16/08/2020
Jamiatul Anwar Dhaka
The Madrasa JAMIATUL ANWAR DHAKA is a complete non-political and non-government Islamic institute. It is directed and advised by the country's sagacious Ulamas.
The Madrasa JAMIATUL ANWAR DHAKA, situated in east Dhulaypar, South Jatrabari is a complete non-political and non-government Islamic institute. It includes the following activities:
1)Nurani(Kindergarten) department
2)Hifjul Quran department
3)Kitaab department
4)Seminars & Competitions (On various topics for the improvement of students)
5)Monthly Self-purification program for the Muslim Ummah
16/08/2020
12/06/2019
31/03/2019
دربار الہی میں فریاد .....
الہی
حضرت "مفتی جمیل احمد" صاحب (نوراللہ مرقدہ) کے زندگی کی تمام خدمات قبول فرماں اور جنت کے أعلی مقام نصیب فرماں.
حضرت جب بھی بنگلہ دیش تشریف لاتے . ھمارے ادارہ
"جامعة الا نوار دهاكہ "میں آنے کا پروگرام بنتے. بہت پیار سے ہمارے یہاں آتے.
کچھ یاد گار ......
26/12/2018
যেহেতো চলতি মাসেই বার্ষিক ইসলাহী মাহফিল হয়েছে তাছাড়া দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সবকিছুর কারনে অনেক সালিকীন ভাইয়েরা মাদ্রাসায় যোগাযোগ করে জানতে চেয়েছেন যে,অন্যান্য মাসের ন্যায় এই মাসে ও কি শেষ জুমাবার নিয়মিত ইসলাহী ইজতিমা হবে কি?
ইনশাআল্লাহ......
আগামী জুমাবার মাসিক ইসলাহী ইজতিমা জামিয়ার দারুল ইফতার বিশাল হল রুমে যথারীতি অনুস্টিত হবে।
24/11/2018
আয় আল্লাহ!
এই ইসলাহী মাহফিল কে
কবুল করুন
আমরা মাদরাসার বোর্ডিং ঘরে প্রবেশ করলাম। একজন বৃদ্ধ লোককে বেশ বড়সড় একটি ডেকচিতে রান্না করতে দেখলাম। দেখেই বুঝতে পারলাম উনি একজন বাবুর্চি। মাদ্রাসার লিল্লাহ বোর্ডিং এর ছাত্রদের জন্য রান্নাবান্না করছেন।
আমার সাথে যিনি ছিলেন তিনি একজন নামকরা ডাক্তার। ডাক্তার সাহেব জিজ্ঞেস করলেন,
বাবুর্চি সাহেব, মুহতামিম সাহেব কোথায় আছেন, একটু দেখা করতে চাই।
উত্তর এলো, উনি একটু ব্যাস্ত আছেন, আপনারা বসুন আমি চা দিচ্ছি।'
বাবুর্চি আমাদেরকে দেখিয়ে দিলেন বসার জায়গা আলাদা একটি রূমে। পাতলা গদি ওয়ালা একটি তোষকে বসে আমরা দেখতে লাগলাম চারপাশ।
এই ঘরে সম্ভবত নুরানি মক্তব পড়ানো হয়। তেল চিটচটে কাথা বালিশ একপাশে রাখা আছে। বাচ্চাদের কমদামী পাজামা পাঞ্জাবী ঝুলানো রয়েছে হ্যাংগারে। চক ডাস্টার সেলফে তুলে রাখা আছে।
ইতিমধ্যে বুড়ো বাবুর্চি চা দিয়ে গেছেন। লিকার চা। বললেন, বাবারা আমি খুব ভাল বাবুর্চি না। স্বাদ মন মত না হলে ক্ষমা করে দিবেন।
চায়ে চুমুক দিলাম। অদ্ভুত স্বাদ। খুব আন্তরিকতা দিয়ে এই বুড়ো মানুষটা চা বানিয়েছে। আন্তরিকতাপূর্ণ সবকিছুই স্বাদযুক্ত হয়।
তিনি চা দিয়ে আবার চলে গেলেন রান্নাঘরে।
একটু দূরে মাদ্রাসার উঠোনে খেলা করছে মাদ্রাসার এতীম বাচ্চা ছেলেরা। বিকেলের রোদ লেগে ঝিকমিক করছে পুরো আঙিনা। শীতের দমকা হাওয়া ঝাপটা দিয়ে গেল আরেক দফা। শীত লাগছে।
মাদ্রাসার হাফেজ সাহেব এলেন কয়েক মিনিট পর। উনার পরিচয়েই মূলত এখানে আসা।
উনি এসে চায়ের কাপ দেখে বললেন, চা কে দিয়েছে?
বললাম, আপনাদের বাবুর্চি তো খুব সিনসিয়ার মানুষ। উনিই চা দিলেন। খুব ভাল চা হয়েছে।
হাফেজ সাহেব জিহ্বায় কামড় দিয়ে বলেন, উনি বাবুর্চি না মুহতামিম হুজুর। উনিই চা দিয়েছেন। উনি নিজেই রান্নাবান্না করেন। আলাদা বাবুর্চি রাখার মত সাধ্য আমাদের নাই।
উনি মুহতামিম? উনাকে মুহতামিম সাহেবের কথা জিজ্ঞেস করলে জানালেন, মুহতামিম সাহেব কাজে ব্যাস্ত আছেন, কিছুক্ষণ পরে আসবেন। বললেন, ডাক্তার সাহেব।
হাফেজ সাহেব বললেন, উনি তো ঠিকই বলেছেন, কাজে ব্যাস্ত আছেন।
ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব আমরা। বাকরুদ্ধ কয়েক মূহুর্ত কিভাবে কেটে গেল বুঝতে পারলামনা। দাঁড়িয়ে গিয়েছি কখন খেয়াল নেই।
পেছনে কাধে একটি হাতের স্পর্শে ফিরে তাকালাম। মুহতামিম সাহেব আমাদের দিকে তাকিয়ে হাসছেন। আমি বললাম, হুজুর আমরা তো আপনাকে চিনতে পারিনি আর আপনিও পরিচয় দেননি। সরি, না চিনে কি বলতে কি বলেছি।
মুহতামিম সাহেব বললেন, নবীজীর সা. বক্তব্য অনুযায়ী যারা পবিত্র কোরআন শরীফ শিখায় এবং শিখে তারাই আমাদের সমাজের শ্রেষ্ঠ মানুষ। এদের খাবার রান্না করার জন্য চুলার পাশে বসে থাকি। কাজ করি।
কিছুক্ষণ থামলেন তিনি। আশেপাশে তাকিয়ে কি যেন দেখলেন।
তারপর বললেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানাবো, হে আল্লাহ, তোমার নবীজীর সা. মেহমানদের জন্য আগুনের পাশে বসে সময় কাটিয়েছি যেন তুমি আমাকে দোজখের আগুন থেকে মুক্তি দাও এই আশায়। বাবা, আল্লাহ কি আমাকে ক্ষমা করে দিবেন?
কোন উত্তর দিতে পারলামনা। শুধু তাকিয়ে রইলাম উনার দিকে।
দিনের শেষ আলোয় বৃদ্ধের চোখে দেখতে পেলাম অশ্রুর কণা। অশ্রু ঝরছে গাল বেয়ে মুক্তোর দানার মত। আমাদের চোখও ঝাপসা হয়ে গেল কেন বুঝতে পারলামনা।
(সংগৃহীত)
ইসলাহী বয়ানের সারাংশ
উল্লেখ্যঃ পবিত্র হজ্ব আদায়ের লক্ষ্যে আগত শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমাদ শফী (দাঃ বাঃ) এর সুযোগ্য খলীফা এবং জামিয়াতুল আনওয়ার ঢাকা এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও নাঈমুল উলুম মাদরাসা রূপগঞ্জ এর পরিচালক আমাদের শায়খ হযরত মাওলানা মুফতী কামাল উদ্দিন সিহাব কাসেমী (দাঃ বাঃ)’র ইসলাহী বয়ানের সারাংশ যা পবিত্র মক্কা নগরীর মাসজিদুল হারাম শরীফ সংলগ্ন জমজম টাওয়ারের ১১ তলায় বাদ আসর নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়।
প্রসঙ্গঃ আল্লাহতাআলার মহব্বাত হাসিলের উপায় (বয়ানের সার সংক্ষেপ)
পৃথিবী কারো সাথে কখনো থাকেনি। কাজেই সৃষ্টি কর্তার সাথেই দিল বেঁধে নাও। মাখলুক যে কেউই হোক না কেন, সবই অস্থায়ী। কেউ দিল (অন্তর) পাওয়ার বা মাহবুব হওয়ার উপযুক্ত নয়। মাহবুব হওয়ার উপযুক্ত কেবলই মহান আল্লাহতাআলা।
আল্লাহতাআলার মহব্বত হাসিল করতে হলে আমাদের-কে সর্ব প্রথম ৩টি জিনিস কে হেফাজত করতে হবে।
১। চোখের হেফাজত (এই চোখ দিয়ে আল্লাহ নারাজ হন মত কোন কাজ না করা)
২। মুখের হেফাজত (এই মুখ দিয়ে আল্লাহ নারাজ হন মত কোন কথা বলবো না)
৩। কানের হেফাজত (এই কান দিয়ে আল্লাহ নারাজ হন মত কোন কিছু শুনব না)
আমাদের ক্ষতিকারক শত্রু ২ ধরনের, যথাঃ
১ জাহিরি বা বাহিরের শত্রু ।
২ বাতিনি বা ভেতরের শত্রু
জাহিরি বা প্রকাশ্য শত্রু হচ্ছে ইবলিশ আর বাতিনি বা ভেতরের শত্রু হচ্ছে নফস (অন্তর)। এখানে উল্লেখ্য যে, বাহিরের প্রকাশ্য শত্রু ইবলিসের চেয়ে ভেতরের শত্রু নফস অনেক শক্তিশালী ও ক্ষতি কারক। বাহিরের প্রকাশ্য শত্রু ক্ষতি করতে পারেনা যতক্ষণ না পর্যন্ত ভেতরের শত্রুর সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ/ সংযোগ হবে না। উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। ধরুন একটি ৩ তলা বিল্ডিং বাড়িতে ৩টি পরিবার একসাথে থাকে। প্রত্যেক পরিবারের কাছে সদর দরজাার তালা খোলার জন্য আলাদা করে চাবি দেয়া আছে। ঐ তিন পরিবারের যখনি কেউ বাইরে যায় সাথে সাথে আবার সদর দরজার তালা লাগিয়ে দেয়া হয়। এখন বাহির থেকে কোন চোর কিংবা ডাকাত যদি বাড়িতে প্রবেশ করতে চায় সেক্ষেত্রে বাড়ির ভেতরের কেউ যদি সহযোগিতা না করে, তাহলে কোন চোর কিংবা ডাকাতের পক্ষে ঐ বাড়িতে প্রবেশ করা সহজ হবে না। তেমনিভাবে আমাদের নফস যদি সহযোগিতা না করে তাহলে বাহিরের শয়তান আমাদের দ্বারা আল্লাহ্র অসন্তুষ্টি হয় এমন কাজ করা সহজ হবে না।
আমাদের বাহিরের শত্রু ইবলিস আমাদের ভিতরের শত্রু নফসের সাথে যোগাযোগ করার এবং প্রবেশ করে কু মন্ত্রণা দেয়ার রাস্তা/দরজা ঐ উল্লেখিত ৩টি (চোখ, কান ও জবান)। এজন্যেই বলা হয়েছে যে, আমাদের চোখ, জবান ও কানের হেফাজত করতে হবে সব সময়। আর করণীয় তিনটি আগামী বয়ানের মজলিসে ......। (চলবে)
বয়ান সংগ্রহে ঃ মোঃ আব্দুল কাদের কাউসার [ হযরতের সফর সঙ্গী]
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
East Dholaipar, South Jatrabari. Beside Dholaipar Bazaar
Dhaka
1231