জীবনে কখনো কি কোন মৃতকে গোসল করিয়েছেন? সুযোগ পেলে মৃতদের গোসল করাবেন, খুব কাছ থেকে দেখবেন মৃত্যুর পরে মানুষের দেহটা কত অসহায় হয়, মৃত্যুর পরে মানুষের মৃতদেহ কতটা ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
সুযোগ পেলে রাতে লাশ পাহারা দিবেন। তখন বুঝতে পরবেন মৃত্যুর পরে প্রিয় মানুষটার লাশ রাতের বেলা আপনার কাছে কত অদ্ভুত লাগে, কত ভয়ের কারণ হয়ে উঠে, কত আতঙ্কের কারণ হয়ে যায়।
সুযোগ পেলে মৃত ব্যাক্তির শরীরে একটু হাত লাগিয়ে কিছুক্ষণ স্পর্শ নিবেন। আপনি তখন উপলব্ধির সুযোগ পাবেন এই পৃথিবীতে বিশাল প্রভাব-প্রতিপত্তি রেখে যাওয়া মানুষগুলো মৃত্যুর পরে কত নির্জীব রূপ ধারন করে।
সুযোগ পেলে আপনজনদের লাশ কবরে নামাবেন- খুব আগ্রহ নিয়ে শেষবারের মতো মৃতদেহের মুখটি দেখার চেষ্টা করবেন এবং বারবার উপলব্ধির চেষ্টা করবেন এই মৃতদেহের সাথে অনন্তকালের যাত্রার পথে এটাই আপনার জীবনের শেষ দেখা।
জীবনে সুযোগ পেলে মাঝেমধ্যে কবরস্থানে গিয়ে নিরবে কিছুক্ষণ দাঁড়াবেন। এরপর মনে মনে চিন্তা করবেন জীবনের লাভ ক্ষতির হিসাবে এই মৃত মানুষগুলো এই পৃথিবীতে কি করে গেছেন? কাদের রেখে গেছেন? যাদের রেখে গেছেন তারা কি কখনও এই মৃত মানুষগুলোকে স্মরণ করার জন্য কবরস্থানের আশেপাশে আসে?
আমাদের সবার শরীরেই কমবেশী রক্তকণা আছে। একথা চিরসত্য যে আমাদের শরীরের প্রতিটি রক্তকণা শরীরে খুবই গুরুত্ব বহন করে। অথচ আমাদের শরীর থেকে কোন রক্তকণা বেরিয়ে গেলে সেটির যেমন কোন গুরুত্ব থাকে না তদ্রুপ আমাদের দেহ থেকে প্রাণটা বেরিয়ে গেলে আমাদের শরীরেরও অন্যের কাছে কোন মূল্য থাকে না।
আমাদের জীবনটা বড় বৈচিত্রময়। বেঁচে থাকতে আমরা এর জন্য ওর জন্য কত মায়া দেখাই, কত ভালবাসা দেখাই। এ আমার ছেলে তো সে আমার মেয়ে, এ আমার ভাই তো সে আমার বোন। অথচ মরে গেলে এই মানুষগুলোই সবার আগে তোড়জোড় শুরু করে কিভাবে মৃতকে দাফন করা যায়! কত দ্রুত মৃতকে কবরস্থ করা যায়! সেই চিন্তায় সবাই তটস্থ থাকে।
আমাদের জীবনটা আসলেই সাময়িক। এই সাময়িক জীবনটা মাত্র চল্লিশ-পঞ্চাশ-ষাট অথবা বড়জোর সত্তর বছরের সমষ্টি। অথচ এই জীবনে আমরা কখনো মৃত্যুর কথা না ভেবে কিভাবে অঢেল সম্পদ অর্জন করা যায় সেই চিন্তায় সর্বদা বিভোর থাকি।
এই পৃথিবীতে যার অঢেল সম্পদ আছে সে আরো সম্পদ চায়। যার সম্পদ নেই সে সম্পদ নেই ভেবে সর্বদা দুশ্চিন্তায় সময় কাটায়। আমাদের ১০% মানুষ ব্যতীত ৯০% মানুষেরই ধান্ধা ইহকাল আগে এবং পরকাল পরে। সম্পদ আগে এবং ইবাদত পরে।
এজন্য আমরা প্রায় সবাই দিনরাত চেষ্টা করি যে যেভাবে পারি, চুরি করে অথবা ডাকাতি করে অথবা অন্য কোন উপায়ে যাকে তাকে ঠকিয়ে যেভাবে পারি আগে সম্পদ অর্জন করি। এরপর এই অবৈধ সম্পদের অর্থে কয়েকবার হজ করে, মসজিদ মাদরাসায় বড় অংকের টাকা দান করে, গরীব এতিমখানায় খাইয়ে, বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় দানখয়রাত করে একেবারে বেহেস্ত কনফার্ম হয়ে যাবে।
রমাদান মাসে সারা পৃথিবীর মানুষ যেখানে ইবাদত মশগুলে সময় পার করে সেখানে বাংলাদেশের অনেকেই কিভাবে একে অন্যকে ঠকানো যায় সেই চিন্তায় ব্যস্ত থাকে। আমাদের দেশে সবাই মুসল্লি। মসজিদ মুসল্লিতে ভরপুর। কিন্তু ঈমানী শক্তিতে আমাদের মনোবল খুবই দুর্বল।
আমাদের দেশে যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, যে সর্বদা নিজেকে ইসলামি ব্যক্তি হিসাবে সবখানে জাহির করে সেও সুযোগ পেলে সাধারণ কিছু টাকা-পয়সার কাছে হঠাৎ নিজেকে হারিয়ে ফেলে। এজন্য বলি যে মৃত্যু চিরসত্য সে মৃত্যু নিয়ে আমরা খুব কমই চিন্তা করি।
আমাদের সততা সাধারণ টাকার কাছেই প্রতিনিয়ত হেরফের হয়ে যায়। অথচ মৃত্যুর পর একজন মৃত ব্যক্তির কি হিসাব নিকাশ শুরু হবে সেটি উপলব্ধি করতে পারলে আমরা কিছুতেই এত খারাপ হতাম না, আমরা কিছুতেই অন্যের হক মারার চিন্তা করতাম না, এমনকি আমরা কিছুতেই অন্যের সাথে দুর্ব্যবহারের চিন্তা করতাম না। মহান প্রভু সবাইকে এই বিষয়টি উপলব্ধির সুযোগ দিন। আমিন
___তারবিয়াতুল উম্মাহ্ শিক্ষা পরিবার
Tarbiyatul Ummah
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tarbiyatul Ummah, Educational Research Center, Dakkhingaon, Nayabagh, Sabujbah, Dhaka.
প্রত্যেক মুমিনের দৈনিক ৪টি কাজ অবশ্যই করা চাই,
১. প্রতিদিন কুরআনে মাজীদ থেকে কিছু পরিমান তেলাওয়াত করা ।
২. প্রতিদিন দাওয়াতে ইলাল্লাহ্ এর মেহনত করা।
৩. প্রতিদিন একটু সময় নিয়ে প্রাণ ভরে দোয়া করা।
৪.শেষ রাতে তাহাজ্জুদের এহতেমাম করা।
_______উস্তাদ আরাফাত
তারবিয়াতুল উম্মাহ্ শিক্ষা পরিবার ।
ঢাকা ,বাংলাদেশ ।
যে ব্যক্তির দুঃখ এবং দুশ্চিন্তা বৃদ্ধি পেয়েছে সে যেন অবশ্যই পাঠ করেঃ
لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلا بِالله
"লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাহ বিল্লাহ"
অর্থঃ আল্লাহর সাহায্য ছাড়া পাপমুক্তির কোনো পথ নেই, আল্লাহর সাহায্য ছাড়া ইবাদতের কোনো শক্তি নেই।
[যাদুল মা'আদ,৪/১৮৩,ইবনুল কাইয়্যিম রহিমাহুল্লাহ]
তারবিয়াতুল উম্মাহ্ শিক্ষা পরিবার
আমাদের প্রতিটা পবিত্র সম্পর্ক পূর্ণতা পাক। এ শহর থেকে
বিচ্ছেদ উঠে যাক। মানুষ গুলো সুখী থাক।
আমরা সহজে কিছু পেলে সেটার মূল্যায়ন করতে পারি না
মানুষের পরিচয় সুধু তার বংসের মাধ্যমে পাওয়া যায় তা নয়,
তার আচরণ, তার স্বভাব,
তার মানসিকতা, তার বিচার বুদ্ধি,
তার ধার্মিকতা এবং বিবেকের বিশ্লেষণে, তার প্রকৃত পরিচয় বহন করে।
____তারবিয়াতুল উম্মাহ্ শিক্ষা পরিবার
নিরাপত্তা ও প্রজ্ঞার অর্ধেক হলো নীরব থাকা।
তারবিয়াতুল উম্মাহ্ শিক্ষা পরিবার
| নিরাপত্তা লাভের দু'আ |
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَ الْجُبْنِ وَالْهَرَمِ وَالْبُخْلِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَاوَالْمَمَاتِ
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দুর্বলতা, অলসতা, কাপুরুষতা, জরাগ্রস্ততা ও কৃপণতা থেকে এবং আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই করবের শাস্তি থেকে এবং ইহকাল ও পরকালের ফিতনা ফাসাদ থেকে।
তারবিয়াতুল উম্মাহ্ শিক্ষা পরিবার
বিশুদ্ধ জ্ঞানের এক অনন্য পাঠশালা
মহান রাহমান-এর বান্দা তারাই,
যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে।
- আল কুরআন (সূরা: আল-ফুরকান)
তারবিয়াতুল উম্মাহ্ শিক্ষা পরিবার
। বিশুদ্ধ জ্ঞানের এক অনন্য পাঠশালা ।
26/01/2024
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dakkhingaon, Nayabagh, Sabujbah
Dhaka
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |