Nasirabad High School - নাসিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়

Nasirabad High School - নাসিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়

Share

একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। নাসিরাবাদ, খিলগাঁও, ঢাকা

Photos from Dasherkandi - দাসেরকান্দি's post 20/03/2014
28/12/2013

╚► Four লিখতে চারটি অক্ষর লাগে। ইংরেজি ভাষায় আর কোনো সংখ্যা নেই যা লিখতে সংখ্যার মানের সমান অক্ষর লাগে।
╚► ইংরেজি ভাষায় Set শব্দটির এত বেশি সংজ্ঞা আছে যে অন্য কোনো শব্দের তা নেই।
╚► ইংরেজি ভাষায় সাত অক্ষরের একটি শব্দ Therein, যার মধ্যে থাকা অক্ষরগুলো দিয়ে আপনি the, there, he, in, rein, her, here, ere, herein শব্দগুলো লিখতে পারবেন অক্ষরগুলো কোনো রকম ওলট-পালট না করে।
╚► ইংরেজিতে One Thousand লিখতে একটি a এর দরকার হয়। কিন্তু One থেকে Nine hundred&ninety nine পর্যন্ত সংখ্যাগুলো লিখতে একবারের জন্যও a অক্ষরটির প্রয়োজন হয় না।
╚► Underground একমাত্র শব্দ যার শুরু এবং শেষে und অক্ষরগুলো আছে।

26/10/2013

বন্ধু মানে একসাথে স্কুল পালানো,
বন্ধু মানে ক্লাসের
সুন্দরী মেয়েকে পটানো ।
বন্ধু মানে - দোস্ত মাইয়াতো পছন্দ
হয়েগেছে,
বন্ধুই বলে - যা কর গিয়ে প্রেম নিবেদন
দেখব পথ
আগলে কে আসে ।
বন্ধু মানে বেসুরা সুরে গান করা,
বন্ধু মানে চলার পথে হাত ধরা ।
বন্ধু মানে এক রিকশায় তিন জন
গাদা গাদি করে বসা, বন্ধু মানে মনের
যত আশা ।
বন্ধু মানে শত সুখের মাঝেও কষ্ট
পাওয়া,
বন্ধুর কারণেই আখি বেয়ে পড়া অশ্রু
নিমিষেই
হারিয়ে যাওয়া । উৎসর্গ- আমার সব
বন্ধুদের.. LOVE YOU
FRIENDS..

18/09/2013

:::ঘুম এবং স্বপ্ন নিয়ে কিছু জানা-অজানা কিছু তথ্য:::
-------------------------------------------------
যারা স্বপ্ন মনে রাখতে পারেন না তাদের ধারণা তারা স্বপ্ন দেখে না। আসলে
প্রত্যেকে স্বপ্ন দেখে।
• ঘুম ভেঙ্গে যাবার ৫ মিনিট পর স্বপ্নের অর্ধেক স্মৃতি লোপ পায়। দশ মিনিট
পর স্বপ্নের ৯০ ভাগ লোপ পায়। স্বপ্ন লিখে রাখুন যদি আপনি মনে রাখতে চান।
• কিছু লোক (প্রায় ১২ ভাগ) সাদা কালো স্বপ্ন দেখে যখন অন্যরা (বাকি ৮৮ ভাগ)
রঙিন স্বপ্ন দেখে।
• স্বপ্ন হচ্ছে দৃশ্যমান কোনো বস্তু অপেক্ষা বেশি কিছু এবং অন্ধ লোকও
স্বপ্ন দেখে। অন্ধ লোকটি স্বপ্নে ছবি দেখতে পারে কি না তা নির্ভর করে তারা
জন্মকালীন অন্ধ বা জন্মের পর দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে কি না তার ওপর।
• স্বপ্ন চলতে থাকার সময় যদি আপনি জেগে যান তবে আপনি সারা রাত ঘুমালে
স্বপ্ন যেটুকু মনে রাখতে পারতেন তা অপেক্ষা বেশি মনে রাখতে পারবেন।
• জাপানের গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন এমন এক যন্ত্র যা মনের চিন্তাভাবনার
চিত্র দেখতে এমনকি স্বপ্নকে ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে দেখাতে সক্ষম।
• কেউ যখন ঘুম এর মধ্যে নাক ডাকে এর অর্থ হচ্ছে সে স্বপ্ন দেখছে না!!
• একজন নরমাল মানুষ এক বছরে ১৪৬০টিরও বেশি স্বপ্ন দেখেন!!
লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন

Photos 10/09/2013
06/09/2013

এক রাজার এক চাকর ছিল। চাকরটা সবসময় যেকোন অবস্থাতেই
রাজাকে বলত,"রাজা মশাই, কখনো মন খারাপ করবেন না।
কেননা আল্লাহ যা করেন তার সবকিছুই নিখুঁত ও সঠিক।"

একবার তারা শিকারে যেয়ে নিজেরাই এক হিংস্র প্রাণীর
আক্রমণের শিকার হলো। রাজার চাকর সেই
প্রাণীকে মারতে পারলেও, ততক্ষণে রাজা তার একটা আঙুল
খুইয়ে বসেছেন।

রাগে-যন্ত্রণায়- ক্ষোভে রাজা ক্ষিপ্ত হয়ে বলে ওঠে,"আল্লাহ
যদি ভালোই হবে তাহলে আজকে শিকারে এসে আমার আঙুল
হারাতে হতো না।"

চাকর বলল,"এতকিছুর পরও আমি শুধু আপনাকে এটাই বলব, আল্লাহ
সবসময়ই ভালো ও সঠিক কাজর করেন; কোনো ভুল করেন না।
চাকরের এই কথায় আরও ত্যক্ত হয়ে রাজা তাকে জেলে পাঠানোর
হুকুম দিলেন।

এরপর একদিন রাজা আবার শিকারে বের হলেন। এবার
তিনি একদল বন্য মানুষের হাতে বন্দি হলেন। এরা তাদের দেব
দেবির উদ্দেশ্যে মানুষকে বলি দিত।
বলি দিতে যেয়ে তারা দেখল যে, রাজার একটা আঙুল নেই।
তারা এমন বিকলাঙ্গ কাউকে তাদের দেবতার
উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করতে রাজি হলো না। তাই তারা রাজাকে ছেড়ে দিল।

প্রাসাদে ফিরে এসে তিনি তার সেই পুরোনো চাকরকে মুক্ত
করে দেওয়ার হুকুম দিলেন। চাকরকে এনে বললেন,"ভাই,
আল্লাহ আসলেই ভালো। আমি আজ প্রায় মরতেই বসেছিলাম।
কিন্তু আঙুল না-থাকার কারণে প্রাণ
নিয়ে ফিরে আসতে পেরেছি।

"তবে আমার একটা প্রশ্ন আছে। আল্লাহ ভালো, এটা তো বুঝলাম।
কিন্তু তাহলে তিনি আমাকে দিয়ে তোমাকে জেলে পুরলেন
কেন?"
চাকর বলল,"রাজামশাই, আমি যদি আজ আপনার সাথে থাকতাম,
তাহলে আপনার বদলে আজ আমি কোরবান হয়ে যেতাম।

আপনার আঙুল ছিল না,কিন্তু আমার তো ছিল। কাজেই আল্লাহ
যা করেন সেটাই সঠিক, তিনি কখনো কোনো ভুল করেন না।"

জীবনের নানা দুঃখকষ্ট নিয়ে আমাদের শতঅভিযোগ।
আমরা ভুলে যাই কোন কিছুই আপনা-আপনি হয় না, বরং সবকিছুর
পেছনেই একটি নির্দিষ্ট কারণ আছে।

আল্লাহই ভালো জানেন তিনি কেন এই কথাগুলো আপনাকে পড়ার
সুযোগ করে দিলেন আজকে। তাই অন্যদেরকেও এই
কথাগুলো শোনার সুযোগ করে দিন।

প্রত্যেকটা কাজের পেছনেই কারণ
রয়েছে:যা ঘটে সেটা আমাদের ভালোর জন্যই।
সবার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা.....

28/08/2013

কবর
______জসীম উদদীন
এইখানে তোর দাদীর কবর ডালিম গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।
এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা,
সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর ছড়াইয়া দিল কারা!
সোনালী ঊষায় সোনামুখে তার আমার নয়ন ভরি
লাঙ্গল লইয়া ক্ষেতে ছুটিতাম গাঁয়ের ও-পথ ধরি।
যাইবার কালে ফিরে ফিরে তারে দেখে লইতাম কত
এ কথা লইয়া ভাবি-সাব মোর তামাশা করিত শত।
এমন করিয়া জানিনা কখন জীবনের সাথে মিশে
ছোট-খাট তার হাসি-ব্যথা মাঝে হারা হয়ে গেনু দিশে।
বাপের বাড়িতে যাইবার কালে কহিত ধরিয়া পা
আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান-তলীর গাঁ।
শাপলার হাটে তরমুজ বেচি দু পয়সা করি দেড়ী,
পুঁতির মালার এক ছড়া নিতে কখনও হতনা দেরি।
দেড় পয়সার তামাক এবং মাজন লইয়া গাঁটে,
সন্ধাবেলায় ছুটে যাইতাম শ্বশুর বাড়ির বাটে !
হেস না হেস না শোন দাদু, সেই তামাক মাজন পেয়ে,
দাদী যে তোমার কত খুশি হোত দেখিতিস যদি চেয়ে!
নথ নেড়ে নেড়ে কহিত হাসিয়া, এতদিন পরে এলে,
পথপানে চেয়ে আমি যে হেথায় কেঁদে মরি আঁখি জলে।
আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হায়,
কবর দেশেতে ঘুমায়ে রয়েছে নিঝ্ঝুম নিরালায়।
হাত জোড় করে দোয়া মাঙ্ দাদু, আয় খোদা! দয়াময়,
আমার দাদির তরেতে যেন গো ভেস্ত নসিব হয়।
তার পরে এই শূন্য জীবনে যত কাটিয়াছি পাড়ি,
যেখানে যাহারে জড়ায়ে ধরেছি সেই চলে গেছে ছাড়ি।
শত কাফনের শত কবরের অঙ্ক হৃদয়ে আঁকি
গণিয়া গণিয়া ভুল করে গণি সারা দিনরাত জাগি।
এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া কঠিন মাটির তলে,
গাড়িয়া দিয়াছি কতসোনা মুখ নাওয়ায়ে চোখের জলে।
মাটিরে আমি যে বড় ভালবাসি, মাটিতে লাগায়ে বুক,
আয় আয় দাদু, গলাগলি ধরে কেঁদে যদি হয় সুখ।
এইখানে তোর বাপ্জী ঘুমায়, এইখানে তোর মা,
কাঁদছিস তুই? কী করিব দাদু, পরাণ যে মানে না।
সেই ফালগুনে বাপ তোর এসে কহিল আমারে ডাকি,
বাজান, আমার শরীর আজিকে কি যে করে থাকি থাকি।
ঘরের মেঝেতে সপটি বিছায়ে কহিলাম বাছা শোও,
সেই শোয়া তার শেষ শোয়া হবে তাহা কি জানিত কেউ ?
গোরের কাফনে সাজায়ে তাহারে চলিলাম যবে বয়ে,
তুমি যে কহিলা বা-জানেরে মোর কোথা যাও দাদু লয়ে?
তোমার কথার উত্তর দিতে কথা থেমে গেল মুখে,
সারা দুনিয়ার যত ভাষা আছে কেঁদে ফিরে গেল দুখে।
তোমার বাপের লাঙল-জোয়াল দু হাতে জড়ায়ে ধরি,
তোমার মায়ে যে কতই কাঁদিত সারা দিনমান ভরি।
গাছের পাতারা সেই বেদনায় বুনো পথে যেত ঝরে,
ফালগুনী হাওয়া কাঁদিয়া উঠিত শুনো-মাঠখানি ভরে।
পথ দিয়ে যেতে গেঁয়ো-পথিকেরা মুছিয়া যাইত চোখ,
চরণে তাদের কাঁদিয়া উঠিত গাছের পাতার শোক।
আথালে দুইটি জোয়ান বলদ সারা মাঠ পানে চাহি,
হাম্বা রবেতে বুক ফাটাইত নয়নের জলে নাহি।
গলাটি তাদের জড়ায়ে ধরিয়া কাঁদিত তোমার মা,
চোখের জলের গহীন সায়রে ডুবায়ে সকল গাঁ।
উদাসিনী সেই পল্লীবালার নয়নের জল বুঝি,
কবর দেশের আন্ধার ঘরে পথ পেয়েছিল খুঁজি।
তাই জীবনের প্রথম বেলায় ডাকিয়া আনিল সাঁঝ,
হায় অভাগিনী আপনি পরিল মরণ-বীষের তাজ।
মরিবার কালে তোরে কাছে ডেকে কহিল, 'বাছারে যাই,
বড় ব্যথা রল দুনিয়াতে তোর মা বলিতে কেহ নাই;
দুলাল আমার, দাদু রে আমার, লক্ষ্মী আমার ওরে,
কত ব্যথা মোর আমি জানি বাছা ছাড়িয়া যাইতে তোরে।'
ফোঁটায় ফোঁটায় দুইটি গণ্ড ভিজায়ে নয়ন-জলে,
কি জানি আশিস্ করি গেল তোরে মরণ-ব্যথার ছলে।
ক্ষণ পরে মোরে ডাকিয়া কহিল, আমার কবর গায়,
স্বামীর মাথার মাথালখানিরে ঝুলাইয়া দিও বায়।
সেই সে মাথাল পচিয়া গলিয়া মিশেছে মাটির সনে,
পরানের ব্যথা মরে না কো সে যে কেঁদে ওঠে ক্ষণে ক্ষণে।
জোড়-মানিকেরা ঘুমায়ে রয়েছে এইখানে তরু-ছায়,
গাছের শাখারা স্নেহের মায়ায় লুটায়ে পড়েছে গায়ে।
জোনাকি মেয়েরা সারা রাত জাগি জ্বালাইয়া দেয় আলো,
ঝিঁঝিরা বাজায় ঘুমের নুপুর কত যেন বেসে ভাল।
হাত জোড় করে দোয়া মাঙ দাদু, রহমান খোদা! আয়;
ভেস্ত নাজেল করিও আজিকে আমার বাপ ও মায়!'
এইখানে তোর বুজীর কবর, পরীর মতন মেয়ে,
বিয়ে দিয়েছিনু কাজীদের ঘরে বনিয়াদী ঘর পেয়ে।
এত আদরের বুজীরে তাহারা ভালবাসিত না মোটে,
হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।
খবরের পর খবর পাঠাত, দাদু যেন কাল এসে,
দু দিনের তরে নিয়ে যায় মোরে বাপের বাড়ির দেশে।
শ্বশুর তাহার কসাই চামার, চাহে কি ছাড়িয়া দিতে,
অনেক কহিয়া সেবার তাহারে আনিলাম এক শীতে।
সেই সোনামুখ মলিন হয়েছে, ফোটে না সেথায় হাসি,
কালো দুটি চোখে রহিয়া রহিয়া অশ্রু উঠিত ভাসি।
বাপের মায়ের কবরে বসিয়া কাঁদিয়া কাটাত দিন,
কে জানিত হায়, তাহারও পরানে বাজিবে মরণ বীণ!
কি জানি পচানো জ্বরেতে ধরিল আর উঠিল না ফিরে,
এইখানে তারে কবর দিয়াছি দেখে যাও দাদু! ধীরে।
ব্যথাতুরা সেই হতভাগিনীরে বাসে নাই কেউ ভালো,
কবরে তাহার জড়ায়ে রয়েছে বুনো ঘাসগুলি কালো।
বনের ঘুঘুরা উহু উহু করি কেঁদে মরে রাতদিন,
পাতায় পাতায় কেঁপে ওঠে যেন তারি বেদনার বীণ।
হাত জোড় করে দোয়া মাঙ দাদু, আয় খোদা! দয়াময়।
আমার বু-জীর তরেতে যেন গো ভেস্ত নাজেল হয়।
হেথায় ঘুমায় তোর ছোট ফুপু সাত বছরের মেয়ে,
রামধনু বুঝি নেমে এসেছিল ভেস্তের দ্বার বেয়ে।
ছোট বয়সেই মায়েরে হারায়ে কি জানি ভাবিত সদা,
অতটুকু বুকে লুকাইয়াছিল কে জানিত কত ব্যথা!
ফুলের মতন মুখখানি তার দেখিতাম যবে চেয়ে,
তোমার দাদীর মুখখানি মোর হৃদয়ে উঠিত ছেয়ে।
বুকেতে তাহারে জড়ায়ে ধরিয়া কেঁদে হইতাম সারা,
রঙিন সাঁঝেরে ধুয়ে মুছে দিত মোদের চোখের ধারা।
একদিন গেনু গজনার হাটে তাহারে রাখিয়া ঘরে,
ফিরে এসে দেখি সোনার প্রতিমা লুটায় পথের পরে।
সেই সোনামুখ গোলগাল হাত সকলি তেমন আছে,
কি জেনি সাপের দংশন পেয়ে মা আমার চলে গ্যাছে।
আপন হসেতে সোনার প্রতিমা কবরে দিলাম গাড়ি,
দাদু! ধর--ধর--বুক ফেটে যায়, আর বুঝি নাহি পারি।
এইখানে এই কবরের পাশে, আরও কাছে আয় দাদু,
কথা কস নাকো, জাগিয়া উঠিবে ঘুম-ভোলা মোর যাদু।
আস্তে আস্তে খুড়ে দেখ্ দেখি কঠিন মাটির তলে,
দীন দুনিয়ার ভেস্ত আমার ঘুমায় কিসের ছলে।
ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবিরের রাগে,
এমনি করিয়া লুটায়ে পড়িতে বড় সাধ আজ জাগে।
মজিদ হইছে আজান হাঁকিছে বড় সকরুণ সুর,
মোর জীবনের রোজকেয়ামত ভাবিতেছি কত দুর!
জোড়হাতে দাদু মোনাজাত কর, আয় খোদা, রহমান,
ভেস্ত নাজেল করিও সকল মৃত্যু-ব্যথিত প্রাণ!

08/06/2013

ইংরেজি রচনা (Essay),দরখাস্ত(Application)ও
চিঠি(letter)নিজে বানায় লেখার টেকনিক এর
বাংলা ই-বুক [সংগ্রহে রাখুন কোন না কোন সময়
কাজে লাগতে পারে]
প্রতিদিন আমার ইন্টারনেট থেকে কিছু গান , নাটক ও
মুভি ডাউনলোড করি কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে এই
নামানো ফাইল গুলো আমাদের বেশি দিন
ভালো লাগে না এবং কিছুদিন পর সেগুলো কাজেও
লাগে না …
কিন্তু আমি আজকে যে বইটা শেয়ার
করছি তা আপনাদের সারা জীবন কাজে লাগবে …।
এই বইটা আপনার নিজের বা আপনার ছেলে –
মেয়ের , ভাই-বোন , বন্ধু-বান্ধব
কারো না কারো অবশ্যয় কাজে লাগবে ……
এই বইয়ের সুবিধা সমূহঃ
* সকল শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাজে লাগবে
* সহজে রচনা লেখার পদ্দ্বতি জানতে পারবে
* আপনি শুধু ১০
টা রচনা শিখে ১০০টি রচনা লিখতে পারবেন
* এই বইটা পড়লে ইংলিশ রচনা (Essay/
Composition) নিজে নিজে বানায় লিখতে পারবেন
অনেকে মনে করতে পারেন এই ধরনের বই ছাত্রদের
অলস করে তুলতে পারেঃ
আমি তা মনে করি না …
কারন এমনিতে বাংলাদেশের অধিকাংশ ছাত্র
রচনা মুখস্ত করে …
কিন্তু এই বইটি পড়লে তারা ইংরেজি বানায় লিখার
পদ্দ্বতি জানবে
এবং পরীক্ষায় নিজে নিজে বানায় লেখার সাহস পাবে
নোটঃ মূল পাঠ্য বইয়ের বিকল্প কিছুই নাই …
আপনাকে অবশ্যয় রচনা লিখার জন্য গুরুত্বপূর্ন সব
তথ্য শিখতে হবে
এই বইটা শুধু পরীক্ষায় যখন কমন আসবে না তখন
যেন বসে না থেকে , কিছু
লিখে দিয়ে আসতে পারে সেই জন্য করা …..

21/04/2013

ALL STUDENTS JOIN HERE...

29/03/2013

১। Stewardesses হল সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ
যা কিবোর্ডে লিখতে শুধু বাম হাত ব্যবহৃত হয়।

২। Dreamt একমাত্র ইংরেজি শব্দ যার শেষে mt আছে ।

৩। ইংরেজিতে ৩টি শব্দ আছে যাদের শেষে ceed আছে ।
সেগুলো হলঃ proceed , exceed , succeed

৪। Almost সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ যার
বর্ণগুলো ক্রমানুসারে আছে ।

৫। ইংরেজিতে মাত্র ৪টি শব্দ আছে যাদের
শেষে dous আছে। এগুলো হলঃ tremendous ,
horrendous , stupendous , hazardous

৬। Lollipop হল সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ
যা কিবোর্ডে লিখতে শুধু ডান হাত ব্যবহৃত হয়।

৭। screeched হল এক syllable বিশিষ্ট সবচেয়ে বড়
ইংরেজি শব্দ।

৮। Underground এমন একটি শব্দ যা প্রথম
৩টি অক্ষর und শেষেও রয়েছে।

৯। set শব্দের সবচেয়ে বেশি অর্থ রয়েছে।

১০। therein এমন একটি শব্দ যা থেকে কোন রকম
সাজানো ছাড়াই ১০টি নতুন শব্দ তৈরী করা যায়।
সেগুলো হলঃ the, there, he, in, rein, her, here,
ere, therein, herein

ভাল কিছু জানতে পারলে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন ।

23/03/2013

join here

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Nasirabad, Khilgoan
Dhaka
1214