02/07/2025
দুনিয়া এবং আখেরাতে সফলতা পেতে চান?
মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন,
وَأۡمُرۡ أَهۡلَكَ بِٱلصَّلَوٰةِ وَٱصۡطَبِرۡ عَلَيۡهَاۖ لَا نَسَۡٔلُكَ رِزۡقٗاۖ نَّحۡنُ نَرۡزُقُكَۗ وَٱلۡعَٰقِبَةُ لِلتَّقۡوَىٰ ١٣٢
“আর আপনার পবিরার-পরিজনকে নামাযের জন্য নির্দেশ দিন এবং আপনি নিজেও নামাযের উপর অবিচল থাকুন। আমি আপনার কাছে রিযিক্ব চাই না, বরং আমিই আপনাকে রিযক দিয়ে থাকি। আর উত্তম পরিণাম তো মুত্তাকীদের জন্য নির্দিষ্ট।” সুরা ত্বোয়া হাঃ ১৩২।
আয়াতের তাফসীরঃ
ইমাম ইবনে কাসীর রহি’মাহুল্লাহ এই আয়াতের তাফসীরে লিখেছেন,
মহান আল্লাহ বলেন, (হে নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনার পরিবারবর্গকে নামাযের আদেশ দিন, যাতে তারা আল্লাহর আযাব থেকে বাঁচতে পারে। আপনি নিজেও নামাযের উপর অবিচল থাকুন। নিজেকে এবং নিজের পরিবারবর্গকে জাহান্নাম হতে বাঁচান।
(১) উমর ফারুক্ব রাদিয়াল্লাহু আ’নহুর অভ্যাস ছিল রাত্রে যখন তিনি তাহাজ্জুদ নামাযের জন্য ঘুম থেকে জেগে উঠতেন তখন তিনি তাঁর পরিবারবর্গকেও ঘুম থেকে জাগাতেন আর এই আয়াতটি পাঠ করতেনঃ
وَأۡمُرۡ أَهۡلَكَ بِٱلصَّلَوٰةِ وَٱصۡطَبِرۡ عَلَيۡهَاۖ لَا نَسَۡٔلُكَ رِزۡقٗاۖ نَّحۡنُ نَرۡزُقُكَۗ وَٱلۡعَٰقِبَةُ لِلتَّقۡوَىٰ ١٣٢
আয়াতের ভাবার্থঃ আমি আপনার কাছে কোন জীবনোপকরণ চাই না। আপনি নামাযের পাবন্দী হন, আল্লাহ আপনাকে এমন জায়গা থেকে রিযিক্ব দিবেন যে, আপনি কল্পনাও করতে পারবে না। আল্লাহ তাআ’লা মুত্তাক্বীদেরকে মুক্তিদান করে থাকেন এবং তাদেরকে কল্পনাতীত জায়গা হতে রিযিক্ব দান করেন।
সমস্ত দানব ও মানবকে শুধুমাত্র আল্লাহর ইবাদতের জন্যেই সৃষ্টি করা হয়েছে। রিযিক্বদাতা ও ব্যাপক ক্ষমতার অধিকারী একমাত্র আল্লাহ। এজন্যেই মহান আল্লাহ বলেন, “আমি আপনার কাছে রিযিক্ব চাই না, বরং আমিই আপনাকে রিযিক্ব দান করে থাকি।”
(২) বর্ণিত আছে যে, হিশাম রহি’মাহুল্লাহর পিতা যখন আমীর-উমারার নিকট গমন করতেন এবং তাদের শান-শওকত দেখতেন তখন তিনি নিজের বাড়ীতে ফিরে এসে এই আয়াতটি তিলাওয়াত করতেন আর বলতেন, “হে আমার পরিবারবর্গ! তোমরা নামাযের হিফাযত করো, নামাযের পাবন্দী হও, তাহলে আল্লাহ তাআ’লা তোমাদের উপর দয়া করবেন।” এটা মুসনাদে ইবনু আবি হাতিমে বর্ণিত হয়েছে।
(৩) সাবিত রাদিয়াল্লাহু আ’নহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কোন সংকীর্ণতার সম্মুখীন হতেন তখন তিনি বলতেন, “হে আমার পরিবারবর্গ! তোমরা না