08/05/2019
যে কোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কমন পড়ার উপযোগী বিজ্ঞান বিষয়ের 88টি খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তরঃ
----------------------------------
1) পাকা কলায় কি থাকে ? ➟ এমাইল এসিটেট
2) পাকা আনারসে কি থাকে ? ➟ ইথাইল এসিটেট
3) পাকা কমলায় কি থাকে ? ➟ অকটাইল এসিটেট
4) টমেটোতে কোন এসিড থাকে ? ➟ ম্যালিক এসিড
5) লেবুর রসে কোন এসিড থাকে ? ➟ সাইট্রিক এসিড
6) আপেলে কোন এসিড থাকে ? ➟ ম্যালিক এসিড
7) তেঁতুলে কোন এসিড থাকে ? ➟ টারটারিক এসিড
8) আমলকিতে কোন এসিড থাকে ? ➟ অক্সালিক এসিড
9) আঙ্গুরে কোন এসিড থাকে ? ➟ টারটারিক এসিড
10) কমলালেবুতে কোন এসিড থাকে ? ➟ এসকরবিক এসিড
11) দুধে কোন এসিড থাকে ? ➟ ল্যাকটিক এসিড
12) কচু খেলে গলা চুলকায় কেন ? ➟ কারণ কচুতে ক্যালসিয়াম অক্সালেট থাকে ।
13) রেকটিফাইড স্পিরিট কি ? ➟ 95.6% ইথাইল এলকোহল এবং 4.4% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে ।
14) ডিডিটির পূর্ণরূপ কি ? ➟ ডাই-ক্লোরো-ডাই-
ফিনাইল-ট্রাই-ক্লোরো-ইথেন
15) টিএনটির পূর্ণরুপ কি ? ➟ ট্রাই নাইট্রো টলুইন
16) সাবানের রাসায়নিক নাম কি ? ➟ সোডিয়াম স্টিয়ারেট
17) টেস্টিং সল্ট এর রাসায়নিক নাম কি ? ➟ সোডিয়াম মনোগ্লুটামেট
18) পেট্রোলের অপর নাম কি ? ➟ গ্যাসোলিন
19) সিরকায় কোন এসিড থাকে ? ➟ এসিটিক এসিড
20) একোয়া রেজিয়া বা রাজঅম্ল কি ? ➟ এক মোল গাঢ় নাইট্রিক এসিড এবং তিন মোল গাঢ় হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মিশ্রণকে রাজ অম্ল বলে ।
21) বেকিং পাউডার কি ? ➟ সোডিয়াম বাই কার্বনেট , এলুমিনিয়াম সালফেট ও পটাসিয়াম হাইড্রোজেন টারটারেটের মিশ্রণকে বেকিং পাউডার বলে ।
22) লাফিং গ্যাস কি ? ➟ নাইট্রাস অক্সাইডকে লাফিং গ্যাস বলে । এটি হাস্য উদ্দীপক ।
23) দার্শনিকের উল কি ? ➟ জিঙ্ক অক্সাইড দার্শনিকের উল নামে পরিচিত ।
24) সাপের বিষে কোন ধাতুর অনু থাকে ? ➟ জিংক
25) কোন ধাতুর উপর আঘাত করলে শব্দ হয় না ? ➟ এন্টিমনি
26) বিজারক হিসেবে ক্রিয়া করে এমন একমাত্র অধাতু কোনটি ?
➟ কার্বন
27) নির্বোধের সোনা কি ? ➟ আয়রণ ডি সালফাইড
28) সবচেয়ে সক্রিয় ধাতু কি ? ➟ পটাসিয়াম
29) স্বাদে মিস্টি অথচ কার্বোহাইড্রেট নয় কোনটি ? ➟
গ্লিসারিন
30) কোন বিজ্ঞানী পরীক্ষাগারে সর্বপ্রথম জৈব যৌগ
প্রস্তুত করেন ? ➟ জার্মান বিজ্ঞানী উহলার
31) বিশুদ্ধ সালফিউরিক এসিডের অপর নাম কি ? ➟ সালফান
32) প্রস্রাব থেকে যে গন্ধ আসে তা কিসের ? ➟
এমোনিয়ার
33) একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দেহে কোষের সংখ্যা
কত ? ➟ ছয় লক্ষ কোটি থেকে দশ লক্ষ কোটি34) জীবকোষের কোথায় প্রোটিন সংশ্লেষিত হয় ? ➟
প্রোটিন ফ্যাক্টরি খ্যাত রাইবোজমে প্রোটিন সংশ্লেষিত
হয় ।
35) কোন জীবে সবচেয়ে কম সংখ্যক
ক্রোমোসোম থাকে ? ➟ এক ধরনের পুরুষ পিঁপড়ায় ১টি এবং স্ত্রী পিঁপড়ায় ২টি
36) কোন উদ্ভিদে সর্বাধিক ক্রোমোসোম থাকে ? ➟
ফার্ণবর্গীয় উদ্ভিদে প্রায় ১২৬০টি
37) মাছিতে কয়টি ক্রোমোজোম থাকে ? ➟ ১২ টি
38) কুকুরে কয়টি ক্রোমোজোম থাকে ? ➟ ৭৮টি
39) গরু ছাগলে কয়টি ক্রোমোজোম থাকে ? ➟ ৬০টি
40) ধান গাছে কয়টি ক্রোমোজোম থাকে ? ➟ ২৪ টি
41) ব্যাঙে কয়টি ক্রোমোজোম থাকে ? ➟ ২২টি
42) মুরগীতে কয়টি ক্রোমোজোম থাকে ? ➟ ৭৮টি
43) ভেড়াতে কয়টি ক্রোমোজোম থাকে ? ➟ ৫৪টি
44) DNA তে কি থাকে না ? ➟ ইউরাসিল থাকে না ।
45) RNA এর প্রধান কাজ কি ? ➟ প্রোটিন তৈরী
46) RNA তে কি থাকে না ? ➟ থায়ামিন থাকে না ।
47) মানবদেহে জিনের সংখ্যা কত ? ➟ ৪০০০০
48) ভাইরাসজনিত রোগগুলো কি কি ? ➟ হাম , বসন্ত , পোলিও, ইনফ্লুয়েঞ্জা , জলাতঙ্ক , হার্পিস , মাম্পস , এইডস , হেপাটাইটিস ইত্যাদি ।
49) ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগগুলো কি কি ? ➟ কলেরা ,টাইফয়েড , কুষ্ঠ , যক্ষ্মা , ডিপথেরিয়া , নিউমোনিয়া ইত্যাদি ।
50) মরুভূমিতে জন্মানো উদ্ভিদকে কি বলে ? ➟
জেরোফাইট
51) সূর্যালোকিত বর্ষায় ধান গাছের সালোক সংশ্লেষণের হার কিসের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় ? ➟ কার্বন ডাই অক্সাইডের ঘনত্ব হতে
52) টিকটিকির লেজ খসে যাওয়ার কারণ কি ? ➟ ভয় পেলে
টিকটিকির লেজ খসে
53) বিশ্বের সবচেয়ে বিষাক্ত প্রাণীর নাম কি ? ➟ Sea Wasp বা সমুদ্র বোলতা এরা একধরনের জেলী ফিস
54) এমিবা শব্দের অর্থ কি ? ➟ সর্বদা পরিবর্তনশীল
55) প্রোটোজোয়া শব্দের অর্থ কি ? ➟ প্রথম প্রাণী
56) কোন পশু শব্দ করতে পারেনা ? ➟ জিরাফ
57) নিউমোনিয়া রোগের পরোক্ষ কারণ কি ? ➟ গোলকৃমি
58) রাতের বেলা বিড়াল ও কুকুরের চোখ জ্বলজ্বল করে
কেন ? ➟ টেপেটোম নামক রঞ্জক কোষের কারণে ।
59) মস্তিস্কের পর্দার নাম কি ? ➟ মেনিনজেস
60) হৃদপিন্ডের পর্দার নাম কি ? ➟ পেরিকার্ডিয়াম
61) ফুসফুসের পর্দার নাম কি ? ➟ প্লুরা
62) যকৃতের পর্দার নাম কি ? ➟ গ্লিসনস ক্যাপসুল
63) অস্থির পর্দার নাম কি ? ➟ পেরি অস্টিয়াম
64) তরুণাস্থির পর্দার নাম কি ? ➟ পেরিকার্ডিয়াম
65) স্নায়ুতন্ত্রেরগাঠনিক একক কি ? ➟ নিউরন
66) রেচনতন্ত্রের গাঠনিক একক কি ? ➟ নেফ্রন
67) কংকালতন্ত্রের গাঠনিক একক কি ? ➟ অস্থি
68) যকৃতের গাঠনিক একক কি ? ➟ হেপাটোসাইট69) মাংসপেশীর গাঠনিক একক কি ? ➟ মায়োসাইট
70) ফুসফুসের গাঠনিক একক কি ? ➟ এলভিওলাই
71) মানবদেহে পানির পরিমাণ কত শতাংশ ? ➟ ৬০% থেকে ৭০%
72) মানবদেহে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি ? ➟
হাইপোথ্যালামাস
73) কোন রস যা শর্করা ও আমিষ উভয়কে পরিপাক করে ? ➟ অগ্ন্যাশয় রস
74) মানুষের লালায় কোন এনজাইম থাকে ? ➟ টায়ালিন
75) কোন জারক রস পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাধায় ? ➟ রেনিন
76) HCL কোন কোষ থেকে নিঃসৃত হয় ? ➟ প্যারাইটাল কোষ
77) দুধ দাঁত কয়টি ? ➟ ২০ টি
78) ক্ষুদ্রান্ত্রেরদৈর্ঘ্য কত ? ➟ ৬ মিটার
79) পিত্তের বর্ণের জন্য দায়ী কি ? ➟ বিলিরুবিন
80) বিলিরুবিন কোথায় তৈরী হয় ? ➟ প্লিহায়
81) মানব চক্ষুতে কোন ধরনের লেন্স বিদ্যমান ? ➟
উভোত্তল
82) একটি বৃক্কে নেফ্রনের সংখ্যা কত ? ➟ প্রায় ১০ লক্ষ
83) মানুষের শরীরে মোট হাড়ের সংখ্যা কত ? ➟ ২০৬ টি
84) রক্তের সার্বজনীন দাতা গ্রুপ কি ? ➟ O
85) রক্তের সার্বজনীন গ্রহীতা কোন গ্রুপ ? ➟ AB
86) একজন মানুষের শরীরে কি পরিমান রক্ত থাকে ? ➟ দেহের ওজনের ৭ শতাংশ
87) আমিষের অভাবে মানুষের কি রোগ হয় ? ➟
কোয়াশিয়রকর
88) কোন ভিটামিনের অভাবে স্কার্ভি রোগ হয় ? ➟ ভিটামিন সি
শেয়ার করে সংগ্রহে রাখুন৷ সৌজন্যে- গাজী অনলাইন স্কুল।
19/04/2019
চাকুরী পাওয়ার ছয়টি দরকারী টিপস-
সাধারনত সবাই চায় একটা সরকারী চাকরি পেতে। টাকা থেকে শুরু করে ছুটি ও অন্যান্য সুবিধা, সব দিক থেকেই সরকারী চাকুরীর জুড়ি নেই। তারপর আবার অবসরের পর ভালো অঙ্কের পেনশন- এইটা সরকারী চাকরি ছাড়া আর কোথাও সম্ভব নয়। তাই সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষদের সরকারী চাকুরী পাওয়ার জন্য এতো ছোটাছুটি। সরকারী চাকরি পাওয়ার জন্য আপনাকে অনেকগুলো টিপস ফলো করতে হবে। চলুন এই রকম ছয়টি টিপস জেনে নেই-
১. যথেষ্ট সময় দিন
সরকারী চাকরি যেহেতু খুবই কাঙ্ক্ষিত একটি ক্ষেত্র, তাই এখানে প্রতিযোগিতা অনেক। সেখান থেকে আপনাকে চাকরিটা পেতে হবে। তাই তার জন্য দরকার প্রস্তুতি। আপনাকে নিজেকে সময় দিতে হবে আর কঠিন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। নির্দিষ্ট সময় মেনে পড়তে হবে আর প্র্যাকটিস করতে হবে। তাই সরকারী চাকরি পাওয়ার জন্য একটা দীর্ঘদিনের পরিশ্রম লাগে।
২. উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান দেখুন
দেখুন সরকারী চাকরি আপনি বাড়িতে বসেই প্রস্তুতি নিয়ে হয়তো পেতে পারেন। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে যোগ দিয়ে সেখান থেকে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ নিলে তা আরও ভালো। দেখুন কোনো প্রতিষ্ঠানে থাকে নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ দেওয়ার মতো প্যানেল, তাঁরা জানেন উপযুক্ত পদ্ধতি। আর সেখানে পরীক্ষাও নেওয়া হয় নির্দিষ্ট সময়ে,সেটা আপনার প্রস্তুতিতে সাহায্য করবে।
৩. কোন চাকরি করবেন সেটা দেখুন
দেখুন অনেকে ভাবেন যেহেতু সরকারী চাকরির প্রশ্নপত্রের প্যাটার্ন মোটামুটি একইরকম, তাই নির্দিষ্ট কোনো চাকরী না দেখে সবগুলোতেই দিলে হয়। একটা না একটা তো হয়েই যাবে। কিন্তু এখানেই ভুল। আপনাকে বাছতে হবে আপনি কোন চাকরীর জন্য পড়বেন,কারণ উচু পদের জন্য আশা করলে পথ কিন্তু আলাদা আলাদা হয়।তাই প্রস্তুতিও আলাদা হবে। তাই কোন চাকরী আপনি করবেন সেটা ভাবুন আর নিজেকে বুঝুন আপনি কোন কাজের জন্য উপযুক্ত।
৪. ইন্টারভিউতে যান
আপনি হয়তো একবারেই সরকারী চাকরি পাবেন না। আবার হয়তো লেখা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও ইন্টারভিউতে চান্স পেলেন না। এতে কিন্তু একদম ঘাবড়ে যাবেন না। বরং বারবার ইন্টারভিউ দিন। প্রশ্নের সম্মুখীন হোন আর ব্যর্থ হলেও খারাপ লাগাবেন না। যতবার ইন্টারভিউ দেবেন, ততবার আপনার বলার দক্ষতা আর পার্সোনালিটি বাড়বে। তা আপনাকে একসময় সাহায্য করবে।
৫. আপ টু ডেট থাকুন
দেখুন সরকারী চাকরি করতে হলে আপনাকে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। কখন কোথায় কি হচ্ছে সেটা আপনাকে খেয়াল রাখতেই হবে। চাকরির পরীক্ষার জন্য তো বটেই,চাকরি পাওয়ার পরেও পদন্নোতির জন্যও এটা খুব দরকার। আপনাকে চাকরি ক্ষেত্রেও হয়তো অনেকসময় অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হতে পারে যা আপনি আপনার আপডেটেড থাকার ব্যাপার দিয়ে মিটিয়ে ফেলতে পারেন।
৬. সি.ভি তৈরি করুন
ভালো করে সি.ভি তৈরি করতে হবে আজকের দিনে। দেখুন আজকের দিনটাই এমন নিজের ঢাক নিজেকেই পেটাতে হয়। তাই খুব সুন্দর করে আপনার রিজিউম তৈরি করুন। তাতে ভালো ভালো কথা লিখুন। সঠিক পদ্ধতি মানুন রিজিউম করার আর যতটা পারবেন প্রফেসনালি করুন। দেখবেন তা আপনার চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বাড়িয়ে দেবে।
আশা করি এই কয়েকটি টিপস ফলো করলে আপনার জীবনে সরকারী চাকরি অবশ্যই আসতে পারে। আপনি শুধু নিজের থেকে চেষ্টা করুন আপনার সাধ্যমতো, বাকীটা হয়েই যাবে।
11/02/2019
# পড়া মনে রাখার গুরুত্বপূর্ণ কৌশল গুলো জেনে নাও .............
বেশির ভাগ শিক্ষার্থীকে বলতে শোনা যায়, ‘পড়া মনে থাকে না’ অথবা ‘যা পড়ি তা-ই ভুলে যাই। পড়া মনে না থাকা নিয়ে কম-বেশি হতাশায় ভুগে নাই এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন ব্যাপার। এই বিষয়টি নিয়ে আমাদেরকে বেশি হতাশ হওয়া উচিত না । এ জাতীয় সমস্যা থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাওয়া যাবে যদি আমরা কিছু কৌশল মেনে চলি। এই রকম দশটি কৌশল নিয়ে নিচে আলোচনা করা হল।
১। নিমনিক তৈরী করাঃ
আমাদের ব্রেইন আগোছালো জিনিস মনে রাখতে পারে না। তাই কোন কিছু সাজিয়ে শীট আকারে পড়লে অথবা কবিতার ছন্দ বানিয়ে পড়লে তা সহজেই মনে রাখা যায়। পড়া মনে রাখার এই কৌশল কে নিমনিক (mnemonic) বলা হয়।
২। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানোঃ
গবেষণায় দেখা গেছে, পড়া মনে রাখার জন্য পড়ালেখার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানোও জরুরি। সাধারণত একজন সুস্থ ব্যক্তির দিনে ৮ ঘন্টার মত ঘুমানো উচিত। এর থেকে কম ঘুমালে পড়া মনে রাখার ক্ষমতা কমে যায়।
৩। পড়তে বসার আগে ১০ মিনিট হাঁটাঃ
পড়ার টেবিলে বসার পূর্বে ১০ মিনিট হাঁটলে বা হালকা ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এতে পড়া মনে রাখতে বেশ সুবিধা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, পড়ার পূর্বে ১০ মিনিট হাঁটলে বা হালকা ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা প্রায় ১০ শতাংশ পরিমাণ বেড়ে যায়। তাহলে একটু হাঁটার পরেই শুরু হোক পড়ালেখা।
৪। বেশি বেশি পড়া ও অনুশীলন করাঃ
আমাদের ব্রেইন ক্ষণস্থায়ী স্মৃতি গুলোকে তখনই দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতিতে পরিণত করে যখন তা বারবার চর্চা করা হয়। বারবার চর্চা করার ফলে ব্রেইনের স্মৃতি গঠনের স্থানে গাঠনিক পরিবর্তন হয় যা দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি তৈরীতে সাহায্য করে। তাই বেশি বেশি পড়া ও অনুশীলন করা পড়া মনে বেশি থাকে।
৫। পড়ার প্রতি আকর্ষণ অনুভব করাঃ
আকর্ষণীয় উপায়ে পড়ার চেষ্টা করতে হবে। এতে পড়া সহজে মনে থাকবে।যে বিষয়টি পড়ব তার প্রতি আকর্ষণ জাগাতে হবে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, মানুষ কোন কিছুর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করলে তা সহজেই মস্তিষ্কে মেমরি বা স্মৃতিতে রূপান্তরিত হয়ে যায় এবং তা স্মৃতিতে দীর্ঘস্থায়ী হয়।
৬। রঙ্গিন কলম ব্যবহার করে দাগিয়ে পড়াঃ
আমাদের মধ্যে অনেক শিক্ষার্থী গুরুত্বপূর্ণ লাইন দাগিয়ে পড়ে। এটাও পড়া মনে রাখতে বেশ সহযোগীতা করে। দাগিয়ে পড়ার ফলে কোন শব্দ বা বাক্যের প্রতি আকর্ষণ ও আগ্রহ বেড়ে যায়। পাশাপাশি এর উপর ব্রেইনের ভিজ্যুয়ালিটি ইফেক্টও বেড়ে যায় । যা পড়াকে মনে রাখতে খুব সহায়তা করে।
৭। লিখে লিখে পড়ার অভ্যাস করাঃ
কোন জিনিস পড়ার সাথে সাথে লিখলে পড়ার প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায়। কারন নিউরো বিজ্ঞানের মতে, কিছু লিখলে ব্রেইনের অধিকাংশ জায়গা উদ্দীপিত হয় এবং লেখাটিকে স্থায়ী মেমরিতে রূপান্তরিত করে ফেলে। ফলে পড়াটি মস্তিষ্কতে দীর্ঘস্থায়ী হয়। সাধারণভাবেও বুঝা যায়, বইতে যেসব বিষয় ছবি দিয়ে ব্যাখ্যা করা হয় তা-ই আমাদের বেশি মনে থাকে। পরীক্ষার সময়ও চোখের সামনে বইয়ের ছবিটিই ভেসে উঠে। তাই লিখে বা ছবি এঁকে পড়া অনেক কার্যকর একটি পদ্ধতি।
৮। কনসেপ্ট ট্রি ব্যবহার করে পড়াঃ
যে কোন বিষয় পড়ার আগে অধ্যায়গুলোকে কয়েকটি অংশে ভাগ করে নিলে পড়তে সুবিধা হয়। একে একটি গাছের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। গাছটিকে একটি অধ্যায় বিবেচনা করে প্রতিটি পাতায় অংশ গুলোর একটি করে সারমর্ম লিখে পড়লে পড়া মনে রাখতে সহজ হয়। এ পদ্ধতিকে কনসেপ্ট ট্রি বলা হয়। পড়া মনে রাখতে এটি বেশ কার্যকর একটি পদ্ধতি।
৯। পড়ার জন্য সঠিক সময় নির্বাচন করাঃ
আমাদের মধ্যে অনেকেরই ধারণা সারাদিন-সারারাত শুধু পড়লেই পড়া বেশি মনে থাকে। ভালো ছাত্র হওয়া যায়একটি পদ্ধতি। এটা একটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। কারণ সবসময় আমাদের মষ্তিষ্ক (ব্রেইন) একইভাবে কাজ করতে পারে না। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, বিকালের পর আমাদের ব্রেইনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। তাই বিকালের পরে অর্থাৎ সন্ধ্যায় বা রাতে পড়া বেশি কার্যকর হয়।
১০। যা পড়েছি তা অন্যকে শেখানোঃ
পড়া মনে রাখার জন্য প্রাচীনকাল থেকেই এ পদ্ধতিটি বেশ জনপ্রিয়। নিজে যা পড়েছি বা শিখেছি তা অন্যকে শেখানোর মাধ্যমে মস্তিষ্কে আরো ভালোভাবে গেঁথে যায়। তাছাড়া অন্যকে শেখানোর ফলে নিজের দক্ষতা প্রকাশ পায়। পড়াটি ভালভাবে আয়ত্ত হয়েছে কিনা তাও বুঝা যায়।
সৌজন্যেঃ গাজী অনলাইন স্কুল।
20/12/2018
প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত 2 মিনিট সময় নিয়ে পড়েনঃ-
-ঃ চলুন ইংরেজি শিখিঃ-
1. এক অপুর্ব সুন্দরী নারী এক কৃষককে বলল আমি তোমাকে বিবাহ করিব।
Ans: A beautiful woman said to a farmer that I'll marry you
2. কৃষক-তো নারীর চেহারা দেখে পাগল।
Ans: The farmer was crazy after seen her beauty.
3. কৃষক দেরি না করে নারীকে নিয়ে কাজী অফিস গিয়ে বলল তাড়াতাড়ি আমাদের বিবাহ দাও।
Ans: Without being late the farmer went to the marriage register / Kaji office & said that complete our marriage quickly.
4. কাজী নারীর চেহারা দেখে সে নিজেও
পাগল।
Ans: The kaji were also crazy, seeing the face of woman.
5. কাজী বলে আরে বেটা কৃষক, তুই তো এই
নারীর উপযুক্তই না,আমি বিবাহ করিব।
Ans: The kaji said to the farmer that you don't
deserve her, I'll marry her
6. কৃষক আর কাজীর মধ্য ঝগড়া লেগে গেল।
Ans: Kaji & farmer were quarreling with each other.
7. এক পর্যায়ে কৃষক আর কাজী বিচার নিয়ে গেল বাদশাহের দরবারে।
Ans: In that case farmer & kaji had gone to king for justice.
8. বাদশাহ নারীর চেহারা দেখে সে নিজেও
পাগল।
Ans: The king were also crazy,seen the beauty of woman.
9. বাদশাহ বলেন তোরাতো দুই জনই এই নারীর অযোগ্য, বিবাহ আমি করিব।
Ans: The king said that both of you don't deserve this woman, I'll marry her.
10. তখন নারীকে বলা হল তুমি সিদ্ধান্ত দাও কাকে বিবাহ করিবে?
Ans: Then said to the woman that you give the
decision whom do you want to marry?
11. নারী সিদ্ধান্ত দিল, যে আমাকে দৌঁড়ে ধরতে পারবে আমি তাকে বিবাহ করিব।
Ans: The woman decided that I will marry him who can catch me by run.
12. নারী দৌঁড় দিল পিছে পিছে কৃষক, কাজী ও বাদশাহ দৌড় দিল।
Ans: The woman was running & farmer, kaji and king were run after her.
13. দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে এক সময় ছটফট করতে করতে কৃষক মারা গেল।
Ans: Once the farmer was fall off & died for running.
14. তার কিছুদূর পর একই অবস্থায় কাজী টাও মারা গেল।
Ans: Then, after some distance the kaji also died in same situation.
15. বাদশাহ নারীকে বলেন এখন তো আমি একা, চল বিবাহ করিব।
Ans: The king said to the woman that now I'm
alone, let's go for marriage.
16. তবুও নারী বলে, না, আমাকে দৌঁড়ে ধরতে হবে।
Ans: Still the woman said that you have to catch me run by.
17. তখন বাদশাহ বলেন, হে নারী দাড়াও, বল, আসলে তুমি কে??
Ans: Then the king said that stop woman, tell me actually who are you?
18. নারী বলে আমি হলাম দুনিয়া।
Ans: The woman said that I'm the earth.
19. আমার মধ্যে আছে শুধু চাকচিক্য, মোহ আর লোভ-লালসা।
Ans: There are only glitter, fascination & greediness in me.
20. আমার পিছে যে দৌঁড়াবে সে শুধু এভাবেই মরবে বিনিময়ে কিছুই পাবে না!
Ans: Who will run after me, he will be died by this way, nothing will get in exchange! 😥😥😥😥😥 Collected
Courtesy By: Gazi Online School
18/12/2018
এক মিনিট সময় নিয়ে পড়ুনঃ
------------------------------------------
সময় ১৯৮৯ সাল____________
একদিন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির বিন মোহাম্মদ এর বুকে ভীষণ ব্যথা শুরু হল। পরে তাকে দ্রুত কুয়ালালামপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলো। হাসপাতালে পরীক্ষা করে ধরা পড়লো ধমনীতে চর্বি জমে ব্লক হয়ে গেছে।
এই জন্য ডাক্তাররা পরামর্শ দিল এনজিওপ্লাস্টি করতে হবে,
কিন্তু এনজিওপ্লাস্টি করার সুবিধা মালয়েশিয়াতে তেমন ভাল ছিল না। ডাক্তাররা তাকে পরামর্শ দিল পাশের দেশ সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে যাওয়ার ।
কিন্তু মাহাথির মোহাম্মদ তাতে রাজি হলেন না। বরং তিনি বেঁকে বসলেন।
মাহাথির মোহাম্মদ ডাক্তারদের উদ্দেশ্য করে বললেন, "কোন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান যদি অন্য দেশে চিকিৎসা নিতে যায়, এর অর্থই হলো তার নিজ দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা একদমই ভালো না।
এটা তার ব্যর্থতা এবং দেশের বদনাম।
বিদেশে গিয়ে আমি চিকিৎসা করাতে পারলেও আমার জনগণের তো সে সামর্থ নেই।
তিনি ডাক্তারদেরকে বললেন,“আপনারা বলুন কতদিনের ভিতর উন্নত এনজিওপ্লাস্টির প্রযুক্তি দেশে আনতে পারবেন?"
ডাক্তাররা অনেকবার তাকে বুঝালেন।
কিন্তু মাহাথির মোহাম্মদ তাঁর সিদ্ধান্তে অটল রইলেন।
উপায়ন্তর না দেখে মালয়েশিয়ার চিকিৎসকরাই করলেন তার হার্ট বাইপাস সার্জারী। সুস্থ হলেন তিনি।
এই ঘটনার তিন বছর পর... ১৯৯২ সালেই মাহাথির মোহাম্মদ এর চেষ্টায় স্থাপিত হয়েছিলো ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউট অব মালয়েশিয়া।
আরো দুই বার হার্ট এটাক হয়েছিল তার।
প্রতিবারই তিনি চিকিৎসা নিয়েছিলেন তার নিজের প্রতিষ্ঠিত হার্ট ইনস্টিটিউটে।
সৌজন্যেঃ গাজী অনলাইন স্কুল।
16/12/2018
“সময়ের মূল্যবুঝে করে যারা কাজ, তারা আজ স্মরণীয় জগতের মাঝ।”
আমরা বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন উপদেশ মূলক পোস্ট দেখে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি যে আগামীকাল থেকে সফল ব্যক্তিদের মত আমিও কঠোর পরিশ্রম করবো। সারাক্ষণ বই নিয়ে পড়বো।
এই জন্য হয়তো আমরা পড়ার রুটিন ও তৈরি করে থাকি। কিন্তু আর হয়ে ওঠে না। প্রায় ৯০% মানুষের জীবনে এই আগামীকাল আর আসে না। ঠিক
একইভাবে পরের দিন ও মনে হয় আগামীকাল থেকে শুরু করবো।
আমার প্রশ্ন হলো আগামীকাল থেকে কেন?
আজ থেকে কেন নয়?
এক বার ও কি ভেবে দেখেছেন আগামীকাল করে কত দিন চলে যাচ্ছে?
আপনার কি ভেবেছেন আপনার কাছে কোন অলৌকিক শক্তি আছে যে এক বার পড়লেই পড়া হয়ে যাবে?
কখনোই না, সাফল্যের চূড়ায় উঠতে হলে আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতেই হবে।
এক দিনে কখনো এভারেস্ট বিজয় হয় না। একদিনে কখনও বাংলাদেশ স্বাধীন হয় নাই। তাই বলতেছি আর আগামীকাল থেকে নয়, আজ থেকেই শুরু হোক আপনার কঠোর পরিশ্রম।
সবার জন্য শুভ কামনা রইল।
সৌজন্যেঃ গাজী অনলাইন স্কুল।
22/06/2018
একটি শিক্ষামূলক গল্প
একজন এক রাজমিস্ত্রী তার কাজ থেকে অবসর নিতে চাইলো। তাই সে তার মালিকের কাছে গিয়ে বললো,’বস,আমি এই বাড়ি বানানোর কাজ থেকে অবসর নিয়ে আমার স্ত্রী ও ছেলেমেয়েদের সাথে সময় কাটাতে চাই।‘
তার মালিক এতে কিছুটা দুঃখ পেল কারন সে ছিলো সবচেয়ে দক্ষ ও কর্মঠ রাজমিস্ত্রী। সে বললো,'ঠিক আছে,কিন্তু তুমি কি চলে যাওয়ার আগে আর একটি মাত্র বাড়ি বানাতে আমাদের সাহায্য করবে?’ অবশেষে বয়স্ক রাজমিস্ত্রী তার বসের প্রস্তাবে রাজী হয়ে গেল।
কিন্তু কাজ শুরু করার পর দেখা গেল তার মন সেখানে ছিল না এবং সে সবসময় তার অবসরের কথা ভেবে সবসময় অন্যমনস্ক থাকতো। সবসময় সে বাড়ির চিন্তা করতো।তাই এর আগে যত কাজ সে করেছিলো এই কাজটাই তার করা সবচেয়ে খারাপ কাজ হয়ে গেল।
যখন সে বাড়িটি তৈরী করা শেষ করলো তখন তার মালিক বাড়িটি দেখতে এলো এবং বৃদ্ধের হাতে বাড়ির চাবি দিয়ে বললো,’এই বাড়িটি এখন থেকে তোমার, তুমিই এখন থেকে এই বাড়ির মালিক। এই বাড়িটি আমি তোমাকে উপহার দিলাম।'
এই কথা শুনে বৃ্দ্ধ আফসোস করে উঠলো!
সে মনে মনে ভাবলো,'হায় হায়!যদি আমি শুধু একবার জানতাম যে আমি আমার নিজের বাড়ি তৈরী করছি! তাহলে এটা আমার জীবনে করা সবচেয়ে ভাল কাজ হতো!'
............................................................................................
বাস্তবেও আমরা প্রতিটা দিন আমাদের জীবনকে এই বাড়ির মতই তৈরী করে চলেছি। কিন্তু আমরা প্রায়ই তা ভুলে যাই। আর তাই সব কাজে আমাদের বেস্ট টার চেয়ে অনেক কম চেষ্টাটা করি,অনেক কম পরিশ্রমটা দেই।আমরা যদি আজ এই সত্যটা উপলব্ধি করতে পারি তবে আমরা হয়তো আমাদের সেরা পরিশ্রমটাই দিয়ে জান্নাতের বাড়ি টি সুন্দর করতে পারবো।
.............................................................................................
-------- গল্পটি ভালো লাগলে পেইজে লাইক দিয়ে সাথেই থাকুন। এবং শেয়ার করুন, যাতে করে আপনার বন্ধুরাও পড়তে পারে। ধন্যবাদ। 🧚♂️
05/06/2018
দুই মিনিটের একটি শিক্ষামূলক গল্পঃ
পাখি ও মৌমাছি [দৃষ্টিভঙ্গী ইতিবাচক রাখুন]
একদিন সকালবেলা একটি পাখি একটি গাছের ডালে এসে বসল। গাছের অন্য ডালে একটি মৌমাছির বাসা ছিল। বাসা থেকে বের হয়ে মৌমাছিটি পাখিটির সামনে দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল।
পাখিটি মৌমাছিটিকে কাছে ডেকে বল, “কেমন আছ মৌমাছি ভাই?”
মৌমাছিটি উত্তর দিল, “ভাল। তুমি কেমন আছ?”
পাখি বলল, “ভাল। অনেক দিন ধরেই তোমাকে একটি কথা বলব বলব ভাবছি।”
মৌমাছি জিজ্ঞেস করল, “কী কথা পাখি ভাই?”
পাখিটি বল, “মধুর জন্য তুমি কত কঠোর পরিশ্রম কর, কিন্তু লোকজন তোমাকে না জানিয়েই তা নিয়ে যায়। এতে তোমার দুঃখ হয় না?”
মৌমাছিটি উত্তরে বলল, “না।”
পাখিটি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “কেন?”
হাসিমুখেই মৌমাছি জবাব দিল, “কারণ তারা কখনই আমার মধু তৈরির শিল্পকে আমার কাছ থেকে চুরি করতে পারবে না।”
🧚♂️ আমাদের উচিতঃ 🧚♂️
*** নিজের দৃষ্টিভঙ্গী সবসময় ইতিবাচক রাখা।
*** আমাদেরকে ছোট্ট মৌমাছির মত হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। মৌমাছিটি আকারে ছোট হলেও হৃদয়ের দিক দিয়ে ছিল অনেক মহৎ।
-------- গল্পটি ভালো লাগলে এই পেইজে লাইক দিয়ে সাথেই থাকুন। এবং শেয়ার করুন, যাতে করে আপনার বন্ধুরাও পড়তে পারে। ধন্যবাদ
31/05/2018
একটি শিক্ষনীয় গল্পঃ [বাবার ভালবাসা]
একদিন সকালবেলা ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ পিতা ও তার পুত্র তাদের বাগানের একটা বেঞ্চে বসেছিল কথা বলছিলেন। হঠাৎ একটি কাক এসে তাদের সামনে গাছের একটি ঢালে বসলো, তার পিতা জিজ্ঞেস করলেন,"এটা কি ?" পুত্র বলল -"এটি একটি কাক। "কয়েক মিনিট পর, পিতা আবার জিজ্ঞেস করলেন ,"এটা কি ? পুত্র বলল -"আমি তো কেবলি বললাম এটা একটা কাক ।" একটু পর আবার পিতা জিজ্ঞেস করলেন, "এটা কি ? "এবার পুত্র অনেকটা বিরক্ত হয়েই কর্কশ গলায় বলল ,"এটা একটা কাক, এটা একটা কাক ।" এবার পিতা ৪র্থ বারের মত জিজ্ঞেস করলেন "এটা কি ?" এবার পুত্র প্রচণ্ড রেগে গেল, রাগের চোটে কাঁপতে কাঁপতে চিৎকারকরে পিতাকে ধমক দিয়ে বলল "তুমি কেন বার বার আমাকে একি কথা জিজ্ঞেস করছ ? আমি তো তোমাকে বহুবার বললাম এটা একটা কাক,এটা একটা কাক, চোখ নেই তোমার, বুঝতে পার না ?
"বৃদ্ধ পিতা কোন কথা না বলে তিনি হেঁটে হেঁটে চলে গেলেন। একটু পর ফিরে এলেন একটা ডায়রি সাথে নিয়ে । তিনি তার পুত্রকে বললেন"এটা পড়, মনোযোগ দিয়ে পড়বে ।" "আজ আমি আমার ৩ বছর বয়সী ছেলের সাথে বাগানের বেঞ্চিতে বসেছিলাম । হঠাৎ একটা কাক এসে বসলো । আমার ছেলে আমাকে ২৩বার জিজ্ঞেস করল"এটা কি?" আর আমি ২৩ বার উত্তর দিলাম"এটা একটা কাক। "তাকে প্রতিবার উত্তর দেবার সময় তাকে গভীর ভালবাসায় জড়িয়ে ধরেছিলাম । আমার পুত্র আমাকে একি প্রশ্ন ২৩ বার জিজ্ঞেস করেছে এবং আমি একটুও বিরক্ত বোধ দেখাইনি আমার নিস্পাপ ছেলেটার প্রতি ।" পুত্রের চোখের কোনে জল জমতে শুরু করল । পুত্র ডায়রিটা বন্ধ করে গভীর ভালবাসায় তার পিতাকে জড়িয়ে ধরল । আর ধরা গলায় বলল"Sorry Baba".
অনেক সময়ই আমরা আমাদের বাবা – মায়ের সাথে খারাপ ব্যাবহার করি, উচু গলায় কথা বলি । কখনো কি ভেবে দেখেছি কি পরিমান ভালবাসা আর কষ্ট করেছেন তারা আমাদের বড় করার জন্য ? পৃথিবীর কোন কিছু দিয়ে কি তাদের এই ঋণ শোধ করা সম্ভব ? 😪😥😥😥😥
-- সংগৃহিত
গল্পটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন এবং পেইজে লাইক দিয়ে সাথেই থাকুন।