শিশু প্রতিপালন বিষয়ক উপদেষ্টা
নিশাত রহমান
শিশু বিকাশ ও সামাজিক সম্পর্ক (অনার্স ও মাস্টার্স)
সাইকোথেরাপিস্ট (BSMMU)
ডেভেলপমেন্টাল থেরাপিস্ট (CDC, DSH)
নিশাত রহমান পড়াশোনা করেছেন "শিশু বিকাশ ও সামাজিক সম্পর্ক" নিয়ে "গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ" থেকে।এরপর শিশুদের নিয়ে আরও ভালোভাবে কাজ করার লক্ষ্যে "বাংলাদেশ শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়" থেকে "Honourary Psychotherapy Course" করে সাইকোথেরাপিস্ট হিসাবে কাজ শুরু করেন।এরপর "শিশু হাসপাতাল" থেকে "Developmental Therapist" এর ট্রেনিং করে বর্তমানে "Child development center" এ কাজ করার পাশাপাশি আমাদের এই পেজ এর উপদেষ্টা হিসাবে আছেন।
Bangladeshi Parenting And Child Care
শিশু প্রতিপালন ও শিক্ষায় আমরা পাশে আছ?
আমরা আমাদের চারজন উপদেষ্টার সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব।কার কাছ থেকে সেবা পাচ্ছেন সেই সম্পর্কে জানা আপনাদের অধিকার।
আমাদের দুইটি সেবা নিয়ে আমরা আপনাদের পাশে আছি।শিশু প্রতিপালন ও শিক্ষা।
আশা করি আমাদের ফ্রি অনলাইন সার্ভিস আপনাদের সহায়তা করবে।
সবাইকে ধন্যবাদ।
আসসালামু আলাইকুম। আমাদের প্রতিষ্ঠান "লাটিম" এর কয়েকটি কর্মকাণ্ডের মধ্যে প্রথম কাজ ছিল এই পেজ এর মাধ্যমে বাংলাদেশের শিশু বিকাশ কে ভালো ভাবে তরান্বিত করা।অভিজ্ঞ উপদেষ্টামন্ডলী দ্বারা আমরা এই কাজ শুরু করি চারটি বিভাগ এর মাধ্যমে। বিভাগ গুলো ছিল শিশু প্রতিপালন, শিক্ষা, শারিরীক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি। আমরা ধীরে ধীরে গুছিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছিলাম। এই ২০১৮ তে আমি (লাটিমের প্রতিষ্ঠাতা) কনসিভ করার পর বেশ অসুস্থ হয়ে যাই।কথা বলা, মোবাইল এর দিকে তাকানো সবই বেশ কঠিন হয়ে যায়।সমস্যা এতটাই বেড়ে যায় যে আমরা বিরতি চেয়ে পোস্ট দিতে পারি না এবং একসময় মনে করি আর হয়তো কাজ করতে পারবো না।ধন্যবাদ Help For Deprived Foundation কে।তাদের সহযোগিতায় আমরা আবারও কাজ শুরু করি।
এবার আমরা দুইটি বিভাগ নিয়ে আপনাদের কাছে এসেছি- শিশুর শিক্ষা ও শিশু প্রতিপালন। দুইটি বিভাগের জন্য আমরা দুইজন করে উপদেষ্টা রেখেছি যেন কারো জন্য কোন কাজ থেমে না থাকে।
আমাদের পেজ এর ফলোয়ার দের কাছ থেকে ক্ষমা চাচ্ছি ও সাথে থাকার জন্য অনুরোধ করছি।
https://www.facebook.com/latimcare/
#প্রশ্ন_ডাক্তার_আমার_শিশুকে_ব্রয়লার_মুরগী_খাওয়াতে_নিষেধ_করেছে। #কেন?
উত্তরঃ ব্রয়লার মুরগীর শরীরে এমন দ্রব্যাদি থাকে যা শিশুর জন্য প্রতিদিন গ্রহন করা খুবই অস্বাস্থ্যকর। এ কারনে না দেওয়া ভালো।
বড়দের শরীরের তুলনায় শিশুদের অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো আকারে ছোট।একারণ এ তাদের শরীরে যে কোন খারাপ জিনিষ এর প্রভাব বেশি খারাপভাবে হয়।
উপদেষ্টাঃ বীথিকা দাস
#প্রশ্ন_শিশুকে_কোয়েলের_ডিম_খাওয়ানো_যাবে?
উত্তরঃ কোয়েলের ডিম শিশুকে দেয়া যাবে । যেহেতু এই ডিম সাইজে মুরগীর ডিমের থেকে ছোটো , তাই দিনে দুটো ডিম দিতে পারেন । পুষ্টিগত দিক বিবেচনা করলে , কোয়েলের ডিম , মুরগীর ডিম অপেক্ষা ভালো।তাই দেশী মুরগীরর ডিম না পাওয়া গেলে এই ডিম খাওয়ানো ভালো।
#আমার_শিশু_ফল_বা_ফলের_রস_কিছুই_খেতে_চায়_না। #আমি_সুজি_দুধ_গুড়_ও_ফলের_রস_একত্রে_দিতে_চাই। #দেওয়া_যাবে?
উত্তরঃ এভাবে কোন খাবার একত্রিত না করাই ভালো হবে।আপনার শিশুকে অনেক ধরনের ফল দিয়ে চেষ্টা করে দেখুন যে কোন টা খায় কিনা।একেবারেই না খেলে ফলের রস পাতলা করে অল্প অল্প (দুই তিন চামচ) করে খাওয়ান।ধীরে ধীরে বাড়াতে থাকবেন।অভ্যস্ত হবার পর ঘন করে জুস খাওয়াবেন।
আশা করি এভাবে আপনার শিশু এভাবে ফল খাওয়া শিখে যাবে।সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
#প্রশ্ন_আমার_২২মাসের_শিশু_সবসময়_ঘামে_তাই_খালি_গায়ে_রাখতে_চাই_কারন_সূতী_কাপড়_পরলেও_ঘামে। #এতে_কোন_সমস্যা_আছে_কি?
উত্তরঃ শিশুকে খালি গায়ে রাখলে হয়ত ঘামবে না কিন্তু অন্য না না ধরনের সমস্যা হতে পারে।আপনার করনীয় -
১.প্রতিবার ঘেমে যাবার সাথে সাথে শুকনা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে পাউডার দিয়ে দিবেন।
২.সুতি পাতলা কাপড়ের জামা ব্যবহার করবেন।
৩.প্রচুর পরিমানে পানি খাওয়াবেন।
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
#আমার_১৩মাসের_শিশুকে_জিঙ্ক_সিরাপ_খাওয়াতে_পারছিনা___খেলেই_বমি_করে।
উত্তরঃ সিরাপ বা ট্যাবলেট না খেলে সবচেয়ে বড় যে সমস্যা অসুখ বেড়ে যাবে এবং হয়ত ইঞ্জেকশন দিতে হবে যা ১৩মাসের শিশুর জন্য ক্ষতিকর।সে কারনে যেভাবেই হোক শিশুকে মুখ দিয়ে ঔষুধ সেবন করতে হবে।
সিরাপ খাওয়ানোর নিয়ম-
বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় ড্রপারে করে সিরাপ নিয়ে রাখবেন।দুধ খাওয়ানোর ফাকে শিশুর কিছুটা ঝিমুনি আসে এ সময় ড্রপার দিয়ে ঠোটের কোনে সিরাপ দিয়ে দিবেন।এভাবে দুধের সাথে চলে যাবে।
ট্যাবলেট খাওয়ানোর নিয়ম-
ট্যাবলেট কে মিহি গুড়া করে বুকের দুধের সাথে সিরাপের মত করে দিতে পারেন অথবা প্রিয় কোন খাবারের ফাঁকেফাঁকে শিশুকে না বুঝতে দিয়ে খেতে দিতে পারেন।
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
#গর্ভবতী_অবস্থায়_কি_কি_খাওয়া_উচিৎ_না?
উত্তরঃ গর্ভবতী অবস্থায় রাস্তার খোলা খাবার বা হোটেলের তেলে ভাজা খাবার নিষিদ্ধ। এছাড়া কোন নিষেধ নেই।তবে ব্যক্তিগত ভাবে অনেকে অনেক কিছু খেতে পারে না বা ডাক্তার নিষেধ করে কারন একেক জনের শরীর একেকরকম। অন্য কারো নিষেধাজ্ঞা দেখে বিভ্রান্ত হওয়া ঠিক নয়।
#প্রশ্ন_১৯মাসের_ছেলেকে_বুকের_দুধ_ছাড়ানো_শুরু_করতে_চাই। #কিভাবে_করব
#উত্তরঃ আপনার শিশুর বুকের দুধ খাওয়ার সময় শেষ হয়ে আসছে এ কারনে ধীরেধীরে বুকের দুধ খাওয়ার অভ্যাস বন্ধ করতে হবে।
বন্ধ করার নিয়মঃ
দিন ও রাতে নির্দিষ্ট সময়ে বুকের দুধ খাওয়াবেন।এরপর প্রথম সপ্তাহে রাতে একবার খাওয়ানো বন্ধ করবেন।এরপরের সপ্তাহে রাতের আরো একবার খাওয়ানো বন্ধ করবেন। এভাবে রাতের খাওয়ানো একেবারে বন্ধ করা শেষ হয়ে গেলে দিনের খাওয়ানো একবার করে বন্ধ করবেন।
আপনি যদি আপনার শিশুকে ২৪ ঘন্টায় ৫বার বুকের দুধ খাওয়ান সেক্ষেত্রে ৫সপ্তাহে বন্ধ করতে পারবেন।প্রথমদিকে কান্নাকাটি করবে তবে তা সহ্য করা ছাড়া উপায় নেই।
ঈদ মোবারক
ঈদুল আযহা শিশুদের জন্য খুব আনন্দের।বাড়িতে বাড়িতে গরু বা খাসি থাকে।কাছাকাছি পশু দেখার আনন্দে বিভোর হয়ে থাকে শিশুরা।কারো হয়ত নিজের পরিবারে কুরবানি দেবার সামর্থ্য নেই কিন্তু পাশের বাড়ির ছাগলকে পাতা খাওয়ানোতে এত ব্যস্ত যে বাসাতেই আসতে পারে না।এরপর ঈদের দিন সকালে কুরবানীর পর বেশীরভাগ শিশুই আকাশ পাতাল কান্না জুড়ে দেয়।মায়েরা বকে বকে তাদের চুপ করায়।
তাদের কে চুপ করাবেন না।এত সুন্দর কোমল মন কোমল ই থাকুক।কঠোর হয়ে কি হবে!!! হয়ত তাদের উসিলায় আমাদের কুরবানী আল্লাহ কবুল করে নিবে।
কুরবানীর পর আমরা বিভিন্ন উপায়ে গরীব দুঃখীদের মাংস বিতরণ করি।শিশুরা এতে খুব আগ্রহী থাকে।কান্না ভুলে আবারো বসে যায়।পাশের বস্তির বাচ্চাটা যার নতুন জামা হয়নি তাকে ছোট ছোট হাত দিয়ে ডাকে।মাংস দেয়।এই বিতরণ এ শিশুকে অংশ নিতে দিন।তার এই সুন্দর মনকে নরম থাকতে দিন।মানুষের জন্য কাঁদতে দিন।
এরপর আসে মাংস খাবার পালা।অনেকেই এই দিনে বিধর্মী বন্ধুদের ঠাট্টা করে বার্তা পাঠায় গরুর মাংস খেতে আসতে যাদের হয়ত গরু খাওয়া বারণ।
আপনি যা করছেন তা ভুল।খারাপ ব্যবহার বন্ধুর প্রতি।এই ব্যবহার হয়ত আপনি আপনার পরিবার থেকে এনেছেন। কিন্তু শিশুকে তা শেখাবেন না।কারন জীবনে অনেক দিন আসে যখন হয়ত তার পাশে এই বিধর্মী বন্ধুকেই প্রয়োজন হবে।
শিশুর কোমল মন নরম থাকতে দিন।
ফারাহ তুবা
প্রতিষ্ঠাতাঃ লাটিম
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhanmondi
Dhaka
1205