⭕Nothing to do → কিছু করার নাই।
⭕Nothing to see → কিছু দেখার নাই।
⭕Nothing to say → কিছু বলার নাই।
⭕No need to eat → খাওয়ার প্রয়োজন নাই।
⭕No need to say → বলার প্রয়োজন নাই।
⭕No need to see → দেখার প্রয়োজন নাই।
⭕please come → অনুগ্রহ করে আসুন।
⭕Please read → অনুগ্রহ করে পড়ুন।
⭕Please listen → অনুগ্রহ করে শুনুন।
⭕Go to Dhaka → ঢাকা যাও।
⭕Go to macca → মক্কায় যাও।
⭕Go to China → চায়নায় যাও।
⭕Don't go to Dhaka → ঢাকায় যেও না।
⭕Don't go to China → চায়নায় যেও না।
⭕To read → পড়তে।
⭕To know → জানতে।
⭕To play → খেলতে।
⭕To write → লিখতে।
⭕practice reading → পড়ার চর্চা করো।
⭕Practice writing → লেখার চর্চা করো।
⭕Practice playing → লেখার চর্চা করো।
⭕Let me eat → আমাকে খেতে দাও।
⭕Let me do → আমাকে করতে দাও।
⭕Let me say → আমাকে বলতে দাও।
⭕It is bad to say → এটা বলা খারাপ।
⭕It is bad to see → এটা দেখা খারাপ।
⭕It is bad to listen → এটা শুনা খারাপ।
⭕Something to do → কিছু করার আছে।
⭕Something to say → কিছু বলার আছে।
⭕Something to eat → কিছু খাওয়ার আছে।
⭕Let's not do it → চলো আমরা এটা না করি।
⭕Let's not see it → চলো আমরা এটা না দেখি।
⭕Let's not eat it → চলো আমরা এটা না খাই।
⭕It is time to eat → এখন খাওয়ার সময় হয়েছে।
⭕It is time to go → এখন যাওয়ার সময় হয়েছে।
⭕It is time to recite → এখন তেলাওয়াতের সময় হয়েছে।
⭕Try to say → বলার চেষ্টা করো।
⭕Try to learn → শেখার চেষ্টা করো।
⭕Try to listen → শোনার চেষ্টা করো।
English Academy
Learn English, be Smart
প্রতিদিন অন্তত ৫টি করে ইংরেজি শব্দ শিখুন।
08/01/2025
আবির নামের এই টিকটকার একটা শো তে বলতেছে সে নাকি অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে সায়েন্স নিয়া পড়তেছে৷ উপস্থাপিকা যখন প্রশ্ন করে সায়েন্সের কোন সাবজেক্ট নিয়া পড়ো৷ ভদ্র লোক তখন বলে "আমি আসলে কলেজে কম যাই খালি এক্সাম দিয়ে আসি তাই সাবজেক্ট কি জানিনা" :
সামসুউদ্দিনের পুতের ঘরের নাতি
02/08/2024
দুপুর বেলা তরকারিতে একটু লবন বেশী হওয়ায় ভরা মজলিশে আমার শ্বাশুড়ি মা মাং'সের গরম বাটিটা যখন আমার শ'রীরের উপর ছুড়ে মা'রলেন ছলছল চোখ নিয়ে মনে তখন একটা প্রশ্নই জেগে উঠেছিলো,
-'আচ্ছা! অ'নাথ হয়ে জন্ম নিয়ে কি খুব বড় অপরাধ করে ফেলেছি?অনাথ দের কি বাঁ'চার কোনো অধিকার এই পৃথিবীতে নেই?কোনোভাবেই নেই?
রুবি,আমার একমাত্র ননদ।সে এখন ৭ মাসের অ'ন্তঃস্ব'ত্তা। বাড়িতেআজ তারই স্বাদের অনুষ্ঠান হলো।বাড়িতে আত্মীয় স্বজনের গমগম পরিবেশ।ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে রান্না বান্নার সমস্ত কাজ একা হাতে সামলিয়েছি।গরুর মাং'স,খাসির রেজালা,মুরগীর রোস্ট, গলদা চিংড়র ভুনা বড় মাছের মুড়ি খন্ড সহ সমস্ত রান্না নিজের হাতে করেছি।দায়িত্ব নিয়ে খুব ভালোবেসেই করেছি।এক মাত্র ননদ কিনা আমার!হঠাৎ ই মনে পাহাড় সমান আফসোস নিয়ে মনে একটা প্রশ্ন উঁকি দিলো,-'মামার মুখে শুনেছি আমিও নাকি আমার মায়ের একমাত্র মেয়ে ছিলাম।বাবা আমায় আদর করে রাজকন্যা বলে ডাকতো।হয়তো তার বিশাল কোনো রাজভান্ডার ছিলো না।কিন্তু তার ছোট্ট কুটিরের রাজরানী ছিলো আমার মা।আর তার রাজকন্যা আমি।খুব শখ করেই বাবা আমার নাম রেখেছিলেন রানী।আচ্ছা! আমিও তো অ'ন্তঃস'ত্ত্বা।এই তো দেখতে দেখতে ৫ টা মাস কেটে গেলো।আমার মা থাকলেও বুঝি এমন ঘটা করে আমার স্বাদের অনুষ্ঠান করতো!আমাকেও এমন ভাবে গরুর,মাং'স,খাসির মাং'স,চিংড়ি মাছের ভুনা নাক ডুবিয়ে খাওয়াতো।
-পেটে খুব ক্ষিদে। সকাল হতে শুকনো ক'টা চিড়ে ছাড়া পেটে কিছু পড়েনি।ক্ষুদার য'ন্ত্রণায় শরীর টা কেমন অস্থির অস্থির লাগছে।ছুটে গেলাম রান্না ঘরের দিকে।'দুপুরের আগে রান্নার কাজ শেষ করে গোসল করে রান্না ঘরে উঁকি দিতেই শুনতে পেলাম ফুপু শ্বাশুড়ি গলার স্বর।তিনি আমার শ্বাশুড়ির উদ্দেশ্যেে বলে উঠলেন,
-'রেহানা,তোমার বড় ছেলের বউ টাতো পোয়াতি।সেই সকাল থেকেই দেখছি এই শরীরে কত খাটা খাটনি করছে।আজ না হয় আমাদের মেয়ের সাথে তাকে বসিয়ে একটু ভালো মন্দ নিজের হাতে খাইয়ে দিও।বাপ মা ম'রা মেয়ে!ওর বা আর কি দোষ.........
ফুপুর মুখে পুরো কথা শেষ না হতে হতেই গর্জে উঠলেন আমার শ্বাশুড়ি মা।ভাতের হাড়ি থেকে চামচ উঠাতে উঠাতে বললেন,
-'এতো আহ্লাদ দেখায়েন না তো আপা।জন্মের কিছু বছর পরই বাপ মা কে খেয়েছে।তার এতো শখ আহ্লাদের কি আছে।অনাথ এতিমদের এতো আহ্লাদী হলে চলে না আপা।আপনি বরং খাবার গুলো টেবিলে নিয়ে যান।হাতে অনেক কাজ আমার।
শ্বাশুড়ির মুখে এমন কথা শুনে পেটের ক্ষিদে আর পেটে রইলো না।কোথায় যেনো উধাও হয়ে গেলো।আঁচলের কোনায় চোখ মুছতে মুছতে নিজের ঘরে চলে গেলাম।আরমান,আমার স্বামী তখন পেপার পড়তে ব্যস্ত। বেশ চুপচাপ স্বভাবের একজন গম্ভীর লোক।আমার ব্যপারে তার কোনো মাথা ব্যথা নেই।আমি খেলাম কি না খেলাম সে বিষয়ে তার কোনো কৌতুহল নেই বললেই চলে।আজকাল মাঝে মাঝে তো সেও আমাকে দু একটা কড়া কথা কথাও শুনিয়ে দেয়।তার অন্যান্য সহকর্মী রা বিয়ে করে নাকি শ্বশুর বাড়ির টাকা পয়সায় রাজার হালে থাকে।তার ছোটো ভাই।আমার দেবর।বেশ কিছুদিন হলো বিয়ে করেছে।প্রায় ই তার শ্বশুর বাড়ি থেকে এটা ওটা পাঠায়।এই তো আজ সকালেই আমার ছোটো জায়ের বাপের বাড়ি থেকে হরেক রকম বাজার সদাই করে পাঠিয়েছে রুবির স্বাদের অনুষ্ঠানে।এই জন্যই আমার ছোটো জা আমার শ্বাশুড়ির কাছে লক্ষীমন্ত্র।আর আমার স্বামী তো এ সব কিছু থেকে বন্চিত।আর সে তো একবেলা খাবারও পায় না শ্বশুরবাড়ির।
--'শুনেছি আমার যখন চার বছর বয়স তখন আমার বাবা মা রোড এক্সিডেন্টে মারা যায়।দুর্ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাই আমি।তখন থেকে খেয়ে না খেয়ে মামার ঘরেই এক কোনে পড়েছিলাম।বয়স বাড়তে লাগলো,মামার সংসারেও এক প্রকার বোঝা হয়ে দাড়ালাম।সারাদিন হাড় ভাঙা খাটুনি দিয়েও মামির মন জয় করতে পারিনি।শেষমেষ মামা মামির আড়ালে বেশ কষ্ট করেই পঞ্চাশ হাজার টাকা আর ৪ আনা স্বর্ন দিয়ে একজোড়া কানের দুল বানিয়ে রেখেছিলেন আমার বিয়ের জন্য। বিয়ের সময় টাকা আর কানের দুল আমার শ্বাশুড়ির মা'র হাতেই তুলে দেন মামা।বিয়ের পর আর কখনও সে বাড়িতে যাওয়া হয় নি আমার।মাঝে একদিন মামা এসেছিলেন।বাজার থেকে সস্তা মিষ্টি আনাতে বেশ অপমানিতও হতে হয়েছিলো তাকে ।তারপর থেকে আর মামা এ বাড়ি আসেন নি।শুনেছি সেদিন এ বাড়ি থেকে যাওয়ার দিন রাতেই মামা মারা গেছেন।মায়ের শেষ অং'শীদার মামাও যখন চলে গেলেন তখন আর আমার কে আছে এ পৃথিবীতে। তারপর থেকেই খেয়ে না খেয়ে শ্বাশুড়ি,স্বামীর অকথ্য কথা হজম করেই মুখ থুবড়ে পড়ে আছি এ বাড়িতেই।বিয়ের প্রায় বছর পেরুলো।
-'সন্ধ্যা তো গড়িয়ে গেলো।এতো ননীর পুতুল হলে হবে?বাসন গুলো পরিষ্কার করে রান্না ঘরে এসো এবার।অনেক কাজ পড়ে আছে।-'
শ্বাশুড়ির কথায় ভাবনার সুতো কা'টলো আমার।কল তলায় বসে বাসন পরিষ্কার করছিলাম।নিজেকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে কখন যে চোখের পাতা ভিজে উঠেছে বুঝতেই পারিনি।পেটে এখনও ভীষন ক্ষিদে।সকাল হতে আর কিচ্ছু খাওয়া হয় নি।এটো বাসন পরিষ্কার করতে করতে প্লেটের কোনায় কিছু উচ্ছিষ্ট খাবার চোখে পড়লো।গোটা দুয়েক আস্ত চিংড়ি মাছও পড়ে আছে প্লেটে।খুব লোভ হলো।ছোটো বেলা থেকে চিংড়ি মাছটা আমার খুব প্রিয়।তাই আর লোভ সামলাতে পারলাম না।পেটের যন্ত্রণায় এঁটো খাবার গুলো মুখে তুলে নিলাম।সাথে সাথে চোখ দুটো ভীষন বেপোরোয়া হয়ে উঠলো।নিজের অজান্তেই ডুকরে কেঁদে উঠলাম।আঁচলে মুখ চেপে খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে কেঁদে কেঁদে বলে উঠলাম,
-'মা,মাগো! অনাথদের বুঝি কোনো শখ আহ্লাদ থাকতে নেই?
মোবাইল ডেটায় চলছে না ফেসবুক-টেলিগ্রাম!
02/08/2024
__হঠাৎ অনু সামনে একটা গাড়ি এসে দাঁড়ালো। অনু অবাক হয়ে চেয়ে রইল গাড়িটির দিকে। গাড়ি থেকে খুব সুদর্শন এক পুরুষ বেরিয়ে এলো।
__কেমন আছো অনু তুমি? আমাকে চিনতে পারছো না।
__অনু সামনের পুরুষ টির দিকে অবাক হয়ে চেয়ে রইল। কারণ ও চিনতে পারছে না। তাই মাথা নাড়িয়ে বললো। না কে আপনি? আমি চিনতে পারছে না।
__অনুর এমন কথা শুনে পুরুষটি একটু আহত কন্ঠে বলে উঠলো। আমি তোমার কলেজের রিদ ভাইয়া" তুমি আমাকে চিনতে পারছো না। সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির মুখ থেকে এমন কথা শুনে অনু পাথর হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। তখনই আবার রিদ বলে উঠলো। কি হলো অনু তুমি কি এখন আমাকে চিনতে পারোনি।
__অনু জোরপূর্বক হাসার চেষ্টা করে বললো। হ্যাঁ চিনতে পেরেছি ভাইয়া কেমন আছেন? আমি ভালো আছি।
__আমিও ভালো আছে। তুমি কি এখন আমাকে ক্ষমা করতে পারোনি? আমাকে কি ক্ষমা করা যায় না। আমি সত্যি সে দিন চেয়ে ছিলাম সব কিছু ছেড়ে এসে তোমাকে বিয়ে করতে কিন্তু আমি পারিনি।
__অনু "রিদ কে থামিয়ে দিয়ে বলতে শুরু করলো। আমি ক্ষমা করার কেউ না আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করলেই আপনি ক্ষমা পাবেন। আর আমার কারর প্রতি কোন রাগ অভিমান বা ঘৃ'ণা নেই আমি সুখে আছি আমার জীবন নিয়ে খুব ভালো আছে। আমার পরিবার নিয়ে। তখনই একটা ৫-৬ বছরের ছেলে এসে অনুর হাত ধরে বললো।
__মাম্মা আমি চলে এসেছি। এবার আমরা পাপার অফিসে যাবো আইসক্রিম খেতে খেতে। অনু ছেলে কে দেখে হেসে বলল নিশ্চয়ই বাবা বলেই গাড়ির দিকে রওনা দিলো। যাওয়ার আগে একবার রিদের দিকে চেয়ে একটা দীর্ঘ শ্বাস ফেলে গাড়িতে উঠে পড়লো।
__রিদ দাঁড়িয়ে থেকে দেখল তার প্রিয়সি র সুখ। রিদের মুখে হাসি কিন্তু চোখ থেকে এক ফুটা পানি গড়িয়ে পড়লো মাটিতে। এটা হাসিটা হয়তো ভালোবাসার মানুষটার সুখ দেখে। আর কান্না টা হয়তো সে যা অন্যায় করেছে ভালোবাসার মানুষটাকে কষ্ট দিয়েছে তার বিনিময়ে পণ্য।
__কেনো আমাকে ভালোবাসলে না রিদ ভাইয়া"__সে দিন তোমার জন্য অনেক অপেক্ষা করেছিলাম যে তুমি আসবে। কিন্তু না তুমি আসোনি মৃত্যু যন্ত্রণা থেকেও সেদিন বেশি যন্ত্রণা হয়েছিল যেদিন তুমি আমায় ঠকিয়েছিলে। তবে ভালোবাসা সুন্দর তুমি কাউকে অবহেলা করে ছুড়ে ফেলবে যেমন। ঠিক তার বিপরীত মানুষটি যত্ন করে ভালোবেসে গজিয়ে রাখবো নিজের কাছে। আমিও সুখি রাহেতের সাথে জীবনের সব ভালোবাসা পেয়েছি আমি ওর কাজ থেকে।
___জীবনের ভালোবাসার মানুষ টির কাছ থেকে ঠকে যাওয়া মানুষটি জানে ভালোবাসা কতটা নির্মম__
__অনু এইসব ভাবছে তখনই। অনু কে নাড়া দিয়ে বলে ওঠে। ও মাম্মা চলো আমরা পাপার অফিসে চলে এসেছি। অতঃপর দুজনা অফিসের মধ্যে ঢুকে গেলো।
__কিছু সম্পর্কের নাম হয় না। কিছু কিছু সম্পর্ক ভালোবাসা" ব্যস্ততা পূর্ণ শহরের ফিকে হয়ে রং হারাই।__অবশেষে তার নাম হয় বিচ্ছেদ___
__ভালো থাকুক তারা যারা ভালোবাসে কে কি না নির্মম ভাবে হ'ত্যা করতে জানে।___ ভালো থাকুক তারা যারা ভালোবাসি বলেও ভালোবাসি না।
02/08/2024
একসময়ের রাজা—আজ কেবলই জাদুঘরের নিদর্শন!
২০০৩ সালে আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে খুঁজে পাওয়া প্রায় দুই হাজার বছর আগের প্রাকৃতিকভাবে সংরক্ষিত এই দেহের অংশটি ছিল লৌহ যুগের এক শাসকের। দেহে কেবল দুটো হাতই অবশিষ্ট ছিল, যার মধ্যে বাঁ হাতের বাহুতে অক্ষত একটি মাদুলি রাজমর্যাদার পরিচয় দেয়। দেহাবশেষটি ‘Old Croghan Man’ নামে আয়ারল্যান্ডের একটি জাদুঘরে সংরক্ষিত।
গুগলে ‘Old Croghan Man’ নামে অনুসন্ধান করে দেহাবশেষটি দেখতে পারেন। ইন্সটাগ্রাম/ফেসবুকের ‘কমিউনিটি গাইডলাইন’-জনিত নিরাপত্তায় ছবিটি শেয়ার করা হলো না।
02/08/2024
গর্ভে সাত মাসের সন্তান আর খেলাটা বিপজ্জনক! কিন্তু লড়াই ছাড়েননি! মিশরের নাদা হাফিজ এক আশ্চর্য মা, যিনি গর্ভে সন্তানকে ধরে, তাকে একইসাথে সাবধানতা শেখান, লড়াই শেখান, দৃঢ়তা শেখান, ক্ষিপ্রতা শেখান, উদ্যম শেখান...ঘুমন্ত শিশুটির কানে কানে বলে যান, "হাল ছেড়ো না, তুমি নাদার সন্তান!"
নাদা যেন সেই আদিম মা, যিনি এক হাতে বল্লম আরেক হাতে সন্তানের হাত ধরে গেঁথে ফেলছেন বিরাট ম্যামথ...
নাদা আজ পয়েন্টের নিরিখে হেরে গিয়েছেন। বিদায়ের আগেও কিন্তু মনোবল হারান নি। বরং জানিয়ে গেছেন এক অদ্ভুত কথা;
“What appears to you as two players on the podium, were actually three! It was me, my competitor, and my yet-to-come-to-our-world little baby!”
আসলে নাদারা থুড়ি মায়েরা হারতে জানেন না! সব হারজিত পয়েন্ট বা নম্বরেও হয় না।
গ্যালারিতে থাকা দর্শকের দিকে এগিয়ে যেতে যেতে সাকিব বলেন, ‘আপনি দেশের জন্য কী করেছেন।’ উত্তরে সাকিবকে সেই দর্শক বলেন, ‘আমি তো আর এমপি নই, আমি আমার পরিবার সামলাই।’
এতগুলো বাচ্চার প্রাণ কেড়ে নিয়েছেন, এই ক্ষত কোনো দিন সারবে না- বললেন রিজওয়ানা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Mirpur
Dhaka
1216