21/05/2026
কুরবানি আসন্ন। মাদরাসাগুলো ছুটি হচ্ছে। তালিবুল ইলম ভাইয়েরা লম্বা ছুটিতে কিছু আরবি উন্মুক্ত পাঠের বই পড়ে ফেলতে পারেন। এতে আরবি ইবারত পাঠ শক্তিশালী হবে ইনশাআল্লাহ।
দারুল আরাবিয়্যাহ প্রকাশিত উন্মুক্ত পাঠ সিরিজের প্রথম বই "মাজমুআতু কিসাসিল আখলাক"। ৯৬ পৃষ্ঠার বইটির মূল্য মাত্র ৮০ টাকা। এতে রয়েছে শিশুতোষ চমৎকার ১২টি গল্প। প্রয়োজনীয় হরকত যুক্ত হওয়ার পাঠক সহজেই পড়ে ফেলতে পারবেন বইটি। আর প্রতিটি গল্পের শেষে রয়েছে জরুরি শব্দ ও বাক্যের অনুবাদ। কাজেই বাড়িতে বসে অনায়াসেই পড়ে ফেলা যাবে চমৎকার এই বইটি।
সংগ্রহের জন্য যোগাযোগ করুন—
01923623683
21/05/2026
শিক্ষকদের ছুটি এবং আমার অভিরুচি
✍️শায়েখ محيي الدين الفاروقي হাফিযাহুল্লাহ
মাঝে মাঝে সাধারণ শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় ছুটির বিষয়গুলো শুনে খুব বিব্রত হই। কষ্ট পাই। সুন্দর আখলাক ও আচরণ এবং সুলূক ও খেলাফতের নিগূঢ় রহস্য খুঁজতে থাকি।
আমার এক ছাত্র এক প্রতিষ্ঠানের উসতায। তার জমজ মেয়ে বাচ্চা হয়েছে। স্ত্রীর প্রসবকালীন ছুটি চেয়ে পাননি। আকীকার সময় ছুটি পেয়েছেন। আসতে একদিন বিলম্ব হওয়ায় সব শিক্ষকদের সামনে মুহতামিম বললেন, "মেয়েদের একেবারে বিয়ে দিয়েই তারপর আসতেন।" কথাগুলো শুনে সবার সামনে উসতায খুবই বিব্রত বোধ করলেন। লজ্জিত হলেন। নিজেকে নিজে ধিক্কার দিলেন।
এক শিক্ষকের সন্তান অসুস্থ। ছুটি চেয়ে পাননি। বলা হল, বৃহস্পতিবার যাবেন। কিন্তু মাগরিব বাদ সন্তানটি হসপিটালেই মারা গেল। তিনি ছুটি পেলেন, তবে জীবিত সন্তানকে আর কোলে নিতে পারলেন না। সেই শিক্ষক শিক্ষকতা ছেড়ে এখন মুদী দোকান চালান।
আমার আরেক ছাত্র। এক মাদরাসায় শিক্ষক। তার সন্তান হয়েছে। প্রসবকালীন সময় ছুটি চাইলে জানানো হয়, এই সময়ে যাবেন নাকি আকীকার সময় যাবেন, সিদ্ধান্ত আপনার। শিক্ষক প্রসবকালীন সময়ে গেলেন। আকীকার সময় মাদরাসায় বসে বসে কষ্টে ভরা পোস্ট দিলেন। হয়তো তিনি মনে মনে কেঁদেছিলেন। নিজেকে বার বার বলছিলেন, এই কাজ ছাড়া কি তোমার আর কোনো কাজ নেই? এটা কেমন খেদমত, যার জন্য নিজ সন্তানের আকীকার দায়িত্ব পালন করতে পারবে না? হয়ত তিনি আরও কিছু ভেবে ভেবে চোখের পানি ঝরাচ্ছিলেন!
আমি এই জায়গাতে একটু ভিন্ন চিন্তা লালন করি। আমি মনে করি, শিক্ষকরা আমার পরিবারের অংশ এবং গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তাদের মন ভালো থাকলে পাঠদান ও আভ্যন্তরীন কার্যক্রম ভালো চলবে। তারা চিন্তামুক্ত থাকলে আনন্দ নিয়ে পড়াতে পারবে। তাই তাদের প্রয়োজনগুলো আমি হৃদয় দিয়ে অনুভব করি। তারা বলার পূর্বেই আমি আমার প্রয়োজন মনে করে ছুটি দিয়ে দিই। এক্ষেত্রে অনেক সময় আমার পূর্বে আমার আম্মুই বলেন "অমুক শিক্ষককে ছুটি দিয়ে দিও। অমুকের জন্য কিছু হাদিয়ার ব্যবস্থা করো।" কারণ শিক্ষকদের আহলিয়াদের সাথে আমার আম্মুর মায়ের মত সম্পর্ক। তিনি ফোন করে করে সবার খোঁজ-খবর রাখেন। সবাইকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন আলহামদুলিল্লাহ।
এক্ষেত্রে শিক্ষকরা আমার মনও রক্ষা করতে চেষ্টা করেন। সময় মতো প্রায় সকলেই চলে আসেন। অযথা বাইরে সময় কাটান না। অতিরিক্ত সময় বাড়িতে থাকেন না। মিথ্যা বলে ছুটি নেন না। প্রয়োজন হলে আগে থেকে বলে এক দুদিন বাড়ানোর অনুমতি থাকে। সেক্ষেত্রে অন্যান্য শিক্ষকরা নিজ থেকেই তার দায়িত্ব পালন করে দেন। আলহামদুলিল্লাহ, প্রতিষ্ঠানের কল্যাণে তাদের নিজেদের মধ্যেও একটি ভালো বোঝাপড়া আছে। একে অপরের সহযোগী হিসেবে সেই দায়িত্বগুলো তারা নিজেরাই সমাধান করেন। আমার সেক্ষেত্রে খুব পেরেশান হতে হয় না। অনেক সময় আমি তদারকি করি, তবে জিজ্ঞাসা করি না।
আমি বিশেষত বিবাহ, স্ত্রী বা সন্তানের অসুস্থতা ও প্রসবকালীন সময়ে ছুটি না চাইতেই দিতে চেষ্টা করি। যেহেতু সে খবরগুলো আমি বা আমার আম্মু রাখেন। একান্তই না জানলে শিক্ষক যদি এসে জানান তাহলে সাথে সাথেই ব্যবস্থা করি। পাশাপাশি আর্থিক বিষয়গুলোও তাৎক্ষণিক খেয়াল রাখতে চেষ্টা করি।
এক শিক্ষকের স্ত্রী সন্তানসম্ভবা। কয়েকদিন পর ডাক্তার তারিখ দিয়েছে। আম্মু আরও দুই সপ্তাহ আগে থেকেই খোঁজ-খবর নিচ্ছিলেন। কখন কোথায় নিবে। কখন কী করা প্রয়োজন, সে বিষয়ে আমার মাধ্যমে পরামর্শ পাঠাচ্ছিলেন। আমি গতকাল নিজ থেকেই শিক্ষককে বলে আজ সকালে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি। অথচ মারকায ছুটি হবে আরো পাঁচদিন পর। তাছাড়া ছুটির পূর্বে গতকালই তার সাথে প্রয়োজনী বিষয়ে আমার ছোটভাইসহ বিস্তারিত পরামর্শ করেছি। ছোটভাইয়ের পক্ষ থেকে একটা ভালো হাদিয়া তাকে দেয়া হয়েছে। আমি আমার জায়গা থেকে এই মাসের ফুল বেতন এবং ১০০ পার্সেন্ট বোনাস দিয়ে আজ সকালে তাকে বাড়িতে পাঠিয়েছি।
আমি মনে করি, সন্তান প্রসবের সময় প্রত্যেক স্বামীরই স্ত্রীর পাশে থাকা উচিত। স্ত্রীকে সাহস যোগাতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া সে সময়ে অনেক কথা, অনেক দায়িত্ব আর অনেক সিদ্ধান্ত স্বামীকেই নিতে হয়। এই কষ্টগুলো কাছে থেকে দেখলে স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসাও তৈরি হয়। সংসারের শান্তি, সুখ ও সৌন্দর্যের জন্য এটি খুব প্রয়োজন।
ছুটি, বিয়ে, আকীকা আর সিজার বা প্রসব বিষয়ে সব শিক্ষকেরই আলাদা আলাদা গল্প আছে। সে গল্পগুলো তারা লিখলেই ভালো। না লিখলেও সমস্যা নেই। আমি আন্তরিক দুআ পেয়ে যাই না চাইলেও।
আমি এতটুকু লিখেছি আমার ক্রেডিট বয়ান করতে নয়, বরং কিছু কিছু পরিচালকের অসৌজন্যমূলক আচরণ আর সাধারণ শিক্ষকদের বেদনা থেকে। পাশাপাশি সৌন্দর্য চর্চার আলোচনায় যেন সৌন্দর্য-সংস্কৃতি আরো ছড়ায়, সেই প্রত্যাশায়।
✍️মহিউদ্দীন ফারুকী
🗓️২১.০৫.২০২৬ ইং
চেয়ারম্যান : আদ-দাওয়াহ ফাউন্ডেশন
14/05/2026
"আরবি ভাষা আয়ত্তে না-থাকার কারণে অনেক ভালো জিনিস আমি অর্জন করতে পারিনি।"
~নোয়াম চমস্কি
10/05/2026
📚 "দারুল আরাবিয়া" থেকে প্রকাশিত সকল বই এখন একসাথে সংগ্রহ করুন!
✨ আরবি ভাষা, মুকালামা, হাতের লেখা ও বিভিন্ন উপকারী বিষয়ের নির্ভরযোগ্য বইসমূহ এখন পাচ্ছেন একসাথে।
🎁 বিশেষ অফার:
একসাথে সবগুলো বই নিলে
🚚 বাংলাদেশের যেকোন প্রান্তে কুরিয়ার চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি!
📌 তাই আর দেরি কেন?
এখনই আপনার কপি নিশ্চিত করুন।
📞 যোগাযোগ: 01923623683
06/05/2026
মারকাযুল লুগায় চলছে নিবিড় খত্তে রুকআ প্রশিক্ষণ কোর্স। শায়েখ محيي الدين الفاروقي হাফিযাহুল্লাহর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত কোর্সটি পরিচালনা করছেন উসতায মাওলানা Abdul Aziz হাফিযাহুল্লাহ।
প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় দিনে তাশরিফ এনেছেন বিশিষ্ট খত্তে রুকআ প্রশিক্ষক ও বেফাকের আরবি হাতের লেখা প্রশিক্ষক মাওলানা Muhibbullah Galib Al-hanafy হাফিযাহুল্লাহ। দরসে লেখার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিষয় আলোচনা করেছেন তিনি।
আলহামদুলিল্লাহ, হাতের লেখার পুরো তাদরিবটিই ছাত্ররা উপভোগ করছে, উপকৃত হচ্ছে অনেক।
মারকাযুল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ বাংলাদেশ ছাত্রদের লিখনীদক্ষতার অংশ হিসেবে 'তাহসীনুল খত্ত' বা হাতের লেখা সুন্দর করার বিষয়টি সবসময় গুরুত্ব দিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ধারাবাহিক হাতের লেখার দরস, সাময়িক প্রশিক্ষণ কোর্সসহ সুযোগ অনুযায়ী গ্রহণ করা হয় নানাধরনের সহপাঠ্য কার্যক্রম।
সুন্দর হাতের লেখা শিক্ষাজীবনের একটি বড় অনুসঙ্গ। পাশাপাশি ব্যক্তির সুস্থ রুচি ও সুন্দর মানসিকতার পরিচায়ক। হাতের লেখা সুন্দর হলে মন প্রফুল্ল থাকে, এগিয়ে যাওয়া যায় দ্রুত। তাই হাতের লেখা সুন্দর করার বিকল্প নেই।
আল্লাহ তায়ালা মারকাযের সমস্ত আয়োজনকে ভরপুর কবুল ও কামিয়াব করুন।
05/05/2026
দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আরবি বিভাগের সঙ্গে মারকাযুল লুগার চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে। তবে আমরা সেই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে চাই। দ্বিপাক্ষিক শিক্ষা সম্পর্কের মাধ্যমে আরবি ভাষা চর্চাকে আরও গতিশীল ও কার্যকরী করতে চাই।
05/05/2026
"আরবি ইবারত পড়ে না, তাই ইবারত পড়তে পারে না"
আসলে ছাত্রদের প্রচুর পরিমাণে আরবি পড়া হয় না। একটি ক্লাসে দশজনে একজন ইবারত পড়ে। বাকিদের জীবনটাই পার হয় শুনতে শুনতে। সে দরসে শুনে। তাকরারে শুনে। আর যখন পরীক্ষা আসে তখন বাংলায় পড়ে। তাই শেষপর্যন্ত তার আরবি ইবারত পড়া হয় না। আমি সেজন্য বলি, "ছাত্রদের আরবি ইবারত পড়া হয় না, তাই ইবারত পড়তে পারে না"।
এজন্য একজন তালিবুল ইলমকে প্রচুর পরিমাণে আরবি পড়তে হবে। শুরুর দিকে তাকে সহজ সহজ বিভিন্ন কিতাব পড়তে হবে। তাহলেই সে সহজে ইবারত পাঠ শিখতে পারবে।
এই কাজটি সহজ করতেই দারুল আরাবিয়ার "সিলসিলাতুল কিরাআতিল আরাবিয়া"। এই সিরিজের প্রথম গ্রন্থটি নাহবেমীর, হেদায়েতুন্নাহু, কাফিয়ার ছাত্রসহ আরবি প্রাথমিক যেকোনো ছাত্রের জন্য অত্যন্ত উকারী।
তাই আপনার ছাত্রদের জন্য আজই সংগ্রহ করুন।
📕দারুল আরাবিয়া
📱01923623683
পাইকারি সংগ্রহ করতে দারুল আরাবিয়ার নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
অথবা ওয়াফিলাইফ, রকমারী, মাকতাবাতুল আযহার থেকে আপনার সুবিধামত সংগ্রহ করুন।