এসো বাংলা শিখি

এসো বাংলা শিখি

Share

বাংলা ভাষা শেখা ও বাংলার ইতিহাস সম্পর?

এসো বাংলা শিখি পেজ টি বাংলা ভাষা প্রতি বাঙ্গালী দের ও শিশুদের বাংলার গুরুত্ব বাংলা আমাদের মাতৃভাষা , প্রিয় এ ভাষাটির মর্যাদা রক্ষার জন্য আমাদের অনেক ভাই ৫২ এর ভাষা আন্দোলনে অকাতরে তাদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছিলেন ।

21/09/2023

উপসর্গঃ

#বাংলা_উপসর্গ_২১টি।
সু, হা, স, আ, নি, বি, অজ, ভর, সা, অ, অনা, কু, আড়, আব, ঊন, পাতি, কদ, আন, ইতি, অঘা, রাম।

মনে রাখার টেকনিক→
সুহাস,
আদর নিবি। তুই অজপাড়ার ভরসা বলে অনেকে অনাচার, কুকথা ও আড়চোখে দেখে। আবডালের ঊনত্রিশটি পাতিলেবু ও কদবেল আনবি।
ইতি-
অঘারাম

#সংস্কৃত_উপসর্গ_২০টি।
অপি, অনু, অপ, প্রতি, সম, অধি, সু, প্র, অতি, উৎ, পরা, নির, বি,পরি, দূর, উপ, অব,অভি, আ, নি।

মরে রাখার টেকনিক →
অপি ও অনু অপরের প্রতি সম অধিকার সু প্রতিষ্ঠায় অতি উৎসাহ পরায়নির বিপরিতে দূর উপনিবেশে অবরোধ অভিযান আনিয়েছে।

#আরবি_উপসর্গ: গর আম খাস লা বাজে।
#ইংরেজি : হেড, সাব, হাফ, ফুল।
মনে রাখার টেকনিক →
হেড-মাস্টার সাব হাফ-পাগল, ফুল-চালাক!

#ফারসি : (বদ্ , বর্ , নিম্ , ফি, কম্ , বে্ দর্ , কার্ না)
মনে রাখার টেকনিক →
বদ বরকে নিম ফি কম-বেশ দেয়ার দরকার নাই।

21/02/2023

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল ভাষা শহীদদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।।

19/06/2022

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ ভাইভার জন্য পড়ুন ।
১. DPED এর পূর্ণরূপ কী?
উঃ Diploma in primary Education
২. PTI এর পূর্ণরূপ ?
উঃ Primary teachers Training Institute
৩. PTI এর বাংলা নাম কি?
উঃ প্রাইমারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
৪. ডিপিএড কোর্সের মেয়াদ কত?
উঃ ১.৫ বছর
৫. ঢাকা পিটিআই এর অফিসিয়াল নাম কি?
উঃ
৬. NCTB এর পূর্ণরূপ কি?
উঃ National Curriculum and Textbook Board
৭. IER এর পূর্ণরূপ ?
উঃ Institute of Education and Research
৮. প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রধান কে?
উঃ পদবী মহাপরিচালক
৯. তাঁর নাম কি?
উঃ সোহেল আহমেদ ( অতিরিক্ত দায়িত্বে আছেন )
১০. DPE এর পূর্ণরূপ কি?
উঃ Directorate of Primary Education.
১১. প্রাথমিক শিক্ষা কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
উঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধিন।
১২. প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর নাম কি?
উঃ মোহাম্মদ জাকির হোসেন
১৩. প্রাথমিক শিক্ষা সচিবের নাম কি?
উঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম খান
১৪. MoPME এর পূর্ণরূপ কি?
উঃ Ministry of Primary and Mass Education
১৫. NAPE এর পূর্ণরুপ?
উঃ National Academy for Primary Education
১৬. নেপ এর প্রধান কে?
উঃ মহাপরিচালক
১৭. নাম কি উনার?
উঃ মোঃ শাহ আলম
১৮. নেপ কোথায় অবস্থিত ?
উঃ ময়মনসিংহ
১৯. DPED এ কয়টি বিষয় পড়ানো হয়?
উঃ ৭ টি
২০. প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য কয়টি?
উঃ ১৩টি
২১.প্রাথমিক শিক্ষার প্রান্তিক যোগ্যতা কয়টি?
উঃ ২৯টি
২২. প্রাথমিক শিক্ষার মোট বিষয় কতটি?
উঃ ১২টি
২৩. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা কতটি?
উঃ ৬৫,৫৯৩
২৪. প্রাথমিক শিক্ষার শ্রেণীসংখ্যা কত?
উঃ ২টি
২৫. What is school?
Ans:
২৬. শিক্ষার ধারা কয়টি? কি কি?
উঃ ৩টি
অনানুষ্ঠানিক, আনুষ্ঠানিক, উপানুষ্ঠানিক
২৭. জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কয়টি?
উঃ ৩০ টি
২৮. শিক্ষক যোগ্যতা কাকে বলে?
উঃ
২৯.প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য কয়টি?
উঃ17 টি
৩০. বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি?
উঃ ড. দিপু মনি
★ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
- মো: জাকির হোসেন।
★ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ( অতিরিক্ত দায়িত্ব)
- সোহেল আহমেদ।( অতিরিক্ত সচিব(
বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারী হয় কত সালে?
→ ১৯৭৪ সালে।
০২) বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা কখন থেকে চালু করা হয়?
→ ১ জানু, ১৯৯২ সালে।
- ডিপিই প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮১ সালে
- সার্বজনীন শিক্ষা ব্যবস্থা সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদ**
- প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ ১৯৭৩ সালে (বঙ্গবন্ধু কর্তৃক একসাথে প্রায় ৩৭ হাজার (৩৬১৬৫) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান)***
- প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারী ১৯৭৪ সালে
- সার্বজনীন প্রা. শি. প্রবর্তন ১৯৮০
- বাধ্যতামুলক প্রা শি. আইন পাশ ১৯৯০
- বাধ্যতামুলক প্রা শি আইন চালু ১ জানুয়ারি ১৯৯২
- বাধ্যতামুলক প্রা শি আইন চালু (সারাদেশ) ১ জানুয়ারি ১৯৯৩
- বিনামূল্য পাঠ্যপুস্তক দেওয়ার ঘোষণা ২০০৯ সালে, বিতরণ ২০১০
- সকল শিশুকে প্রাথমিক শিক্ষা আওতায় আনা হয় ২০১১ সালে
- প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনি পরীক্ষা চালু ২০০৯ সালে
- ২৬ হাজার বেসরকারি স্কুল জাতীয়করণ ২০১৩ সালে
- উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ২০০৫ সালে
- উপ শিক্ষা ব্যুরো আইন পাশ সংসদে ২০১৪ সালে
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমী (নেপ) ১৯৬৯ সালে
- নামকরণ করা হয় ১৯৮৫ সালে
- স্বায়ত্তশাসিত হিসেবে কার্যক্রম চালু ১ অক্টোবর ২০০৪ সালে
- বর্তমানে পিটিআই (প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র) ৬৭ টা
- উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিস ৫০৫ টা
- উপজেলা/থানা রিসোর্স সেন্টার ৪৮২ টা, সোর্স ডিপিই
- যে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা সবচেয়ে উন্নত- ফিনল্যান্ড।
✅মুজিববর্ষের সময়কাল ছিল
১৭ মার্চ ২০২০---৩১ মার্চ ২০২২
✅সুবর্ণজয়ন্তীর সময়কাল ছিল
২৬ মার্চ ২০২১--৩১ মার্চ ২০২২
✅SDG এর সময়কাল
২০১৬---২০৩০
✅৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল
২০২০---২০২৫
//
ভাইভা........

18/06/2022

#চলতি বছর যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিগুলো পাবেন-
#সার্কুলার আপডেটঃ Coming soon

১. NTRCA ১৮ তম নিবন্ধন

২. পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর

৩. ৪৫ তম বিসিএস

৪. প্রাইমারি

৫. দুদক।

৬. বাংলাদেশ ব্যাংক।

৭. রাজউক।

৮. PSC নন ক্যাডার।

৯. মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

১০. মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষক।

১১.বাংলাদেশ রেলওয়ে।

১২. Ministry of Housing Public Works.

১৩. বেবিচক (চলমান সার্কুলারের কার্যক্রম শেষ হলে)।

১৪. NSI

ধন্যবাদ,সবাই প্রস্তুতি শুরু করে দেন।

13/04/2022
27/02/2022

বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম
_______________
১.০১ তত্সম অর্থাৎ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অবিকৃত সংস্কৃত শব্দের বানান যথাযথ ও অপরিবর্তিত থাকবে। কারণ এইসব শব্দের বানান ও ব্যাকরণগত প্রকরণ ও পদ্ধতি নির্দিষ্ট রয়েছে।
১.০২ তবে যেসব তত্সম শব্দে ই ঈ বা উ ঊ উভয় শুদ্ধ সেইসব শব্দে কেবল ই বা উ এবং তার-কার চিহ্ন ই-কার উ-কার ব্যবহৃত হবে। যেমন : কিংবদন্তি, খঞ্জনি, চিত্কার, ধমনি, পঞ্জি, ধূলি, পদবি, ভঙ্গি, মঞ্জরি, মসি, লহরি, সরণি, সূচিপত্র, উর্ণা, উষা।
১.০৩ রেফ-এর পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমন : অর্চনা, অর্জন, অর্থ, অর্ধ, কর্দম, কর্তন, কর্ম, কার্য, গর্জন, মূর্ছা, কার্তিক, বার্ধক্য, বার্তা, সূর্য।
১.০৪ সন্ধির ক্ষেত্রে ক খ গ ঘ পরে থাকলে পদের অন্তস্থিত ম্ স্থানে অনুস্বার (ং) লেখা যাবে। যেমন : অহংকার, ভয়ংকর, সংগীত, শুভংকর, হৃদয়ংগম, সংঘটন। তবে অঙ্ক, অঙ্গ, আকাঙ্ক্ষা, গঙ্গা, বঙ্গ, লঙ্ঘন, সঙ্গ, সঙ্গী, প্রভৃতি সন্ধিবদ্ধ নয় বলে ঙ স্থানে ং হবে না।অ-তত্সম অর্থাৎ তদ্ভব, দেশী, বিদেশী, মিশ্র শব্দ
২.০১ ই ঈ উ ঊসকল অ-তত্সম অর্থাৎ তদ্ভব, দেশী, বিদেশী, মিশ্র শব্দে কেবল ই এবং উ এবং এদের-কার চিহ্ন ই-কার উ-কার ব্যবহৃত হবে। এমনকি স্ত্রীবাচক ও জাতিবাচক ইত্যাদি শব্দের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। যেমন গাড়ি, চুরি, দাড়ি, বাড়ি, ভারি (অত্যন্ত অর্থে), শাড়ি, তরকারি, বোমাবাজি, দাবি, হাতি, বেশি, খুশি, হিজরি, আরবি, ফারসি, ফরাসি, বাঙালি, ইংরেজি, জাপানি, জার্মানি, ইরানি, হিন্দি, সিন্ধি, ফিরিঙ্গি, সিঙ্গি, ছুরি, টুপি, সরকারি, মাস্টারি, মালি, পাগলামি, পাগলি, দিঘি, কেরামতি, রেশমি, পশমি, পাখি, ফরিয়াদি, আসামি, বে-আইনি, ছড়ি, কুমির, নানি, দাদি, বিবি, মামি, চাচি, মাসি, পিসি, দিদি, বুড়ি, ছুঁড়ি, নিচ, নিচু, ইমান, চুন, পুব, ভুখা, মুলা, পুজো, উনিশ, উনচল্লিশ।অনুরূপভাবে- আলি প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ই-কার হবে। যেমন : খেয়ালি, বর্ণালি, মিতালি, সোনালি, হেঁয়ালি।তবে কোনো কোনো স্ত্রীবাচক শব্দের শেষে ঈ-কার দেওয়া যেতে পারে। যেমন : রানী, পরী, গাভী।সর্বনাম পদরূপে এবং বিশেষণ ও ক্রিয়া-বিশেষণ পদরূপে কী শব্দটি ঈ-কার দিয়ে লেখা হবে। যেমন : কী করছ? কী পড়ো? কী খেলে? কী আর বলব? কী জানি? কী যে করি! তোমার কী। এটা কী বই? কী করে যাব? কী বুদ্ধি নিয়ে এসেছিলে। কী আনন্দ! কী দুরাশা!অন্য ক্ষেত্রে অব্যয় পদরূপে ই-কার দিয়ে কি শব্দটি লেখা হবে। যেমন : তুমিও কি যাবে? সে কি এসেছিল? কি বাংলা কি ইংরেজি উভয় ভাষায় তিনি পারদর্শী। পদাশ্রিত নির্দেশক টি-তে ই-কার হবে। যেমন : ছেলেটি, লোকটি, বইটি।
২.০২ ক্ষক্ষীর, ক্ষুর ও ক্ষেত শব্দ খির, খুর ও খেত না লিখে সংস্কৃত মূল অনুসরণে ক্ষীর, ক্ষুর ও ক্ষেত-ই লেখা হবে। তবে অ-তত্সম শব্দ খুদ, খুদে, খুর, খেপা, খিধে, ইত্যাদি লেখা হবে।
২.০৩ মূর্ধন্য ণ, দন্ত্য নতত্সম শব্দের বানানে ণ, ন-য়ের নিয়ম ও শুদ্ধতা রক্ষা করতে হবে। এ-ছাড়া তদ্ভব, দেশী, বিদেশী, মিশ্র কোনো শব্দের বানানে ণত্ব-বিধি মানা হবে না অর্থাত ণ ব্যব হার হবে না। যেমন : অঘ্রান, ইরান, কান, কোরান, গুনতি, গোনা, ঝরনা, ধরন, পরান, সোনা, হর্ন।তত্সম শব্দে ট ঠ ড ঢ-য়ের পূর্বে যুক্ত নাসিক্য বর্ণ ণ হয়, যেমন : কণ্টক, লুণ্ঠন, প্রচণ্ড। কিন্তু তত্সম ছাড়া অন্য সকল শব্দের ক্ষেত্রে ট ঠ ড ঢ-য়ের আগেও কেবল ন হবে। ৪.০১ দ্রষ্টব্য।
৪.০১ ণত্ব-বিধি সম্পর্কে দুই মতঅ-তত্সম শব্দের যুক্তাক্ষরের বানানের ক্ষেত্রে কমিটির সদস্যগণ একমত হতে পারেন নি। একটি মতে বলা হয়েছে যে, এসব শব্দের যুক্তাক্ষরে ণ্ট ণ্ঠ ণ্ড ণ্ঢ হবে। যথা : ঘণ্টা, লণ্ঠন, গুণ্ডা। অন্যমতে বলা হয়েছে যে, এসব শব্দের যুক্তাক্ষরে ন্ট ন্ঠ ন্ড ন্ঢ হবে। যথা : ঘন্টা, প্যান্ট, প্রেসিডেন্ট, লন্ঠন, গুন্ডা, পান্ডা, ব্যান্ড, লন্ডভন্ড।
২.০৪ শ, ষ, সতত্সম শব্দে শ, ষ, স-য়ের নিয়ম মানতে হবে। এ-ছাড়া অন্য কোনো ক্ষেত্রে সংস্কৃতের ষত্ব-বিধি প্রযোজ্য হবে না।বিদেশী মূল শব্দে শ, স-য়ের যে প্রতিষঙ্গী বর্ণ বা ধ্বনি রয়েছে বাংলা বানানে তাই ব্যব হার করতে হবে। যেমন : সাল (=বত্সর), সন, হিসাব, শহর, শরবত, শামিয়ানা, শখ, শৌখিন, মসলো, জিনিস, আপস, সাদা, পোশাক, বেহেশ্ ত, নাশতা, কিশমিশ, শরম, শয়তান, শার্ট, স্মার্ট। তবে পুলিশ শব্দটি ব্যতিক্রমরূমে শ দিয়ে লেখা হবে। তত্সম শব্দে ট, ঠ বর্ণের পূর্বে ষ হয়। যেমন : বৃষ্টি, দুষ্ট, নিষ্ঠা, পৃষ্ঠা। কিন্তু বিদেশী শব্দে এই ক্ষেত্রে স হবে। যেমন : স্টল, স্টাইল, স্টিমার, স্টুডিয়ো, স্টেশন, স্টোর, স্ট্রিট।কিন্তু খ্রিষ্ট যেহেতু বাংলায় আত্তীকৃত শব্দ এবং এর উচ্চারণও হয় তত্সম কৃষ্টি, তুষ্ট ইত্যাদি শব্দের মতো, তাই ষ্ট দিয়ে খ্রিষ্ট শব্দটি লেখা হবে।
২.০৫ আরবি-ফারসি শব্দে 'সে', 'সিন', 'সোয়াদ' বর্ণগুলির প্রতিবর্ণরূপে স, এবং 'শিন'-এর প্রতিবর্ণরূপে শ ব্যব হৃত হবে। যেমন ; সালাম, তসলিম, ইসলাম, মুসলিম, মুসলমান, সালাত, এশা, শাবান (হিজরি মাস), শাওয়াল (হিজরি মাস), বেহেশ্ ত। এই ক্ষেত্রে স-এর পরিবর্তে ছ লেখার কিছু প্রবণতা দেখা যায়, তা ঠিক নয়। তবে যেখানে বাংলায় বিদেশী শব্দের বানান সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে স ছ-য়ের রূপ লাভ করেছে সেখানে ছ ব্যব হার করতে হবে। যেমন : পছন্দ, মিছিল, মিছরি, তছনছ।
২.০৬ ইংরেজি ও ইংরেজির মাধ্যমে আগত বিদেশী s বর্ণ বা ধ্বনির জন্য স এবং sh, -sion, -ssion, -tion প্রভৃতি বর্ণগুচ্ছ বা ধ্বনির জন্য শ ব্যবহৃত হবে।
২.০৭ জ, যবাংলায় প্রচলিত বিদেশী শব্দ সাধারণভাবে বাংলা ভাষার ধ্বনিপদ্ধতি-অনুযায়ী লিখতে হবে। যেমন : কাগজ, জাহাজ, হুকুম, হাসপাতাল, টেবিল, পুলিশ, ফিরিস্তি, হাজার, বাজার, জুলুম, জেব্রা।কিন্তু ইসলাম ধর্ম-সংক্রান্ত কয়েকটি বিশেষ শব্দে 'যে', 'যাল', 'যোয়াদ', 'যোই' রয়েছে, যার ধ্বনি ইংরেজি z-এর মতো, সেক্ষেত্রে উক্ত আরবি বর্ণ গুলির জন্য য ব্যবহৃত হওয়া সঙ্গত। যেমন : আযান, এযিন, ওযু, কাযা, নামায, মুয়ায্ যিন, যোহর, রমযান। তবে কেউ ইচ্ছা করলে এই ক্ষেত্রে য-এর পরিবর্তে জ ব্যবহার করতে পারেন। জাদু, জোয়াল, জো, ইত্যাদি শব্দ জ দিয়ে লেখা বাঞ্ছনীয়।
২.০৮ এ, অ্যাবাংলায় এ বা এ-কার দ্বারা অবিকৃত এ এবং বিকৃত বা বাঁকা অ্যা এই উভয় উচ্চারণ বা ধ্বনি নিষ্পন্ন হয়। তত্সম বা সংস্কৃত ব্যাস, ব্যায়াম, ব্যাহত, ব্যাপ্ত, জ্যামিতি, ইত্যাদি শব্দের বানান অনুরূপভাবে লেখার নিয়ম রয়েছে। অনুরূপ তত্সম এবং বিদেশী শব্দ ছাড়া অন্য সকল বানানে অবিকৃত-বিকৃত নির্বিশেষে এ বা এ-কার হবে। যেমন : দেখে, দেখি, যেন, জেনো, কেন, কেনো (ক্রয় করো), গেল, গেলে, গেছে।বিদেশী শব্দ অবিকৃত উচ্চারণের ক্ষেত্রে এ বা এ-কার ব্যবহৃত হবে। যেমন : এন্ড (end), নেট, বেড, শেড।বিদেশী শব্দে বিকৃত বা বাঁকা উচ্চারণে অ্যা বা অ্যা-কার ব্যবহৃত হবে। যেমন : অ্যান্ড (and), অ্যাবসার্ড, অ্যাসিড, ক্যাসেট, ব্যাক, ম্যানেজার, হ্যাট।তবে কিছু তদ্ভব এবং বিশেষবভাবে দেশী শব্দ রয়েছে যার অ্যা-কারযুক্ত রূপ বহুল-পরিচিত। যেমন : ব্যাঙ, চ্যাঙ, ল্যাঙ, ল্যাঠা। এসব শব্দে অ্যা অপরিবর্তিত থাকবে।
২.০৯ ওবাংলা অ-কারের উচ্চারণ বহুক্ষেত্রে ও-কার হয়। এই উচ্চারণকে লিখিত রূপ দেওয়ার জন্য ক্রিয়াপদের বেশ কয়েকটি রূপের এবং কিছু বিশেষণ ও অব্যয় পদের শেষে, কখনো আদিতে অনেকে যথেচ্ছভাবে ও-কার ব্যবহার করছেন। যেমন : ছিলো, করলো, বলতো, কোরছ, হোলে, যেনো, কেনো (কীজন্য), ইত্যাদি ও-কারযুক্ত বানান লেখা হচ্ছে। বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া অনুরূপ ও-কার ব্যবহার করা হবে না। বিশেষ ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে এমন অনুজ্ঞাবাচক ক্রিয়াপদ এবং বিশেষণ ও অব্যয় পদ বা অন্য শব্দ যার শেষে ও-কার যুক্ত না করলে অর্থ অনুধাবনে ভ্রান্তি বা বিলম্ব ঘটতে পারে। যেমন : ধরো, চড়ো, বলো, বোলো, জেনো, কেনো (ক্রয় করো), করানো, খাওয়ানো, শেখানো, করাতো, মতো, ভালো, আলো, কালো, হলো।
২.১০ ং, ঙতত্সম শব্দে ং এবং ঙ যেখানে যেমন ব্যবহার্য ও ব্যাকরণসম্মত সেইভাবে ব্যবহার করতে হবে। এ-সম্পর্কে পূর্বে ১.০৪ অনুচ্ছেদে কিছু নিয়মের কথা বলা হয়েছে। তদ্ভব, দেশী, বিদেশী, মিশ্র শব্দের বানানের ক্ষেত্রে ওই নিয়মের বাধ্যবাধকতা নেই। তবে এই ক্ষেত্রে প্রত্যয় ও বিভক্তিহীন শব্দের শেষে সাধারণভাবে অনুস্বার (ং) ব্যবহৃত হবে। যেমন : রং, সং, পালং, ঢং, রাং, গাং। তবে শব্দে অব্যয় বা বিভক্তি যুক্ত হলে কিংবা পদের মধ্যে বা শেষে স্বরচিহ্ন থাকলে ঙ হবে। যেমন : বাঙালি, ভাঙা, রঙিন, রঙের। বাংলা ও বাংলাদেশ শব্দ-দুটি ং দিয়ে লিখতে হবে। বাংলাদেশের সংবিধানে তাই করা হয়েছে।
২.১১ রেফ ও দ্বিত্বতত্সম শব্দের অনুরূপ বানানের ক্ষেত্রে যেমন পূর্বে বলা হয়েছে, অ-তত্সম সকল শব্দেও রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমন : কর্জ, কোর্তা, মর্দ, সর্দার।
২.১২ বিসর্গশব্দের শেষে বিসর্গ থাকবে না। যেমন : কার্যত, মূলত, প্রধানত, প্রয়াত, বস্তুত, ক্রমশ, প্রায়শ।পদমধ্যস্থ বিসর্গ থাকবে। তবে অভিধানসিদ্ধ হলে পদমধ্যস্থ বিসর্গ বর্জনীয়। যেমন : দুস্থ, নিস্পৃহ।
২.১৩ আনো প্রত্যয়ান্ত শব্দআনো প্রত্যয়ান্ত শব্দের শেষে ও-কার যুক্ত করা হবে। যেমন : করানো, বলানো, খাওয়ানো, পাঠানো, নামানো, শোয়ানো।
২.১৪ বিদেশী শব্দ ও যুক্তবর্ণবাংলায় বিদেশী শব্দের বানানে যুক্তবর্ণকে বিশ্লিষ্ট করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। যুক্তবর্ণের সুবিধা হচ্ছে তা উচ্চারণের দ্বিধা দূর করে। তাই ব্যাপকভাবে বিদেশী শব্দের বানানে যুক্তবর্ণ বিশ্লিষ্ট করা অর্থাত ভেঙে দেওয়া উচিত নয়। শব্দের আদিতে তো অনুরূপ বিশ্লেষ সম্ভবই নয়। যেমন : স্টেশন, স্ট্রিট, স্প্রিন্ট, স্প্রিং। তবে কিছু কিছু বিশ্লেষ করা যায়। যেমন : সেপটেম্বর, অকটোবর, মার্কস (ক-এর নিচে হসন্ত), শেকসপিয়র (ক-এর নিচে হসন্ত), ইসরাফিল (স-এর নিচে হসন্ত)।
২.১৫ হস্-চিহ্নহস্-চিহ্ন যথাসম্ভব বর্জন করা হবে। যেমন : কাত, মদ, চট, ফটফট, কলকল, ঝরঝর, তছনছ, জজ, টন, হুক, চেক, ডিশ, করলেন, বললেন, শখ, টাক, টক।তবে যদি ভুল উচ্চারণের আশঙ্কা থাকে তাহলে হস্-চিহ্ন ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন : উহ্, যাহ্।যদি অর্থের বিভ্রান্তির আশঙ্কা থাকে তাহলেও তুচ্ছ অনুজ্ঞায় হস্-চিহ্ন ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন : কর্, ধর্, মর্, বল্।
২.১৬ ঊর্ধ্ব-কমাঊর্ধ্ব-কমা যথাসম্ভব বর্জন করা হবে। যেমন : করল (=করিল), ধরত, বলে (=বলিয়া), হয়ে, দু জন, চার শ, চাল (চাউল), আল (=আইল)।বিবিধ
৩.০১যুক্ত-ব্যঞ্জনবর্ণগুলি যতদূর সম্ভব স্বচ্ছ করতে হবে অর্থাৎ পুরাতন রূপ বাদ দিয়ে এগুলির স্পষ্ট রূপ দিতে হবে। তার জন্য কতকগুলি স্বরচিহ্নকে বর্ণের নিচে বসাতে হবে। যেমন গু, রু, শু, দ্রু, শ্রু, রূ, ভ্রূ, হৃ, ত্র, ভ্র। (দু:খিত, কম্পিউটারে এগুলোর কোনোটাই বর্ণের নিচে দেয়া গেলো না- খলিল মাহমুদ)।তবে ক্ষ, জ্ঞ, ঞ্জ, ষ্ণ, হ্ম, ভ্র, হ্ন- এইসব ক্ষেত্রে পরিচিত যুক্তরূপ অপরিবর্তিত থাকবে। কেননা তা বিশ্লিষ্ট করলে উচ্চারণবিকৃতির সম্ভাবনা থাকে।
৩.০২সমাসবদ্ধ পদগুলো একসঙ্গে লিখতে হবে, মাঝখানে ফাঁক রাখা চলবে না। যেমন : সংবাদপত্র, অনাস্বাদিতপূর্ব, পূর্বপরিচিত, রবিবার, মঙ্গলবার, স্বভাবগতভাবে, লক্ষ্যভ্রষ্ট, বারবার, বিষাদমণ্ডিত, সমস্যাপূর্ণ, অদৃষ্টপূর্ব, দৃঢ়সঙ্কল্প, সংযতবাক, নেশাগ্রস্ত, পিতাপুত্র।বিশেষ প্রয়োজনে সমাসবদ্ধ পদটিকে একটি, কখনো একটির বেশি হাইফেন (-) দিয়ে যুক্ত করা যায়। যেমন মা-মেয়ে, মা-ছেলে, বেটা-বেটি, বাপ-বেটা, ভবিষ্য-তহবিল, সর্ব-অঙ্গ, বে-সামরিক, স্থল-জল-আকাশ-যুদ্ধ, কিছু-না-কিছু।
৩.০৩বিশেষণ পদ সাধারণভাবে পরবর্তী পদের সঙ্গে যুক্ত হবে না। যেমন : সুনীল আকাশ, স্তব্ধ মধ্যাহ্ন, সুগন্ধ ফুল, লাল গোলাপ, ভালো দিন, সুন্দরী মেয়ে। কিন্তু যদি সমাসবদ্ধ পদ অন্য বিশেষ্য বা ক্রিয়াপদের গুণ বর্ণনা করে তাহলে স্বভাবতই সেই যুক্তপদ একসঙ্গে লিখতে হবে। যেমন : কতদূর যাবে, একজন অতিথি, তিনহাজার টাকা, বেশির-ভাগ ছেলে, শ্যামলা-বরন মেয়ে। তবে কোথাও কোথাও সংখ্যাবাচক শব্দ একসঙ্গে লেখা যাবে। যেমন : দুজনা।
৩.০৪নাই, নেই, না, নি এই নঞর্থক অব্যয় পদগুলি শব্দের শেষে যুক্ত না হয়ে পৃথক থাকবে। যেমন : বলে নাই, যাই নি, পাব না, তার মা নাই, আমার ভয় নেই।তবে শব্দের পূর্বে নঞর্থক উপসর্গরূপে না উত্তরপদের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। যেমন : নারাজ, নাবালক, নাহক।অর্থ পরিস্ফুট করার জন্য কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুভূত হলে না-এর পর হাইফেন ব্যবহার করা যায়। যেমন : না-বলা বাণী, না-শোনা কথা, না-গোনা পাখি।
৩.০৫উদ্ধৃতি মূলে যেমন আছে ঠিক তেমনি লিখতে হবে। কোন পুরাতন রচনায় যদি বানান বর্তমান নিয়মের অনুরূপ না হয়, উক্ত রচনার বানানই যথাযথভাবে উদ্ধৃত করতে হবে। যদি উদ্ধৃত রচনায় বানানের ভুল বা মুদ্রণের ত্রুটি থাকে, ভুলই উদ্ধৃত করে তৃতীয় বন্ধনীর মধ্যে শুদ্ধ বানানটির উল্লেখ করতে হবে। এক বা দুই ঊর্ধ্ব-কমার দ্বারা উদ্ধৃত অংশকে চিহ্নিত করতে হবে। তবে উদ্ধৃত অংশকে যদি ইনসেট করা হয় তাহলে ঊর্ধ্ব-কমার চিহ্ন ব্যবহার করতে হবে না। তাছাড়া কবিতা যদি মূল চরণ-বিন্যাস অনুযায়ী উদ্ধৃত হয় এবং কবির নামের উল্লেখ থাকে সে-ক্ষেত্রেও উদ্ধৃতি-চিহ্ন দেওয়ার দরকার নেই। ইনসেট না হলে গদ্যের উদ্ধৃতিতে প্রথমে ও শেষে উদ্ধৃতি-চিহ্ন দেওয়া ছাড়াও প্রত্যেক অনুচ্ছেদের প্রারম্ভে উদ্ধৃতি-চিহ্ন দিতে হবে। প্রথমে, মধ্যে বা শেষে উদ্ধৃত রচনার কোনো অংশ যদি বাদ দেওয়া হয় অর্থাত উদ্ধৃত করা না হয়, বাদ দেওয়ার স্থানগুলিকে তিনটি বিন্দু বা ডট্ (অবলোপ চিহ্ন) দ্বারা চিহ্নিত করতে হবে। গোটা অনুচ্ছেদ, স্তবক বা একাধিক ছত্রের কোনো বৃহত্ অংশ বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনটি তারকার দ্বারা একটি ছত্র রচনা করে ফাঁকগুলিকে চিহ্নিত করতে হবে।কোনো পুরাতন অভিযোজিত বা সংক্ষেপিত পাঠে অবশ্য পুরাতন বানানকে বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তিত করা যেতে পারে।
৪.০১ ণত্ব-বিধি সম্পর্কে দুই মতঅ-তত্সম শব্দের যুক্তাক্ষরের বানানের ক্ষেত্রে কমিটির সদস্যগণ একমত হতে পারেন নি। একটি মতে বলা হয়েছে যে, এসব শব্দের যুক্তাক্ষরে ণ্ট ণ্ঠ ণ্ড ণ্ঢ হবে। যথা : ঘণ্টা, লণ্ঠন, গুণ্ডা। অন্যমতে বলা হয়েছে যে, এসব শব্দের যুক্তাক্ষরে ন্ট ন্ঠ ন্ড ন্ঢ হবে। যথা : ঘন্টা, প্যান্ট, প্রেসিডেন্ট, লন্ঠন, গুন্ডা, পান্ডা, ব্যান্ড, লন্ডভন্ড।
চলতি ভাষায় ক্রিয়াপদের কতকগুলি রূপ
হ-ধাতু :হয়, হন, হও, হস, হই। হচ্ছে। হয়েছে। হোক, হোন, হও, হ।
হলো, হলে, হলাম। হতো। হচ্ছিল। হয়েছিল। হবো, হবে। হয়ো, হস। হতে, হয়ে, হলে, হবার (হওয়ার), হওয়া।
খা-ধাতু :খায়, খাও, খান, খাস, খাই। খাচ্ছে। খেয়েছে। খাক, খান, খাও, খা। খেল, খেলে, খেলাম। খেত, খাচ্ছিল। খেয়েছিল। খাব, খাবে। খেয়ো, খাস। খেতে, খেয়ে, খেলে, খাবার (খাওয়ার), খাওয়া।
দি-ধাতু :দেয়, দেন, দাও, দিস, দিই। দিচ্ছে। দিয়েছে। দিক, দিন, দাও, দে। দিল, দিলে, দিলাম। দিত। দিচ্ছিল। দিয়েছিল। দেবো, দেবে। দিও (দিয়ো), দিস। দিতে, দিয়ে, দিলে, দেবার (দেওয়ার), দেওয়া।
নি-ধাতু :নেয়, নেন, নাও, নিস, নিই। নিচ্ছে। নিয়েছে। নিক, নিন, নাও, নে। নিল, নিলে, নিলাম। নিত। নিচ্ছিল। নিয়েছিল। ণেব, নেবে। নিও (নিয়ো), নিস। নিতে, নিয়ে, নিলে, নেবার (নেওয়ার), নেওয়া।
শু-ধাতু :শোয়, শোন, শোও, শুস, শুই। শুচ্ছে। শুয়েছে। শুক, শোন, শোও, শো। শুল, শুলে, শুলাম। শুত। শুচ্ছিল। শুয়েছিল। শোব, শুয়ো, শুস। শুতে, শুয়ে, শুলে, শোবার (শোওয়ার), শোয়া।
কর্-ধাতু :করে, করেন, করো, করিস, করি। করছে। করেছে। করুক, করুন, করো, কর। করল, করলে, করলাম। করত। করছিল। করেছিল। করব, করবে। কোরো, করিস। করতে, করে, করলে, করবার (করার), করা।
কাট্-ধাতু :কাটে, কাটেন, কাটো, কাটিস, কাটি। কাটছে। কেটেছে। কাটুক, কাটুন, কাটো, কাট। কাটল, কাটলে, কাটলাম। কাটত। কাটছিল। কেটেছিল। কাটব, কাটবে। কেটো, কাটিস। কাটতে, কেটে, কাটলে, কাটবার (কাটার), কাটা।
লিখ্-ধাতু :লেখে, লেখেন, লেখো, লিখিস, লিখি। লিখছে। লিখেছে। লিখুক, লিখুন, লেখো, লেখ। লিখল, লিখলে, লিখলাম। লিখত। লিখছিল। লিখেছিল। লিখব, লিখবে। লিখো, লিখিস। লিখতে, লিখে, লিখলে, লেখবার (লেখার), লেখা।
শিখ্-ধাতু :শেখে, শেখেন, শেখো, শিখিস, শিখি। শিখছে। শিখেছে। শিখুক, শিখুন, শেখো, শেখ। শিখল, শিখলে, শিখলাম। শিখতো। শিখছিল। শিখেছিল। শিখব, শিখবে। শিখো, শিখিস। শিখতে, শিখে, শিখলে, শেখবার (শেখার), শেখা।
উঠ্-ধাতু :ওঠে, ওঠেন, ওঠো, উঠিস, উঠি। উঠছে। উঠেছে। উঠুক, উঠুন, ওঠো, ওঠ। উঠল, উঠলে, উঠলাম। উঠত। উঠছিল। উঠব, উঠবে। ওঠো, উঠিস। উঠতে, উঠে, উঠলে, ওঠবার (ওঠার), ওঠা।_______ নেট থেকে সংগ্রহীত

21/02/2022

মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে, সকল ভাষা শহীদ'দের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও সালাম।

15/01/2022

নতুন ব্যাকরণ Vs পুরাতন ব্যাকরণ (৯ম ও ১০ম শ্রেণি)
------------------------------------------------------------------
উষ্মধ্বনি:
বর্তমানে ৩টি (শ, স, হ);
পূর্বে ছিলো: ৪টি (শ, স, ষ, হ)

সমাস:
বর্তমানে ৪ প্রকার ( দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব বাদ);
পূর্বে ছিলো: ৬ প্রকার।

উৎস অনুযায়ী বাংলা শব্দ:
বর্তমানে ৪ প্রকার (তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি);
পূর্বে ছিলো: ৫ প্রকার (তৎসম, অর্ধ- তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি)

পদ মোট:
বর্তমানে ৮ প্রকার;
পূর্বে ছিলো: ৫ প্রকার

সর্বনাম:
বর্তমানে ৯ শ্রেণিতে বিভক্ত;
পূর্বে ছিলো: ১০ শ্রেণিতে বিভক্ত

বিভক্তি:
বর্তমানে ৩ প্রকার;
পূর্বে ছিলো: ৭ প্রকার (শব্দবিভক্তি)

বর্তমান কাল:
৪ প্রকার ( সাধারণ, ঘটমান, পুরাঘটিত এবং অনুজ্ঞা বর্তমান);
পূর্বে ছিলো : ৩ প্রকার (সাধারণ/ নিত্যবৃত্ত এবং পুরাঘটিত বর্তমান)

ভবিষ্যৎ কাল:
৩ প্রকার ( সাধারণ, ঘটমান ও অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ);
পূর্বে ছিলো : ৩ প্রকার (সাধারণ, ঘটমান ও পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ)

কারক:
বর্তমানে ৬ প্রকার (কর্তা, কর্ম, করণ, অপাদান, অধিকার ও সম্বন্ধ কারক);
পূর্বে ছিলো : ৬ প্রকার (কর্তৃ, কর্ম, করণ, সম্প্রদান, অপাদান ও অধিকরণ কারক)

যতিচিহ্ন: বর্তমানে ১৪টি;
পূর্বে ছিলো: ১২টি।

বাংলা ভাষার অবস্থান ষষ্ঠ; পূর্বে ছিল চতুর্থ ।

16/12/2021

বিজয়ের ৫০ বছরে ৭১ এর সকল শহিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka
1206