05/02/2021
Final Preparation for Viva-10
Viva Etiquette
Viva Voca/মৌখিক পরীক্ষাঃ
ভাইভা/মৌখিক পরীক্ষা শেষে অনেক পরীক্ষার্থীই তাকে কতটি প্রশ্ন করা হয়েছে, এর মধ্যে তিনি কতটি সঠিক উত্তর প্রদান করতে পেরেছেন তা বিশ্লেষণ করে পুরো মৌখিক পরীক্ষাটিকে মূল্যায়ন করার চেষ্টা করেন। যিনি বেশি সঠিক উত্তর দিতে পেরেছেন তিনি মনে করেন তার ভাইভা ভালো হয়েছে। এভাবে একটি মৌখিক পরীক্ষার আংশিক মূল্যায়ন করা সম্ভব, কিন্তু প্রকৃত মূল্যায়ন করা সম্ভব হয় না। কারণ, মৌখিক পরীক্ষা কোন ‘কুইজ প্রতিযোগিতা’ নয় যেখানে সঠিক উত্তরে নম্বর পাওয়া যায় আর ভুল উত্তরে নম্বর কাটা যায়। মৌখিক পরীক্ষা কী, এটি ’ভাইভা’ শব্দের অর্থের দিকে তাকালে ধারণা লাভ করা যায়। ’Viva’ শব্দের বিশেষণ ‘Vivacious’ যার অর্থ প্রাণবন্ত, আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বসম্পন্ন হওয়া বা উপস্থাপন করা (Having or showing a lively attractive personality)। মূলতঃ মৌখিক পরীক্ষার সময়ে একজন পরীক্ষার্থীর নিম্নলিখত দিকগুলো দেখা হয়ঃ
• ব্যক্তিত্ব
• বাচনভঙ্গি
• জ্ঞান
• চলাফেরা
• উপস্থিত বুদ্ধি
• আচার-আচরণ
• আত্মবিশ্বাস
• দৃঢ়তা
• বিনয়
• সার্বিক যোগ্যতা
• সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা ইত্যাদি।
পরীক্ষার পূর্বেঃ
মৌখিক পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রবেশের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত সময়ের প্রস্তুতিকে দু’ভাগে ভাগ করে আলোচনা করা যায়। যথাঃ
১. আনুসঙ্গিক প্রস্তুতিঃ
ক. পরীক্ষার আগের দিনেই বোর্ডে উপস্থাপন করতে হবে এমন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যেমন- প্রবেশপত্র, সনদের মূলকপি, পুরণকৃত ফর্ম ইত্যাদি গুছিয়ে ফাইলে সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখতে হবে।
খ. পোশাক নিয়ে অনেকেই অনেক দুঃশ্চিন্তায় থাকেন। ছেলে হলে চিন্তা করেন স্যুট পরবেন কী-না, কী রং এর টাই, কী রং-এর শার্ট পরবেন, নাকি টাই পরবেন না, মেয়ে হলে শাড়ী না সালোয়ার কামিজ ইত্যাদি। এসব ক্ষেত্রে কোন ধরাবাঁধা নিয়ম নেই। তবে- পোশাক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও মানানসহ হতে হবে (নতুন পোশাক হতে হবে এমন কোন কথা নেই)। খুব বেশি রঙিন বা কুরুচিসম্পন্ন পোশাক গ্রহণীয় নয়। নিচের ব্যক্তিত্বকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে মানানসই ও রুচিসম্পন্ন পোশাক পরিধান করা আবশ্যক।
গ. মৌখিক পরীক্ষার পূর্বে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বেশি প্রয়োজন।এজন্য শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিতকল্পে সচেষ্ট থাকা প্রয়োজন।
ঘ. ঢাক শহর যানজটের শহর। তীব্র যানজটের কথা মাথায় রেখেই পরীক্ষার্থীদেরকে যথেষ্ট সময় হাতে নিয়ে পরীক্ষার দিন পরীক্ষাকেন্দ্রর উদ্দেশ্যে বের হতে হবে, যেন সময়ের কারণে কোন বাড়তি চাপে পড়তে না হয়।
ঙ. পুরুষ পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে চুল-দাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা আবশ্যক। অপরপক্ষে মেয়েদের টকটকে লিপস্টিক অতিরিক্ত মেক-আপ প্রভৃতি বর্জন করা উচিত। পরীক্ষার দিন অবশ্যই নাস্তার পর দাঁত ব্রাশ করা উচিত যেন অপরিষ্কার দাঁত বোর্ডে প্রদর্শিত না হয়।
২. পড়াশোনঃ নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর উত্তর ভালাভাবে প্রস্তুত কর রাখতে হবেঃ
* কেন আপনি এ চাকরি করতে চান?
* আপনাকে কেন কর্তৃপক্ষ চাকরি প্রদান করবে ? অন্য প্রার্থীদের চেয়ে আপনার শ্রেষ্ঠত্ব কী?
* বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কে মৌলিক তথ্য।
* নিজ জেলা ও উপজেলার যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
* নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য।
* নিজ বিষয় (স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাঠ্য বিষয়)।
* নিজ চাকুরি (চাকুরিরত হলে)
* হবি কী? কেন?
* সহপাঠ্যক্রমিক যোগ্যতা।
* পঠিত দেশি-বিদেশি বই/সাহিত্য/সাহিত্যিক।
* সাম্প্রতিক তথ্য (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক)।
* গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও বছর।
পরীক্ষার কক্ষেঃ
পরীক্ষার কক্ষে ভালো করার অন্যতম বড় সমস্যা হলো আত্মবিশ্বাস এর স্থলে নার্ভাসনেস। এ সমস্যা সমাধানের সবচেড়ে বড় উপায় হলো নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস প্রতিষ্ঠা ও সাবলীলভাবে মৌখিক পরীক্ষা শেষ করা।
তিনটি সহজ চিন্তা থেকে সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।
১. যদি আপনি মনে করেন যে,”একজন পরীক্ষার্থী হিসেবে আমি আমর প্রস্তুতি সম্পন করেছি, বোর্ডে যা জিজ্ঞাসা করবে তা পারব ইনশা-আল্লাহ্।” উল্লেখ্য , বোর্ডে একজন পরীক্ষার্থী সব উত্তর পারবেন এমনটি আশা করা ঠিক নয় এবং এর প্রয়োজনও নেই।
২. বোর্ডে প্রবেশ করার পূর্বে একজন যদি আগেই ভেবে বসেন, “ইস, এই চাকরি না হলে আমার সবকিছু শেষ!” তাহলে এই মানসিক চাপ তার মৌখিক পরীক্ষা খারাপ হওয়ার জন্য যথেষ্ট। এটা ভাবলেই ভালো- ” It’s not a life & death question”. অথবা “আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যই করেন”। কিংবা ”পৃথিবীতে এই চাকরি ব্যতীত অন্য কোন উত্তম জীবিকা নেই”-এটি ভুল। এ জাতীয় নেতিবাচক চিন্তা ঐ বিশেষ মুহূর্তের জন্য ক্ষতিকর।
৩. বোর্ডে কে আছেন? তারা তো অনেক জানেন। এ ধরণের চিন্তা নার্ভাসনেস তৈরিতে অত্যন্ত সহায়ক। প্রকৃতপক্ষে, বোর্ডে যারা থাকেন তারা নিঃসন্দেহে বিজ্ঞ কিন্তু ভয়ংকর কোন জীব নয়। পরীক্ষার্থী যদি ঐ মুহূর্তে মনে মনে পোষণ করেন যে, ”যে যত বেশি তরুণ, সে তত বেশি আপডেটেড, তত বেশি তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর এবং তত বেশি যুগের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।” এ চিন্তা তাদের নিজেদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করবে।
ক. সালাম প্রসঙ্গঃ মৌখিব পরীক্ষা বোর্ডে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় অবশ্যই সালাম দিতে হবে। সালাম দিয়ে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করেতে হবে। বসতে বললে বসে, না বসতে বললে খানিকক্ষণ অপেক্ষা করে বসার অনুমতি নিয়ে বসে অবশ্যই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে হবে।অনেক সময় পরীক্ষকগণ থেকে একটু দূরে একটি চেয়ারে পরীক্ষার্থীকে বসতে দেয়া হয়। এক্ষেত্রে বোর্ড তাকে পা থেকে মাথা পর্যন্ত দেখেতে পান। ুসুতরাং বসার ভঙ্গি, কথা বলার সময় হাত-পা নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত সুন্দর হওয়া প্রয়োজন। একইভাবে প্রবেশের পর দরজা চাপিয়ে দিয়ে এগিয়ে আসা, বের হওয়ার পূর্বে বোর্ডের সামনে ইউ-টার্ন (পশ্চাৎদেশ প্রদর্শন) না করে কিছুটা পিছিয়ে তারপর ঘুরে দরজা চাপিয়ে বের হওয়া প্রভৃতি অত্যন্ত জরুরি।
খ. শব্দ শব্দ খেলাঃ যে কোন মৌখিক পরীক্ষায় যারা অনেক ভালো করেন তাদের কাছে ভাইভা মানে ‘শব্দ শব্দ খেলা’। এসব মানুষ আগে থেকেই মৌখিক পরীক্ষার প্রশ্নগুলো জানতে পারেন।অথচ এটি খুব কঠিন কাজ নয়। আপনি কিছু বিষয় ভালো করে জেনে নিন। এবার বোর্ডে আপনাকে যে প্রশ্নগুলো করছে তার উত্তর প্রদানের সময় উত্তরের ভেতর আপনার জানা বিষয়গুলো যোগ দিয়ে উত্তর দিন। দেখবেন পরবর্তী প্রশ্নগুলো আপনার বাছাইকৃত শব্দ থেকেই আসছে। পরীক্ষা শেষে আপনার মনে হবে ইটস অ্যা গেইম এবং আপনি জিতেছেন।
গ. ভাষা ও উচ্চারণঃ বাংলাতে প্রশ্ন করা হলে বাংলায়, ইংরেজিতে প্রশ্ন করা হলে ইংরেজিতে উত্তর দিতে হবে।অনেক সময় বাংলায় প্রশ্ন করে বলা হয় ইংরেজিতে উত্তর দিন। এক্ষেত্রে ইংরেজিতে উত্তর দিতে হবে। বাংলা এবং ইংরেজি যে ভাষাতেই উত্তর দেয়া হোক না কেন উচ্চারণ হতে হবে সাবলীল। ইংরেজি বলার সময় জোর করে বৃটিশ বা আমেরিকান সাজতে হবে এমনটি নয়। আবার বাংলা বলার সময় নাটকীয়তা বা আবৃত্তির ঢং লাগবে এমনিটিও নয়। তবে উচ্চারণ হতে হবে সঠিক। অনেক সময় একটি ভুল উচ্চারণ বোর্ড সদস্যদের কর্ণপীড়ার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
উদাহরণঃ একজন পরীক্ষার্থী ‘এবং’ এর উচ্চারণ করলেন ‘অ্যাবং’।’ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়’ এর উচ্চারণ করলেন ‘ডাকা বিশ্ববিদ্যালয়’। ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’-এর উচ্চারণ করলেন ‘বঙ্গবন্দু শ্যাক মুজিবুর রহমান’।
ঘ. জানা-অজানা ও সময় ক্ষেপণঃ কোন প্রশ্ন উত্তর জানা না থাকা কোন অপরাধ বা অসামর্থ নয়।বরং উত্তর না জানা থাকা সত্ত্বেও জানার ভান করা, মনে করার চেষ্টা করে সময় নষ্ট করা একজন পরীক্ষার্থীরে বিরাট অযোগ্যতা। উত্তর জানা না থাকলে খুব সহজভাবে জানিয়ে দিতে হবে “স্যরি স্যার; উত্তরটি আমার জানা নেই।”
অন্যদিকে জানা উত্তরটি এমনভাবে প্রদান করা যাবে না যেখাখে প্রমাণিত হয় আপনি আপনান পাণ্ডিত্য জাহির করছেন। বোর্ডের সদস্যদের সাথে কোন বিষয়ে তর্কে জড়ানো যাবে না বা চ্যালেঞ্জ করা উচিত হবে না। বরং আপনি উত্তরটি সোর্সসহ বলে দিতে পারেন এভাবে যে,” ….. আমি যতটুকু জানতে পেরেছে তা হলো……..” অথবা, বলা যায় ”স্যার, আমার মতে বিষয়টি…..”। তর্ক করার ফল ভালো হয় না তার একটি উদাহরণ লক্ষ্য করুন-
একজন পরীক্ষার্থীকে একটি প্রশ্ন করা হলে তিনি সঠিক উত্তর দিলেন। বোর্ড তার উত্তরটির বিপরীতে আরেকটি উত্তর সঠিক বলে উল্লেখ করলে উক্ত পরীক্ষার্থী বলেন, ”স্যার, ইন্টারনেটের ব্যবস্থা থাকলে আমি আপনাদেরকে প্রমাণ করিয়ে দিতে পারতাম যে আমিই সঠিক বলেছি”। এ ধরনের চ্যালেঞ্জ একজন পরীক্ষার্থীর জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।
ঙ. আত্মনিয়ন্ত্রণঃ পরীক্ষার্থীদের অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় ধৈর্যের সাথে মৌখিক পরীক্ষা মোকাবেলা করতে হবে। প্রশ্নকর্তার প্রশ্ন ভালোভাবে শুনে শান্তভাবে মার্জিতভঙ্গিতে আত্মবিশ্বাসের সাথে উত্তর দিতে হবে। উত্তর হবে হবে যথাযথ, চমকপ্রদ ও চিত্তাকর্ষক। রাগ-ভয় নিয়ন্ত্রণ করে সুস্পষ্টভাবে উত্তর দিতে হবে । দু’একটি ক্ষেত্রে দেখা যায় বোর্ড পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে রাগ প্রদর্শন করছেন কিংবা অপমানের চেষ্টা করছেন। এটিও পরীক্ষার অংশ। এটিতে নিয়ন্ত্রণ করলেই জয়। নিচের উদাহরণটি লক্ষ্য করুন-
উদাহরণঃ একজন পরীক্ষার্থী মাদ্রাসা থেকে পড়ালেখা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা সম্পন্ন করে বিসিএস-এর মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে গেলে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো-”বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থানে মাদ্রাসার অবদান কী?’’ তিনি তার উত্তরে ঢালাওভাবে মাদ্রাসাকে দায়ী না করে সার্বিক বিশ্লেষণ করলে বোর্ড মনে করছেন যে তিনি মাদ্রাসা যে দায়ী সেটি এড়িয়ে যাচ্ছেন। তার উত্তরে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে বোর্ড থেকে বের করে দিলেন। তিনি বিনয়ের সাথে কেন্দ্র ত্যাগ করলেন। মজার ব্যাপার হলো উল্লিখিত পরীক্ষার্থী চাকুরি পাওয়ার আশা ছেড়ে দিলেও আত্মনিয়ন্ত্রণের গুণের কারণে তিনি চাকুরি পেয়েছিলেন।
উপস্থিত বুদ্ধিঃ অনেক উত্তর জানা না থাকলেও উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে তা উত্তরণ করা সম্ভব। উপস্থিত বুদ্ধির প্রয়োগ তাকে বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে এবং নিজের উপস্থিত বুদ্ধির স্বাক্ষর রাখতে পারেন।
উদাহরণঃ বিসিএস ভাইভায় একজনকে বলা হলো দেশের খাদ্য উৎপাদনের পরিমাণ কত? উত্তরদাতা বললেন, “স্যরি স্যার”। বোর্ড থেকে বলা হলো দেশের খাদ্যের ঘাটতি ঘটলে জরুরিভাবে বিদেশ থেকে খাদ্যের ব্যবস্থা করবেন কী করে, আপনার কাছে তো তথ্য নেই। আপনি প্রথম পছন্দ দিয়েছেন পররাষ্ট্র, আপনার মত কূটনীতিক থাকলে তো দেশের মানুষ না খেয়ে মরবে। উত্তরদাতা বললেন,”স্যার, আলোচনায় বসার আগে খাদ্য বিভাগ থেকে সর্বশেষ মজুদের তথ্য নিয়ে আলোচনায় বসব যেন সঠিক পরিমাণ খাদ্যের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়।এখানে উত্তরদাতা সঠিক উত্তর জানেন না কিন্তু উপস্থিত ুবুদ্ধি দিয়ে তা কাটানোর চেষ্টা করছেন।
চ. বক্তব্য অটলঃ পরীক্ষার্থীদের সঠিক উত্তরের বি পরীতে অনেক ক্ষেত্রেই কনফিউশন সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়। বোর্ড থেকে বলা হয় এটা না ওটা, আর ইউ সিউর? এ ধরনের অবস্থায় নিজের উত্তর নিশ্চিত জানা থাকলে বিনয়ের সাথে জানানো উচিত- ‘স্যার, আমার জানা মতে এটি সঠিক’।
ছ. চোখের ভাষা-মুখের ভাষাঃ প্রশ্নকর্তার দিকে তাকয়ে (আই কন্টাক্ট) ঠিক রেখে কথা বলুন। গম্ভীর হয়ে থাকবেন না, আবার কথায় কথায় দাঁতও বের করবেন না। তবে হাসিমাখা মুখি কথা বলার চেষ্টা করুন। প্রফুল্ল চিত্তের লোককে সবাই পছন্দ করে।
জ. সরল সত্যঃ পরীক্ষা হলে সরলভাবে সত্য বলুন। সত্য কথার সহজ সরল প্রকাশ বোর্ডের কাছে আপনার ব্যক্তিত্বকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করবে। অনেকক্ষেত্রেই সরলতা বর্জিত ভাল উত্তরও মানসম্পন্ন হয় না, আবার সহজ সরল স্বাভাবিক উত্তরে বোর্ড অনেক খুশি হয় এই ভেবে যে, পরীক্ষার্থী স্বাভাবিকভাবে সরল মনে সব কথা খুলে বলেছে।
ঝ. মুদ্রা দোষঃ কিছু কিছু লোকের কোন কোন বিষয়ে বদ অভ্যাস থাকে। যেমন- চেয়ারে বসে পা নাচানো, কথা বলা সময় মাথায় হাত বোলানো, বার বার জিভ দিয়ে ঠোঁট ভিজানো, জিহ্বা বের করা, কথা বলার ক্ষেত্রে কিছু শব্দ বার বার অহেতুক ব্যবহার করা প্রভৃতি। এগুলোকে মুদ্রাদোষ বলে।মুদ্রাদোষ অবশ্যই বর্জনীয়।বুঝলেন স্যার, বিষয়টা হলো, মানে মানে, বুঝলেন কী, মনে করেন, সাপোজ, কথা হলো গিয়ে,তারপর আপনার ইত্যাদি বর্জন করবেন।
Best of luck.