🌿 "এই সময়টাও কেটে যাবে।"
হযরত আলী (রা:)
🔹 এই উক্তিটি আমাদের শেখায় —
দুঃসময় হোক বা সুখের সময়, কিছুই চিরস্থায়ী নয়। সব কিছুরই শেষ আছে। তাই ধৈর্য ধরো, শোকেও ভেঙে পড়ো না, সুখেও অহংকার করো না।
Allahr Bani
ইসলাম শান্তির ধর্ম
আরাফাতের দিন হযরত মুহাম্মাদ (সা.) সবচেয়ে বেশি যে দোয়া পড়তেন তা হলো:
**"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।"**
**অর্থ:** "আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, তাঁরই জন্য সকল রাজত্ব, তাঁরই জন্য সকল প্রশংসা, এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।"
এই দোয়াটি আরাফাতের দিনে বারবার পড়ার কথা হাদিসে উল্লেখ আছে। তিরমিজি শরিফে এসেছে যে, নবিজি (সা.) বলেছেন, আরাফাতের দিনে এই দোয়া সবচেয়ে উত্তম। (তিরমিজি: ৩৫৮৫)
এছাড়াও, এই দিনে তিনি অনেক তওবা-ইস্তিগফার এবং আল্লাহর জিকির করতেন। তাই এই দোয়ার পাশাপাশি অন্যান্য জিকির ও দোয়াও পড়া যায়।
10/03/2025
রামাযানে গুনাহ করতে ইচ্ছে হলে
এই কল্পনা করবে-
আল্লাহ যদি জিজ্ঞেস করেন, আমি তোমার জন্য শয়তানকে পর্যন্ত বেঁধে রাখলাম! সামান্য চেষ্টা করলেই গুনাহের থেকে বাঁচতে পারতে! আমার সন্তুষ্টির জন্য এই সামান্য চেষ্টাটুকু করতে পারোনি?? আমার হুকুম তোমার কাছে এতটাই তুচ্ছ ছিল??
কী জওয়াব দিবে??
আল্লাহ তুমি সবাইকে মাফ করে দাও 🥲
#মিজানুর #রহমান #আজহারি
05/03/2025
নবিজি (সা.) রোজা অবস্থায় বিশেষভাবে যে দুয়া বেশি পড়তেন, তা হলো ইফতারের সময় নিম্নোক্ত দুয়াটি পাঠ করা:
**ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ**
**উচ্চারণ:** "যাহাবায-যামাউ ওয়াব্তাল্লাতিল-‘উরূকু ওয়া ছাবাতাল-আজ্রু ইনশাআল্লাহ।"
**অর্থ:** "পিপাসা দূরীভূত হয়েছে, শিরা-উপশিরাগুলো সিক্ত হয়েছে এবং ইনশাআল্লাহ সওয়াব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।" (সুনান আবু দাউদ, হাদিস নং ২৩৫৭; হাসান হিসেবে সহিহ আলবানি কর্তৃক স্বীকৃত)
**ইফতারের আরেকটি দুয়া:**
**اللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلَى رِزْقِكَ أَفْطَرْتُ**
**উচ্চারণ:** "আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া ‘আলা রিযক্বিকা আফতারতু।"
**অর্থ:** "হে আল্লাহ! তোমার জন্যই আমি রোজা রেখেছি এবং তোমার দেওয়া রিজিক দিয়ে ইফতার করছি।" (সুনান আবু দাউদ, হাদিস নং ২৩৫৮)
**মহিমান্বিত সময়:** রোজাদারের দুয়া বিশেষভাবে কবুল হয়, বিশেষত ইফতারের সময়। নবিজি (সা.) বলেন,
*"তিন ব্যক্তির দুয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না...其中之一 হল রোজাদার যে পর্যন্ত সে ইফতার না করে।"* (সুনান তিরমিজি, হাদিস নং ৩৫৯৮)
**সতর্কতা:** উপর্যুক্ত দুয়াগুলো ইফতারের সময় পাঠের জন্য প্রসিদ্ধ। রোজার সময় সাধারণভাবে বেশি বেশি দুয়া, তাওবা ও ইস্তিগফার করা মুস্তাহাব।
#রমজান_মোবারক #রোজার_দোয়া #ইসলামিক_জীবন #সিয়ামের_ফজিলত
নবিজি (সা.) রোজা অবস্থায় বিশেষভাবে যে দুয়া বেশি পড়তেন, তা হলো ইফতারের সময় নিম্নোক্ত দুয়াটি পাঠ করা:
**ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ**
**উচ্চারণ:** "যাহাবায-যামাউ ওয়াব্তাল্লাতিল-‘উরূকু ওয়া ছাবাতাল-আজ্রু ইনশাআল্লাহ।"
**অর্থ:** "পিপাসা দূরীভূত হয়েছে, শিরা-উপশিরাগুলো সিক্ত হয়েছে এবং ইনশাআল্লাহ সওয়াব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।" (সুনান আবু দাউদ, হাদিস নং ২৩৫৭; হাসান হিসেবে সহিহ আলবানি কর্তৃক স্বীকৃত)
**ইফতারের আরেকটি দুয়া:**
**اللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلَى رِزْقِكَ أَفْطَرْتُ**
**উচ্চারণ:** "আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া ‘আলা রিযক্বিকা আফতারতু।"
**অর্থ:** "হে আল্লাহ! তোমার জন্যই আমি রোজা রেখেছি এবং তোমার দেওয়া রিজিক দিয়ে ইফতার করছি।" (সুনান আবু দাউদ, হাদিস নং ২৩৫৮)
**মহিমান্বিত সময়:** রোজাদারের দুয়া বিশেষভাবে কবুল হয়, বিশেষত ইফতারের সময়। নবিজি (সা.) বলেন,
*"তিন ব্যক্তির দুয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না...其中之一 হল রোজাদার যে পর্যন্ত সে ইফতার না করে।"* (সুনান তিরমিজি, হাদিস নং ৩৫৯৮)
**সতর্কতা:** উপর্যুক্ত দুয়াগুলো ইফতারের সময় পাঠের জন্য প্রসিদ্ধ। রোজার সময় সাধারণভাবে বেশি বেশি দুয়া, তাওবা ও ইস্তিগফার করা মুস্তাহাব।
02/03/2025
❤️
Bless Your Timeline ❤️
14/02/2025
শবে বরাত, যা "লাইলাতুল বরাত" নামেও পরিচিত, ইসলামী পঞ্জিকার শাবান মাসের ১৫তম রাত। এই রাতটি মুসলমানদের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ এবং ইবাদত ও ক্ষমা প্রার্থনার জন্য একটি সুযোগ। এই রাতে মুসলমানদের জন্য কিছু করণীয় বিষয় নিম্নরূপ:
# # # ১. **নফল নামাজ আদায় করা**
- এই রাতে নফল নামাজ পড়া খুবই সওয়াবের কাজ। বিশেষ করে তাহাজ্জুদ নামাজ, সালাতুত তাসবিহ, এবং অন্যান্য নফল নামাজ আদায় করা যায়।
# # # ২. **কুরআন তিলাওয়াত করা**
- কুরআন তিলাওয়াত করা এই রাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। কুরআন পাঠের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা যায়।
# # # ৩. **দোয়া ও ইস্তিগফার করা**
- এই রাতে বেশি বেশি দোয়া ও ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করা উচিত। আল্লাহর কাছে নিজের গুনাহ মাফ চাওয়া এবং আগামীর জন্য কল্যাণ কামনা করা।
# # # ৪. **জিকির ও তাসবিহ পড়া**
- আল্লাহর জিকির করা, যেমন "সুবহানাল্লাহ", "আলহামদুলিল্লাহ", "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু", এবং "আল্লাহু আকবার" ইত্যাদি তাসবিহ পড়া।
# # # ৫. **নেক আমল করা**
- এই রাতে ভালো কাজ করা, যেমন গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করা, সদকা দেওয়া, এবং অন্যান্য নেক আমল করা।
# # # ৬. **রোজা রাখা**
- শবে বরাতের পরের দিন (শাবান মাসের ১৫ তারিখ) রোজা রাখা সুন্নত। এই রোজা রাখার মাধ্যমে অতিরিক্ত সওয়াব অর্জন করা যায়।
# # # ৭. **আত্মসমালোচনা করা**
- এই রাতে নিজের জীবনের গুনাহ ও ভুলত্রুটির জন্য আত্মসমালোচনা করা এবং ভবিষ্যতে সঠিক পথে চলার দৃঢ় সংকল্প করা।
# # # ৮. **পরিবার ও সমাজের সাথে সময় কাটানো**
- এই রাতে পরিবার ও সমাজের সাথে ভালো সময় কাটানো এবং তাদের সাথে ইবাদত ও দোয়ায় অংশগ্রহণ করা।
# # # ৯. **মৃতদের জন্য দোয়া করা**
- এই রাতে মৃত আত্মীয়-স্বজন ও মুসলমানদের জন্য দোয়া করা এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা।
# # # ১০. **অহংকার ও গুনাহ থেকে তওবা করা**
- এই রাতে নিজের অহংকার, গুনাহ, এবং খারাপ অভ্যাস থেকে তওবা করা এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া।
শবে বরাতের রাতটি ইবাদত, দোয়া, এবং আত্মশুদ্ধির জন্য একটি বিশেষ সুযোগ। এই রাতে বেশি বেশি ইবাদত করে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা এবং নিজের জীবনকে সংশোধনের চেষ্টা করা উচিত।
#শবে_বরাত #ইসলাম #কুরআন #হাদিস #ইবাদত #মুসলিম_জীবন #আল্লাহ #রমজানের_প্রস্তুতি #ক্ষমা_প্রার্থনা #আধ্যাত্মিকতা
26/01/2025
ধর্ষণ: জঘন্য অপরাধ ও ইসলামের দৃষ্টিতে শাস্তি
ধর্ষণ শুধু আইনগত অপরাধ নয়, এটি মানবতার বিরুদ্ধে একটি চরম নৈতিক স্খলন। বাংলাদেশে ধর্ষণের ঘটনা ক্রমাগত বাড়ছে। বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, প্রতিবছর অসংখ্য নারী ও শিশু এই ভয়াবহ অপরাধের শিকার হচ্ছে। কিন্তু এই অপরাধের শিকার শুধু ব্যক্তি নয়, পুরো সমাজ।
ইসলামের দৃষ্টিতে ধর্ষণ
ইসলামে ধর্ষণ একটি জঘন্য পাপ এবং অপরাধ। কোরআন ও হাদিসে এই ধরনের কাজ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। ধর্ষণের শাস্তি সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন:
> "যারা আল্লাহ এবং তার রাসুলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং পৃথিবীতে ফিতনা সৃষ্টি করে, তাদের শাস্তি হলো, তাদের হত্যা করা, অথবা ক্রুশবিদ্ধ করা, অথবা তাদের হাত-পা বিপরীত দিক থেকে কেটে ফেলা, অথবা তাদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া।"
(সূরা মায়েদা, আয়াত ৩৩)
কেন ধর্ষণ জঘন্যতম পাপ?
১. এটি মানুষের সম্মান ও মর্যাদা লঙ্ঘন করে।
২. এটি সমাজে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
৩. এটি আল্লাহর সীমা লঙ্ঘন এবং তার শাস্তি অবধারিত।
ইসলামে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি
১. ধর্ষণ প্রমাণিত হলে বিবাহিত ব্যক্তির শাস্তি পাথর মেরে মৃত্যুদণ্ড এবং অবিবাহিত ব্যক্তির জন্য ১০০ বেত্রাঘাত।
২. যদি ধর্ষণের সঙ্গে সহিংসতা বা হত্যা জড়িত থাকে, তবে শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড, ক্রুশবিদ্ধকরণ, বা হাত-পা কেটে ফেলা।
মানুষের প্রতি আহ্বান
ধর্ষণ শুধু আইনত নয়, ধর্মীয়ভাবেও গুরুতর অপরাধ। যারা এই জঘন্য কাজে লিপ্ত, তাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে। আল্লাহ তাআলা বলেন:
> "তোমরা পাপের ধারেকাছেও যেয়ো না।"
(সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৩২)
সমাজকে কীভাবে রক্ষা করা যায়?
ইসলামের নীতি মেনে চলুন।
নারীর প্রতি সম্মান বজায় রাখুন।
অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করুন।
সচেতনতা বৃদ্ধি করুন।
ধর্ষণ বন্ধে এগিয়ে আসুন।
আমাদের নৈতিকতার পুনর্জাগরণ এবং ইসলামের আদর্শ অনুসরণই পারে সমাজকে এই অমানবিক পাপ থেকে মুক্তি দিতে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই পাপ থেকে বাঁচার তৌফিক দান করুন। আমিন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Address
Dhaka
1100