কোরআনে ঘোষিত বিজয় দিবসের তিন কর্মসূচি (৩৬ জুলাই, ৫ আগস্ট):
১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের জন্য গৌরবময় একটি দিন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় লাভ করে স্বাধীন-স্বকীয় জাতি হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ ঘটে।
৩৬ জুলাই (৫ আগস্ট), বাঙালি জাতির জীবনে আরেকটি বিজয়ের দিন। আওয়ামী বাকশালী দু:শাসনের দীর্ঘ ১৫ বছরে যখন আপামর জনতার নাভিশ্বাস উঠছে; দুর্নীতি, লুটপাট, জুলুম নির্যাতনের স্টীম রোলারে যখন জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে, ঠিক তখন মহান আল্লাহ্ ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এই জালিমশাহীর পতন ঘটায়। মানুষের বহু দিনের কাঙ্খিত স্বপ্নটি অবশেষে বাস্তবে প্রতিফলিত হলো। আলহামদুলিল্লাহ্!
প্রায় পাঁচশ’রও অধিক প্রাণ (বীর শহীদ) আর হাজার হাজার হতাহতের (এত অল্প সময়ে বাংলাদেশ তো বটেই গোটা উপমহাদেশের ১০০ বছরের ইতিহাসেও যার দৃষ্টান্ত খুঁজে পাওয়া বিরল) মাধ্যমে অর্জন আমাদের মহান বিজয়। গৌরবদীপ্ত ও দুর্বিনীত সাহসী জাতি হিসেবে আমাদের কাছে ৩৬ জুলােই (৫ আগস্ট) আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন হিসেবে ইতিহাসের পাতায় অম্লান হয়ে থাকবে।
আজকের নিবন্ধে ইসলামের দৃষ্টিতে বিজয় দিবস উদযাপন নিয়ে আলোকপাত করা হল।
পবিত্র কোরআন কারিমে দু’টি সুরায় বিজয় দিবসের কর্মসূচি বর্ণনা করা হয়েছে। সূরাদ্বয়ের একটির নাম সুরা ফাতাহ, অপরটির নাম সুরা নাসর। ‘ফাতাহ’ অর্থ বিজয়, আর ‘নাছর’ অর্থ মুক্তি বা সাহায্য।
দেশ-স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার আন্দোলন করতে গিয়ে দেশ ও মাটির গাদ্দারদের বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশ দখলমুক্ত করার নাম বিজয়। আর বিজয় অর্জনের পেছনে অলৌকিক শক্তির নাম হচ্ছে নাসর বা সাহায্য। বিজয় অর্জন হলে কি করতে হবে তা সুরা নাসর থেকে বুঝার চেষ্টা করি।
মহান রাব্বুল আলামিন সুরা নাছরের প্রথম আয়াতে এরশাদ করেন,‘যখন তোমাদের বিজয় আসবে, আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য আসবে, তখন দেখবে, দলে দলে মানুষ ইসলাম ধর্মে প্রবিষ্ট হচ্ছে’।
মহান রাব্বুল আলামিন তিনটি কর্মসুচি এই সুরায় ঘোষণা করেছেন। সেগুলো হল:
১.ফাসাব্বিহ, (আল্লাহর তাসবিহ পাঠ তথা পবিত্রতা বর্ণনা করা) পাঠ করা। ২. বিহামদী রাব্বিক, (আল্লাহর হামদ তথা শুকরিয়া) আদায় করা।
৩. ওয়াসতাগফীর, (যুদ্ধের সময় ভুলভ্রান্তি তথা সীমালংঘন থেকে রবের কাছে ক্ষমা চাওয়া) প্রার্থনা করা।
স্বাধীনতা এবং বিজয় একমাত্র মহান করুণাময় আল্লাহ তায়ালারই দান। আল্লাহ তায়াআলার অশেষ করুণার বদৌলতেই আমরা আজকের এই বিজয় অর্জন করতে পেরেছি। তাই শুকরিয়াও করতে হবে তারই।
অতএব তিনটি কর্মসুচি পালনের মাধ্যমেই আমাদেরকে বিজয়ের আনন্দ করতে হবে। বিজয়ের দিন মহান রবের কাছে সেজদাবনত হয়ে লুটিয়ে পড়ে শুকরিয়া আদায় করা নৈতিক ও ঈমানি দায়িত্ব। বিজয়ের দিন শুকরিয়া নামাজ পড়া নবীজীর সুন্নাত।
ইতিহাস থেকে জানা যায় নবী (সা.) দশ বছর পর বিজয়েরবেশে সহস্র সাহাবায়ে কেরামকে নিয়ে যখন মক্কা নগরীতে প্রবেশ করলেন, তখন তিনি চেহারা নিম্নগামী অবস্থায় একটি উটের ওপর বসা ছিলেন। প্রথমে হযরত উম্মে হানীন (রা.) ঘরে প্রবেশ করে আট রাকাত নামাজ আদায় করলেন। সেই নামাজকে সালাতুল ফাতহ বা বিজয়ের নামাজ বলা হয়। এ ছিলো নবীযুগের কথা।
বি. দ্র: অতি উৎসাহী যারা সরকারি বিভিন্ন স্থাপনা ও পরাজিতদের উপর হামলে পরছেন, প্লিজ আপনারা এসব হীন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকুন। আপনারাও জালেমদের অন্তর্ভু্ক্ত হইয়েন না, প্লিজ।
তথ্যসূত্র: যুগান্তর
BCS Study Room
Education Consultation
03/08/2024
02/08/2021
বাংলা ব্যাকরণঃ ২য় অনুচ্ছেদ বাংলা ভাষার ব্যাকরণঃ নবম-দশম শ্রেণিঃ ২য় অনুচ্ছেদঃ বাংলা ব্যাকরণ
01/08/2021
বাংলা ব্যাকরণঃ ভাষা ও বাংলা ভাষা বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি১ম পরিচ্ছেদভাষা ও বাংলা ভাষাঅনুশীলনী সমাধান
01/08/2021
৪১তম বিসিএসের প্রিলির ফল প্রকাশ প্রকাশ করা হয়েছে ৪১তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল। রবিবার (১ আগস্ট) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প...
বাংলা ব্যাকরণঃ বাগধারা- অনুশীলনী সমাধান
বাংলা ব্যাকরণঃ বাক্যের অংশ ও শ্রেণিবিভাগ- অনুশীলনী প্রাকটিস
৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতি-১
আন্তর্জাতিক – প্রাচীন সভ্যতা
মেসোপটেমিয়া সভ্যতাঃ বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতা মেসোপটেমিয়া। আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ অব্দে ইরাকে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর উর্বর তীরাঞ্চলে মেসোপটেমীয় সভ্যতার বিকাশ ঘটে। এদের ভিন্ন ভিন্ন নাম থাকলেও একই ভুখণ্ডে গড়ে উঠায় একত্রিতভাবে এ সভ্যতাসমূহকে বলা হয় মেসোপটেমীয় সভ্যতা। ‘মেসোপটেমিয়া’ একটি গ্রিক শব্দ। এর অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি। আধুনিক তুরষ্ক, সিরিয়া, ইরান, ইরাক ও কুয়েত রাষ্ট্রগুলো প্রাচীন এই সভ্যতার অংশ ছিল। তবে বেশিরভাগ বর্তমানে ইরাকে অবস্থিত। মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, অ্যাসেরীয় সভ্যতা ও ক্যালডীয় সভ্যতা।
সুমেরীয় সভ্যতাঃ মেসোপটেমীয়ার সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা গড়ে তুলেছিল সুমেরীয়গণ। সুমেরীদের আদিবাস ছিল এলামের পাহাড়ি অঞ্চলে। খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে এদের একটি শাখা মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণে বসতি গড়ে তোলে। সুমেরীদের আয়ের মূল উৎস ছিল কৃষি। তারা উন্নত সেচব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। সুমেরীয়গণ ‘কিউনিফর্ম’ নামে একটি নতুন লিপির উদ্ভাবন করে। কিউনিফর্মকে বলা হয় অক্ষরভিত্তিক বর্ণলিপি (লেটার বেইজড এ্যালফাবেট)। সুমেরীদের বর্ণমালার কোন কোনটি দেখতে ইংরেজি বর্ণমালার ‘V’ এর মত। জলঘড়ি ও চন্দ্রপঞ্জিকার আবিষ্কার সুমেরীয়দের গুরুত্বপূর্ণ অবদান। সভ্যতায় সুমেরীয়দের সবচেয়ে বড় অবদান ‘চাকা (হুইল)’ আবিষ্কার।
ব্যাবিলনীয় সভ্যতাঃ সিরিয়ার মরুভূমি অঞ্চলের অ্যামেরাইট জাতি আনুমানিক ২০৫০ খিস্টপূর্বাব্দে মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে একটি নগর সভ্যতা গড়ে তোলে। ব্যাবিলনীয় সভ্যতার স্থপতি ছিলেন বিখ্যাত অ্যামেরাইট নেতা হাম্বুরাবি। পৃথিবীতে প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয় ব্যাবিলনে। প্রথম লিখিত আইন প্রণেতা ছিলেন ব্যাবিলনীয় সভ্যতার স্থপতি হাম্মুরাবি। এই সভ্যতায় আইন সংক্রান্ত ‘হাম্বুরাবি কোড’ প্রণীত হয়েছিল।সুমেরীয়দের অনুকরণে ব্যাবিলনীয়রা সাহিত্য রচনা করে। কিউনিফর্ম লিপিতে লেখা হয় বিখ্যাত মহাকাব্য ‘গিলগামেশ’। পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্র পাওয়া যায় ব্যাবিলনের উত্তরের গাথু শহরের ধ্বাংসাবশেষ। এটি ছিল ভ্রমণকারীদের পথ নির্দেশ করার জন্য সহজ ও সরল প্রকারের মানচিত্র।
অ্যাসেরীয় সভ্যতাঃ ব্যাবিলন থেকে প্রায় দুইশত মাইল উত্তরে টাইগ্রিস নদীর তীরে ‘আশুর’ নামে একটি সমৃদ্ধ শহর গড়ে উঠে। অ্যাসেরীয় সম্রাট নিজেকে মনে করতেন সূর্যদেবতা শামসেরুর প্রতিনিধি। ইতিহাসে অ্যাসেরিয়ার পরিচয় সামরিক রাষ্ট্র হিসেবে। তারাই প্রথম লোহার অস্ত্রে সজ্জিত বাহিনী গঠন করে এবং যুদ্ধরথের ব্যবহার করে। অ্যাসেরীয়রা বৃত্তকে প্রথম ৩৬০ ডিগ্রিতে ভাগ করে। পৃথিবীকে তারা প্রথম অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেছিল।
ক্যালেডীয় সভ্যতাঃ ব্যাবিলন শহরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠায় ক্যালডীয় সভ্যতা ইতিহাসে ‘নতুন ব্যাবিলনীয় সভ্যতা’ নামেও পরিচিত। ক্যালডীয় সভ্যতার স্থপতি ছিলেন সম্রাট নেবুচাদনেজার। ‘ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান’ নির্মাণের জন্য তিনি অমর হয়ে আছেন। সম্রাট নেবুচাদনেজারের সম্রাজ্ঞী বাগান খুব পছন্দ করতেন। তারই উৎসাহে সম্রাট নগর দেওয়ালের উপর আশ্চর্য সুন্দর এক বাগান করলেন। ইতিহাসে যা ‘ঝুলন্ত উদ্যান’ নামে পরিচিত।
’ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান’ প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চার্জের একটি। ক্যালডেরীয়রাই প্রথম সপ্তাহকে ৭ দিনে বিভক্ত করে। আবার প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘণ্টায় ভাগ করার পদ্ধতি বের করে। ক্যালডেরীয়রাই ১২টি নক্ষত্রপুঞ্জের সন্ধান পান। তা থেকে ১২টি রাশিচক্রের সৃষ্টি হয়।
লার্নিং আউটকামস্ঃ
১. বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা কোথায় গড়ে উঠেছিল?
উঃ মেসোপটেমিয়া।
২. বিশ্বের প্রাচীন সভ্যতার দেশ কোনটি?
উঃ মেসোপটেমিয়া।
৩. কোনটি সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা?-মিশরীয়/গ্রিক/চৈনিক/পারস্য
উঃ মিশরীয়।
৪. কোন সভ্যতা সবচাইতে প্রাচীন?-মেসোপটেমীয়/মিশরীয়/চৈনিক/পারসিক
উঃ মেসোপটেমীয়।
৫. The earliest civilization was flourished in- Babylon/Sumeri/China/Egypt
Ans: Sumeria.
৬. ’মেসোপটেমিয়া’ এলাকার বেশির ভাগ বর্তমান কোন দেশে?
উঃ ইরাক।
৭. সেচ নির্ভর প্রাচীন সভ্যতা কোনটি?
উঃ মেসোপটেমীয়।
৮. সুমেরীয় সভ্যতা কোথায় গড়ে উঠেছিল?
উঃ মেসোপটেমিয়ায়।
৯. কোন সভ্যতায় প্রথম ‘চাকা’ এর ব্যবহার প্রচলন হয়?
উঃ সুমেরীয়।
১০. ইতিহাসের প্রথম লিখিত আইন প্রণেতা কে?
উঃ হাম্বুরাবি।
১১. পৃথিবীর কোথায় প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয়?
উঃ ব্যাবিলন।
১২. কোন প্রাচীন সভ্যতায় ‘হাম্বুরাবির আইন’ প্রচতিলত হয়েছিল?
উঃ মেসোপটেমীয়।
১৩. আইন সংক্রান্ত হাম্বুরাবি কোন সভ্যতার সময়ে প্রণীত হয়েছিল?
উঃ ব্যাবিলনীয় সভ্যতা।
১৪. ‘ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান’ কোন দেশে অবস্থিত?
উঃ ইরাক।
১৫. ’ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান’ কে গড়ে তুলেছিল?
উঃ নেবুচাঁদ নেজার।
১৬. পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্র পাওয়া যায় কোথায়?
উঃ ব্যাবিলনের উত্তরের গাথুর শহরের ধ্বংসাবশেষে।
১৭. নিম্নের কোন সভ্যতায় প্রতিদিন ১২ জোড়া ঘণ্টায় বিভক্ত করা হয়?
উঃ ক্যালডীয়।
১৮. কারা সপ্তাহের সাত দিনকে বিভক্ত করে?
উঃ ক্যালডিয়।
১৯. আধুনিক তুরস্ক, সিরিয়া, ইরান, ইরাক ও কুয়েত- এই রাষ্ট্রগেুলো প্রাচীন কোন সভ্যতার অংশ?
উঃ মেসোপটেমীয় সভ্যতা।
Final Preparation for Viva-10
Viva Etiquette
Viva Voca/মৌখিক পরীক্ষাঃ
ভাইভা/মৌখিক পরীক্ষা শেষে অনেক পরীক্ষার্থীই তাকে কতটি প্রশ্ন করা হয়েছে, এর মধ্যে তিনি কতটি সঠিক উত্তর প্রদান করতে পেরেছেন তা বিশ্লেষণ করে পুরো মৌখিক পরীক্ষাটিকে মূল্যায়ন করার চেষ্টা করেন। যিনি বেশি সঠিক উত্তর দিতে পেরেছেন তিনি মনে করেন তার ভাইভা ভালো হয়েছে। এভাবে একটি মৌখিক পরীক্ষার আংশিক মূল্যায়ন করা সম্ভব, কিন্তু প্রকৃত মূল্যায়ন করা সম্ভব হয় না। কারণ, মৌখিক পরীক্ষা কোন ‘কুইজ প্রতিযোগিতা’ নয় যেখানে সঠিক উত্তরে নম্বর পাওয়া যায় আর ভুল উত্তরে নম্বর কাটা যায়। মৌখিক পরীক্ষা কী, এটি ’ভাইভা’ শব্দের অর্থের দিকে তাকালে ধারণা লাভ করা যায়। ’Viva’ শব্দের বিশেষণ ‘Vivacious’ যার অর্থ প্রাণবন্ত, আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বসম্পন্ন হওয়া বা উপস্থাপন করা (Having or showing a lively attractive personality)। মূলতঃ মৌখিক পরীক্ষার সময়ে একজন পরীক্ষার্থীর নিম্নলিখত দিকগুলো দেখা হয়ঃ
• ব্যক্তিত্ব
• বাচনভঙ্গি
• জ্ঞান
• চলাফেরা
• উপস্থিত বুদ্ধি
• আচার-আচরণ
• আত্মবিশ্বাস
• দৃঢ়তা
• বিনয়
• সার্বিক যোগ্যতা
• সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা ইত্যাদি।
পরীক্ষার পূর্বেঃ
মৌখিক পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রবেশের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত সময়ের প্রস্তুতিকে দু’ভাগে ভাগ করে আলোচনা করা যায়। যথাঃ
১. আনুসঙ্গিক প্রস্তুতিঃ
ক. পরীক্ষার আগের দিনেই বোর্ডে উপস্থাপন করতে হবে এমন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যেমন- প্রবেশপত্র, সনদের মূলকপি, পুরণকৃত ফর্ম ইত্যাদি গুছিয়ে ফাইলে সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখতে হবে।
খ. পোশাক নিয়ে অনেকেই অনেক দুঃশ্চিন্তায় থাকেন। ছেলে হলে চিন্তা করেন স্যুট পরবেন কী-না, কী রং এর টাই, কী রং-এর শার্ট পরবেন, নাকি টাই পরবেন না, মেয়ে হলে শাড়ী না সালোয়ার কামিজ ইত্যাদি। এসব ক্ষেত্রে কোন ধরাবাঁধা নিয়ম নেই। তবে- পোশাক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও মানানসহ হতে হবে (নতুন পোশাক হতে হবে এমন কোন কথা নেই)। খুব বেশি রঙিন বা কুরুচিসম্পন্ন পোশাক গ্রহণীয় নয়। নিচের ব্যক্তিত্বকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে মানানসই ও রুচিসম্পন্ন পোশাক পরিধান করা আবশ্যক।
গ. মৌখিক পরীক্ষার পূর্বে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বেশি প্রয়োজন।এজন্য শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিতকল্পে সচেষ্ট থাকা প্রয়োজন।
ঘ. ঢাক শহর যানজটের শহর। তীব্র যানজটের কথা মাথায় রেখেই পরীক্ষার্থীদেরকে যথেষ্ট সময় হাতে নিয়ে পরীক্ষার দিন পরীক্ষাকেন্দ্রর উদ্দেশ্যে বের হতে হবে, যেন সময়ের কারণে কোন বাড়তি চাপে পড়তে না হয়।
ঙ. পুরুষ পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে চুল-দাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা আবশ্যক। অপরপক্ষে মেয়েদের টকটকে লিপস্টিক অতিরিক্ত মেক-আপ প্রভৃতি বর্জন করা উচিত। পরীক্ষার দিন অবশ্যই নাস্তার পর দাঁত ব্রাশ করা উচিত যেন অপরিষ্কার দাঁত বোর্ডে প্রদর্শিত না হয়।
২. পড়াশোনঃ নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর উত্তর ভালাভাবে প্রস্তুত কর রাখতে হবেঃ
* কেন আপনি এ চাকরি করতে চান?
* আপনাকে কেন কর্তৃপক্ষ চাকরি প্রদান করবে ? অন্য প্রার্থীদের চেয়ে আপনার শ্রেষ্ঠত্ব কী?
* বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কে মৌলিক তথ্য।
* নিজ জেলা ও উপজেলার যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
* নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য।
* নিজ বিষয় (স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাঠ্য বিষয়)।
* নিজ চাকুরি (চাকুরিরত হলে)
* হবি কী? কেন?
* সহপাঠ্যক্রমিক যোগ্যতা।
* পঠিত দেশি-বিদেশি বই/সাহিত্য/সাহিত্যিক।
* সাম্প্রতিক তথ্য (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক)।
* গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও বছর।
পরীক্ষার কক্ষেঃ
পরীক্ষার কক্ষে ভালো করার অন্যতম বড় সমস্যা হলো আত্মবিশ্বাস এর স্থলে নার্ভাসনেস। এ সমস্যা সমাধানের সবচেড়ে বড় উপায় হলো নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস প্রতিষ্ঠা ও সাবলীলভাবে মৌখিক পরীক্ষা শেষ করা।
তিনটি সহজ চিন্তা থেকে সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।
১. যদি আপনি মনে করেন যে,”একজন পরীক্ষার্থী হিসেবে আমি আমর প্রস্তুতি সম্পন করেছি, বোর্ডে যা জিজ্ঞাসা করবে তা পারব ইনশা-আল্লাহ্।” উল্লেখ্য , বোর্ডে একজন পরীক্ষার্থী সব উত্তর পারবেন এমনটি আশা করা ঠিক নয় এবং এর প্রয়োজনও নেই।
২. বোর্ডে প্রবেশ করার পূর্বে একজন যদি আগেই ভেবে বসেন, “ইস, এই চাকরি না হলে আমার সবকিছু শেষ!” তাহলে এই মানসিক চাপ তার মৌখিক পরীক্ষা খারাপ হওয়ার জন্য যথেষ্ট। এটা ভাবলেই ভালো- ” It’s not a life & death question”. অথবা “আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যই করেন”। কিংবা ”পৃথিবীতে এই চাকরি ব্যতীত অন্য কোন উত্তম জীবিকা নেই”-এটি ভুল। এ জাতীয় নেতিবাচক চিন্তা ঐ বিশেষ মুহূর্তের জন্য ক্ষতিকর।
৩. বোর্ডে কে আছেন? তারা তো অনেক জানেন। এ ধরণের চিন্তা নার্ভাসনেস তৈরিতে অত্যন্ত সহায়ক। প্রকৃতপক্ষে, বোর্ডে যারা থাকেন তারা নিঃসন্দেহে বিজ্ঞ কিন্তু ভয়ংকর কোন জীব নয়। পরীক্ষার্থী যদি ঐ মুহূর্তে মনে মনে পোষণ করেন যে, ”যে যত বেশি তরুণ, সে তত বেশি আপডেটেড, তত বেশি তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর এবং তত বেশি যুগের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।” এ চিন্তা তাদের নিজেদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করবে।
ক. সালাম প্রসঙ্গঃ মৌখিব পরীক্ষা বোর্ডে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় অবশ্যই সালাম দিতে হবে। সালাম দিয়ে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করেতে হবে। বসতে বললে বসে, না বসতে বললে খানিকক্ষণ অপেক্ষা করে বসার অনুমতি নিয়ে বসে অবশ্যই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে হবে।অনেক সময় পরীক্ষকগণ থেকে একটু দূরে একটি চেয়ারে পরীক্ষার্থীকে বসতে দেয়া হয়। এক্ষেত্রে বোর্ড তাকে পা থেকে মাথা পর্যন্ত দেখেতে পান। ুসুতরাং বসার ভঙ্গি, কথা বলার সময় হাত-পা নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত সুন্দর হওয়া প্রয়োজন। একইভাবে প্রবেশের পর দরজা চাপিয়ে দিয়ে এগিয়ে আসা, বের হওয়ার পূর্বে বোর্ডের সামনে ইউ-টার্ন (পশ্চাৎদেশ প্রদর্শন) না করে কিছুটা পিছিয়ে তারপর ঘুরে দরজা চাপিয়ে বের হওয়া প্রভৃতি অত্যন্ত জরুরি।
খ. শব্দ শব্দ খেলাঃ যে কোন মৌখিক পরীক্ষায় যারা অনেক ভালো করেন তাদের কাছে ভাইভা মানে ‘শব্দ শব্দ খেলা’। এসব মানুষ আগে থেকেই মৌখিক পরীক্ষার প্রশ্নগুলো জানতে পারেন।অথচ এটি খুব কঠিন কাজ নয়। আপনি কিছু বিষয় ভালো করে জেনে নিন। এবার বোর্ডে আপনাকে যে প্রশ্নগুলো করছে তার উত্তর প্রদানের সময় উত্তরের ভেতর আপনার জানা বিষয়গুলো যোগ দিয়ে উত্তর দিন। দেখবেন পরবর্তী প্রশ্নগুলো আপনার বাছাইকৃত শব্দ থেকেই আসছে। পরীক্ষা শেষে আপনার মনে হবে ইটস অ্যা গেইম এবং আপনি জিতেছেন।
গ. ভাষা ও উচ্চারণঃ বাংলাতে প্রশ্ন করা হলে বাংলায়, ইংরেজিতে প্রশ্ন করা হলে ইংরেজিতে উত্তর দিতে হবে।অনেক সময় বাংলায় প্রশ্ন করে বলা হয় ইংরেজিতে উত্তর দিন। এক্ষেত্রে ইংরেজিতে উত্তর দিতে হবে। বাংলা এবং ইংরেজি যে ভাষাতেই উত্তর দেয়া হোক না কেন উচ্চারণ হতে হবে সাবলীল। ইংরেজি বলার সময় জোর করে বৃটিশ বা আমেরিকান সাজতে হবে এমনটি নয়। আবার বাংলা বলার সময় নাটকীয়তা বা আবৃত্তির ঢং লাগবে এমনিটিও নয়। তবে উচ্চারণ হতে হবে সঠিক। অনেক সময় একটি ভুল উচ্চারণ বোর্ড সদস্যদের কর্ণপীড়ার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
উদাহরণঃ একজন পরীক্ষার্থী ‘এবং’ এর উচ্চারণ করলেন ‘অ্যাবং’।’ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়’ এর উচ্চারণ করলেন ‘ডাকা বিশ্ববিদ্যালয়’। ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’-এর উচ্চারণ করলেন ‘বঙ্গবন্দু শ্যাক মুজিবুর রহমান’।
ঘ. জানা-অজানা ও সময় ক্ষেপণঃ কোন প্রশ্ন উত্তর জানা না থাকা কোন অপরাধ বা অসামর্থ নয়।বরং উত্তর না জানা থাকা সত্ত্বেও জানার ভান করা, মনে করার চেষ্টা করে সময় নষ্ট করা একজন পরীক্ষার্থীরে বিরাট অযোগ্যতা। উত্তর জানা না থাকলে খুব সহজভাবে জানিয়ে দিতে হবে “স্যরি স্যার; উত্তরটি আমার জানা নেই।”
অন্যদিকে জানা উত্তরটি এমনভাবে প্রদান করা যাবে না যেখাখে প্রমাণিত হয় আপনি আপনান পাণ্ডিত্য জাহির করছেন। বোর্ডের সদস্যদের সাথে কোন বিষয়ে তর্কে জড়ানো যাবে না বা চ্যালেঞ্জ করা উচিত হবে না। বরং আপনি উত্তরটি সোর্সসহ বলে দিতে পারেন এভাবে যে,” ….. আমি যতটুকু জানতে পেরেছে তা হলো……..” অথবা, বলা যায় ”স্যার, আমার মতে বিষয়টি…..”। তর্ক করার ফল ভালো হয় না তার একটি উদাহরণ লক্ষ্য করুন-
একজন পরীক্ষার্থীকে একটি প্রশ্ন করা হলে তিনি সঠিক উত্তর দিলেন। বোর্ড তার উত্তরটির বিপরীতে আরেকটি উত্তর সঠিক বলে উল্লেখ করলে উক্ত পরীক্ষার্থী বলেন, ”স্যার, ইন্টারনেটের ব্যবস্থা থাকলে আমি আপনাদেরকে প্রমাণ করিয়ে দিতে পারতাম যে আমিই সঠিক বলেছি”। এ ধরনের চ্যালেঞ্জ একজন পরীক্ষার্থীর জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।
ঙ. আত্মনিয়ন্ত্রণঃ পরীক্ষার্থীদের অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় ধৈর্যের সাথে মৌখিক পরীক্ষা মোকাবেলা করতে হবে। প্রশ্নকর্তার প্রশ্ন ভালোভাবে শুনে শান্তভাবে মার্জিতভঙ্গিতে আত্মবিশ্বাসের সাথে উত্তর দিতে হবে। উত্তর হবে হবে যথাযথ, চমকপ্রদ ও চিত্তাকর্ষক। রাগ-ভয় নিয়ন্ত্রণ করে সুস্পষ্টভাবে উত্তর দিতে হবে । দু’একটি ক্ষেত্রে দেখা যায় বোর্ড পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে রাগ প্রদর্শন করছেন কিংবা অপমানের চেষ্টা করছেন। এটিও পরীক্ষার অংশ। এটিতে নিয়ন্ত্রণ করলেই জয়। নিচের উদাহরণটি লক্ষ্য করুন-
উদাহরণঃ একজন পরীক্ষার্থী মাদ্রাসা থেকে পড়ালেখা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা সম্পন্ন করে বিসিএস-এর মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে গেলে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো-”বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থানে মাদ্রাসার অবদান কী?’’ তিনি তার উত্তরে ঢালাওভাবে মাদ্রাসাকে দায়ী না করে সার্বিক বিশ্লেষণ করলে বোর্ড মনে করছেন যে তিনি মাদ্রাসা যে দায়ী সেটি এড়িয়ে যাচ্ছেন। তার উত্তরে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে বোর্ড থেকে বের করে দিলেন। তিনি বিনয়ের সাথে কেন্দ্র ত্যাগ করলেন। মজার ব্যাপার হলো উল্লিখিত পরীক্ষার্থী চাকুরি পাওয়ার আশা ছেড়ে দিলেও আত্মনিয়ন্ত্রণের গুণের কারণে তিনি চাকুরি পেয়েছিলেন।
উপস্থিত বুদ্ধিঃ অনেক উত্তর জানা না থাকলেও উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে তা উত্তরণ করা সম্ভব। উপস্থিত বুদ্ধির প্রয়োগ তাকে বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে এবং নিজের উপস্থিত বুদ্ধির স্বাক্ষর রাখতে পারেন।
উদাহরণঃ বিসিএস ভাইভায় একজনকে বলা হলো দেশের খাদ্য উৎপাদনের পরিমাণ কত? উত্তরদাতা বললেন, “স্যরি স্যার”। বোর্ড থেকে বলা হলো দেশের খাদ্যের ঘাটতি ঘটলে জরুরিভাবে বিদেশ থেকে খাদ্যের ব্যবস্থা করবেন কী করে, আপনার কাছে তো তথ্য নেই। আপনি প্রথম পছন্দ দিয়েছেন পররাষ্ট্র, আপনার মত কূটনীতিক থাকলে তো দেশের মানুষ না খেয়ে মরবে। উত্তরদাতা বললেন,”স্যার, আলোচনায় বসার আগে খাদ্য বিভাগ থেকে সর্বশেষ মজুদের তথ্য নিয়ে আলোচনায় বসব যেন সঠিক পরিমাণ খাদ্যের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়।এখানে উত্তরদাতা সঠিক উত্তর জানেন না কিন্তু উপস্থিত ুবুদ্ধি দিয়ে তা কাটানোর চেষ্টা করছেন।
চ. বক্তব্য অটলঃ পরীক্ষার্থীদের সঠিক উত্তরের বি পরীতে অনেক ক্ষেত্রেই কনফিউশন সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়। বোর্ড থেকে বলা হয় এটা না ওটা, আর ইউ সিউর? এ ধরনের অবস্থায় নিজের উত্তর নিশ্চিত জানা থাকলে বিনয়ের সাথে জানানো উচিত- ‘স্যার, আমার জানা মতে এটি সঠিক’।
ছ. চোখের ভাষা-মুখের ভাষাঃ প্রশ্নকর্তার দিকে তাকয়ে (আই কন্টাক্ট) ঠিক রেখে কথা বলুন। গম্ভীর হয়ে থাকবেন না, আবার কথায় কথায় দাঁতও বের করবেন না। তবে হাসিমাখা মুখি কথা বলার চেষ্টা করুন। প্রফুল্ল চিত্তের লোককে সবাই পছন্দ করে।
জ. সরল সত্যঃ পরীক্ষা হলে সরলভাবে সত্য বলুন। সত্য কথার সহজ সরল প্রকাশ বোর্ডের কাছে আপনার ব্যক্তিত্বকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করবে। অনেকক্ষেত্রেই সরলতা বর্জিত ভাল উত্তরও মানসম্পন্ন হয় না, আবার সহজ সরল স্বাভাবিক উত্তরে বোর্ড অনেক খুশি হয় এই ভেবে যে, পরীক্ষার্থী স্বাভাবিকভাবে সরল মনে সব কথা খুলে বলেছে।
ঝ. মুদ্রা দোষঃ কিছু কিছু লোকের কোন কোন বিষয়ে বদ অভ্যাস থাকে। যেমন- চেয়ারে বসে পা নাচানো, কথা বলা সময় মাথায় হাত বোলানো, বার বার জিভ দিয়ে ঠোঁট ভিজানো, জিহ্বা বের করা, কথা বলার ক্ষেত্রে কিছু শব্দ বার বার অহেতুক ব্যবহার করা প্রভৃতি। এগুলোকে মুদ্রাদোষ বলে।মুদ্রাদোষ অবশ্যই বর্জনীয়।বুঝলেন স্যার, বিষয়টা হলো, মানে মানে, বুঝলেন কী, মনে করেন, সাপোজ, কথা হলো গিয়ে,তারপর আপনার ইত্যাদি বর্জন করবেন।
Best of luck.
Final Preparation for Viva-09
মুজিববর্ষ
অসমাপ্ত আত্মজীবনী
৭৯. ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থকে ভিত্তি করে নির্মিতব্য চলচ্চিত্রের নাম কী?
উঃ চিরঞ্জীব মুজিব।
৮০. ‘চিরঞ্জীব মুজিব’ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের রচনা ও পরিচালনা করেন কে?
উঃ প্রধানমন্ত্রীর স্ক্রিপ্ট রাইটার নজরুল ইসলাম।
৮১. ‘চিরঞ্জীন মুজিব’ চলচ্চিত্রের মূল কাহিনী কী?
উঃ বঙ্গবন্ধুর ছাত্রনেতা থেকে ৫২’র ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্বদান থেকে বাংলার ভবিষ্যত বিনির্মাণে প্রধান নেতা হয়ে ওঠার গল্প।
৮২. ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থের পর্তুগিজ ভাষায় অনুবাদের উদ্যোপ নেয় কোন প্রতিষ্ঠান?
উঃ ব্রাজিলের ব্রাসিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩. বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’র ব্রেইল সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন করা হয় কবে?
উঃ ৭ অক্টোবর ২০২০।
৮৩. ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থটি কতটি খণ্ডের ব্রেইল সংস্করণ প্রকাশ করা হয়?
উঃ ছয় খণ্ডের।
৮৪. এখন পর্যন্ত কতটি ভাষায় ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অনূদিত হয়েছে?
উঃ ১৪টি। ইংরেজি, উর্দু, জাপানি, চীনা, আরবি, ফরাসি, হিন্দি, তুর্কি, নেপালি, স্প্যানিশ, অসমীয়া, রুশ, ইতালি ও মালয়।
এর মধ্যে ইতালি ও মালয় ভাষায় গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়নি।
বঙ্গবন্ধুর স্মরণে রাষ্ট্রীয় দিবসমূহঃ
তারিখ- দিবস- দিবস ঘোষণার প্রেক্ষাপট
১ মার্চ- জাতীয় বীমা দিবস- ১ মার্চ ১৯৬০ একটি বীমা কোম্পানিতে যোগদান করেন।
৭ মার্চ- ঐতিহাসিক দিবস- ৭ মার্চ ১৯৭১ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
১৭ মার্চ- জাতীয় শিশু দিবস- ১৭ মার্চ ১৯২০ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
৩ এপ্রিল- জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস- ৩ এপ্রিল ১৯৫৭ সালে চলচ্চিত্র আইন পাশ করান।
৪ জুন- জাতীয় চা দিবস- ৪ জুন ১৯৫৭ বাঙালি চেয়ারম্যান হিসেবে চা বোর্ডে যোগ দেন।
৯ আগস্ট- জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস- ৯ আগস্ট ১৯৭৫ রাষ্ট্রীয় মালিকানায় জ্বালানি কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
১৫ আগস্ট- জাতীয় শোক দিসব- ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ বিপথগামী সেনাসদস্যদের হাতে সপরিবারে নিহত হন।
Final Preparation for Viva-08
মুজিববর্ষ
বঙ্গবন্ধু কর্নার
৫৯. মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশে কত ধরনের স্মারক নোট ও মুদ্রা বাজারে ছাড়ে?
উঃ ৪ ধরনের- ২০০ টাকা ও ১০০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট, ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের মূল্যের স্মারক স্বর্ণমুদ্রা এবং ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের স্মারক রৌপ্য মুদ্রা।
৬০. ২০০ টাকর নোট বাজারে আসে কবে?
উঃ ১৮ মার্চ ২০২০।
৬১. ’বঙ্গবন্ধু’ বায়োপিক চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে?
উঃ শ্যাম বেনেগাল (ভারত)।
৬২. বঙ্গবন্ধু রিসার্চ চেয়ার প্রতিষ্ঠা করা হয় কোথায়?
উঃ কানাডার সাসকাচেওয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে গ্লোবাল ইনস্টিটিউট ফর ফুড সিকিউরিটি (জিআইএফএস)।
৬৩. বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি গবেষণা কেন্দ্র কোন দেশে প্রতিষ্ঠিত হবে?
উঃ বাংলাদেশ।
৬৪. ব্রাজিলের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়ার’ প্রতিষ্ঠা করা হবে?
উঃ ইউনিভার্সিটি অব ব্রাসিলিয়া।
৬৫. বাংলাদেশের বাইরে ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ স্থাপন করা হয় কোথায়?
উঃ ব্রাজিলের ব্রাসিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়ার প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম চলছে।
৬৬. বঙ্গবন্ধু রিসার্চ চেয়ার প্রতিষ্ঠা করা হয় কোথায়?
উঃ গ্লোবাল ইনস্টিটিউট ফর ফুড সিকিউরিটি (জিআইএফএস); সাসকাচেওয়ান বিশ্ববিদ্যালয়; কানাডা।
আমার দেখা নয়াচীন
৬৭. বঙ্গবন্ধুর লেখা তৃতীয় বইয়ের নাম কী?
উঃ আমার দেখা নয়াচীন।
৬৮. গ্রন্থস্বত্ব কোন প্রতিষ্ঠানের ?
উঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর মেমোরিয়াল ট্রাস্ট।
৬৯. প্রথম প্রকাশিত হয় কবে?
উঃ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২০/১৮ মাঘ ১৪২৬।
৭০. মোড়ক উন্মোচন করা হয় কবে?
উঃ ২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
৭১. প্রকাশ করেন কোন প্রতিষ্ঠান?
উঃ বাংলা একাডেমি।
৭২. গ্রন্থটির লোগো করেন কে?
উঃ রফিকুন নবী।
৭৩. প্রচ্ছদ ও গ্রন্থ-নকশা করেন কে?
উঃ তারিক সুজাত।
৭৪. গ্রন্থটির প্রচ্ছদে ব্যবহৃত লোগোটি কিসের প্রতীক?
উঃ চীনে অনুষ্ঠিত ১৯৫২ সালের পিকিং সম্মেলনের লোগো ‘শান্তির কপোত’।
৭৫. প্রচ্ছদে ব্যবহৃত সম্মেলনের লোগোটির চিত্রশিল্পী কে?
উঃ পাবলো পিকাসো।
৭৬. ভূমিকা লেখেন কে?
উঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা; ৭ ডিসেম্বর ২০১৯।
৭৭. ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কে?
উঃ ড. ফকরুল আলম।
৭৮. সম্পাদনা করেন কে?
উঃ বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জমান খান।
Final Preparation for Viva-07
মুজিববর্ষ
১. মুজিব বর্ষ কী?
উঃ মুজিববর্ষ হলো বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনের জন্য ঘোষিত বর্ষ । অর্থাৎ জাতির পিতার জন্মের ১০০তম বছরপূর্তি উপলক্ষে পরবর্তী এক বছর উদযাপিত বর্ষই মুজিববর্ষ।
২. মুজিববর্ষ ঘোষণা করা হয় কবে?
উঃ ১২ জানুয়ারি ২০১৯।
৩. মুজিববর্ষের সময়কাল কত ?
উঃ ১৭ মার্চ ২০২০-১৬ ডিসেম্বর ২০২১।
৪. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটির সভাপতি কে?
উঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
৫. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি কে?
উঃ জাতীয় অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
৬. বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষের ক্ষণগণনা শুরু হয় কবে?
উঃ ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে।
৭. বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে প্রথম ইভেন্ট ছিল কোনটি?
উঃ বঙ্গবন্ধু বিপিএল; ১১ ডিসেম্বর ২০১৯-১৭ জানুয়ারি ২০২০।
৮. বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঠ করা কবিতার শিরোনাম কী?
উঃ বাবা; রচয়িতা শেখ রেহানা।
৯. বঙ্গবন্ধুর জন্মক্ষণেরর সাথে মিল রেখে ১৭ মার্চ ২০২০ রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানের নাম কী?
উঃ মক্তির মহানায়ক।
১০. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষকে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোন ইনস্টিটিউটের সূচনা করে?
উঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড লিবার্টি।
১১. বঙ্গবন্ধু রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রধান কে?
উঃ অধ্যাপক ড. ফখরুল আলম।
১২. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে কোন প্রতিষ্ঠান ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ স্থাপন করে?
উঃ বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি)।
১৩. বিপিএটিসি’র ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ পদে নিয়োগ লাভ করেন কে?
উঃ প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।
১৪. কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনকে এ পদে নিয়োগ দেয়া হয় কোন সময়ের জন্য?
উঃ মার্চ ২০২০-জুন২০২১।
১৫. কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন এ পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন কবে?
উঃ ১১ মার্চ ২০২০।
১৬. ২০২০ সালের একুশে বইমেলা উৎসর্গ করা হয় কাকে?
উঃ মুজিববর্ষকে সামনে রেখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।
১৭. বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে কোন নদীকে ’বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করা হয়?
উঃ হালদা নদীকে।
মুজিববর্ষের লোগো
১৮. মুজিববর্ষের লোগোর ডিজাইনার কে?
উঃ শিল্পী সব্যসাচী হাজরা।
১৯. এটি কবে উন্মোচন করা হয়?
উঃ ১০ জানুয়ারি ২০২০।
২০. মুজিববর্ষের থিম সংটি বলুন।
উঃ তুমি বাংলার ধ্রুবতার, তুমি হৃদয়ের বাতিঘর/আকাশে-বাতাসে বজ্রকণ্ঠ, তোমার কণ্ঠস্বর।
২১. সংটির গীতিকার কে?
উঃ ড. কামাল আবদুল নাসের (কবি কামাল চৌধুরী)।
২২. এটির সুরকার ও সংগীত পরিচালক কে?
উঃ নকিব খান।
২৩. সংটির কণ্ঠশিল্পীদের নাম বলুন।
উঃ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা, সাবিনা ইয়াসমিন, সৈয়দ আব্দুল হাদী, মো. রফিকুল আলম, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, খায়রুল আনাম শাকিল, সাজেদ আকবর, ফাহিম হোসেন চৌধুরী, ফরিদা পারভীন, মমতাজ বেগম, নকীব খান, কুমার বিশ্বজিৎ, পার্থ বড়ুয়া, বাপ্পা মজুমদার, সামিনা চৌধুরী, কনা, এলিটা করিম, কোনাল, সাব্বির জামান ও প্রিয়াঙ্কা গোপ।
বিশ্বাঙ্গনে মুজিববর্ষ
২৪. মুজিববর্ষ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্র ডাকবিভাগ বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত ডাকচিহ্ন প্রকাশ করে কবে?
উঃ ১৭ মার্চ ২০২০।
২৫. ইউনেস্কো কবে মুজিববর্ষ পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে?
উঃ ২৫ নভেম্বর ২০১৯।
২৬. ইউনেস্কোর কততম সাধারণ অধিবেশনে মুজিববর্ষ পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে?
উঃ ৪০তম।
২৭. ইউনেস্কোর ৪০তম সাধারণ অধিবেশন কবে কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
উঃ ১২-১৭ নভেম্বর ২০১৯; প্যারিস, ফ্রান্স।
২৮. ১৭ মার্চকে স্মরণীয় করে রাখতে ইংল্যান্ডের সারে শহর কোন দিবস পালন করে?
উঃ বঙ্গবন্ধু দিবস।
২৯. বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের কোন রাজ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম স্থায়ী প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়?
উঃ মিশিগান রাজ্যের হ্যামট্রাম্যাক শহরে (ম্যুরাল উন্মোচন ১৬ আগস্ট ২০২০)।
৩০. ১৭ মার্চ ২০২০ যুক্তরাষ্ট্রের কোথা থেকে বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত ডাকটিকেট প্রকাশিত হয়?
উঃ জ্যাকসন হাইটস পোস্ট অফিস।
৩১. যুক্তরাষ্ট্রের ডাক বিভাগের বুলেটিনে এ স্মারক প্রকাশিত হয় কবে?
উঃ ২৬ মার্চ ২০২০।
৩২. ১৭ মার্চ ২০২০-১৭ মার্চ ২০২১ বাংলাদেশের সাতে তাল মিলিয়ে মুজিববর্ষ ঘোষণা করে কোন রাজধানী?
উঃ যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি।
৩৩. ওয়াশিংটন ডিসির কে মুজিববর্ষ উদযাপনের ঘোষণা দেয়?
উঃ ওয়াশিংটন ডিসির মেয়র মুরিয়েল বোসা।
৩৪. মুজিববর্ষকে স্মরণ করে বৈশ্বিক কোন সংস্থার ২০২১ সালের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে?
উঃ ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ)।
৩৫. সিভিএফ কোন ধরনের সংগঠন?
উঃ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা ৪৮টি দেশের একটি বৈশ্বিক সংগঠন।
৩৬. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে কোন দেশ ডাকটিকেট অবমুক্ত করে?
উঃ নাইজেরিয়ার ডাকবিভাগ।
৩৭. নাইজেরিয়া মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কবে স্মারক ডাকটিকেট প্রকাশ করে?
উঃ ২৭ আগস্ট ২০২০।
৩৮. মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেশের বাইরে কোথায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়?
উঃ যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান স্টেটে।
৩৯. মুজিববর্ষ উপলক্ষে কোন দেশ বঙ্গবন্ধুর ছবি সংবলিত হাতঘড়ি উন্মোচন করে?
উঃ ভারতীয় হাই কমিশন।
৪০. বঙ্গবন্ধুর ছবি সংবলিত হাতঘড়ি কবে উন্মোচন করা হয়?
উঃ ১৭ নভেম্বর ২০২০।
৪১. বঙ্গবন্ধুর ছবি সংবলিত হাতঘড়ি কত ধরনের ?
উঃ বিশেষ সংস্করণের তিন ধরণের হাতঘড়ি।
৪২. পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এবং বাংলাদেশ অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে কোন উৎসবের আয়োজন করা হয়?
উঃ বঙ্গবন্ধু জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার উৎসব।
৪৩. বঙ্গবন্ধু জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার উৎসবের সময়কাল কত ছিল?
উঃ ১১-১৫ জানুয়ারি ২০২০।
৪৪. বঙ্গবন্ধু জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার উৎসব কোথায় আয়োজন করা হয়?
উঃ পার্বত্য তিন জেলায় প্রথমবার পালিত হয়।
৪৫. জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ দেয়াকে স্মরণ করতে ২০২০ সালে কী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়?
উঃ বঙ্গবন্ধুর স্মরণে ই-পোস্টার প্রকাশ করা হয়।
৪৬. ই-পোস্টার প্রকাশ করে কারা?
উঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।
বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল
৪৭. বঙ্গবন্ধুর স্মরণে স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্য কবে উদ্বোধন করা হয়?
উঃ ২৮ আগস্ট ২০২০।
৪৮. স্বাধীনতার সংগ্রাম ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
উঃ মনোহরদী, নরসিংদী।
৪৯. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি ম্যুরাল ‘হিমালয়’ কোথায় অবস্থিত?
উঃ লৌহজং; মন্সিগঞ্জ (উদ্বোধন ৩০ জুলাই ২০২০)।
৫০. ‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু’ নামের আকর্ষণীয় ম্যুরালটি কোথায় অবস্থিত?
উঃ চট্রগ্রাম নগরীর জামালখান এলাকায়।
৫১. ম্যুরালটি কবে উদ্বোধন করা হয়?
উঃ ১ জানুয়ারি ২০২০।
৫২. বঙ্গবন্ধুর সর্ববৃহৎ ম্যুরাল কোথায় উন্মোচন করা হয়?
উঃ বরিশালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে।
৫৩. বঙ্গবন্ধুর সর্ববৃহৎ ম্যুরাল উন্মোচন করা হয় কবে?
উঃ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০; প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে।
৫৪. ’ভাস্কর্যে বঙ্গবন্ধুর বীরত্বগাথা’ এটি কোথায় অবস্থিত?
উঃ জাতীয় জাদুঘরের সামনে খোলা আঙিনায়।
৫৫. ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
উঃ সব্যসাচী ভাস্কর উত্তম ঘোষ।
৫৬. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ‘বজ্রকণ্ঠ’ কোথায় অবস্থিত?
উঃ হালশহর, চট্টগ্রাম; উদ্বোধন ২৯ জুলাই ২০২০।
৫৭. বঙ্গবন্ধুর প্রথম তর্জনী ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
উঃ সাহপ্রতাপ মোড়; নরসিংদী।
৫৮. বঙ্গবন্ধুর সর্ববৃহৎ তর্জনী ভাস্কর্যের নাম কী?
উঃ মুক্তির ডাক।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1216