Bhagavad Gita Wisdom

Bhagavad Gita Wisdom

Share

The concept of wisdom implies that there are things to be wise about.

29/04/2025

|| শুভ অক্ষয় তৃতীয়া ||

আজ শুভ অক্ষয় তৃতীয়া — একটি পবিত্র ও মহামূল্যবান দিন। 'অক্ষয়' শব্দের অর্থই হলো 'যা কখনো ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না' — চিরস্থায়ী, অবিনাশী। বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথিতে পালিত এই দিন তাই ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে আছে।

এই দিনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক অসাধারণ কাহিনী — শ্রীকৃষ্ণ ও সুদামার চিরন্তন বন্ধুত্বের গল্প।

সুদামা ছিলেন একজন সৎ, নির্লোভ, পরম ভক্ত ব্রাহ্মণ। চরম দারিদ্র্যের মধ্যে থেকেও কখনও কারও কাছে কিছুর প্রত্যাশা করতেন না। অথচ তাঁর ছেলেমেয়ের মুখে দু’বেলা আহারও জুটত না ঠিকমতো। শৈশবের প্রিয় বন্ধু শ্রীকৃষ্ণ তখন দ্বারকার রাজা, সারা ভারত জুড়ে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে।

দারিদ্র্যে কাতর হয়ে একদিন সুদামার স্ত্রী তাঁকে বললেন,
“তোমার বন্ধু কৃষ্ণ তো এখন রাজা — যদি তাঁর কাছে যাও, হয়তো কিছু সাহায্য মিলতে পারে!”

সুদামা প্রথমে রাজি হননি। বলেছিলেন, “এমন অবস্থায় বন্ধুর কাছে কীভাবে যাই?”
তবুও স্ত্রীর অনুরোধে শেষমেশ রওনা দিলেন, সঙ্গে কিছু চিড়ার খুদ— যা ছিল কৃষ্ণের জন্য তাঁর একমাত্র উপহার।

দ্বারকায় পৌঁছে রাজপ্রাসাদের দরজায় দাঁড়িয়ে প্রহরীকে জানালেন,
“আমি সুদামা, কৃষ্ণের শৈশববন্ধু।”
দরিদ্র বেশভূষায় তাঁকে দেখে কেউ বিশ্বাস করতে চায়নি। কিন্তু খবর পৌঁছাতেই শ্রীকৃষ্ণ নিজেই ছুটে এলেন, খালি পায়ে, প্রাসাদের সিংহাসন ছেড়ে। তিনি জড়িয়ে ধরলেন বন্ধুকে, ধুলোমলিন পা নিজ হাতে ধুয়ে দিলেন, রেশমী বসনে সাজালেন এবং রাজকীয় ভোজনে আপ্যায়িত করলেন।

কৃষ্ণের ভালোবাসায় আপ্লুত সুদামা তাঁর কষ্টের কথা বলতে পারলেন না।
কৃষ্ণ নিজেই সুদামার হাতে বাঁধা চিড়ার পোটলা নিয়ে তৃপ্তির সঙ্গে তা খেয়ে নিলেন — উপহার নয়, ছিল হৃদয়ের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।

বিদায়ের সময় কৃষ্ণ শুধালেন,
“আবার আসবি তো?”
সুদামা হেসে বললেন, “আসব!”

বাড়ি ফিরে সুদামা দেখলেন, তাঁর কুঁড়েঘরের জায়গায় রাজপ্রাসাদ! স্ত্রী এসে বললেন,
“তুমি বেরোনোর কিছুক্ষণ পরেই সব বদলে গেলো! কৃষ্ণের লোকেরা এসে সব অভাব দূর করে দিয়েছে!”

সুদামা বিস্ময়ে বললেন,
“কিন্তু আমি তো কিছুই বলিনি ওকে!”

স্ত্রী উত্তর দিলেন,
“তাকে কিছু বলার দরকার হয় না। তিনি অন্তর্যামী। তাঁর কাছে গেলেই সব ঠিক হয়ে যায়। তিনি কেবল রাজা নন, তিনি আমাদের শ্রীকৃষ্ণ — শোষিতের আশ্রয়, ধর্মের ত্রাতা।”

এই অক্ষয় তৃতীয়ার দিনেই রচিত হয়েছিল সেই চিরন্তন বন্ধুত্বের কাহিনী —
যেখানে শ্রীকৃষ্ণ আমাদের শিখিয়েছিলেন,
বন্ধুত্বের ভিত্তি অর্থ নয়, হৃদয়;
শ্রেণী নয়, স্মৃতি ও শ্রদ্ধা;
আর অতীত কখনো বিস্মৃত হবার নয়।

তাই এই দিনে যেকোনো শুভ কাজ অক্ষয় — চিরস্থায়ী হয়ে ওঠে বিশ্বাসে, ভক্তিতে, হৃদয়ে।

শুভ অক্ষয় তৃতীয়া।

24/04/2025

বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষের বরুথিনী একাদশী ব্রত কথা ও গুরুত্বঃ- (অন্তিম-পর্ব )
পারণের সময় : সকাল ০৫:২৮- সকাল ০৯:৪৭

বরুথিনী একাদশীর ব্রত পালন: বিধি ও নিষেদ: এই ব্রত পালন করতে হলে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মানা প্রয়োজন, যা এই ব্রতের মাহাত্ম্যকে আরো বৃদ্ধি করে৷

দশমীর দিনে নিষিদ্ধ নিয়ম-সমূহ:
1/ কাঁসার পাত্রে ভোজন৷
2/ মাংস, মসুর ডাল, ছোলা, মধু ইত্যাদি৷
3/ দুইবার আহার এবং মৈথুন৷

একাদশীর দিনে পালনীয় বিষয়-সমূহ:
👉 সারাদিন উপবাস রাখা এবং ভগবান জনার্দনের নাম জপ করা৷
👉 দ্যূতক্রীড়া, নেশা, দিবানিদ্রা, পরনিন্দা, প্রতারণা, চুরি, হিংসা, মিথ্যাবাক্য ইত্যাদি পরিহার করা৷
👉 রাতভর জাগরণ করে ভগবানের পূজা করা৷

দ্বাদশীর দিনে নিষিদ্ধ বিষয়-সমূহ:
1/ কাঁসার পাত্রে ভোজন৷
2/ মাংস, তেল, মধু এবং মিথ্যভাষণ৷
3/ ব্যায়াম, দুবার আহার এবং মৈথুন৷

বরুথিনী একাদশী ব্রতের ফল; এই ব্রত পালনের ফলে মানুষ সকল পাপ থেকে মুক্তি লাভ করেন, এবং যম রাজের যাতণা থেকে রক্ষা পান৷ যাঁরা একাদশীর রাতে ভগবান জনার্দনের পূজা করেন এবং রাত্রি জাগরণ করেন, তাঁরা সর্বপাপ মুক্ত হয়ে চিরস্থায়ী পরমগতি লাভ করেন৷ শ্রীকৃষ্ণ আরো বলেন: এই ব্রতের মাহাত্ম্য শুনলে বা পাঠ করলে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয়৷ ব্রত পালনকারী ব্যক্তিরা ভগবানের আর্শিবাদে সুখ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি অর্জন করেন৷

উপসংহারে: বরুথিনী একাদশী ব্রত ভক্তি, নিষ্ঠা এবং শুদ্ধ আচরণের মিশ্রণে একটি অনন্য ধর্মীয় প্রক্রীয়া৷ এটি শুধু পাপমুক্তি এবং সৌভাগ্য অর্জনের পথ নয়, বরং ভগবানের প্রতি ভক্তি নিবেদন করার একটি অমূল্য সুযোগ৷ এই ব্রত পালন করার মাধ্যমে ভক্তরা নিজেদের জীবনের সকল দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি লাভ করতে পারেন, এবং ইহলোক ও পরলোকে শ্রীকৃষ্ণের আর্শিবাদে পূর্ণতা অর্জন করেন৷

ভক্তি ও নিষ্ঠার সাথে বরুথিনী একাদশী ব্রত পালন করুন, এবং শ্রীকৃষ্ণের আর্শিবাদে নিজের জীবনকে শুদ্ধ ও সমৃদ্ধ করে তুলুন৷ (সমাপ্ত)

#হরেকৃষ্ণ_হরেকৃষ্ণ_কৃষ্ণকৃষ্ণ_হরেহরেঃ৷
#হরেরাম_হরেরাম_রামরাম_হরেহরেঃ৷৷

27/09/2024

ইন্দিরা একাদশী
তারিখ:২৮-০৯-২০২৪-শনিবার
পারনের সময় ; সকাল ০৫.৪৯-০৯.৪৮

27/09/2024

পিতৃপুরুষদের নরক যাতনা দূর করে ইন্দিরা একাদশী ব্রত, এই তিথিতে কী করবেন জানুন
Indira Ekadashi:

পিতৃপক্ষে একটি মাত্র একাদশী পালিত হয় যা ইন্দিরা একাদশী নামে পরিচিত। এই একাদশী ব্রত পালন করলে পূর্বপুরুষরা জন্ম-মৃত্যুর বন্ধন থেকে মুক্ত হতে পারেন। এ বছর কবে ইন্দিরা একাদশী, কোন উপায়ে পিতৃপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনা করতে পারেন, আবার একাদশীর দিন শ্রাদ্ধ করতে না-পারলে কী করবেন, সব জেনে নিন এখানে।

ইন্দিরা একাদশী ব্রতর মাহাত্ম্য

ধর্মীয় ধারণা অনুযায়ী পিতৃপক্ষে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে শ্রাদ্ধ করতে না-পারলে, তা হলে তাঁদের ইন্দিরা একাদশী (Indira Ekadashi) ব্রত পালন করা উচিত। এই একাদশী ব্রত পূর্বপুরুষদের শ্রাদ্ধের সমান ফল দেয়। এর ফলে পিতৃপুরুষরা মোক্ষ লাভ করেন। তাঁরা জন্ম-মৃত্যুর বন্ধন থেকে মুক্ত হন।

Ekadashi: পিতৃপুরুষদের নরক যাতনা দূর করে ইন্দিরা একাদশী ব্রত, এই তিথিতে কী করবেন জানুন
Indira Ekadashi: পিতৃপক্ষে একটি মাত্র একাদশী পালিত হয় যা ইন্দিরা একাদশী নামে পরিচিত। এই একাদশী ব্রত পালন করলে পূর্বপুরুষরা জন্ম-মৃত্যুর বন্ধন থেকে মুক্ত হতে পারেন। এ বছর কবে ইন্দিরা একাদশী, কোন উপায়ে পিতৃপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনা করতে পারেন, আবার একাদশীর দিন শ্রাদ্ধ করতে না-পারলে কী করবেন, সব জেনে নিন এখানে।

Pitru Paksha Indira Ekadashi:
হিন্দু ধর্মে একাদশীর বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। এক বছরে মোট ২৪টি একাদশী থাকে। প্রতি মাসের কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষে একাদশী পালিত হয়। ২৪টির মধ্যে কয়েকটি একাদশী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ একাদশী হল ইন্দিরা একাদশী। আশ্বিন মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী ইন্দিরা একাদশী নামে পরিচিত। এই একাদশী পিতৃপক্ষের সময় পালিত হয়। মনে করা হয় এই একাদশী ব্রত পালন করলে পিতৃপক্ষে শ্রাদ্ধ করার সমান ফল লাভ করতে পারে ব্যক্তি। এ কারণে অন্যান্য একাদশীর তুলনায় এই একাদশী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে ব্যক্তি কোনও কারণ বশত পিতৃপক্ষে পূর্বপুরুষদের শ্রাদ্ধ করতে পারেন না তাঁরা অবশ্যই ইন্দিরা একাদশী ব্রত পালন করবেন।

Indira Ekadshi: এই একাদশী ব্রত পালন করলে যমলোকে যেতে হয় না

ইন্দিরা একাদশী ব্রতর মাহাত্ম্য

ধর্মীয় ধারণা অনুযায়ী পিতৃপক্ষে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে শ্রাদ্ধ করতে না-পারলে, তা হলে তাঁদের ইন্দিরা একাদশী (Indira Ekadashi) ব্রত পালন করা উচিত। এই একাদশী ব্রত পূর্বপুরুষদের শ্রাদ্ধের সমান ফল দেয়। এর ফলে পিতৃপুরুষরা মোক্ষ লাভ করেন। তাঁরা জন্ম-মৃত্যুর বন্ধন থেকে মুক্ত হন।

ইন্দিরা একাদশীর দিনে কী করবেন

পদ্ম পুরাণ অনুযায়ী এই একাদশী ব্রতর পুণ্য পিতৃপুরুষদের দিয়ে দিলে যাঁরা নরকে গমন করেছেন, তাঁরাও সেখান থেকে মুক্ত হয়ে স্বর্গলাভ করবেন। ইন্দিরা একাদশীর দিনে পবিত্র নদীতে স্নান করে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণ করা উচিত। এ ছাড়াও কালো তিল ও কিছু ফল দিয়ে বিষ্ণুর চতুর্ভূজ স্বরূপের পুজো করা উচিত। ইন্দিরা একাদশীর দিনে পূর্বপুরুষদের নামে দান-পুণ্য করবেন। এর ফলে তাঁদের আশীর্বাদ পাবনে। শ্রাদ্ধপক্ষের সময় দেবতাদের আগে পূর্বপুরুষদের প্রসন্ন করা কল্যাণকারী মনে করা হয়। তাই দেব পুজোর আগে পিতৃ পুজো করা হয়ে থাকে।

#একাদশী #পুজো #ইন্দ্রা

10/09/2024

শুভ রাধা অষ্টমী ❤️

25/04/2024

জয় জগন্নাথ ❤️

17/04/2024

শ্রী হরি সব সময় আপনার পাশেই আছেন। 💐
সবাই এক মনে বলুন - জয় শ্রী হরি 🦚

17/04/2024

Shiv Shambhu 💓

Photos from Bhagavad Gita Wisdom's post 06/03/2024

মহা শিবরাত্রির সময় সূচী

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Lalbag
Dhaka
1211