16/05/2020
—সফল_ব্যক্তিদের_ইতিকথা!!!!
1) ৯ বছর বয়সের এক ছেলে।
খাবারের অভাবে মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলো, তারপর পাড়ার এক ভাইয়ের
সহযোগীতায় পায় দোকানে রুটি বানানোর কাজ। তারপর পড়াশুনা। সেই ছেলেটির নাম আজ সবার মুখে মুখে
--কাজী_নজরুল_ইসলাম ।
2)আরেক বালকের কথা জানি, বাড়ি জামালপুর। খড়ের ঘরে থাকতো আর ছাগল ছরাতো। ছাগলের দুধ বিক্রি করে
বিড়ি- সিগারেটের দোকান করতো। জামা পরে সে একদিনও স্কুলে যেতে পারেনি। বাজারে বাজারে গামছা বিছিয়ে টাকা (১৫০৳) তুলে কলেজে ভর্তি
হয়েছিলো। সেই ছেলেটিই হয়েছিলো বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।
----আতিউর_রহমান ।
3)আরেক ব্যাক্তি আছে, যে দুই দিনে এক বেলা খেতে পেতো। এতটাই দরিদ্র ছিলো যে বই খাতা কেনার সামর্থ্য ছিলো না তার। কাঠুরিয়ার কাজ করতো, তারপর
পড়াশুনা। - সেই ব্যাক্তিটিই হয়েছিলো আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। নাম-আব্রাহাম_লিংকন ।
4)আরেক যুবকের
নাম জানি, মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম, ছোটবেলায় স্কুল পালিয়েছে একের অধিকবার। রাস্তায় যাযাবরের মত
ঘুরতো। বন্ধুর সহায়তায় শুরু করে নিজের মেধার বিকাশ।সেই যুবকটিই আজকের
বিল_গেটস ।
5)আরেকজন, বাবার
সাথে মুদি দোকান করতো। পরিবারের এতই অভাব ছিলো যে- স্কুল নাগাত পড়েই তাকে থেমে যেতে হয়েছিলো। সেই ব্যক্তিই একসময় হয়ে উঠে বিরাট বিপ্লবী নেতা।
- আর কেউ নয়, চীনের প্রতিষ্ঠাতা
মাও_সেতুং ।
6)পেশায় ছিলো নাপিত। পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে কিংবা সেলুনে চুল কাটতো। সে-ই হয়েছিলো কৃষ্ণ-আফ্রিকার মুক্তি আন্দোলনের হোতা। - সে হচ্ছে, স্বাধীন নামবিয়ার রাষ্ট্রপিতা ও প্রেসিডেন্ট
#শ্যাম_নাজোমা ।
7)পড়ালেখায় মারাত্মক দুর্বল ছিলেন তিনি। ক্লাস এর শেষ বেঞ্চে বসে থাকত। সাত বছর বয়স পর্যন্ত রিডিং পড়তে অক্ষম। কোন কিছু মনে থাকত না। যাকে মানসিক প্রতিবন্ধি হিসেবে ধরে নিয়েছিল । সেই বালকটি পৃথিবীকে অবাক করেছেন তার থিউরি অফ রিলিটিভিটি দিয়ে। নোবেল ও জিতেছেন।
নামঃ→ Albert_Einstein (আলবার্ট আইনস্টাইন)
8)ক্লাস এর সবচেয়ে দুর্বল ছাত্র ছিলেন তিনি। তাকে স্কুল থেকে বহিস্কারও করা হয়েছিল। কিন্তু সে দুর্বল ছাত্র'ইই পৃথিবীকে আলোকিত করেছেন তার আবিষ্কার(ইলেকট্রিক বাল্ব) দিয়ে।
নামঃ→ টমাস_আলভা_এডিসন
9)একজন কয়েদীর কথা জানি।
কয়েদী নাম্বার ৪৬৬৬৪। ২৭ বছর কারাবাস করার পরেও নোবেল শান্তি পুরষ্কার জিতেছেন।
নামঃ→ Nelson_Mandela (নেলসন মেন্ডেলা)
10)একটি প্রতিবন্ধী মেয়ের কথা যানি। মাত্র চার বছর বয়সে ডাবল নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বাম পা অবশ হয়ে যায়। লোহার জুতো পরে সে বেঁকিয়ে বেঁকিয়ে হাঁটতো। সে ছোট্ট মেয়েটি যাকে ডাক্তাররা বলেছিলেন সে আর কোনোদিন হাঁটতে পারবে না। সে মেয়েটিই কিনা অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করে তিনটি সোনা জিতেছিলেন। এই অসাধারণ সাফল্যে দেখে তার নাম রাখা হয়েছিল "দ্য টর্নেডো"(বিশ্বের দ্রুততমা মেয়ে)।
নামঃ→ উইলমা_রুডলফ
জিরো থেকে হিরো হওয়া উপরের
উদাহরণ গুলো দেওয়ার কিছু কারন আছে। এদেরও অনেক কষ্ট ছিলো, জীবনের শুরুতেই হতাশ হয়েছিলো বার বার।
কিন্তু, হাল ছেড়ে দেয়নি।ডিপ্রেশনকেও স্থান দেয়নি নিজের মাঝে। করেনি সুইসাইড।
অথচ আমরা আজকাল
আইফোন কিনতে না পেরে সুইসাইড করি।প্রেমে ব্যর্থ হয়ে ডিপ্রেশনে পড়ে ড্রাগস নেই, তারপর সুইসাইড! কিন্তু কেন রে ভাই?
আপনিও যে দ্বিতীয় কোন আতিউর রহমান কিংবাআব্রাহাম লিংকন হবেননা, তার-ও বা কি নিশ্চায়তা আছে????
কেন লাইফে ডিপ্রেশনকে জায়গা দিবেন!??
# # collected # # 😥