আলহামদুলিল্লাহ চ্যালেঞ্জ করার মাধ্যমে আর একটা বোর্ড স্ট্যান্ড যোগ হল।
মোট 20 জন
শামসুল উলূম মহিলা মাদ্রাসা
একটি আদর্শ কওমি মহিলা মাদরাসা
Class play
14/04/2026
সন্তানকে কোথায় পড়াবেন আপনার সিদ্ধান্ত।
এ দিবস আমাদের জন্য নয়!!!
12/04/2026
প্রাইভেট মাদরাসা জাতির আশীর্বাদ!
প্রাইভেট মাদ্রাসাুলোর কারণে লক্ষ-লক্ষ আলেমদের কর্মের ব্যবস্থা হয়েছে।
প্রাইভেট মাদরাসাগুলোর উন্নত পরিবেশের কারণে রুচিশীল উন্নত পরিবারের সন্তানরা মাদরাসামুখী হয়েছে।
প্রাইভেট মাদরাসাগুলোর কারণে কওমী শিক্ষা মানুষের দোরগোড়ায় এসে পৌঁছেছে।
প্রাইভেট মাদরাসাগুলোর কারণে পড়ালেখায় প্রতিযোগিতা তৈরী হয়েছে।
প্রাইভেট মাদরাসাগুলোর কারণে কওমীতে কালেকশন মুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরী হয়েছে।
প্রাইভেট মাদরাসাগুলোর কারণে কুরআন হিফজ কারীদের সংখ্যা অনেক বেড়েছে।
প্রাইভেট মাদরাসাগুলোর কারণে অল্প সময়ে হিফজ করার পথ ও পদ্ধতি তৈরী হয়েছে।
প্রাইভেট মাদরাসাগুলোর কারণে আধুনিক শিক্ষা ও কুরআনিক শিক্ষার সমন্বয় ঘটেছে।
প্রাইভেট মাদরাসাগুলোর কারণে উন্নত আবাসন ও উন্নত খাবারের ধারা চালু হয়েছে।
প্রাইভেট মাদরাসাগুলোর কারণে অনেক অল্পশিক্ষিত কওমী পড়ুয়ার কর্মের ব্যবস্থা হয়েছে।
প্রাইভেট মাদরাসাগুলোর কারণে অনেক আলেম সম্পদশালী হচ্ছে।
প্রাইভেট মাদরাসাগুলোর কারণে আলেমদের প্ভাব প্রতিপত্তি বাড়তেছে।
প্রাইভেট মাদরাসাগুলোর কারনে পরিশ্রমী আলেমরা যথাযথ মূল্যায়ণ পাচ্ছে।
প্রাইভেট মাদরাসাগুলোর কারণে লক্ষ লক্ষ আলেম ইমামতি মুয়াজ্জিনির পাশাপাশি অতিরিক্ত ইনকাম করতে পারতেছে।
প্রাইভেট মাদরাসাগুলোর কারণে হাজার হাজার বক্তা মাহফিল করে উচ্চাভিলাষী জীবন-যাপন করতেছে।
প্রাইভেট মাদরাসাগুলোর কারণে অনেক বাংলা শিক্ষিতদেরও কিন্ডারগার্টেন শাখায় কর্মের ব্যবস্থা হচ্ছে।
আরো অনেক উপকারীতা এই জাতির হচ্ছে, হ্যা কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনাও ঘটে বিশেষত বেতন বকেয়া সংক্রান্ত! আরে ভাই প্রাইভেট মাদরাসায় বেতন আটকে গেলে প্রতিবাদ করা যায় কারণ পরিচালক একজন ব্যাক্তি কিন্তু কমিটিভুক্ত মাদরাসায় বিশেষ করে যেগুলোতে কমিটির পাওয়ার বেশি প্রতিবাদও করা যায়না তারা তখন বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে লাঞ্ছিত করে বের করে দেয়।
আমি নিজে ভুক্তভোগী ৭৭০০০টাকা পাওনা ফান্ডে টাকা সঞ্চিত আট লাখ আজও টাকা দেয় নাই এমনকি কিছু অনাবাসিক শিক্ষকদের বেতন বকেয়া যেটা নিয়ে কমিটি বসেছিল ওয়াদা দিয়েছিলে আজ পর্যন্ত এক টাকাও দেয় নাই।
তাই বলি আলেমরা প্রাইভেট মাদরাসা করে যদি কোটিপতি হয় এটা আমাদেরই গর্ব আজ হোক বা কাল সে আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতার ভয় করবেই পক্ষান্তরে আওয়ামরা কমিটির হর্তাকর্তা হয়ে টাকা পকেটে ভরবে আর আলেমদের দূর্নাম করবে!
কপি
10/04/2026
শামসুল উলূম আবাসন।।
আসাতিযায়ে কিরামের প্রতি সাধারণ নির্দেশনা
- জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া মুহাম্মদপুর ঢাকা
> (তালীম-তরবিয়তের উন্নতির জন্য মানসম্মত দরসদানে সহায়ক কিছু পরামর্শ)
১. দরসদানের ক্ষেত্রে আন্তরিকভাবেই ইখলাস, আদব ও বিনয় অবলম্বন করা।
২. নিয়মিত দরসে যাওয়া, দরসের শুরুতে যাওয়া, সবক নেওয়া, পুরো সময় দরসে থাকা, যতটা সম্ভব দরসকে সহজভাবে উপস্থাপন করা।
৩. দরসকে প্রাণবন্ত রাখা, অর্থাৎ এমনভাবে পাঠদানের চেষ্টা করা, যাতে করে ছাত্রদের মধ্যে বিরক্তি, আলসেমী বা ঘুম না আসে। ছাত্রদের যোগ্যতা যাচাই করতে দরসে ছাত্রদের দিয়ে এবারত পড়ানো এবং ইলমী উসলূবের সাথে পরিচয়ের জন্য মাঝে মাঝে দরসেই গুরুত্বপূর্ণ হাশিয়াগুলো পড়ানো।
৪. দরসের ফাঁকে ফাঁকে ছাত্রদের যেহেনসাযী করা। তবে জামিয়ার ফিকিরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন কোন বিষয়ে নিজস্ব ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গী থাকলে জামিয়ার কোনো দরসে বা ব্যক্তিগতভাবে জামিয়ার কোনো ছাত্রকে সে বিষয়ে উদ্বুদ্ধ না করা।
৫. নিয়মিত মুতালাআহ করা, বিষয় জটিল হলে প্রয়োজনে অন্যদের সাথে মুযাকারা করা ও মুতালাআহ শেষ করে দরস উপস্থাপনের পদ্ধতি বিষয়ে সময় নিয়ে ফিকির করা।
৬. পরীক্ষার প্রস্তুতি ও ফন্নের তামরীনের স্বার্থে মাঝে মাঝে ছাত্রদেরকে কিছু লেখার কাজ দেওয়া। বিষয়ভিত্তিক লেখার অনুশীলন করানো।
৭. যে কিতাবগুলো বুঝতে হয়, শুধু মুখস্থ না করিয়ে সেগুলোতে বুঝ পাকা হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য বুঝেরও সবক নেওয়া (বিশেষত দুর্বলদের থেকে)। যেমন, কুদুরী, দুরুসুল বালাগাহ, উসুলুশ শাশী, মুখতাসার, শরহুল আকায়েদ ইত্যাদি।
৮. তরজমা প্রয়োজন এমন কিতাবগুলোতে নিয়মিত সাবলীল তরজমা করা। ছাত্ররা তরজমা করতে শিখছে কি না, তা দেখার জন্য মাঝে মাঝে তাদেরকে দিয়েও তরজমা করানো।
৯. কোন্ কিতাব কীভাবে পড়াবেন তা জেনে নেওয়া। মুরুব্বি উস্তাদ, নিজের উস্তাদ, আগে যিনি পড়িয়েছেন, দরসের পরামর্শ সংক্রান্ত কোনো কিতাব, মাহেরে ফন্ন থেকে বা অন্য যেকোনো উপায়ে জানতে চেষ্টা করা। সাথে কোন্ কিতাব থেকে আমাদের মাদ্রাসা বা নেসাবের কি মাকসাদ তাও জেনে নেওয়া।
১০. কোনো কিতাব পড়ানোর দায়িত্ব আসলে ওই কিতাবের ফন্নটি শাস্ত্রীয়ভাবে মুতালাআর চেষ্টা করা। অর্থাৎ এই ফন্নের ইমামদের কিতাব মুতাআলায় রাখা। প্রসিদ্ধ, প্রচলিত ও গ্রহণযোগ্য শরাহগুলো মুতালাআয় রাখা। শাস্ত্রজ্ঞদের সাথে যোগাযোগ রাখা। দেশে বা বাইরে এ বিষয়ে নতুন কোনো কাজ হচ্ছে কি না খোঁজ রাখা। ছাত্রদেরকে নোটসদৃশ শরাহগুলো পড়তে বাধা দেওয়া।
১১. সকল স্তরের ছাত্রদের প্রতি লক্ষ্য রেখে দরস প্রদান করা। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে যে কোনো ফন্ন পড়ানোর সময় ওই ফন্নের একাধিক গ্রহণযোগ্য কিতাবের সাথে পরিচিত করা ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা মাঝে মাঝে ওই কিতাবগুলো থেকে মুরাজাআতের পরামর্শ দেওয়া।
১২. মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে নতুন যে কোনো শাস্ত্রের কিতাব পড়ানোর পূর্বে, প্রথাগত পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে এসে ভূমিকাস্বরূপ, ওই শাস্ত্রের প্রাথমিক পরিচয় ছাত্রদের সামনে বাস্তবানুগ পদ্ধতিতে তুলে ধরা।
১৩. কোনো ছাত্রের মধ্যে কিতাব বুঝতে বিশেষ দুর্বলতা পরিলক্ষিত হলে তাকে বিশেষভাবে তারাক্কীর জন্য যথাযথ পরামর্শ দিয়ে এগিয়ে যেতে সাহায্য করা।
১৪. ছাত্রদেরকে পরীক্ষার জন্য গুরুত্বের সাথে প্রস্তুত করা, তারগীব দেওয়া ও মাদ্রাসার পরীক্ষাগুলো যত্নের সাথে নেওয়া। প্রয়োজনে কিতাব বা নেসাব আগে শেষ করে আবার পিছন থেকে পড়ানো ও মাদ্রাসার বা বোর্ডের মূল পরীক্ষার আগে ক্লাসে আলাদা পরীক্ষা নেওয়া। সম্ভব হলে দুর্বলদেরকে আলাদা সময় দেওয়া বা অন্য কোনো সূরতে মেহনতে লাগানো। পাক্ষিক পরীক্ষাগুলো যত্নের সাথে নেওয়া।
১৫. বেশিরভাগ ছাত্রের সবক বুঝতে পারা, সবক শোনাতে পারা, পরীক্ষায় ভালো করার ওপর দরসের সফলতা নির্ভর করে। তাই বেশিরভাগ ছাত্র সারা বছর সমানভাবে সবক বুঝতে পারছে কি না বা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারছে কি না, তার প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখা।
১৬. নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হক আদায় করে ই'তিদালের সাথে নেসাব শেষ করা। সময় সংকট থাকলে তা তালীমাতে জানানো।
১৭. শিক্ষাদানগত যে কোনো সংকট নির্দ্বিঃধায় তালীমাতে জানানো।
মুহতামিম
জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া
বছরের শুরুতে ছাত্রদের সামনে প্রথম দিনের নসিহত বা দিকনির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনের কথাগুলো ছাত্রদের মনে গভীরভাবে গেঁথে থাকে এবং সারা বছর তাদের পড়াশোনার গতি ধরে রাখতে সাহায্য করে।
কুরআনের অঙ্গনে নতুন বছর শুরু করার প্রাক্কালে স্নেহের তালিবুল ইলমদের (শিক্ষার্থীদের) উদ্দেশে দেওয়ার জন্য একটি হৃদয়গ্রাহী ও দিকনির্দেশনামূলক নসিহতের খসড়া নিচে লিখে দেওয়া হলো:
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসুলিহিল কারিম, আম্মা বাদ।
আমার স্নেহের ছাত্র ভাইয়েরা,
আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানি ও দয়ায় আমরা নতুন আরও একটি শিক্ষাবর্ষ শুরু করতে যাচ্ছি। আলহামদুলিল্লাহ। দুনিয়ার হাজারো কাজের মধ্যে আল্লাহ তায়ালা তোমাদেরকে তাঁর পবিত্র কালাম এবং দ্বীনের ইলম শেখার জন্য কবুল করেছেন, এটি তোমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য।
আজ নতুন বছরের প্রথম দিনে আমি তোমাদের কয়েকটি জরুরি কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, যা সারা বছর তোমাদের পাথেয় হয়ে থাকবে:
১. নিয়ত পরিশুদ্ধ করা (ইখলাস):
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "সকল কাজ নিয়তের ওপর নির্ভরশীল।" আমরা এখানে কেন এসেছি? কেবল বড় আলেম হওয়ার জন্য? মানুষের বাহবা পাওয়ার জন্য? নাকি সুন্দর তিলাওয়াত করে নাম কামানোর জন্য? না! আমাদের একমাত্র নিয়ত হবে— "আমি আল্লাহকে রাজি ও খুশি করার জন্য ইলম শিখছি। কুরআনের আলো দিয়ে নিজের জীবন গড়বো এবং অন্যের কাছে এই আলো পৌঁছে দেব।" নিয়ত শুদ্ধ না থাকলে সারাদিন কিতাব নিয়ে বসে থাকলেও ইলমের নূর বা বরকত নসিব হবে না।
২. আদব ও শিষ্টাচার (আখলাক):
বলা হয়ে থাকে, "আদবহীন মানুষ জ্ঞানহীন মানুষের চেয়েও গরিব।" উস্তাদদের চোখের দিকে তাকিয়ে বেয়াদবি করবে, আর বুকে কুরআন ধারণ করবে— তা কখনো হয় না। উস্তাদদের সম্মান করবে নিজের বাবার চেয়েও বেশি। মাদরাসার পরিবেশ, নিজের কিতাব ও মুসহাফের (কুরআনের) সর্বোচ্চ আদব রক্ষা করবে। সহপাঠীদের সাথে ভাইয়ের মতো আচরণ করবে, ঝগড়া-বিবাদ বা কাউকে ছোট করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকবে।
৩. প্রথম দিন থেকেই সময়ের কদর:
শয়তানের সবচেয়ে বড় ধোঁকা হলো— "আজকে তো প্রথম দিন, আজ থাক, কাল থেকে ভালো করে পড়ব।" এই 'কাল' আর কখনো আসে না। হিফজ বা কিতাবের পড়া এমন এক জিনিস, যা প্রতিদিনেরটা প্রতিদিন শেষ করতে হয়। যে ছাত্র প্রথম দিন থেকে নিজের সবক, আমখতা এবং মুতালাআর (অধ্যয়ন) রুটিন ঠিক রাখে, বছর শেষে সফলতার মুকুট তারই মাথায় ওঠে। তাই এক মিনিট সময়ও অবহেলায় নষ্ট করা যাবে না।
৪. গুনাহ থেকে চোখ ও অন্তরকে বাঁচিয়ে রাখা:
কুরআন হলো আল্লাহর নূর। আর গুনাহ হলো অন্ধকার। একটি পাত্রে যেমন আলো আর অন্ধকার একসাথে থাকতে পারে না, তেমনি গুনাহে লিপ্ত অন্তরে কুরআনের নূর স্থায়ী হয় না। বিশেষ করে চোখের গুনাহ, মিথ্যা কথা বলা এবং গিবত করা থেকে নিজেকে ১০০% বাঁচিয়ে রাখবে। মোবাইল বা বাইরের কোনো বাজে চিন্তায় যেন মন নষ্ট না হয়, সেদিকে কঠোর নজর রাখবে।
৫. সবর বা ধৈর্য ধারণ করা:
ইলম অর্জন করা কোনো সহজ কাজ নয়। বাড়ি ছেড়ে, বাবা-মাকে ছেড়ে এখানে থাকতে তোমাদের কষ্ট হবে। ভোরে ঘুম থেকে উঠতে কষ্ট হবে। পড়া মুখস্থ না হলে কান্না পাবে। কিন্তু মনে রেখো, এই কষ্টের বিনিময়েই আল্লাহ তায়ালা তোমাদের জন্য জান্নাতের রাস্তা সহজ করে দেবেন। যখনই কষ্ট লাগবে, আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইবে।
প্রিয় ভাইয়েরা, আজকের এই দিনটি তোমাদের নতুন করে শপথ নেওয়ার দিন। আল্লাহ তায়ালা তোমাদের মেহনতকে কবুল করুন এবং তোমাদের প্রত্যেককে তাঁর দ্বীনের একেকজন উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে কবুল করুন। আমিন।
বিঃদ্রঃ
মাঝে মাঝে মুহতামিম বা উস্তাদগণ ছাত্রদেরকে নছিহত করবেন যদি পারেন বড় বড় আলেমদেরকে দাওয়াত দিয়ে এনে ছাত্রদেরকে নছিহত করাইবেন ইনশাআল্লাহ।
✍️ Hafez Mehedi Hasan
08/04/2026
Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Maulana Hasibul Hasan, Sabikunnahar Rose, মাহমুদিয়া আদর্শ মহিলা মাদ্রাসা, সুজন সুইটি, H M Ibrahim Kholil, আকাশের তারা
দারুল হাদিসের ইফতেতা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1362