ঢাবি "ক" স্পেশালিষ্ট

ঢাবি "ক" স্পেশালিষ্ট

Share

Free counselling & providing any help about admission test and also subjective help to science group students.

Conceptions and Spreading Pattern Analysis of Novel Coronavirus (COVID-19): Bangladesh Experiences 28/03/2020

আশাকরি সবাই ভাল এবং নিরাপদেই আছেন। নভেল করোনা ভাইরাসের উপর বেসিক কিছু প্রশ্নের উপর ভিত্তি করে আমি এবং ঢাবির একটি রিসার্চ গ্রুপ একটি শর্ট সার্ভে করছি। আমাদের সবারই অংশগ্রহন একান্ত জরুরি (প্লিয🙏)।এটি সবারই সামাজিক দায়িত্ব।Just click on the link and choice your options.Never forget to submit it.You will be highly acknowledged.

Conceptions and Spreading Pattern Analysis of Novel Coronavirus (COVID-19): Bangladesh Experiences This survey conducted by a research group of Dhaka University, will help us prominently to take and implement measures properly to prevent spreading this new coronavirus. Please participate and submit this short survey and promote our research community as a part of social responsibility. You will a...

12/09/2019

@@@@সকল কনফিউশন বিষয়গুলো সমাধান করে নাও@@@@
'
★কনফিউশন-১
★★গঠন_একক★★
---------_-------------------
*জীবদেহের গঠন একক- কোষ।
*কোষপ্রাচীরের ক্ষুদ্রতম একক-মাইসেলি।
*ক্রোমোজোম গঠন একক-জিন।
*অস্হির গঠন একক-হেভারসিয়ান তস্ত্র।
*স্নায়ুতন্ত্রের গঠন একক- নিউরণ।
*বৃক্কের গঠন একক-নেফ্রণ।
*যকৃতের একক-হেপাটোসাইট।
*মাংশপেশির একক-মায়োসাইট।
*ফুসফুসের একক-অ্যালভিওলাস।
*শুক্রাশয় একক-সেমিনিফেরাস নালিকা।
*সেলুলোজ একক-সেলুবায়োজ।
"
"
"
★কনফিউশন-২
★প্রোটিন ফ্যাক্টরি-রাইবো
সোম।
★প্রোটিন তৈরির কর্মী-এনজাইম।
★প্রোটিন তৈরির কাচামাল-অ্যামাই
নো এসিড।
★প্রোটিন তৈরির ব্লু প্রিন্ট-RNA.
★প্রোটিন তৈরির মাষ্টার প্ল্যান-DNA.
"
*বিঃদ্র:-জীবের ব্লু প্রিন্ট বলে-জিনোম।
"
"
'
'
★কনফিউশন-৩
★★★আবরণী★★★
--------------------------
"
*মস্তিষ্ক আবরণী-মেনিনজেস।
*অস্হির আবরণী-পেরিঅস্ট্রিয়াম।
*তরুণাস্হি-পেরিক্নড্রিয়াম
*যকৃত-গ্লিসল ক্যাপসুল।
*ফুসফুস-প্লুরা/প্লিউরা।
*বৃক্ক-টিউনিকা ফ্রাইবোজেন/
ক্যাপসুল।
*হৃদপিন্ড-পেরিকার্ডিয়াম।
*শুক্রাশয়-মেসরকিয়াম।
*ডিম্বাশয়-মেসরভেরিয়াম।
*কোষ গহ্বর-টনোপ্লাস্ট।
"
"
'
'
★কনফিউশন-৪
★★★সংযুক্ত_থাকা ★★★
"
*হাড়ের সাথে হাড়-লিগামেন্ট।
*হাড়ের সাথে পেশি-টেনডন।
*করোটিকার অস্হিসমুহ-সুচার সন্ধি দ্বারা।
*কশেরুকাগুলো-আন্তকশেরুকা চাকতি।
*কনুই অস্হিসন্ধি-হিন্জ।
"
"
"
"
"
★কনফিউশন-৫
★★★শুষ্ক ওজন হিসাব★★★
--------------------------------------------
"
*উদ্ভিদের সুষ্ক ওজনের-৫০-৮০% কার্বোহাইড্রেট।
*মানবদেহের শুষ্কওজনের-৫০% প্রোটিন।
*ইষ্ট এর শুষ্ক ওজনের-৩৭% প্রোটিন।
*E.coli শুষ্ক ওজনের-২২% রাইবোসোম।
*কাঠের মধ্যে ৫০/৬০% সেলুলোজ।
*পাকা আঙ্গুরে-১২-৩০% গ্লুকোজ।
*ইক্ষুর রসে-১৫% সুক্রোজ।
"
"
"
"
"
★কনফিউশন-৬:
★★★অন্য নাম★★★
---_-------------_-----------
★জীবনের ভৌত ভিত্তি- প্রোটোপ্লাজম
★আনবিক ভিত্তি- DNA
★মাস্টার মলিকিউল- DNA
★রাসায়নিক ভিত্তি- DNA& RNA
★প্রোটিন ফ্যাক্টরি- রাইবোসোম
★কার্বোহাইড্রেট ফ্যাক্টরি- গলগি বডি।
★ট্রাফিক পুলিশ- গলগি বডি।
★আত্মঘাতিক থলিকা- লাইসোজোম
★কোষের পরিবহন তন্ত্র- এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম।
★পাওয়ার হাউজ- মাইটোকন্ড্রিয়া।
★কোষের রান্না ঘর- ক্লোরোপ্লাস্ট।
★সাইটোকন্কাল- মাইক্রোটিউবলস।
★মাস্টার ব্লু-প্রিন্ট-জিনোম।
★জৈব মুদ্রা- ATP
★আত্তীকরণ শক্তি- ATP & NADPH2
★ভ্রাম্মমান রক্ষাকারী একক- শ্বেতকণিকা।
★আণুবীক্ষণিক সৈনিক- লিম্ফোসাইট।
★পেসমেকার- SAN নোড।
★সংরক্ষিত পেসমেকার- AV নোড।
★ক্ষুধার্ত স্নায়ু- ভেগাস।
★প্যাথেটিক স্নায়ু-ট্রকলিয়া।
★ব্রেইন স্টেম-পশ্চাদ+মধ্য মস্তিষ্ক।
★মাস্টার কেমিস্ট- বৃক্ক(কিডনি)
★জৈব রসায়নাগার- যকৃত (কলিজা)
★প্রকৃতির ঝাড়ুদার- ব্যাকটেরিয়া।
★প্রকৃতির টুথপেস্ট- আপেল।
★জীবন রক্ষাকারী হরমোন- অ্যালডোস্টেরণ ( মিনারেলোকর্টিকয়
েড).
★*বিপদকালীর হরমোন- অ্যাড্রেনালিন।
★ফ্লুইড অব লাইফ-পানি।
★মস্তিষ্কের প্রেরকযন্ত্র বলে-থ্যালামাস।
★কালার বোন(হাড়)-ক্লাভিকল।
★*রক্ত তৈরির কারখানা-অস্হি।
'
'
'
'
★কনফিউশন-৭
------------------------
★CNIDARIA পর্বে ২৩ ধরনের নেমাটোসিস্ট আছে। তবে Hydra তে ৪ ধরনের পাওয়া যায়
১.পেনিট্যান্ট।
২.ভলভেন্ট।
৩.স্টেরিওলিন গ্লুটিন্যন্ট।
৪.স্ট্রেপটলিন গ্লুটিন্যন্ট।
'
★Plasmodium এর ৬০ টি গণ আছে। তার মধ্যে মানবদেহে ৪ টি রোগ সৃষ্টি করে যেমন:
১.P. Vivax
2.P.malariae
3.P.ovale
4.P.falciparum.
'
★প্রাণিদেহে ৪ ধরণের শ্বাসরন্জক আছে যেমন:
১.হিমোগ্লোবিন।
২.হিমোসায়ানিন।
৩.হিমিইরিথ্রিন।
৪.ক্লোরোক্রুরিন।
'
'
'
★কনফিউশন -৮
"গলগি বস্তুর যত নাম"
★গলগি_বডি
★গলগি_কমপ্লেক্স
★লগি_এপারেটাস
★গলগি_ম্যাটেরিয়ালস
★ডিকটিওসোম
★ইডিওসোম
★লিপোকন্ড্রিয়া
'
'
'
'
★কনফিউশন -৯
-----------------------
★সবচেয়ে বড় শৈবাল-Macrocystis (60 m)
★সবচেয়ে ছোট শৈবাল-prochlorococcus marinces (0.5 macro)
'
★সবচেয়ে বড় বৃক্ষ-sequia sempervirenens (S. giganta)
★সবচেয়ে ছোট বৃক্ষ-wolffia microscopia (0.1 mm)
★সবচেয়ে প্রাচিন বৃক্ষ:ব্রিসল কোণ পাইন।
★সবচেয়ে বড় ঘাস-বাঁশ।
'
'
'
'
★কনফিউশন -১০
------------------------
"দেহের নিস্ক্রিয় অঙ্গসমুহ"
★উপপ্লব
★আক্কেল দাত।
★লোম।
★কর্ণপেশি।
★পুচ্ছাস্হি।
★এপেন্ডিক্স।
★পিনিয়াল গ্রন্হি।
★পুরুষের স্তন।
★টনসিল।
★থাইমাস গ্রন্হি (বড়দের).
★সুচালো কর্তন দাত।

02/09/2019

-“পড়তে বসতে ইচ্ছা করে না!
-“আরে, আমি তো প্রতিদিন বই নিয়ে বসি, কিন্তু কই যে হারায় যাই!🤯
আমাদের সবার সমস্যাগুলোকে যদি একসাথে করি তাহলে ইন্টারসেকশনে যেটা পড়বে বা সবচেয়ে কমন যেটা হবে সেটা হচ্ছে মনোযোগ না আসা। মনোযোগ না আসলে পড়া কি করে হবে! আর পরীক্ষার আগের দু’দিনের মনোযোগ দিয়ে পাশ করার মতো শর্টকাট ওয়ে দিয়ে পড়ালেখা কি চলে? চলো মনোযোগ ধরে রাখারও কিছু শর্টকাট ওয়ে দেখি...😉

✅পড়ার মত পরিবেশ: একটানা পড়ার সবচেয়ে বড় সমস্যা মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা। খেয়াল করলে দেখতে পারবে আমাদের পড়ায় সবচেয়ে ব্যাঘাত ঘটায় আমাদের সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এর নোটিফিকেশন দেখার অস্থিরতা, আশে পাশের গল্পের টুকরো বার্তা, আড্ডা ইত্যাদি। তাই সচেতনভাবে এই টুলসগুলো তোমার পাশে থেকে ২-৩ ঘণ্টার জন্য সরিয়ে তারপর একান্তে বসো। এতে পড়তে বসতে তোমার আগ্রহ না জাগালেও অন্তত মনোযোগ সরিয়ে নেবে না।

✅কয়েকজন মিলে গ্রুপ স্টাডি: নিয়মিত পড়া কন্টিনিউ করতে গ্রুপ স্টাডির বিকল্প নেই। একসাথে কয়েকজন বন্ধু মিলে সপ্তাহের তিন/চারদিন, আগে থেকে ঠিক করে রাখা সময়ে বসে অনুশীলন চর্চা করা যায়, নিজেদের ঝালাই করে নেয়া যায়, এবং পরবর্তী দিনের হোমওয়ার্কও নেয়া যায়। এতে যেমন একঘেয়েমি আসে না তেমনি বন্ধুদের সাথে তাল মেলাতে হলেও তোমাকে পড়তেই হচ্ছে।

✅বন্ধুরা মিলে কুইজ প্রতিযোগীতা: সপ্তাহের যে কোন একদিন কোন একটা খটমটে চ্যাপ্টার নিজেদের কুইজ কম্পিটিশনের জন্যে রাখতে পারো। কুইজের জন্য পড়তে হলে তোমাকে ঐ চ্যাপ্টার গভীরভাবে পড়তেই হবে, এতে তোমার ঐ চ্যাপ্টারের নৈর্ব্যক্তিক, সৃজনশীল দুটোরই প্রস্তুতি হয়ে যাবে। এভাবে প্রতি মাসে তুমি অনায়াসে চারটা চ্যাপ্টার আয়ত্ত করতে পারবে সেই সাথে এর আনন্দ বাড়াতে বন্ধুরা মিলে চাঁদা তুলে কুইজ বিজয়ীর জন্য পুরস্কার রাখতে পারো!

✅সবকিছুতেই অংশগ্রহণ: ধরো, তোমার ক্লাস টেস্ট আর বাংলাদেশের খেলা মিলে কনফ্লিক্টিং সিচুয়েশন। খেলা দেখতে বসলে কখন সময় চলে যায় বুঝতেই পারো না আবার এই সময়ে একটানা মনোযোগ দিয়ে পড়াও অসম্ভব।! তাহলে?
এ সময় তুমি নিজের জন্য সময় বেঁধে নাও বোলিং-ব্যাটিং এ কত ওভার করে তুমি দেখবে, এতে তুমি পড়ার জন্য কত সময় পাবে। এতে তোমার স্কোর দেখার জন্য বার বার ছুটে আসতে হবে না; “খেলা দেখতে পারছি না, খেলা দেখতে পারবো না” এই অস্থিরতাও তোমার মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটাবে না!

✅আনন্দের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়া: মনোযোগ ধরে রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হচ্ছে আনন্দিত থাকা, তৃপ্ত থাকা। নিয়মিত পড়ার পাশাপাশি তোমার আনন্দের বিষয়গুলোতে অংশগ্রহণ করো; সপ্তাহের একদিন ফুটবল কিংবা সাঁতার, আলোচিত কোন মুভি, বিষয়ভিত্তিক বই- তা করো যা তোমাকে আনন্দ দেয়। তোমার তৃপ্ত মন তোমাকে বিক্ষিপ্ত হতে দেবে না, আরো একাগ্র করবে।

✅নিয়মিত থাকা: নিয়মিত পড়াশুনা করা- শুনতে ক্লিশে হলেও মেধাবী শিক্ষার্থী আর সাধারণ শিক্ষার্থীর এটাই বড় পার্থক্য। গ্রীষ্মের ছুটি, ঈদের ছুটি, পূজার ছুটি, পরীক্ষা শেষের ছুটি যাই হোক না কেন, খুব অল্প হলেও প্রতিদিনই পড়া চালিয়ে যাও। পড়ালেখার মত লম্বা রেসে এই একটি অভ্যাসই তোমাকে ট্র্যাকে ধরে রাখবে।

Tag your friends | Share🙂

15/08/2019

"চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়"
(ভর্তি হওয়ার নুন্যতম যোগ্যতা)

চবি ১৮-১৯ সার্কুলার অনুযায়ী সকল বিভাগে পরীক্ষা দেওয়ার নূন্যতম যোগ্যতাঃ

🔰A ইউনিটঃ (বিজ্ঞান)7.00 আলাদাভাবে 3.25
🔰B ইউনিটঃ (মানবিক)6.00 আলাদাভাবে 2.50 (মানবিক।)
👉6.50 আলাদাভাবে 3.00 (বিজ্ঞান,ব্যবসায়।)
🔰C ইউনিটঃ (ব্যবসায়)7.50 আলাদাভাবে 3.50
🔰D ইউনিটঃ( সকল গ্রুপ )6.50 আলাদাভাবে 3.00 সব গ্রুপ
🔰B1 ( চারুকলা,সংগীত,নাট্যকলা)ঃ B ইউনিটের ন্যায়
🔰D1 ( স্পোর্টস সাইন্স) ঃ 6.50 আলাদাভাবে ২.৫০
★★
অাইন পড়তে হলে ডি ইউনিটে পজিশন ২০০ এর মধ্যে থাকতে হবে।ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ১০ মার্ক। ইংরেজি ১৫ মার্ক। IQ তে ৭ লাগবে। এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় English এ কমপক্ষে ৩.০০ থাকতে হবে।

04/08/2019

# সাজেশন! সাজেশন! সাজেশন!
গনিত নিয়ে দুঃসচিন্তা?? বাংলাদেশের যে কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রশ্ন কমনের নিশ্চয়তা।বইটির সাথে দুইটা মডেল টেস্ট ও দুইটা সলভ ক্লাস পাবে ফ্রি তে। পাওয়া যাচ্চে ওমেকার যে কোন শাখায়।

19/07/2019

ইম্পুভমেন্ট নিয়ে যত কথা-

আশাকরি এই লেখাটি পড়ার পর ইম্প্রুভমেন্ট নিয়ে আর কারো কোনো কনফিউশন থাকবে না।

আগে জানা দরকার ইম্প্রুভমেন্ট কি?
=ইমপ্রুভমেন্ট হচ্ছে রেজাল্ট ভালো করার উদ্দেশ্যে পুনরায় এইচ.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা। তার জন্য তোমাকে সবগুলো বিষয়ের উপর পুনরায় এক্সাম দিতে হবে।

ইম্প্রুভমেন্ট কারা এবং কেন দিয়ে থাকে?
=ইমপ্রুভমেন্ট সাধারণত ভাল মানের স্টুডেন্টরা দিয়ে থাকে যারা কোনো কারণে পরীক্ষায় আশানুরুপ ফলাফল করতে পারে নাই। অনেকে ভাল পড়ালেখা করেও হয়তো অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে পরীক্ষায় ভালো করতে পারো নাই।আবার অনেকে ভাল মেধা থাকা সত্ত্বেও পড়ালেখায় ফাকি দেওয়ার কারণে ভালো করতে পারো নাই। কিন্তু রেজাল্ট হাতে পাওয়ার পর বুঝতে পেরেছ যে তুমি কত বড় ভুল করেছ। এখন সেটা সংশোধনের আরেকটি সুযোগ আছে তোমার কাছে।

এখন মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে এবার যদি সিলেবাস পরিবর্তন হয় তাহলে কি আমাকে এই নতুন সিলেবাসের উপর প্রশ্ন করা হবে কিনা?
=না। তুমি যে সিলেবাসের উপর এইচ.এস.সি এক্সাম দিয়েছ এবারও তোমাকে সেই সিলেবাসের উপরেই প্রশ্ন করা হবে।তোমার সিলেবাস আর নতুন সিলেবাস যদি একই হয় তাহলে নতুন-পুরাতন সবার জন্যই একই প্রশ্ন হবে। সুতরাং তোমার দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নাই।

ইম্প্রুভমেন্ট নিয়ে অধিকাংশ মানুষের ধারণা কি?
=অধিকাংশ মানুষেরই ধারণা যে ইমপ্রুভমেন্ট দিলে নাকি কোনো উন্নতি করা সম্ভব হয় না, এদের খাতা নাকি ঠিকমত দেখা হয় না ইত্যাদি ইত্যাদি। এমন গুজবে কেউ কান দিবে না। তুমি ভালো পরীক্ষা দিলে অবশ্যই ভালো করতে পারবে।

ইম্প্রুভমেন্ট দিতে চাইলে প্রথমে করণীয় কি?
=ইমপ্রুভমেন্ট দিতে চাইলে অবশ্যই সেটা প্রথমে কলেজ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে এবং পরীক্ষার পূর্বে নতুন করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।তবে রেজিস্ট্রেশন কার্ড চেঞ্জ হবেনা (আগেরটাই থাকবে), শুধুমাত্র এডমিট কার্ড চেঞ্জ হবে।

ইম্প্রুভমেন্ট দিলে কি আমি সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারব?
=হ্যা তুমি সকল বিশ্ববিদ্যালয়েই ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারবে যদি তুমি তার যোগ্যতা অর্জন করতে পার।যেসকল ভার্সিটিতে শুধুমাত্র একবার ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ আছে তুমি সেগুলোতেও পরীক্ষা দিতে পারবে। তবে একটা কথা- শুধুমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবার ফর্ম তুল্লে পরেরবার ইম্প্রুভমেন্ট দিলেও ফর্ম তুলতে পারবে না।

ইম্প্রুভমেন্ট এর জন্য কিভাবে পড়ালেখা করা উচিত?কি কি ব্যাপারে খেয়াল রাখা উচিত? কিসব ব্যাপার এড়িয়ে চলা উচিত? (এই অংশটুকু সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়বে)
=অমুক বন্ধু মেডিকেলে চান্স পাইছে, তমুক বন্ধু বুয়েটে চান্স পাইছে, কেউ অমুক ভার্সিটিতে চান্স পাইছে, কেউ তমুক ভার্সিটিতে চান্স পাইছে ব্লা ব্লা।আশেপাশের কতজন কত ভালো ভালো যায়গায় চান্স পেয়ে গেছে। আর তুমি কিনা বাসায় বসে ঘোড়ার ঘাস কাটতেছ।মেনে নিতে পারবে তো এগুলো?

মেনে নিতে হয়তোবা অনেক কষ্ট হবে কিন্তু এটাই বাস্তব।এগুলো যদি মেনে নিতে পার তাহলেই শুধুমাত্র তোমাকে বলব যে তুমি ইম্প্রুভমেন্ট দেওয়ার জন্য উপযুক্ত।

শুধুমাত্র পড়ালেখা করে এইস.এস.সি তে ভালো রেজাল্ট করা যায়। কিন্তু শুধুমাত্র পড়ালেখা করে ইম্প্রুভমেন্ট দিয়ে ভালো রেজাল্ট করা যায় না, তার জন্য অতিরিক্ত আরেকটা জিনিস প্রয়োজন; তা হচ্ছে অনেক বেশি ধৈর্যশক্তি।

আমার মনে আছে আমি যখন ইম্প্রুভমেন্ট এর জন্য পড়ালেখা শুরু করি তখন প্রথম কয়েকমাস বাইরের জগতের সাথে একরকম নিজেকে বিচ্ছিন্নই করে রাখছিলাম।কারণ আমি জানতাম এটাই আমার শেষ চান্স।যেভাবেই হোক আমাকে আমার লক্ষ্যে পৌছাতেই হবে। নিন্দুকেরা অনেক খারাপ মন্তব্য করেছে কিন্তু সেটা কখনো গায়ে লাগায় নাই, গায়ে লাগানোর চেষ্টাও করি নাই । কারণ আমি জানতাম তাদের কথা গায়ে লাগানোটাই হবে আমার সফলতার পথে চরম বাধা। আবার ভালো করলে এই মানুষগুলোই একদিন বাহবা দিবে; তাদেরকে কাজের মাধমেই জবাবটা দিতে হবে।

নিজের ভিতর সবসময় কনফিডেন্স রাখতে হবে; তবে সেটা যেন ওভার কনফিডেন্স না হয়। আশেপাশের মানুষ অনেক কথা বলবে তোমাকে নিয়ে। সেগুলো গায়ে লাগানোর কোনো দরকার নাই।সেগুলো গায়ে লাগালে তুমি আস্তে আস্তে কনফিডেন্স হারিয়ে ফেলবে। তাদেরকে মুখে নয়, কাজের মাধ্যমে জবাব দাও।ভালো করলে ওই মানুষগুলোই বলবে," আমি জানতাম ছেলেটা অনেক ভালো করবে, অমুকের মত ছেলেই হয় না ইত্যাদি ইত্যাদি।"

সকলের উদ্দেশ্যে বলব অবশ্যই বোর্ড বইয়ের প্রাধান্য সবার আগে, তারপর টেস্ট পেপারস, গাইড বই ইত্যাদি।

লিখতে গেলে অনেক কিছুই লেখা হয়ে যাবে কিন্তু সেটা পড়ার ধৈর্য বা ইচ্ছা কোনোটাই হয়তো কারো থাকবে না। তাই সবশেষে একটা কথায় বলব- লাইফ তোমার, সিদ্ধান্ত তোমার।কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভেবে দেখ তুমি সেটার জন্য আসলেই পারফেক্ট কিনা।

শেয়ার||ম্যানশন

17/07/2019

রেজাল্ট অনুযায়ী দেখে নাও কোন কোন ভার্সিটিতে পরীক্ষা দিতে পারবা-
✅ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরিক্ষায় আবেদন করতে কত পয়েন্ট লাগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
SSC HSC total GPA(৪র্থ বিষয় সহ)Unit:
A – 3.50 3.50 8.00
B – 3.50 3.50 7.00
C – 3.50 3.50 7.50
D – 3.00 3.00 (স্ব স্ব বিভাগের জিপিএ)
E – 3.00 3.00 6.50
⭕ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়:
SSC - HSC total GPA with 4th sub:
A – 3.50 3.50 8.00
B – 3.50 3.50 7.50
C – 3.50 3.5 8.00
D—Science: 3.00 3.00 7.50
Others: 3.00 3.00 7.00
E – 3.50 3.50 6.50

⭕ সরকারী মেডিকেল কলেজ:
SSC HSC total GPA with 4th sub: 9:00

⭕ জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়:
SSC - HSC total GPA with 4th sub:
A (গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক)– 3.50 3.50
8.00(CSE=9.00)
B (সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ)– 3.50 3.50
7.00 (science=8.00)
C (কলা ও মানবিক)– 3.00 3.00
7.00 (science=7.50)
D (জীববিজ্ঞান)– 3.50 3.50 8.00
E (বিজনেস স্টাডিজ)– 3.50 3.50 7.50
(science=8.50)
F (আইন)– 3.50 3.50 7.50(science=8.00)
G (IBA)– 4.00 4.00 8.00(science=8.50)
H (IT)– 3.5 3.50 (only science=8.00)

⭕ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়:
বিজ্ঞান- ৮.৫০
বানিজ্য- ৮.০০
মানবিক- ৭.৫

⭕ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়:
SSC HSC উভয়
A – 3.00 3.00 7.00
B – 3.50 3.50 7.00
B – 3.50 3.50 7.00
E – 4.00 4.00 7.00
F – 3.00 3.00 7.00
L – 3.00 3.00 7.00
S – 3.00 3.00 7.00

⭕ চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালঃ
*বিজ্ঞান বিভাগের জন্য SSC&HSC তে সর্বনিম্ন ৩ পয়েন্ট থাকতে হবে এবং মোট GPA ৬.৫০
*মানবিক বিভাগের জন্য SSC& HSC তে সর্বনিম্ন ২.২৫ পয়েন্ট থাকতে হবে এবং মোট GPA ৫.৫
*ব্যবসায় বিভাগের জন্য - SSC& HSC টে সর্বনিম্ন ৩ পয়েন্ট থাকতে হবে এবং মোট GPA ৬.৫

⭕ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়:
with 4th sub:
SSC - ও HSC উভয়। মোট GPA
A – 3.00 7.00
B – 3.00 6.00
C – 3.00 6.50
D – 3.00 স্ব স্ব বিভাগের জিপিএ

⭕ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়:
SSC - HSC total GPA with 4th sub:
A মানবকি - 3.00 3.00 6.50
A বিজ্ঞান - 3.00 3.00 6.50
A ব্যবসায় - 3.00 3.00 6.50
B মানবকি - 3.25 3.25 7.00
B বিজ্ঞান – 3.50 3.50 7.50
B ব্যবসায় - 3.50 3.50 7.50
C মানবিক - 3.00 3.00 6.50
C বিজ্ঞান – 3.50 3.00 7.00
C ব্যবসায় - 3.00 3.00 6.50
D বিজ্ঞান – 3.50 3.50 7.50
E বিজ্ঞান– 3.50 3.50 7.50
F মানবিক - 3.00 3.00 6.50
F বিজ্ঞান – 3.50 3.50 7.50
F ব্যবসায় - 3.50 3.50 7.50

⭕ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
SSC - ও HSC total GPA with 4th sub:
A – মানবিক 3. 00 3.00 6.50
বিজ্ঞান – 3.25 3.25 7.00
ব্যবসায় – 3.25 3.25 6.75
B মানবিক – 3.00 3.00 6.50
ব্যবসায় – 3.25 3.25 6.75
C বিজ্ঞান – 3.25 3.25 7.50
D+ E+ F বিজ্ঞান শাখা 3.50 3.50 7.50
G – মানবিক ও ব্যবসায় 3.25 3.25 6.75
বিজ্ঞান শাখা 3.50 3.50 7.25
H মানবিক – 3.00 3.00 6.50
ব্যবসায়- 3.25 3.25 6.75
বিজ্ঞান- 3.25 3.25 7.00

⭕ জাতীয় কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
SSC - ও HSC উভয়টিতে
A – 3.00 মানবিক – 6.00
B – 2.50 ব্যবসায় – 6.50
C – 3.00 বিজ্ঞান – 7.00
D – 3.00 অন্যান্য – 7.50

⭕ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
SSC ও HSC total with 4th sub:
Aবিজ্ঞান - 3.00 -7.00
B মানবিক– 3.00 -6.50
C ব্যবসায়– 3.50 -7.00

⭕ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
(মানবিক: ৪র্থ সহ-৬.৫০),
(ব্যবসায়ে: ৪র্থ সহ-৬.৫০),
(বিজ্ঞান: ৪র্থ সহ ৬.৫০)

⭕ হাজী মোঃ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুরঃ
(মানবিক: ৪র্থ সহ-৬.৫০),
(ব্যবসায়ে: ৪র্থ সহ-৬.৫০),
(বিজ্ঞান: ৪র্থ সহ-৬.৫০)

⭕ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
(মানবিক: ৪র্থ বাদে-৬.০০),
(ব্যবসায়ে: ৪র্থ বাদে-৬.০০),
(বিজ্ঞান: ৪র্থ বাদে-৬.০০)

⭕ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
(বিজ্ঞান: ৪র্থ বিষয় সহ-৭.০০)

⭕ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
(মানবিক: ৪র্থবাদে-৬.০০),
(ব্যবসায়ে:৪র্থ বাদে-৬.৫০),
(বিজ্ঞান: ৪র্থ বাদে-৬.৫০)

⭕ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
(মানবিক: ৪র্থবাদে-৬.৫0),
(ব্যবসায়ে:৪র্থ বাদে-৬.৫০),
(বিজ্ঞান: ৪র্থবাদে-৬.৫০)

⭕ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়:
(মানবিক: ৪র্থবাদে-৬.৫০),
(ব্যবসায়ে:৪র্থ বাদে-৬.৫০),
(বিজ্ঞান: ৪র্থবাদে-৭.০০)

⭕ পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
এস.এস.সি ও এইচ. এস. সি পরীক্ষায় ৪র্থ বিষয় সহ নূন্যতম ৪.০০ সহ মোট নূন্যতম জিপিএ ৮.৫০ থাকতে হবে।

⭕ বুয়েট :
(নুন্যতম জিপিএ: ইংরেজি, বাংলাসহ ২৪)

⭕ খুলনা KUET:
(নুন্যতম জিপিএ: ইংরেজিসহ ১৮)

⭕ রাজশাহী RUET :
(নুন্যতম জিপিএ:ইংরেজিসহ ১৮.৫০)

⭕ চট্টগ্রামCUET :
(নুন্যতম জিপিএ:ইংরেজিসহ ১৭)

⭕ BUTex:
*HSC পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয় বাদে 4.00 এর অধিক থাকতে হবে।
*পদার্থ,রসায়ন ও গণিত বিষয়ে প্রাপ্ত পয়েন্টের যোগফল অবশ্যই ১৩ বা এর অধিক হতে হবে।
*কোন বিষয়েই 3.50 এর নিচে থাকা যাবে না।
কোনো প্রশ্ন থাকলে করতে পারো উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো৷ সাথে আছি আমি ....

রেজাল্ট খারাপ হতেই পারে....
তাই বলে স্বপ্ন দেখায় এখনই বন্ধ করে দিও না....
আজ থেকে নতুন একটা জীবন শুরু করো....
চেষ্টা করে যাও
সফল তুমি হবেই

14/07/2019

বাংলাদেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গনিত অংশের পূর্নাংগ প্রস্তুতির জন্য একমাত্র নির্ভরশীল বই 'ম্যাথ রিভিউ'এখন পাওয়া যাচ্ছে ফার্মগেট এ।
যোগাযোগঃ01517814866

28/06/2019

ভার্সিটি ক ইউনিট ভর্তির গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান প্রাইভেট ব্যাচের জন্য যোগাযোগ করুন 01835-403 270

14/06/2019

গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞানের প্রাইভেট প্রোগ্রাম,,ফ্রি ক্লাসের জন্য : Type your Name & college name & send sms to 01835403270

06/06/2019

#চান্স_না_পাওয়ার_কারন

ঢাবিতে এক্সাম দেবে লাখ লাখ স্টুডেন্ট। সবাই তো চান্স পাবে না। চান্স না পাওয়ার সম্ভাব্য কারণ বলে দিচ্ছি। চান্স না পেলে মিলিয়ে নিও। আর চান্স পেতে চাইলে এখন থেকে পরিহার করে নিও।
> ইচ্ছা না থাকা। নিজের চান্স পাওয়ার ইচ্ছা না থাকলে বাবা মা যতোই করুক, চান্স হবার না।
> একহাতে বই অন্য হাতে ফোন নিয়ে পড়া। দুইঘন্টা শুধু পড়ার পর বিশমিনিট ফোন টিপে নিও, সমস্যা নেই। কিন্তু এদিকে পড়ছো আর ওদিক ফোন টিপছো তো ব্যাস, নিজের চান্সটা নিজে নষ্ট করছো।
> বফ/গফকে বেশি প্রশ্রয় দেয়া। আমি ব্রেকাপ করে নিতে বলছি না। সময় কম দাও। চান্স না পেলে এই বফ/গফই তোমাকে পাত্তা দেবে না। পড়ার মাঝখানে দশমিনিট ফোন কথা বললা, মাথায় এর প্রভাব কিন্তু অনেকক্ষণ থেকে যায়।
> অভার কনফিডেন্স। আমি কোচিং এর সব এক্সামে ফার্স্ট হচ্ছি, আমি চান্স না পেলে কে পাবে? এই ফিলিংস নিয়ে চান্স না পাওয়ার উদাহরণ অসংখ্য।
>কম কনফিডেন্স। আমার পারছি না, আমার দ্বারা হবে না। এরকম ভাবনা থাকলে আসলেই তোমার দ্বারা কিচ্ছু হবে না।
> অন্যের সাথে তুলনা করা। কখনো কারো সাথে নিজেকে তুলনা করে সন্তুষ্ট হতে পারবা না।
>প্রিভিয়াজ কুয়েশ্চন সলভ না করা।
> পর্যাপ্ত রিভিশন না দেয়া। এডমিশনের পড়াগুলো বেশিরভাগ খুঁটিনাটি তথ্য। একবার পড়ে মনে রাখা লিজেন্ড টাইপ না হলে সম্ভব না।
> একাধিক বই শিট ফলো করা এবং কোনটাই ভালো করে ফলো না করা। এডমিশনের বই শিটগুলো সাধারণত প্রায় সেমই হয়। একটা রেগুলার ফলো করলেই হয়, অন্যগুলো সাথে রাখতে পারো।
> টাইম মেনটেন। এডমিশন এক্সামে আনসার পারার সাথেসাথে কম সময়ে আনসার করতে পারতে হবে। সারাজীবন ৩০ মিনিটে ৩০ টা এমসিকিউ দাগাইতে হিমশিম খাইছো। এখানে ৬০ মিনিটে ১০০ এমসিকিউ দাগাতে হবে।
> রেগুলার অধ্যবসায় না করা। এক্সামের আগে দশ পনেরো দিন পড়ে চান্স পাওয়ার মত এক্সাম এডমিশন না। লিজেন্ড ছাড়া এরকম আশা কেউ করো না।

আবারো বলছি। চান্স পেতে চাইলে এগুলো পরিহার করে নিতে হবে। চান্স না পাইলে কষ্ট করে মিলিয়ে নিও।
শুভকামনা!

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka