্ত হবেন। আবার উচ্চশিক্ষায় প্রবেশ করেই অর্থনৈতিক যে সংকটের মিষ্টি স্বাদ আপনারা গ্রহণ করেন তাতে আপনার ভালোই লাগার কথা। রাষ্ট্রযন্ত্র নিয়ে কিছু বলবো না, বিজ্ঞরা আছেন, বোঝেন তারাই বলবেন।
মো: ইব্রাহিম মুন্সি ইফতি
~১৫/০৪/২৬
14/04/2026
সবাইকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বাংলা বর্ষ ১৪৩৩ এর শুভেচ্ছা, শুভ নববর্ষ।
বাঙালি জাতির সংস্কৃতিকে ধারন, লালন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা উচিত।
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ কে বরণ করতে প্রস্তুত, চারুকলা ইনস্টিটিউট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
12/04/2026
শিক্ষা নিয়ে আশার আলো দেখতে চাওয়া জাতিকে বরাবরই মোমবাতির আলোয় তৃপ্ত হতে হয়। ব্যর্থ না হলেও সেই পথেই হাটছেন, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা না নিয়ে কাজ করে দুই একটা মাঠ পর্যায়ে পপুলিস্ট সিদ্ধান্ত নিলে সেটাকে সফলতা বলে না। এখনো পর্যন্ত শিক্ষা নীতিকে সংস্কার ও যুগোপযোগী করার কোন প্রয়াস দেখতে পাইনি। শিক্ষাক্রম পরিমার্জনের বিষয়টি অবহেলিত। শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন, কার্যকর শিখন নিশ্চিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখিনি। দেখিনি,পাইনি,পারেননি এইভাবে হাজারটা উদাহরণ দেখাতে পারি যা উচিৎ ছিল, সেই আলাপে যাচ্ছি না। আপনি কার্যকর শিক্ষা নিশ্চিত না করেই পরীক্ষাকেন্দ্রের কড়াকড়ি নিয়ে পরলেন। অথচ এই সিদ্ধান্ত নিতে ঢাকঢোল পেটানো আর মেধার প্রয়োজনই বা কতটুকু ? তবে লোক দেখানো শিক্ষার হার না দেখানে এবং শিক্ষার বাস্তব অবস্থা তুলে ধরতে কার্যকর মূল্যায়ন জরুরি। আপনি শিক্ষা নিয়ে স্বল্পমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রকাশ করুন। আর যদি এখনো আপনার কাছে কোন রোডম্যাপ না থাকে দয়া করে এডুকেশন এক্সপার্টদের সাহায্য নিন। একটি নিরপেক্ষ শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন করে শিক্ষা ব্যবস্থার আপাদমস্তক সংস্কার সাধন জরুরী।
মো: ইব্রাহিম মুন্সি (ইফতি)
বি এড, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৩/০৪/২৬
যেকোনো ইস্যুতে যারা মবকে উস্কে দেয়, মব করে কিংবা করার পরিকল্পনা করে, সমর্থন করে, সবাইকে আইনের আওতায় আনা উচিত। অপরাধী সাব্যস্ত হওয়ার আগেই তাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার আপনি বা আমি কে? অপরাধ করলে তার জন্য বিচার বিভাগ আছে, প্রশাসন আছে। তবে দুঃখের বিষয় হলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় হতে বর্তমান সরকারের সময় পর্যন্ত মব সন্ত্রাসকে প্রতিহত করতে কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। মব সন্ত্রাস যে কতটা ভয়ংকর, সেই পরিস্থিতিতে আপনি বা আমি না পরলে কখনোই বুঝবো না। ধরুন ব্যক্তিগত কিংবা রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে একদল মানুষ হঠাৎ করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আপনাকে মারতে শুরু করল কেউ ফেরালো না ধরল না, পারলে আরো সেই হামলায় যুক্ত হল। আবার ধরুন কেউ চুরি করে নাই কিন্তু তাকে চোর অপবাদ দিয়ে গণপিটানি দেওয়া হল। চিলে তোমার কান নিয়ে গেছে শুনেই কানে হাত দিয়ে না দেখে চিলকে ধরে মেরে ফেললাম। ধর্মীয় মূল্যবোধ থেকে আপনার ধর্মের বিপরীতের কারো নামে মবকে উসকে দিয়ে তাকে মারধর করা হলো, ব্যক্তিগত বিশ্বাস বোধের জায়গা থেকেও এমন হামলা হতে পারে। এ সব কিছুই দেশে ঘটে কারণ এই দেশে মব সন্ত্রাস প্রতিহত করার জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, আইন নেই। যেটুকু আছে তার বাস্তবায়ন নেই। মব সন্ত্রাস তো আজকের কোন বিষয় না! তাহলে এটি নিয়ে এখনো পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি কোন পরিকল্পনা কেন হবে না? রাজনৈতিক স্বার্থেও কিন্তু মব সন্ত্রাস খুব সুন্দর কাজ করে, এটাই কি আসল কারণ?
মো: ইব্রাহিম মুন্সি ইফতি
~১১/০৪/২৬
31/03/2026
#হাম_নিয়ে_নয়_কোন_আতংক
গত কয়েকদিন অনেকের পোস্টে হাম নিয়ে আতংক ছড়াতে দেখছি- আসুন, হাম নিয়ে জেনে নিই-
Measles (মিজেলস) রোগকেই বাংলাতে হাম বলা হয়, এইটা একটা ভাইরাস জনিত রোগ-
paramyxoviridae পরিবারের মিজেলস ভাইরাস দিয়ে এই রোগ ছড়ায়,
এই রোগ সর্বপ্রথম ১০০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে আবিষ্কার করেন ইরানের বিখ্যাত মুসলিম চিকিৎসক father of Islamic medicine মুহাম্মদ আবু বকর আল রাজি- যিনি ওয়েস্টার্ন কান্ট্রিতে রাজেস হিসাবে পরিচিত।
মিজেলস রোগ কিভাবে হয়?
সাধারণত কোন ব্যক্তি মিজেলস রোগে আক্রান্ত হলে তার হাঁচি কাশি ও শ্বাস থেকে মিজেলস ভাইরাস বাতাসে ছড়ায়, তারপর সুস্থ মানুষ সেই মিজেলস ভাইরাস বাহিত বাতাস থেকে শ্বাস নিলে তারও মিজেলস হতে পারে,
মিজেলস ভাইরাস এতটাই ছোঁয়াচে যে, অসুস্থ ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ৯০% মানুষই আক্রান্ত হবে।
ধরুন, একটা পেশেন্ট আক্রান্ত হলো, সে মাস্ক লাগায়নি, তার রুমে আপনিও মাস্ক ছাড়া ডুকলেন, তাহলে আপনার যদি মিজেলস এর টিকা নেওয়া না থাকে, তবে আপনিও মিজেলসে আক্রান্ত হবেন।
এই কারনে মিজেলস প্রতিরোধে করনীয় হচ্ছে আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা করে ফেলা, বিশেষ করে ৫ বছরের কম বয়সের কোন শিশুকেই মিজেলস আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে নেওয়া যাবেনা। আক্রান্ত ব্যক্তির পানির গ্লাস সহ সব ব্যবহার্য জিনিস আলাদা রাখা হবে।
মিজেলস বা হামে কারা আক্রান্ত হয়?
সাধারণত ৫ বছরের কম বয়সী শিশুরা বেশি আক্রান্ত হয়, যাদের শিশুকালে MMR টিকা দেওয়া হয়নি, তারা মিজেলস এ আক্রান্ত হবার ঝুঁকি বেশি-- বড়দের মিজেলস হবার ঝুঁকি অনেক কম, হলেও মেজর কোন জটিলতা তৈরি হয়না-
মিজেলস এর রোগী সংস্পর্শে যাবার কতদিনের মধ্যে মিজেল হতে পারে?
মিজেলস রোগীর সংস্পর্শে যাবার প্রায় ৭-১০ দিনের মধ্যে মিজেলস আক্রান্ত হয়ে মিজেলস উপসর্গ দেখা দিতে পারে--
মিজেলস এর উপসর্গ কি?
যেহেতু মিজেলস বেশি হয় বাচ্চাদের, তাই বাচ্চারা মিজেলস আক্রান্ত হলে নিম্নের উপসর্গ দেখা দিতে পারে-
১. উচ্চ তাপমাত্রা সহকারে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসবে,
জ্বর ১০৪ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে।
2. সার শরীরে কিছুটা ব্যাথা হতে পারে,
3. কাশি হতে পারে, শুকনো কাশি।
4. নাক দিয়ে অনবরত পানি পড়বে বা সর্দি থাকবে
5. conjunctivitis হতে পারে
3C মনে রাখুন,
Cough
Coryza
Conjunctivitis
এইগুলি প্রায় ৪ দিন থাকে।
যদি কোন বাচ্চার যার ইপি'আই শিডিউলে ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়নি, তার যদি উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর + সর্দি + কাশি + চোখ দিয়ে পানি পড়ে, তথা conjunctivitis থাকে, তাহলে তার মিজেলস সন্দেহ করতে পারেন, মিজেলসের Rash আসে জ্বরের ৩-৪ দিন পরে, তাই Rash আসার আগেও উপরের উপসর্গ গুলি থাকলে বাচ্চাকে হা করিয়ে মুখের অভ্যন্তরীণে দেখবেন- buccal mucosa তেভকোন সাদা ফোটা ফোটা দাগ আছে কিনা- এইটাকে koplic spot বলা হয়,
rash শুরু হবার ১-২ দিন আগে থেকেই এই koplik's spots দেখা যায়-
Fever + Runny nose+ cough+ conjunctivitis এর সাথে যদি koplic spot থাকে, তথা গালের ভিতর যদি সাদা সাদা spot থাকে, তাহলে মিজেলসের Diagnosis confirm :
koplik's spot দেখা না গেলেও জ্বরের ৪ দিন পর rash দেখে ডায়াগনোসিস কনফার্ম হওয়া যায়-
Rash দেখতে maculopapular rash (bleeding spot) এর মত, এই র্যাশ গুলি লালচে প্রকৃতির, মনে হবে স্কিনের নিচে অনেক গুলি রক্তের spot।
মিজেলসের র্যাশ প্রথমে face এ শুরু হয়, তারপর neck তারপর বুকে পিঠে এবং পর্যায়ক্রমে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে-
র্যাশ উঠার পর কারো কারো চুলকানী হতে পারে, আবার চুলকানী নাও থাকতে পারে-
র্যাশ ৩-৪ দিন থাকে, এর পর কমতে থাকে, পরবর্তী এক সপ্তাহে Rash disappeare হয়ে যায়- ৯৯.৮০% মানুষ ১-২ সপ্তাহের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সুস্থ হয়ে যায়
Complication বা জটিলতা -
মিজেলস adult দের ক্ষেত্রে কোন জটিলতা করতে পারেনা,
adult দের ক্ষেত্রে measles এর আউটকাম নিম্নরুপ হতে পারে-
১.. ৪ দিন High grade fever
2. Runny nose
3. Conjunctivities ৭ দিন
4. cough 2-3 weeks
5. Rash ৪র্থ দিন দেখা যাবে, ৭ দিন পর কমতে থাকবে।
বাচ্চাদের ক্ষেত্রেও একই উপসর্গ দেখা দিবে, তবে বাচ্চাদের কিছু life threating জটিলতা দেখা দিতে পারে-
১.Measles Encephalitis
২. Secondary pneumonia
এইটা সাধারণত জ্বরের ৫-৭ দিন পর দেখা দেয়,
প্রতি ১০০০ মিজেলস আক্রান্ত বাচ্চার মধ্যে 5-7 জনের নিউমোনিয়া ডেভেলপ করতে পারে, আর এমন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত প্রতি ১০০০ জনের মধ্যে ১ জনের মৃত্যু হতে পারে।
এবার জেনে নিন-
মিজেলসের মধ্যে কাদের ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দেয়?
আমরা প্রথমেই বলেছি, বাচ্চাদের মধ্যে মিজেলসের জটিলতা দেখা দেয়, তাও সব বাচ্চার মধ্যে জটিলতা দেখা দেয়না,
complication কেবল malnutrition অথবা immunicompromised পেশেন্ট দের ক্ষেত্রে দেখা দেয়-
Malnutrition কিভাবে বুঝবেন?
বাচ্চার ওজন যদি স্বাভাবিক ওজনের তুলনায় ২-৩ কেজি কম হয়, বুঝবেন বাচ্চা পুষ্টিহীনতায় আছে।
যেমন ১ বছরের বাচ্চার ওজন =১০ কেজি
পরবর্তী প্রতি বছর বয়সের জন্য ২ কেজি করে যোগ হয়,
২ বছরের বাচ্চার স্বাভাবিক ওজন হবে: ১২ কেজি
৩ বছরে =১৪ কেজি
৪ বছরে =১৫-১৬ কেজি
৫ বছরে =১৬-১৮ কেজি
সেইজন্য ওজন দেখে Malnutrition মনে হলে এমন বাচ্চাদের মিজেলস হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শে চলতে হবে।
মিজেলস এর চিকিৎসা কি-
মিজেলস যেহেতু একটা ভাইরাস জনিত রোগ৷
আবার এখানে antiviral এর কোন রোল নাই, তাই symptomatic treatment দেওয়া হবে।
প্রথমত প্রচুর পানি খেতে বলবেন, সম্ভব হলে প্রতিদিন ১-২ টা ওরস্যালাইন অথবা ডাবের পানি-
বেড রেস্টে থাকবে। মাস্ক ব্যবহার করবে, আইসোলেশনে রাখা হবে।
জ্বরের জন্য
1. paracetamol oral or suppository
2. Runny nose: Fexo 120 mg once daily for 1 weeks or Antazole nasal drop. (বয়স অনুযায়ী ডোজ নির্ধারণ হবে)
3. Conjunctivitis এর জন্য olopatadine eye drop + artificial tear drop for 2 weeks
4. Xinc B BD (2 weeks)
মিজেলস এ বাচ্চাদের ভিটামিন -এ লেভেল কমে যায়, তাই মিসেলস আক্রান্ত বাচ্চাদের Vitamin A supplementary দেওয়া হবে ২ দিন ২ টা ডোজ-
ডোজ: বয়স ৬ মাসের কম হলে 50,000 unit
৬ মাস থেকে ১২ মাস : 1 lac unit
>12 month = 2 lac unit
2 dose
Day-1
Day-2
Severe case এ ৩ টা ডোজ দেওয়া হয়, 3rd dose ১৪ তম দিনে দেওয়া হয়;
বাজারে capsule Retinol forte 50,000 unit, 2 lac unit এইভাবে পাওয়া যায়, বাচ্চার ডোজ অনুযাই
ক্যাপসুল টা কিনে নিয়ে আসবেন,
যেমন ৬ মাসের বাচ্চা হলে 50000 unit এর একটা,
৬-১২ মাস হলে 50000 unit এর দুইটা অথবা 1 lac unit এর একটা - এইভাবে খাওয়াবেন।
ক্যাপসুল ছিদ্র করে লিকুইড টা খাওয়াবেন শুধু ।
ভিটামিন এ সাপ্লিমেন্টারী দিলে অনেক জটিলতা এড়ানো যায়.
Malnutrition baby যাদের নিউমোনিয়ার সম্ভাবনা আছে, তাদের ক্ষেত্রে prophylactic antibiotics এর কথা অনেকে দিয়ে থাকেন, যদিও গাইডলাইনে এমন কিছু নাই,তবে malnourished দের ক্ষেত্রে prophylactic antibiotics দিতে ক্ষতি নাই-
র্যাশের জন্য করনীয় কি?
rash দেখে আতংকিত হবার কিছু নাই-
Tab : Biltin 20 mg Once daily
সাথে calamine lotion দিবেন।
লোশন চুলকানি থাকলে দিবে, না থাকলে দরকার নাই--
যদি কোন বাচ্চার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, অথবা নিউমোনিয়ার উপসর্গ শুরু হয়, তাহলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।
মিজেলস প্রতিরোধের উপায় কি?
একটাই উপায়- বাচ্চাদের কে ছোট বেলায় টিকা দিয়ে দেওয়া,MR টিকা দেওয়া হয় মিজেলস প্রতিরোধের জন্য।
মোট ২ টা ডোজ:
১ম ডোজ ৯ মাস বয়সে
২য় ডোজ ১৫ মাস বয়সে
অনেক অসচেতন মানুষ নিজেদের বাচ্চাদের টিকা দেয়না, তারা এইটা হারাম বা ইহুদি নাসারাদের ষড়যন্ত্র মনে করে, পরে দেখা যায়, তাদের বাচ্চারাই মিজেলস এ আক্রান্ত হয় বেশি, এবং হাসপাতালেও ভর্তি করানো লাগে।
মহান আল্লাহ আমাদেরকে সুস্থ রাখুন আমীন
Credit:
Dr. Ismail Azhari
Founder : CCR medical Academy
শিক্ষা ব্যবস্থা সমাজবিচ্ছিন্ন কোন বিষয় নয়। তবে সামগ্রিক পরিকল্পনা ব্যতিরেখে পপুলিস্ট সিদ্ধান্ত নিতে থাকলে জাতির উন্নয়ন হবে না। আমরা এক অভাগা জাতি যারা জানি না আমরা কেন পড়ছি, পড়ার উদ্দেশ্যই বা কী, আমাদের শিক্ষা দর্শন কি? শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার হঠকারি কোন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সম্ভব নয়। সারা বছর শিক্ষার্থীদের গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত না করে পরীক্ষার সময় কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা লাগানো কিংবা চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা এমন আরো অনেক সিদ্ধান্ত শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে তেমন কোন ভূমিকা রাখবে না। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিষয়টা হয়ে গেছে এমন, আমরা খাবার রান্না করতে চাই। চুলায় আগুন না জ্বালিয়ে পাতিল বসালাম, উপকরণ দিলাম যাতে ধারাবাহিকতা নেই। কখনো মনে হল একটু লবণ দেই আবার চিনি। সেই খাবার পরিবেশন করা হলো। এত কথা বলার একটাই কারণ শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার করার ক্ষেত্রে প্রথম প্রয়োজন শিক্ষা দর্শন, রাষ্ট্র, সমাজ, ইতিহাস, বৈশ্বিক চাহিদা এবং বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী যুগোপযোগী শিক্ষা নীতি প্রণয়ন করা। সেই শিক্ষা নীতির আলোকে শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করা, শিক্ষাক্রম অনুযায়ী পাঠ্যপুস্তককে সাজানো, মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত করার ব্যবস্থা গ্রহন, মনিটরিং এবং জবাবদিহিতা করা। আর এই সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য স্বায়ত্তশাসিত শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন করা অতীব জরুরী। এমন একটি নিরপেক্ষ শিক্ষা কমিশন গঠন করা জরুরী যারা সত্যিকার অর্থেই শিক্ষা নিয়ে কাজ করবে, অভাগা জাতির ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করবে।
মো: ইব্রাহিম মুন্সি ইফতি
বিএড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
~২৯/০৩/২৬