ফাঁসির আগে যা বলেছিলেন শহীদ আবদুল
কাদের মোল্লা
*******************************************
"আমার শাহাদাতের পর
যেন ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা চরম
ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়ে আমার রক্তকে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য
কাজে লাগায়। কোনো ধরনের ধ্বংসাত্মক
কর্মকাণ্ডে যেন জনশক্তি নিয়োজিত
না হয়।" বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফাঁসির
আগে ঢাকা কেন্দ্রীয়
কারাগারে পরিবারের
সদস্যরা শেষবারের
মতো দেখা করতে গেলে এসব কথা বলেন
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কাদের
মোল্লা। জামায়াতের এক সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এ সময় কাদের
মোল্লা ইসলামী আন্দোলনের কর্মী ও
দেশবাসীর প্রতি সালাম জানান।
তিনি বলেন, "যারা আমার জন্য আন্দোলন
করতে গিয়ে জীবন দিয়েছে আমি তাদের
শাহাদাত কবুলিয়াতের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করি এবং তাদের পরিবারের
প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করি। আল্লাহ
তাদের সর্বোত্তম পুরস্কার দান করুন। আমি আগেই বলেছি, সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে এ
সরকার আমাকে হত্যা করতে চাইছে।
আমি মজলুম, আমার অপরাধ
আমি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃত্ব
দিয়েছি। শুধু এ কারণেই এ সরকার
আমাকে হত্যা করছে। আমি আল্লাহ, রাসুল ও কোরআন-সুন্নাহে বিশ্বাসী।
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমার এ মৃত্যু
হবে শহীদি মৃত্যু। আর শহীদের স্থান
জান্নাত ছাড়া আর কিছু নয়। আল্লাহ
আমাকে শাহাদাতের মৃত্যু
দিলে এটা হবে আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ পাওয়া। এর জন্য
আমি গর্বিত।" তিনি আরো বলেন, "আমি বিশ্বাস করি,
জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহ। আমাকে ১০
তারিখ রাতেই সরকার
হত্যা করতে চেয়েছিল। কিন্তু আল্লাহ
তায়ালা সেদিন আমার মৃত্যু নির্ধারণ
করেননি। যেদিন আল্লাহর ফায়সালা হবে সেদিনই আমার মৃত্যু হবে।
প্রত্যেক প্রাণীরই মৃত্যু আছে। আমাকেও
মরতে হবে। শহীদি মৃত্যুর চেয়ে বড়
সৌভাগ্য আর কিছু নয়। আজীবন
আমি সে মৃত্যু কামনা করেছি, আজও করছি।" তিনি তার কর্মীদের উদ্দেশে বলেন,
"শাহাদাতের রক্তপিচ্ছিল পথ
ধরে অবশ্যই ইসলামের বিজয় আসবে।
আল্লাহ যাদের সাহায্য করেন তাদের
কেউ দাবিয়ে রাখতে পারে না।
আমি বিশ্বাস করি, আমার প্রতি ফোঁটা রক্ত ইসলামী আন্দোলনের
অগ্রযাত্রাকে তীব্র থেকে তীব্রতর
করবে এবং জালেম সরকারের পতন
ডেকে আনবে।" কাদের মোল্লা আরো বলেন,
"খবরে দেখেছি ১০ বছরের শিশুদের
হত্যা করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের
কর্মীদের রক্তে ভাসছে দেশ। এই রক্তের
বদলা অবশ্যই আল্লাহ দেবেন।
আমি মোটেই বিচলিত নই। আমি দেশবাসীর দোয়া চাই। আমার
জীবনের বিনিময়ে যেন
ইসলামী আন্দোলন, দেশের স্বাধীনতা-
সার্বভৌমত্বকে আল্লাহ হেফাজত করেন।"
খালিদের তলোয়ার - Khalider toloyar
খালিদের তোলয়ার - Khalider toloyar আমাদের উদ্দেশ্য একটি সোনালী সমাজ বিনির্মাণ এবং মজলুম মানবতাকে মুক্তি দিয়ে একটি কল্যাণকর সমাজ তৈরি করা ।
04/02/2014
মিসরের কারাবন্ধী এই সকল নেতাদের এক কথা বন্দুকের চাইতে শান্তিপুর্ন আন্দোলন অনেক শক্তিশালী। যদিও ফলাফল আসতে দেরি হয়।
সেনা শাসন নিপাত যাক
04/02/2014
04/02/2014
ঐতিহাসিক রাবেয়া স্কয়ার
আবারো গর্জে উঠবে ইনশাল্লাহ
এক নজরে জেনে নিন বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানের পুরাতন নাম!
বর্তমান নাম →পুরাতন নাম
ঢাকা →জাহাঙ্গীরনগর
সোনারগাঁও →সুবর্ণগ্রাম
চট্টগ্রাম →ইসলামাবাদ/চট্টলা/চাটগাঁ
ময়নামতি →রোহিতগিরি
বরিশাল →চন্দ্রদ্বীপ/বাকলা
লালবাগ দূর্গ → তেহাবাগ দূর্গ
নোয়াখালী →সুধারামপুর/ভুলুয়া
ময়মনসিংহ →নাসিরাবাদ
কুমিল্লা →ত্রিপুরা
সিলেট →শ্রীহট্ট/জালালাবাদ
কুষ্টিয়া →নদীয়া
খুলনা →জাহানাবাদ
মুজিবনগর →বৈদ্যনাথতলা
বাগেরহাট →খলিফাতাবাদ
আসাদ গেট →আইয়ুব গেট
সাতক্ষীরা →সাতঘরিয়া
শেরে বাংলা নগর →আইয়ুব নগর
রাঙামাটি →হরিকেল
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ →নারিকেল জিঞ্জিরা
ফরিদপুর→ফতেহাবাদ
নিঝুম দ্বীপ →বাউলার চর
কক্সবাজার →ফালকিং
ফেনী →শমসের নগর
জামালপুর →সিংহজানী
গাইবান্ধা →ভবানীগঞ্জ
ডদিনাজপুর →গণ্ডোয়ানাল্যান্
বাহাদুর শাহ পার্ক →ভিক্টোরিয়া পার্ক
রাজবাড়ি →গোয়ালন্দ
বাংলা একাডেমী →বর্ধমান হাউজ
ভোলা →শাহবাজপুর
সিরডাপ কার্যালয় →চামেলি হাউজ
মুন্সিগঞ্জ →বিক্রমপুর
প্রধানমন্ত্রীর ভবন →গণভবন (করতোয়া)
চাঁপাই নবাবগঞ্জ →গৌড়
বঙ্গভবন →গভর্নর হাউজ
শেয়ার প্লীজ!
বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্কঃ
একটি সম্পর্ক বিবাহে রূপ দেবার জন্য স্বাভাবিক কারনেই
পরস্পরের প্রতি আকর্ষন প্রয়োজন। পরস্পরের
সন্মতি অথবা ব্যাতিরেকেই যৌনসম্পর্ক স্থাপন করা যায়।
বিবাহ বহির্ভূত যৌনসম্পর্ক স্থাপনে মুসলমানদের কঠোর
ভাবে নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। আর যেহেতু পারস্পারিক
ঘনিষ্ঠতা থেকে বিপরিত লিংগের প্রতি আকর্ষন অনুভূত আর
তার থেকে যৌনসম্পর্ক স্থাপিত হয়। মুসলিমদেরকে এর জন্য
তাদের আচার ব্যাবহার পোষাক আশাকে শালীনতা বজায়
রাখতে বলা হয়েছে।
অবিবাহিত যুবক
যুবতীদেরকে একত্রে নির্জনে একলা সময় কাটাতে নিষেধ
করা হয়েছে, যাতে করে অবাঞ্ছিত সমস্যা এড়ানো যায়।
বিবাহ বহির্ভুত যৌনসম্পর্কের কুফলের মধ্যে, অনাকাংখিত
গর্ভধারন, যৌন রোগ, পরিবার বিভাজন, বিবাহ বিচ্ছেদ
(পরকীয়া কালিন) ও শাররীক ও মানসিক
বিপর্যস্ততা অন্যতম।
ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্মেও প্রাক
বিবাহ ও বিবাহ পরবর্তী পরকীয়া অনুতসাহিত
করা হয়েছে এবং পাপ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। মুসলমান
গন বিশ্বাস করে, আল্লাহ মানুষের মংগল কামনা করেন বলেই
বিভিন্ন নিয়ম ও আঈন প্রনয়ন করেছেন। এই রকম বিশ্বাসের
কারনেই মুসলমান গন মদ পান করেন না,
কারন আল্লাহ
বলেছেন 'মদ ও জুয়া সম্পর্কে লোকে তোমাকে প্রশ্ন করে।
বল, এতুদভয়ে শক্ত গুনাহ, এতে মানুষের উপকারও নিহিত,
কিন্তু উভয়ের গুনাহ উপকার
অপেক্ষা অধিক.........।"সুরা বাকারাঃ আয়াত ২১৯
"আর যে আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পন করিল, বস্তুত
সে সদাচারী, অবশ্যই সে সুদৃঢ হাতল ধারন করিল, আর
আল্লাহর নিকটই সমগ্র কর্মের পরিনতি"
সুরা লুকমানঃ আয়াত ২২
করছো গুলি ফেলছো লাশ,
সাবাশ পুলিশ বাহিনী সাবাশ!
যাদের টাকায় চলছে সংসার,
তাদের উপর এতো অত্যাচার?
অনেক পরিবার করছো ধ্বংস,
এটাই তোমার সেবার অংশ?
বিবেক বুঝি পোশাকে গেছে ঢেকে!
অনুভূতিহীন গুলিটাই যাচ্ছে থেকে।
ধিক্কার জানাই তোমাকে ধিক্কার,
দেশের বন্ধু নও তুমি, বন্ধু হাসিনার।
অপরাধ করে কেউ পায়নি পার,
তোমার ঠিকানা হবে তোমার কারাগার।
ফ্যান পোষ্ট
10/11/2013
স্মরণ করুন ১৯২৪ সালে খিলাফত ধ্বংস হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কিভাবে ইসলামী রাষ্ট্রটি ইসলাম এবং রাসুলের (স) মান সম্মানের হেফাজত করে আসছিল। আপনাদের শুধুমাত্র একটি ঘটনা মনে করিয়ে দিতে চাই। আশা করি বোঝার জন্য একটি ঘটনাই যথেষ্ট।
১৮৮৯সালে ফ্রান্স রাসুলকে (স) অপমান করে একটি নাটক মঞ্চস্থ করার সিদ্ধান্ত নেয়। নাটকটির রচয়িতা ছিল ফ্রেঞ্চ কবি হেনরি.ডি.বরনিয়ার। কিন্তু সেই সময়ে মুসলিম উম্মাহর খলিফাহ সুলতান দ্বিতীয় আব্দুল হামিদ নাটকটি বন্ধ করার জন্য ফ্রান্সকে নির্দেশ দেন এবং এর অন্যথা হলে জিহাদে আকবর(সশস্ত্র জিহাদ) ঘোষণার হুমকি প্রদান করেন। আর এতেই তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি ফ্রান্স ভীত হয়ে নাটকটি মঞ্চস্থ করা থেকে সরে আসে।
পরবর্তীতে ফ্রান্সকে অনুসরণ করে ব্রিটেনও ঐ নাটকটি মঞ্চস্থ করতে উদ্যোগ নেয় , কিন্তু সেবারও খলিফার হুঙ্কারে তারা তা করতে সক্ষম হয়নি। দেখুন খিলাফতের একেবারে শেষের দিকের দুর্বলতম সময়েও ইসলামী রাষ্ট্র কিভাবে ইসলাম এবং রাসুল (স) এর মান ইজ্জতের হিফাজত করেছিল। এছাড়া সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবি এবং সুলতান নুরুদ্দিন জঙ্গির সময়ের ঘটনাগুলো দেখুন। সেখানেও দেখতে পাবেন রাসুলের(স) সম্মান রক্ষায় কেমন করে ইসলামী খিলাফত বাস্তবধর্মী এবং কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছিল।
10/11/2013
মা`শা আল্লাহ !
আমেরিকার কারাগারে বন্দী ডা. আফিয়া সিদ্দীকির ছেলে আহমাদ কালামে পাক কোরানের হাফেজ হলেন ।
07/11/2013
dhaka college er kolabagan sakhar ek sathi south south puruskar peyecen .
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka