Quality Fashion House

Quality Fashion House

Share

Fouzdarhat K.M. High School Is a Famous Secondary School In Sitakunda,Chittagong Bangladesh.It Was E

Photos from Quality Fashion House's post 24/10/2023

Fabric: PP (Jersey )
Print: Full Sublimation
Gsm: 170(+-10)
Export Quality Seweing 
Size: M,L,XL
M Size
Length -28", Chest - 38"
L Size
Length -29", Chest- 40"
XL Size
Length -30", Chest- 42"
Made in: Bangladesh
 

24/10/2023

Product type: Long sleeve casual shirt for man

Fabric: Export Cotton

Size:---------------
M-length 28 chest 37
L-length 29 chest 40
XL-length 30 chest 42

14/10/2023
09/08/2022

অর্থের কি অর্থ?

এক পর্যটক একদিন এমন একটি শহরে বেড়াতে এলেন, যেখানে পুরো শহরটি ধার-দেনায় ডুবে ছিল। তো পর্যটক ভদ্রলোক ৫০০ টাকার একটি নোট হোটেলের কাউন্টারে দিয়ে বললেনঃ আমি আপনার হোটেলের ভেতরে যাচ্ছি। দেখি কামরা পছন্দ হয় কি না।

হোটেল মালিক সঙ্গে সঙ্গে ঘিওয়ালার নিকট দৌড়োলেন। তাকে ৫০০ টাকা দিয়ে পুরোনো হিসাব মিটিয়ে দিলেন।

ঘিওয়ালা টাকা হাতে পেয়ে দৌড়ালেন দুধওয়ালার কাছে। আর পৌঁছে ৫০০ টাকা দিয়ে তার হিসাব চুকিয়ে দিলেন।

দুধওয়ালা গেলেন গাইওয়ালার নিকট। তাকে ৫০০ টাকা দিয়ে তার ধার শোধ করে দিলেন।

গাইওয়ালা দৌড়ে গেলেন ঘাসওয়ালার কাছে। ৫০০ টাকা দিয়ে তার হিসাব মিটিয়ে দিলেন।

ঘাসওয়ালা টাকা হাতে আসতেই ওই হোটেলে দৌড়ে এলেন। ওখানে তিনি মাঝে মাঝে ধারে খাবার খেতেন। হোটেলের মালিককে সেই ৫০০ টাকা দিয়ে তিনি হাঁফ ছাড়লেন।

কিছুক্ষণ পরে পর্যটক ভদ্রলোক ফেরত এলেন। তিনি ৫০০ টাকার নোটটি ফিরিয়ে নিয়ে বললেনঃ সরি, কোনো রুম পছন্দ হল না !

না কেউ কিছু নিল, না কেউ কিছু দিল। অথচ সবারই হিসাব চুকে গেল!

গোলমালটা কোথায় ?

আসলে কোথাও কোনো গোলমাল নেই। সবারই ভুল ধারণা হল “টাকা আমার”। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, পৃথিবীতে খালি হাতে এসেছেন; খালি হাতেই ফিরে যেতে হবে।

26/04/2022

যখন মায়ের পেটে ছিলাম ফেরেশতারা বলতেন। আমাকে নাকি মায়ের পেটে থাকা জগতটার চেয়েও আরো লক্ষ-কোটি গুণ বড় একটা জগতে অচিরেই চলে যেতে হবে। শুনে আমি হাসতাম। আসন্ন জগতে মাতৃগর্ভে থাকা জগতটার সমান একেকটা ফলও নাকি হবে! একেকটা খেলনাও (ফুটবল) নাকি হবে আমার জগতটার সমান! মায়ের নাড়ি দিয়ে খাবাররত আমাকে শোনানো হতো। আসন্ন দুনিয়ার হরেক রকমের অদ্ভূত সব খাবার-দাবারের গল্প!

মাতৃগর্ভ থেকে দুনিয়ার জীবনে আসা মাত্রই। মায়ের পেটের নাড়ির সংযোগ কেটে দেয়া হলো। মুখ দিয়ে খেতে শিখলাম। হেটে, চলে নিজের পায়ে দাড়িয়ে। এখন আমি শক্তিশালী স্বাবলম্বী একজন মানুষ। শিক্ষিত, বুদ্ধিমান, যুক্তিপ্রিয় আধুনিক এক মানুষ।

এখানেও সেই একই কথা আমাকে বলা হয়। সামনে আরেকটি জীবনের চিরস্থায়ী সুখ-বিলাসের কথা। জান্নাতের অপরিসীম নেয়ামতের তুলনায় আমার এই দুনিয়ার জীবন নাকি অতি নগন্য, তুচ্ছ ও ক্ষুদ্র! এবারও আমি হাসি। বিশ্বাস করতে চাই না। জান্নাতের একটা গাছও নাকি এই পৃথিবীর চেয়ে বহুগুন বড়!

দুনিয়ার জীবন থেকে মায়ের পেটের জগতে আবার আমি ফিরেও যেতে চাইনা। মায়ের পেটের সেই খাবারও খেতে চাই না।

চিন্তা করি। অতি আসন্ন চিরস্থায়ী জীবন থেকে পুনরায় দুনিয়ার জীবনে ফিরে আসার কোন সম্ভাবনাই যে নাই! মাতৃগর্ভ থেকে দুনিয়ার জীবনে আসা সম্ভব হলেও। আখেরাতের জীবন থেকে অন্য কোথাও ফিরে যাওয়ার আর কোন সুযোগও যে নাই! সেটাই যে চুড়ান্ত! সেটাই যে সর্বশেষ! সেটাই যে চিরস্থায়ী! যার শুরু আছে। কিন্তু কোন শেষ নাই.......

13/04/2022

[] সূরা ফালাক্ব []

সূরা ফালাক্ব। অন্ধকার (মিথ্যা, অন্যায়) ভেদ করে আলো (সত্য) প্রকাশের সূরা। এই সূরায় রাতের অন্ধকারের কথা এসেছে, যা সাধারনভাবে শয়তান বা খারাপ কিছুর পরিচায়ক। এরপর যাদুর কথা এসেছে, যা একটি কালো বস্তু (সম্পূর্ন হারাম কাজ)। শিরক একটি অন্ধকার পর্যায়। হিংসা; চরিত্রের একটি অন্ধকার দিক। সুতরাং এইসব অন্ধকারকে ভেদ করে আলোর প্রকাশকারী আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া হয়েছে এই সূরায়।

মুশরিকরা আল্লাহ ছাড়া অন্যান্য সত্তা যেমন জিন, দেবী ও দেবতাদের কাছে এ ধরনের আশ্রয় চাইতো এবং আজো চায়৷ বস্তুবাদীরা এ জন্য বস্তুগত উপায় ও উপকরণের দিকে মূখ ফিরায়৷ কারণ, তারা কোন অতি প্রাকৃতিক শক্তিতে বিশ্বাসী নয় ৷ কিন্তু মু'মিনরা যেসব আপদ বিপদ ও বালা মুসিবতের মোকাবেলা করার ব্যাপারে নিজেকে অক্ষম মনে করে, সেগুলোর ব্যাপারে তারা একমাত্র মহান আল্লাহর দিকেই মুখ ফিরায়। এবং একমাত্র আল্লাহর কাছেই আশ্রয় প্রার্থনা করে৷

আসুন সূরাটি অর্থ সহ পড়ে নেই-

১) قُلْ أَعُوذُ بِرَ‌بِّ الْفَلَقِ
“কুল্ আ‘ঊযু বিরব্বিল্ ফালাক্বি”
‘বলুন, আশ্রয় চাচ্ছি আমি প্রভাতের রবের।’

১ম শব্দ ‘ক্বুল’ এর তাৎপর্য অনেক। আল্লাহ এখানে ‘ক্বুল’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন কারন আল্লাহ চান মানুষ তাঁর দূর্বলতাকে মুখে প্রকাশ করুক। মুখে প্রকাশ করা বা বলার মাধ্যমে অহংকার দূর হয়। আমার কোন সাহায্য, আশ্রয়ের দরকার নাই এমন চিন্তা দূরীভুত হয়। মুখে বলে আশ্রয় চাওয়ার কারনে রবকে মান্য করার বিষয়টি চলে আসে।

‘ফালাক’ শব্দটি কোন কিছু ভেদ করে নতুন কিছুর আত্মপ্রকাশ বুঝায়। যেকোন সৃষ্টির জন্যই এটি সত্য। বীজ মাটি ভেদ করে গাছ হিসাবে বের হয়। ঝরনা পাহাড় ভেদ করে। বৃষ্টি মেঘ ভেদ করে। মানুষসহ বিভিন্ন প্রানী গর্ভ ভেদ করে আবির্ভুত হয়। অস্তিত্ব জগতের প্রতিটি জিনিস কোন না কোনভাবে আবরণ ভেদ করার ফলে অনস্তিত্ব থেকে অস্তিত্ব লাভ করে৷ এমনকি পৃথিবী ও সমগ্র আকাশ মণ্ডলও প্রথমে একটি স্তূপ ছিল৷ তারপর তাকে বিদীর্ণ করে পৃথক পৃথক অস্তিত্ব দান করা হয়েছে৷ যেমন, “এ আকাশ ও পৃথিবী সবকিছুই স্তূপীকৃত ছিল, পরে আমি এদেরকে আলাদা আলাদা করে দিয়েছি৷” ( আল আম্বিয়া ,৩০)

" রাব্বুল ফালাক " এর অর্থ যদি প্রভাতের রব ধরা হয়, তাহলে তাঁর আশ্রয় চাওয়ার মানে হবে, যে রব অন্ধকারের আরবণ ভেদ করে প্রভাতের আলো বের করে আনেন আমি তাঁর আশ্রয় নিচ্ছি৷ আর যদি এর অর্থ সৃষ্টিজগতের রব ধরা হয়, তাহলে এর মানে হবে, আমি সমগ্র সৃষ্টির মালিকের আশ্রয় নিচ্ছি৷ তিনি নিজের সৃষ্টির অনিষ্টকারিতা থেকে আমাকে বাঁচাবেন৷

২) مِن شَرِّ‌ مَا خَلَقَ
“মিন্ শার রি মা-খলাক্ব”
‘তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে।’

অন্য কথায়, সমগ্র সৃষ্টির অনিষ্টকারিতা থেকে আমি তাঁর আশ্রয় চাচ্ছি৷ এ বাক্যে অনিষ্টকারিতা সৃষ্টির ব্যাপারটিকে আল্লাহর সাথে সম্পর্কিত করা হয়নি৷ বরং বলা হয়েছে, আল্লাহ যেসব জিনিস সৃষ্টি করেছেন, তাদের অনিষ্টকারিতা থেকে আশ্রয় চাচ্ছি৷ এ থেকে জানা যায়, মহান আল্লাহ কোন সৃষ্টিকে অনিষ্টকারিতার জন্য সৃষ্টি করেননি৷ বরং তাঁর প্রত্যেকটি কাজ কল্যাণকর এবং কোন না কোন কল্যাণমূলক প্রয়োজন পূর্ণ করার জন্যই হয়ে থাকে৷ তবে সৃষ্টির মধ্যে তিনি যেসব গুণ সমাহিত করে রেখেছেন। যেগুলো তাদের সৃস্টির উদ্দেশ্য পূর্ণ করার জন্য প্রয়োজন।সেগুলো থেকে অনেক সময় এবং অনেক ধরনের সৃষ্টি প্রায়ই অনিষ্টকারিতার প্রকাশ ঘটে৷

৩) وَمِن شَرِّ‌ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ
“অমিন্ শাররি গ-সিক্বিন্ ইযা-অক্বাব্”
‘অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়।’

রাতের অন্ধকারের অনিষ্টকারতা থেকে বিশেষ করে পানাহ চাওয়ার নির্দেশ দেবার কারণ হচ্ছে এই যে, অধিকাংশ অপরাধ ও জুলুম রাতের অন্ধকারেই সংঘটিত হয়৷ আর এ আয়াতগুলো নাযিল হবার সময় আরবে রাজনৈতিক অরাজকতা যে অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিল তাতে রাতের চিত্র তো ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ৷ রাতের অন্ধকারে চাঁদর মুড়ি দিয়ে লুটেরা ও আক্রমণকারীরা বের হতো ৷ তারা জনবসতির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তো, লুটতরাজ ও খুনাখুনি করার জন্য। যারা রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর প্রাণ নাশের চেষ্টা করছিল, তারাও রাতের আঁধারেই উনাকে হত্যা করার পরিকল্পনা তৈরি করেছিল৷ তাই রাতের বেলা যেসব অনিষ্টকারিতা ও বিপদ আপদ নাযিল হয় সেগুলো থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার হুকুম দেয়া হয়েছে৷

৪) وَمِن شَرِّ‌ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ
“অমিন্ শাররি ন্নাফ্ফা-ছা-তি ফিল্ ‘উক্বদ্”
‘গিরায় ফুঁৎকারদানকারীদের (বা কারিনীদের) অনিষ্টকারিতা থেকে৷’

মুফাসসিরের মতে, গিরায় ফুঁক দেয়া শব্দটি যাদুর জন্য রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়৷ কারণ যাদুকর সাধারণত কোন সূতায় বা ডোরে গিরা দিতে এবং তাতে ফুঁক দিতে থাকে৷ কাজেই আয়াতের অর্থ হচ্ছে, আমি পুরুষ যাদুকর বা মহিলা যাদুকরদের অনিষ্ট থেকে বাঁচার জন্য প্রভাতের রবের আশ্রয় চাচ্ছি৷ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর ওপর যখন যাদু করা হয়েছিল, তখন জিব্রীল (আঃ) এসে উনাকে সূরা আল ফালাক ও আন নাস পড়তে বলেছিলেন৷

যাদুর ব্যাপারে অবশ্যই একথা জেনে রাখতে হবে যে, যাদুর মধ্যে অন্য লোকের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলার জন্য শয়তানের সাহায্য চাওয়া হয়৷ এ জন্য কুরআনে একে কুফরী বলা হয়েছে৷ যেমন, "সুলাইমান কুফরী করেনি৷ বরং শয়তানরা কুফরী করেছিল৷ তারা লোকদেরকে যাদু শেখাতো৷" ( আল বাকারা , ১০২ )

সাবধান!! যেকোন যাদুটোনা হারাম। এমনকি এগুলোর মধ্যে কোন কুফরী কালাম বা শিরকী কাজ না থাকলেও হারাম। তা সর্বাবস্থায় ও সর্বসম্মতিক্রমে সম্পুর্ন হারাম৷ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যাদুটোনাকে এমন সাতটি কবীরা গোনাহের অন্তরভুক্ত করেছেন, যা মানুষের আখেরাত সম্পূর্ন বরবাদ করে দেয়৷ আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন।

৫) وَمِن شَرِّ‌ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
“অমিন্ শাররি হা-সিদিন্ ইযা-হাসাদ্”
‘এবং হিংসুকের অনিষ্টকারিতা থেকে, যখন সে হিংসা করে৷’

হিংসার মানে হচেছ-— কোন ব্যক্তিকে আল্লাহ যে অনুগ্রহ, শ্রেষ্ঠত্ব বা গুণাবলী দান করেছে তা দেখে অপর ব্যক্তি নিজের মধ্যে জ্বালা অনুভব করে। এবং তার থেকে ওগুলো ছিনিয়ে নিয়ে সেগুলো তাকে দেয়া হোক। অথবা কমপক্ষে তার থেকে সেগুলো অবশ্যই ছিনিয়ে নেয়া হোক।এইসব আশা করতে থাকে৷

তবে কোন ব্যক্তি যদি আশা করে, অন্যের প্রতি যে অনুগ্রহ করা হয়েছে তার প্রতিও তাই করা হোক, তাহলে এটাকে হিংসার সংজ্ঞায় ফেলা যায় না৷

এখানে হিংসুক যখন হিংসা করে অর্থাৎ তার মনের আগুন নিভানোর জন্য নিজের কথা ও কাজের মাধ্যমে কোন পদক্ষেপ নেয়, সেই অবস্থায় তার অনিষ্টকারিতা থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া হয়েছে৷

হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) কোন রোগে আক্রান্ত হলে সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করে হাতে ফুঁক দিয়ে সর্বাঙ্গে বুলিয়ে দিতেন। ইন্তেকালের পূর্বে যখন উনার রোগযন্ত্রণা বৃদ্ধি পায়, তখন আমি এই সূরাদ্বয় পাঠ করে উনার হাতে ফুঁক দিতাম। অতঃপর তিনি নিজে তা সর্বাঙ্গে বুলিয়ে নিতেন। আমার হাত উনার পবিত্ৰ হাতের বিকল্প হতে পারতনা। তাই আমি এরূপ করতাম।’ [বুখারী: ৫০১৬, মুসলিম: ২১৯২]

সারকথা এই যে, যাবতীয় বিপদাপদ থেকে নিরাপদ থাকার জন্যে রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) ও সাহাবায়ে কেরাম সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস এই সূরাদ্বয়ের আমল করতেন।

06/04/2022

[] সূরা ইখলাস []

মুশরিকরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)কে আল্লাহ্ তা'আলার বংশপরিচয় জিজ্ঞেস করেছিল। যার জওয়াবে সূরা ইখলাস নাযিল হয়। কোন কোন বর্ণনায় এসেছে, মুশরিকরা আরও প্রশ্ন করেছিল। আল্লাহ তা'আলা কিসের তৈরী? স্বর্ণরৌপ্য অথবা অন্য কিছুর? এর জওয়াবে সূরাটি অবতীর্ণ হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে "তাফসির ইবনে কাসীর" এ বলা হয়েছে, যখন ইহুদিরা বলে, ‘আমরা আল্লাহর পুত্র উযায়েরকে উপাসনা করি’। এবং খ্রিস্টানরা বলে, ‘আমরা আল্লাহর পুত্র মাসীহ (ঈসা) এর উপাসনা করি’। এবং জুরোস্ত্রীরা বলে, ‘আমরা সূর্য ও চাঁদের উপাসনা করি’। এবং মুশরিকরা বলে ‘আমরা মূর্তিপূজা করি,'। তখন আল্লাহ তার রাসূলের প্রতি এই সূরাটি অবতীর্ণ করে বলছেন, "বলুনঃ তিনিই আল্লাহ এক। তিনিই এক, একক। তার কোন সমকক্ষ নেই, কোন সহকারী নেই, প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, বরং সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি। এবং তার কোন তুলনাও নেই।"

রাসূল (সাঃ) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই সূরা ইখলাস এক-তৃতীয়াংশ কুরআনের সমান’। ‘নিশ্চয় সূরা ইখলাসের ভালোবাসা তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে’।

আসুন, জেনে নেই মাত্র চার আয়াতের এই প্রিয় সূরাটির মর্মাথ:-

قُلۡ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ
‘ক্বুল্ হু ওয়াল্লাহু আহাদ্’
(বলুন, তিনিই আল্লাহ্‌, এক-অদ্বিতীয়)।

‘আহাদ’- (আল্লাহ এক)। ইসলাম ব্যতীত অন্য সবগুলো ধর্মের লোকেরা আল্লাহর শরীক বা অংশীদার সাব্যস্ত করেছে। যেমন ইহুদীগণ ওযায়েরকে এবং খৃষ্টানগণ ঈসাকে ‘আল্লাহর পুত্র’ বলেছে (সূরা তওবা ৯/৩০)। ত্রিত্ববাদে বিশ্বাসী খৃষ্টানগণ আল্লাহকে ‘তিন উপাস্যের একজন’ বলেছে (সূরা মায়েদাহ ৫/৭৩)। অন্যদিকে ভারতীয় বহু ঈশ্বরবাদীদের তো ভগবানের কোন সংখ্যাসীমাই নেই। এইসব বে-দলীল ও কাল্পনিক কথার জবাব অত্র আয়াতে আল্লাহ ছোট্ট একটি শব্দ দিয়েছেন- ‘আহাদ’ অর্থাৎ আল্লাহ ‘এক’। ‘ওয়াহেদ’ ও ‘আহাদ’ দু’টি শব্দেরই অর্থ ‘এক’। তবে পার্থক্য এই যে, ওয়াহেদ-এর দ্বিতীয় অর্থ রয়েছে। কিন্তু আহাদ-এর কোন দ্বিতীয় অর্থ নেই। আল্লাহ লা-শারীক। আল্লাহর ‘আহাদ’ নামটি কুরআনের অন্য কোথাও নেই। কেবল এ সূরাতেই রয়েছে। এতে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে যে, আল্লাহর একক হুকুমেই সৃষ্টিজগত পরিচালিত হয়। এতে অন্যের কোন অংশীদারিত্ব নেই। তিনি এক ও অদ্বিতীয়।

اَللّٰهُ الصَّمَدُ
‘আল্লহুস্‌ স্বমাদ’
(আল্লাহ্‌ কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী)।

‘স্বমাদ’- আল্লাহ মুখাপেক্ষীহীন। যিনি সকলের থেকে মুখাপেক্ষীহীন। অথচ সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী।

لَمۡ یَلِدۡ ۬ۙ وَ لَمۡ یُوۡلَدۡ
‘লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ’
(তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেওয়া হয়নি)।

তাঁর কোন সন্তান নেই বা পিতা নেই বা কোন স্ত্রী নেই (ইবনে কাসীর)। তিনি কারো উত্তরাধিকারী নন এবং কেউ তাঁর উত্তরাধিকারী নয়। স্বয়ং আল্লাহ নিজেই তাঁর পরিচয় দিয়ে বলেন, “তিনিই আসমান ও যমীনের প্রথম সৃষ্টিকর্তা। কিভাবে তাঁর পুত্র সন্তান হবে? অথচ তাঁর কোন স্ত্রী নেই। আর তিনিই সবকিছু সৃষ্টি করেছেন এবং তিনিই সকল বিষয়ে অবহিত” (সূরা আন‘আম ৬/১০১)। ‘এবং তিনি কারো জন্মিত নন’ বলার মাধ্যমে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, তিনিই আদি সৃষ্টিকর্তা। তাঁর পূর্বে কোন কিছুর অস্তিত্ব ছিল না।

وَ لَمۡ یَکُنۡ لَّهٗ کُفُوًا اَحَدٌ
‘ওয়া লাম ইয়া ক্বুল্‌ লাহু কুফুওয়ান আহাদ’
(এবং তাঁর সমতুল্য কেউই নেই)।

অর্থাৎ সত্তা ও গুণাবলীতে আল্লাহর সাথে তুলনীয় কিছুই নেই। আল্লাহ নিজেই বলেন, “তাঁর মত কোন কিছুই নেই।’’ (সূরা শুরা/১১)

স্বীয় সত্তা ও গুণাবলীতে আল্লাহ একক ও তুলনাহীন। এই নির্ভেজাল তাওহীদ বিশ্বাসকে যাবতীয় শিরকের কালিমা হ’তে মুক্ত রাখার আহবানই হ’ল সূরা ইখলাসের সারকথা।

13/03/2022

বর্তমানে বাংলাদেশ এক কঠিন সামাজিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

আগেও মানুষ অসামাজিক কাজে জড়িত হত তবে তা লুকিয়ে চড়িয়ে।এখন সমাজের (কথিত)প্রতিষ্ঠিত/সম্মানিত মানুষজন পর্নস্টারের সাথে ছবি/ভিডিও তুলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গর্বভরে পোস্ট করে! আমাদের সন্তানেরা স্কুল কলেজে এ নিয়ে গল্পগুজব করবে আর তাদের কাছে এটা স্বাভাবিক ঘটনা মনে হবে। তারা হয়ত ভবিষ্যতে এই অসামাজিক কাজ গুলো প্রকাশ্যই করবে।

আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।আমিন।

10/03/2022

সীতাকুন্ডের সকল আপডেট সবার আগে জানতে পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন 👍

সাম্প্রতিক চট্রগ্রাম সাম্প্রতিক চট্রগ্রাম is professional page for Chittagong news update

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka