The IELTS Journey - Dhaka

The IELTS Journey - Dhaka

Share

Score higher in IELTS with a dedicated expert. Personalized lessons, confidence building, and practical tips to reach Band 7+!

Independent expert offering 1-1 coaching, proven strategies & full skill mastery to help you achieve your target band.

09/07/2025

🎯 Want to score higher in IELTS? Let’s make it happen — together!

I’m an independent IELTS trainer with 12 years of experience and a personal band score of 8. Over the years, I’ve helped more than 2,000 students achieve their dream scores and unlock global opportunities.

✅ Small group sessions (1–3 students) for maximum personal attention
✅ Fully customized study plan for each student
✅ Strong focus on grammar, sentence making & language basics
✅ Build confidence and become a proactive English speaker

Whether you’re struggling with speaking, writing, or overall confidence — I’m here to guide you step by step.

💬 Seats are limited to ensure quality. Message me today to book your spot and start your IELTS journey with personalized support!

09/07/2025

Today marks 7 years of The IELTS Journey - Dhaka! Thank you all for helping keep this community strong.

Feel free to knock to assess your IELTS skill!

04/07/2025

🎯 Want to achieve your dream IELTS score? 🇬🇧✨

Hi everyone! I'm an independent IELTS trainer, and I help students just like you boost their band scores confidently and quickly.

Whether you’re aiming for higher studies, a better job abroad, or immigration, the right guidance makes all the difference.

✅ Personalized one-on-one coaching
✅ Proven strategies for each module (Listening, Reading, Writing, Speaking)
✅ Flexible class timings
✅ Friendly, supportive approach

I’ve already helped many students reach 7+ and even 8 bands! 🌟

📩 Spots are limited! Message me today to book your free consultation and start your IELTS journey with me.

Let’s make your dream score a reality! 💪✈️

29/06/2025

IELTS ইতিকথা : কি, কেন, কিভাবে

বাংলাদেশ এর স্টুডেন্ট কমিউনিটির মধ্যে IELTS টার্মটা বেশ পরিচিত। তবে এটা শুধুই স্টুডেন্টদের জন্য, এমনটা নয়। মূলত উচ্চশিক্ষা এবং মাইগ্রেশন, এই দুই প্রক্রিয়ায় যারা উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেতে চান, তাদের জন্য IELTS আবশ্যক। IELTS দুইটা মডিউলে হয়। পড়াশোনার জন্য বিদেশ যেতে চাইলে Academic এবং মাইগ্রেশন কিংবা স্কিলড জবের মাধ্যমে বিদেশ যেতে চাইলে General মডিউলে পরীক্ষা দিতে হয়। শুধু IELTS হলেই যাওয়া যাবে, ব্যাপারটা এমনও না। IELTS এর পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা, আর্থিক স্বচ্ছলতা এই বিষয়গুলাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে এটা অনস্বীকার্য যে IELTS এ একটা ভাল স্কোর আপনার ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়। IELTS সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান এর অভাবে অনেকের প্রস্তুতিতে ঘাটতি রয়ে যায়। এই লেখার অবতারনা মূলত এজন্যই।

IELTS কি : International English Language Testing System এই শব্দগুলোর আদ্যক্ষর নিয়ে IELTS গঠিত। বাংলায় রূপান্তর করলে যেটার অর্থ অনেকটা এরকম- আন্তর্জাতিক ইংরেজি ভাষা নিরীক্ষণ পদ্ধতি। সর্বমোট চারটি মডিউলে IELTS পরীক্ষা হয় - Listening, Reading, Writing, Speaking. এই চার মডিউলে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের মাধ্যমে আপনার ইংরেজি ভাষার উপর দখল যাচাই করা হয়। এই চারটি মডিউলে প্রাপ্ত স্কোর কে যোগ করে ৪ দিয়ে ভাগ করে ফাইনাল স্কোর বের করা হয়। ধরা যাক, কোন পরীক্ষার্থীর চারটা মডিউলে প্রাপ্ত স্কোর গুলো নিম্নরূপ: লিসেনিং- ৭, রিডিং- ৬, রাইটিং- ৬, স্পিকিং- ৭। এই চার মডিউলের সম্মিলিত যোগফল দাঁড়ায় ২৬। ৪ দিয়ে ভাগ করলে ব্যান্ড স্কোর দাড়ায়- ৬.৫। এখানে উল্লেখ্য যে, IELTS এর প্রতিটা মডিউলে মার্কিং করা হয় ৯ এর মধ্যে।

‌লিসেনিং:
লিসেনিং মডিউলে ৪ টি সেকশনে ১০টি করে মোট ৪০টি MCQ থাকে। মোট নম্বর ৪০। এখানে নির্দিষ্ট কিছু অডিও ক্লিপ বাজানো হয় যেখানে প্রশ্নগুলোর উত্তর লুকানো থাকে। সেখান থেকে উত্তর বের করে উত্তরপত্রে লিখতে হয়। এই মডিউলে প্রশ্নগুলো সহজ থেকে আস্তে আস্তে জটিল হতে থাকে। যেমন সেকশন ১ এর চেয়ে সেকশন ২ এর প্রশ্নগুলো বেশি জটিল। সেকশন ২ এর চেয়ে সেকশন ৩ এর গুলো আরো জটিল। তবে আমার দৃষ্টিতে সেকশন ৪ এর প্রশ্নগুলো সবচেয়ে বেশি জটিল। সেকশন ১,২,৩ এ প্রতিটিতে ১০টি প্রশ্ন এটেম্পট করতে আপনাকে অপেক্ষাকৃত বেশি সময় দেয়া হবে। এই তিন সেকশনে ১০টা প্রশ্ন একবারে আনসার করতে হয় না। মানে হল ১০টি প্রশ্নের মধ্যে প্রথম ৫/৬ প্রশ্নে কি চাওয়া হয়েছে সেটা অডিও শুরু হওয়ার আগেই পড়ে নিতে হয় তারপর উত্তর খোজার দিকে মনোযোগ দিতে হয়। শেষ হলে পড়ে বাকি ৪/৫ টা প্রশ্নের জন্য আপনাকে আবার পড়ার সুযোগ দেয়া হয়। এভাবেই সেকশন ১,২,৩ এ প্রশ্নগুলো সাজানো থাকে। কিন্তু সেকশন ৪ এ মাঝে কোনো বিরতি নাই। কাজেই এখানে আগেই একবারে ১০টা প্রশ্ন পড়ে,সেটা মাথায় রেখে উত্তর খোজার দিকে মনোযোগ দিতে হয়। দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখার পাশাপাশি অনেক অজানা/অপ্রচলিত শব্দের ব্যবহার আপনাকে নার্ভাস করে তুলতে যথেষ্ট। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, লিসেনিং মডিউলে অডিও ক্লিপ একবারই বাজানো হবে। এর মানে হল যা শুনবেন একবারই। শুনতে পারলে আনসার করতে পারবেন, শুনতে না পারলে দ্বিতীয়বার শোনার কোনো সুযোগ এখানে নাই। এই চারটি সেকশনের জন্য বরাদ্দকৃত সময় হল ৩০ মিনিট। এই ৩০ মিনিটে প্রাপ্ত আনসারগুলো প্রশ্নপত্রে মার্ক করে রেখে দিবেন। তাড়াহুড়া করে উত্তরপত্রে লেখার কোনো দরকার নাই। কারণ ৩০ মিনিট অডিও ক্লিপ বাজার পর আপনাকে আরো ১০ মিনিট সময় দেয়া হবে প্রশ্নপত্রে মার্ক করা আনসার গুলো উত্তরপত্রে ট্রান্সফার করার জন্য।

এখন জানা যাক সম্ভাব্য কি কি কারণে এখানে আপনার উত্তর ভুল হতে পারে।

প্রথমত, অমনোযোগিতা একটা প্রধান কারণ। MCQ টাইপ প্রশ্নগুলোর আনসার সাধারণত A/B/C টাইপ কিংবা একটা/দুইটা শব্দের মাধ্যমে লিখতে হয়। যে স্পেসিফিক একটা বা দুইটা শব্দ আপনি খুজবেন, সেটা যখন বলা হবে ঠিক ঐ মুহুর্তে আপনার এক সেকেন্ডের অমনোযোগীতা একটা উত্তর ভুল হওয়ার জন্য যথেষ্ট। অনেক সময় পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন কারণে মনোযোগ ছুটে যেতে পারে। যেমন, পাশের টেবিলে কেউ হাচি/কাশি দিল, কিংবা আপনার হাতের নাড়া লেগে কলম বা পেন্সিল মাটিতে পড়ে গেল বা অন্যান্য অনেক কারণে আপনার মনোযোগ ছুটে যেতে পারে। খেয়াল রাখতে হবে টানা ৩০ মিনিট মানে ১৮০০ সেকেন্ড মনোযোগ ধরে রাখাটাই এই মডিউলের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

দ্বিতীয়ত, সমউচ্চারিত অনেক শব্দের কারণে সৃষ্ট কনফিউওশিন এর জন্যও উত্তর ভুল হতে পারে। যেমন ইংরেজিতে 17(seventeen) এবং 70(seventy) শুনতে অনেকটা একইরকম। এরকম কনফিউশন দূর করার জন্য শব্দটা একদম লাস্ট মোমেন্ট পর্যন্ত শোনার পাশাপাশি কমন সেন্সের ব্যবহার অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল থেকে বাচিয়ে দিবে।

তৃতীয়ত, সঠিক উত্তরটা আপনি শুনলেন ঠিকই কিন্তু ঐ শব্দের বানান আপনার জানা নাই। ভুল উত্তরের মত ভুল বানানের জন্যও মার্কস কাটা যায়। তাই IELTS এর সকল ক্ষেত্রে বানান এর ব্যাপারে এক্সট্রিম লেভেলের সতর্কতা বজায় রাখা অত্যাবশ্যকীয় ।

চতুর্থত, প্রশ্নপত্রের নির্দেশনা ঠিকভাবে অনুসরণ না করলে সঠিক উত্তর লিখলেও সেটা ভুল হিসেবে ধরা হবে। প্রশ্নপত্রে অনেক সময় বলা থাকে অনধিক এক/দুই/তিন শব্দে উত্তর লেখার জন্য। অর্থাৎ, যে উত্তরটা আপনি লিখবেন সেটা যেন নির্দিষ্ট লিমিটের ভিতর থাকে। লিমিট ক্রস করে ফেললে সঠিক উত্তর লিখেও নম্বর পাওয়া যাবে না।

মোটামোটি, এইগুলাই ভুল হওয়ার প্রধান কারণ। ছোটখাট আরো অনেক কারণে ভুল হতে পারে। সেই ভুলগুলোর ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

‌ রিডিং:
রিডিং মডিউল নিয়ে আসলে তেমন কিছু বলার নাই। নি:সন্দেহে এটা সর্বাপেক্ষা জটিল এবং কঠিন মডিউল। এখানে বরাদ্দকৃত সময় ৬০ মিনিট। Academic মডিউলে মোট ৩ টা প্যাসেজ থেকে ৪০টা প্রশ্ন করা হয় আর General মডিউলে মোট ৫টা প্যাসেজ থেকে ৪০টা প্রশ্ন করা হয়। রিডিং মডিউল জটিল হওয়ার জন্য প্রধানত দুইটা কারণ। প্যাসেজ গুলা যথেষ্টই বড় সাইজের এবং প্যাসেজগুলাতে অপ্রচলিত শব্দের ব্যবহার অনেক বেশি। প্যাসেজ বড় হওয়ায় ১ ঘন্টা সময় কোনদিক দিয়ে চলে যাবে টের ও পাওয়া যায় না। এই মডিউলে ভাল করার জন্য পর্যাপ্ত ভোকাবিউলারি জানার পাশাপাশি সঠিক টাইম ম্যানেজমেন্ট জানাটা খুবই জরুরি। Academic মডিউলের তুলনায় General মডিউলের প্যাসেজগুলা বুঝতে কিছুটা সহজ কিন্তু সংখ্যায় ২টা প্যাসেজ বেশি থাকে। সর্বোপরি, অপ্রচলিত শব্দের আধিক্য, সময় স্বল্পতা এবং বিচিত্র সব প্রশ্নের ধরনের সমাহারের কারণে রিডিং মডিউল বেশ কঠিন মনে হয় আমার কাছে। আপনার ক্ষেত্রে অবশ্য ভিন্ন হতেও পারে।

এখন জানা যাক, রিডিং মডিউলে ভাল করতে হলে কি কি জিনিস খেয়াল রাখতে হবে।

প্রথমত, প্রচুর পড়ার অনভ্যাস একটা প্রধান কারণ। ইংরেজি পড়ার অনভ্যস্ততার কারণে পরীক্ষায় চাইলেও দ্রুত পড়া যায়না। ফলস্বরূপ নির্ধারিত সময়ে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না।

দ্বিতীয়ত, শুধু দ্রুত পড়তে পারলেই হয় না, সেটার অর্থ বুঝে সেখান থেকে সম্ভাব্য স্বল্পতম সময়ে উত্তর খুজতে পারাও বেশ বড় একটা চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশে বিদ্যমান তথাকথিত সাজেশন ভিত্তিক পড়াশোনা এই ক্ষেত্রে একটা বিশাল অন্তরায়।

তৃতীয়ত, লিসেনিং মডিউলের মত এখানেও সঠিক নির্দেশনা বুঝতে না পারা কিংবা বানান ভুলের কারণেও অনেক উত্তর ভুল হয়ে থাকে।

চতুর্থত, IELTS পরীক্ষায় কোনো সিলেবাস না থাকার কারণে কোন কন্টেন্ট পড়তে হবে কিংবা কোন সোর্স থেকে পড়তে হবে এটা অনেকেই বুঝতে পারে না। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ইংরেজি পত্রিকা,জার্নাল, ম্যাগাজিন ইত্যাদি সহায়ক হতে পারে।

এই ব্যাপারগুলো খেয়াল রেখে যথেষ্ট পরিমান প্র‍্যাকটিস করলে রিডিং মডিউলে ভাল কিছু আশা করা যায়।

‌রাইটিং:
IELTS পরীক্ষায় রাইটিং মডিউলটা আপনার ক্রিয়েটিভিটি লেভেল নির্ধারণ করে। এখানে দুইটা টাস্ক লিখতে হয়। নির্ধারিত সময় ৬০ মিনিট। ১ম টাস্কটা লিখতে হয় মিনিমাম ১৫০ এবং দ্বিতীয় টাস্কটা লিখতে হয় মিনিমাম ২৫০ শব্দের মধ্যে। একাডেমিক মডিউলে ১ম টাস্কে একটা চার্ট/ম্যাপ দেয়া থাকে। সেই ম্যাপ দেখে আপনাকে একটা সামারী লিখতে হবে যাতে চার্ট/ম্যাপ এ বিদ্যমান সকল তথ্য লেখায় ফুটে উঠে। জেনারেল মডিউলে ১ম টাস্কে একটা চিঠি লিখতে হয়। চিঠি লেখা নিয়ে আসলে কিছু বলার নাই। স্কুল-কলেজে যেভাবে লিখে আসছেন, সেভাবেই লিখতে হয়। তবে শব্দ চয়নে সতর্কতার পরিচয় দেয়াটা বাঞ্চনীয়। ২য় টাস্ক একাডেমিক/জেনারেল ভেদে মোটামোটি একই হয়। ২য় টাস্কে একটা টপিক দেয়া থাকে, যেখানে ঐ টপিকটাকে বিস্তৃত আকারে লিখতে হয় মিনিমাম ২৫০ শব্দের মধ্যে। তবে, ২য় টাস্ক লেখার ক্ষেত্রে একাডেমিক মডিউলের চেয়ে জেনারেল মডিউলের লেখাটা যথেষ্ট পরিপক্ক হওয়া বাঞ্চনীয়।

এবার জানা যাক, রাইটিং মডিউলে কি কি ভুলের কারণে নম্বর কম আসতে পারে।

প্রথমত, গ্রামারগত ভুল এখানে খুব সিরিয়াস মিসটেক হিসেবে ধরা হয়। রাইটিং মডিউলে লেখা প্রতিটা বাক্য গ্রামাটিক্যালি কারেক্ট হওয়া বাঞ্চনীয়। এই বিষয়ে জিরো টলারেন্স। গ্রামাটিক্যাল ভুল হওয়া মানে নম্বর অনেক কমে যাবে এটা নিশ্চিত।

দ্বিতীয়ত, বানান ভুলের জন্য নম্বর কমে যায়। যদিও নির্দিষ্ট কোনো প্যারামিটার নাই, তবুও ধারণা করা হয়, প্রতি ৩/৪টা বানান ভুলের জন্য ১ নম্বর করে কাটা যায়। কাজেই, বানান ভুলের ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি না দিলে রাইটিং মডিউলে সমূহ বিপদ।

তৃতীয়ত, ভাল নম্বরের জন্য ভাল লেখা আবশ্যক। এখন প্রশ্ন আসতে পারে ভাল লেখা কাকে বলে। এই বিষয়টা একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করা যেতে পারে। কোনো একটা ঘটন যখন ঘটে, সেটা দেশের সকল পত্রিকাতেই আসে। কিন্তু নিজে পড়ার সময় কিন্তু আমরা প্রথম আলো/যুগান্তর/জনকন্ঠ এগুলাই কিনে পড়ি। এগুলার চেয়ে অনেক কম মূল্যের পত্রিকা কিন্তু বাজারে আছে। ঠিক যে কারণে আপনি বেশি টাকা খরচ করে এসব পত্রিকা কিনেন, যাতে লেখাটা পড়ে আপনার ভাল লাগে, ঠিক ঐ জিনিসই পরীক্ষক আপনার লেখায় খুজে। সেই জিনিসটা যার লেখায় যতবেশি পাওয়া যাবে, তার নম্বর তত বেশি হবে।

চতুর্থত, ব্যাড হ্যান্ডরাইটিং একটা প্রধান অন্তরায় রাইটিং মডিউলে ভাল করার ক্ষেত্রে। IELTS পরীক্ষায় হাতের লেখা সুন্দর হতে হবে এই বিষয়ক বাধ্যবাধকতা কোথাও নেই, তবে আপনি যেটাই লিখেন, তা যেন স্পষ্ট হয় এবং সহজে পড়া যায় সেটা খেয়াল রাখতে হবে। আপনি খুব ভাল লিখে আসলেন, গ্রামাটিক্যাল/বানান কোথাও কোনো ভুল নাই কিন্তু পরীক্ষক আপনার হাতের লেখা পড়তে পারছে না, ফলাফল বুঝতেই পারছেন।

তাছাড়া, রাইটিং মডিউলে টাইম ম্যানেজম্যান্ট ও খুব গুরুত্বপূর্ন। দুইটা টাস্কের জন্য বেধে দেয়া সময় হল ৬০ মিনিট। ২য় টাস্কের জন্য নম্বর ১ম টাস্কের দ্বিগুণ। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ৯ নম্বরের মধ্যে ১ম টাস্কের জন্য বরাদ্দ থাকে ৩ নম্বর এবং ২য় টাস্কের জন্য বরাদ্দ থাকে ৬ নম্বর। কাজেই ৩ নম্বর পেতে গিয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় নষ্ট করে ফেললে সেটার প্রভাব ৬ মার্কসের উপর পড়বে। তাছাড়া, রাইটিং টপিক যেহেতু আগে থেকে মুখস্থ করে যাওয়ার সুযোগ নেই, হলে বসে চিন্তা করে করে লিখতে হবে, তাই চিন্তা করার জন্যও পর্যাপ্ত সময় বরাদ্দ রাখা উচিত। আরো আছে লেখা শেষ করার পর রিভাইস দেয়ার ব্যাপার। কাজেই, রাইটিং মডিউল এ ভাল করতে হলে একাধারে গ্রামার,স্পেলিং,লেখার ক্রিয়েটিভিটি, টাইম ম্যানেজমেন্ট সবদিক দিয়ে আপনাকে পারফেক্ট হতে হবে।

‌স্পিকিং:
IELTS এর সবচেয়ে ট্রিকি পার্ট হচ্ছে স্পিকিং। এই পার্টে খুবই অল্প সময়ে আপনাকে ইভালুয়েট করা হবে। কাজেই এই মডিউলটাতে আপনাকে সর্বোচ্চ সতর্কতা মেনে চলতে হবে। এই মডিউলের জন্য বরাদ্দকৃত সময় ১১-১৪ মিনিট। মূলত তিনটা পার্টে আপনাকে বিভিন্ন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হবে। প্রথম অংশে বেশ সিম্পল টাইপ এর কিছু প্রশ্ন যেমন নাম কি, পরিবারে কে কে আছে, কে কি করে, শখ কি, অবসরে কি করতে ভালবাসেন, কোন টাইপের মুভি/মিউজিক পছন্দ করেন ইত্যাদি ইত্যাদি।

দ্বিতীয় পার্টে, আপনাকে একটা টপিক দেয়া হবে, যেটা 'কিউ কার্ড' নামে অধিক পরিচিত। সেই টপিক নিয়ে বলার জন্য আপনাকে এক থেকে দেড় মিনিট সময় দেয়া হবে কি বলবেন তা চিন্তা করার জন্য। আপনি বলতে শুরু করার পর চেষ্টা করবেন মিনিমাম যেন দেড় থেকে দুই মিনিট বলতে পারেন। কাজেই, চিন্তা করার সময় কন্টেন্ট গুলোকে এমনভাবে গুছিয়ে নিবেন যেন দেড়/দুই মিনিট বলা যায়। টপিক গুলো বেশ সাধারণ টাইপের হবে। ফর এক্সাম্পল, আপনার দেখা কোনো লাইব্রেরি, আপনার প্রিয় ব্যক্তি, এমন কোনো শখ যেটা এখনো পূরণ করতে পারেন নাই ইত্যাদি। রকেট সাইন্স জাতীয় কিছুই আপনাকে জিজ্ঞেস করা হবে না। এই মডিউলে আপনার উত্তর বিষয়গতভাবে ভুল না সঠিক সেটার চেয়ে আপনি যে কথাগুলো বলছেন সেটা গ্রামাটিক্যালি কারেক্ট কিনা ঐটাই দেখা হয়।

স্পিকিং পরীক্ষার তৃতীয় পার্টে, কিছু এক্সপ্লেনারি টাইপ প্রশ্ন থাকতে পারে যেগুলার উত্তর সাধারণত ৪-৮ লাইনের মধ্যে দিতে হয়। এর বেশি চাইলে বলতে পারবেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে কোনোভাবেই যেন অপ্রাসংগিক কিছু না বলেন। আরেকটা ব্যাপার হল, যত বেশি বলবেন তত বেশি ভুল হওয়ার একটা সম্ভাবনা কিন্তু থেকেই যায়। কাজেই, এই স্পিকিং মডিউলটাতে আপনার স্মার্টনেসের চূড়ান্ত পরীক্ষা হয়ে যাবে।

এবার দেখা যাক, কি কি কারণে এখানে নম্বর কমতে পারে।

প্রথমত, আপনার বলা বাক্যগুলা শুদ্ধ হচ্ছে কিনা এটা দেখা হবে। আপনার উত্তর গুলা প্রাসংগিক হচ্ছে কিনা তাও খেয়াল করা হবে।

দ্বিতীয়ত, আপনার শব্দের উচ্চারণ সঠিক হচ্ছে কিনা। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য যে, ব্রিটিশ কিংবা আমেরিকানদের উচ্চারনভংগি নকল করতে যাওয়া মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ হবেনা। IELTS এ আপনার Pronunciation খেয়াল করা হবে, Accent না। এই দুইটা বিষয়ের মধ্যে কনফিউজড হবেন না। পরীক্ষক/ব্রিটিশ কাউন্সিল/ইউনিভার্সিটি অফ ক্যামব্রিজ সবাই জানে আপনি বাংলাদেশ থেকে পরীক্ষা দিচ্ছেন, কাজেই তারা আপনার কাছে ব্রিটিশ/আমেরিকান একসেন্ট আশা ও করবে না। তবে হ্যা, কেউ যদি রপ্ত করতে পারেন সেটা অবশ্যই একটা প্লাস পয়েন্ট।

তৃতীয়ত, কথা বলার সময় অযথা স্নায়ুচাপে ভুগবেন না। কথা বলার সময় একটা এভারেজ স্পিড বজায় রাখবেন। কখনো খুব স্লো,কখনো খুব দ্রুত এগুলা পরিহার করবেন। নরমালি বাংলা ভাষা যতটুকু স্পিডে বলেন, ইংরেজিও তাই।

চতুর্থত, কথা বলার সময় মার্জিত আচার ব্যবহার বজায় রাখুন। কোনো প্রশ্ন বুঝতে না পারলে ভদ্রভাবে আবার জিজ্ঞেস করুন। পরীক্ষকের সামনে পা নাড়ানো,চুইং গাম চাবানো,শিস দেয়া বা যেকোনো ধরনের অভদ্র আচরণ থেকে বিরত থাকুন।

এবার কিছু কুসংস্কার এর বিষয় না বললেই নয়।
প্রথমত, পরীক্ষা আপনি পৃথিবীর যে জায়গা থেকেই দেন না কেন, আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী আপনি স্কোর পাবেন। সিলেট/চিটাগাং থেকে পরীক্ষা দিলে নাম্বার বেশি উঠে এই টাইপ কুসংস্কার থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন।

দ্বিতীয়ত, স্পিকিং এক্সামে বাংলাদেশী এক্সামিনার পড়লে নাম্বার কম দেয় এটাও একটা নির্জলা কুসংস্কার। পরীক্ষক যেই থাকুক না কেন, তাতে আপনার নম্বর বাড়া/কমার কিছু আসে যায় না।

তৃতীয়ত, রাইটিং মডিউলের দুইটা টাস্কের জন্য বেশ কিছু ফরম্যাট খুব জনপ্রিয় আমাদের দেশে। এগুলা দেখা মাত্রই বুঝা যায় যে এই লোক মুখস্থ বিদ্যার পাবলিক। IELTS পরীক্ষায় মুখস্থ বিদ্যাকে কোনো এংগেলেই ভালভাবে দেখা হয় না।

উপরের কথাগুলো আসলে দীর্ঘদিন পড়ানোর অভিজ্ঞতার আলোকে বলা। এবার একটা প্রশ্ন রাখি। আপনার কি মনে হয়, IELTS পরীক্ষাটা কেন দিতে হয়? আই মিন বাইরের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কেন একবাক্যে সবাই IELTS স্কোর চায়? IELTS কি শুধুই ইংরেজি ভাষা দক্ষতার পরিমাপক?
না, ব্যাপারটা শুধুই ইংরেজি নিয়ে না। ভাল করে খেয়াল করুন চারটা মডিউলে আপনার ইংরেজি দক্ষতার আড়ালে কি কি জিনিস এর প্রতিফলন হচ্ছে। যেমন লিসেনিং মডিউলে আপনার প্রাপ্ত মার্কস দিয়ে বুঝা যাচ্ছে কোনো একট বিষয়ের প্রতি আপনি কতক্ষন মনোযোগ ধরে রাখতে পারেন। রিডিং মডিউল এর নম্বর থেকে বুঝা যায় আপনি টাইম ম্যানেজমেন্ট এবং ক্রিটিক্যাল রিজনিং এ কতটা পটু। রাইটিং মডিউল এর নম্বর আপনার ক্রিয়েটিভিটি নির্দেশ করে। স্পিকিং মডিউলে বুঝা যায়, কোনো একটা সমস্যার প্রতি আপনার এপ্রোচ কেমন। মূলত, IELTS এ আপনার ইংরেজি দক্ষতার আড়ালে এই মৌলিক জিনিস গুলার মূল্যায়ন করা হয়। এই ব্যাপারগুলো মাথায় রেখে প্রস্তুতি নিলে আশা করা যায় ভাল কিছু হবে। আরেকটা প্রশ্ন আমি যেটা প্রায়ই পাই, তা হল কতদিন লাগবে। এটার স্পেসিফিক কোনো উত্তর আমার কাছে নাই। যার ইংলিশ গ্রামারের দক্ষতা যত বেশি, বিভিন্ন সমস্যাকে ভিন্ন আংগিকে দেখে সেখান থেকে সমাধান বের করে আনার স্কিল যার যত বেশি, তার তত কম সময় লাগবে।

সময় নিয়ে পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আরো তথ্যের জন্য নীচের WhatsApp বাটনে ক্লিক করুন।

Happy Learning!

10/03/2021

IELTS ইতিকথা : কি, কেন, কিভাবে

বাংলাদেশ এর স্টুডেন্ট কমিউনিটির মধ্যে IELTS টার্মটা বেশ পরিচিত। তবে এটা শুধুই স্টুডেন্টদের জন্য, এমনটা নয়। মূলত উচ্চশিক্ষা এবং মাইগ্রেশন, এই দুই প্রক্রিয়ায় যারা উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেতে চান, তাদের জন্য IELTS আবশ্যক। IELTS দুইটা মডিউলে হয়। পড়াশোনার জন্য বিদেশ যেতে চাইলে Academic এবং মাইগ্রেশন কিংবা স্কিলড জবের মাধ্যমে বিদেশ যেতে চাইলে General মডিউলে পরীক্ষা দিতে হয়। শুধু IELTS হলেই যাওয়া যাবে, ব্যাপারটা এমনও না। IELTS এর পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা, আর্থিক স্বচ্ছলতা এই বিষয়গুলাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে এটা অনস্বীকার্য যে IELTS এ একটা ভাল স্কোর আপনার ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়। IELTS সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান এর অভাবে অনেকের প্রস্তুতিতে ঘাটতি রয়ে যায়। এই লেখার অবতারনা মূলত এজন্যই।

IELTS কি : International English Language Testing System এই শব্দগুলোর আদ্যক্ষর নিয়ে IELTS গঠিত। বাংলায় রূপান্তর করলে যেটার অর্থ অনেকটা এরকম- আন্তর্জাতিক ইংরেজি ভাষা নিরীক্ষণ পদ্ধতি। সর্বমোট চারটি মডিউলে IELTS পরীক্ষা হয় - Listening, Reading, Writing, Speaking. এই চার মডিউলে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের মাধ্যমে আপনার ইংরেজি ভাষার উপর দখল যাচাই করা হয়। এই চারটি মডিউলে প্রাপ্ত স্কোর কে যোগ করে ৪ দিয়ে ভাগ করে ফাইনাল স্কোর বের করা হয়। ধরা যাক, কোন পরীক্ষার্থীর চারটা মডিউলে প্রাপ্ত স্কোর গুলো নিম্নরূপ: লিসেনিং- ৭, রিডিং- ৬, রাইটিং- ৬, স্পিকিং- ৭। এই চার মডিউলের সম্মিলিত যোগফল দাঁড়ায় ২৬। ৪ দিয়ে ভাগ করলে ব্যান্ড স্কোর দাড়ায়- ৬.৫। এখানে উল্লেখ্য যে, IELTS এর প্রতিটা মডিউলে মার্কিং করা হয় ৯ এর মধ্যে।

‌লিসেনিং:
লিসেনিং মডিউলে ৪ টি সেকশনে ১০টি করে মোট ৪০টি MCQ থাকে। মোট নম্বর ৪০। এখানে নির্দিষ্ট কিছু অডিও ক্লিপ বাজানো হয় যেখানে প্রশ্নগুলোর উত্তর লুকানো থাকে। সেখান থেকে উত্তর বের করে উত্তরপত্রে লিখতে হয়। এই মডিউলে প্রশ্নগুলো সহজ থেকে আস্তে আস্তে জটিল হতে থাকে। যেমন সেকশন ১ এর চেয়ে সেকশন ২ এর প্রশ্নগুলো বেশি জটিল। সেকশন ২ এর চেয়ে সেকশন ৩ এর গুলো আরো জটিল। তবে আমার দৃষ্টিতে সেকশন ৪ এর প্রশ্নগুলো সবচেয়ে বেশি জটিল। সেকশন ১,২,৩ এ প্রতিটিতে ১০টি প্রশ্ন এটেম্পট করতে আপনাকে অপেক্ষাকৃত বেশি সময় দেয়া হবে। এই তিন সেকশনে ১০টা প্রশ্ন একবারে আনসার করতে হয় না। মানে হল ১০টি প্রশ্নের মধ্যে প্রথম ৫/৬ প্রশ্নে কি চাওয়া হয়েছে সেটা অডিও শুরু হওয়ার আগেই পড়ে নিতে হয় তারপর উত্তর খোজার দিকে মনোযোগ দিতে হয়। শেষ হলে পড়ে বাকি ৪/৫ টা প্রশ্নের জন্য আপনাকে আবার পড়ার সুযোগ দেয়া হয়। এভাবেই সেকশন ১,২,৩ এ প্রশ্নগুলো সাজানো থাকে। কিন্তু সেকশন ৪ এ মাঝে কোনো বিরতি নাই। কাজেই এখানে আগেই একবারে ১০টা প্রশ্ন পড়ে,সেটা মাথায় রেখে উত্তর খোজার দিকে মনোযোগ দিতে হয়। দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখার পাশাপাশি অনেক অজানা/অপ্রচলিত শব্দের ব্যবহার আপনাকে নার্ভাস করে তুলতে যথেষ্ট। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, লিসেনিং মডিউলে অডিও ক্লিপ একবারই বাজানো হবে। এর মানে হল যা শুনবেন একবারই। শুনতে পারলে আনসার করতে পারবেন, শুনতে না পারলে দ্বিতীয়বার শোনার কোনো সুযোগ এখানে নাই। এই চারটি সেকশনের জন্য বরাদ্দকৃত সময় হল ৩০ মিনিট। এই ৩০ মিনিটে প্রাপ্ত আনসারগুলো প্রশ্নপত্রে মার্ক করে রেখে দিবেন। তাড়াহুড়া করে উত্তরপত্রে লেখার কোনো দরকার নাই। কারণ ৩০ মিনিট অডিও ক্লিপ বাজার পর আপনাকে আরো ১০ মিনিট সময় দেয়া হবে প্রশ্নপত্রে মার্ক করা আনসার গুলো উত্তরপত্রে ট্রান্সফার করার জন্য।

এখন জানা যাক সম্ভাব্য কি কি কারণে এখানে আপনার উত্তর ভুল হতে পারে।

প্রথমত, অমনোযোগিতা একটা প্রধান কারণ। MCQ টাইপ প্রশ্নগুলোর আনসার সাধারণত A/B/C টাইপ কিংবা একটা/দুইটা শব্দের মাধ্যমে লিখতে হয়। যে স্পেসিফিক একটা বা দুইটা শব্দ আপনি খুজবেন, সেটা যখন বলা হবে ঠিক ঐ মুহুর্তে আপনার এক সেকেন্ডের অমনোযোগীতা একটা উত্তর ভুল হওয়ার জন্য যথেষ্ট। অনেক সময় পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন কারণে মনোযোগ ছুটে যেতে পারে। যেমন, পাশের টেবিলে কেউ হাচি/কাশি দিল, কিংবা আপনার হাতের নাড়া লেগে কলম বা পেন্সিল মাটিতে পড়ে গেল বা অন্যান্য অনেক কারণে আপনার মনোযোগ ছুটে যেতে পারে। খেয়াল রাখতে হবে টানা ৩০ মিনিট মানে ১৮০০ সেকেন্ড মনোযোগ ধরে রাখাটাই এই মডিউলের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

দ্বিতীয়ত, সমউচ্চারিত অনেক শব্দের কারণে সৃষ্ট কনফিউওশিন এর জন্যও উত্তর ভুল হতে পারে। যেমন ইংরেজিতে 17(seventeen) এবং 70(seventy) শুনতে অনেকটা একইরকম। এরকম কনফিউশন দূর করার জন্য শব্দটা একদম লাস্ট মোমেন্ট পর্যন্ত শোনার পাশাপাশি কমন সেন্সের ব্যবহার অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল থেকে বাচিয়ে দিবে।

তৃতীয়ত, সঠিক উত্তরটা আপনি শুনলেন ঠিকই কিন্তু ঐ শব্দের বানান আপনার জানা নাই। ভুল উত্তরের মত ভুল বানানের জন্যও মার্কস কাটা যায়। তাই IELTS এর সকল ক্ষেত্রে বানান এর ব্যাপারে এক্সট্রিম লেভেলের সতর্কতা বজায় রাখা অত্যাবশ্যকীয় ।

চতুর্থত, প্রশ্নপত্রের নির্দেশনা ঠিকভাবে অনুসরণ না করলে সঠিক উত্তর লিখলেও সেটা ভুল হিসেবে ধরা হবে। প্রশ্নপত্রে অনেক সময় বলা থাকে অনধিক এক/দুই/তিন শব্দে উত্তর লেখার জন্য। অর্থাৎ, যে উত্তরটা আপনি লিখবেন সেটা যেন নির্দিষ্ট লিমিটের ভিতর থাকে। লিমিট ক্রস করে ফেললে সঠিক উত্তর লিখেও নম্বর পাওয়া যাবে না।

মোটামোটি, এইগুলাই ভুল হওয়ার প্রধান কারণ। ছোটখাট আরো অনেক কারণে ভুল হতে পারে। সেই ভুলগুলোর ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

‌ রিডিং:
রিডিং মডিউল নিয়ে আসলে তেমন কিছু বলার নাই। নি:সন্দেহে এটা সর্বাপেক্ষা জটিল এবং কঠিন মডিউল। এখানে বরাদ্দকৃত সময় ৬০ মিনিট। Academic মডিউলে মোট ৩ টা প্যাসেজ থেকে ৪০টা প্রশ্ন করা হয় আর General মডিউলে মোট ৫টা প্যাসেজ থেকে ৪০টা প্রশ্ন করা হয়। রিডিং মডিউল জটিল হওয়ার জন্য প্রধানত দুইটা কারণ। প্যাসেজ গুলা যথেষ্টই বড় সাইজের এবং প্যাসেজগুলাতে অপ্রচলিত শব্দের ব্যবহার অনেক বেশি। প্যাসেজ বড় হওয়ায় ১ ঘন্টা সময় কোনদিক দিয়ে চলে যাবে টের ও পাওয়া যায় না। এই মডিউলে ভাল করার জন্য পর্যাপ্ত ভোকাবিউলারি জানার পাশাপাশি সঠিক টাইম ম্যানেজমেন্ট জানাটা খুবই জরুরি। Academic মডিউলের তুলনায় General মডিউলের প্যাসেজগুলা বুঝতে কিছুটা সহজ কিন্তু সংখ্যায় ২টা প্যাসেজ বেশি থাকে। সর্বোপরি, অপ্রচলিত শব্দের আধিক্য, সময় স্বল্পতা এবং বিচিত্র সব প্রশ্নের ধরনের সমাহারের কারণে রিডিং মডিউল বেশ কঠিন মনে হয় আমার কাছে। আপনার ক্ষেত্রে অবশ্য ভিন্ন হতেও পারে।

এখন জানা যাক, রিডিং মডিউলে ভাল করতে হলে কি কি জিনিস খেয়াল রাখতে হবে।

প্রথমত, প্রচুর পড়ার অনভ্যাস একটা প্রধান কারণ। ইংরেজি পড়ার অনভ্যস্ততার কারণে পরীক্ষায় চাইলেও দ্রুত পড়া যায়না। ফলস্বরূপ নির্ধারিত সময়ে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না।

দ্বিতীয়ত, শুধু দ্রুত পড়তে পারলেই হয় না, সেটার অর্থ বুঝে সেখান থেকে সম্ভাব্য স্বল্পতম সময়ে উত্তর খুজতে পারাও বেশ বড় একটা চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশে বিদ্যমান তথাকথিত সাজেশন ভিত্তিক পড়াশোনা এই ক্ষেত্রে একটা বিশাল অন্তরায়।

তৃতীয়ত, লিসেনিং মডিউলের মত এখানেও সঠিক নির্দেশনা বুঝতে না পারা কিংবা বানান ভুলের কারণেও অনেক উত্তর ভুল হয়ে থাকে।

চতুর্থত, IELTS পরীক্ষায় কোনো সিলেবাস না থাকার কারণে কোন কন্টেন্ট পড়তে হবে কিংবা কোন সোর্স থেকে পড়তে হবে এটা অনেকেই বুঝতে পারে না। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ইংরেজি পত্রিকা,জার্নাল, ম্যাগাজিন ইত্যাদি সহায়ক হতে পারে।

এই ব্যাপারগুলো খেয়াল রেখে যথেষ্ট পরিমান প্র‍্যাকটিস করলে রিডিং মডিউলে ভাল কিছু আশা করা যায়।

‌রাইটিং:
IELTS পরীক্ষায় রাইটিং মডিউলটা আপনার ক্রিয়েটিভিটি লেভেল নির্ধারণ করে। এখানে দুইটা টাস্ক লিখতে হয়। নির্ধারিত সময় ৬০ মিনিট। ১ম টাস্কটা লিখতে হয় মিনিমাম ১৫০ এবং দ্বিতীয় টাস্কটা লিখতে হয় মিনিমাম ২৫০ শব্দের মধ্যে। একাডেমিক মডিউলে ১ম টাস্কে একটা চার্ট/ম্যাপ দেয়া থাকে। সেই ম্যাপ দেখে আপনাকে একটা সামারী লিখতে হবে যাতে চার্ট/ম্যাপ এ বিদ্যমান সকল তথ্য লেখায় ফুটে উঠে। জেনারেল মডিউলে ১ম টাস্কে একটা চিঠি লিখতে হয়। চিঠি লেখা নিয়ে আসলে কিছু বলার নাই। স্কুল-কলেজে যেভাবে লিখে আসছেন, সেভাবেই লিখতে হয়। তবে শব্দ চয়নে সতর্কতার পরিচয় দেয়াটা বাঞ্চনীয়। ২য় টাস্ক একাডেমিক/জেনারেল ভেদে মোটামোটি একই হয়। ২য় টাস্কে একটা টপিক দেয়া থাকে, যেখানে ঐ টপিকটাকে বিস্তৃত আকারে লিখতে হয় মিনিমাম ২৫০ শব্দের মধ্যে। তবে, ২য় টাস্ক লেখার ক্ষেত্রে একাডেমিক মডিউলের চেয়ে জেনারেল মডিউলের লেখাটা যথেষ্ট পরিপক্ক হওয়া বাঞ্চনীয়।

এবার জানা যাক, রাইটিং মডিউলে কি কি ভুলের কারণে নম্বর কম আসতে পারে।

প্রথমত, গ্রামারগত ভুল এখানে খুব সিরিয়াস মিসটেক হিসেবে ধরা হয়। রাইটিং মডিউলে লেখা প্রতিটা বাক্য গ্রামাটিক্যালি কারেক্ট হওয়া বাঞ্চনীয়। এই বিষয়ে জিরো টলারেন্স। গ্রামাটিক্যাল ভুল হওয়া মানে নম্বর অনেক কমে যাবে এটা নিশ্চিত।

দ্বিতীয়ত, বানান ভুলের জন্য নম্বর কমে যায়। যদিও নির্দিষ্ট কোনো প্যারামিটার নাই, তবুও ধারণা করা হয়, প্রতি ৩/৪টা বানান ভুলের জন্য ১ নম্বর করে কাটা যায়। কাজেই, বানান ভুলের ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি না দিলে রাইটিং মডিউলে সমূহ বিপদ।

তৃতীয়ত, ভাল নম্বরের জন্য ভাল লেখা আবশ্যক। এখন প্রশ্ন আসতে পারে ভাল লেখা কাকে বলে। এই বিষয়টা একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করা যেতে পারে। কোনো একটা ঘটন যখন ঘটে, সেটা দেশের সকল পত্রিকাতেই আসে। কিন্তু নিজে পড়ার সময় কিন্তু আমরা প্রথম আলো/যুগান্তর/জনকন্ঠ এগুলাই কিনে পড়ি। এগুলার চেয়ে অনেক কম মূল্যের পত্রিকা কিন্তু বাজারে আছে। ঠিক যে কারণে আপনি বেশি টাকা খরচ করে এসব পত্রিকা কিনেন, যাতে লেখাটা পড়ে আপনার ভাল লাগে, ঠিক ঐ জিনিসই পরীক্ষক আপনার লেখায় খুজে। সেই জিনিসটা যার লেখায় যতবেশি পাওয়া যাবে, তার নম্বর তত বেশি হবে।

চতুর্থত, ব্যাড হ্যান্ডরাইটিং একটা প্রধান অন্তরায় রাইটিং মডিউলে ভাল করার ক্ষেত্রে। IELTS পরীক্ষায় হাতের লেখা সুন্দর হতে হবে এই বিষয়ক বাধ্যবাধকতা কোথাও নেই, তবে আপনি যেটাই লিখেন, তা যেন স্পষ্ট হয় এবং সহজে পড়া যায় সেটা খেয়াল রাখতে হবে। আপনি খুব ভাল লিখে আসলেন, গ্রামাটিক্যাল/বানান কোথাও কোনো ভুল নাই কিন্তু পরীক্ষক আপনার হাতের লেখা পড়তে পারছে না, ফলাফল বুঝতেই পারছেন।

তাছাড়া, রাইটিং মডিউলে টাইম ম্যানেজম্যান্ট ও খুব গুরুত্বপূর্ন। দুইটা টাস্কের জন্য বেধে দেয়া সময় হল ৬০ মিনিট। ২য় টাস্কের জন্য নম্বর ১ম টাস্কের দ্বিগুণ। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ৯ নম্বরের মধ্যে ১ম টাস্কের জন্য বরাদ্দ থাকে ৩ নম্বর এবং ২য় টাস্কের জন্য বরাদ্দ থাকে ৬ নম্বর। কাজেই ৩ নম্বর পেতে গিয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় নষ্ট করে ফেললে সেটার প্রভাব ৬ মার্কসের উপর পড়বে। তাছাড়া, রাইটিং টপিক যেহেতু আগে থেকে মুখস্থ করে যাওয়ার সুযোগ নেই, হলে বসে চিন্তা করে করে লিখতে হবে, তাই চিন্তা করার জন্যও পর্যাপ্ত সময় বরাদ্দ রাখা উচিত। আরো আছে লেখা শেষ করার পর রিভাইস দেয়ার ব্যাপার। কাজেই, রাইটিং মডিউল এ ভাল করতে হলে একাধারে গ্রামার,স্পেলিং,লেখার ক্রিয়েটিভিটি, টাইম ম্যানেজমেন্ট সবদিক দিয়ে আপনাকে পারফেক্ট হতে হবে।

‌স্পিকিং:
IELTS এর সবচেয়ে ট্রিকি পার্ট হচ্ছে স্পিকিং। এই পার্টে খুবই অল্প সময়ে আপনাকে ইভালুয়েট করা হবে। কাজেই এই মডিউলটাতে আপনাকে সর্বোচ্চ সতর্কতা মেনে চলতে হবে। এই মডিউলের জন্য বরাদ্দকৃত সময় ১১-১৪ মিনিট। মূলত তিনটা পার্টে আপনাকে বিভিন্ন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হবে। প্রথম অংশে বেশ সিম্পল টাইপ এর কিছু প্রশ্ন যেমন নাম কি, পরিবারে কে কে আছে, কে কি করে, শখ কি, অবসরে কি করতে ভালবাসেন, কোন টাইপের মুভি/মিউজিক পছন্দ করেন ইত্যাদি ইত্যাদি।

দ্বিতীয় পার্টে, আপনাকে একটা টপিক দেয়া হবে, যেটা 'কিউ কার্ড' নামে অধিক পরিচিত। সেই টপিক নিয়ে বলার জন্য আপনাকে এক থেকে দেড় মিনিট সময় দেয়া হবে কি বলবেন তা চিন্তা করার জন্য। আপনি বলতে শুরু করার পর চেষ্টা করবেন মিনিমাম যেন দেড় থেকে দুই মিনিট বলতে পারেন। কাজেই, চিন্তা করার সময় কন্টেন্ট গুলোকে এমনভাবে গুছিয়ে নিবেন যেন দেড়/দুই মিনিট বলা যায়। টপিক গুলো বেশ সাধারণ টাইপের হবে। ফর এক্সাম্পল, আপনার দেখা কোনো লাইব্রেরি, আপনার প্রিয় ব্যক্তি, এমন কোনো শখ যেটা এখনো পূরণ করতে পারেন নাই ইত্যাদি। রকেট সাইন্স জাতীয় কিছুই আপনাকে জিজ্ঞেস করা হবে না। এই মডিউলে আপনার উত্তর বিষয়গতভাবে ভুল না সঠিক সেটার চেয়ে আপনি যে কথাগুলো বলছেন সেটা গ্রামাটিক্যালি কারেক্ট কিনা ঐটাই দেখা হয়।

স্পিকিং পরীক্ষার তৃতীয় পার্টে, কিছু এক্সপ্লেনারি টাইপ প্রশ্ন থাকতে পারে যেগুলার উত্তর সাধারণত ৪-৮ লাইনের মধ্যে দিতে হয়। এর বেশি চাইলে বলতে পারবেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে কোনোভাবেই যেন অপ্রাসংগিক কিছু না বলেন। আরেকটা ব্যাপার হল, যত বেশি বলবেন তত বেশি ভুল হওয়ার একটা সম্ভাবনা কিন্তু থেকেই যায়। কাজেই, এই স্পিকিং মডিউলটাতে আপনার স্মার্টনেসের চূড়ান্ত পরীক্ষা হয়ে যাবে।

এবার দেখা যাক, কি কি কারণে এখানে নম্বর কমতে পারে।

প্রথমত, আপনার বলা বাক্যগুলা শুদ্ধ হচ্ছে কিনা এটা দেখা হবে। আপনার উত্তর গুলা প্রাসংগিক হচ্ছে কিনা তাও খেয়াল করা হবে।

দ্বিতীয়ত, আপনার শব্দের উচ্চারণ সঠিক হচ্ছে কিনা। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য যে, ব্রিটিশ কিংবা আমেরিকানদের উচ্চারনভংগি নকল করতে যাওয়া মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ হবেনা। IELTS এ আপনার Pronunciation খেয়াল করা হবে, Accent না। এই দুইটা বিষয়ের মধ্যে কনফিউজড হবেন না। পরীক্ষক/ব্রিটিশ কাউন্সিল/ইউনিভার্সিটি অফ ক্যামব্রিজ সবাই জানে আপনি বাংলাদেশ থেকে পরীক্ষা দিচ্ছেন, কাজেই তারা আপনার কাছে ব্রিটিশ/আমেরিকান একসেন্ট আশা ও করবে না। তবে হ্যা, কেউ যদি রপ্ত করতে পারেন সেটা অবশ্যই একটা প্লাস পয়েন্ট।

তৃতীয়ত, কথা বলার সময় অযথা স্নায়ুচাপে ভুগবেন না। কথা বলার সময় একটা এভারেজ স্পিড বজায় রাখবেন। কখনো খুব স্লো,কখনো খুব দ্রুত এগুলা পরিহার করবেন। নরমালি বাংলা ভাষা যতটুকু স্পিডে বলেন, ইংরেজিও তাই।

চতুর্থত, কথা বলার সময় মার্জিত আচার ব্যবহার বজায় রাখুন। কোনো প্রশ্ন বুঝতে না পারলে ভদ্রভাবে আবার জিজ্ঞেস করুন। পরীক্ষকের সামনে পা নাড়ানো,চুইং গাম চাবানো,শিস দেয়া বা যেকোনো ধরনের অভদ্র আচরণ থেকে বিরত থাকুন।

এবার কিছু কুসংস্কার এর বিষয় না বললেই নয়।
প্রথমত, পরীক্ষা আপনি পৃথিবীর যে জায়গা থেকেই দেন না কেন, আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী আপনি স্কোর পাবেন। সিলেট/চিটাগাং থেকে পরীক্ষা দিলে নাম্বার বেশি উঠে এই টাইপ কুসংস্কার থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন।

দ্বিতীয়ত, স্পিকিং এক্সামে বাংলাদেশী এক্সামিনার পড়লে নাম্বার কম দেয় এটাও একটা নির্জলা কুসংস্কার। পরীক্ষক যেই থাকুক না কেন, তাতে আপনার নম্বর বাড়া/কমার কিছু আসে যায় না।

তৃতীয়ত, রাইটিং মডিউলের দুইটা টাস্কের জন্য বেশ কিছু ফরম্যাট খুব জনপ্রিয় আমাদের দেশে। এগুলা দেখা মাত্রই বুঝা যায় যে এই লোক মুখস্থ বিদ্যার পাবলিক। IELTS পরীক্ষায় মুখস্থ বিদ্যাকে কোনো এংগেলেই ভালভাবে দেখা হয় না।

উপরের কথাগুলো আসলে দীর্ঘদিন পড়ানোর অভিজ্ঞতার আলোকে বলা। এবার একটা প্রশ্ন রাখি। আপনার কি মনে হয়, IELTS পরীক্ষাটা কেন দিতে হয়? আই মিন বাইরের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কেন একবাক্যে সবাই IELTS স্কোর চায়? IELTS কি শুধুই ইংরেজি ভাষা দক্ষতার পরিমাপক?
না, ব্যাপারটা শুধুই ইংরেজি নিয়ে না। ভাল করে খেয়াল করুন চারটা মডিউলে আপনার ইংরেজি দক্ষতার আড়ালে কি কি জিনিস এর প্রতিফলন হচ্ছে। যেমন লিসেনিং মডিউলে আপনার প্রাপ্ত মার্কস দিয়ে বুঝা যাচ্ছে কোনো একট বিষয়ের প্রতি আপনি কতক্ষন মনোযোগ ধরে রাখতে পারেন। রিডিং মডিউল এর নম্বর থেকে বুঝা যায় আপনি টাইম ম্যানেজমেন্ট এবং ক্রিটিক্যাল রিজনিং এ কতটা পটু। রাইটিং মডিউল এর নম্বর আপনার ক্রিয়েটিভিটি নির্দেশ করে। স্পিকিং মডিউলে বুঝা যায়, কোনো একটা সমস্যার প্রতি আপনার এপ্রোচ কেমন। মূলত, IELTS এ আপনার ইংরেজি দক্ষতার আড়ালে এই মৌলিক জিনিস গুলার মূল্যায়ন করা হয়। এই ব্যাপারগুলো মাথায় রেখে প্রস্তুতি নিলে আশা করা যায় ভাল কিছু হবে। আরেকটা প্রশ্ন আমি যেটা প্রায়ই পাই, তা হল কতদিন লাগবে। এটার স্পেসিফিক কোনো উত্তর আমার কাছে নাই। যার ইংলিশ গ্রামারের দক্ষতা যত বেশি, বিভিন্ন সমস্যাকে ভিন্ন আংগিকে দেখে সেখান থেকে সমাধান বের করে আনার স্কিল যার যত বেশি, তার তত কম সময় লাগবে।

সময় নিয়ে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

Happy Learning!

Photos from The IELTS Journey - Dhaka's post 01/02/2021

প্রিয় বনশ্রীবাসী, আশা করি সবাই ভাল আছেন। এই মহামারীকালে সবাই সুস্থ থাকুক এই প্রত্যাশা করি।

আমাদের অনেকেই উচ্চশিক্ষা এবং উন্নত জীবনযাপনের উদ্দেশ্যে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া সহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যেতে চাই, কিন্তু সঠিক তথ্য এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির অভাবে সেই স্বপ্ন আর বাস্তবায়ন করা হয়ে উঠেনা। কানাডা, সুইডেন, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড সহ বিভিন্ন দেশে বর্তমানে উচ্চশিক্ষা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ চাকুরিজীবীসহ অভিবাসী নিচ্ছে। উচ্চশিক্ষা/চাকুরি/অভিবাসী যে উপায়েই আপনি যেতে চান, ভাষাগত যোগ্যতার জন্য আপনাকে অবশ্যই কিছু ভাষাগত পরীক্ষা যেমন IELTS/TOEFL স্কোর জমা দিতে হবে। British Language and Safety Training Centre - BLAST শুরু থেকেই আপনার IELTS এবং বেসিক ইংরেজি ভাষার উপর কোয়ালিটি সেবা প্রদানে বদ্ধ পরিকর। আমাদের সেবার বিশেষ দিক হল এখানে ব্যক্তিভেদে যার যার প্রয়োজন অনুযায়ী কোর্স প্ল্যান দেয়া হয়। এর পাশাপাশি, আমাদের ৩৬০° কোর্সপ্ল্যান ইংরেজি ভাষার বিভিন্ন তত্ত্বীয় বিষয় এর পাশাপাশি আপনার বাস্তবিক জীবনে ইংরেজি ভাষার সফল প্রয়োগে সহায়ক হবে। আমাদের সেবার মধ্যে বেসিক ইংরেজি (Effective Speaking + Writing) এবং IELTS Specialised Training উল্লেখযোগ্য। বিস্তারিত জানতে পেইজের ইনবক্সে নক করুন।

কিছু কমন প্রশ্ন এবং উত্তরঃ
প্রশ্নঃ কোর্স কতদিনের? কয়দিন লাগবে শেষ করতে?
উত্তরঃ যেহেতূ, সবার সমস্যার পরিমান এবং ধরণ ভিন্ন , কোর্স সম্পন্ন করতে সবার প্রয়োজনীয় সময় ও ভিন্ন হবে। তবে আমাদের কোর্সের জেনারেল টাইমলাইন হল বেসিক ইংরেজি (স্পিকিং + রাইটিং) কোর্সের জন্য 2.5-3 মাস, IELTS এর জন্য ৫-৬ মাস। কারো যদি এই সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় উন্নতি না হয়, তাহলে কোর্স এক্সটেনশন এর সুযোগ থাকবে।

প্রশ্নঃ আমি অনেকদিন ধরে পড়াশোনার বাইরে। আমি কি IELTS এ ভাল স্কোর করতে পারব?
উত্তরঃ অবশ্যই পারবেন। হয়ত, আপনার পাশেরজনের থেকে একটু বেশি পরিশ্রম করতে হবে, কিন্তু আপনি পারবেন।

প্রশ্নঃ আমি আগেও বেসিক কোর্স করেছি/ IELTS দিয়েছি কিন্তু ভাল স্কোর আসেনি কিংবা আমি ফ্লুয়েন্টলি কথা বলতে পারি না। এটার সমাধান কি?
উত্তরঃ আপনি কি খুজে বের করেছিলেন কেন আপনার স্কোর ভাল আসে নি কিংবা কেন আপনি যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে বলতে পারছেন না? যে কোন সমস্যা সমাধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল সমস্যাটা ভালভাবে চিহ্নিত করতে পারা। আপনার এই ধরনের সমস্যার ইফেক্টিভ সমাধানের জন্য আমাদের পেইজের ইনবক্স সবসময় খোলা।

IELTS সম্পর্কিত প্রাথমিক ধারণা পেতে এই পোস্টটি পড়ে দেখতে পারেনঃ
https://www.facebook.com/blastcbd/posts/474093316847453

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন উন্নত দেশের Visa Policy and Requirement এর জন্য নীচের লিংকগুলি পড়ে দেখতে পারেনঃ

কানাডা পাইলট প্রোগ্রামে চাকরির আবেদন শুরুঃ
https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-suggestion/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A6%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A7%A9-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0?fbclid=IwAR25AMLD2AjG_AHBH9F76nEQjO8jQdjzeYj1uiMEBOKLBKGtmNK8uNTpsOw

সুইডেনে পড়তে আবেদন করবেন যেভাবেঃ
https://www.prothomalo.com/education/higher-education/%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%A3-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2?fbclid=IwAR00JmSrvXO88kwiBBvf6wBTVnKDyRC14MT-VftZNTeJA44hP_mRfQ6hBK4

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশিদের চাকরির সুযোগঃ
https://www.prothomalo.com/chakri/employment/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A7%A8%E0%A7%AD%E0%A7%A6-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97?fbclid=IwAR0UtzfzDyXwDTx5HxQL5TaBHE70eZCfn_LS62uf5X2RZQ86TsajrQ4NkSo

***To schedule a free demo class, kindly fill-up the following form***
https://cutt.ly/gj8WYvc

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:30
Tuesday 09:00 - 20:30
Wednesday 09:00 - 20:30
Thursday 09:00 - 20:30
Saturday 09:00 - 20:30
Sunday 09:00 - 20:30