Open Love University - প্রেমিক পন্ডিত

Open Love University - প্রেমিক পন্ডিত

Share

Reader's will read all post seriously and after passing LOVE examination in real own life, he/she wo

যমুনা টিভিতে সংবাদ দেখে সেই জুটির খোঁজ নিলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় | Unique Couple 16/02/2022

যমুনা টিভিতে সংবাদ দেখে সেই জুটির খোঁজ নিলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় | Unique Couple স্ত্রীকে পিঠে নিয়ে ১৫ বছরের সংসার, বিরল ভালোবাসার এক দৃষ্টান্ত; যমুনা টিভিতে প্রতিবেদন প্রচারের পর ময়মনসিংহের সো...

05/01/2021
27/04/2019

সম্পর্ক থেকে যা চায় পুরুষরা
নারীরা মনে করেন, পুরুষরা প্রতিশ্রুতি দেওয়ার বিষয়ে ভীত থাকেন। অনেক পুরুষ অবশ্য প্রেমে জড়িয়ে সফল পরিণতি টানার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি দিতে চান না। তবে অসংখ্য পুরুষ আছেন যাদের ক্ষেত্রে এমন কথা বলাই যায় না। সম্পর্কে জড়িয়ে পুরুষরা বেশ কয়েকটি কাজ করতে ইচ্ছুক থাকেন। এ সম্পর্কে ধারণা নিন।
১. স্পর্শ ভালোবাসেন : দৈহিক অন্তরঙ্গতা পছন্দ করেন পুরুষরা। এর মানে কেবল যৌনতা নয়। এমনকি যৌন অনুভূতিহীন স্পর্শও তাদের দারুণ পছন্দের। প্রেমিকা বা স্ত্রীকে স্পর্শ করা, পেছন থেকে জড়িয়ে ধরা, চুল ও ঘাড় স্পর্শ করা ইত্যাদি কাজে ব্যাপক আগ্রহ থাকে পুরুষের। এমন স্পর্শের মাধ্যমে আসলে তারা ভালোবাসা প্রকাশ করেন।
২. যৌনতা : এ বিষয়টি উভয়ই উপভোগ করেন। তাই এ বিষয়ে আর বেশি কিছু বলার প্রয়োজন পড়ে না।
৩. আবেগের পূর্ণতা : মনে করা হয়, কেবল নারীদের আবেগই বেশি। সম্পর্কের ক্ষেত্রে পুরুষরাও আবেগগতভাবে যুক্ত হয়। একবার সব বাধা সরে গেলে দেখবেন, প্রত্যেক পুরুষ শিশুর মতো হয়ে উঠেছে। আসলে পুরুষরা তাদের আবেগ দেখাতে চান না। একবার প্রতিশ্রুতিশীল হয়ে উঠলে তাদের চেয়ে আস্থাভাজন আর কেউ হতে পারেন না।
৪. চিরস্থায়ী সম্পর্ক : একবার দুজনের মাঝে সত্যিকার প্রেমের উদয় ঘটলে মনে হবে এ সম্পর্কে চিরস্থায়ী। পুরুষরা ২৪ ঘণ্টাই তার প্রেমিকা বা স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটাতে চান। তারা এর পর থেকে আর একাকী বোধ করেন না।
৫. গোছালো হয়ে ওঠেন : ব্যাচেলর কোনো পুরুষের কক্ষে ঢুকলে কি দৃশ্য দেখা যায়? সম্পর্কে জড়ানোর পর আমূল পরিবর্তন আসে তাদের মাঝে। তারা গোছালো হয়ে ওঠেন। এলোমেলো থাকা আর তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। তারা নিজের সম্পর্কে অনেক সচেতন হয়ে ওঠেন।
৬. কারো খেয়ালে থাকতে চান : বয়স যতই হোক না কেন, প্রত্যেক পুরুষ চান কেউ তার খেয়াল রাখছেন। জীবনের যেকোনো মুহূর্তে তারা এমন কাউকে পাশে দেখতে চান যে কিনা তার খবর নেবে। এমন সঙ্গিনী পেলে কোনো সমস্যাই তাদের কাছে সমস্যা নয়।
৭. সৎ মতামত দেওয়ার কাউকে দেখতে চান : সৎ মানুষকে কে না পছন্দ করেন? সবাই করেন। পুরুষরা এমন সঙ্গিনী চান যে তার সঙ্গে সততার সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসবেন। ভালো পরামর্শ দেবেন। পোশাক থেকে শুরু করে জীবনের সব বিষয়ে তারা সঙ্গিনীর কাছ থেকে ভালো পরামর্শ আশা করেন।

27/04/2019

সুদর্শন পুরুষ কেন মানুষকে কাছে টানে?
‘গুড লুকিং’, অর্থাৎ সুদর্শন একজন পুরুষ আশেপাশের মানুষের কাছে সহজেই পছন্দনীয় হয়ে ওঠে। এমনটিই বলছেন একজন জার্মান বিশেষজ্ঞ।
তাই তিনি পুরুষদের আকর্ষণীয় হয়ে ওঠার কিছু টিপসও দিয়েছেন।
চুলের যত্ন
ভালো মানের শ্যাম্পু দিয়ে নিয়মিত চুল ধু’তে হবে। চুলে খুসকি হলে , তার উপযুক্ত বিশেষ শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। বাড়তি কোনো কিছু ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। শ্যাম্পু করার পর হেয়ার ড্রায়ারের হালকা তাপে চুল শুকিয়ে নিয়ে আচড়িয়ে ফেলুন। ব্যাস, পরিচ্ছন্ন দেখানোর বড় কাজটি কিন্তু হয়ে গেল!
চোখের ঘুম ভাঙাতে...
সকালে চোখের ফোলাভাব কমাতে চোখের ওপর ঠান্ডা চোখের জেল ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া চা পান করার পর টি-ব্যাগটি রাতে ফ্রিজে রেখে দিন। আর সকালে সেই ঠান্ডা কালো চায়ের ব্যাগটি কিছুক্ষণ চোখের আশেপাশে বুলিয়ে নিলেও ফোলাভাব কমে যাবে।
ত্বকের যত্ন
আমরা প্রথমেই তাকাই মানুষের মুখের দিকে।
আর সেজন্য ত্বকের যত্ন জরুরি। পুরুষদের ত্বক সাধারণত একটু মোটা আর তেলতেলে হয়। তাই দিনে দু’বার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিস্কার করে ফেসওয়াটার লাগিয়ে নিন। মাসে অন্তত দু’বার মুখে পিলিং বা স্ক্রাব ব্যবহার করাই যথেষ্ট।
দাড়ি ছাঁটা
আগে ‘ক্লিনশেভ’ পুরুষই ছিল সৌন্দর্যের প্রতীক। দিন পাল্টেছে। এখন তিন দিনের দাড়ি কিংবা পুরো দাড়ি রাখাটাই যেন ফ্যাশন। তাই দাড়ি রাখলে সবসময় সুন্দর করে ছেঁটে রাখুন। তা না হলে যত ফিটফাটই থাকুন না কেন, এলোমেলো লাগবে।
পারফিউম
‘‘পুরুষের শরীরের গন্ধ নাকি নারীকে ‘উত্তেজিত’ করে তোলে- এমন একটা প্রবাদ প্রচলিত থাকলেও আজকের যুগে তা অচল’’, বলেন জার্মানির মিউনিখ শহরের বিউটিশিয়ান রোজিটা বাজটেক। তিনি মনে করেন, বরং ডিওডোরেন্ট বা পারফিউম পুরুষদের শরীরের অপ্রীতিকর গন্ধকে দূরে ঠেলে দেয়। তবে সুগন্ধি ব্যবহার করলেও তা যেন অতিরিক্ত গন্ধযুক্ত না হয়, কারণ, সুগন্ধির মাধ্যমে একজন মানুষের ব্যক্তিত্বেরও খানিকটা আঁচ পাওয়া যায়।
ক্রিম
পুরুষদের ত্বকও কিন্তু শুষ্ক হতে পারে, যা মাঝে মাঝে লাল হয় বা চুলকায়। ত্বকের আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে এরকম ত্বকের জন্য ইউরিক অ্যাসিড বা দুধযুক্ত ক্রিম ব্যবহার করা উচিত। আর হ্যাঁ, পুরুষদের জন্য তৈরি ক্রিম ব্যবহার করাই ভালো। কারণ, সেগুলোতে সাধারণত মেয়েলি বা ফুলের গন্ধ কম থাকে। পুরুষকে তো মেয়েরা পুরুষের মতোই দেখতে চায়, তাই না?
আই ভ্রু
আই ভ্রু যখন এলোমেলোভাবে বেড়ে ওঠে তখন যে শুধু মেয়েদেরই দেখতে খারাপ লাগে, তা নয় কিন্তু। তাই বিউটিশিয়ানের পরামর্শ, মেয়েদের মতো অতটা নিয়মিত না হলেও, কিছুদিন পরপর আই ভ্রু ঠিকঠাক করে রাখা উচিত বলে জানান রোজিটা বাজটেক।
হাতের নখ
অনেক ছেলেই হাতের নখের একদম যত্ন নেয় না। অথচ হাতের নখ সুন্দর করে কেটে, পরিস্কার করে খানিকটা হ্যান্ড ক্রিম লাগালেই হয়ে যায়। শুধু লক্ষ্য রাখতে হবে, হাতের ত্বক যেন শুষ্ক না থাকে। আপনার সঙ্গিনী যেন হাত ধরে আবার সাথে সাথেই ছেড়ে দিতে না চায়।
পরিচ্ছন্ন থাকুন, নিজেকে সুস্থ রাখুন
দেখতে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন একজন পুরুষ শুধু অন্যদের আকর্ষণই করে না, সেই পুরুষ নিজেও তখন শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ বোধ করে।

27/04/2019

যে ৫ ধরনের পুরুষ পারফেক্ট স্বামী হতে পারে!
মহিলারা সব সময়েই বিয়ের ব্যাপার নিয়ে একটু বেশি চিন্তিত থাকেন। কারণ মহিলাদের সব সময়েই নিজের সব কিছু ছেড়ে শ্বশুরবাড়ি চলে যেতে হয়। সেখানে পরিবার যেমনই হোক না কেন স্বামী যদি ভালো না হোন কিংবা তার মন-মানসিকতা যদি ভালো না মেলে তাহলে পুরো জীবন কষ্ট করতে হয় একজন মহিলাকেই। একারণে মেয়ের অভিভাবক থেকে শুরু করে সকলেরই পরিবারের মেয়েটির স্বামী নিয়ে এক ধরণের ভীতি কাজ করে, ‘ছেলেটি আমাদের মেয়েকে সুখে রাখবে তো?’।
এক্ষেত্রে কিছু বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী দেখে নেওয়া যেতে পারে। পুরুষের মধ্যে বিশেষ কিছু গুণ থাকলে বলে দেওয়া যেতে পারে ভবিষ্যতে তিনি কেমন ধরণের স্বামী হবেন এবং তার স্ত্রীকে তিনি কীভাবে রাখতে পারবেন। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক কোন ধরণের পুরুষ হতে পারবেন একেবারে পারফেক্ট স্বামী।
১) যিনি নিতে নয় দিতে বেশি পছন্দ করেন:-
এই ধরণের পুরুষের কাছে নিজের চাইতে বেশি তার পরিবার। সবসময় পরিবারের প্রয়োজন আগে তার নজরে পড়ে। তিনি প্রথমে ভাবেন তার কথা যিনি তাকে সুখে রাখার চেষ্টায় মগ্ন রয়েছেন। এইধরনের মানুষ অনেক বেশি খোলা মনের হয়ে থাকেন। তারা কখনোই স্বার্থপর হতে পারেন না। তিনি পরিবারের প্রয়োজনকে সামনে রেখে নিজের দায়িত্ব পুরোপুরি পালন করে যেতেই পছন্দ করেন।
কেন তিনি স্বামী হিসেবে পারফেক্টঃ এই ধরণের পুরুষ স্বামী হিসেবে একেবারে পারফেক্ট। কারণ, তিনি পরিবার সুখে রাখতে জানেন এবং আপনাকে বলে দিতে হবে না আপনার কি কি প্রয়োজন, তিনি নিজেই নজর করে তা আপনার সামনে হাজির করবেন।
২) দ্রুত সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা সম্পন্ন পুরুষ:-
এই ধরণের মানুষের কাছে জীবনের যতো সমস্যাই আসুক না কেন তিনি তা পার করে যাওয়ার ক্ষমতা রাখেন। এমনকি তিনি বেশ দ্রুত সমস্যা সমাধানেও পটু থাকেন। তার সামনে কোনও সমস্যাই সমস্যা নয় শুধু সমাধান করার একটি রোডম্যাপ। তিনি অনেক শান্ত-শিষ্ট এবং ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করার মানুষ।
কেন তিনি স্বামী হিসেবে পারফেক্টঃ এই ধরণের মানুষ সবচাইতে পারফেক্ট স্বামী এই কারণে যে, আপনাদের মধ্যে কোনো সমস্যা হলে তিনি মোটেও রিঅ্যাক্ট করবেন না বরং তিনি খুব শান্তভাবে ভেবে দেখবেন সব কিছু এবং সমাধান করার চেষ্টা করবেন। এছাড়াও জীবনে যতো সমস্যাই আসুক না কেন তার আঁচ কিন্তু আপনাকে পোহাতে হবে না। কারণ তিনি নিজে থেকেই সব সমাধান করে ফেলতে পারবেন।
৩) অনেক আশাবাদী পুরুষ:-
এই ধরণের পুরুষেরা কখনোই হতাশ হন না, কোনো বিফলতাতেই নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে পড়ে থাকেন না। এমনকি যখন কেউই আর আশা রাখতে পারেন না তখনও তিনি আশার হাল ধরে রেখে জীবনে এগিয়ে চলেন। এবং তার এই হাল ধরে থাকাই তার জীবনের সবচাইতে ভালো গুণ যা তাকে প্রতিটি বিষয়ে সফলতা দিয়ে থাকে।
কেন তিনি স্বামী হিসেবে পারফেক্টঃ এইধরনের পুরুষেরা পারফেক্ট স্বামী হতে পারেন। কারণ তিনি একজন যোদ্ধা, তিনি হার মেনে নিতে জানেন না, তিনি আশাও ছাড়েন না। এইধরনের মানুষেরা অনেক বেশি আবেগিও হয়ে থাকেন। তিনি আপনার জন্য যুদ্ধও করে যেতে পারেন সারাজীবন এবং আপনার প্রতি তার আবেগও থাকবে সীমাহীন।
৪) হাসিখুশি পুরুষ:-
মন খারাপ কি জিনিস বা বোরিং লাগা কোন ব্যাপার তা এই ধরণের মানুষেরা জানেন না। তাদের কাছে জীবনটা অনেক বেশি উপভোগের ব্যাপার। প্রথম দেখায় তাদেরকে জীবন সম্পর্কে খুব বেশি চিন্তিত না মনে হলেও সত্যিকার অর্থে এরা জীবন নিয়ে অনেক বেশি চিন্তিত থাকেন। কারণ তারা জীবনটাকে নিজের মতো করে সাজিয়ে হাসিখুশি থাকতে চান কেন তিনি স্বামী হিসেবে পারফেক্টঃ এইধরনের মানুষের সাথে জীবন কাটানো অনেক বেশি আনন্দময়। আপনি কখনো কষ্টটা টের পাবেন না, তিনি শত কষ্টের মাঝেও আপনার মুখে হাসি ফোটাতে সক্ষম একজন মানুষ হবেন। তিনি আপনার মাঝে দুশ্চিন্তার ছিটে ফোটাও আসতে দেবেন না, সারাজীবন হাসিমুখে পার করে দিতে পারবেন এই ধরণের মানুষটির সাথে।
৫) দৃঢ় মানসিকতার পুরুষ:-
যতো ঝড় ঝাঁপটাই আসুক না কেন এই ধরণের পুরুষেরা একেবারেই ভেঙে পড়েন না। নিজের দৃঢ় মানসিকতা নিয়ে তিনি অনেক বেশি প্রেরণা যুগিয়ে চলেন সকলের মাঝে। অনেক বেশি খোলা মনের হয়ে থাকেন এবং সাপোর্ট দিতে পারেন তারা।
কেন তিনি স্বামী হিসেবে পারফেক্টঃ এই ধরণের পুরুষেরা পারফেক্ট স্বামী হন কারণ তারা তাদের জীবনসঙ্গিনীর প্রতি অনেক বেশি বিশ্বস্ত থাকেন। এবং সঠিক জিনিসে সাপোর্ট দিতে তারা একেবারেই পিছ পা হন না। সবসময় স্ত্রীকে প্রেরণা যুগিয়ে চলার মতোই মানুষ এই ধরণের পুরুষেরা।

21/04/2019

যে কারণে সিঙ্গেল থাকতেই বেশি পছন্দ করে ছেলেরা
অনেকে প্রতিনিয়ত মনের মতো সঙ্গীর খোঁজ করে চলেছেন। অনেকে আবার বিবাহিত জীবন সম্পর্কে বা নিছক প্রেমের সম্পর্কে থাকার ক্ষেত্রেও অনিহা প্রকাশ করেন। কেউ কেউ মনে করেন, সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে বোধ হয় জীবন তার স্বাভাবিক ছন্দ বা স্বাধীনতা হারাবে! এমনই বেশ কিছু যুক্তিতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ছেলেরা একা থাকতে পছন্দ করে। তবে এক এক জনের একা থাকার কারণ একেক রকম।
মার্কিন অধ্যাপক, মনোবিজ্ঞানী লিসা ফায়ারস্টোন জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় সমীক্ষা চালিয়ে ২০ হাজারেরও বেশি ‘সিঙ্গেল’ পুরুষের মতামত সংগ্রহ করে যে উত্তর গুলি পাওয়া যায় সেগুলিকে ৪৩টি বিভাগে ভাগ করা হয়। এই উত্তর গুলি বিশ্লেষণ করে মনোবিজ্ঞানীরা মোট ছয় কারণ জানতে পারেন। ‘ইভলিউশনারি সাইকোলজিকাল সায়েন্স’ জার্নালে প্রকাশিত হয় এই ছয় কারণ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় সমীক্ষা চালিয়ে ২০ হাজারেরও বেশি ‘সিঙ্গেল’ পুরুষের মতামত সংগ্রহ করে একা থাকতে চাওয়ার এই ছয়টি কারণ বের করেছেন মার্কিন ওই অধ্যাপক। এগুলো হলো-
১. আত্মবিশ্বাসের অভাব : পুরুষের সম্পর্কে জড়ানোর ক্ষেত্রে মূলত আত্মবিশ্বাসের অভাব বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই তারা একা থাকতে চান।
২) সম্পর্কে এগিয়ে যাওয়া : অনেকে বলেছেন, সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তারা খুব বেশি মাথা ঘামাতে চান না।
৩) সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া : অনেকে তাদের ভেঙে যাওয়া সম্পর্ককে কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন এবং তারা যে নারীদের আর বিশ্বাস করতে পারেন না, সেটাও বলেছেন।
৪) উচ্চতা, বর্ণ : সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৬৬০ জনেরও বেশি অংশগ্রহণকারীর উত্তর ছিল— তারা দেখতে ভালো নয় বলে একা থাকতে চান।
৫) ইচ্ছা : অনেকে বলেছেন, সম্পর্ক গড়তে তাদের কোনো রকম ইচ্ছেই নেই।
৬) জড়তা : সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ, অনেক পুরুষই নাকি ‘ফ্লার্ট’ করতে পারেন না। তারা খুবই ইন্ট্রোভার্ট ও লাজুক। তাই মেয়েদের সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রে জড়তা অনুভব করেন। তাই একা থাকতেই বেশি পছন্দ করেন তারা।

08/12/2017

ডেটিংয়ের খরচ কেন শুধু পুরুষ সঙ্গীর!
ভালোবাসা মানেই দুটি মনের মায়াবী ঘাত-প্রতিঘাত। তা এক মোহনায় মেলাতে, মানে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে, চিবোতে হয় নানা রকম যুক্তি-তর্ক। হাল প্রজন্মের কাছে সেই মায়া মাখা তর্কের অন্যতম সেরা স্থান হলো রেস্টুরেন্টের কোনো নিবিড় খাবার টেবিল। পিৎজার পুরে কামড় দিয়ে চার চোখের দুই চোখ হয়ে যাওয়ার মজাই আলাদা! কিন্তু ভালোবাসায় মন্দ্রিত সেই চোখেও মাঝেমধ্যে ভ্রুকুটি দেখা যায়, টেবিল ছেড়ে ওঠার সময়। খাওয়ার বিল দেবে কে? কার দেওয়া উচিত?
অনেক সময় ছেলেরাই পকেটে হাত দেয়। ‘শোভেনিজম’! এটাই নাকি ভদ্রতা। কিন্তু সব সময়, অন্তত বেশির ভাগ সময়ই পুরুষ সঙ্গী ডেটিংয়ে খরচ করছে, এটা কি নারী সঙ্গীর জন্য ভালো? নাকি মন্দ? এ নিয়ে হয়েছে বিস্তর গবেষণা।
যুক্তরাজ্যের ইন্টারনেট-কেন্দ্রিক বাজার-বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ‘ইউগোভ’ এ প্রশ্নের জবাব খুঁজেছে। তারা সর্বশেষ একটি জরিপ করেছে প্রথম দিনে ডেটে যাওয়া নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্রে করা হয়েছিল এই জরিপ। তাতে প্রশ্ন করা হয়েছিল, যদি আপনার সঙ্গী প্রথম অভিসারেই আপনাকে বিলের অর্ধেকটা খরচ দিতে বলে, আপনি কি তাতে রাগ করবেন?
৪৯ শতাংশ নারী উত্তর দিয়েছেন, তিনি রাগ করবেন। ২৫ শতাংশ নারী এই উত্তরে সম্মতি বা অসম্মতি কিছুই জানাননি। আর ২৬ শতাংশ নারী উত্তর দিয়েছেন, তাঁরা রাগ করবেন না। অর্থাৎ তাঁরা খরচের অর্ধেকটা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলে সানন্দে গ্রহণ করবেন।
অন্যদিকে এই প্রশ্নের উত্তরে ২৪ শতাংশ পুরুষ জানিয়েছেন তাঁরা রাগ করবেন। হ্যাঁ বা না কিছুই বলেননি ৩৭ শতাংশ পুরুষ। ৩৯ শতাংশ পুরুষ এই প্রশ্নের সঙ্গে একমত হতে পারেননি।
জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় অর্ধেক নারীর অভিমত থেকে উঠে এসেছে, যখন পুরুষ সঙ্গী আমাকে অভিসারে নিয়ে যাচ্ছে, আমিই তার অতিথি। আমার দেখভাল করা তারই দায়িত্ব। সব খরচের ভারও তার।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


685, Ibrahimpur(ashi Dag) Kafrul
Dhaka
1206