২২ এপ্রিল ২০২৫ থেকে ১৬ জুন ২০২৫ পর্যন্ত ৪৪তম বি.সি.এস এর মৌখিক পরীক্ষায় ৪৬তম বি.সি.এস. লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।
-সূত্র: বিপিএসসি
#টিম_মধুদার_আপডেট
Bank Job Exam Preparation
ব্যাংক জব পরীক্ষা প্রস্তুতির সুন্দর একটি প্ল্যাটফর্ম
ট্রানজিট, ট্রান্সশিপমেন্ট ও করিডর সুবিধা কী?
👉 ৪৬ তম রিটেন ও ৪৭ তম প্রিলির জন্য ১০০% গুরুত্বপূর্ণ।
👉 ট্রানজিটঃ
ট্রানজিট হলো একটি দেশ নিজেদের পণ্য ও যাত্রী অপর কোনো দেশের ভুখণ্ড ব্যবহার করে তৃতীয় কোনো দেশে বা নিজের দেশের অপর একটি ভূখণ্ডে পরিবহন করার সুবিধা। একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি বোঝানো যেতে পারে। ধরা যাক, ভারতকে ট্রানজিট সুবিধা দিল বাংলাদেশ। এ ক্ষেত্রে ভারতের কলকাতা থেকে পণ্যবাহী একটি ট্রাক বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্ত হয়ে ভারতের ত্রিপুরার আগরতলায় গেল—এটাই ট্রানজিট সুবিধা। একইভাবে ভারতের পণ্যের একটি চালান বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে মিয়ানমার গেল। সেটিও ট্রানজিট সুবিধা। এখানে ভারত তৃতীয় দেশে পণ্য পরিবহনের জন্য ট্রানজিট সুবিধা নিয়েছে।
এই ট্রানজিট সুবিধা শুধু স্থলপথে হবে, তা নয়। স্থল, নৌ ও আকাশপথ—বহুমাত্রিক ট্রানজিট হতে পারে। যেমন দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান নৌ প্রটোকলের আওতায় বাংলাদেশের নৌ ও স্থলপথ ব্যবহার করে ভারতের পণ্যের চালান আগরতলা যায়। এখানে কলকাতা থেকে আশুগঞ্জ পর্যন্ত নৌপথে; পরে আশুগঞ্জ থেকে সড়কপথে আখাউড়া হয়ে আগরতলা যায়।
সম্প্রতি ভারত বাংলাদেশকে দেওয়া যে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করেছে, সেটাও বহুমাত্রিক ট্রানজিট সুবিধা ছিল। বাংলাদেশ থেকে পণ্যের চালান স্থলপথে ভারতের সীমান্তে প্রবেশ করে কলকাতা ও দিল্লির বিমানবন্দর পর্যন্ত যেত। তারপর আকাশপথে বাংলাদেশের পণ্যের চালান তৃতীয় কোনো দেশে চলে যেত।
👉 ট্রান্সশিপমেন্টঃ
ট্রান্সশিপমেন্টও একধরনের ট্রানজিট সুবিধা। এটি ট্রানজিট ব্যবস্থার মধ্য থেকেই বাড়তি একধরনের সুবিধা।
ট্রানজিট সুবিধা নেওয়ার সময় পণ্যের চালানের জন্য যদি যানবাহন পরিবর্তন করা হয়, তাহলে একে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বলে। এটা হতে পারে সীমান্ত বা অন্য কোনো এলাকায় এক ট্রাক থেকে অন্য ট্রাকে পণ্য স্থানান্তর কিংবা জাহাজ থেকে ট্রাক বা ট্রেনে স্থানান্তর। মোটাদাগে পণ্যের চালানটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে যদি যানবাহন পরিবর্তন করতে হয়, তাহলে একে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বলে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, নৌ প্রটোকলের আওতায় ভারতকে দেওয়া ট্রানজিট সুবিধায় পণ্যের চালান কলকাতা থেকে আগরতলা যেতে আশুগঞ্জ পর্যন্ত নৌপথে; পরে আশুগঞ্জ থেকে ট্রাকে করে আখাউড়া হয়ে আগরতলায় যায়। এখানে আশুগঞ্জে কার্গো জাহাজ থেকে ট্রাকে পণ্য ওঠানো হয়, এটি ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা।
আবার বাংলাদেশের পণ্যের চালান স্থলপথে ভারতের কলকাতা বা দিল্লি বিমানবন্দর গিয়ে আকাশপথে তৃতীয় দেশের গন্তব্যে গেছে। এখানে বিমানবন্দরে যানবাহন পরিবর্তন হয়েছে। এটিও ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা।
এদিকে নেপাল ও ভুটান বাংলাদেশ থেকে স্থলপথে পণ্য আমদানি রপ্তানি করতে ভারতের কাছে ট্রানজিট সুবিধা নেয়। এ ক্ষেত্রে তাদের ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধাও নিতে হয়। কারণ, বাংলাদেশের পণ্যের চালান সীমান্তে গিয়ে ভারত, নেপাল বা ভুটানের ট্রাকে তুলে দিতে হয়। পরে সেই চালান ভারতের ভুখণ্ড দিয়ে চলে যায় নেপাল ও ভুটানে।
তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোকে ট্রানজিটের আওতায় ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা নিতে হয় না। কারণ, ওই সব দেশে নির্দিষ্ট গন্তব্যে মালামাল পৌঁছাতে অপর দেশের ভুখণ্ড ব্যবহার করলেও যানবাহন পরিবর্তন করতে হয় না। পণ্যবাহী যান সরাসরি তৃতীয় দেশে চলে যায়।
👉 করিডরঃ
ট্রানজিটের আওতায় একটি দেশ বা একাধিক দেশ যে সুবিধা নেয়, একে অনেক সময় করিডর সুবিধাও বলা হয়।
সাধারণত নানা অসুবিধার কারণে পণ্যের আসা–যাওয়া সহজ করতে যে ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা দেওয়া হয়, এটাকে করিডর সুবিধা বলে। যেমন নেপাল ও ভুটান স্থলবেষ্টিত দেশ হওয়ায় নিকটবর্তী সমুদ্রবন্দর ব্যবহার বা তৃতীয় কোনো দেশে পণ্য আনা–নেওয়া করতে ভারত ওই দুটি দেশকে করিডর সুবিধা দিয়েছে। এই সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য করছে নেপাল ও ভুটান।
অন্যদিকে ত্রিপুরাসহ ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্য ভারতের মূল ভুখণ্ড থেকে কিছুটা অসুবিধাজনক অবস্থায় আছে। যেমন ত্রিপুরার আগরতলা থেকে কলকাতায় যেতে ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়। আর কলকাতা থেকে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে আগরতলায় যেতে মাত্র ৪০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়। বর্তমানে এই পথে ভারতকে যে ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা দিচ্ছে, সেটাও একধরনের করিডর সুবিধা।
এ ছাড়া বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের মধ্যে অবাধ পণ্য ও যাত্রী পরিবহনের যে ‘বিবিআইএন’ চালুর আলোচনা দীর্ঘদিন ধরে চলছে, সেটিও একধরনের করিডর সুবিধা।
👉 আপনার জন্য প্রশ্ন বিবিআইএন কী ?
🔥ব্রেকিং নিউজ 🔥
বিভিন্ন পদে ১ লাখ ৭২ হাজার শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ দিতে সরকারি দপ্তরগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
আগামী মাস থেকে ধাপে ধাপে নিয়োগ সার্কুলার ও স্থগিতকৃত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।
🌐তথ্যসূত্রঃ independent24.tv
#আপডেট_সাকিবুল_হাসান ™️
11/04/2025
GK April
11/04/2025
থ্রি জিরো
11/04/2025
#বিশেষ_অর্থনৈতিক_অঞ্চল
#বেপজা
💥💥BREB এক্সাম প্যাটার্ন
👉পরীক্ষার তারিখ: ১৯ এপ্রিল ২০২৫
বিআরইবি সহকারী হিসাবরক্ষক (২০২৫) পরীক্ষার প্রশ্ন প্যাটার্ন
(BREB) এর সহকারী হিসাবরক্ষক পদের পরীক্ষা যারা দিচ্ছেন, তাদের জন্য প্রশ্নের ধরণ সম্পর্কে একটি ধারণা নিচে তুলে ধরা হলো:
MCQ অংশ (মোট ৮০টি প্রশ্ন):
১. বাংলা – ১০টি প্রশ্ন
২. ইংরেজি – ১০টি প্রশ্ন
৩. সাধারণ জ্ঞান – ১০টি প্রশ্ন
৪. হিসাববিজ্ঞান (Accounting) – ২০টি প্রশ্ন
৫. ফিন্যান্স – ১০টি প্রশ্ন
৬. ম্যানেজমেন্ট – ১০টি প্রশ্ন
৭. মার্কেটিং – ১০টি প্রশ্ন
এমসিকিউ অংশটি মোট ৮০ নম্বরের এবং প্রতিটি প্রশ্নই গাণিতিক ও তাত্ত্বিক জ্ঞান যাচাইয়ের উপযোগী।
লিখিত অংশ (মোট ৮০ নম্বর):
লিখিত অংশে ১০টি প্রশ্ন থাকে, প্রতিটি প্রশ্নের মান ৮, মোট ৮০ নম্বর। অধিকাংশ প্রশ্নই ব্যাখ্যা ভিত্তিক ও সাবজেক্টিভ ধরনের।
📌লিখিত অংশে যেসব টপিকে ফোকাস ছিল:
✅প্রবন্ধ:
🔹পরিবেশ দূষণ (Environment Pollution)
🔹বিদ্যুৎসংক্রান্ত একটি বিষয়ে রচনা (যেমনঃ বিদ্যুৎ উৎপাদন বা ব্যবস্থাপনা)
✅গণিত (৩টি প্রশ্ন):
🔹সমুচ্ছেদ বিন্দু নির্ণয়
🔹অনুপাত বিশ্লেষণ
🔹ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী
✅শর্ট নোট (৪টি):
সাধারণত হিসাবরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ছোট ছোট ব্যাখ্যা লিখতে হয়।
আরো কিছু দেখতে হবে পড়তে হবে এর সঙ্গে ।
10/04/2025
#বেপজা
#অর্থনৈতিক_উন্নয়নে
#বেপজার
#ভূমিকা
10/04/2025
#ন্যাটো_সম্প্রসারণ
#বিশ্ব_রাজনীতি
#ভবিষ্যৎ
িসিএস_লিখিত
#আন্তর্জাতিক
10/04/2025
#স্টার_লিংক
#যভাবে_কাজ_করে
#সুবিধা
#অসুবিধা
#চ্যালেঞ্জ
#বাংলাদেশ
মো: সাইফুল ইসলাম
কোর্ট ইন্সপেক্টর
দুর্নীতি দমন কমিশন
10/04/2025
#বাংলাদেশ
#ইনভেস্ট_সামিট_২০২৫
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka