kazi Saifur Rahman

kazi Saifur Rahman

Share

যে জ্ঞান অর্জনে খোজে বের হয়,সে আল্লাহর পথে বের হয়।( তিরমিজি)

14/03/2026

হে আল্লাহ আমাদের সঠিক ভাবে ক্বদর এর রাত তালাশ ও ইবাদত করার তৌফিক দাও। আমিন

21/02/2026

অনেক পরিবার আছে— যাদের মাঝে শালীনতা, ভদ্রতা ও চারিত্রিক গুণাবলী আছে। বরং সেই পরিবারে কাজিনদের সাথে ফ্রি মিক্সিং কিবা অন্য পরপুরুষদের সাথে ঘনিষ্ঠতাকে মারাত্মক অপরাধের চোখে দেখা হয়।

ফলে, এসব পরিবারের সন্তানরা সাধারণত উল্টাপাল্টা কিছু করার সাহস পায় না। কারণ, তাদের মনে ভয় ভীতি কাজ করে যে, কোনোভাবে আম্মু-আব্বু জানলে খবর আছে। তো পরিবারের মাঝে এইযে একটা কালচার, রুলস এন্ড রেস্ট্রিকশন— এটা খুবই ভালো ও প্রশংসার দাবিদার।

কিন্তু এসব পরিবারের অভিভাবকরা ঠিকই সন্তানদের অল্প বয়সে হাতে ফোন, ভিভাইস তুলে দিচ্ছেন। অনেক পরিবারে সরাসরি সন্তানকে ফোন ব্যবহার করতে না দিলেও ঘরে থাকা মায়ের ফোন তারা অনবরত ইউজ করছে।

ফলে, বাহ্যিকভাবে যে কাজগুলো পরিবারে নিষিদ্ধ, সন্তানরা ভয়ে যেই কাজ করার সাহস করে না; সেই অনৈতিক কাজগুলোই মোবাইল, ইন্টারনেট নামক বিষাক্ত ডিভাইসের মাধ্যমে দিব্যি পিতামাতার আড়ালে করে যাচ্ছে।

তাহলে কি হলো পরিবারের মাঝে এতো রুলস্ এন্ড রেস্ট্রিকশন রেখে?

দিনশেষে আমরা হারিয়ে ফেলছি, নারীত্বের বৈশিষ্ট্য। প্রজন্ম থেকে বিলুপ্ত হচ্ছে নৈতিক চরিত্র। একটা মেয়ের যে বৈশিষ্ট্য, গুণ, দ্বীনি মূল্যবোধ ও পবিত্র মানসিকতায় মহীয়সী নারীর আদর্শে বড় হওয়া কথা— সে সেইভাবে গড়ে উঠছে না। বরং, বিয়ের আগেই দুনিয়ার সবকিছু সে বুঝে। এটা কতটা মারাত্মক ইফেক্ট তা বর্তমান জেনজি বুঝবে না।

অনুরূপভাবে, একটা ছেলের যে নৈতিক গুণ বৈশিষ্ট্য ও দ্বীনি মূল্যবোধে স্বচ্ছ মানসিকতায় বড় হওয়া কথা— সে সেইভাবে গড়ে উঠছে না। বরং, ইচড়ে পাকা এক বিধ্বস্ত প্রজন্মের ধারক বাহক হয়ে উঠছে।

এইযে বয়স ও উপযুক্ত সময়ের আগেই দুনিয়ার সবকিছু তারা বুঝে— এটাই আমাদের সমাজ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহকে কলুষিত করছে। দিনশেষে, উম্মাহ তার পথ, আদর্শ ও লক্ষ্য হারিয়ে দিকভ্রান্ত হচ্ছে। ফলে, মুসলমানের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও আদর্শ উম্মাহর সংখ্যা দিনকে দিন হ্রাস পাচ্ছে।

ফলে, আজকাল পথেঘাটে এতো পাত্র-পাত্রী, কিন্তু বিয়ের জন্য সুপাত্র সুপাত্রীর অভাব। অগণিত দ্বীনি ভাইবোন— কিন্তু কেউ কারো সাথে লেনদেন করতে পছন্দ করে না। কেন! এসবের উত্তর কোথায়!

এভাবেই— ফেসবুক, ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর কারণে আমাদের ১৪ থেকে ২৫ বছরের ছেলেমেয়েদের মানসিকতা বুড়িগঙ্গার পানির চেয়েও দূষিত হচ্ছে।

একটা সময় ছিল— যখন সুন্দর ও পবিত্র মানসিকতার ছেলে মেয়ের সংখ্যা বেশি ছিল। তখন বিবাহের পূর্বে, একটা ছেলে যে একটা মেয়ের হাত ধরতে পারে— এই প্রতিচ্ছবি কারো কল্পনাই আসতো না। আর এখন ফেসবুক ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ে এসব দৃশ্য নরমাইজ হয়ে গেছে। তারাও মনে করে, এসব তো সিম্পল, বর্তমান যুগে হতেই পারে ইত্যাদি।

ফলে, স্বচ্ছ ভাবনার দুয়ার হারিয়ে সন্তানদের জেহেন- মানসিকতায় এসব দৃশ্য, ছবি, ভিডিও মারাত্মক প্রভাব বিস্তার করছে। আর এভাবেই হারিয়ে যাচ্ছে আদর্শ জাতি ও আদর্শ উম্মাহ...।

মনে রাখতে হবে—
আজ মুসলিম উম্মাহ বিভ্রান্ত কলুষিত হওয়ার পিছনে সবচেয়ে বেশি দায়ী অভিভাবক সমাজ।

আল বিদা!
কপি।

Photos from মোত্তাসিন পাহলভী স্যার এর সমর্থক গোষ্ঠী's post 20/01/2026
12/01/2026

অনেকের ধারণা— পর্দা পালনে মুখ ঢেকে রাখার প্রয়োজন নেই। তাদের ধারণা ভুল। সরাসরি শরীয়তের বিধানের পরিপন্থী।

আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসুলকে (স.) সম্বোধন করে বলেছেন-
یٰۤاَیُّهَا النَّبِیُّ قُلْ لِّاَزْوَاجِكَ وَ بَنٰتِكَ وَ نِسَآءِ الْمُؤْمِنِیْنَ یُدْنِیْنَ عَلَیْهِنَّ مِنْ جَلَابِیْبِهِنَّ

‘হে নবী, আপনি আপনার স্ত্রী, মেয়ে ও মুমিন নারীদের বলে দিন, তারা যেন তাদের জিলবাব (বড় চাদর)-এর কিছু অংশ তাদের উপর ঝুলিয়ে দেয়।’

--- (সুরা আহজাব: ৫৯)

এ আয়াতের ব্যাখ্যায় পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুফাসসির ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন-
أمر الله نساء المؤمنين إذا خرجن من بيوتهن في حاجة أن يغطين وجوههن من فوق رؤوسهن بالجلابيب ويبدين عينا واحدة

‘আল্লাহ মুমিনদের নারীদেরকে আদেশ দিয়েছেন, তারা যখন ঘর থেকে বের হবে তখন তারা পুরো চেহারা ঢেকে বের হবে। তবে শুধু এক চোখ খোলা রাখবে।

--- (তাফসিরে তবারি: ২০/৩২৪)

04/01/2026

দুই ছাত্রের কথোপকথনের সারাংশ:

একজন ছাত্র দূর্ঘন্ধযুক্ত ঢেকুর দিলে মুখ থেকে দূর্ঘন্ধ বের হলে পাশের আরেজন ছাত্র বলে -
কিরে তুই আজ কি খাইছোছ, তোর পেটে কি, তোর পেট থেকে ঢেকুরের সাথে দূর্ঘন্ধ বেরে হচ্ছে কেন?
১ম জন বলে- আজ আমি মাদ্রাসায় বাসি খাবার খাইছি।
২য় জন বলে- বাসি-নষ্ট খাবার খেলে তো মুখ দিয়ে দূর্ঘন্ধ আসবেই, এটাইতো স্বাভাবিক।

আজ আমাদের মাদ্রাসায়ও রাতের কিছু খুব ভালো আইটেমের খাবার আমরা সকালে খেয়েছি। খাবারের গুণগত মান কিছুটা বিঘ্ন ঘটায় আমি সহ তিন/চার জন শিক্ষকের পেট থেকে দূর্ঘন্ধযুক্ত ঢেকুর আসতেছে। আমরা একে অপরের সাথে কথা বলে বুঝলাম এটা খাবারের গুণাবলির বহিঃপ্রকাশ।

যে খাবার পেটে আছে সে খাবারের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে মুখ দিয়ে।

একটা জিনিস ভালো করে বুঝলাম- ভিতরে পঁচা জিনিস থাকলে যেই পরিবেশে বা যেই পেশায়ই থাকি না কেন মুখ দিয়ে পঁচা কিছু বের হবেই।

ইমাম ইবনুল কাইয়্যুম (রহ.) বলেন-
একজন ব্যাক্তির মুখের ভাষা তার ক্বলবের পরিচয় দেয়।

আল্লাহ আমাদের হেফাজতকারী।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Dhaka