জেড হক প্রকাশনী

জেড হক প্রকাশনী

Share

অনার্স ও মাস্টার্স শ্রেণির জন্য সত্য ?

Photos from জেড হক প্রকাশনী's post 06/09/2022

পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) মাসিমপুর গ্রামীণ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের লাইনে অপেক্ষা করছেন একজন বোরকা পরিহিত মহিলা। তিনি এই এলাকার একমাত্র মহিলা ডাক্তার লতিফা আক্তারের কাছে চিকিৎসা নিবেন বলে অপেক্ষা করছেন।

প্রেস ফটো: ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দ।

11/04/2021

ভাষণটি অশব্য‌ই পড়তে হবে (করোনা ভাইরাস নিয়ে উগান্ডার প্রেসিডেন্টের ভাষণ)
====================================
জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া উগান্ডার প্রেসিডেন্ট কাগুতা মুসেভেনি-র ভাষন।
সম্ভবত কোভিড ১৯ নিয়ে এটিই এখন পর্যন্তু পৃথিবীর সেরা ভাষন:
“সৃষ্টিকর্তার অনেক কাজ আছে — পুরো দুনিয়াটা দেখভাল করার দায়িত্ব তাঁর। তিনি শুধুমাত্র উগান্ডার বোকা মানুষদের দেখাশুনার জন্যে এখানে বসে নেই।
যুদ্ধাবস্থায় কেউ কাউকে ঘরের মধ্যে বসে থাকতে বলে না। আপনি ঘরে থাকলে সেটা আপনার নিজের চয়েস। সত্যি কথা বলতে কী, আপনার যদি একটা বেজমেন্টও থাকে নিজেকে লুকিয়ে রাখার জন্যে তাহলে যুদ্ধের ধ্বংসলীলা যতদিন না শেষ হয় ততদিন আপনি সেখানেই লুকিয়ে থাকবেন।
যুদ্ধের সময় স্বাধীনতা খর্ব হয়। আপনি ইচ্ছে করেই স্বাধীনতাকে বিসর্জন দেন শুধুমাত্র নিজের বেঁচে থাকার জন্যে। এ সময় আপনি ক্ষুধার জন্যে কারো কাছে নালিশ করেন না। এ সময় আপনি কায়মনোবাক্যে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করেন শুধুমাত্র বেঁচে থাকার জন্যে, বেঁচে থাকলে খেতে পারবেন।
যুদ্ধের সময় আপনি আপনার ব্যবসা খোলা রাখার জন্যে তর্ক করেন না। আপনি আপনার দোকান বন্ধ করে দেন (তবে সেই সময়টুকু যদি আপনি পান), এবং জীবন বাঁচানোর জন্যে দৌড়ে পালান। আপনি সারাক্ষণ প্রার্থনা করেন যেন যুদ্ধটা তাড়াতাড়ি শেষ হয় এবং আপনি আপনার ব্যবসাটা আবার চালু করতে পারেন, যদি না আপনার দোকানের সমস্ত মালপত্র লুট হয়ে যায় বা মর্টারের আঘাতে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।
যুদ্ধের সময় একটি দিন বেঁচে থাকতে পারলে আপনি সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া আদায় করেন। এ সময় আপনার সন্তানরা স্কুলে যেতে পারলো না বলে আপনি দু:খ করেন না। আপনি সৃষ্টিকর্তার কাছে দোয়া করেন যাতে সরকার আপনার সন্তানদেরকে যুদ্ধে যাওয়ার জন্যে সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত না করে এবং তাদের স্কুলমাঠেই (যেটি এখন সেনা ক্যাম্প) তাদেরকে প্রশিক্ষণের জন্যে নিয়ে না যায়।
পৃথিবীতে এখন একটি যুদ্ধ চলছে — এমন একটি যুদ্ধ যেখানে বন্দুক ও গুলির ব্যবহার নেই, যে যুদ্ধের কোনো সীমানা নেই, যে যুদ্ধ কোনো সীমানা নিয়েও বাধে নাই, কোনো পবিত্র ভূমি নিয়েও না। এই যুদ্ধে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিও নেই; এ যুদ্ধ থামানোর জন্যে কোনো জাতিসংঘও নেই।
এই যুদ্ধের সৈন্যদের কোনোপ্রকার দয়ামায়া নেই। শিশু, মহিলা বা প্রার্থনার স্থান, কোনোকিছুর প্রতিই এই সৈন্যদের কোনো শ্রদ্ধাবোধ নেই। কোনো শাসকগোষ্ঠীকে পরিবর্তন করার ইচ্ছা এদের নেই। মাটির নিচের মূল্যবান খনিজসম্পদ লুন্ঠনের কোনো খায়েশ এদের নেই। ধর্ম, গোষ্ঠী বা আদর্শগত প্রভুত্ব বিস্তারের কোনো লিপ্সাও এদের নেই।
শুধু একটাই খায়েশ এদের, আর তা হলো মৃত্যু ঘটানো, মৃতদের আত্মা নিয়ে তাদের ঘরে তোলা, যেমন করে কৃষক ফসল ঘরে তোলেন। এরা ততক্ষণ পর্যন্তু তাদের এ মহোৎসবে মেতে থাকবে যতক্ষণ না পুরো পৃথিবীটা একটা মৃত্যুকূপে পরিনত হবে। এদের উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষমতা সম্পর্কে বিন্দুমাত্র সন্দেহ থাকার কোনো কারণ নেই। কোনোরকম যুদ্ধাস্ত্র ছাড়াই পৃথিবীর প্রত্যেকটি দেশে এরা ঘাঁটি গেড়েছে। এদের গতিবিধি বা আক্রমণ কোনো রীতিনীতি বা প্রটোকল দ্বারা আবদ্ধ নয়। এ যুদ্ধের সৈনিকরাই হচ্ছে করোনা ভাইরাস যাকে আমরা সংক্ষেপে কোভিড ১৯ বলি।
তবে আশার কথা হচ্ছে, এই সৈন্যদেরও একটা দুর্বলতা আছে এবং এদেরকে হারানো সম্ভব। এর জন্যে যা দরকার তা হলো — আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, নিয়মনুবর্তিতা এবং ধৈর্য। কোভিড ১৯ সামাজিক এবং শারিরীক দুরত্বে টিকে থাকতে পারে না। এটা সংস্পর্শ/সংঘর্ষকে পছন্দ করে। এটি আমাদের সামাজিক বা শারিরীক দুরত্বের কাছে পরাজয় বরণ করে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কাছেও হার মানে। আপনার হাত জীবানুমুক্ত থাকলে এরা একেবারেই অসহায়।
আসুন আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি এবং কোভিড ১৯-কে পরাজিত করি। কষ্ট হলেও একটু ধৈর্যধারণ করি। বেশিদিন লাগবে না আমরা আবার স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারবো, আমাদের মন যা চায় তা করতে পারবো! এই জরুরী মূহুর্তে আমরা জরুরী সেবা প্রদানে রত থাকি এবং অন্যদেরকে ভালোবাসি! “

13/01/2021

41 তম বিসিএস আগামী মার্চের 19 তারিখ,আর 42 তম ফেব্রুয়ারি তে

18/10/2020

অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ

17/10/2020

এ বছরের নোবেল

Photos from জেড হক প্রকাশনী's post 15/11/2018

পূর্ব তুর্কিস্তান থেকে জিনজিয়াং হওয়ার ইতিহাস...1

চীনের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের একটি প্রদেশ জিনজিয়াং। আয়তন ৬ লাখ ৪০ হাজার ৯৩০ বর্গমাইল।মধ্য এশিয়ার এই প্রদেশটি আয়তনের দিক থেকে পুরো চীনের ৬ ভাগের এক ভাগ। এটি চীনের সবচেয়ে বড় প্রদেশ।
প্রায় দেড় হাজার বছর যাবত এখানে মুসলিমরা স্বাধীনভাবে বাস করে আসছে। কিন্তু বিশ শতকের মধ্যভাগে এসে কমিউনিস্ট চীন এ অঞ্চলকে নিজেদের করায়ত্ব করে নেয়। মূলত ১৯২১ সালে চীনে কমিউনিস্ট পার্টি গঠন হয়। এবং ১৯২৭ পর্যন্ত মাও সেতুংয়ের হাত ধরে এর বিকাশ ঘটতে থাকে। এবং ১৯৪৭ সালে তারা ক্ষমতায় আসে।
কমিউনিস্টরা ক্ষমতায় আসার পরই চীনের মুসলমানদের উপর শুরু হয় অকথ্য নির্যাতন। ধর্মীয় ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা হরণ করে তারা ইসলামের ঐতিহ্য ও প্রাচীন নিদর্শনাবলী একের পর এক ধ্বংস করে দিতে থাকে। বিশেষ করে চীনের হান সম্প্রদায়ের অত্যাচার ওখানকার মুসলিমদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছিল। এ সমস্ত কর্মকাণ্ড বহির্বিশ্ব থেকে সম্পূর্ণরূপে আড়াল করে রাখতে তারা সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে। যেহেতু সমগ্র বিশ্ববাসীর কাছে চীনের মুসলমানদের নির্যাতনের এই অধ্যায় অনেকটাই অজানা সে হিসেবে বলাই যায় যে কমিউনিস্ট সরকার তার সেই চেষ্টায় অনেকাংশেই সফল হয়েছে।
বলছিলাম জিনজিয়াংয়ের কথা। অঞ্চলটির নাম আসলে ছিল তুর্কিস্তান। কমিউনিস্ট সরকার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এ অঞ্চলটির নাম পরিবর্তন করে রেখেছে জিনজিয়াং।
অবস্থান ও পরিচিতিঃ
বর্তমানে মধ্য এশিয়ায় তুর্কি জাতিসমূহ অধ্যুষিত অঞ্চলকে তুর্কিস্তান বলা হয়। এর মধ্যে রয়েছে আধুনিক তুর্কমেনিস্তান , কাজাকিস্তান , উজবেকিস্তান , কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান ও চীনের জিনজিয়াং (চীনা তুর্কিস্তান)। অনেকে রাশিয়ার তুর্কি অঞ্চলসমূহ তুর্কিস্তানের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে থাকে। তার মধ্যে রয়েছে তাতারস্তান ও সাইবেরিয়ার কিছু অংশ।
যেহেতু অঞ্চলটির পরিধি অনেক ব্যাপক তাই একে পূর্ব ও পশ্চিমে ভাগ করে পূূর্ব তুর্কিস্তান ও পশ্চিম তুর্কিস্তান নামে অভিহিত করা হয়। চীন যে অংশটি দখল করে রেখেছে, তা হলো পূর্ব তুর্কিস্তান। আর পশ্চিম তুর্কিস্তান অতীতে স্বাধীন থাকলেও একসময় তা সোভিয়েত ইউনিয়নের দখলে ছিলো। ৯০ এর দশকে রাশিয়ার পরাজয়ের পর দখলকৃত অধিকাংশ ভূখণ্ড পুনরায় স্বাধীনতা লাভ করলেও তুর্কিস্তানীরা লাভ করে নামমাত্র স্বাধীনতা । সেই রাষ্ট্রগুলোকেই এখন স্বাধীন বলে ধরা হয়।
তুরকিস্তানের মুসলমানদের পরিচিতিঃ
তুর্কিস্তানের মুসলিমরা 'উইঘুর' নামে পরিচিত। উইঘুর হচ্ছে তুর্কি বংশোদ্ভূত মুসলিমদের একটি শাখা। পূর্ব ও মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এদের বসবাস। উইঘুর মুসলিমদের মোট সংখ্যা প্রায় এক কোটি ১৩ লাখ ৭০ হাজার। এর মধ্যে চীনের জিনজিয়াং প্রদেশেই বাস করে ৮৫ লাখের মতো। রাজধানী বেইজিং ছাড়াও বিভিন্ন নগরীতেও অল্পসংখ্যক উইঘুর বাস করে। আর কিছু আছে হুনান ও চীনের অন্যান্য প্রদেশে। এ ছাড়াও কাজাকিস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তুরস্ক, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, পাকিস্তান ও মঙ্গোলিয়াতে উইঘুরদের বসবাস রয়েছে। এরা সুন্নি মুসলমান এবং অনেকেই সুফিবাদের চর্চা করে।
উইঘুর শব্দের অর্থ হচ্ছে নয়টি গোত্রের সমষ্টি বা সমন্বয়। তুর্কি ভাষায় এ জন্য উইঘুর শব্দকে বলা হয় 'টকুজ-ওগুজ'। টকুজ অর্থ নয় এবং গুর অর্থ উপজাতি। ওগুজ থেকে গুর শব্দটি এসেছে।
প্রাচীন আমলে আলতাই পর্বতমালার পাদদেশে তুর্কিভাষী বিভিন্ন গোত্র বা উপজাতি বাস করত। এদের মধ্যে নয়টি উপজাতিকে নিয়ে উইঘুর সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হয়। উইঘুরদের কখনো কখনো ‘গাউচি’ এবং পরে ‘তিয়েলে’ জনগোষ্ঠী হিসেবেও ডাকা হতো। তুর্কি শব্দ তিয়েলে বা তেলে এর অর্থ হচ্ছে নয়টি পরিবার। বৈকাল হ্রদের আশপাশের এলাকায় বসবাসকারী সিয়র তারদুস, বাসমিল, ওগুজ, খাজার, আলানস, কিরগিজসহ মোট নয়টি গোষ্ঠীর সমন্বয়ে উইঘুর নামের জনগোষ্ঠী বা জাতি গড়ে ওঠে।
উত্তরাঞ্চলীয় ওয়েই রাজবংশের শাসনামলে উইঘুর জাতির অস্তিত্বের দলিলপত্র পাওয়া গেছে।এক সময় তারিম অববাহিকা থেকে মঙ্গোলিয়া পর্যন্ত উইঘুর সাম্রাজ্য বিস্তৃত ছিল। যুদ্ধবিগ্রহ, বন্যা, খরাসহ নানা কারণে এই সাম্রাজ্যের পতন ঘটলে মঙ্গোলিয়ার উইঘুররা তারিম অববাহিকা এলাকায় চলে গিয়ে সেখানে ছোট ছোট কয়েকটি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে। এ সময়ই বর্তমান জিনজিয়াং এলাকাটি কখনো 'উইঘুরিস্তান' আবার কখনো 'পূর্ব তুর্কিস্তান' নামে উইঘুর মুসলিমদের শাসনে ছিলো।
এই অঞ্চলে ইসলামের আগমনঃ
হিজরী প্রথম শতকেই তুর্কিস্তান অঞ্চলে মুসলিম বিজয়ীদের মাধ্যমে ইসলামের আগমণ ঘটে। ২য় খলীফা উমার রা. এর যুগে সর্ব প্রথম পশ্চিম তুর্কিস্তানের দক্ষিণ অঞ্চল বিজয় হয়। তারপর ক্রমান্বয়ে এর সীমানা বাড়তে থাকে।
৯৬ হিজরী সনে 'উমাইয়া' বংশীয় শাসক ওয়ালীদ বিন আবদুল মালিকের যুগে বিখ্যাত মুসলিম বীর, সেনাপতি কুতাইবাহ বিন মুসলিমের হাতে পূর্ব তুর্কিস্তানের ঐতিহাসিক শহর 'কাশগড়' বিজয় হয়।
বিজয়ের পর কুতাইবাহ্ বিন মুসলিম চীন সম্রাটের দরবারে হুবাইরার নেতৃত্বে ৩০০ জনের এক প্রতিনিধিদল পাঠান। তারা সম্রাটের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং তাকে বলেন "হয়তো ইসলাম গ্রহণ করো, নতুবা কর প্রদান করো, অন্যথায় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকো"।
চীনের সম্রাট সমঝোতায় আসতে রাজী হলে কুতাইবাহ চীন বিজয়ের ঘোষণা দিয়ে দেন। তাদের দুঃসাহসিকতাপূর্ণ কথা ও কাজে চীন সম্রাট ভীত হয়ে যায় এবং নিজ দেশের কিছু মাটি, প্রচুর পরিমাণ সোনা-রূপা এবং রাজ পরিবার ও অন্যান্য শাহজাদাদের মধ্য হতে ৪০০ জনের একটি দল কুতাইবাহর খিদমাতে প্রেরণ করে। এর বিস্তারিত বিবরণ ইবনে কাছিরের সুবিখ্যাত ইতিহাসগ্রন্থ 'আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ'তে উল্লেখ আছে।
তারপর থেকে পূর্ব তুর্কিস্তান মুসলিমদের শাসনেই ছিলো। ব্যতিক্রম ঘটে, ১৬৬৪ সালে যখন বর্তমান চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মাঞ্চু শাসকরা এক রাজতান্ত্রিক সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে। তারা মঙ্গোলিয়ার অধিকাংশ এলাকা, পূর্ব তুর্কিস্তান ও তিব্বত দখল করে এবং ২০০ বছর পর্যন্ত এই এলাকা তারা দখল করে রাখে। এই সময়কালে মাঞ্চু সম্রাটদের বিরুদ্ধে উইঘুররা অন্তত ৪২ বার বিদ্রোহ করেছে।
শেষ পর্যন্ত ১৮৬৪ সালে উইঘুররা পূর্ব তুর্কিস্তান থেকে ওদেরকে বিতাড়িত করতে সক্ষম হন এবং কাশগড়কেন্দ্রিক এক স্বাধীন রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন। এটাকে 'ইয়েতিসার' বা সাত নগরীর দেশও বলা হত। কারণ কাশগড়, ইয়ারখন্ড, হোতান, আকসু, কুচা, কোরলা ও তুরফান নামে সাতটি নগরী এই রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তখন উইঘুরদের নতুন এই রাজ্য পূর্ব তুর্কিস্তান স্বাধীন রাজ্য হিসেবে তিন পরাশক্তি স্বীকৃতি দিয়েছিল।
১ উসমানী সালতানাত ১৮৭৩ সালে
২ জার শাসিত রাশিয়া ১৮৭২ সালে
৩ গ্রেট ব্রিটেন ১৮৭৪ সালে ।
এমনকি রাজধানী কাশগড়ে এই তিনটি দেশ তাদের কূটনৈতিক মিশনও খুলেছিল। কিন্তু রাশিয়ার জার পূর্ব তুর্কিস্তান দখল করে নিতে পারে এমন আশঙ্কায় মাঞ্চু শাসকরা ১৮৭৬ সালে আবার হামলা করে পূর্ব তুর্কিস্তানে।(সংগ্রহিত)... চলবে......

01/10/2018

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে রেকর্ড সংখ্যক আবেদন.............
মোট ২৪ লাখ +প্রায় চাকুরি পাবে ১২,০০০-১৭,৫০০ প্রায় তাই সুযোগটা কাজে লাগান।।
>>>দেখে নিন অাপনার জেলায় কত জন পরীক্ষার্থী চাকুরির জন্য লড়াই করবে?
*সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে চট্টগ্রামে।
* চট্টগ্রাম জেলায় আবেদন করেছে মোট ৯৮ হাজার ৯৬৯টি ।
*ময়মনসিংহে ৮৮ হাজার ২১৮টি।
*কুমিল্লায় ৮৪ হাজার ৭২৮টি
*দিনাজপুরে ৬২ হাজার ৯৭১টি,
*রংপুরে ৫৯ হাজার ৭১টি,
*জয়পুরহাটে ১৮ হাজার ১৭৮টি,
*বগুড়ায় ৬৪ হাজার ৭২৭টি,
*নওগাঁয় ৪৯ হাজার ৮৬৩টি,
*চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩০ হাজার ২৭১টি
*রাজশাহীতে ৫৭ হাজার ৩৮২টি,
*নাটোরে ৩৫ হাজার ২৫৭টি,
*সিরাজগঞ্জে ৫৮ হাজার ১৪৯টি,
*পাবনায় ৫১ হাজার ২৩১,
*কুষ্টিয়ায় ৩২ হাজার ৬০৯টি,
*মেহেরপুরে ১০ হাজার ৮৮৮টি,
*চুয়াডাঙ্গায় ১৮ হাজার ৬৬১টি,
*ঝিনাইদহে ৩৭ হাজার ৬১৭টি,
*মাগুরায় ২১ হাজার ৯৬২টি,
*যশোরে ৫৫ হাজার ৯৩২টি,
*নড়াইলে ১৫ হাজার ৬১৪টি,
*সাতক্ষীরায় ৪৫ হাজার ৬১টি,
*খুলনায় ৪৭ হাজার ১৮৮টি,
* বাগেরহাটে ৩২ হাজার ৯৭টি,
* জামালপুর ৫০ হাজার ৫০টি,
* শেরপুরে ২৫ হাজার ৪৬৬টি,
*নেত্রকোণায় ৪২ হাজার ৭৫৩টি,
*কিশোরগঞ্জে ৪৭ হাজার ৮৮৫টি,
*টাঙ্গাইলে ৬১ হাজার ৬৩০টি,
*গাজীপুরে ৩৫ হাজার ৫১৭টি,
*নরসিংদীতে ৩৮ হাজার ১৪৩টি, *মানিকগঞ্জে ২৫ হাজার ৭১১টি,
*ঢাকায় ৬৪ হাজার ৫৫৮,
*নারায়ণগঞ্জে ২৭ হাজার ১২৭টি, *মুন্সিগঞ্জে ১৮ হাজার ৭৫৯টি,
*রাজবাড়ীতে ২১ হাজার ৯০৬টি, *ফরিদপুরে ৩৩ হাজার ৬৪৩টি,
*মাদারীপুরে ২৪ হাজার ৮০৭টি, *শরীয়তপুরে ১৮ হাজার ৭৮৬টি,
*গোপালগঞ্জে ২৯ হাজার ২১৫টি, *ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৮ হাজার ৪০টি
আবেদন পড়েছে।
..................
অন্যদিকে,
*চাঁদপুরে ৪৬ হাজার ৯১টি,
*লক্ষ্মীপুরে ২৩ হাজার ৩৩০টি, নোয়াখালীতে ৪০ হাজার ৭৩৯টি,
*ফেনীতে ২১ হাজার ৫০১টি,
*কক্সবাজারে ২৬ হাজার ৭৫০টি,
*বরিশালে ৬১ হাজার ৮৮৩টি,
*পিরোজপুরে ২৯ হাজার ২৭৮টি, *ঝালকাঠিতে ১৯ হাজার ১৩৮টি,
*বরগুনায় ২১ হাজার ৭১৭টি, *পটুয়াখালীতে ৪০ হাজার ৮০৭টি,
*ভোলায় ২৫ হাজার ১৪৫টি,
*সুনামগঞ্জে ৩৫ হাজার ৫১২টি,
*সিলেটে ৫০ হাজার ৩৭০টি,
*হবিগঞ্জে ৩৩ হাজার ৪৭৫টি, *মৌলভীবাজারে ৩২ হাজার ১০৬টি,
*পঞ্চগড়ে ২১ হাজার ৬২৯টি,
*ঠাকুরগাঁওয়ে ৩১ হাজার ৭৯৭টি,
*নীলফামারীতে ৩৯ হাজার ৭৫২টি, *লালমনিরহাটে ২৬ হাজার ১২২টি,
*কুড়িগ্রামে ৪৩ হাজার ২৯৪টি এবং *গাইবান্ধায় ৫৫ হাজার ৫১৭টি
আবেদন।.......

26/09/2018

#...প্রাইমারিতে যারা পরীক্ষা দিবেন/(সংগ্রহিত)
প্রস্তুতি নিবেন/তারা দেখুন বিস্তারিত..
.A to Z
যেভাবে পড়লে প্রাইমারিতে শিক্ষক হিসেবে আপনার
চাকরি হবেই!!!
,
প্রথমেই পরীক্ষার মান বণ্টন : লিখিত পরীক্ষার নম্বর
৮০। মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ২০। লিখিত পরীক্ষায়
উত্তীর্ণ হলে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে।
লিখিত পরীক্ষা নেয়া হবে এমসিকিউ পদ্ধতিতে।
বাংলা, গণিত, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞানের প্রতিটি
বিষয় থেকে ২০টি করে মোট ৮০টি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন
থাকবে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১। প্রতিটি ভুল উত্তরের
কজন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। চারটি উত্তর ভুল হলেই
কাটা যাবে ১ নম্বর।

# পরীক্ষার হলে করণীয় :
প্রবেশপত্র সঙ্গে আনতে হবে। বই, উত্তরপত্র, নোট,
কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোনসহ ইলেকট্রিক
ঘড়ি ও কোনো ধরনের ইলেকট্রিক ডিভাইস সঙ্গে রাখা
যাবে না। উত্তরপত্র পূরণ করতে হবে সতর্কতার সঙ্গে।
অসাবধানতাবশত ভুল হলে উত্তরপত্র বাতিল হতে পারে।
কালো কালির বলপয়েন্ট কলম দিয়ে ওএমআর উত্তরপত্র পূরণ করা ভালো। প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তরের জন্য একটি
বৃত্তাকার ঘর ভরাট করতে হবে। একই প্রশ্নের উত্তরে
একাধিক উত্তরটি বাতিল হবে ও নম্বর কাটা যাবে।
কোনো প্রশ্নের উত্তর ভুল হলে তা কেটে অন্য কোনো ঘর ভরাট করা যাবে না। ওএমআর শিট ভাঁজ করা যাবে না, নির্ধারিত ঘর ছাড়া উত্তরপত্রের অন্য কোথাও দাগ দেয়া যাবে না। রোল নম্বর, প্রশ্নপত্রের সেট কোড,
জেলা কোড, উপজেলা/থানা কোড, সেক্স কোড নম্বর
অবশ্যই পূরণ করতে হবে, নইলে উত্তরপত্র বাতিল হবে।
ওএম আর শিটে রোল নম্বরের ঘর পূরণ করার সময় রোল
নম্বরের নিচের বৃত্তাকার ঘরগুলোতে সঠিক সংখ্যা
কালো কালির বলপয়েন্ট কলম দ্বারা পুরো ভরাট করতে
হবে। হাজিরা শিটে খাতার ক্রমিক নম্বর ও প্রশ্নের সেট
নম্বর লিখে নির্ধারিত ঘরে প্রার্থীকে স্বাক্ষর করতে
হবে।
,
প্রথম ধাপ
তিনটা পাঠ শেষ করতে হবে,
বিসিএসের কোশ্চেন
primary question
নিবন্ধনের কোশ্চেন
,
বিসিএস এর কোশ্চেন গুলো solve করবেন প্রথমে english vocabulary গুলো ভালো করে দেখুন
,
আর প্রাইমারিতে জটিল কোন মেয়াদ দিবেনা বিসিএস এর ছোট ছোট ম্যাথ গুলো দেখুন কমন পাবেন,
বাংলা, ইংলিশ, সাধারণ জ্ঞান, দৈনন্দিন বিজ্ঞান বিভাগ ভালো করে শেষ করুন jobsolution দেখুন বিস্তারিত দেওয়া আছে প্রত্যেকটা অপশনের পরিচিত পড়ে নিন সোজা কথা বিসিএস এর প্রশ্ন ঝালাপালা করে ফেলুন,
,
literacy থেকে একটা কমন পাবেন substitution থেকে একটা কমন পাবেন, synonym antonym থেকে একটা কমন পাবেন, এনালগ ই থেকে একটা কমন পাবেন, বিসিএস থেকে বিগত প্রাইমারিতে প্রায় 30 টা প্রশ্ন কমন আসে প্রাইমারি বিগত বছরের কোশ্চেন গুলো সংস্করণ প্রত্যেকটা অংক হুবহু কমন পাবেন,
নিবন্ধনের কোশ্চেন গুলো solve করুন এই তিনটা পাঠ প্রথমে শেষ করে ফেলুন মানে তিন মাসে ঝালাপালা করে ফেলুন ফুল কমন পাবেন,
,
আবারও বলছি তিন মাসে bcs, primary, নিবন্ধন এই তিনটা পার্টের কোশ্চেন ঝালাপালা করে ফেলুন কমন না পড়লে এক্সাম শেষ নক করবেন,
আর কমন পড়েছে কিনা সে বিষয়ে wetness সহকারে পোস্ট করা আছে দেখুন গুরুপের সার্চ বক্সে গিয়ে নিজের চোখে লেখা দেখে নিন অথবা আমার নাম দিয়ে সার্চ দিন সব নোট গুলো পোস্টগুলো পাবেন আর নিচের অধ্যায়গুলো ভালো করে খেয়াল করুন

… বাকি নোট গুলো এই গ্রুপেই পাবেন so join করুন পরিবার পরিকল্পনা_প্রাই
মারি_সমাজসেবার নিয়োগ প্রস্তুতি
# বাংলা
জোর দিতে হবে : বাংলা অংশে ব্যাকরণের ওপর বেশি
জোর দিতে হবে। অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির বোর্ড প্রণীত
ব্যাকরণ বইয়ের সব অধ্যায় উদাহরণসহ ভালোভাবে পড়তে
হবে। জানতে হবে কবি-সাহিত্যিকদের সাহিত্যকর্ম ও
জীবনী সম্পর্কে। এসএসসি ও এইচএসসি বোর্ড বইয়ের
লেখক পরিচিতি ও সাধারণ জ্ঞান বইয়ের সাহিত্যিক
পরিচিত, বই পরিচিতি অংশ পড়লে অনেকটা সহায়ক
হবে।
বিগত পরীক্ষায় যা এসেছে : ২৭ জুন ও ২৮ আগস্ট ২০১৫
নিয়োগের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষার
প্রশ্নপত্র পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ব্যাকরণ থেকে
ভাষা, বর্ণ, শব্দ, সন্ধি বিচ্ছেদ, কারক, বিভক্তি, উপসর্গ,
অনুসর্গ, ধাতু, সমাস, বানান শুদ্ধি, পারিভাষিক শব্দ,
সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ, বাগধারা, এককথায় প্রকাশ
থেকে প্রশ্ন এসেছে। সাহিত্য অংশে গল্প বা
উপন্যাসের রচয়িতা, কবিতার পঙ্ক্তি উল্লেখ করে কবির
নাম থেকে প্রশ্ন ছিল।

# ইংরেজি
জোর দেয়ার দরকার : ইংরেজি গ্রামারে Right forms of
verb, Tense, Preposition, Parts of Speech, Voice, Narration,
Spelling, Sentence Correction-এর নিয়ম জানতে হবে এবং
গ্রামার বইয়ের উদাহরণ থেকে চর্চা করতে হবে। মুখস্থ
করতে হবে Phrase and Idoims, Synonym, Antonym
ভালোভাবে শিখতে হবে। বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার
প্রশ্ন সমাধান করলে ভালো করা যাবে।
বিগত পরীক্ষায় যা এসেছে : বিগত দুই পর্যায়ের
পরীক্ষায় ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ এসেছে।

# গণিত
যা শেখা ও করা প্রয়োজন : পাটিগণিতের পরিমাপ ও
একক, ঐকিক নিয়ম, অনুপাত, শতকরা, সুদকষা, লাভক্ষতি,
ভগ্নাংশ, বীজগণিতের সাধারণ সূত্রাবলী থেকে প্রশ্ন
থাকে। মুখে মুখে ও সূত্র প্রয়োগ করে সংক্ষেপে ফল বের
করার প্র্যাকটিস করতে হবে। যাতে প্রশ্ন দেখামাত্রই
সূত্র প্রয়োগ করে ফল বের করা যায়। জ্যামিতিতে
প্রস্তুতি ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, বর্গক্ষেত্র, রম্বস, বৃত্ত
ইত্যাদির সাধারণ সূত্র ও সূত্রের প্রয়োগ দেখতে হবে।
মাধ্যমিক পর্যায়ে পাঠ্যবই বিশেষত অষ্টম ও নবম-দশম
শ্রেণির গণিত বই অনুসরণ করলে ভালো হবে।

# সাধারণ জ্ঞানঃ
যা গুরুত্ব দিয়ে পড়া প্রয়োজন : প্রশ্ন বেশি আসে
বাংলাদেশ অংশে বাংলাদেশের শিক্ষা, ইতিহাস,
ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ, ভূপ্রকৃতি ও জলবায়ু, সভ্যতা
ও সংস্কৃতি, বিখ্যাত স্থান, বাংলাদেশের রাষ্ট্র
ব্যবস্থা, অর্থনীতি, বিভিন্ন সম্পদ, জাতীয় দিবস থেকে
প্রশ্ন আসে।.
# আন্তর্জাতিক অংশে বিভিন্ন সংস্থা, দেশ, মুদ্রা,
রাজধানী, দিবস, পুরস্কার ও সম্মাননা থেকে খেলাধুলা
প্রশ্ন থাকে

#সাধারণ বিজ্ঞান থেকে বিভিন্ন রোগব্যাধি,
খাদ্যগুণ, পুষ্টি, ভিটামিন থেকে প্রশ্ন আসতে পারে।
নিয়মিত বেশি বেশি পত্রিকা পড়ার অভ্যাস করলে
সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্নের উত্তর সহজ হবে।

বিগত পরীক্ষায় যা এসেছে : বিগত দুই ধাপের পরীক্ষায়
অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস,
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি থেকে প্রশ্ন করা হয়।
,
নোটটা টাইমলাইনে শেয়ার করে রাখুন,
যখন যা মনে থাকবেনা টাইমলাইনে শেয়ার করা পোস্ট থেকে বুঝে বুঝে অধ্যায়গুলো শেষ করুন বিশেষ কিছু অধ্যায় আছে যে অধ্যায় থেকে প্রত্যেক বছর question থাকবেই,(সংগ্রহিত)

Photos 16/08/2018

মাস্টার্স শেষ [সেশন:১৫-১৬] পর্বের ফর্ম পূরণ.....
# শুরু ৩০ আগস্ট.....
# শেষ ২৫ সেপ্টেম্বর..

Photos from জেড হক প্রকাশনী's post 12/08/2018

পারমাণবিক বিদ্যুতের সহজ সমাধান
আমি অার্গন ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির যে ল্যাবে কাজ করছি, তার নাম অ্যাডভান্সড ফোটন সোর্স ল্যাব। ওই ল্যাবে গত ১০ বছর আমার পাঁচজন কলিগ নোবেল পুরস্কার পান। আমি পুরো ল্যাবরেটরির কথা বলছি না, শুধু একটা বিভাগের কথা বলছি। মজার ব্যাপার হলো কফি ব্রেকে তাঁদের প্রায়ই এদিক-ওদিক ঘোরাফেরা করতে দেখি। তাঁদের চোখের সামনে ঘোরাফেরা করতে দেখাও সৌভাগ্যের ব্যাপার।

ফেসবুকে ‘নিউক্লিয়ার স্কুল’ নামে একটি পেজে সম্প্রতি এ রকম একটা পোস্ট দিয়েছেন সৈয়দ বাহাউদ্দিন আলম। এই পেজটা আসলে বাংলায় পরমাণুবিজ্ঞান শেখানোর একটা প্রচেষ্টা। বাহাউদ্দিন নিজেই চালান এই পেজ। কোন মানের গবেষণাকেন্দ্রে বাংলাদেশি এই বিজ্ঞানী কাজ করেন, তার আভাস ওপরের কথাগুলো থেকেই পাওয়া যায়।

‘পরমাণুবিজ্ঞানী’ শুনলে পাকা কিংবা কাঁচা-পাকা চুলের গম্ভীর, ভাবুক যে অবয়ব ভেসে ওঠে, বাহাউদ্দিন তা নন। তাঁর বয়স ৩১ বছর। পরমাণু প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি নিয়েছেন যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কাজ করেন ফ্রান্সের পারমাণবিক শক্তি কমিশনে নিউক্লিয়ার বিজ্ঞানী হিসেবে। ফেলো হিসেবে যুক্ত আছেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে। তাঁর সঙ্গে ফোনে একদিন যোগাযোগ হলো, তখন তিনি লন্ডনে। পরদিন যখন কথা হলো, তখন বাহাউদ্দিন ফ্রান্সে।

এসব তো হতেই পারে। তবে সৈয়দ বাহাউদ্দিন আলমের আসল কাজ, সত্যিকারের অনন্য জায়গায়। পিএইচডির গবেষণায় তিনি আবিষ্কার করেছেন ছোট আকারের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র (পরমাণুবিজ্ঞানের ভাষায় স্মল মডিউলার িরঅ্যাক্টর কোর)। পাবনার রূপপুরে নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আশপাশে যাঁরা গিয়েছেন, তাঁরা দেখেছেন কী বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে সেখানে। পারমাণবিক চুল্লি বা নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর মানেই বিশাল কাঠামো। বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই পারমাণবিক চুল্লির আকারটাকে একেবারে ছোট করে এনেছেন বাহাউদ্দিন। যা চাইলে বহনও করা যাবে। পারমাণবিক চুল্লির আকার ছোট রাখতে গিয়ে তাঁকে নতুন পারমাণবিক জ্বালানিও আবিষ্কার করতে হয়েছে। বাহাউদ্দিনের গবেষণার বাস্তবায়ন চলছে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনে। সেখানে বড় জাহাজের জন্য পারমাণবিক ব্যাটারি তৈরি হচ্ছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস কৌশলে পড়তেন বাহাউদ্দিন। শেষ বর্ষে বেছে নিলেন ‘পাওয়ার’। মূলত প্রয়াত অধ্যাপক আবদুল মতিনের উৎসাহে পরমাণু শক্তি নিয়ে পড়াশোনা শুরু হয় সৈয়দ বাহাউদ্দিন আলমের। ‘মতিন স্যার আমাকে বলেছিলেন, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সমস্যা প্রকট। এ সমস্যা দূর করতে পারমাণবিক শক্তির বিকল্প নেই। পরমাণুবিজ্ঞান পড়তে হলে গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান খুব ভালোভাবে লাগবে।’ বললেন বাহাউদ্দিন। প্রথমদিকে খুবই কঠিন লাগত। কিন্তু লেগে রইলেন। একটা ওয়েবসাইটও বানালেন। অনেকে আবার তা নিয়ে হাসাহাসিও করলেন। কিন্তু সৈয়দ বাহাউদ্দিন আলমের লক্ষ্য ছিল অটুট। পরমাণুবিজ্ঞানী হতেই হবে।

২০১১ সালে বুয়েট থেকে স্নাতক হয়ে কেমব্রিজে ভর্তির জন্য আবেদন করলেন। স্নাতকোত্তর পর্যায়ের জন্য নয়, পিএইচডি করার জন্য। কেমব্রিজ থেকে জবাব এল, ‘তোমার তো নিউক্লিয়ারের কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড নেই। তার ওপর সবে স্নাতক করেছ।’ বাহাউদ্দিন নাছোড়বান্দা। পদার্থবিজ্ঞানের ওপর ১৫–২০টা গবেষণাপত্রই তাঁর ভরসা। কেমব্রিজে বিশেষ সভায় বাহাউদ্দিনকে সুযোগ দেওয়া হলো। এক বছরে একটা প্রকল্প ও কোর্স করতে হবে। এটাই হবে তাঁর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। তবে নম্বর পেতে হবে ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ। ‘টায় টায় ৭৫ শতাংশ নম্বরই পেলাম। ২০১৩ সালে এই কোর্স শেষ করার পর পেলাম পিএইচডি করার সুযোগ।’ বললেন সৈয়দ বাহাউদ্দিন আলম।
পিএইচডি কোর্সেও শর্ত কম ছিল না। গবেষণার বিষয় এসএমআর (স্মল মডিউলার রিঅ্যাক্টর), মানে ছোট আকারের পারমাণবিক চুল্লি। বলা হলো এসএমআরের এমন মডেল বানাতে হবে, যা পৃথিবীতে নেই। বাহাউদ্দিন বললেন, প্রচলিত রিঅ্যাক্টর নিয়ন্ত্রণ করা হয় বোরন দিয়ে। আমাকে বলা হলো বোরন ব্যবহার করা যাবে না। বোরন নিয়ন্ত্রণের জন্য অনেক নল লাগে। এতে চুল্লির আকার বেড়ে যায়। এদিকে পারমাণবিক চুল্লির প্রচলিত জ্বালানি ইউরেনিয়াম ডাই-অক্সাইডের সঙ্গে বোরন না মেশালে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেশি। ‘তাই আমাকে নতুন জ্বালানি খুঁজে বের করতে হলো। নতুন ফুয়েল না বানালে পিএইচডি হবে না। আমি দেখলাম ইউরেনিয়াম ডাই-অক্সাইডের চারপাশে ১০০ শতাংশ থোরিয়াম যোগ করে এটা করা যাচ্ছে। বিশুদ্ধ থোরিয়াম ডাই-অক্সাইড নিউট্রন খেয়ে ফেলে শুধু িরঅ্যাক্টর নিয়ন্ত্রণে সাহায্যই করে না, পাশাপাশি ইউরেনিয়াম ২৩৩ উৎপাদন করে। ফিশন বিক্রিয়ার জন্য এটা প্রচলিত ইউরেয়াম ডাই–অক্সাইডের মূল উপাদান ইউরেনিয়াম ২৩৩–এর বেশি কার্যকর।’ এভাবেই বাহাউদ্দিন তৈরি করলেন মাইক্রো হেটারোজিনিয়াস থোরিয়াম ডাই-অক্সাইড জ্বালানি। নতুন করে নকশা করতে হলো এসএমআরের।

এই গবেষণার জন্য সৈয়দ বাহাউদ্দিন আলম ২০১৫ ও ২০১৬ সালে আমেরিকান নিউক্লিয়ার সোসাইটির এবং ২০১৭ সালে জাপান অ্যাটমিক সোসাইটির সেরা গবেষণাপত্রের পুরস্কার পেলেন। ২০১৬ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় সেরা পোস্টারের পুরস্কারও পেয়েছেন। ২০১৭ সালে জাপান পারমাণবিক শক্তি কমিশন বাহাউদ্দিনের গবেষণাকে ‘দারুণ উদ্ভাবন’ বলেছে। এ ছাড়াও গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেয়েছেন কেমব্রিজ ট্রাস্ট ও পোস্ট গ্রাজুয়েট পুরস্কার। চলতি বছর বাহাউদ্দিন ফ্রেঞ্চ অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনে পরমাণু গবেষণাবিজ্ঞানী হিসেবে যোগ দিলেন। তিনি বললেন, ‘এই প্রতিষ্ঠান ২০২৫ সালে নতুন পারমাণবিক চুল্লি আনবে।’
বাহাউদ্দিনের গবেষণার বাস্তবায়ন চলছে যুক্তরাষ্ট্রের রডআইল্যান্ড অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনে। ৩৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যে পারমাণবিক ব্যাটারি তৈরি হচ্ছে তার আকার ১.৭ x ১.২ মিটার।
ফ্রান্সের মতো দেশে পরমাণুবিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করছে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম এ বিষয়টিকে বাংলাদেশের জন্য খুব সম্ভাবনাময় মনে করছেন বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আলী জুলকারনাইন। তিনি বললেন, এই বাহাউদ্দিনেরা একদিন দেশে ফিরে আসবে, দেশের কাজে তাদের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ব্যবহার করবে, এটাই আমার আশা। ছোট আকারের রিঅ্যাক্টর এখনো পরীক্ষিত, প্রমাণিত, নিরাপদ প্রযুক্তি নয়। তবে গবেষণার মাধ্যমে যখন এই প্রযুক্তির উন্নতি ঘটবে, এসব চালানোর দক্ষতা তৈরি হবে, তখন ছোট ছোট এই রিঅ্যাক্টরগুলো বাংলাদেশের কাজে আসবে। বাহাউদ্দিনের গবেষণার উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখেন মো. আলী জুলকারনাইন।
নিজের দেশ বাংলাদেশের জন্য গবেষণা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চান সৈয়দ বাহাউদ্দিন আলম। জানালেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য তাঁর এই ছোট ছোট পারমাণবিক চুল্লিতে দুর্ঘটনার হার এখন পর্যন্ত ৪০ শতাংশ কমানো সম্ভব হয়েছে। এগুলো দিয়ে ১৫ থেক ২০ বছর পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। আরও ১৫ বছর পর নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরে আসতে চান। বললেন, ‘এ ধরনের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বাংলাদেশের জন্য অনেক কাজে আসবে।’

Photos from জেড হক প্রকাশনী's post 04/08/2018

৷৷ নীল নদের উৎসের খোঁজে ৷৷

নীল নদ দীর্ঘতম নদী। নদীটা উগান্ডার ভিক্টোরিয়া লেক থেকে উৎপন্ন হয়ে উত্তরে প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে গিয়ে মিশেছে। জন হ্যানিং স্পেক ১৮৫৮ সালের ৩ আগস্ট নীল নদের উৎসস্হল আবিস্কার করেন ৷ নদীটির উৎপত্তিস্থল হিসেবে চিহ্নিত করেন রিপন জলপ্রপাতকে। ১৯৫৪ সালে ওয়েন জলপ্রপাতে বাঁধ নির্মিত হলে রিপন জলপ্রপাত ডুবে যায়।

দেড়শ বছর আগেও আফ্রিকার অনেক অঞ্চলই ছিল ইউরোপীয়দের কাছে অনাবিষ্কৃত। ভূগোলবিদ আর পর্যটকদের কাছে তাই বরাবরই আফ্রিকা ছিল আকর্ষণীয়। বিশেষ করে নীল নদের উৎস ছিল এক মহারহস্য। সেটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করে বিফলও হয়েছেন অনেকেই। ১৮৫৬ সালে লন্ডনের রয়েল জিওগ্রাফিক্যাল সোসাইটি নীলের উৎস খুঁজে বের করতে এক অভিযানের বন্দোবস্ত করে ৷

নীলের উৎসের সন্ধানে অভিযানে নেতৃত্ব দেন রিচার্ড বার্টন এবং জন হ্যানিং স্পেক । ১৮৫৭ সালের জুন মাসে আফ্রিকার পূর্ব উপকূলে পৌঁছন তাঁরা। এখন জায়গাটা তাঞ্জানিয়ার অন্তর্গত। তারপর টানা পাঁচ মাস নীল নদ ধরে যাত্রা। পাড়ি দেন ৯৬০ কিলোমিটার। পৌঁছন তাবোরা নামের এক জায়গায়। সেখানে গিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, এর পশ্চিমেই আছে এক বিশাল লেক। তাঁরা সেই লেকটাও খুঁজে বের করেন। এটিই পরে পরিচিত হয়ে ওঠে টাঙ্গানিয়াকা লেক নামে। কিন্তু এর দক্ষিণে কোনো নদীই বয়ে যায়নি। অর্থাৎ এই লেক আর যা-ই হোক, নীল নদের উৎস নয়। তখন ১৮৫৮ সালের মে মাস। স্পেক-বার্টনদের শরীর-স্বাস্থ্যও বেশ খারাপ হয়ে পড়েছে। তাঁরা ঠিক করলেন, তাবোরায় ফিরে কিছুদিন বিশ্রাম নেবেন।

তাবোরাতে থাকতে থাকতেই তাঁরা আরেকটি বিশাল লেকের কথা শুনলেন। এই লেক তাবোরার দক্ষিণে। কিন্তু তখন বার্টন ভীষণ অসুস্থ। অগত্যা ১৮৫৮ সালের ৩ আগস্ট বার্টনকে ছাড়াই রওনা দিলেন স্পেক। খুঁজেও বের করলেন লেকটা। বিশাল সেই লেকের নাম দিলেন ভিক্টোরিয়া লেক। দেখেশুনে স্পেক বুঝলেন যে ওটাই নীল নদের উৎস। খুশি মনে ফিরে এলেন তাবোরায়। বার্টনকে দিলেন সেই সুখবর। বার্টন কিন্তু স্পেকের কথা একদমই বিশ্বাস করলেন না। তাঁর কথা, ভিক্টোরিয়া লেক নীল নদের উৎস হতেই পারে না। দুজনে তাই নিয়ে ভীষণ ঝগড়া বাধিয়ে দিলেন। শেষ পর্যন্ত তাঁরা কোনো সিদ্ধান্তেই আসতে পারলেন না। তখন দুজনে অভিযানের পাততাড়ি গুটিয়ে ফিরে গেলেন ব্রিটেনে।

দুজনে একই সময়ে রওনা দিলেও একসঙ্গে ফিরলেন না। স্পেক লন্ডনে পৌঁছলেনও আগেভাগে। এসেই অভিযানের সব খবর জানালেন রয়েল জিওগ্রাফিক্যাল সোসাইটিকে। বার্টন আসতে আসতে স্পেক তাঁদের আরেকটি অভিযানের জন্য রাজি করিয়ে ফেলেছেন। সে অভিযান হবে একা স্পেকের নেতৃত্বে। উদ্দেশ্য, নীল নদের উৎস রহস্যের চূড়ান্ত কিনারা করা। স্পেক সেই অভিযানে বের হলেন ১৮৬০ সালে। ১৮৬২ সালের জুলাই মাসে খুঁজে বের করলেন নীল নদের উৎপত্তিস্থল। ভিক্টোরিয়া লেকের দক্ষিণে অবস্থিত নীল নদের উৎস সেই জলপ্রপাতটির নাম দিলেন রিপন জলপ্রপাত। আর এভাবেই মীমাংসা হলো দীর্ঘদিন ধরে পৃথিবীবাসীকে অন্ধকারে রাখা নীল নদের উৎস রহস্যের।

জন হ্যানিং স্পেক প্রথমে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে চাকরি করেন। সেখানে বাধ্যতামূলক ১০ বছর কাটানোর পর চাকরি ছেড়ে দেন। ঠিক করেন, আফ্রিকা ঘুরে বেড়াবেন। নতুন নতুন জায়গা আবিষ্কার করবেন। আর সংগ্রহ করবেন বিরল সব পশুপাখি। শেষ পর্যন্ত অবশ্য জুড়ে যান বার্টনের অভিযানে। স্বভাবচরিত্রে স্পেক ছিলেন বার্টনের বিপরীত। রীতিমতো আচারনিষ্ঠ, গোঁড়া ধার্মিক।

রিচার্ড বার্টন ছিলেন একাধারে লেখক, ভূপর্যটক, বিজ্ঞানী ও কবি। অসাধারণ ব্যক্তিত্বের এই খ্যাপাটে ভদ্রলোকের মেজাজও ছিল বাজখাঁই। ভাষাতাত্ত্বিক হিসেবেও তিনি ছিলেন সুদক্ষ। কথা বলতে পারতেন ৩০টিরও বেশি ভাষায়। আরব সংস্কৃতির প্রতি তাঁর বিশেষ অনুরাগ ছিল। তিনি প্রায়ই সেখানকার পোশাক-আশাকও পরতেন। যেমন বার্টনের ব্যবহৃত এই ফেজ টুপি ও নাগরা ৷

জন হ্যানিং স্পেক নীল নদের উৎস খুঁজে বের করলে, ১৯ শতকের সবচেয়ে বড় ভূপ্রাকৃতিক রহস্যের সমাধান হয়। অবশ্য এর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব স্পেকের নয়। তিনি নীল নদের উৎস খুঁজে বের করেন বটে ; কিন্তু সেটিই যে নীল নদের প্রকৃত উৎস, তা নিশ্চিত করে প্রমাণ করতে পারেননি। পরে ১৮৭৫ সালে তা প্রমাণ করেন হেনরি মর্টন স্ট্যানলি । এই হেনরি আবার শুধু পর্যটকই ছিলেন না, তিনি সাংবাদিকতাও করতেন।

দুই বন্ধু বার্টন আর স্পেক একসঙ্গে গিয়েছিলেন নীল নদের উৎস খুঁজে বের করার অভিযানে। কিন্তু সেই অভিযান শেষ হয় তাঁদের তিক্ত তর্কে। ফিরে আসার আগে অবশ্য ঠিক করেছিলেন, ব্রিটেনে ফিরে তাঁরা গণমাধ্যমের সঙ্গে একসঙ্গেই কথা বলবেন। কিন্তু স্পেক আগেভাগে পৌঁছে আর ধৈর্য ধরতে পারলেন না। সবাইকে ঢাক পিটিয়ে জানিয়ে দিলেন, তিনি নীল নদের উৎসের সন্ধান বের করেছেন। নীল নদের উৎস লেক ভিক্টোরিয়া। আরেকবার অভিযানে গিয়ে তিনি নদীটির উৎসের একদম ঠিকুজি-কুলুজি নিয়ে আসবেন। পরেরবার যখন স্পেক সেটি করেও দেখালেন, তখনো বার্টন বিশ্বাস করেননি। তাঁকে ভুল দাবি করে তর্ক করে গেছেন। শেষ পর্যন্ত ঠিক হয়, তাঁরা প্রকাশ্যে বিতর্কে নামবেন। দিন-তারিখ-সময়-স্থান সবই ঠিক করা হলো। কিন্তু বিতর্কটা আর হয়নি। আগের দিন এক দুর্ঘটনায় মারা যান স্পেক।

Photos 18/07/2018


Result..
#কমেন্ট করুন...রোল, বোর্ড ও রেজি নাম্বার সহ.....
আজ.. ১৯ তারিখ
রেজাল্ট প্রকাশ হবে
HCS এবং সমমান রেজাল্ট অনলাইনে দেখতে
http://www.educationboardresults.gov.bd/
এই সাইটে গিয়ে
সবকিছু ঠিকমত দিয়ে সাবমিট করলেই আপনার রেজাল্ট চলে
আসবে।
এই সাইটে আপনি মার্কশিট সহ পাবেন না যাস্ট গ্রেড পাবেন।
মোবাইলে SMS এর মাধ্যমে রেজাল্ট পেতে
HSC/Alimআপনার বোর্ডের প্রথম ৩
অক্ষররোলনাম্বার2018 লিখে 16222 নাম্বারে
পাঠিয়ে দিলেই রিপ্লে মেসেজে আপনার রেজাল্ট চলে
আসবে।
উদাহরণ সরূপ :- সাধারণ বোর্ডের রেজাল্ট পেতে:- HSC DHA
123456 2018
মাদ্রাসা বোর্ড অর্থাৎ আলিম রেজাল্ট ২০১৮ পেতে Alim MAD
568822 2018
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের রেজাল্টের জন্য HSC TEC 123656
2018
লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।
অথবা কমেন্ট করুন রোল,বোর্ড ও রেজি নং সহ..

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka