মোহাম্মদ সালেক পারভেজ - Mohammad Salek Parvez

মোহাম্মদ সালেক পারভেজ - Mohammad  Salek  Parvez

Share

সত্য ও সুন্দরের পক্ষে আমার অবস্থান। লিখছি ভাল লাগার কথা, ভালবাসার কথা।

10/09/2024

প্রিয় একটি নাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

09/09/2024

আমি বিজয় দেখেছি
এই পৃথিবীতে কেহ কেহ অনেক বড় সৌভাগ্য নিয়ে জন্মায়। আমি মনে করি, আমি তাদেরই একজন। কারন এই জাতির জীবনের শ্রেষ্ঠ দিনগুলো আমি দেখেছি। আমি দেখেছি ১৯৭১ এর ১৬ই ডিসেম্বর, তারপরে ১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্ট এবং ১৯৯০ এর ৬ই ডিসেম্বর এবং সর্বশেষে ২০২৪ এর ৫ই আগস্ট। এর প্রত্যেকটি ছিল এক একটি বিজয় দিবস। তবে এবারের বিজয়ের আমেজ-অনুভূতি সব ছিল ভিন্ন ধরনের। ১৯৭১ এর ডিসেম্বরে মানুষের অনুভূতি ছিল মিশ্র, ১৯৭৫ এবং ১৯৯০ তে একজন অত্যাচারীর হাত থেকে মুক্ত হওয়ার আনন্দ। কিন্তু এবার ! সম্পূর্ণ ভিন্ন রকমের। সবাই শুধু একটি কথাই বলছে, “আজ আমরা স্বাধীন হয়েছি।” সত্যি ! স্বাধীনতা অর্জনের অনাবিল-অপরিসীম আনন্দকে ভাষায় ব্যক্ত করা যায় না।

কুদরতের কারিশমা
বিগত ১৫ টি বৎসর ধরে অনেক মেহনত করা হয়েছিল, জালিম হাসিনার হাত থেকে দেশকে মুক্ত করতে। সেই সংগ্রামের নেতৃত্বে ছিল দেশসেরা তুখোড় রাজনীতিবিদরা। কিন্তু কিছুতেই কিছু হয় নি। বরঞ্চ দিনের পর দিন ঐ জালিম সপারিষদ আরও ঝেঁকে বসছিল। কিন্তু কিছু তরুণ, যাদেরকে ২ মাস আগেও কেহ চিন্‌ত না এবং যাদের ছিল না এই ধরণের সংগ্রামের কোন প্রাক-অভিজ্ঞতা, তাদের হাতেই পরাজিত হতে হল বাংলার ইতিহাসের ভয়ংকরতম স্বৈরশাসককে। এ যেন ক্ষুদ্র আবাবীলের হাতে দানব আব্‌রাহার পতন!
আমার মহান মা’বুদ আল্লাহ্‌ পাক সর্বশক্তিমান ! অমুখাপেক্ষী !! তিনি যা ইচ্ছে, তাই করতে পারেন। তাইতো আমরা নতশিরে বলি, “হে আল্লাহ! সার্বভৌম শক্তির মালিক! তুমি যাকে চাও ক্ষমতা দান কর, আর যার থেকে চাও ক্ষমতা কেড়ে নাও। যাকে ইচ্ছা সম্মান দান কর এবং যাকে চাও লাঞ্ছিত কর। সমস্ত কল্যাণ তোমারই হাতে। নিশ্চয়ই তুমি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান।” (৩ : ২৬)

শুক্‌রিয়া আদায়
আল্লাহ্‌ পাক নিয়ম করেছেন, শুক্‌রিয়া আদায় করা হলে তিনি নিয়ামত বাড়িয়ে দেন। আমরা যেন এই অর্জনকে নিজের যোগ্যতা বলে দাবী না করি এবং পুরোপুরি আল্লাহ্‌র দান মনে করি। আমরা যেন ভুলে না যাই, ফিলিস্তিনিদের শৌর্যবীর্যের আর দক্ষতার অভাব নেই। কিন্তু আজ ৭৫ বৎসর ধরে নিজদেশেই তারা পরাধীন। ৭৫ বৎসর যাবৎ উত্তর কোরীয়রা একের পর এক নরপিশাচের হাতে বন্দি হয়ে আছে। আফগানরা স্বাধীনতা পেতে ২০ বৎসর সংগ্রাম করেছিল। সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌র ইচ্ছা না হলে হয়তো আরও অনেক বৎসর জালিম হাসিনার পদতলে আমাদের পিষ্ট হতে হত।
এই শুক্‌রিয়া যেমন মনে ও মুখে আদায় করতে হবে, তেমনি বাস্তবেও এমন কোন পদক্ষেপ নেয়া ঠিক হবে না যাতে জাতি ভুলপথে হাঁটা দেয়।

বীরদের মূল্যায়ন
সদ্য সমাপ্ত আমাদের এই স্বাধীনতা সংগ্রামের ধ্রুবতারা হলেন রংপুরের আবু সাঈদ। অনেকেই বলেছেন, আমিও বলছি, তাকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাব দেয়া হোক। তার মৃত্যুবরণের দৃশ্যটা ‘iconic’. দুনিয়ার সকল দেশে ফুটবলের মাঠে মেসি-ম্যারাদনা-পেলের ছবি টানানো হয় । অনুরূপ আগামীতে পৃথিবীর যে কোন দেশে স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে কোন আন্দোলন হলে, এই ছবিটি যে ব্যবহৃত হবে এতে কোন সন্দেহ নাই।
ঝুঁকির পর ঝুঁকি নিয়ে যে সকল সমন্বকগণ পুরো আন্দোলনটা টেনে নিয়েছেন, তাদেরকে একত্রে ‘স্বাধীনতা পদক’ দেয়া হোক। যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের পরিবারের জন্য একজন বীরপ্রতীকের ভাতার সমান বরাদ্দ করা যেতে পারে। (এটা খুব বেশী হবে না। ১০০০ লোক এবং ২০,০০০ টা/মাস ধরলে, প্রতি মাসে সরকারের খরচ হবে ২,০০,০০,০০০ টাকা। ১ জন বেঞ্জির/মতিউর/পিয়নের সম্পত্তি ক্রোক করলেই এই টাকা চলে আসবে। যেমন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান পরিবহন খাঁতে চাঁদাবাজি করে একাই কামিয়েছে ৬০০০+ কোটি টাকা। এই টাকা উদ্ধার করে আন্দোলনে আহতদের মধ্যে, সমভাবে নয় বরঞ্চ আঘতের তীব্রতা অনুযায়ী, বণ্টন করে দেয়া যায়।) কিন্তু এই ভাতা/বরাদ্দ যেন আবার বংশ পরম্পরা কিয়ামত তক না হয়। অধিকন্তু অবিবাহিত হলে মা/বাবার নামে, বিবাহিত হলে স্ত্রীর/সন্তানের নামে চালুর ব্যবস্থা করতে হবে।
অপকর্মের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে কিছু খেতাব তৈরি করা যেতে পারে, যেমন ---- কাপুরুষ/ভীতু, মীরজাফর/গাদ্দার, খুনী/দ্য মার্ডারার ইত্যাদি। সাকিব, মাশরাফি প্রমুখকে কাপুরুষ/ভীতু, ইউনুস আলীকে খুনী/দ্য মার্ডারার ইত্যাদি খেতাব দেয়া যেতে পারে। আমি মনে করি কোন জাতির জন্য যেমন দরকার তার বীর সন্তানদের পরিচয় জানা, তেমন দরকার তার কু-সন্তানদেরকেও চেনা।

আবার যেন ভুল না হয়
অতি আবেগের ঠেলায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সবচে বড় প্রশ্নটি আমরাই তৈরি করেছি। সেটা হল ৩০ লক্ষ শহীদ। (২৫/৩/১৯৭১ – ১৬/১২/১৯৭২ বা ২৬৭ দিনে ৩০,০০,০০০ জন অর্থাৎ ১১২৩৫ জন/দিন। দুঃখের বিষয়, গোটা বিশ্ব এটা গ্রহণ করে নি।) এবারে যেন সে ভুল না হয়। কারণ কত জন মারা গেছে তার ৮০% তথ্য সংরক্ষিত। বাকি ২০%এর ব্যাপারে সামান্য অনুসন্ধান চালালেই সারবে। প্রস্তাব করছি, এই ব্যাপারে যেন একটি গ্যাজেট বের করা হয় যাতে সকল হতাহতের বিবরণ নিখুঁতভাবে উল্লেখিত থাকবে। অধিকন্তু প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যেন নামফলকের (মূর্তি নয়) মাধ্যমে শহীদানদের তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে।
জার্মানিতে হিটলারের পতনের পরে নাৎসি পার্টি করা তো দূরের কথা, ঐ শব্দটা উচ্চারণ করাও অপরাধ বলে বিবেচিত হত। এদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বার্থে আওয়ামী লীগের ব্যাপারে দ্রুত এ ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া জরুরী। আশার বিষয়, কর্নেল অলির মত বিজ্ঞ রাজনিতিক ইতোমধ্যে এই বিষয়ে দাবী তুলেছেন।

জেনারেল ওয়াকারের প্রতি
তিনি জানেন না, এই মুহূর্তে জাতির কাছে তার অবস্থান কোথায়! যদি বলি, জাতি জেনারেল ওসমানীর পাশেই উনাকে স্থান দিয়েছে, তবে বেশী বলা হবে না। কিন্তু উনাকে সেটা ধরে রাখতে হবে। ওসমানী সাব সেটা পেরেছিলেন। তিনি যে কেবল মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন তা নয়, যখন মুক্তিযুদ্ধের সকল চেতনা ধূলিসাৎ করে বাকশাল কায়েম করা হল, তখন ওসমানী তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন। ওয়াকার সাব, With due respect, আপনার সামনেও সেই পরীক্ষা। সবাই জানে জালিম হাসিনা আপনার আত্মীয়া এবং সে-ই আপনাকে সেনাবাহিনী প্রধান বানিয়েছে। একদিকে এ সমস্ত ব্যক্তিগত সম্পর্ক অন্যদিকে গোটা জাতির অস্তিত্ব ! আপনি ১ম বার পরীক্ষায় পাস করেছেন। ৫ তারিখে যদি ব্যক্তিক সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিতেন, তাহলে আজ রাজপথে লাখো লোকের লাশ পড়ে থাকত। জাতি ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যেত। মহান আল্লাহ্‌ পাক আপনাকে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার তওফিক দিয়েছেন। আল্লাহ্‌ তওফিক দিতে সর্বদাই প্রস্তুত, কিন্তু বান্দাকে নিয়ত করতে হয় আর হিম্মৎ রাখতে হয়। আশা করি, ভবিস্যতেও আপনি তাই করবেন। আপনাকে একথাগুলো বলার কারণ সহজবোধ্য। যদিও বাহ্যিক দৃষ্টিতে ক্ষমতা ডঃ ইউনূসের হাতে, কিন্তু এ জাতিয় সরকার তার stability-র জন্য সর্বদা আর্মির উপর নির্ভরশীল থাকে। আর আপনি হলেন আর্মি প্রধান। আপনি নিশ্চয় জানেন, যদিও জর্জ ওয়াশিংটন আমেরিকার স্থপতি, কিন্তু আমেরিকানরা বেশী মূল্যায়ন করে আব্রাহাম লিঙ্কনকে। কারণ ঐ সময়ে আব্রাহাম লিঙ্কনের কিছু সঠিক পদক্ষেপের জন্য আমেরিকা ভাগ হয়নি এবং আজ সে বিশ্বের ১ নং শক্তি। আপনার সামনেও এ জাতির আব্রাহাম লিঙ্কন হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ। ব্যক্তিগত সম্পর্ককে প্রাধান্য দিয়ে কিম্বা আশেপাশের স্বার্থান্বেষীদের চাপের কাছে নতিস্বীকার করে আপনি পারেন কৌশলে সেই জালিমকে আবার ফিরিয়ে আনতে অথবা, হযরত উমর(রাঃ)র মত দৃঢ়তা দেখিয়ে ঐ জালিমের খপ্পর থেকে জাতিকে চিরকালের জন্য মুক্তি দিতে। আপনি যা করবেন, সেভাবেই মূল্যায়িত হবেন।।

জাপানে ৬ মাসে নিজবাড়িতে নিঃসঙ্গ অবস্থায় মারা গেছেন প্রায় ৪০ হাজার মানুষ 31/08/2024

স্তব্ধ হয়ে যাবার মত একটি খবর! মানুষ যখন মহান আল্লাহ্‌র উপর ভরসা বাদ দিয়ে, সব কিছু নিজের বুদ্ধি-পরিকল্পনা দিয়ে সারতে চায়, তখন শেষমেশ সবকিছু আউলিয়ে যায় । এই খবরটি পড়ে আমার কেবল তাই মনে হয়েছে

জাপানে ৬ মাসে নিজবাড়িতে নিঃসঙ্গ অবস্থায় মারা গেছেন প্রায় ৪০ হাজার মানুষ চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে জাপানে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ নিজবাড়িতে নিঃসঙ্গ অবস্থায় মারা গেছেন।

11/06/2024

৬জুন, ২০২৪ ইংরেজী
বৃহস্পতিবার।
---------------------------------------------
সময়কাল: আসর থেকে মাগরিব।
হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেল সুফিয়া। বয়স বড়জোর ৪৫ হবে। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হয় নি। পথিমধ্যে গাড়িতেই সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।

কে এই সুফিয়া?
আপনারা তাকে চিনবেন না। না চেনাটাই স্বাভাবিক। কারণ সে দেশ-পরিচিত কেহ ছিল না। তাই তার আপন ক্ষুদ্র গণ্ডির বাইরে সে অজ্ঞাত, অপরিচতা।

সে ছিল আমার বাসার কাজের বুয়া। ছিল বলছি, কারণ বছর চারেক আগে সে আমার বাসার কাজ ছেড়ে দিয়েছিল। তারপরেও মাসে অন্ততঃ ১বার হলেও আমার গিন্নীর সাথে দেখা করতে আসত। সে আমাকে খালু এবং আমার স্ত্রীকে খালা ডাকত। সে ডাক শুধু সম্বোধন-ই নয়; তাতে ছিল সম্মান এবং ভালবাসার এক আশ্চর্য মিশেল। মধুর সে ডাক আর কখনো শুনা হবে না!

আপনারা হয়তো ভাবছেন, একজন কাজের বুয়াকে নিয়ে ঘটা করে লেখার কি এমন প্রয়োজন পড়ল?

শুনুন তাহলে!
সুফিয়ার বিরহে আমার স্ত্রী সে রাতে এক মুহুর্তের তরেও ঘুমায় নি। সারারাত ছটফট করেছে। ক্ষণে ক্ষণে কেঁদে ওঠেছে, বেদনায় বারবার বক্ষে বালিশ চেপে ধরেছে।

তার আগে সুফিয়ার মৃত্যু খবর শুনেই আমার স্ত্রী বে-কারার হয়ে তার বাসায় ছুটে এক নজর শেষ দেখার জন্য। কেবল সে একা নয়, সেখানে জড় হয়েছিল তারা প্রায় সকলে, যাদের বাসায় সুফিয়া কোন না কোন সময়ে কাজ করেছিল। তাদের অভিব্যক্তি ছিল শরাহত পাখির ন্যায়। তাদের চক্ষে ছিল বাধভাঙ্গা বন্যার ন্যায় অশ্রুর ঢল। সুফিয়ার প্রতিবেশীদের অনেকে ঝার ঝার হয়ে কাঁদছিল৷ কেউ কেউ পাথরের মত স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।

কিন্তু কেন?
যে সমাজে M.P খুন হলে মানুষ খুশী হয়, উচ্চপদস্থ অফিসার মারা গেলে অধঃস্তনরা হাফ ছেড়ে বাঁচে, সেখানে একজন কাজের বুয়ার জন্য মানুষ কাঁদছে! বিস্মিত আমার স্মৃতিতে হঠাৎ করে ভেসে ওঠল শৈশবের পড়া ২টি পঙক্তি :

এমন জীবন কর হে গঠন,
মরিলে হাসিবে তুমি, কাঁদিবে ভূবন।

সুফিয়া সে-ই জীবিন গঠন করেছিল। যদিও তার পেশা ছিল সামাজিকভাবে তুচ্ছ, আর্থিকভাবে অকিঞ্চিকর ; কিন্তু সেই নগন্য পেশায় সে ছিল অনন্য। তার দ্বারা হয় নি কেহ ক্ষতিগ্রস্থ, অত্যাচারিত কিম্বা অপমানিত। তাই তার পরিচিতর ক্ষুদ্র ভূবনে সে ছিল সকলের ভালবাসার মানুষ।

21/02/2023

মোহাম্মদ সালেক পারভেজ
তবে একলা চলো রে

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। ব্যক্তিগত রুমে নির্দিষ্ট চেয়ারে শরীরটা ছেড়ে দিয়ে বসে আছি। তসলীম আরেফীন, ভার্সিটির দেয়াল পত্রিকার সম্পাদক, ক’দিন ধরেই তাড়া দিচ্ছে একটা লেখা দেবার জন্যে। দেখেছে যে, আমার এক-আধটু লেখালেখির অভ্যাস আছে। তাকে খুশি করার জন্য ‘হ্যাঁ’ বলে দিয়েছি। কিন্তু ‘লিখবটা’ কী? না আমি পেশাদার লেখক, না আমার আছে নজরুলের মতো প্রতিভা যে কলম ধরলেই হড় হড় করে লেখার ফোয়ারা ছুটবে! ভাবছি আর ভাবছি। ভাবতে ভাবতে ভীষণ ক্লান্ত বোধ করছি। কখন যে চোখ দুটো বুজে এল টের পেলাম না।

:আসসালামু আলাইকুম।
বয়স্ক গলায় সালামের শব্দে চমকে উঠলাম। বেশ বয়স্ক দু’জন ভদ্রলোক প্রায় একসাথে রুমে ঢুকলেন। পরনে পায়জামা-পাঞ্জাবী। বয়সে আমাদের সাবেক উপাচার্য মহোদয়ের সমবয়সী হবেন। সম্মান প্রদর্শনের জন্য দাঁড়িয়ে দুটো চেয়ার এগিয়ে দিলাম।
মুখে সালামের প্রত্যুত্তর দিয়ে ভাবতে থাকলাম কারা হতে পারেন! ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক হিসাবে বড় ভাই-বোন কিম্বা বাবা-মা এসে থাকেন। কিন্তু কারো দাদা-নানা কে তো আজ অবধি আসতে দেখি নি।
: বোধ হয় চিনতে পারছেন না। একজন বললেন।
: সত্যি দুঃখিত। মৃদু হেসে অপারগতা প্রকাশ করলাম।
: দুঃখিত হওয়ার কিছু নেই। আগে তো আর দেখেন নি যে চিনতে পারবেন। তবে পরিচয় দিলে খুব সহজেই চিনবেন। অন্তত এই ফেব্রুয়ারি মাসে।
: মানে! চিনবো না আবার ফেব্রুয়ারি মাস হওয়ার কারণে চিনবো!
অবাক হয়ে বলি।
: আমার নাম সালাম আর উনি বরকত ভাই।
: কোন সালাম-বরকত? একুশে ফেব্রুয়ারীর...
: হ্যাঁ ভাই, আমরাই। ঐ তো যাদেরকে নিয়ে আপনারা গান, কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প-উপন্যাস ইত্যাদি লিখেছেন, লিখছেন এবং ভবিষ্যতেও লিখবেন। বরকত ভাই বললেন একটু শুকনো হাসি দিয়ে।
আমার চক্ষু চড়ক গাছ। বিস্ময় মাত্রা ছেড়ে গেছে। স্বপ্ন দেখছি না তো! আবার নিজকে মহা সৌভাগ্যবানও মনে হচ্ছে। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের মোলাকাত পেয়েছি! পলকহীন নেত্রে তাকিয়ে আছি। উনারাও এদিক-ওদিক তাকাচ্ছেন। সম্ভবত হাল আমলের একটি অফিস কক্ষের সাথে ষাট বৎসর আগের অফিস কক্ষের মিল-অমিল দেখছেন। ডেস্কটপটাকে একটু বেশি মনযোগ দিয়েই দেখলেন। অন্যকেউ হলে হয়তো জ্ঞানদান করতাম। কিন্তু ইনাদের সামনে সে সাহসই হলো না। খেয়াল করলাম যে, যিনি বরকত ভাই তিনি আনমনে মাঝে মধ্যে গুন-গুন করছেন, “যদি তোর ডাক শুনে কেউ না— আসে, তবে একলা চলো রে...।”
গলাটাও বেশ চমৎকার।
হতবিহবল ভাবটার রেশ কাটাতেই স্বব্যস্ত হয়ে উঠি।
: আপনাদের জন্য কী মেহমানদারী করতে পারি ?
: বসুন, ব্যস্ত হবেন না। আমরা মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য এসেছি। দেখা না পেলে এক মুহূর্তও দেরি না করে চলে যেতাম। আরো অনেক জায়গায় যেতে হবে।
: কিছু মনে না করলে, একটা কথা বলি। আপনাদেরকে খুবই উত্তেজিত মনে হচ্ছে।
বেশ সমীহের সাথে কথা কয়টি বললাম। যারা ইতিহাসের স্রষ্টা, তাদের সামনে কে না সঙ্কুচিত হয়!
: ঠিক ধরেছেন। তবে আমরা কেবল উত্তেজিতই নয়। আমরা রাগান্বিত, শঙ্কিত এবং হতাশাগ্রস্ত।
দু’জন একই সাথে বলে বসলেন।
থতমত খেয়ে গেলাম। ভয়ে ভয়ে জানতে চাই, কারণটা একটু ব্যাখ্যা করবেন কি?
: কারণ তো প্রকাশ্য। চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে হবে কি? আপনারা যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক তারা যদি না দেখেন, তবে দেশের আমজনতা দেখবে কেমন করে?
একটু রোষের সাথে বললেন বরকত ভাই।
: তবুও যদি আরেকটু ব্যাখ্যা দিতেন...।
আমতা আমতা করি। এতো বড় ব্যক্তিত্বের সামনে বসে মাথা ঠিক মত কাজ করছে না।
: ঠিক আছে আমি সহজ করে বলছি। একটু কেশে গলাটা পরিষ্কার করে চেয়ারটা টেনে এগিয়ে বসলেন সালাম ভাই। নামে-কামে-চেহারায় বেশ মিল আছে। সালাম ভাইকে দেখলেই বোঝা যায় যে শান্ত মানুষ। বলতে শুরু করলেন।

:৫২’র ভাষা আন্দোলন কেন হয়েছিল? বৎসরে একদিন মাতৃভাষায় কথা বলার জন্য? না কি বাংলা ভাষাকে সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠা করার জন্য? আন্দোলনের স্লোগানটা কি মনে আছে? ‘ রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’— এটা নয় ? সেই মিশন কি সফল হয়েছে? সফল হওয়াতো দূরের কথা, ক্রমে ক্রমে তা ম্রিয়মাণ। জাতীয় পর্যায়ে আজ বাংলা ভাষা বিতাড়িত। পথে-ঘাটে আজ বাংলা নেই। ঢাকা শহরে যতো সাইনবোর্ড দেখলাম, তার বার আনি ইংরেজিতে লেখা। আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের তিনটে শব্দের প্রত্যেকটি ইংরেজির। এখানে দাপ্তরিক সকল কাজ কাম করা হয় ইংরেজিতে। ছাত্ররা পড়ে ইঞ্জিনিয়ারিং, কিন্তু আপনারা মাথায় তোলেন যদি ভালো ইংরেজি পারে। হপ্তায় দু’দিন ঠিক করেছেন সকল কাজ ইংরেজিতে করার জন্য, বাংলার জন্য পারেন নি একটা দিনও বরাদ্দ করতে। শুধু আপনাদেরকে দোষ দিলে অবশ্য অন্যায় হবে। গোটা সমাজের একই হালচাল। বাবা-মাকে দেখছি পেরেশান সন্তানকে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ানোর জন্য। সবচে বড় কথা ইংরেজিকে যদি কেবল ভাষা হিসাবে শিখতেন, আপত্তি ছিলো না। কিন্তু ইংরেজি শিখছেন ইংরেজ হবার উদ্দেশ্যে, সোজা কথায় ইংরেজদের গোলামি করার মতলবে। যে কারণে ব্রিটিশ পিরিয়ডে ইংরেজি শিখা হতো। লর্ড মেকলে ঘোষণা দিয়েছিলো যে ব্রিটিশ সরকারের উদ্দেশ্য এমন একটা জনগোষ্ঠী তৈরি করা যারা হবে Indian in blood and colour, but English in taste, in opinions, in morals, and in intellect. মেকলের মনোবাঞ্ছাই পূর্ণ করার জন্য আপনারা উঠে-পড়ে লেগেছেন। সেই মানসিক গোলামদের সংখ্যাই দিনের পর দিন বাড়ছে। অথচ সবাই ভুলে বসে আছে ‘৫২র ভাষা শহীদদের কোরবানির ইতিহাস এবং উদ্দেশ্য।

একদমে এতগুলো কথা বলে হাঁপাতে লাগলেন বুড়ো মানুষ সালাম ভাই। বোঝা যায় কথা শেষ হয়নি। জিরোচ্ছেন। আবার শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ক্রিং ক্রিং ...।
টেলিফোনটা বাজছে।
: মাফ করবেন, সালাম ভাই। ফোনটা একটু ধরতে হয় যে।
মাথা নেড়ে সায় দিলেন উভয়ে।
হাত বাড়িয়ে ফোনটা ধরলাম।
এ কী! চেয়ার খালি কেন ? কোথায় গেলেন দু’ ভদ্রলোক ? বিদায় না নিয়ে চলে গেলেন ? এটা কেমন করে হয় !
তবে কি ঘটলো এতক্ষণ!
স্বপ্ন?
অবচেতনা?
কল্পনা?
থাক, পরে চিন্তা করা যাবে। আপাততঃ ফোনের ঝামেলাটা সেরে নিই।

২১-০২-২০১৩

19/12/2022

দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত "শোতারা যেমন ওয়াজ শুনতে চায়।"

গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু করে শহরে-বন্দরে অনুষ্ঠিত ওয়াজ মাহফিলে সন্তানদের যেতে বাবা-মা কিংবা অন্য কোনো মুরব্বির পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা আসে না, বরং উৎসাহ দেওয়া হয়। এখন ওয়াজ মাহফিলের পরিমাণ বেড়েছে। কিন্তু অতীতে দেখা গেছে, বাড়ির মুরব্বি ও
মা-খালারা উৎসাহের সঙ্গে সন্তানদের ওয়াজে পাঠাতেন। ওয়াজ থেকে ফেরার পর মা-খালা-চাচি-মামি-নানি-দাদি সবাইকে শুনাতে হতো কোন বক্তা কী বলেছেন। তাদের কাছে ওয়াজ মাহফিল ছিল ইসলাম শেখার মাধ্যম বিশেষ।

সত্যিকারের ওয়াজের মাধ্যমে এখনো ইসলাম সম্পর্কে জানার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। যদিও অনেক বক্তা লম্বা সময় ধরে ওয়াজ করেন। কিন্তু এই সুদীর্ঘ ওয়াজে না উচ্চারিত হয় কোরআনের কোনো আয়াত, না কোনো হাদিস। তারা পুরো সময়টা নানাবিধ কিস্সা-কাহিনীর পাশাপাশি বিরোধী পক্ষকে ধোলাই করেন। তবে এর ব্যতিক্রমও আছে। অনেক বক্তা ওয়াজকে ক্লাসে পরিণত করেছেন। সুন্দর-সাবলীল বাংলা বলার পাশাপাশি ইংরেজি উপমা, উর্দু-ফারসি, আরবি ও বাংলা কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে ওয়াজকে করেছেন নান্দনিক। ওয়াজে কিছুক্ষণ পর পর শ্রোতাদের কাছ থেকে ‘ফিডব্যাক’ নিয়ে শ্রোতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন।

কিছু বক্তা বিষয়বস্তুর সঙ্গে রেফারেন্সসহ হাদিস বলে শ্রোতাদের কাছে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। এর মাধ্যমে বক্তব্যের প্রামাণ্যতা যেমন বেড়েছে, ঘটেছে সর্বসাধারণের সঙ্গে পবিত্র হাদিস শরিফের সংযোগ। ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য বিষয়টির গুরুত্ব অনস্বীকার্য। আবার কোনো কোনো বক্তা সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ধারায় কথা বলেন। বক্তব্য প্রদান অপেক্ষা প্রশ্নের উত্তর প্রদানে বেশি সময় ব্যয় করেন। এর মাধ্যমে মানুষ প্রভূত উপকৃত হচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে অনুরোধ থাকবে, বিতর্কিত মাসয়ালাগুলো এড়িয়ে যাওয়ার, নচেৎ ফিতনা বাড়বে। কিছু বক্তা আছেন, তারা উম্মাহর জন্য জরুরি বিষয়গুলো অত্যন্ত চাঁছাছোলা ভাষায় বলে থাকেন। উচ্চ আওয়াজের দরুণ তারা বেশ পরিচিত। যুবক শ্রোতাদের কাছে তারা দারুণভাবে আদৃত।

প্রযুক্তির কল্যাণে বর্তমানে ওয়াজ শোনা অনেকটা সহজ হয়ে গেছে। ইদানীং এমন কোনো ওয়াজ এদেশে হয় না, যেটা ২-৪ দিন পরে কোনো না কোনো মাধ্যমে ইন্টারনেটে না আসে। ওয়াজের ব্যাপারে ইন্টারনেটের সবচেয়ে বড় অবদান ৩টি। ১. কর্মব্যস্ততার কারণে সশরীরে ওয়াজের মাঠে যাওয়ার সময় বের করা না গেলেও, প্রিয় বক্তার ওয়াজ শোনার জন্য দেড় দু’-ঘণ্টা সময় মানুষ ঠিকই বের করে নেয়। ২. এক সময় ওয়াজ না শুনতে পারার আফসোস করতেন নারীরা। ইন্টারনেটের কল্যাণে এখন আর আফসোস করতে হয় না। তারাও এখন ইচ্ছামতো বয়ান শুনতে পারেন। ৩. ভাষা জানলে ভিনদেশের বক্তাদের ওয়াজও শোনা যায়। এর দ্বারা মনে জানার ক্ষুধা কমে, নতুন নতুন বিষয়ে জ্ঞানার্জনের সুযোগ মেলে।

ওয়াজের মাধ্যমে জ্ঞানার্জন আর জানার ক্ষুধা কমানোর ক্ষেত্রে বর্তমানের বক্তারা কতটুকু ভূমিকা রাখছেন, সেটা তর্ক সাপেক্ষ বিষয়। তবে আলোচনা হতে পারে, বর্তমান যুব সমাজ কেমন ওয়াজ শুনতে চায়, সে বিষয় নিয়ে। মনে হয়, এটাই বেশি কার্যকর বিষয়। কারণ অধিকাংশ বক্তা এ বিষয়ে খুব একটা নজর দেন, সেটা একবাক্যে বলার সুযোগ নেই। সমালোচকরা বলেন, এখনকার বক্তারা শ্রোতাদের রুচি এবং চাহিদার প্রতি খেয়াল করেন না, ফলে তরুণ সমাজ ধীরে ধীরে ওয়াজ মাহফিল বিমুখ হয়ে যাচ্ছেন।

মনে রাখতে হবে, বর্তমান প্রজন্ম প্রচুর ঘাঁটাঘাঁটি করে, সেটা খেলাধুলা-রাজনীতি-গানবাজনা হোক কিংবা দ্বীনি বিষয় হোক। এর ফলে ওয়াজ শোনার ব্যাপারে তাদের একটা ‘কমন’ রুচি তৈরি হয়ে গেছে। ওই রুচির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো- ১. ওয়াজের নামে তারা বানোয়াট গল্প শুনতে চায় না। ২. তারা জাল হাদিস শুনতে বিন্দুমাত্র পছন্দ করে না। যখন তাদের সামনে কোনো হাদিস বর্ণনা করা হয়, তারা ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করে। যদি দেখে হাদিসটি ‘দুর্বল’ তবে বক্তার প্রতি শ্রদ্ধা শেষ হয়ে যায়। আর যদি দেখে, হাদিসটি ‘জাল (মাওযু)’ তবে তো আর কথা নেই। বক্তাকে যতভাবে পচানো যায়, তার সর্বাত্মক চেষ্টা সে করে। ৩. যেকোনো ব্যাপারে ‘কোরআনের সরাসরি ভাষ্য’ শুনতে তারা খুব আগ্রহী। ৪. ভাটিয়ালি সুর এই প্রজন্মের কাছে বিরক্তিকর। ৫. উর্দু-ফার্সি পঙ্ক্তির তুলনায় বাংলা কবিতা এই প্রজন্মের পছন্দ। ৬. কারও বিরুদ্ধে গালিগালাজ বর্তমান প্রজন্মের কাছে ভীষণ অপছন্দনীয়। ৭. ফরজ-ওয়াজিব নিদেনপক্ষে সুন্নতে-মোয়াক্কাদা নয়, এমন সব মাসয়ালা নিয়ে আলোচনা বর্তমান প্রজন্মের কাছে চক্ষুশূল।

বক্তারা যদি বর্তমান যুগের শ্রোতাদের মন-মেধা-মানসিকতাকে ভালোভাবে উপলব্ধি করতে না পারেন, তবে তারা শ্রোতা হারিয়ে স্বাভাবিকভাবেই অপাঙ্ক্তেয় হয়ে পড়বেন। মানুষ ময়দানে হাজির হওয়ার চেয়ে নেটে বিদেশি বক্তাদের শুনতে বেশি আগ্রহবোধ করবে। ফলে ওয়াজ-মাহফিল ক্রমান্বয়ে কমে যাবে। এর ফলে সামাজিক অধঃপতন বাড়তে থাকবে।

আমরা চাই ওয়াজ-মাহফিলের ধারার যুগ যুগ ধরে চালু থাকুক। সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম হাতিয়ার ওয়াজ, যদি সেটা উদ্দেশ্যমূলক হয়ে থাকে। হাজারো আইন-আদালত-পুলিশ যে লোকটিকে পরিবর্তন করে না, শুধু একটিমাত্র ওয়াজ দিল দিয়ে শুনার কারণে ওই লোক আপাদমস্তক নিজকে বদলে ফেলেছে।

এমন ঘটনা কেবল একটি বা দুটি নয়, হাজার হাজার। দিলটাকে আখেরাতমুখী করার জন্য দিনান্তের কর্মশেষে কিছুক্ষণ ওয়াজ শ্রবণ করা বাংলাদেশের মুসলমানদের আবহমান কালের চরিত্র। এটা যদি হারিয়ে কিংবা বন্ধ হয়ে যায়, তবে আখেরাতমুখী হওয়ার এই সহজ সুযোগ নষ্ট হয়ে যাবে। আর আখেরাতের সফলতাই একজন মুমিনের জিন্দেগির প্রকৃত সাফল্য

ওয়েবসাইট লিংক:
https://www.deshrupantor.com/islam/2022/12/19/397798/

15/09/2022

এস.এস.সি., দাখিল ও সমমান পরীক্ষা ২০২২ এর সকল
পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া ও শুভকামনা রইল।

27/02/2022

মিরাজ, মুযিয়া ও বিজ্ঞান।

মিরাজ কে যারা অস্বীকার করে তাদের জন্য এ লেখা নয়। মিরাজ কে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, কিন্তু বিজ্ঞানমনস্ক হওয়ার কারণে যুক্তি খুঁজে বেড়ায় এমন মানুষের জন্য এ লেখা।
লিংক: https://salekparvez.blogspot.com/2013/10/blog-post_10.html

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Dhaka