Textile Environment

Textile Environment

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Textile Environment, Educational consultant, Dhanmondi, Dhaka.

11/10/2019

Youth Discourse is a youth-led start-up that tries to provide youth with a piece of microphone and stage which will allow them to share their thoughts and ideas with courage and confidence.
https://www.facebook.com/YouthDiscourse/

Youth Discourse Youth Discourse inspires youth to develop their Oracy skills in order to effectively communicate their ideas, arguments, and stories in any given situation.

04/08/2019

Topic : Denim (ডেনিম)📖

ডেনিম কি??

ডেনিম এক প্রকার ফ্যাব্রিক যা ১০০ % কটন টুইল বা স্টেচ টুইল দ্বারা তৈরি। ডেনিম হচ্ছে কটনের মজবুত গঠনের ওয়ার্প ফেস্ড টুইল টেক্সটাইল যেখানে ওয়েফ্ট সুতা দুই বা ততোধিক ওয়ার্প সুতার নিচ দিয়ে যায়। এ কারণে ডেনিম এর সারফেস এ একটি কালার প্রাধান্য পায়। এটি একটি ওভেন ফ্যাব্রিক যার টানায় থাকে নীল কটন আর পড়েনে থাকে সাদা কটন, এটি ইন্ডিগো ডেনিম নামে পরিচিত। তবে ডেনিমে বিভিন্ন রং এর ওয়ার্প ও ওয়েফ্ট সুতা থাকতে পারে। সারা বিশ্ব জুড়ে জিন্স, জ্যাকেটস, শার্ট, ব্যাগ, পার্স সহ অনেক অ্যাকসেসোরিস নানা বয়সের নারী-পুরুষের জন্য তৈরিতে ডেনিম ফ্যাব্রিক ব্যবহার করা হয়

ডেনিম এর উৎপত্তি ও ইতিহাস :

আধুনিক সভ্যতার অন্যতম উপাদান হিসেবে আমাদের পোশাক-পরিচ্ছদ সবসময়ই অনন্যতার দাবিদার। কারণ মানুষ আদিম বৈশিষ্ট্য থেকে সভ্য হলো মূলত তখনই, যখন থেকে তারা পোশাক পরিধান করা শুরু করলো। আমাদের মৌলিক চাহিদার মধ্যে দ্বিতীয়টি আমাদের পরিধেয় বস্ত্র। কাজেই পোশাকের অবদানকে অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই।

আধুনিক সভ্য সমাজে আবার এই পোশাকই মানুষের রুচিবোধ এবং আভিজাত্যের নির্দেশক হিসেবেও চিহ্নিত হয়ে থাকে। বর্তমান সমাজের মানুষ খুবই ফ্যাশন সচেতন হয়ে উঠেছে। আর এই ফ্যাশন গার্মেন্টেসের যুগে ডেনিম বা জিন্স তৈরি করে নিয়েছে বিশাল এক জায়গা। কিন্তু ডেনিম ফেব্রিকেরও আছে জন্ম ইতিহাস। এখন যেমন জিন্স অভিজাত মানুষের কিংবা তরুণ সমাজের কাছে একটি অন্যরকম পছন্দের জায়গা তৈরি করে নিয়েছে, এর জন্ম কিন্তু সে উদ্দেশ্যেও হয়নি। এই লেখায় আমরা ডেনিম বা জিন্স-এর উৎপত্তির ইতিহাস নিয়েই জানবো।

হাল আমলের ফ্যাশনে জিন্সের গুরুত্ব অপরিহার্য :
১৯৬৯ সালে 'আমেরিকান ফেব্রিকস' নামক ম্যাগাজিনের একজন রিপোর্টার লিখেছিলেন যে, "পৃথিবীর আদি ফেব্রিক বা কাপড়সমূহের মধ্যে ডেনিম অন্যতম হলেও এর যৌবন চিরন্তন।" কথাটি মোটেও মিথ্যা কিছু নয়। কারণ সেই সতেরো শতক থেকে এখন পর্যন্ত ডেনিমের চাহিদা না কমে বরং বেড়েছে দিন কে দিন।

এখনকার অধিকাংশ মানুষের কাছেই ডেনিমের গুরুত্ব, বিশেষ করে জিন্স প্যান্টের গুরুত্ব অধিক। হাল আমলের ফ্যাশন জিন্স ব্যতিরেকে কল্পনা করাটা একটু কঠিন। বিশেষ করে ছাত্র ও তরুণ সমাজ তাদের প্রতিদিনকার জীবনযাত্রা পাঁচ পকেট ও তামার রিভেট বিশিষ্ট জিন্সের প্যান্ট ছাড়া কল্পনা করতে পারে না। গতানুগতিক জিন্সের গঠনের বাইরেও আধুনিক জিন্স গার্মেন্টসে এসেছে নানান বৈচিত্র্য। এর মধ্যে আছে যেমন স্লিটিং ইফেক্ট, ফেডিং ইফেক্ট কিংবা লেজার এনগ্রেভিং ইত্যাদি।

জিন্সে ফেডিং ও স্লিটিং ইফেক্ট;
প্রথমেই ডেনিম এবং জিন্সের ভেতরকার পার্থক্যটুকু পরিষ্কার করা দরকার। ডেনিম বলতে মূলত বোঝানো হয় গার্মেন্টস তৈরির মূল ফেব্রিককে, যা থেকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শার্ট-প্যান্ট বা পরিধানযোগ্য অন্যান্য পোশাক তৈরি করা হয়। সচরাচর আমরা যে বয়ন করা শার্ট-প্যান্ট পরে থাকি, ডেনিমের গঠন এর থেকে খানিকটা আলাদা। এই গঠনকে বলা হয় টুইল বুনন (Twill Weave)। এই ধরনের বুননের ফলে ফেব্রিকে কোনাকুনি লাইনের মতো দেখা যায়। ডেনিম ফেব্রিক তৈরি করা হয় মূলত ১০০% কটন থেকে। এরপর সেটি চলে যায় গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিতে এবং এই ফেব্রিক থেকে তৈরি করা হয় শার্ট, প্যান্ট, জ্যাকেট, স্যুট, ব্যাগ ইত্যাদি। একই ধরনের গঠন দেখা যায় গাবার্ডিনের ক্ষেত্রে। যদিও এদের মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য আছে।

ডেনিম ফেব্রিকে টুইল বুননের ফলে গঠিত কোনাকুনি লাইন;
ফেব্রিক বা কাপড় বুননের ক্ষেত্রে সাধারণত দু ধরনের সুতা ব্যবহার করা হয়। কাপড়ের দৈর্ঘ্য বরাবর সুতাকে বলা হয় ওয়ার্প সুতা এবং আড়াআড়ি সুতাকে বলা হয় ওয়েফট সুতা। ওয়েফট সুতা ওয়ার্প সুতার উপর নিচ দিয়ে প্রবেশ করানোর ফলেই কাপড় তৈরি হয়। সাধারণ ফেব্রিকের ক্ষেত্রে একটা বাদে একটা ওয়ার্প সুতার উপর দিয়ে বা নিচ দিয়ে প্রথম ওয়েফট সুতা প্রবেশ করানো হয়। পরবর্তী ওয়েফট সুতা প্রবেশ করানো হয় বিপরীতভাবে। কিন্তু ডেনিমের ক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক ওয়ার্প সুতার উপর দিয়ে বা নিচ দিয়ে একটি ওয়েফট সুতা প্রবেশ করানো হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, ডেনিমের ক্ষেত্রে কেবল ওয়ার্প সুতাই রঙিন সুতা, কিন্তু ওয়েফট সুতা সাদাই থাকে। এই কারণেই ডেনিমের সামনের অংশ রঙিন হলেও পেছনের অংশ সাদা।

সার্জ ফেব্রিক এবং সার্জ ডি নিমস ফেব্রিক;
অন্যদিকে সচরাচর জিন্স বলতে মূলত ডেনিম থেকে তৈরী ট্রাউজার বা প্যান্টকেই বোঝানো হয়। অর্থাৎ বলতে গেলে ডেনিম যদি হয় আলু, তাহলে জিন্স হবে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই! ডেনিম হচ্ছে কাঁচামাল, জিন্স হচ্ছে এর পরিণত অবস্থা। সেই সুবাদে বলা যায়, সকল জিন্সই ডেনিম, কিন্তু সকল ডেনিম জিন্স নয়। কারণ আগেই বলা হয়েছে যে, ডেনিম ফেব্রিক দিয়ে কেবল প্যান্টই তৈরি করা হয় না।

ডেনিমের উৎপত্তি বিষয়ে গবেষণা করতে গিয়ে গবেষকরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের মতামত প্রকাশ করেছেন। ডেনিম বা জিন্স আজকের সভ্যতা ও ফ্যাশনে অন্যরকম আবেদন তৈরি করতে পারলেও এর উৎপত্তিকে বলা হয়ে থাকে ১৭শ শতকের দুর্ঘটিত আবিষ্কার। সেসময়ে ইতালিতে বিশেষ একপ্রকার শক্তিশালী ফেব্রিক উৎপাদিত হতো। এই বিশেষ ফেব্রিকের নাম ছিল সার্জ। তো সেই সময়ে দক্ষিণ ফ্রান্সের নিমস (Nimes) অঞ্চলের অধিবাসীরা এই ইতালিয়ান ফেব্রিকের অনুকরণে ফেব্রিক তৈরি করতে গিয়েই তৈরি হয়।

ডেনিমের প্রকারভেদ
1.Dry Denim
2.Selvage Denim
3.Stretch Denim
4.Poly Denim
5.Ramie Cotton Denim

বিশ্বের সেরা ১০টি ডেনিম ব্রান্ড :

10. G-Star Raw
9. Lucky
8. Calvin Klein
7. Guess
6. 7 For all Mankind
5. True Religion
4. Pepe Jeans London
3. Diesel
2. Wrangler
1. Levi Strauss and Co

বাংলাদেশ ডেনিম সংক্ষিপ্ত বিবরণ :

বিশ্বব্যাপী ফ্যাশন কনজিউসারদের দ্বারা ব্যাপকভাবে ডেনিমের ব্যাপক ব্যবহার বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশে শিল্প বর্তমানে ২৫টি ডিনিম উৎপাদনকারী কারখানা রয়েছে যার মোট বিনিয়োগ ৮৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ডেনিম মাসিক প্রযোজনা প্রতি মাসে ৩০ মিলিয়ন গজ এবং প্রায় ৬০ মিলিয়ন গজ চাহিদা। ভারসাম্য চাহিদা পূরণের জন্য চীন, ভারত ও পাকিস্তানের মতো দেশ থেকে প্রতি মাসে ৩০ থেকে ৩৫ মিলিয়ন গজ আমদানি করা হয় যা গড় মূল্য ৭৫মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিটিএমএর তথ্য অনুযায়ী ডেনিম সাব সেক্টরের মোট বিনিয়োগ ৯০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তাছাড়া ২০২০সালের মধ্যে ড্যানিমের জন্য বিশ্বব্যাপী বাজারে ৬৪.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে। ২০১৩-২০১৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে ডিনিম পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ এবং প্রতিদিন দিনে বেড়েছে। সমগ্র বিশ্বের মোট ডেনিম উৎপাদন আনুমানিক ৭ বিলিয়ন মিটার এবং এশিয়াতে মোট ৭০% ফ্যাব্রিক উৎপাদিত হয়।

বাংলাদেশের ভবিষ্যতের ডিনিম শিল্পের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। আন্তর্জাতিক বাজারে ডেনিম ফ্যাব্রিকের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সাথে দেখা করার জন্য স্থানীয় মিলগুলি বিশেষ করে বয়ন ও প্রক্রিয়াকরণের দিকে নজর দিচ্ছে৷

দেশের অন্যতম ১০ টি ডেনিম তৈরি কারখানা :

1.Envoy Textiles Ltd.

2.Pacific Jeans Ltd.

3.Ha-Meem Denim Mills Ltd.

4.Baximco Denim Limited.

4.NASSA-Taipei Denim Limited.

5.Partex Denim Ltd.

6.Chittagong Denim Mills Ltd.

7.Shasha Denims Ltd

8.Mahmud Denim ltd.

9.yogotex Fabrics co ltd.

জিন্স ও ডেনিম এর মধ্যে সম্পর্ক :

বিষয়টি একটু ভাবনার যখন আপনি কাউকে প্রশ্ন করবেন, জিন্স এবং ডেনিম এর মধ্যে পার্থক্য কর। বিশ্বের অনেক স্থানেই জিন্স বলতেই ডেনিম কে বুঝায়। ডেনিম এবং জিন্স দুটোই ভিন্ন জিনিস কিন্তু তারা একে অপরের সাথে জড়িত।

জিন্সঃ
জিন্স এক ধরনের গার্মেন্টস যা আজকাল সব বয়সের মানুষই ব্যবহার করতে পারেন। উনিশ শতকের শেষভাগে জিন্স গার্মেন্টস পরিচিত লাভ করে কপার রিভেটেড কটন ট্রাউজার এর মাধ্যমে। পরিধানে আরামদায়কতার জন্য বর্তমান সময়ে এর জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। জিন্স ছাড়া বর্তমান তরুণ সমাজ তো কল্পনার বাইরে। নীল রং এর জিন্স, জিন্স এর একটি স্বঃতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বহন করলেও বর্তমানে বিভিন্ন কালারের জিন্স পাওয়া যায়। এই গার্মেন্টস তৈরীতে ডেনিম ফ্যাব্রিক ব্যবহার করা হয়। জিন্স বলতে বিশেষভাবে ডেনিম প্যান্টকে বোঝানো হয়।

জিন্স ব্যবহারের অন্যতম উপকার হলঃ

১. এটি আয়রণিং ছাড়াই পরিধান করা সম্ভব।

২. অন্যান্য গার্মেন্টস এর ন্যায় এটি বারবার ওয়াশিং করার প্রয়োজন নেই।

৩. এটি এক ধরণের ফ্যাশন্যাবল গার্মেন্টস।

৪. ব্যবহারে দীর্ঘ সময় স্থায়ী হয়।

ডেনিমঃ

ডেনিম এক প্রকার ফ্যাব্রিক যা ১০০ % কটন টুইল বা স্টেচ টুইল দ্বারা তৈরি। ডেনিম হচ্ছে কটনের মজবুত গঠনের ওয়ার্প ফেস্ড টুইল টেক্সটাইল যেখানে ওয়েফ্ট সুতা দুই বা ততোধিক ওয়ার্প সুতার নিচ দিয়ে যায়। এ কারণে ডেনিম এর সারফেস এ একটি কালার প্রাধান্য পায়। এটি একটি ওভেন ফ্যাব্রিক যার টানায় থাকে নীল কটন আর পড়েনে থাকে সাদা কটন, এটি ইন্ডিগো ডেনিম নামে পরিচিত। তবে ডেনিমে বিভিন্ন রং এর ওয়ার্প ও ওয়েফ্ট সুতা থাকতে পারে। সারা বিশ্ব জুড়ে জিন্স, জ্যাকেটস, শার্ট, ব্যাগ, পার্স সহ অনেক অ্যাকসেসোরিস নানা বয়সের নারী-পুরুষের জন্য তৈরিতে ডেনিম ফ্যাব্রিক ব্যবহার করা হয়।

ডেনিম নিয়ে কিছু কথাঃ

১, যদিও ডেনিম তৈরি হয় কটন দিয়ে তবুও হেম্প ডেনিমও মাঝে মাঝে পাওয়া যায়।

২. ডেনিম ফ্যাব্রিকে সহজে ক্রিজ পড়ে না।

৩. এটি খুব শক্তিশালী এবং স্থায়ী।

৪. পরিধানের সময় শক্ত সুরক্ষা দেয়।

৫. ডেনিম ডাই এ ভ্যাট ও সালফার ডাই ব্যবহার করা হয় বলে পরিধানে গরম লাগে না । তবে রি-এ্যাকটিভ ডাই ব্যবহার করলে ব্যাপারটা ভিন্ন।

৬. প্রধানত আট প্রকার ডেনিম ফ্যাব্রিক পাওয়া যায়। যেমনঃ কালারড ডেনিম, বাবল গাম ডেনিম, মার্বেল ডেনিম, রিভার্স ডেনিম ইত্যাদি।

ডেনিম ব্যবহার :

আধুনিক বিশ্বের ডেনিম তৈরি পোশাক খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে । আমরা জানি যে এখনকার দিনগুলিতে পুরুষদের ট্রাউজার,শার্ট, মহিলাদের পোষাকে প্রতিদিন দিনে ডেনিম ব্যবহার করা হয়। গ্রাহকদের মধ্যে এটির গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। ডেনিম পণ্য এখন প্রায় সব ধরনের মানুষের মধ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে। এখন ডেনিম তাই বহুমুখী। মহিলাদের হ্যান্ডব্যাগ, স্কুল এবং কলেজ ব্যাগ, এবং ভ্রমণ ব্যাগ তৈরীর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে ডেনিম । সুতরাং ডেনিম এর পরিসীমা দিন দিন বাড়ছে। সুতরাং ডেনিম জ্যাকেট, প্যান্ট, শর্টস, শার্ট, স্কার্ট, সুট, টুপি, বেল্ট, বুট এবং অ্যাথলেটিক জুতা, ডেনিম ওয়াইন ব্যাগ, ডেনিম পেন্সিল কেস, ডেনিম অ্যাপারন, ডেনিম গিলস, ডেনিম রেজাল্ট, ল্যাম্পশেডস, গৃহসজ্জার সামগ্রী ইত্যাদি। এছাড়াও সানগ্লাস ফ্রেম করতে ব্যবহৃত হয়।

ডেনিম এর সাধারণ ব্যবহার ছাড়া, কিছু খুব আকর্ষণীয় পণ্য আছে। আপনি ডেনিম এর বহুমুখী ব্যবহারে অবাক হতে পারেন।
যেমন :
ডেনিম হেলমেট
ডেনিম শাড়ি
সানগ্লাস ফ্রেম
কুকুর এবং পোষা প্রাণী জন্য ডেনিম কোট
ডেনিম আন্ডারওয়্যার, বিকিনিস এবং ব্রাস।
ডেনিম মুখ মাস্ক।
ডেনিম মোবাইল কেস।

লেখক :
Zobayer Hossain Noyon
Textile blogger
Sheikh kamal Textile Engineering College,Jhenaidah

Reference :
Wikipedia
Chim.bris.com
Textilelearner.com
Fibreproperties.blogspotNo

24/03/2019

প্রশ্ন – ১ গার্মেন্টস শব্দের অর্থ কি?
উত্তরঃ পোশাক বা অ্যাপারেল।
প্রশ্ন – ২. বাংলাদেশের প্রথম গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীর নাম কি এবং কত সালে চালু হয়?
উত্তরঃ রিয়াজ গার্মেন্টস, ১৯৬০ সালে ঢাকার উর্দু রোডে।
প্রশ্ন – ৩. ক্লদিং টেকনোলোজির সংজ্ঞা দাও।
উত্তরঃ পোশাকের সাথে সম্পর্কযুক্ত যে কোন প্রযুক্তির প্রয়োগ বা ব্যবহার এবং তদসম্পর্কিত যাবতীয় কলাকৌশলকেই ক্লদিং টেকনোলোজি বা পোশাক প্রযুক্তি বলে।
প্রশ্ন – ৪. বাংলাদেশ মোট আয়ের শতকরা কত ভাগ পোশাক রপ্তানি করে অর্জন করে?
উত্তরঃ প্রায় শতকরা ৮০ ভাগ।
প্রশ্ন – ৫. গার্মেন্টস শিল্পে মহিলা শ্রমিকের সংখ্যা কত?
উত্তরঃ প্রায় শতকরা ৯০ ভাগই নারী শ্রমিক।
প্রশ্ন – ৬. বিশ্ব বাজারে এবং বাংলাদেশে গার্মেন্টস ক্যাটাগরির সংখ্যা কত?
উত্তরঃ বিশ্ব বাজারে মোট ১২৫ টি এবং বাংলাদেশ আমেরিকায় ২০ টি ক্যাটাগরি পোশাক সরবরাহ করে।
প্রশ্ন – ৭. গার্মেন্টস উৎপাদন প্রণালীর বিভিন্ন ধাপ বা সেকশনের নাম লিখ।
উত্তরঃ কাটিং সেকশন, সুইং সেকশন, ফিনিশিং সেকশন ইত্যাদি।
প্রশ্ন – ৮. কাটিং সেকশনের কাজ কি?
উত্তরঃ প্যাটার্ন অনুযায়ী কাপড় কাটাই হল কাটিং সেকশনের কাজ।
প্রশ্ন – ৯. সুইং সেকশনের কাজ কি?
উত্তরঃ কাটিং সেকশন থেকে খিন্ডিত কাপড়কে সেলাই মেশিনের সাহায্যে সেলাই করাই হল সুইং সেকশনের কাজ।
প্রশ্ন – ১০. ফিনিশিং সেকশনের কাজ কি?
উত্তরঃ সুইং সেকশন হতে সংগৃহীত কাপড়কে বায়ারের অর্ডার অনুযায়ী ফিনিশিং ম্যাটারিয়ালস প্রয়োগ, আয়রনিং, ফোল্ডিং, প্যাকিং এবং কার্টুন করে রপ্তানিযোগ্য করাই হল ফিনিশিং সেকশনের কাজ।
প্রশ্ন – ১১. যান্ত্রিক সেলাই মেশিন কে আবিষ্কার করেন?
উত্তরঃ চার্লস ফ্রেডরিক ১৭৫৫ সালে যান্ত্রিক সেলাই মেশিন আবিষ্কার করেন।
প্রশ্ন – ১২. টেইলরিং প্রণালির সংজ্ঞা দাও।
উত্তরঃ কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য তার শরীরের মাপ নিয়ে হ্যান্ড কাচি দ্বারা কাপড় কেটে সেলাই মেশিন দ্বারা সেলাই করে পোশাক তৈরি করাকে টেইলরিং বলা হয়।
প্রশ্ন – ১৩. ইন্ডাস্টিয়াল পদ্ধতির পোশাক তৈরি বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ পুরুষ, মহিলা, বালক বা বালিকার দেহের আদর্শ মাপ নিয়ে একটি নির্দিষ্ট ডিজাইনের এবং বিভিন্ন সাইজের হাজার হাজার পিস গার্মেন্টস তৈরি করাকে ইন্ডাস্টিয়াল পদ্ধতির পোশাক তৈরি করা বলে।
প্রশ্ন – ১৪. ইন্ডাস্টিয়াল পদ্ধতিতে একটি পোশাক তৈরি করতে কত সময় লাগে?
উত্তরঃ প্রায় ১ মিনিট থেকে ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ড।
প্রশ্ন – ১৫. ডেনিম কোন শ্রেণীর

28/01/2019

গার্মেন্টস ওয়াসের উপর কিছু ভাইভা প্রশ্ন এবং উত্তর
By Md.Naymul Hossain
২৮ জানুয়ারী, ২০১৯
গার্মেন্টস ডাইং

প্রশ্ন – ১. গার্মেন্টস ডাইং কেন করা হয়?
উত্তরঃ তৈরিকৃত পোশাকের কাপড় উজ্জ্বল করা এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য।

প্রশ্ন – ২. কটন পোশাকের জন্য কোন ডাই ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ ডাইরেক্ট ডাই।

প্রশ্ন – ৩. পলিয়েস্টার পোশাকের জন্য কোন ডাই ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ ডিসপার্স ডাই।

প্রশ্ন – ৪. সিল্ক কাপড়ের ক্ষেত্রে কোন ডাইন ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ রিয়্যাকটিভ ডাই।

প্রশ্ন – ৫. কয়েকটি গার্মেন্টস ডাইং মেশিনের নাম লিখ।
উত্তরঃ জিগার ডাইং মেশিন, উইঞ্চ ডাইং মেশিন, জেট ডাইং মেশিন ইত্যাদি।

প্রশ্ন – ৬. পলিয়েস্টার কাপড় ডাইং তাপমাত্রা কত?
উত্তরঃ ১৩০º সেলসিয়াস।

প্রশ্ন – ৭. গার্মেন্টস ওয়াশিং বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ পোশাককে ধৌত করে এর মধ্যস্থ ময়লা, অপদ্রব্যসমূহ দূর করে পোশাককে পরিষ্কার করা হয়, তাকে গার্মেন্টস ওয়াশিং বলে।

প্রশ্ন – ৮. গার্মেন্টস ওয়াশিং প্রধানত কত প্রকার?
উত্তরঃ দুই প্রকার। যথাঃ ক. ড্রাইং ওয়াশিং, খ. ওয়াটার ওয়াশিং।

প্রশ্ন – ৯. গার্মেন্টস ওয়াশিং এর পদ্ধতি কয়টি?
উত্তরঃ প্রধানত দুইটি। যথাঃ ক. স্টোন ওয়াশিং, খ. কেমিক্যাল ওয়াশিং।

প্রশ্ন – ১০. ব্লিচিং ওয়াশিন কত তাপমাত্রায় সম্পন্ন হয়?
উত্তরঃ ৯০º সেলসিয়াস।

প্রশ্ন – ১১. পিগমেন্ট ওয়াশিং কত তাপমাত্রায় করা হয়?
উত্তরঃ ৬০º সেলসিয়াস।

প্রশ্ন – ১২. স্টাইল অব ওয়াশিং কি?
উত্তরঃ বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল দ্বারা কিছু শর্ত সাপেক্ষে বিভিন্ন আঁশ দ্বারা তৈরি পোশাককে যে কৌশলে ওয়াশিং করা হয়, তাকে স্টাইল অব ওয়াশিং বলে।

প্রশ্ন – ১৩. গার্মেন্টস ওয়াশিং এ ব্যবহৃত ম্যাটেরিয়াল ও লিকারের অনুপাত কত?
উত্তরঃ ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার করে ওয়াশিং করলে ১ঃ ৫ বা ৫ঃ ৮ এবং ওয়াশিং মেশিন ছাড়া ওয়াশিং করলে ১ঃ ১০ বা ১ঃ ১২ ।

প্রশ্ন – ১৪. স্টোন ওয়াশিং এর সংজ্ঞা দাও।
উত্তরঃ পোশাক বা কাপড় ওয়াশিং এর যে প্রক্রিয়ায় পাথর বা স্টোন ব্যবহার করা হয়, তাকে স্টোন ওয়াশিং বলে।

প্রশ্ন – ১৫. কোন প্রকৃতির পোশাককে স্টোন ওয়াশ করা হয়?
উত্তরঃ প্রধানত জিন্স ও ডেনিম এর শার্ট ইত্যাদি।

প্রশ্ন – ১৬. মাংকি ওয়াশ কি?
উত্তপ্রঃ পটাশিয়াম পার কার্বনেট দ্রবণে কাপড়ের নির্দিষ্ট অংশ ডুবিয়ে যে ওয়াশ করা হয়, তাকে মাংকি ওয়াশ বলে।

প্রশ্ন – ১৭. ড্রাই ওয়াশ কি?
উত্তরঃ পোশাককে কোন প্রকার পানিতে না ভিজিয়ে ময়লা অপসারণ করে শুষ্ক পদ্ধতিতে বিভিন্ন কেমিক্যাল দ্বারা পোশাক পরিষ্কার করা হয়, তাকে ড্রাই ওয়াশ বলে।

প্রশ্ন – ১৮. ড্রাই ওয়াশের তাপমাত্রা কত?
উত্তরঃ ১১০º সেলসিয়াস।

প্রশ্ন – ১৯. ব্লিচিং ওয়াশিং এর প্রধান রাসায়নিক পদার্থ কি?
উত্তরঃ কস্টিক সোডা।

প্রশ্ন – ২০. কেমিক্যাল ওয়াশিং এর সংজ্ঞা দাও।
উত্তরঃ যে ওয়াশিং প্রক্রিয়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ পোশাককে কেমিক্যাল ব্যবহার করে এর মধ্যস্থ ময়লা, অপদ্রব্য দূর করে পরিষ্কার করা হয়, তাকে কেমিক্যাল ওয়াশিং বলে।

প্রশ্ন – ২১. পোশাক ফিনিশিং কি?
উত্তরঃ পোশাক প্রস্তুতের পর তা ক্রেতার নিকট আকর্ষনীয় করার পোশাককে বিভিন্ন যান্ত্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করে বা প্রেসিং, ফোল্ডিং ও প্যাকিং করা হয়, তাকে পোশাক ফিনিশিং বলে।

প্রশ্ন – ২২. ফোল্ডিং কি?
উত্তরঃ প্রেসিং করার পর নির্দিষ্ট আয়তনে পোশাক ভাঁজ করে রাখাকে ফোল্ডিং বলে।

প্রশ্ন – ২৩. প্রেসিং এর অপর নাম কি?
উত্তরঃ আয়রনিং।

প্রশ্ন – ২৪. ফোল্ডিং কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ তিন প্রকার। যথাঃ ক. শার্টের ফোল্ডিং, খ. প্যান্টের ফোল্ডিং, গ. জ্যাকেটের ফোল্ডিং।

প্রশ্ন – ২৫. শার্টের ফোল্ডিংগুলোর নাম লিখ।
উত্তরঃ ক. স্ট্যান্ড আপ, খ. সেমি স্ট্যান্ড আপ, গ. ফ্ল্যাট প্যাক ও ঘ.হ্যাঙ্গার প্যাক ফোল্ডিং।

প্রশ্ন – ২৬. প্রেসিং বা আয়রনিং কাকে বলে?
উত্তরঃ যে প্রক্রিয়ার দ্বারা পোশাকের মধ্যস্থ অনাকাঙ্ক্ষিত ভাঁজ বা কোঁকড়ানো অবস্থাকে দূর করে পোশাকের মসৃণতা, চাকচিক্যতা, সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয় তাকে প্রেসিং বলে।

প্রশ্ন – ২৭. প্যাকিং কাকে বলে?
উত্তরঃ ফোল্ডিং করার পর পোশাককে ধুলাবালি ও অন্যান্য ময়লার হাত থেকে রক্ষার জন্য ও বাজার উপযোগী করার জন্য যে পলি ব্যাগে সংরক্ষণ করা হয়, তাকে প্যাকিং বলে।

প্রশ্ন – ২৮. অ্যাসর্টমেন্ট বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ অ্যাসর্টমেন্ট বলতে সংগ্রহকরণ বা কোন কোন ক্ষেত্রে শ্রেনিবিন্যস্তকরণকেই বুঝায়।

প্রশ্ন – ২৯. ডি-লাসচারিং অর্থ কি?
উত্তরঃ রঙের উজ্জ্বলতা কমিয়ে বিশেষ বৈচিত্র আনয়ন করা।

প্রশ্ন – ৩০. ব্রাইটেনিং ফিনিশিং কি?
উত্তরঃ টেক্সটাইল দ্রব্য বা কাপড়ে অতিমাত্রায় শুভ্রতা আনয়নের জন্য যে কেমিক্যাল ব্যবহার করে বিশেষ ধরনের ফিনিশিং করা হয়, তাকে ব্রাইটেনিং ফিনিশিং বলে।

প্রশ্ন – ৩১. ব্রাইটেনিং প্রণালি কত তাপমাত্রায় করা হয়?
উত্তরঃ ৪০º থেকে ৬০º সেলসিয়াস।

প্রশ্ন – ৩২. স্টিম কি?
উত্তরঃ কোন পাত্রে পানি রেখে তাতে উচ্চ তাপে পানি ফুটিয়ে যে বাষ্প তৈরি করা হয়, তাকে স্টিম বলে।

প্রশ্ন – ৩৩. পোশাকশিল্পে কেন স্টিম ব্যবহৃত হয়?
উত্তর : কাপড় আয়রনিং করার জন্য

13/05/2018

Single Jersey:
Fabric এর Top Side-এ চিকন চিকন দাগ থাকে এবং In Side- এ Net এর মত জালি থাকে। এই জাতীয় Fabric কে Single Jersey বলে। এই ফেব্রিক গুলি GSM রেঞ্জ ১০০-২০০।

(2)All Over Print:
যে Single Jersey Fabric এর Top Side- এ print থাকে তাকে All Over Print বলে। এই ফেব্রিক গুলির চাহিদা অনেক বেশি।

(3) Yarn Dyed:
যে Fabric এর Top & Bottom উভয় Side-এ একই ধরনের কালারের Stripe দেখা যায় তাকে Yarn Dyed Fabric বলে। ইয়ার্ন ডাইড ফেব্রিক সিংগেল জার্সি, রিব, ইন্টারলক এর ইয়ার্ন ডাইড ফেব্রিক করা সম্ভব। একে আমরা ইঞ্জিনিয়ারিং স্ট্রাইপ, ফিডার স্ট্রাইপ নামে চিনি এবং কিনি ।
(4) Grey Melange S/J:
Single Jersey যদি সাদা এবং Grey কালারের Mixed হয় তার নাম Grey Melange Single Jersey বলে। এটি দেখতে সাদাটে গ্রে কালার এর মতো। এটা তিন প্রকার ১. এক্র মিলাঞ্জ ২. গ্রে মিলাঞ্জ ৩. এন্থ্রা মিলাঞ্জ । এটি মুলত কটন + ভিসকোস এর ব্লেন্ডেড কাপড়
(5) Terry Jersey:
Top side দেখতে Single Jersey এর মত কিন্তু In Side Towel বা Bandege এর মত। এই জাতীয় Fabric কে Terry Jersey Fabric বলে। এর একসাইড প্লেইন অন্য সাইডে লুপ যুক্ত। এটা সিংগেল জার্সির টাইপের কাপড়।
(6) Fleece One Side Brush:
Top Side Plain Single Jersey এর মত কিন্তু In side Brush বা তুলাতুলা । এই জাতীয় Fabric কে Fleece One Side Brush Fabric বলে। এটি ডাইং করার পর ব্রাশিং মেশিনে ব্রাশ করে নিতে হয়।
(7) Rib :
Top & Bottom উভয় Side-এ খাড়া লম্বা লম্বা দাগ থাকে এবং টানলে বাড়ে, এই জাতীয় কাপড় গুলি খাজ কাটা থাজে । দেখতে বুকের খাজের মতো বিধায় জাতীয় Fabric কে Rib Fabric বলে অর্থাৎ রিব মানে বুকের খাচা । Rib Fabric কয়েক প্রকারের হয়।
যেমন:- 1*1 Rib
2*2 Rib
3*3 Rib
4 *4 Rib

(8)Pique(PK)/Lacoust :
Top Side Dimond এর মত ভীট থাকে এবং In side Plain থাকে। ভীট ছোট হলে Single Lacoust এবং ভীট বড় হলে Doubble Lacoust বলে।

(9)Lycra Single Jersey :
যে S/J কে পার্শে টানলে বাড়ে তার নাম Lycra Single Jersey বলে, এতে লাইক্রা বা ইলাস্টেন ফাইবার ব্যাবহার করা হয় । এই কাপড় স্ট্রেস করলে আবার এটা কম্পেক্ট হয়ে যায়। আর এই কাপড় টানলে ভেতরে চকচকে রাবারের মতো ইলাস্টিক পাওয়া যাবে।

(10)Lycra Rib:
যে Rib Fabric উভয় দিকে টানলে বাড়ে তার নাম Lycra Rib , এর ইলাস্টিসিটি অনেক বেশি। । Lycra Rib কয়েক প্রকার হতে পারে। যেমন:
1*1 Lycra Rib
2*2 Lycra Rib
3*3 Lycra Rib
4*4 Lycra Rib

(11) Pollar Fleece:
যে Fabric এর Both Side এ Brush করা বা তুলাতুলা তার নাম Pollar Fleece বলে। এই কাপড় নীটিং করার সময় এর উভয় পাশে লুপ থাকে এবং তা ব্রাশিং মেশিনে বোথ সাইড ব্রাশ করা হয়। এই কাপড় গুলি অনেক হায়ার GSM এর ৩০০-৬০০ GSM.

(12)Mesh Fabric:
মশারির মত বুনন বা ফাকা ফাকা মশারির মত ছিদ্র যুক্ত তাকে Mesh Fabric বলে। এই ফেব্রিক গুলি ওয়ার্প নীট মেশিনে প্রস্তুত করা হয়।
(13)Interlock:
Top Side এবং In Side Single Jersey এর মত খাড়া খাড়া বা লম্বা লম্বা দাগ দেখা যায় কিন্তু টানলে খুব অল্প বাড়ে, Interlock এর উভয় পাশে দেখতে একই রকম । এই জাতীয় Fabric কে Interlock Fabric বলে। সিংগেল জার্সির চেয়ে GSM বেশি হয় এই কাপড় এর।

(14) Slub Fabric:
যে Fabric এর weath বরা বরা ছোটো ছোটো দাগ বা গিট থাকে তাকে Slub Fabric বলে। স্লাব গুলি মোডাল ফাইবার দিয়ে করা, আর স্লাব বোঝার উপায় হলো ডাইং করা স্লাব কাপড়ে ডাইজ ধরে না। এই ফেব্রিক গুলির স্রিংকেজ স্পাইরিলিটি অনেক বেশি।
(15) Burn out Fabric:
যে Fabric polyster এবং Cotton Yarn দিয়ে তৈরি করার পর AOP Factory তে রোটারি প্রিন্ট করে মেশিনের থেকে cotton অংশ কিউরিং পুরিয়ে দিয়ে এক ধরনের ডিজাইন তৈরি করা হয় । বার্ন আউট ফেব্রিক কে স্কাওয়ার ব্লিচ করে ডাইং করা যায়। জাতীয় Fabric সাধারণত Ladies iteam তৈরি করা হয়।
(16) Knit Denim:
সিংগেল জার্সি ফেব্রিক এর মাখে নীট ক্যাম এবং টাক ক্যাম ব্যাবহার করে ফেব্রিক এর ফেইসে ব্লু এবং ব্যাকে গ্রে ইয়ার্ন দিয়ে টুইল এর একটি ডিজাইন করে ডেনিম ইফেক্ট আনা হয় একে নীট ডেনিম বলা হয়, এটি এখন ওভেন ডেনিম এর বিকল্প হিসেবে ব্যাবহার করা হয়।

(17) CVC ফেব্রিক
ডাইং করার পরো সাদাটে থাকা কাপড় গুলি কে CVC ( Cheaf Value of Cotton ) Fabric বলে, এই ফেব্রিক পলিকটন ব্লেন্ড সুতা দিয়ে প্রস্তুত করা। এখানে কাপড় টির একটি পার্ট ডাইং করা

কিছু তথ্যঃ

১. এখানে পরিস্টার পার্ট আগে ডাইং হয়

২. কটন পার্ট পরে ডাইং করা হয়

৩. এই ডাইং প্রসেস কে ডাবল পার্ট ডাইং বলে।

৪. এক পার্ট ডাইং হলে ইফেক্ট কে মিলাঞ্জ ইফেক্ট বলে।

৫. এক এক টি ব্যাচ ডাইং করতে ১৮ ঘন্টা সময় লাগে।

৬. পলিস্টার কাপড় ফিনিশ করতে টেম্পারেচার কমিয়ে ফিনিশ করতে হবে।
please like and share my page foe get more information .
https://www.facebook.com/Textile-Environment-171204753540976/

Textile Environment Educational Consultant

07/05/2018
05/05/2018

What is Design Thinking?
Design Thinking is a methodology used by designers to solve complex problems, and find desirable solutions for clients. A design mindset is not problem-focused, it’s solution focused and action oriented towards creating a preferred future. Design Thinking draws upon logic, imagination, intuition, and systemic reasoning, to explore possibilities of what could be—and to create desired outcomes that benefit the end user (the customer).

“Design thinking can be described as a discipline that uses the designer’s sensibility and methods to match people’s needs with what is technologically feasible and what a viable business strategy can convert into customer value and market opportunity.”
please like and share this page for get more information,
click here to like page.
https://www.facebook.com/Textile-Environment-171204753540976/

Textile Environment Educational Consultant

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhanmondi
Dhaka
1209